Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিতু বলছি – তৌহিদুর রহমান

    তৌহিদুর রহমান এক পাতা গল্প93 Mins Read0
    ⤷

    নিতু বলছি – ১

    নিতু বলছি – তৌহিদুর রহমান
    প্রথম প্রকাশ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    উৎসর্গ
    নোশিন শারমিলি হৃদি।
    আমার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে এই প্রথম কোনো
    ছাত্র বা ছাত্রী যাকে, যাকে আমি কোনো বই উৎসর্গ করছি।
    (মহাকাব্য সাইজের একটা বিশাল উৎসর্গপত্র পাওনা রইল তোর, পরে দেব)

    ১

    আমি নিতু। বেশ কিছুদিন ধরে আমি একটা গোপন সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। শুধু গোপন নয়। গোপন এবং ভয়াবহ। সমস্যাটা শারীরিক। উহুঁ! শরীরঘটিত। কিছুটা আবার মানসিকও। তাই আমি অন্য আর একটা ভয়ংকর সমস্যাজনক ঘটনা ঘটানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি। অনেকটা কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মতো।

    আমি একটা ফিল্ম বানাব। এক্স-রেটেড। যাকে বলে ব্লু-ফিল্ম। সানি লিওন স্টাইল। ফিল্মের নাম হবে ‘লাভ, ইউ ওল্ড জিপসিম্যান।’ বাংলা করলে দাঁড়ায়, ভালোবাসা, তুমি সেই বৃদ্ধ যাযাবর। এমন ছবির এত সুন্দর নাম! কারণ নামটা দিয়েছেন আমাদের রেজা স্যার। অবাক হচ্ছেন! ভাবছেন সমস্যাটা কোথায়? সমস্যা আছে। তবে সেটা একটু পরে বলি। আগে নিজের পরিচয়টা আরও একটু স্পষ্ট করে দিয়ে নেই।

    নিতু আমার ডাকনাম। জেএসসি সার্টিফিকেট অনুযায়ী পুরো নাম মাসুমা আক্তার। ফেইস বুকে অবশ্য ভিন্ন। মাসুমা নিতু। এঞ্জেল নিতু। এবং নিশিকন্যা নিতু। প্রথমটা রিয়েল। বাকি দু’টো? ফেইক। কেন এমনটা? ফেইসবুক চালানো লোকজন সবাই বোঝে। ব্যাখ্যা নিষ্প্রয়োজন। ও, ভালো কথা। আমার তো বয়সই বলা হয়নি এখনও। আমি চৌদ্দ বছর, এগারো মাস, সাতাশ দিন। আগামী পনেরো জুলাই আমার জন্মদিন। তিনদিন বাকি 1 জন্মদিন নিয়ে আমার একটা বিশেষ পরিকল্পনা আছে। ওই দিন আমি শাড়ি পড়ব। টকটকে লাল। ঠোঁটেও তিনশত বিশ কোডের লিপস্টিক। ক্রিমসণ রেড। কারণ? কারণ, ওই দিন আমার ছবির শুভ মহরত করা হবে। ডামি টেক। রেজা স্যারকে ধরে।

    হুঁ, রেজা স্যার হচ্ছেন আমাদের স্কুলের প্রিন্সিপাল। বুড়ো এবং বাঁচাল। বয়স চল্লিশ। যথারীতি জ্ঞানের ডিব্বা। পৃথিবীর খুব কম বিষয়ই আছে, যা তিনি জানেন না। হোক তা ভালো, হোক তা মন্দ। তার একটি ভয়াবহ গুণ হল, তিনি দেখতে সুন্দর। অসম্ভব রকমের। দেবদূতের মতো, রবীন্দ্রনাথের মতো বিচ্ছিরি রকমের সুন্দর। চোখের দিকে তাকালেই পিতলা মনের মেয়েরা প্রেমে পড়ে যায়, এমন টাইপ সুন্দর।

    তার সবচেয়ে বড় এবং মারাত্মক গুণটা এবার বলি

    মনে আছে, শুরুতে বলেছিলাম, আমার একটা সমস্যা হল মানসিক। আর এই মানসিক সমস্যার কেন্দ্রবিন্দুই হচ্ছে তার এই অতিজাগতিক গুণটি। তিনি মন বুঝতে পারেন। স্যরি, মনের কথা। আই মিন, গোপন ভাবনা। কারণ, আমার এক্স-রেটেড ফিল্মের আইডিয়াটা তিনিই প্রথম এবং তিনিই একমাত্র আবিষ্কার ও উন্মোচন করেন। তা-ও সরাসরি। ফেইস টু ফেইস ডিসকাশনে। কীভাবে? বলছি।

    .

    রেজা স্যার সেদিন তার রুমে আমাকে স্পেশাল কল করেছিলেন।

    স্পেশাল কল হল প্যাদানি কল। মানে, অতিদোষে দুষ্ট ছাত্রীদের প্রিন্সিপাল স্যারের রুমে ডেকে নিয়ে কমপ্লেইন এন্ড থ্রেটিং। আমার দোষ! টানা তিনদিন হোমওয়ার্ক জমা দেইনি। নো সাবজেক্ট।

    স্যার আমাকে ঠাণ্ডাভাবে বললেন, খুব টেনশন?

    আমি নির্বাক। কারণ আমি জানি এটা হলুদ বাতির সিগনাল৷ মানে অভিভাবককে কমপ্লেইন দেয়া হবে।

    স্যার চেয়ারটার দিকে তাকালেন।

    বসো নিতু।

    আমি স্যারের দিকে তাকালাম। এটা সম্ভবত রেড সিগনাল। সময় নেয়া হচ্ছে। কমপ্লেইন ইনস্ট্যান্টও দেয়া হতে পারে। গরম গরম। সরাসরি টেলিফোন। অভিভাবককে।

    আমি সাহস নিয়ে বসলাম। স্যারের সামনে আমার পাঁচটা বিষয়ের বাড়ির কাজ খাতা। যার প্রতিটিতে লাল সিল, ‘হোমওয়ার্ক নট সাবমিটেড’। স্যার আমার দিকে না তাকিয়ে, খাতা বরাবর চোখ রেখে বলতে লাগলেন। যেন প্রশ্নটা খাতাগুলোকেই করা হচ্ছে।

    তারপর, বল নিতু! হোমওয়ার্ক না-করার পিছনে প্রধান কারণটা কী! ফিল্ম, না টেনশন?

    যথারীতি এসি’র আঠারো ডিগ্রি টেম্পারেচারের মধ্যেই ঘামতে শুরু করলাম আমি।

    ইট্স ওকে। লেট্স হ্যাভ সাম ডিসকাশন অ্যাবাউট ইয়োর ফিল্ম। ফিল্মের কোন দিকটা তোমার কাছে লেস ইম্পর্টেন্ট। কারেক্টার, অর স্টোরি!

    আমার বলা উচিত, পানি! স্যার, ওয়াটার। স্যার, ওয়াটার ইজ মোর ইম্‌পরেটেন্ট দ্যান অ্যানিথিং অ্যাট দ্যা মোমেন্ট।

    কারণ ততোক্ষণে আমার গলা শুকিয়ে একদম কাঠ। সাহিত্যের ভাষায় যাকে বলে চৈত্রের দাবানলে জ্বলন্ত কাষ্ঠ। হাত-পা থরথর করে কাঁপছে। ফিল্মের কথা স্যার জানলেন কিভাবে! কেবলমাত্র তার আগেরদিন রাতেই এই আইডিয়াটা আমার মাথায় আসে প্রথম। তা-ও আবার তিনরাত তিনদিন প্রায় নির্ঘুম কাটানোর পর। আমি মানসিকভাবে তীব্র ধাক্কা খেলাম।

    বেশ কিছুদিন আমার ভেতরে একটা তীব্র প্রতিশোধের স্পৃহা কাজ করছে। আর সেখান থেকেই আসলে এই ছবি তৈরির পরিকল্পনা। কিন্তু সেটা তো আমি কাউকে বলিনি। কাউকে না। অথচ উনি হড়বড় করে বলে গেলেন কথাটা! ভাবখানা এমন যেন ফিল্ম তৈরি নিয়ে গল্প করার জন্যই এখানে ডাকা হয়েছে আমাকে, হোমওয়ার্কের কমপ্লেইন দিতে নয়।

    কী ভাবছেন! এরপর স্যার আমাকে প্রচণ্ড বকাঝকা করলেন? কিংবা সরাসরি প্যারেন্টস কমপ্লেইন!

    জি না। লোকটার এই আরেকটা ভালো অভ্যাস অবশ্য আছে। কারও ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না-করা। নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডেকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিলো, তোমার জীবনের শ্রেষ্ঠ আবিস্কার কী? উত্তরে তিনি বলেছিলেন, বিজ্ঞানী আইনস্টাইন। আইনস্টাইন ইজ মাই গ্রেটেস্ট ইনভেনশন। আমি মনে মনে প্রচণ্ড সাহস সঞ্চয় করতে লাগলাম। দেখা যাক, তিনি শিক্ষক হলে, আমিও তার ছাত্রী। সুতরাং তিনি ফ্যারাডে হলে, আমাকেও আইনস্টাইন হতে হবে।

    স্যার, আমার ফিল্মে শুধু চেহারা থাকলেই হবে। গল্প, চরিত্র, দৃশ্যায়ন এসব মুখ্য নয়।

    উনি হালকা হাসলেন। এবং একটা বড়সড় জ্ঞানের ড্রাম খুলে বসলেন।

    লিসেন নিতু (স্যারের মুদ্রাদোষ), অ্যাকটিং ইজ মোর ইম্‌পরটেন্ট দ্যান দ্যা অ্যাকট্রেস। অভিনয় দিয়ে চেহারাকে, আই মিন চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে হয়। সিনেমা জগতে ‘ফাইভ-সি’-এর বিষয়টা জানো? ‘সি’ ফর ক্যামেরা। ‘সি’ ফর কারেক্টার। ‘সি’ ফর কম্পোজিশন, কন্টিনিউইটি, এন্ড কাট। ক্যামেরা, কারেক্টারদের কম্পোজিশনে ধরবে এবং যাবতীয় কনটিনিউটি বজায় রেখে কাট-এর পর কাট করে শুটিং অর্থাৎ সিনেমা প্রডিউস করবে।

    স্যার, আমি কী টাইপের ফিল্ম বানাব সেটা হয়তো আপনি জানেন না।

    আমি অসীম সাহস নিয়ে জ্ঞানওয়ালার ওপর আরেকটু অজ্ঞানের চাপ বাড়ালাম। দেখি উনি কতদূর যেতে পারেন?

    লিসেন নিতু, বিষয়গুলো সব ছবির ক্ষেত্রেই সমানভাবে ধর্তব্য। তাছাড়া আমার মনে হচ্ছে, যেসব ফিল্মের কথা তুমি ভাবছ, সেখানে সাউন্ডস এন্ড অ্যাক্টস নিয়েই মেইন ফ্যালাসি খেলা হয়। দেহ একটা উপলক্ষ মাত্র।

    আমি এ দফায় পুরোপুরি ঘাবড়ে গেলাম। স্যার আবারও স্বভাবসুলভ বাঁচালের ভঙ্গিমায় বলতে লাগলেন।

    এসব ফিল্ম দেহ নয়, মস্তিস্ক নিয়ে কাজ করে। অনুভূতি শুরু হয় মস্তিস্ক থেকে। তারপর তা ছড়িয়ে যায় দেহে। এরপর দেহ উত্তেজনা পাঠিয়ে দেয় সেক্স অরগ্যানে। নতুবা একবার ভেবে দ্যাখো; সানি লিওনি, কেইডেন ক্রস, লেক্সিবিলি– এদের ছবি হিট্‌ করে। কিন্তু জয়নব বিবির করা নোংরা ভিডিও কেউ খুলেও দেখে না।

    এত জ্ঞানী মানুষ! অথচ এত পচা কথা বলতে পারে! ভাবতেই পারিনি প্রথমে। ছি! তাই বলে আমিও কিন্তু এরপর নিশ্চুপ থাকিনি সেদিন। এমন সুযোগ হাতছাড়া করা যায়?

    .

    এতক্ষণ তো আমার প্রথম সমস্যা নিয়েই বললাম। এবার আমার দ্বিতীয়টার কথা শুরু করি। শরীরঘটিত।

    বিষয়টায় অবশ্য আমি একা নাই, রাফিয়াও জড়িত। রাফিয়া, আমার বান্ধবী এবং পৃথিবীর একমাত্র ব্যক্তি যাকে আমি শারীরিক সমস্যাটা শেয়ার করেছি। কারন, সে এই ফিল্মের কো-প্রডিউসার অ্যান্ড ফাইনান্সার। তাছাড়া যেহেতু সমস্যাটা শারীরিক সম্পর্কিত, সুতরাং বুঝতেই পারছেন একজন পুরুষ-মানুষ পড়িত। আর রাফিয়ার হল সেই মাকড়সা, যে যে-কোনো পুরুষ প্রাণীকে অনায়াসে আটকাতে পারে জটিল জালে। কী ভাবছেন? এবারও বুড়ো প্রিন্সিপাল! এইতো ফেঁসে গেলেন। ভুল। গ্রেট মিসটেক!

    শিট! তার আগে আমি নিজেই ফেঁসে যাচ্ছি। বাজে ক’টা! রাতে তিনটা। কল করা দরকার। রাফিয়াকে। অতি দ্রুত। আপডেট আনতে হবে। ব্রেকিং নিউজ।

    .

    রাফিয়ার ফোন অবশ্য কল সেন্টারের মতো। সেভেন বাই টুয়েন্টি ফোর আওয়ার্স সার্ভিস। কল করামাত্রই সুমধুর রেসপন্স। ‘অল আওয়ার কাস্টমার রিপ্রেজেন্টেটিভ্স আর বিজি নাউ, প্লিজ ট্রাই এগেইন আফটার সাম টাইম।’ অর্থাৎ কাস্টমারদের ওয়েটিং-এ রাখাই কল সেন্টারগুলোর প্রধান দায়িত্ব। অথবা ফোন ধরেই লাইন কেটে দিতে হবে। তবে রাফিয়া অবশ্য কাস্টমার কেয়ারের মতো শুধুমাত্র লাইন কেটে দিয়েই নিশ্চুপ থাকে না। কলব্যাকও করে। ঠিক একমিনিট পর। এই একমিনিটে সব মিথ্যা গুছিয়ে নেয় সে। কারণ, মিথ্যে বলা ওর ফেভারিট হবি। তোমার প্রিয় শখ রচনা।

    উহ্! একজ্যাক্ট মোমেন্টে ফোন করেছিস নিতু। আমি নিজেই তোকে কল করব করব ভাবছিলাম। কিন্তু ব্যাটা প্যাট্‌না ফোন-ই রাখে না।

    প্যাটনাটা আবার কে? তোর নতুন পাবলিক! বি.এফ নম্বর ফোর টুয়েন্টি টু?

    প্যাঁচাল বাদ। আগে বল্‌, কনগ্রাচুলেসন্‌স।

    ও কে, বললাম, কনগ্রাচুলেসন্‌স

    উ-হুঁ! একবার না। তি-ন-বা-র, তিন তিনবার বলবি।

    কিন্তু কেন?

    আগে বল্‌!

    রাফিয়ার সাথে তর্ক করা, আর তামিল ফিল্মে একাকী নায়কের সাথে এক ডজন মাস্তান লাগিয়ে মারামারি করা এক জিনিস। বৃথা। পণ্ডশ্রম! অনিবার্য পরাজয়। সুতরাং কথা না-বাড়িয়ে আমি হাসলাম।

    ও কে। কনগ্রাচুলেসন্‌স এক। কনগ্রাচুলেসন্‌স দুই। কনগ্রাচুলেসন্‌স তিন।

    রাফিয়া বিজয়ীর হাসি হাসল।

    গুড। ভেরি গুড। এবার কারণটা শোন। প্রথমটা হল, বাবা একবাক্যে ক্যামেরা কিনে দিতে রাজি হয়েছেন।

    বিনা অপারেশনে! শুধু ওষুধে নাকি ইনজেক্‌শনে?

    পাগল! এদেশে আন্দোলন ছাড়া দাবি আদায় করা যায়!

    কী করলি! ভাংচুর? জ্বালাও-পোড়াও? হরতাল?

    উ হুঁ। শুধু আমরণ অনশন।

    প্রেসক্লাবের সামনে কতক্ষণ মৃত থাকলি স্যালাইন দিয়ে? রাফিয়া খিল খিল করে হাসতে থাকল।

    মাত্র অর্ধরাত্রি। অর্ধরাত্রি অনশনেই সরকারের পতন। বাবা পুরোপুরি ‘কাইত’।

    মানে?

    নট অনলি ক্যামেরা। একটা মোটামুটি ফুলসেট ফিল্ম অ্যাপারেটাস্ রেডি। আমি অবশ্য তোর মিথ্যেটা ব্যবহার করেছি। বলেছি অ্যানিমেল’স ফিল্ম বানাব। ইউনেসকো, জাতিসংঘ, চাইল্ড ফিল্ম ফেয়ার ফেস্টিভালে পাঠাবো, ব্লা ব্লা ব্লা…

    দ্বিতীয়টা বল।

    তোর পছন্দের অ্যাক্টর ম্যানেজড্।

    হোয়াট ননসেন্স! ইম্‌পসিবল। এই যে মিথ্যে বলা শুরু করে দিয়েছিস? ঠিকটা বল।

    আমি মনে মনে তীব্র উত্তেজনা দমিয়ে রাখছি।

    জি না। ডকুমেন্ট আছে। প্রুফ রেডি। ইম্‌পসিবল ইজ আ ওয়ার্ড ফাউন্ড অনলি ইন নিতু’স্ ডিকশনারি। নট নেপোলিয়ান’স্ অ্যান্ড রাফিয়া |

    হাসির মাত্রা আরও একদফা বাড়িয়ে দিল রাফিয়া।

    ঠিক আছে মানলাম। আগে ঘটনাটা বল, কিভাবে?

    বলছি। একটু থাম। তিন নাম্বার গুড নিউজটা বলে নেই। পরে ভুলে যাব। একজন অভিজাত শর্টফিল্ম প্রডিউসার, তার ব্যক্তিগত মহামূল্যবান সময় ব্যয় করে আমাদেরকে রেকর্ডিং, এডিটিং, ফিল্ম মেকিং শেখাতে রাজি হয়েছেন। ধানমন্ডিতে তার ব্যক্তিগত ফিল্ম-মেকিং কোচিং স্টুডিওতে। সময়, তিন মাস। শর্ট কোর্স।

    তি-ই-ন মাস! এত টাইম কি আমরা হাতে পাব?

    উহ্! টাইম! আরেক ব্যাটা তো টাইম-ই দিচ্ছে না তোর সাথে শান্তিমতো কথা বলার। কল করে করে অস্থির করে ফেলছে।

    কে?

    কে আবার! তোর হিরু। স্যরি, তোর ফিল্মের হিরো মিস্টার প্যাটনা।

    কী তখন থেকে প্যাট্‌না-স্যাটনা করছিস? হু ইজ হি?

    হি ইজ মিস্টার প্যাটনা আসিফ।

    ওয়েট, ওয়েট। আসিফ! আচ্ছা মানলাম। কিন্তু প্যাটা-টা আবার কোন্ ডিগ্রি?

    রাফিয়া স্বভাবসুলভ হাসি চালিয়েই যাচ্ছে।

    শোন্ নিতু, যাদের অভ্যাস সবকিছুতেই ঘাড়-ত্যাড়ামি করা, যেমন আমি, তাদেরকে আমরা কী বলি, বল্?

    ট্যাট্‌না!

    গুড, ভেরি গুড। দশে দশ। আর যারা মেয়ে পেলেই পটানো শুরু করে, তাদেরকে আমরা কী নামে ডাকব?

    প্যাট্‌না?

    রাইট। দশে বিশ। বিষয়টা সে রকম-ই। রবীন্দ্র সাহেবের মতো আমাদেরও নতুন একটা আভিধানিক শব্দ, প্যাট্‌না। যে ব্যক্তি কারণে- অকারণে সর্বজাতীয় মেয়ে পটাতে পারদর্শী। তবে আর যাই বলিস, ব্যাটা কিন্তু একটা চিজ। আমি তো এক রাতেই পটে ক্র্যাশ খেয়ে যাচ্ছিলাম প্রায়। ভাগ্যিস, তুই ব্লেড ভেঙে রেখেছিলি আগে থেকে।

    মানে কী! তুই কি ছবির কথা বলে ফেলেছিস?

    ধীরে বন্ধু, ধীরে। একটু ধৈর্য রাখ্। কনফারেন্সে কলটা দেই। তুইও শোন্। টাকি খাবি।

    .

    হ্যালো, হ্যালো নিতু, লাইন অ্যাকটিভ। আর ইউ ওকে? হ্যালো! হ্যালো! কী-রে তাব্‌দা মেরে আছিস ক্যান? মারা গেছিস?

    আমি সম্বিত ফিরে পেলাম। অতি দ্রুত নিজেকে শামুকের মতো খোলসে লুকিয়ে আবারও হাসি হাসি ভাব করলাম।

    নো প্রবলেম রাফিয়া, আই অ্যাম জাস্ট নোকিয়া। কানেকটিং পিপল। চালিয়ে যা। লাইভ অ্যাকটিভ।

    আমার কথা শোনামাত্র রাফিয়া ফোনে মন দিল।

    আমার বুক ধড়ফড় করছে। হ্যাঁ! ওই তো, ওই তো শোনা যাচ্ছে সেই কণ্ঠস্বর। সেই চিরচেনা ভঙ্গিমা…

    স্যরি রাফিয়া। স্যরি টু ডিস্টার্ব ইউ এগেইন। অ্যাকচুয়ালি তোমার ফোন রাখবার পর পরই মনে হল কথাগুলো। সত্যি কথা বলতে কী, তুমি যতক্ষণ অনলাইন-এ থাক, ততক্ষণ তোমার কথাই শুধু শুনতে মন চায়। কী বলতে চাই, ভুলে যাই!

    ওহ্ রিয়েলি?

    রাফিয়া হাসছে।

    অফকোর্স ইট ইজ।

    তার মানে আবারও ভুলে গেছেন নিশ্চয়ই, কী বলবেন!

    দেখ, তুমি কিন্তু এখনও আপনি বলা ছাড়নি। বাংলা ভাষায় বন্ধুত্বের প্রথম শর্তই হল হাত ধরে নিচে নেমে আসা।

    মানে?

    আই মিন, প্রথমে আপনি। তারপর তুমি। এরপর তুই। তুই থেকে ছুঁই… যত কাছের বন্ধু, ততো আপন ডাক

    রাফিয়া হাসছে।

    তুমি সত্যিই খুব সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলতে পার আসিফ। আমি মনে হয় প্রেমেই পড়ে যাচ্ছি প্রায়। রিয়ালি আই লাইক ইট।

    শোনো রাফিয়া, তোমাদের বাসার ছাদে কিন্তু…

    আমি লাইনটা কেটে দিলাম

    এতক্ষণে আমার কেঁদে ফেলা উচিত ছিল। কিন্তু আজ পারছি-না। কেন যেন কান্না আসছে-না। উল্টো পুরো মুখজুড়ে থুথু জমে ফেনা হয়ে আসছে। এক ধরনের তীব্র ঘৃণা তৈরি হচ্ছে। ওদের কথোপকথন শুনতে ইচ্ছে করছে-না। এক্ষুণি কারও ওপর এই ঘৃণা ঝেড়ে ফেলতে হবে। অতি দ্রুত। রাগ কিংবা ঘৃণা যতই ভেতরে পুষে রাখা যায়, ততোই তা মহামারী আকারে আশেপাশের লোকজনের কাছে ছড়াতে থাকে। সুতরাং অ্যান্টিবায়োটিক জরুরি। এক্ষুণি অন্য ওষুধে মন দিতে হবে আমাকে।

    ঔষধ, ভয়াজিয়াম। যার কাজ মানুষকে ভয় দেখানো। অন্যের টেনশনে নিজে আনন্দ পাওয়া, কমন হিউম্যান বিহেভিয়র। ডোজ, ফাইভ মিলিগ্রাম। প্রথম প্রথম গভীর রাতে অচেনা পাঁচজনকে ফোন দেয়া। স্যরি, ভুল বললাম। চেনা মানুষকে অচেনা ভঙ্গিতে কল করা। যেমন, স্কুলের শাকচুন্নি মিস্, পাশের ফ্ল্যাটের লুঙ্গি আংকেল, আমাদের পাড়ার হাফপ্যান্ট মাস্তান, ইত্যাদি ইত্যাদি।

    রাতের ফোন মানেই ভয়ের ফোন। যে ব্যক্তিই ফোন ধরেন, তার কণ্ঠেই ভয়ার্ত ভাব। সামান্য উচ্চস্বরে কথা বললেই, ভীত কণ্ঠে বলে বসেন, জ্বি ভাই, সব দোষ আমার।

    সবাই ভয় পেলেও, রেজা স্যার অবশ্য পান না। এমনকি লাশ-খুনের কথা বললেও উত্তেজিত হন না। উল্টো আগ্রহভরে কথা বলেন। পারলে রোমান্টিক রসালাপও করেন। মেয়েমানুষের কণ্ঠস্বর শুনলে পুরুষরা যেমন মশার মতো প্যানপেনে আওয়াজে কথা বলে, সেভাবে জানতে চান। জি বলুন, কার হৃদয় খুন হল আজ!

    উহ্! শুনলে গা জ্বলে ওঠে। দাঁত কিড়বিড় করে।

    আমার কাছে অবশ্য সিম আছে। এক বাক্স। রাফিয়ার দেয়া। সব মোবাইল অপারেটরের। আমি এগুলোতে আলাদা আলাদা সিম্বল দিয়ে রেখেছি। এ থেকে জেড পর্যন্ত। বিভিন্ন কাজে। ভিন্ন ভিন্ন মানুষের জন্য।

    .

    আমি সব সময় ব্যবহার করা সিমটা খুলে রাখব। এটাতে ঢুকবে নতুন সিম। যার গায়ে লেখা, ই।

    এর অর্থ অ্যালফাবেটিক অর্ডারে এটা আমার পঞ্চম সিম। ভয় দেখাতে নয়। এটা ব্যবহার হবে জয় করাতে। ‘ই’ ফর এনজয়। তা-ও শুধু একজনের জন্য। পরিচয়টা দিতে হবে-না নিশ্চয়ই!

    একবার রিং হতেই কল রিসিভ হল ওপাশে।

    আমি খুব ন্যাতানো ইংরেজিতে শুরু করলাম। নিজের গুনগান, তবুও বলে রাখা জরুরি। আমার প্রনাউনসিয়েশন আমার চেহারার মতোই সুস্পষ্ট।

    হেলো ম্যান! দিজ ইজ সানি লিওনি, ফ্রম মুম্বাই।

    ওহ্ রিয়ালি। হোয়াট আ কোইনসিডেন্স। আই ওজ রিডিং ইয়োর লাইফ হিস্টোরি ইন উইকিপিডিয়া।

    হোয়াট!

    আমি বিস্মিত হয়ে জিগ্যেস করলাম।

    ইয়াহ্! ওয়ান অব মাই স্টুডেন্ট…

    আমি থামিয়ে দিলাম

    ড্রপ ইয়োর ডার্টি বিজনেস, ম্যান।

    কণ্ঠটাকে আরো জড়ানো ভেজা করে বললাম, ডু ইউ নিড মি বেইবি?

    এতক্ষণে ওপাশ থেকে আগ্রহী উত্তর এল।

    হোয়াই নট! হু ডোন্ট নিড ইট বেইবি? প্লিজ কাম অন।

    আমি তাচ্ছিল্যের হাসি হাসলাম।

    হোয়াট আ লিলিপুটিয়ান’স্ এনডেভার টু ক্লাইম্ব অন আ জায়েন্ট’স হেড! ডু ইউ নো মাই রেইট? ওয়ান ক্রোর পার সিটিং। হ্যাভ ইট?

    উনি অট্টহাসি দিলেন।

    অফকোর্স। নট ওয়ান বেইবি, আই হ্যাভ হান্ড্রেড ক্রোরস। বাট নট ক্যাশ-ইন হ্যান্ড, বাট ক্যাশ অ্যাট হার্ট।

    হোয়াট আ ফানি জোক।

    আমি মৃদু হাসলাম।

    উনি খুব রোমান্টিকতা আর আবেগ দিয়ে বলতে লাগলেন।

    বিলিভ মি! মাই লাভ, মাই ইমোশন্‌স, মাই ফিলিংস অ্যাবাউট ইউ অ্যান্ড ইয়োর লাইফ উইল বি ভ্যালুড অ্যাট মোর দ্যান ওয়ান থাউজেন্ডস্ ক্রোরস্। টেল মি, হাউ মাচ ইউ রিকোয়ার? প্লিজ টেল্?

    তীব্র ক্ষুধাপেটে এক প্লেট ভাতের করুণাময় আমন্ত্রণ, উপেক্ষা করা খুব সহজ। কিন্তু তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে এমন আবেগভরা উষ্ণ আহবান, হজম করা সত্যিই অসম্ভব।

    আমি এ দফায়ও লাইনটা কেটে দিলাম।

    আমার মনে হচ্ছে বুকের ভেতর কোথায় যেন, কেমন যেন বিশাল এক পাথর জমে গেছে। নামছে না। মোটেও নামছে না। কোনো এক বিশাল বনের ফাঁকা জায়গায় একা একা হাউমাউ করে বুকে আঘাত হেনে কাঁদতে পারলে, হয়তো তা নেমে যেতে পারত। আছে কি পৃথিবীর কোথাও এমন কোনো স্থান?

    .

    হঠাৎ করে আমার মোবাইলটা উল্টোপাশ থেকে কল পেয়ে বেজে উঠল।

    ওপাশের কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে। এখনও সেই আবেগমাখা, সেই মমতা জড়ানো গভীর কণ্ঠস্বর। তবে এবার বাংলায়।

    কী ব্যাপার সানি, আসবে না! আমি যে তোমার মতোই জেগে আছি এখনও। ভালোবাসার চেয়ে বড় সেক্স পৃথিবীতে আর কী আছে বলো তো? বল, কবে আসছ? কখন?

    কথা শেষ হওয়ামাত্রই অট্টহাসিতে ফেটে পড়লেন তিনি।

    আমার বুক জুড়ে তীব্র পানির পিপাসা পেতে লাগল।

    ওপাশ থেকে কথা ভেসে আসছেই। আগের ভঙ্গিমায়।

    কী ব্যাপার, বাংলা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে? নাকি, ট্রানশ্লেট করব হিন্দিতে। ওহ্ স্যরি, ইংরেজিতে। শোন সানি, আই মিন ফেইক সানি। যখন বাংলাদেশী কোনো নম্বর থেকে কল করবে তখন বাংলা নাম বলবে। যেমন ডাক্তার…, মডেল…, হা-হা-হা।

    একবার ঘৃণা। তারপর কষ্ট। শেষে অপমান! আমার মেজাজ চরমে উঠে গেল। অধিক শোকে পাথরের মতো আমি অধিক অপমানে ইস্পাত হয়ে গেলাম। এরপর নিজেকে ঠাণ্ডা বানালাম। আজ কিছু কঠিন জবাব শোনাবই শোনাব এই জ্ঞানের ডিব্বাওয়ালাকে। ধীর বাংলায় আমিও বলতে লাগলাম।

    আপনি কি জানেন আপনি একটা লুইচ্চা? লুইচ্চা নাম্বার ওয়ান। কুষ্টিয়ার ভাষায় আপনার মতো ফোর্থক্লাস লোকদের কী বলে গালি দেয় জানেন! ইল্লাত। ইল্লাতের ইল্লাত।

    শোনো সানি! পৃথিবীতে সব পুরুষই লুইচ্চা। আই মিন ইল্লাত। তুমি তো নিউ জেনারেশন পিপল। ফেইসবুক রিলেটেড একটা জোক্‌স শোন তাহলে। খুব মজার। এক মেয়ে তার স্ট্যাটাসে মজার একটা পোস্ট দিয়েছে– পৃথিবীতে সকল পুরুষই তিন প্রকার। এক, জাত লুইচ্চা। দুই, জন্মগত লুইচ্চা। তিন, ভদ্ৰ লুইচ্চা।

    আপনি কোন্ প্রকার? তিন নম্বর?

    ওয়েইট, ওয়েইট। জোক্‌স সেটা নয়। আসল জোক্স হল, এর বিপরীতে অন্য একজন ছেলে একটা কাউন্টার জোক্স লিখেছে। আই মিন কমেন্টস। সেটাই মজার।

    কী বলুন, শুনি!

    ছেলেটা লিখেছে, পৃথিবীতে সকল মেয়েই একপ্রকার। সেটা হল … শব্দটা দুই অক্ষরের। ‘ম’ দিয়ে শুরু। মুখে বলতে চাচ্ছি না। ভেবে নাও। তবে তুমি না জানলে বলছি…

    স্টপ ইট্। জাস্ট স্টপ ইট্‌ নাউ। আমি জানি শব্দটা।

    পরের বাক্যগুলো বলতে গিয়ে আমার চোয়াল শক্ত হয়ে এল।

    আপনি শুধু লুইচ্চা নন। প্রথম শ্রেণির লুইচ্চা। ইউ আর আ বর্ন রাসকেল।

    ওপাশ থেকে তখনও হাসি হাসি কণ্ঠ 1

    ইয়েস মিস্ ফেইক সানি! সানি লিওনিকে খুব খারাপ চোখে দেখছ। তার নাম ধরে অন্যকে প্রলোভিত করছ, তাই না? কিন্তু একবার ভেবে দ্যাখো তো, আমরা কি সবাই কম-বেশি তার খদ্দের নই? প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষ। বিয়ে-সন্তান, বিজনেস-সার্ভিস, পার্টি-লাইফস্টাইল সব জায়গাতেই দেহের কদর। দৃষ্টিতে কিংবা স্পর্শে। মানসিক কিংবা শারীরিকভাবে। সুন্দরী দেহ মানুষের চাই-ই চাই। বিয়েতে সুন্দরী দেহ চাই, ভবিষ্যৎ সুন্দর সন্তানের জন্য। বিজনেসে সুন্দরী শরীর চাই, কাস্টমার সার্ভিসেস সাটিসফ্যাক্টরি হবার জন্য। পার্টিতে সুন্দরী মুখ চাই, সকলকে নিজের অ্যারিস্টোক্র্যাটেড লাইফ স্টাইল প্রদর্শনের জন্য।

    আমি ভারি কণ্ঠে উত্তর দিলাম।

    হোয়াট ডু ইউ মিন? শান্তি কী…

    ওয়েইট, ওয়েইট মাই বয়। মন, মানসিকতা, মানসিক শান্তি! বিশ্বজুড়ে প্রতিটি মহিলা স্বামীর দেয়া ফেইসবুকের ফেইক আইডি’র মতো, যে ফেইক শান্তির সংসার করে, তার রহস্য জানো? তার রহস্যও এই সানিরাই। কত শত-সহস্র সানিদের স্যাক্রিফাইস্ যে জড়িয়ে আছে প্রতিটি সংসারে, তা জানলে মানুষ হিসেবে নিজের ওপর রুচি উঠে যাবে কাল থেকে। ডিয়ার ইয়াং লেডি, সানিরা জেগে থাকে বলেই, পরদিন তোমাদের মতো অনেকেই স্বামীর বুকে শান্তিতে মাথা রেখে ঘুমাতে পারে। লালনের একটা গান শুনেছ? গোপনে যে বেশ্যার ভাত খায়, তাতে ধর্মের কী আসে- যায়। ও হ্যাঁ, ভালো কথা। এটাও কিন্তু কুষ্টিয়া অঞ্চলের।

    ফোনটা বন্ধ নয়, আমি জোরে ছুঁড়ে মারলাম বিছানা বরাবর। আর নয়। এ-না–ফ ইজ এ-না-ফ। লুইচ্চাটাকে এবার একটা শাস্তি দিতেই হবে। চরম শাস্তি। জন্মের শিক্ষা। অ্যাজ সুন অ্যাজ পসিবল।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহাতকাটা তান্ত্রিক – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত
    Next Article ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }