Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নারী, সৃষ্টি ও বিজ্ঞান – পূরবী বসু

    পূরবী বসু এক পাতা গল্প342 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যুগলবন্দীর ইতিকথা

    যুগলবন্দীর ইতিকথা

    Social monogamy, where you’ve got a pair bond, is not the same as genetic monogamy. Genetic or sexual monogamy appears to be the exception rather than the rule among pairs in the animal kingdom.

    -Stephen Elman

    একগামিতা বা বহুগামিতা কি প্রাণিজগতের সাধারণ একটি প্রবণতা? এটা কি জিনস বা বংশ দিয়ে নির্ধারিত? নাকি পরিবেশ বা সামাজিকভাবে অর্জিত অন্য অনেক কিছুর মতো এটিও স্বভাবগত একটি বৈশিষ্ট্য? বিজ্ঞানীরা আজকাল অবশ্য মানুষের আচরণ ও প্রবণতার অনেক কিছুর ভেতরেই জেনেটিক কারণ আবিষ্কার করেছেন। মদ্যপানের নেশা থেকে শুরু করে বহুগামিতা, ঘন ঘন দুর্ঘটনার শিকার হওয়া, ধর্ষণ বা খুনের প্রবণতা, দাঁতের পোকা লাগা থেকে শুরু করে বহুমূত্র, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের প্রকোপতা, বার্ধক্য, জরা, রুচি, স্মরণশক্তি, প্রসন্ন কি উৎফুল্ল মানসিকতা, বিষণ্ণতা, স্নেহশীলতা, মেজাজ, যুক্তিবাদ—প্রায় সবকিছুর ভেতরই কোনো বিশেষ জিনের কর্মতৎপরতা বা প্রভাব লক্ষ করেছেন তাঁরা। আর গায়ের, চুলের বা চোখের রং, চেহারা, স্থূলত্ব, বিশেষ কোনো বিষয়ে মেধা, মাথায় টাক পড়ে যাওয়া ইত্যাদি ব্যাপারে বংশের ধারার কথা তো বহুদিন ধরেই সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত। প্রাণিজগতের বিভিন্ন পশুপাখির স্বভাব ও আচরণ পর্যালোচনা করে ও তাদের জিনসের অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে একগামিতা বা বহুগামিতার প্রবণতাও অনেক ক্ষেত্রেই পূর্বনির্ধারিত অর্থাৎ বিশেষ বিশেষ জিনসের কর্মকাণ্ডেই পরিচালিত। কখনো কখনো তা সামাজিকভাবেও অর্জিত। তাই এ ব্যাপারে একেক প্রাণীতে একেক ধরনের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।

    তবে এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়, মানুষসহ যেসব প্রাণীর মধ্যে একগামিতা লক্ষ করা গেছে, তার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা রক্ত বা ‘জিনস’ দিয়ে পরিবাহিত নয়। পরিবেশগত কারণে ও সামাজিক প্রয়োজনে বা চাপে তারা একগামিতার চর্চা করে থাকে। প্রাণীকুলে ব্যবহারিক ক্ষেত্রে দু রকম একগামিতা রয়েছে। ১. যৌন সংক্রান্ত বা বংশগত একগামিতা (জেনেটিক একগামিতা); ২. সামাজিক একগামিতা। এমন অনেক পশুপাখি আছে যারা যৌন আচরণে একগামী নয়। কিন্তু বাচ্চাদের রক্ষণাবেক্ষণে, গৃহনির্মাণে ও একসঙ্গে বসবাসে, চলাফেরা করার ক্ষেত্রে অর্থাৎ সামাজিকভাবে একগামী। ফলে সাধারণভাবেই প্রশ্ন এসেছে, একগামিতা কি তাহলে সমাজ ও পরিবারের স্বার্থে, জীবকুলের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে, আরো পরিষ্কার করে বললে সন্তানের কল্যাণের প্রয়োজনে, তার সুস্থ লালন-পালনের নিশ্চয়তা বিধানে পিতামাতার ওপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া বা তাদের স্বেচ্ছায় ঘাড়ে নেওয়া একটি বাড়তি দায়িত্ব? এ ব্যাপারে বিভিন্ন প্রাণীর ওপর গবেষণা করে যা পাওয়া গেছে, তা সংক্ষেপে নিচে উল্লেখ করা হলো।

    এক

    স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোয় ওয়াবলার নামে একরকম পাখি রয়েছে যাদের মেয়ে- পাখিগুলো সেসব পুরুষ-পাখিকেই বেশি পছন্দ করে যারা বিভিন্ন সুরে নানারকম করে গান গাইতে পারে। কিন্তু যেসব পুরুষ-পাখির গানের স্টক খুব কম, মেয়েরা পারতপক্ষে তাদের সঙ্গে মেশে না। জেনেটিক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এসব অতি সুরেলা বহুবিধ-গান-গাইয়ে পাখিগুলোর জিনস খুব মজবুত ও সেরা প্রকৃতির। এদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার ফলে যে সন্তানদের জন্ম হয়, জীবনের দৈর্ঘ্য ও অন্যান্য গুণগত বিচারে আসলেই তারা সেরা। ফলে মেয়ে-পাখিগুলো যদি একবার ওই সুরেলা ‘সুপার পুরুষ-পাখির সন্ধান পায়, তাহলে তারা একগামী থেকে যায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে যদি তারা ‘স্বল্পপুরুষ’ অর্থাৎ কেবল একটি বা দুটি-গান-গাইয়ে সঙ্গীর কবলে পড়ে, যাদের সঙ্গে নিকৃষ্টতর সন্তানের জন্ম দিয়ে থাকে তারা, তা হলে মেয়ে-পাখিদের চোখ সবসময় ঘুরে বেড়ায় আরো বেশি পুরুষালি স্বভাবের সুকণ্ঠ সেই সঙ্গীর সন্ধানে যাকে দিয়ে তাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের জন্ম দেওয়া সম্ভব হবে। ফলে এখানে একগামিতা ও বহুগামিতা নির্ভর করছে কোন ধরনের পুরুষের সংসর্গে ছিল মেয়ে-পাখিটি। আর এর ভিত্তি হিসেবে মেয়ে-পাখির আকাঙ্ক্ষিত সুস্থ, সবল, দীর্ঘজীবী সন্তানের নিশ্চয়তাকেই চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা।

    দুই

    কাটা বা নষ্ট ফলের ওপর উড়ন্ত মাছিদের ভেতর একটা অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। পুরুষ-মাছিগুলো নিজের বংশ বৃদ্ধির নিশ্চয়তা দিতে সঙ্গমের সময় বীর্যের সঙ্গে কিছু বিষাক্ত পদার্থ ঢেলে দেয় মেয়ে-মাছির শরীরে যা মেয়েটির কামস্পৃহা দাবিয়ে রাখে। শুধু তাই নয়, এই বিষ অন্য পুরুষ-মাছির শুক্রাণুকে ধ্বংস করে দেয়। সেইসঙ্গে মেয়ে- মাছিটিও কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি কৃত্রিমভাবে এ প্রজাতিকে একগামী করার একটা প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। তারা জোড়ায় জোড়ায় এ মাছিদের ভিন্ন ভিন্ন পাত্রে রেখে কয়েক প্রজন্ম ধরে অনুসরণ করে দেখেছেন যে, এ বিশেষ প্রজাতির মাছিদের কোনোমতে যদি একগামী করা যায়, অর্থাৎ পুরুষ-মাছিদের যদি নিশ্চয়তা দেওয়া যায় যে তার নিজস্ব বংশেরই শুধু ধারাবাহিকতা রক্ষা করবে তার সঙ্গিনী, অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে মিলিত হবে না, তা হলে তার বীর্যের ভেতর সেই বিষাক্ত পদার্থের পরিমাণ আস্তে আস্তে কমতে কমতে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। অর্থাৎ একগামী সঙ্গীর বীর্যের প্রকৃতি বহুগামীর বীর্যের মতো হিংসুটে, স্বার্থপর, ক্ষতিকর ও নিষ্ঠুর প্রকৃতির নয়। একগামী স্ত্রী-মাছিকেও দেখা গেছে তার একগামী সঙ্গীর (বহুগামী সঙ্গীর তুলনায়) প্রেম নিবেদন ও যৌন আচরণে অনেক বেশি উৎসাহী, আগ্রহী ও সক্রিয় হতে। একগামী মাছি-দম্পতির জীবিত সন্তানের সংখ্যাও গড়ে ২৮ শতাংশ বেশি বহুগামী দম্পতির তুলনায়।

    তিন

    ব্লু বার্ড বা নীল পাখির কথা অনেকেই জানেন। সামাজিকভাবে এরা জুটি বাঁধে খুব গভীরভাবে। নীড় রচনা, ডিমে তা দেওয়া, শিশুসন্তানকে সঙ্গ দেওয়া, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, খাবার যোগাড় করা, খাইয়ে দেওয়া——–—সব ব্যাপারেই এ দম্পতি পরস্পরকে সহযোগিতা করে। কিন্তু জেনেটিক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এদের মধ্যে প্রায় শতকরা ১৫-২০ টি বাচ্চার সামাজিকভাবে স্বীকৃত পিতা আসলে জেনেটিক পিতা নয়। অর্থাৎ এত ঘনিষ্ঠতা, এরকম পারস্পরিক নির্ভরতা, একত্রে সন্তান লালন-পালন, চলাফেরার পরেও দেখা যায় স্ত্রী ব্লু বার্ড কখনোসখনো এদিক-সেদিকে নজর দিয়ে ফেলে। অবশ্য পুরুষ ব্লু বার্ডের যদি এ ব্যাপারে মনে কোনো সন্দেহ বিঁধে থাকে, যদি তার ধারণা হয়, এ ডিম বা শিশুপাখি তার নিজের সন্তান নয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে সে পরিত্যাগ করবে সেই নীড়, তার সঙ্গিনী এবং সন্তানদের। এমনকি পরসন্তানদের কখনো কখনো মেরেও ফেলে সে। তবু জেনেটিক একগামিতা একেবারে পুরোপুরি না থাকা সত্ত্বেও সামাজিক একগামিতার যে-চিত্র দেখা যায় ব্লু বার্ডের সমাজে, তাকে বিজ্ঞানীরা এভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। তারা দেখেছেন, প্রায় সব পাখিকুলেই এবং বিশেষ করে ব্লু বার্ড প্রজাতির ভেতর সন্তান লালন-পালনের জন্যে পিতামাতার উভয়ের অবদানই প্রয়োজন— অর্থাৎ দু জনের সক্রিয় ভূমিকাই দরকার। যেহেতু পাখিদের বাসা বাঁধতে হয়, ডিমে তা দিতে হয়, ছোট্ট শিশুদের খাবার যোগাড় করে এনে মুখে পুরে দিতে হয়, একা মায়ের পক্ষে সেটা করা সম্ভব হয় না। ফলে খুব নিবিষ্ট মনে তারা সন্তানের জন্য জুটি বাঁধে। এ জুটি মূলত সামাজিক জুটি। কিন্তু এরই মাঝে পুরুষ ব্লু বার্ড ফাঁকতালে অর্থাৎ মেয়ে ব্লু বার্ড খাবারের সন্ধানে গেলে কখনোসখনো পাশের বাড়ির মেয়ে সঙ্গিনীর সঙ্গে লীলাকলায় মেতে ওঠে। আর মেয়ে সঙ্গিনীও অনুরূপভাবে কখনো কখনো এখানে-সেখানে মন ও দেহ দেওয়া- নেওয়া করে আবার গুটিগুটি পায়ে ঘরে ফিরে আসে। দাম্পত্য জীবনের বাইরে এ ধরনের সম্পর্ক পুরুষ পাখি করে পুরুষ জাতির মৌলিক প্রবৃত্তি চরিতার্থ করতে অর্থাৎ যতগুলো সম্ভব ততগুলো সন্তান উৎপাদন করতে। কিন্তু মেয়ে-পাখিরাও কেন এমন করে ফেলে মাঝে মধ্যে? প্রথম প্রথম মেয়ে- পাখিগুলোর বহুগামিতাকে অন্য পুরুষ-পাখি কর্তৃক ধর্ষণ বলেই বিজ্ঞানীরা মনে করত। কিন্তু পরে দেখা গেল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্ত্রী পাখিদেরও এরকম সংক্ষিপ্ত সম্পর্কে সক্রিয় সমর্থন রয়েছে। অর্থাৎ এটি স্বেচ্ছাকৃতই। তা না হলে তারা ইচ্ছে করলেই অনাকাঙ্ক্ষিত বীর্য শরীর থেকে উপড়ে ফেলতে পারে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হয়েছে, মেয়ে-পাখিরা অন্য পুরুষের সঙ্গে সাময়িক এ সম্পর্ক করে বৈচিত্র্যময় প্ৰজন্ম সৃষ্টি করার জন্য যাতে তার প্রজাতির অস্তিত্ব বজায় থাকে। একই রকম সন্তান ধারণ করার ফলে যাতে কোনো প্রাকৃতিক বা পরিবেশগত পরিবর্তনে তার সম্পূর্ণ প্রজাতি একদিন নিশ্চিহ্ন হয়ে না যায়।

    চার

    ক্যালিফোর্নিয়ার একরকম ইঁদুর আছে যারা ভীষণভাবে একগামী। যৌন সম্পর্ক স্থাপন করার অনেক আগে থেকেই তারা জুটি বাঁধে এবং আমৃত্যু এ জুটির বাঁধন অটুট রয়ে যায়। এই ইঁদুরকে বিজ্ঞানীরা বিরলের চেয়েও বিরল বলে আখ্যায়িত করেছেন। এ প্রজাতির ভেতর পুরুষ-ইঁদুররা এতই দৃঢ়চেতা যে যৌনতাড়িত মেয়ে-ইঁদুররা পাশাপাশি ঘোরাঘুরি করলেও, যৌন আমন্ত্রণ জানালেও, নিজের সঙ্গিনীকে ছেড়ে সে ওইসব ডাকে কখনো সাড়া দেবে না। একই রকমভাবে একবার জুটি বাঁধার পর স্ত্রী-ইঁদুরটিও অন্য কোনো পুরুষ-ইঁদুরের দিকে ফিরে তাকায় না। এদের জীবনযাত্রা ও পরিবেশ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, এ বিশেষ ইঁদুরদের জীবন বড়ই সংগ্রামময়। খাদ্যের দারুণ অভাব। সর্বোপরি শীতকালে এত বেশি ঠাণ্ডা যে সেখানে সেই পাখিদের মতো এ ইঁদুরদেরও সার্বক্ষণিকভাবে নিজেদের শারীরিক উষ্ণতা দিয়ে সন্তানদের বাঁচিয়ে রাখতে হয়। আর সেটা মা বা বাবা একার পক্ষে কোনোমতেই করা সম্ভব নয়। একজনকে সন্তানদের উষ্ণতা বিলাতে হলে আরেকজনকে যেতে হয় খাদ্যের সন্ধানে। আর তাই পাখির মতোই এ প্রাণীরাও জুটি বাঁধে। শুধু সামাজিক জুটি নয় যৌন জুটি বা জেনেটিক জুটিও বটে।

    পাঁচ

    সামাজিক ও জেনেটিক ভিত্তি ছাড়াও জুটি বাঁধার ‘নিউরোহরমোনাল’ একটি কারণ রয়েছে বলে ইদানীং বিজ্ঞানীরা কেউ কেউ মনে করছেন। তাঁরা ‘প্রেইরী’ ভোলস বলে একরকম ‘ছুঁচো’ জাতীয় প্রাণীর ওপর পরীক্ষা করে এ তথ্য বের করেছেন। এ প্রজাতির ভেতর পুরুষ ও স্ত্রী একবার জুটি বাঁধার পর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে অসংখ্যবার যৌন মিলনে অংশগ্রহণ করে থাকে। এদের এ অতিরিক্ত যৌনক্রিয়া ও প্রগাঢ় জুটি বন্ধনের সম্পর্ক খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করলেন, অল্প সময়ের ভেতর এতবার যৌন মিলনের ফলে এদের উভয়ের শরীরের ভেতরেই এক বিশেষ রকম হরমোন নিৰ্গত হয়। পুরুষদের মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত নির্গত এ হরমোনটি হলো ভেসোপ্রেসিন (পুরুষের আগ্রাসী স্বভাব ও পিতৃসুলভ আচরণের জন্য দায়ী হরমোন)। আর মেয়েদের মধ্যে নির্গত হরমোনটি হলো অক্সিটোসিন (যে হরমোন মাতৃত্বের বিকাশ ও দুগ্ধদানে সাহায্যকারী)। রক্তে এসব হরমোনের ঊর্ধ্বমাত্রাই পরস্পরের সঙ্গে জুটি বাঁধাকে এতটা মজবুত এতটা প্রগাঢ় করে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন। মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীর শরীরেও যৌন মিলনের ফলে এ ধরনের কোনো রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে কি না, যা তাদের যুগলবন্দী রচনায় সহায়ক, তা এখন পর্যন্ত জানা যায় নি।

    ছয়

    বেশ কয়েক বছর আগে আমেরিকান এক নৃতাত্ত্বিক লক্ষ করলেন যে, বিবাহিত দম্পতির মধ্যে বিচ্ছেদের হার সবচেয়ে বেশি যাদের সাত বছরের অধিককাল হলো বিয়ে হয়েছে অথচ সন্তান হয় নি। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কও ঘটে এ সময়েই সবচেয়ে বেশি। তিনি আরো দেখলেন, যেসব দম্পতির প্রথম সন্তানের বয়স ছয় বা সাত পেরিয়ে যাবার পরও দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয় নি, তাদের মধ্যেও বিচ্ছেদের হার খুব বেশি। অথচ পাঁচ বছরের মধ্যে যাদের আরেকটি সন্তান হয়েছে, তাদের বিয়ে ভেঙেছে খুব কম। অনুসন্ধান করতে গিয়ে প্রথমেই যেটা সাধারণভাবে মনে আসে তা হলো, সন্তান হয়তো একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। দু জনের সম্মিলিত সৃষ্টি এ সন্তান হয়তো তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নত ও সুখকর করতে সাহায্য করে। কিন্তু এ নৃতাত্ত্বিকের মতে ব্যাপারটা অত সহজ নয়। সন্তান পিতামাতার সম্পর্কে এক ধরনের সেতুবন্ধন সৃষ্টি করে সন্দেহ নেই। কিন্তু সেটাই শেষ বা একমাত্র কথা নয়। আসল কথা হলো জন্মের পর মানবশিশুর লালন-পালন ও পরিচর্যার প্রয়োজন হয় জীবজগতের অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় অনেক বেশি। উদাহরণস্বরূপ গবেষক উল্লেখ করেছেন, একজন ষাট কেজি ওজনের মায়ের নবজাত সন্তানের ওজন হয় মাত্র আড়াই থেকে সাড়ে চার কেজি। অর্থাৎ মানবশিশু তুলনামূলকভাবে আকৃতিতে অত্যন্ত ছোট ও কাঠামোগতভাবে বেশ নাজুক হয়ে জন্মায়। ফলে গরু, ছাগল, বাঘ বা কুকুরের বাচ্চারা জন্মের কয়েক মিনিট থেকে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই যেমন হেঁটে-চলে বেড়াতে পারে ও নিজে নিজে খেতে পারে, সেখানে মানবশিশুর লাগে বেশ কয়েক বছর সেই অবস্থায় পৌঁছাতে। আর তাই জন্মের প্রাথমিক বছরগুলোয় তাদের পরিচর্যায় এতটাই ব্যস্ত থাকতে হয় পিতামাতাকে যে, নিজেদের জীবনের অন্য সমস্যাবলি, অভাব অথবা দুর্বলতাগুলো ততটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে না তখন। মোট কথা প্রকৃতিগতভাবে অসহায়, পরমুখাপেক্ষী ও নির্ভরশীল মানবশিশু পিতামাতাকে একত্র করে রাখে তার লালন-পালনের ব্যস্ততায়। এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে গবেষক বলেছিলেন, যখন থেকে বিবর্তনের মাধ্যমে চার হাতে-পায়ে হামাগুড়ি দিয়ে চলার বদলে দু পায়ে নির্ভর করে লম্বা হয়ে চলতে শুরু করল মানুষ, তখন থেকেই হয়তো এ পরিবর্তনের সূচনা। কেননা পায়ের ওপর দণ্ডায়মান অবস্থায় সোজা হয়ে চলার জন্য মানুষের জরায়ুর আয়তন গেছে কমে। ফলে তাদের গর্ভজাত সন্তানের আনুপাতিক ওজনও হয় অন্যান্য জীবজন্তুর তুলনায় কম- যার জন্যই তারা অনেক বেশি নির্ভরশীল ও অসহায়। পরিশেষে বলা যায় :

    ১. প্রাণীকুলে একগামিতার প্রবণতা বা চর্চা স্বাভাবিক কোনো প্রক্রিয়া বা নিয়ম নয়। এটা ব্যতিক্রম।

    ২. একগামিতা (জেনেটিক না হলেও সামাজিক একগামিতা) সন্তানের জীবনরক্ষা, লালন-পালন ও কল্যাণের জন্যই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। যে-প্রজাতির শিশু যত অসহায় ও পিতামাতা উভয়ের ওপর যত নির্ভরশীল সে-প্রজাতির পিতামাতার জুটির বাঁধন তত মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী।

    ৩. প্রাণিজগতে বহুগামিতার ভিত্তি হিসেবে পুরুষদের দ্রুত বংশবৃদ্ধি ও মেয়েদের বৈচিত্র্যময় প্রজন্ম সৃষ্টিকে (যা পরবর্তী বংশধরদের টিকে থাকা বা প্রতিকূল পরিবেশে জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার নিশ্চয়তা দেয়) চিহ্নিত করা হয়েছে।

    ৪. মানুষের যৌনাচার বা যৌনপ্রবণতা অনেকটা নীল পাখিদের মতো। সামাজিক একগামিতা রয়েছে। কিন্তু মাঝে মধ্যে দৃষ্টি ও মনোযোগ এখানে-সেখানে নিবদ্ধ হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা ও আগ্রহ। আমেরিকান এক বিজ্ঞানীর মতে, যুক্তরাষ্ট্রে যদি কখনো সঠিক পিতৃত্ব নির্ণয় করা হত, তাহলে দেখা যেত অন্তত ১০ শতাংশ সমাজিক পিতা তাদের সন্তানদের জেনেটিক পিতা নন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)
    Next Article হে সময় অশ্বারোহী হও – পূর্ণেন্দু পত্রী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }