Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প176 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – ৯

    নয়

    পরদিন সকালে ক্রীকের ধারে মাইনাররা সবাই কঠিন পরিশ্রম করছে। বেক ভুল বলেনি, ড্রাই মাইনিঙ সত্যিই শক্ত কাজ।

    বাড ট্রেভার বেলচা দিয়ে পাথর লঙ টমের ওপর ফেলছে-ওর স্ত্রী ক্রীক থেকে বালতি ভরে পানি তুলে নিয়ে ঢালছে। বাড জানে এই ভারি কাজ তার বউ দুএক ঘণ্টার বেশি চালিয়ে যেতে পারবে না। তবু ওদের চেষ্টার ত্রুটি নেই।

    রসি আর বেক ক্রীকের মাঝখানে কাজ করছে। একজন কাদা-মাটি সরাচ্ছে, আর অন্যজন নুড়ির ভিতর সোনা খুঁজছে।

    জেক হেণ্ডারসন অনেকক্ষণ একটানা পরিশ্রম করে এখন একটা বড় পাথরের ওপর বসে কিছুটা জিরিয়ে নিচ্ছে।

    প্যাটের বউ নেই যে ওকে সাহায্য করবে। একাই একমনে কাজ করে চলেছে ও। বেলচা দিয়ে পাথর তুলছে, আবার বেলচা রেখে বালতি দিয়ে পানি আনছে। পানি তোলার অভ্যাস নেই বলে হাতের পেশী আর কোমর ধরে গেছে। অবসর নেয়ার উপায় প্যাটের নেই। প্রীচারের অবর্তমানে নেতৃত্ব দেয়ার জন্যে মাইনাররা ওরই মুখ চেয়ে আছে। সে-ই যদি হাল ছেড়ে দেয় তবে রাত নামার আগেই কার্বন ক্যানিয়ন খালি হয়ে যাবে।

    কাজের একাগ্রতায় কখন যে নিতা ওখানে এসে দাঁড়িয়েছে খেয়ালই করেনি মাইনার।

    ‘প্যাট?’

    আড়চোখে মেয়েটাকে একবার দেখে নড করল জনসন। কিন্তু কাজ থামাল না।

    ‘তুমি আমার ওপর রাগ করেছ, প্যাট?’

    ‘নাহ্,’ অন্যমনস্ক ভাবে জবাব দিল সে। ‘তোমার এমন মনে হলো কেন?’ কাঁধ উঁচাল মেয়েটা। ‘জানি না। তাহলে কি মামির ওপর রাগ?

    মুখ কুঁচকে সোজা হয়ে বেলচায় ভর দিয়ে দাঁড়াল প্যাট্রিক। ও ভাল করেই জানে যা বলতে এসেছে সেটা বলার সুযোগ না পাওয়া পর্যন্ত মেয়েটা ওকে শান্তিতে কাজ করতে দেবে না।

    ‘না, তা আমি বলব না। ওকে ঠিক রাগ বলা চলে না।’

    সমঝদারের মত মাথা ঝাঁকাল নিতা। ‘তোমার মনে ব্যথা দিয়েছে মা, তাই না? আমি জানি মনে ব্যথা পেলে কেমন লাগে। ‘তুমি যদি কাউকে ভালবাস, ওকে মুক্তি দাও। যদি ফিরে আসে তবে সে তোমার। যদি না ফেরে, তবে সে কোনদিন তোমার ছিল না।’

    মনেমনে একটু চমকাল প্যাট। ওইটুকু মেয়ে এসব কথা কোথায় শিখল? অবাক হলেও ব্যাখ্যা চাইল না। বলল, ‘হয়তো তাই। কিন্তু ওসব কথা পরে হবে, কেমন? এখন আমার অনেক কাজ আছে।’ বেলচা তুলে ক্রীকের আলগা নুড়ির ওপর আক্রমণ চালাল সে।

    ‘তোমার ঘোড়াটা কিছুক্ষণের জন্যে আমাকে চড়তে দেবে?’

    আবার কাজ থামাল প্যাট। ওর মাথায় বিভিন্ন চিন্তা না থাকলে হয়তো কারণ জিজ্ঞেস করত। কিন্তু নিতাকে তাড়াতাড়ি বিদায় করার জন্যে শুধু জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি একা জিন চড়াতে পারবে?’

    লজ্জা পেল মেয়েটা। ‘জিন আগেই চাপিয়েছি।’

    ‘ঠিক আছে, তাহলে একটু বেড়িয়ে এসো।’

    ‘ধন্যবাদ, প্যাট।’ খুশিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠল ওর মুখ। চট করে ঘুরে ঢাল বেয়ে প্যাটের আস্তাবলের দিকে ছুটল ওয়ানিতা।

    আমার যদি ওর মত প্রাণশক্তি থাকত! নিতার ছুটে চলা দেখে ভাবল প্যাট। লঙ টমের ওপর আরও পাথর চাপিয়ে বালতি করে পানি আনতে গেল ও।

    পানি নিয়ে ফেরার পথে একটা বিকট চিৎকার শুনে থমকে দাঁড়াল। সাথে অস্ত্র না থাকায় বালতি ছেড়ে ছুটে গিয়ে বেলচাটা হাতে তুলে নিল। শব্দের উৎস খুঁজে পেয়ে আশ্বস্ত হলো। দেখল স্পাইডার স্মিথ তার ক্লেইমে এক পা তুলে ধেই-ধেই করে নাচছে আর খুশিতে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করছে।

    ‘পেয়েছি! পেয়েছি! আমি বড়লোক!’

    পাউরুটির সমান আকারের একটা জিনিস হাতে পাগলের মত নাচছে ও। ‘দেখে যাও আমি কি পেয়েছি!’ জিনিসটা মাথার ওপর তুলে ধরল স্মিথ। ‘এডি! টেডি! দেখো ড্যাডি ঝর্না থেকে কি তুলেছে!’

    ‘তোমার হাতে ওটা কি, স্পাইডার?’ চিৎকার করল বেক। ‘কচ্ছপ?’

    ‘চাঁপা কলার কাঁদি!’ নাচতে নাচতেই জবাব দিল মাইনার। ‘কলাগুলো সব সোনার নাগিট! এত, যে গোনা যাচ্ছে না! ‘

    ‘শিট!’ বিস্ময় প্রকাশ করতেও একই শব্দ ব্যবহার করে রসি। হাতের যন্ত্রপাতি ফেলে স্মিথের দিকে ছুটল রসি আর বেক।

    এডি আর টেডি আগেই পৌঁছে গেছে। স্পাইডারের হাতে বড় পিণ্ডটার দিকে চেয়ে প্রশ্ন করল টেডি, ‘ওটা কি, ড্যাডি?’

    ‘কিসের মত দেখাচ্ছে, বোকা পাঁঠা?’ খুশিতে ওটা শূন্যে ছুঁড়ে আবার লুফে নিল। ‘সোনা! এত সোনা সারা জীবনেও একসাথে দেখার সুযোগ পাবে না।’

    অভিভূত ছেলেদের দিকে চেয়ে সে আবার বলল, ‘হাঁ করে মূর্তির মত দাঁড়িয়ে থেকো না, যাও, তৈরি হয়ে নাও-আমরা শহরে যাচ্ছি।’

    ‘আমরা?’ অবিশ্বাসে বিস্ফারিত হলো টেডির চোখ।

    ‘শহরে যাচ্ছি?’ এডি বলল।

    ‘হ্যাঁ, আমরা শহরে যাচ্ছি। স্মিথ পরিবার আজ আনন্দ করবে।’

    নিজের ক্লেইমে দাঁড়িয়ে স্পাইডারের সাফল্যে প্যাটের মন খুশিতে ভরে উঠল। কার্বন ক্যানিয়নে সোনার খোঁজে এসেই স্পাইডারের সাথে ওর পরিচয়। ওই বুড়ো তাকে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে প্রচুর বাস্তব, আর অমূল্য উপদেশ দিয়ে সাহায্য করেছে। প্রতিদানে লোকটা কোনদিন কিছু চায়নি। সোনা যদি কেউ পায় তা ওরই পাওয়া উচিত।

    ঢালের ওপর লণ্ডি-বাস্কেট হাতে মারিয়াকে দেখতে পেল প্যাট। মহিলা স্পাইডারের ক্লেইমের দিকে চেয়ে কয়েক সেকেণ্ড ওদের উল্লাস উপভোগ করল। তারপর তারের ওপর কাপড় শুকোতে দেয়ার কাজে ব্যস্ত হলো।

    প্যাট জানে সোনার নেশায় অনেকে ভালবাসার মানুষের চেয়েও সোনাকে বেশি দাম দিতে শুরু করে। সেও কি তাই করছে? নিতা কি যেন বলছিল- ভালবাসলে তাকে মুক্তি দাও, ফিরে এলে সে তোমার? কাজ ফেলে ঢাল বেয়ে মারিয়ার দিকে এগোল সে।

    কখন যে প্যাট কাছে এন্সে দাঁড়িয়েছে টের পায়নি মারিয়া। কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে মেয়েটার কাজ করা দেখল ও। অনেক কথাই বলতে চায়, কিন্তু কাছে এলেই ওর সব কথা কেমন যেন এলোমেলো হয়ে যায়। মনকে শক্ত করল মাইনার। আজ সে বলবেই।

    ‘মারিয়া?’

    কাপড়ে ক্লিপ আঁটতে বাড়ানো হাতটা হঠাৎ থেমে গেল, কিন্তু সাড়া দিল না

    ‘গত কয়েকদিনে তুমি যেন আমার থেকে অনেক দূরে সরে গেছ। কেন, মারিয়া?’

    ‘কই না তো?’ কোন আবেগ প্রকাশ পেল না ওর স্বরে।

    কিছুক্ষণ দুজনেই নীরব থাকল। বলার মত কথা খুঁজে পাচ্ছে না প্যাট। অগত্যা প্রসঙ্গ পালটাল।

    ‘আজকে ভাল এক তাল সোনা পেয়েছে স্পাইডার।’

    ‘হ্যাঁ। অন্তত একজন কার্বন ক্যানিয়ন ছেড়ে যাওয়ার সময়ে কিছু টাকা নিয়ে যেতে পারবে।’

    ‘অবস্থা যা দাঁড়িয়েছে তাতে আমাদের সবারই কার্বন ছাড়তে হবে।’

    কোন মন্তব্য করল না মারিয়া। কেবিনের দিকে রওনা হলো। নিচু হয়ে তার পেরিয়ে চট করে ওর পথ আটকে দাঁড়াল প্যাট।

    ‘বলো, আমার কি দোষ যে তুমি আমাকে পছন্দ করো না?’

    ‘কিছুই না।’

    ‘তাহলে আমাকে পছন্দ করো না কেন?’

    ‘কে বলল পছন্দ করি না?’

    নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারছে না প্যাট। ডার্বি ওদের এই ক্যানিয়নে থাকতে দেবে না—তাই ছাড়াছাড়ি হওয়ার আগে এখনই সে নিশ্চিত হতে চায়।

    ‘তাহলে বলো, তুমি আমাকে চাও?’

    ‘হ্যাঁ, চাই, চাই, চাই!’

    আনন্দ রাখতে না পেরে দুহাতে মারিয়াকে জড়িয়ে ধরল প্যাট। মারিয়া সমস্ত শক্তি দিয়ে ওকে আঁকড়ে ধরে নিজের মনের সব সংশয় যেন নিঙড়ে বের করে দিতে চাইছে। প্যাটের বুকে মাথা গুঁজে আবেশে চোখ বন্ধ করে আলিঙ্গনটা পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করছে মারিয়া।

    .

    মাইনিঙের যেসব কাজে টিম ডার্বি নিজে অংশ নেয় তারমধ্যে চল্লিশ ফুট লম্বা ফ্লুইসের ওপর নজর রাখার কাজটাই ওর সবথেকে বেশি পছন্দ। এতে একটা- দুটো নাগিট নিজের পকেটে ভরার সুযোগ সে পায়। হ্যাঁ, নিজেরটাই চুরি করছে-কিন্তু ওর যতটা প্রয়োজন, হাত খরচার জন্যে তত টাকা জিম ওকে দেয় না। তাই এভাবেই সেটা পুষিয়ে নেয় ও। নীতির কোন বালাই টিমের নেই- বুড়ো না জানলেই হলো।

    আজকে সুইসে কেবল গুঁড়ো সোনা উঠছে, কোন নাগিট নেই। সবাই জানে কোবল্ট ক্যানিয়নের সোনা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। শীঘ্রি ওদের আর কোথাও সরে যেতে হবে। কোথায়-তাও ওরা জানে, শুধু কয়েকটা খুঁটিনাটি সমস্যা মিটিয়ে নেয়ার অপেক্ষা।

    ম্যাগিল এসে হাজির হলো ক্যাম্পে। ঘোড়ার পিঠ থেকে লাফিয়ে নেমে ছুটে টিমের কাছে গিয়ে কি যেন বলল। দু’তিনজন কর্মচারী মুখ তুলে তাকালেও মনিটরের প্রচণ্ড শব্দ ছাপিয়ে ওদের কথা শুনতে পেল না। কিন্তু বসকে দাঁত বের করে হাসতে দেখে বুঝল খারাপ কোন খবর আনেনি ফোরম্যান।

    ম্যাগিলকে নিজের জায়গায় কাজে লাগিয়ে পাইন গাছের ভিতর দিয়ে ঘোড়া নিয়ে এগোল টিম। জঙ্গলের ভিতর মনিটরের শব্দ তেমন জোরালো নয়। গাছের পাতা আওয়াজ ঠেকাচ্ছে। ম্যাগিল ঠিকই বলেছিল। ওখানে একজন তার জন্যে অপেক্ষা করছে। মেয়ারের পিঠে মেয়েটাকে অত্যন্ত সুন্দর দেখাচ্ছে।

    ‘কোবল্ট ক্যানিয়নে স্বাগতম, ওয়ানিতা।’ ঘোড়ার পিঠে বসেই ঝুঁকে নাটকীয় ভঙ্গিতে কুর্নিশ করল টিম। ‘বড় মাইনাররা কিভাবে কাজ করে দেখতে এসেছ?’

    নিরাসক্ত ভাবে কাঁধ উঁচাল নিতা। ‘হয়তো তাই।’

    তোমার মা জানে তুমি কোথায় আছ?’ মেয়েটার পিছনে তাকিয়ে জঙ্গলে আর কাউকে দেখতে পেল না টিম।

    ‘মাকে বলতে হবে কেন?’ একটু রাগের সাথেই বলল নিতা। ‘ইচ্ছে মত আমি যখন যেখানে খুশি যাই।’

    ‘ভাল কথা। কিন্তু আমার মনে হয় না তোমার এখানে আসাটা সে পছন্দ করবে।’

    ‘আমি কচি খুকি নই। আমার বয়স সতেরো-ষোলো বছর বয়সেই মা বিয়ে করেছিল। তুমি কি মনে করো আমাকে অনুমতি নিয়ে বেরোতে হবে?’

    ‘না, না! আমি তা বলিনি!’ দুহাত উপরে তুলে আত্মসমর্পণের ভঙ্গি করে হাসল টিম। ‘বুঝলাম তুমি নিজের ভালমন্দ নিজেই বুঝতে শিখেছ। বুড়ো আঙুল ঝাঁকিয়ে নিচের ক্যানিয়ন দেখাল সে। ‘এসেই যখন পড়েছ তোমাকে একটু ঘুরিয়ে দেখাব? দেখতেই তো এসেছ, তাই না?’

    ‘ক্ষতি কি?’

    ঘোড়ার মুখ ঘুরিয়ে এগোল টিম। ‘তাহলে এসো।’

    মেয়ারের লাগামটা ঝাঁকি দিল নিতা। ওর ঘোড়া টিমকে অনুসরণ করল।

    আর যা-ই হোক, গাইড হিসেবে টিমের দক্ষতা আছে বোঝা গেল। গাছের ফাঁক গলে বেরিয়ে ক্যানিয়নের উপরের দিকে আঙুল তুলে নির্দেশ করল সে।

    ‘পৌনে এক মাইল দূরে কোবল্ট ক্রীকের অর্ধেক পানি আমরা ঘুরিয়ে এদিকে নিয়ে এসেছি। দেখেছ?’ শব্দ তুলে হাসল ও। ‘ডিনামাইট দিয়ে ড্যাডি ক্রীকের পানি যেদিকে খুশি নিয়ে যেতে পারে।

    ‘পানি একটা খাঁজ দিয়ে ঢাল বেয়ে এসে তোমার ডানদিকে একশো গজ দূরে শেষ হয়েছে।’

    ওদিকে তাকাল নিতা। ‘কিন্তু শেষ কিভাবে হবে? পানিকে কোথাও না কোথাও যেতেই হবে।’

    ‘নিশ্চয়। ওখানে তিন ফুট চওড়া একটা পাইপের ভিতর পড়ছে পানি। পাইপটা প্রায় খাড়া হয়ে নেমেছে। দশ ফুট নিচে পাইপটা সরু হয়ে দুফুট হয়েছে, আরও নিচে একফুটে দাঁড়িয়েছে। পানি যত নিচে নামছে গতি ততই বাড়ছে। পানির চাপ আর পাইপ সরু হওয়ার কারণেই এটা ঘটছে।’

    ‘ঠিক বুঝলাম না।’ মাথা নাড়ল নিতা। ‘আমিও বুঝি না, কিন্তু ড্যাডি তাই বলে।’

    ক্যানিয়নের নিচে নেমে এসেছে ওরা। নিতাকে নিয়ে মনিটর আর সুইসের দিকে এগোল টিম। ডার্বির বিশাল কাণ্ডকারখানা দেখে অবাক হয়েছে মেয়েটা।

    ‘ওখানে ঢালের নিচে,’ বলে চলল টম, ‘একফুট পাইপের পানি একটা ফানেলের মধ্য দিয়ে চার ইঞ্চি হোস পাইপে ঢোকানো হচ্ছে। মনিটরের মাথায় পানির চাপ প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে দুশো পাউণ্ড। কোবল্ট ক্রীকের বাকি অর্ধেক পানি এই ক্যানিয়ন দিয়ে সুইসের ওপর দিয়ে বইছে। মোটামুটি সব ভারি কাজ ক্রীকের পানিই করছে। সুইসে পাথর চাপানোর কাজটাই কেবল আমরা করছি।’

    চারপাশে তাকিয়ে মনিটরের ধ্বংসলীলা দেখে শিউরে উঠল নিতা। কার্বন ক্যানিয়নেরও এই অবস্থা হোক, এটা সে চায় না।

    ‘নরকের মতই দেখাচ্ছে,’ মন্তব্য করল ও।

    টিমের মনে ওই মন্তব্য কোন ছাপ ফেলতে পারল না। সে গর্বের সাথে বলল, ‘এসব যন্ত্রপাতি দিয়ে আমরা দৈনিক বিশ টন পাথর থেকে সোনা বাছাই করে তুলতে পারি। এসব কার্বন ক্যানিয়নের মাইনারদের মত চুনোপুঁটির কাজ নয়।’

    ‘ঘোড়া থামাল টিম। অল্প দূরেই মনিটর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে বাম্বা উলটো পাশের ঢালে পানির তোড় তাক করে কাজ করছে। সুইসটাও কাছেই। ওখানে ম্যাগিলের তত্ত্বাবধানে তিনজন বেলচা দিয়ে পাথর তুলছে। কিন্তু কাজের চেয়ে আরোহী দুজনের ওপরই কর্মচারীদের বেশি মনোযোগ। ওদের চোখেমুখে অশুভ অশ্লীলতার ভাব ফুটে উঠেছে। কিন্তু নিতা সেটা লক্ষ করল না—ওর মন এখন অন্যখানে।

    হাত বাড়িয়ে মেয়ারের লাগাম ছিনিয়ে নেয়ায় বাস্তবে ফিরে এল নিতা। ঘোড়াটাকে টেনে নিজের কাছে এনে সামনে ঝুঁকল টিম। কুৎসিত একটা হাসি ফুটে উঠেছে ওর মুখে।

    ‘আমাদের ক্যাম্প দেখা তো শেষ হলো, এবার বলো তুমি আসলে কেন এসেছ।’

    ওর স্বরে নতুন একটা ভাব খেয়াল করে নিতা চট করে মুখ তুলে তাকাল। ‘আমি-আমি বেড়াতে বেরিয়েছিলাম, ভাবলাম লোকজন যেসব কথা বলাবলি করছে তা নিজের চোখেই দেখে যাই।’

    ‘যুক্তিসম্মত কথা। না দেখা জিনিস দেখার সাধ থাকা খুব স্বাভাবিক। আমারও মনে একটা কিছু দেখার সাধ আছে।’ টিমের হাসি বিশদ হলো। ‘তোমাকে!’

    মাথা নাড়ল নিতা। ভয়ের চিহ্ন ফুটে উঠেছে ওর চেহারায়। ‘বুঝলাম না। তুমি আমাকে আগেও দেখেছ।’

    ‘হ্যাঁ, কিন্তু কাছে থেকে নয়। খুব কাছে।’

    মেয়েটার চোখ বিস্ফারিত হলো। ঘোড়াটাকে স্পারের খোঁচায় আগে বাড়াবার চেষ্টা করল, কিন্তু দেরি হয়ে গেছে। এখন বুঝতে পারছে ভুল তার অনেক আগেই হয়েছে। এটা কার্বন ক্যানিয়ন নয়, আর টিম ডার্বি অত্যন্ত জঘন্য চরিত্রের লোক।

    নিতার আত্মবিশ্বাস সম্পূর্ণ উবে গেছে। টিমের হাত থেকে লাগাম ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করল। সামনে ঝুঁকতেই ওকে জড়িয়ে ধরল লোকটা। দুহাতে মাথায় আর কাঁধে অনবরত কিল মেরেও কোন লাভ হলো না, টেনে নিতাকে কোলে তুলে নিল ডার্বি। কুৎসিত উদ্দেশ্য প্রকাশ পাচ্ছে ওর ভাবে।

    ঠেকাতে পারছে না নিতা। দেহের বিভিন্ন নরম জায়গায় খেলে বেড়াচ্ছে লোকটার হাত। চুমো খাচ্ছে-ভেজা ঠোঁটে আক্রমণ করছে যেন। ওর কাজে মমতার কোন চিহ্ন নেই। নিতা বুঝতে পারছে সামনে চুমোর চেয়েও খারাপ কিছু আসছে।

    কিছু করার নেই জেনেও লড়ে চলেছে ও। সমানে হাত-পা ছুঁড়ছে। মেয়ারটা ওর লাথি খেয়ে লাফিয়ে উঠল। পিঠের ওপর অদ্ভুত ধরনের নড়াচড়ায় আতঙ্কিত হয়ে টিমের ঘোড়াটা ছুট দিল। নিতা আর ঘোড়া-দুটো একসাথে সামাল দিতে পারছে না। ক্যানিয়নের উপর দিকে ছুটছে ঘোড়া।

    ‘বাম্বা!’ চিৎকার করল সে।

    ডাকটা দৈত্যের কানে পৌঁছেচে। এক নজরে পরিস্থিতি বুঝে নিয়ে মনিটরের মুখ ঘোরাল ও। শক্তিশালী পানির তোড় ঘোড়াকে ঠেকিয়ে দিল। কয়েকজন কর্মচারী ঝাঁপিয়ে পানির পথ থেকে সরে গেল। বাকি লোক ভীত বিস্ফারিত চোখে ঘুরে দাঁড়ানো ঘোড়াটাকে ঘিরে ফেলল।

    সম্পূর্ণ ভেজা অবস্থায় পাগলের মত হাসতে হাসতে শেষ পর্যন্ত ঘোড়াটাকে বাগে এনে ফেলল টিম। তারপর নিতাকে একহাতে জড়িয়ে লাফিয়ে নেমে পিছল মাটিতে টাল সামলাল। লোকগুলো আরও কাছে এগিয়ে এল।

    ‘দেখো আমি কি ধরেছি। কার্বন ক্যানিয়নের মেয়ে!’

    ‘আমাকে ছেড়ে দাও!’ রাগে আর ভয়ে চিৎকার করল নিতা।

    ‘খাসা মাল!’ কাদা মাখা এক কর্মচারী মন্তব্য করল।

    ওকে কোথায় ধরলে, বস্?’ আরেকজন প্রশ্ন করল।

    ‘ও নিজের ইচ্ছায় এসেছে! মনে হয় আমাকে ছাড়া থাকতে পারেনি!’

    হেসে উঠল সবাই।

    ডার্বির কর্মচারীরা কার্বন ক্যানিয়নের লোকজনের মত স্থায়ী বাসিন্দা নয়। ক্ষণস্থায়ী লোক। ওরা ক্যাম্পেই অস্থায়ী বাঙ্কহাউসে থেকে কাজ করে। এবং মালিক ছাড়া আর কারও ধার ধারে না। অনেকেরই মাইনের ঘানি টানা ছাড়া জীবন বলতে আর কিছু নেই। লম্বা সময় পাথর টানা, তিন বেলা খাওয়া, ঘুমানো, আর হয়তো মাঝেমাঝে একটু তাস খেলেই ওদের দিন কাটে।

    ওদের কিছু লোক বছরখানেকের মধ্যে নারী সঙ্গ উপভোগ করেনি। যারা করেছে তারা বাজারে মেয়ের সঙ্গই পেয়েছে। তাই ওদের কাছে ওয়ানিতা ফিশার জঙলী ফুলের মাঝে গোলাপের মত।

    ‘ওপরে উঠে পড়ো, টিম!’ গুণ্ডা প্রকৃতির ম্যাগিল উস্কাল।

    ‘চেরিটা খাও, বাছা!’ বয়স্ক একজন বলল।

    ‘শুনে রাখো, আমি কিন্তু সেকেণ্ড!’ বলে উঠল আরেকজন।

    ম্যাগিল ওকে ধাক্কা দিল। ‘মস্তানি ছাড়ো। আমি নেক্সট!’

    পালটা ধাক্কা দিল তৃতীয় বক্তা। ‘কে বলে তুমি আগে?’

    ‘সিনিয়রিটি বলে। আমি ফোরম্যান!’

    ‘আমার গায়ে জোর বেশি!’

    দুজনের কেউ অধিকার ছাড়তে রাজি নয়। মারপিট বেধে গেল ওদের। বাকি লোকজন দুজনকেই উৎসাহ যোগাচ্ছে। উল্লাসে মেতে উঠেছে সবাই।

    ‘ম্যাগিল সেকেণ্ড,’ বলে হাসতে হাসতে নিতাকে মাটিতে ফেলে ওর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল টিম। ‘ম্যাগিলই ওর খোঁজ এনেছিল। তারপর… অর্থপূর্ণ ভাবে সবার দিকে তাকাল ওদের বস্।

    হাওয়া কোন্‌দিকে বইছে বুঝে দাঁত বের করে হাসল বাম্বা। খুশিতে মনিটর ছেড়ে এগিয়ে এল দৈত্যটা। মুহূর্তে আকাশের দিকে পানি ছুঁড়তে শুরু করল হোস পাইপ। পুরো ক্যাম্প ভিজে একাকার হলো।

    ভয়ে ওয়ানিতার অজ্ঞান হওয়ার অবস্থা। সমস্ত শক্তি দিয়ে প্রাণপণে যুঝছে ও। টিমের বুকে ওর দুর্বল হাতের আঘাত পড়ছে। ওদিকে অমানুষটার ভ্রূক্ষেপ নেই। দেহের ওজন দিয়ে মেয়েটাকে মাটিতে চেপে ধরে সে হাত দুটোকে সক্রিয় করল।

    ওর হাতের প্রচণ্ড টানে কলার থেকে কোমর পর্যন্ত ছিঁড়ে গেল ব্লাউজ। দুই হাঁটুর মাঝখানে ঠাণ্ডা অনুভব করল নিতা। টিমের ঊরু জোর করে ওর পা দুটো ফাঁক করার চেষ্টা করছে। লোকটাকে এখন আর সুদর্শন মনে হচ্ছে না-ওখানে ফুটে উঠেছে সাক্ষাৎ শয়তানের চেহারা। মুখ ফিরিয়ে নিল নিতা।

    মনিটরের আওয়াজ ছাপিয়ে একটা প্রচণ্ড শব্দ হলো। প্রতিধ্বনির সাথে টিমের মাথা থেকে হ্যাটটা উড়ে গেল। নিতার ওপর থেকে দুঃসহ ওজনটা হঠাৎ সরে গেল। উঠে দাঁড়িয়েছে টিম। প্রথমে হ্যাটের দিকে তাকিয়ে পরে শব্দের উৎসের দিকে ফিরল ও।

    প্রীচারের ঘোড়াটা ধীর পায়ে এগিয়ে আসছে। কোন তাড়া নেই। লম্বা লোকটার শার্টের বোতাম এখন খোলা। পরিচিত সাদা কলারটা আর ওর গলায় নেই। হ্যাটটা নিচের দিকে টানা রয়েছে বলে চোখ আর মুখের কিছুটা অংশ ঢাকা পড়েছে। এছাড়া টিম ওকে আগে যেমন দেখেছে ঠিক তেমনি আছে ও। একই বুট, ম্যাকিনও আর কালো শার্ট।

    কেবল গানবেল্টের সাথে খালি খাপ আর হাতের পিস্তলটা নতুন।

    ‘প্রীচার!’ চিৎকার করল নিতা। এত জোরে চেঁচিয়ে ওঠায় ওর গলাটা চিরে গেল। কিন্তু এর প্রয়োজন ছিল না। লোকটা জানে ওখানে কি ঘটছে।

    আনন্দ বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় রাগে টিমের চেহারা বিকৃত হয়েছে। শিকারি কুকুরের তাড়া খাওয়া কোণঠাসা চিতার মত সতর্ক চোখে শত্রুকে লক্ষ করছে ও। এই তৃতীয়বার ওই লোকের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পিস্তলের দিকে হাত বাড়াল যুবক। কিন্তু ধীরে বা চিন্তাযুক্ত মনে নয়। এবার অনুশীলন করা দক্ষ হাতে ক্ষিপ্র গতিতে পিস্তল বের করল।

    পিস্তলটা খাপ থেকে বের করার সঙ্গে সঙ্গে হাতে স্লেজের আঘাতের মত একটা প্রচণ্ড ধাক্কা অনুভব করল টিম। পরপর আরও তিনটে গুলির আওয়াজ হলো, কিন্তু একটাই লম্বা শব্দের মত শোনাল। অসম্ভব একটা ব্যাপার। হ্যামারটা যদি ওভাবে টানাও যায় পিস্তলের সিলিণ্ডার এত দ্রুত ঘুরতে পারে না।

    কিন্তু তাই ঘটেছে। ডার্বির পিস্তলটা মাটিতে পড়ার আগেই দ্বিতীয় গুলির আঘাতে ঘুরতে ঘুরতে উড়েছে-তৃতীয় গুলিতে আবার ঘুরেছে-চতুর্থ গুলিতে বিস্ফোরিত হয়ে টুকরোগুলো ছড়িয়ে পড়েছে।

    নিজের ডান হাতের দিকে টিমের নজর পড়ল। কব্জির একটু নিচে হাতের তালুতে লাল একটা গর্ত দেখা দিয়েছে। লাল ক্ষত থেকে ফোঁটা ফোঁটা রক্ত মাটিতে ঝরে পড়ছে। হাঁ করে তালুর দিকে তাকিয়ে আছে ও। অবাক বিস্ময়ে চোখের পাতাও ফেলতে পারছে না। ব্যাপারটা চোখের পলকে কিভাবে ঘটে গেল বুঝে উঠতে পারছে না। ওর থেকে অল্প দূরেই দাঁড়িয়ে আছে বাম্বা। নিরানন্দ চেহারা। আর সবার মত ছুটে পালায়নি ও, কিন্তু বাধা দেয়ারও চেষ্টা করেনি। ডার্বির পিস্তলের কি দশা হয়েছে তা সে দেখেছে।

    ছোট একটা পাহাড়ের মত দাঁড়িয়ে চিন্তিত চেহারায় আক্রমণকারীকে দেখছে বাম্বা। মুখে রাগের কোন চিহ্ন নেই। আছে শুধু কৌতূহল।

    উঠে দাঁড়াল নিতা। কাপড় থেকে কাদা-মাটি ঝেড়ে ফেলার মিছে চেষ্টায় বিফল হয়ে শেষে প্রীচারের দিকে দুহাত বাড়িয়ে দিল। একটু ঝুঁকে এক হাতে ওকে তুলে নিয়ে নিজের সামনে বসাল স্ট্রেঞ্জার।

    প্রীচারের বুকে কাদা মাখা মুখ লুকাল নিতা। থরথর করে কাঁপছে ওর দেহ। ফোঁপানির মাঝে দমকে দমকে কাশি উঠছে। একটা কথাও বলল না লম্বা লোকটা। নীরবে এক হাতে শক্ত করে মেয়েটাকে ধরে রাখল।

    ঘোড়ার মুখ ঘুরিয়ে ওয়াটার ক্যাননের ফোয়ারা ভিতর থেকে বেরিয়ে এল ওরা।

    মনিটরের শব্দ ছাড়া ক্যাম্প থেকে আর কোন সাড়া আসছে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন
    Next Article খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }