Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিতু বলছি – তৌহিদুর রহমান

    তৌহিদুর রহমান এক পাতা গল্প93 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিতু বলছি – ৪

    ৪

    ইট ইজ এগেইন নিতু। প্যারেন্টস কমপ্লেইন-এর পরও!

    স্যরি স্যার।

    হোয়াট টু সে স্যরি? ইট ইজ নাউ গোইং টু বি আ ক্রাইম।

    আই অ্যাম রিয়্যালি স্যরি, স্যার। আই ওয়াজ আনডান।

    আমি মাথা নিচু করলাম। একেবারে চিলডাউন।

    স্যার চায়ের কাপে ঠোঁট ছোঁয়ালেন।

    ইট্স ওকে। সিট ডাউন।

    থ্যাংক ইউ স্যার।

    চেয়ার সরিয়ে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গিমায় আমি বসে পড়লাম রেজা স্যারের সামনে। ঘরে আমি আর স্যার। শুধু দু’জন। মুখোমুখিভাবে। আমার ডিটেনশন চলছে। অথবা হয়তো-বা চলবে। একটু পর।

    কারণ, আজ ক্লাসে ঢুকতেই শাকচুন্নি মিস নোটিশ করেছেন। থার্ড পিরিয়ডে প্রিন্সিপাল স্যার কল করেছেন আমাকে। আমি জানি, এমনটা হবেই। আমিও যে এর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।

    .

    রেজা স্যার চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী চায়ের কাপে ঠোঁট রাখতে রাখতে ভ্রু কুঁচকালেন।

    আমার কী ধারণা জানো নিতু? আমার ধারণা, এবারের কাজটা তুমি ইচ্ছে করেই করেছ।

    আমি খুব নিচু গলায় মাথা নামিয়ে উত্তর দিলাম।

    জি স্যার।

    কেন? ফিল্মের ব্যাপারে কথা বলতে চাও?

    জি স্যার।

    লিসেন নিতু, ইনফ্যাক্ট আমিও চাই। তোমরা তোমাদের হিডেন প্রবলেমস্ অ্যান্ড থট্স আমাদের সাথে শেয়ার কর। কিন্তু এভাবে কেন?

    কিভাবে করব স্যার?

    স্যারকে হাল্‌কা চিন্তিত মনে হল। যথারীতি চায়ের কাপ থেকে চুমুক দিয়ে আইডিয়া ধার নিয়ে, আমার উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে মারলেন।

    ঠিক আছে। আমি ভিপি মিসকে বলে রাখব। তুমি চাইলেই যেন পারমিট দেয়া হয়। কিন্তু এর বিনিময় একটা প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

    জি স্যার। নিয়মিত হোমওয়ার্ক করব। আর মিসিং হবে না।

    স্যার চোখ তুলে আমার চোখের দিকে তাকালেন।

    আহ্! কী অপূর্ব সে চাহনি! সম্ভবত এমন চোখের দিকে তাকিয়েই কৃষ্ণরূপ বর্ণনায় বডুচন্ডী দাস বলেছিলেন, ‘কাজলেঁ উজল নয়ন যুগল, খঞ্জনকে উপহাসে; ঈষত হসিত ভুবন মোহন, যেহ্ন কমল বিকাশে।’

    স্যার বলতে লাগলেন।

    ইউ আর জিনিয়াস নিতু। তবে মনে রাখবে, বুদ্ধি সঠিক জায়গায় ব্যবহার করতে হয়। বুদ্ধির ভুল প্রয়োগে হিরোসিমা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। হিটলারের হাতে শত সহস্র প্রাণ চলে যায়। তৈমুর লং মাইলের পর মাইল লাশের পাহাড় বানায়। ভুল চিন্তা মানুষের মাথায় আসতেই পারে। কিন্তু তাকে প্রশ্রয় দেয়াটা আরও বড় ভুল। বুঝতে পারছ?

    আমি মাথা ঝাঁকালাম।

    ঠিকই বলেছেন স্যার। যেমন আপনি করছেন। এই মুহূর্তে আমাকে প্রশ্রয় দিয়ে। জানেন তো, বেড়ালকে প্রশ্রয় দিলে, কোলে চড়ে বসে। আর নিতুকে দিলে মাথায় উঠে! মগজ খামচে ধরে।

    কথাগুলো অবশ্য মুখে নয়, মনে মনে বললাম আমি। দেখি, পিসু পীর মনের কথা ধরতে পারে কি-না। মুখে বললাম অন্য কথা।

    স্যার, আমার আরেকটা উপকার করবেন প্লিজ?

    কী, বল?

    রাফিয়াকেও এই পারমিটটা দিতে হবে।

    স্যার হাসলেন।

    কেন, সে তোমার ফিল্মের কো-অ্যাক্ট্রেস না-কি?

    না স্যার, সি ইজ ডাইরেক্টার। অ্যান্ড ফান্ড রেইজার।

    স্যার আবারও চা চাবালেন। এরপর সেই ভুবনভোলানো বিখ্যাত মুচকি হাসিটি দিলেন।

    ওকে ডান। পারমিটেড। তারপর, আসল কথা বল। কী ব্যাপার জানতে হোমওয়ার্কের এই বাহানা?

    স্যার, হিরোকে নিয়ে সমস্যা।

    অভিনয়ে রাজি হচ্ছে না?

    ঠিক তেমনটা নয়। আসলে তাকে আমরা, বিষয়টা জানাতেই চাচ্ছি না।

    ব্ল্যাকমেইল! নো, নো। ইট্স নট ফেয়ার।

    সুযোগ বুঝে আমি অতিদ্রুত খেলার চাল একটু ঘুরিয়ে দিলাম। মুখে একটা কপট হাসি ফুটিয়ে সরাসরি স্যারের চোখের দিকে চোখ ফেললাম।

    কিন্তু স্যার, সরাসরি বললে, সে কি রাজি হবে? আফটার অল, হি ইজ আ ভেরি হ্যান্ডসাম অ্যান্ড ইয়াং গাই। একটু প্রতিষ্ঠিত পরিবারের ছেলে। মনে মনে বললাম, দেখি রাজা, চেক সামলাতে তুমি কতটা পারদর্শী! পারবে তো কম্পিটিটর ফেইস করতে? না-কি হিংসার আগুনে জ্বলে উঠবে আপন রূপে।

    স্যার আগের ভঙ্গিমাতেই বলতে লাগলেন।

    সো হোয়াট! অফকোর্স হি উইল বি এগ্রিড। আমার তো মনে হয় উল্টো আনন্দিত হবে। তোমাদের মতো দু’টো সুন্দরী মেয়ের প্রস্তাব ফেলতে পারে, এত বড় বদ-সাহসী ছেলে আছে নাকি এদেশে? রাজি না-হবার প্রশ্ন তো অনেক দূরের কথা, লোভ সামলানোই মুশ্কিল। তাছাড়া ছেলেটা একটু ভাবলেই একবাক্যে সম্মত হবে পুরো খেলায়। কারণ, সে বুঝতে পারবে যে, ইট ইজ আ কিটেন গেইম। বিড়ালছানার তেলাপোকা-তেলাপোকা খেলা। হাত দেয়া এবং ছেড়ে দেয়া। মোর ওভার, হি উইল ক্লিয়ারলি আন্ডারস্ট্যান্ড দ্যাট, ইউ আর নট বি অ্যাল টু রিলিজ্ দ্যা ফিল্ম। তাছাড়া…

    স্যার চেয়ারটা একটু ডানে-বামে বাঁকা করে চায়ের কাপে মনোযোগ দিলেন। ওনাকে দেখতে এই সময়, ঠিক ‘টুমোরো নেভার ডাইজ’ ছবির জেমসবন্ড চরিত্রের পিয়ার্স ব্রসনানের মতো লাগছে। আমি অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলাম।

    উনি আবারও বলতে শুরু করলেন

    …তাছাড়া আমারও ধারণা ওই একই রকম। ছবি তোমরা রিলিজ্-ই করতে পারবে না।

    কেন স্যার! হঠাৎ এমন ধারণা কেন?

    ভেরি ইজি। তোমার কথা অনুযায়ী, তোমাদের ছবির হিরো একটু বুদ্ধিমান। তাহলে সে সামান্যতেই বিষয়টা ধরতে পারার কথা। ইউ আর টেকিং রিভেঞ্জ, নট্ ফিল্ম। ইনফ্যাক্ট, যে কেউ-ই একটু ভাবলে বুঝতে পারবে পুরো বিষয়টা। তোমরা যা করছ, তা হচ্ছে এডোলেশন পিরিয়ডে এক ধরনের ইনফাচুয়েশন। সাইকোলজির ভাষায় …

    দাবার চালে এ দফায় আমি পুরো মন্ত্রীসহ নৌকা খোয়ালাম। পিসু’র বক্তব্যে আমার মেজাজ সর্বোচ্চ চরমে উঠে গেল।

    কী! আমরা সাইকো পেসেন্ট! আর তুই সাইকিয়াট্রিস্ট! তরুণীদের হার্ট থ্রব সাইকিয়াট্রিস্ট মিস্টার মোহিত কামাল!

    মনে মনে গালি দিতে গিয়েও থেমে গেলাম। মাথা ঠাণ্ডা করলাম। নিজে নিজে নিজেকে বোঝালাম, রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।

    স্যার, রিলিজ করা না-করা সময়ের ব্যাপার। পৃথিবীর সব নতুন কাজেই সমালোচকরা এমনটা বলেন। এটা নিয়ে আমরা চিন্তিত না।

    গুড, গুড লজিক। তাহলে এগিয়ে যাও। গো আহেড। হোয়াই সো ওয়ারিড? সমস্যা কী? নায়ককে বলে ফেল।

    আমি আবারও নতুন চাল চালোম।

    সমস্যা আরেকটা আছে। আমাদের একটা ভালো প্লট দরকার স্যার। সেনসেশনাল। নিউ প্লট।

    ওয়েবে যাও। সার্চ দাও। আজকাল বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো দেখছ না। চাইনিজ, জাপানিজ, স্প্যানিশ সব বিদেশি নাটকের প্লট ভেঙে ছারখার অবস্থা। এক বিদেশি নাটক ভেঙে হাজার হাজার পাইকারি নাটকে ছয়লাব। তোমরাও পারবে।

    না স্যার, ট্রেডিশনাল না। আমাদের দরকার একটু নিউ আইডিয়া। আই মিন, ডিফারেন্ট অ্যান্ড ব্র্যান্ড নিউ টাইপ। একজন বিখ্যাত বাংলা শর্ট ফিল্ম প্রডিউসার আমাদের সাথে আছেন। তিনি আমাদের বলেছেন, ফিলা মানেই হল ডিফরেন্স অ্যান্ড ডিটেন্স। যেমন, কমেডি-অ্যাকশন। অ্যাকশনের সময় কমেডি থাকতে হবে। আবার, নায়ক-নায়িকা। নায়ক রিক্সাওয়ালা হলে, নায়িকা হতে হবে ধনীর একমাত্র কন্যা।

    প্রিন্সিপাল স্যার হো হো করে হেসে উঠলেন 1

    তাহলে, তোমরাও প্লট বানাও। নায়িকা ষোড়শী হলে, নায়ক হবে ষাটদশী। বুড়ো নায়ককে জোর করে ধরা হবে। রেইপ করা হবে। অ্যান্ড পাবলিক উইল এনজয় দ্য ডিফরেন্স অব দ্যাট কাইন্ড অব মুভিজ।

    স্যার হাসতেই থাকলেন।

    আমার মাথায় রক্ত চড়ে গেল। প্রচণ্ড উত্তেজিত ভঙ্গিতে সরাসরি বলে বসলাম স্যারের মুখের ওপর।

    রেইপের কী দেখানো হবে! বুড়োটার জন্য দুই নায়িকাই অস্থির! একজন প্রেগন্যান্ট! অন্যজন রাস্তার প্রস্!

    আমার হাত-পা থর থর করে কাঁপতে লাগল।

    পিসু হাসি থামালেন।

    তুমি অযথাই উত্তেজিত হচ্ছ। ইউ রিকোয়ার আ ডিফারেন্ট স্টোরি। আই গেভ। অ্যাজ ইট উইল সল্ভ ইয়োর আনাদার প্রবলেম অসো। অনেকটা এক ঢিলে দুই পাখি মারা। তাছাড়া এর মাধ্যমে ইয়াং হিরোকেও আর কষ্ট করে ব্ল্যাকমেইল করতে হবে না তোমাদের। আফটার অল, হি ইজ আ হ্যান্ডসাম গাই!

    আমি চোয়াল শক্ত করে ফেললাম।

    আমাদের কষ্ট নিয়ে আপনাকে ভাবতে বলিনি স্যার। শুধু স্টোরিটা দিতে বলেছিলাম।

    অ্যান্ড ইয়েস, আই ডিড ইট। আমার দেয়া প্লট ভালো না লাগলে, জাস্ট ন্জি ইট অফ। সিম্পলি নাক ঝাড়া দাও। পারলে শব্দ কর, ওয়াক থু। এতে মাথাগরমের কিছু নেই।

    আমি বিশাল বড় নাক ঝাড়লাম। শব্দ করে বললাম, ওয়াক থু

    স্যার হাসলেন, রাজাদের মতো হাসি। এমন হাসি, যা দেখলে মার্গারেট থ্যাচার, ইন্দিরা গান্ধী, কিংবা ঝাঁসি-কা-রানি লক্ষীবাই-এর মতো আয়রন লেডিরাও সব অভিমান ভুলে নিশ্চুপ বসে থাকবে। আমি নির্বাক চেয়ারে বসে রইলাম। এমন হাসি তিনি কোত্থেকে শিখেছেন কে জানে!

    স্যার ঘড়ির দিকে তাকালেন।

    ওহ্ স্যরি। তোমাকে একটু বসতে হবে। আমি এসএসসি ব্যাচের এক্সাম কপিটা তুলে আনি। একটু পরই বেল পড়বে। ততোক্ষণে তুমি একটা কোক নিয়ে নাও। পিওনকে বলছি।

    বলেই স্যার চট করে উঠে দাঁড়ালেন। যেন, রাজার যুদ্ধজয় শেষ হয়েছে। এখন প্রাসাদে ফেরার পালা।

    অপমানে, ক্ষোভে, পরাজয়ে, প্রতিহিংসায় আমি তীব্রভাবে পুড়তে লাগলাম। একা-একা। পুরো হৃদয় জুড়ে। আমার ইচ্ছে করছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে ‘স্টপ’ বলে পৃথিবীর সব ঘড়িকে বন্ধ করে দেই। চিৎকার করে বলি-

    না, আপনি যাবেন না। আপনি বসুন। আপনাকে আরো কিছু কথা শুনতে হবে। শুনতেই হবে। আজ। এক্ষুনি। কারণ ফিল্ম নিয়ে কথা বলতে আমি এখানে আসিনি। আমি শুধু এটুকু বলতে এসেছি যে, আপনাকে ছাড়া…

    .

    রেজা স্যার চলে গেলেন।

    পিওন কোক দিয়ে গেল। সাথে বিস্কিট।

    আমি ইচ্ছে করেই গ্লাস ফেলে পুরো কোকটা স্যারের টেবিলে মাখা মাখি করে দিলাম। বিস্কিট ফেলে পা দিয়ে কার্পেটে গুঁড়িয়ে দিলাম ঘরময়।

    শুধু যাবার সময় ভিপি মিসকে বলে গেলাম, স্যরি মিস্, কোক ফেলে পুরো টেবিল ভিজিয়ে ফেলেছি।

    শাকচুন্নি হাসল। বিচ্ছিরি পেত্নী-মার্কা হাসি। ইট্স ওকে। স্যার কি খুব বেশি ধমক দিয়েছেন?

    আমি হ্যাঁ-সূচক মাথা ঝাঁকালাম। পেত্নী তার বিশাল বড় মূলাসদৃশ্য দাঁত দু’টো বের করল।

    ডোন্ট বি ডিসহার্টেড। স্যার একটু এমনিই। পরে সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে। মন দিয়ে লেখাপড়া কোরো। আই নো, ইউ আর আ ভেরি সুইট গার্ল।

    আমি শাকচুন্নির দিকে তাকিয়ে তিনটা গালি দিলাম। রাফিয়ার শেখানো তিনটা বিখ্যাত ইংরেজি গালি।

    বা…

    সা…

    না…।

    শাকচুন্নি আবারও হাসল।

    .

    বাসায় ফিরে ‘তীব্র মাথা-ব্যথা’ এমন একটা ভাব ধরে সরাসরি বিছানায় শুয়ে পড়লাম আমি। তা-ও কিছু মুখে না-দিয়ে।

    মা তেল হাতে মালিশের জন্য এগিয়ে এল একবার।

    আমি সরাসরি নিষেধাজ্ঞা জারি করলাম।

    উহ্ মা! মাথা-ব্যথায় চুলে হাত দিও-না তো আমার। ব্যথা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

    বয়সের একটা পর্যায়ে মা’রা সম্ভবত মেয়েদের বানানো অজুহাত অতি দ্রুত ধরতে পারেন। এবং লড়তে না-চেয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন। এক্ষেত্রে মা-ও তাই বাড়তি কিছু করলেন-না। একগ্লাস দুধ আর একটা ডিম সাইড টেবিলে রেখে, চলে গেলেন আপন মনে বলতে বলতে।

    মন চাইলে একটু পর খেয়ে নিস্। ভালো লাগবে।

    যথারীতি মা’র কথা অনুযায়ী, মিনিটখানেক পরেই আমি জানালা দিয়ে সবকিছু ফেলে দিয়ে, মনে মনে একটু ভালো লাগাতে লাগলাম।

    বিকেল নাগাদ রাফিয়া ফোন করল।

    কীরে! আর কত দেরি?

    আমি উল্টো প্রশ্ন করলাম।

    তুই কোথায়?

    কোথায় আবার, বদনা বাবুর গলির মাথায়। তাড়াতাড়ি আয়। ফা পোলাপাইন ড্যাব ড্যাব করে তাকাচ্ছে।

    গুড। ভেরি গুড। তুই তাহলে আরও মিনিট পাঁচেক খাদ্যবস্তু এনজয় কর। আমি আসছি।

    বলেই লাইন কেটে দিলাম আমি। কারণ, আমি জানি, রাফিয়া এখন গালি দেয়া শুরু করবে।

    শুরু হচ্ছে আমাদের আজকের সেকেন্ড মিশন

    ফাহাদ বিন ফারুকের স্পেশাল সুটিং স্পট, লালমাটিয়া পরিদর্শন। ফিল্ম মেকিং শর্ট কোর্সের প্রথম সেশন।

    যথারীতি আশীর্বাদস্বরূপ থাকছে, বদনা বাবুর প্রাইভেট ফাঁকি দেয়ার তিরস্কার। বাসায় না-জানিয়ে বাইরে ঘোরার অভিসম্পাত।

    .

    ফ্রেম কী বোঝ? ফ্রেম হল, ফিল্ম লাইনের ফার্স্ট অ্যান্ড ফান্ডামেন্টাল কনসেপ্ট। ছোটবেলায় আমরা একটা খেলা খেলতাম, মনে আছে! ‘আমি যা দেখি, তুমি কি তা দেখ’? ফ্রেম হচ্ছে অনেকটা সেরকম খেলা। অর্থাৎ তুমি যা দেখাতে চাচ্ছ কিংবা যতটুকু দেখাতে চাচ্ছ, তাকে ক্যামেরায় বন্দি করা। আ ফ্রেম ইজ ওয়ান অব দ্যা মেনি স্টিল ইমেজেইস্ উইচ কম্পোজ দ্যা কমপ্লিট মুভিং পিক্‌চার।

    আমি আর রাফিয়া অবাক হয়ে শুনছিলাম এফ.বি.এফ মাল্টিমিডিয়ার অ্যাসিস্টেন্ট ডিরেক্টর ওমর রশীদ সাহেবের কথাগুলো। এ তো রীতিমতো লেখাপড়া!

    সত্যি কথা বলতে কী, সেই শুরু থেকেই হতবাকের মধ্যে আছি আমরা দু’জন। ক্যামেরা, ফিল্ম আর অ্যাক্ট্রেস থাকলেই যে ছবি হয়-না, বিষয়টা আজ জানতে পারলাম প্রথমবার। এখানে শেখার অনেক ক্ষেত্ৰ আছে। আছে অনেক জটিল বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা।

    তাই প্রতিটি বিষয় অত্যন্ত যত্ন দিয়ে বুঝিয়ে যাচ্ছেন রশীদ সাহেব।

    স্পটে এসে প্রথমে উনি আমাদের নিয়ে গেছেন অ্যাপারেটাস চেনাতে। মনিটর প্যানেল, লাইটিং কিট্স, ডিজেআই ইন্‌সপায়ার কোয়াড্রঙ্কপটা, ইত্যাদি, ইত্যাদি চিনিয়ে দিয়েছেন একটা একটা করে। পুরো খুলে খুলে দেখিয়েছেন থ্রি-সিক্সটি ডিগ্রি গিয়ার বক্স, বিভিন্ন রকম লেন্স, আরও অনেক কিছু। এরপর বসিয়েছেন একটা প্রজেক্টরের সামনে। এবং সাবলীলভাবে বলে যাচ্ছেন জটিল কথাগুলো।

    হুঁ! যা বলছিলাম। ফ্রেম। এবার ফ্রেম থেকে কিভাবে একটা আস্ত ফিল্ম কিংবা সিনেমা বা নাটক তৈরি হয়, সেটা বলছি। একটু মনোযোগ রেখ দু’জন। মনে রাখবে, কতগুলো ছোট ছোট ফ্রেম নিয়ে তৈরি হয় একটি শট। তেমনি কতগুলো শটকে মিলিয়ে বানানো হয় একটি সিকোয়েন্স। আবার অনেকগুলো সিকোয়েন্সের সম্মিলিত যোগফল হল একটি সিন। আর বেশ কিছু সিন মিলে তৈরি করা হয় একটি অ্যাক্ট। সবশেষে একটির একটি, অ্যাক্ট-এর পর অ্যাক্ট জোড়া লাগিয়ে তৈরি হয় একটি কমপ্লিট প্লে, আই মিন পূর্ণাঙ্গ ছায়াছবি।

    কথার এইখানে হঠাৎ ওমর রশীদ সাহেব প্রজেক্টর থেকে পেছনে মুখ ঘোরালেন। এবং যথারীতি সটাং হয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন।

    স্যার স্লামালাইকুম।

    আমরা ওনার কথায় এতটাই তন্ময় ছিলাম যে, স্বয়ং ডিরেক্টর সাহেব কখন পৌঁছেছেন এখানে, টেরই পাইনি। আমরাও মিডিয়া জগতের ঈশ্বর- দর্শনের মতো দাঁড়িয়ে পড়লাম। এবং বললাম, স্যার স্লামালাইকুম।

    ফাহাদ বিন ফারুক সাহেব হাসলেন।

    তোমরা আবার স্যার বলছ কেন? ইউ ক্যান টেল মি ‘ভাইয়া’। এই লাইনে এটাই প্রচলিত। আফটার অল, ক’দিন বাদে তোমরা নিজেরাই ফিল্ম তৈরি করতে যাচ্ছ। শুনলাম, তোমাদের প্লট নাকি অ্যানিমেল প্ল্যানেট বেইজ্‌ড্। বার্ডস লাইফ! চমৎকার! চমৎকার আইডিয়া।

    রাফিয়া উল্টো-হাসি হাসল।

    কে বলেছে, ভা-ই-য়া! বাবা না-কি?

    ডিরেক্টর সাহেব আধো-বিগলিতভাবে বললেন।

    হ্যাঁ। আজ সকালেই তো গিয়েছিলাম তোমার বাবার অফিসে। আহ্। কী অভিজাত রুচি তোমার বাবার! ইন্টেরিয়র দেখলে কেলি হপেন, উইয়ার স্টেলারদের কথা মনে হয়। হোয়াট আ কমবিনেশন!

    সেদিনের মানুষ আর আজকের ফাহাদ! আকাশ-পাতাল পার্থক্য। কোথায় যেন, কী যেন, কিছু একটা ঘটে গেছে হয়তো। আমি রাফিয়াকে চিম্‌টি কাটলাম।

    কী-রে, ডোজ কি বেশি পড়েছে না-কি তোর বাবার কাছ থেকে?

    রাফিয়া ফিসফিসিয়ে বলল।

    দুই লাখ। টু ল্যাক্ ফর সেভেন ডেইজ অলি!

    আমি কানে তালা-লাগার মতো আওয়াজ শুনলাম।

    বলে কী!

    ভদ্রলোক আমাদের ইতঃস্তত ভাব দেখে রশীদ সাহেবের দিকে তাকিয়ে নিজে নিজেই বলতে লাগলেন।

    বাই দ্যা ওয়ে, শুধু কি শেখানই হচ্ছে, না-কি ওদের কিছু এন্টারটেইন করেছেন? ওরা তো আবার বোরিং ফিল্ করবে।

    আমরা আগ্ বাড়িয়ে বললাম।

    না, না। ইট্স ওকে। আমরা এনজয় করছি।

    আহা! মনের আনন্দের পাশাপাশি পেটের আনন্দও-তো দরকার। ঠিক আছে, চল, দোতলায় আমার অফিসে বসি কিছুক্ষণ। খেতে খেতে নিরিবিলিতে কিছু গল্পও করা যাবে না হয়।

    রশীদ সাহেব কথার মাঝখানে প্রসঙ্গ ওঠালেন

    স্যার, আমি শুধু ফ্রেম পর্যন্ত বলেছি আজ। শট-এর ব্যাপারটা কিন্তু আলোচনা করতে পারিনি।

    ডিরেক্টর সাহেব হেসে উঠলেন আবারও।

    ঠিক আছে, ঠিক আছে। শটের বিষয়গুলো আমি না হয় প্র্যাকটিকালি বুঝিয়ে দিব ওদের। আপনি ততোক্ষণে কিছু খাবার দিতে বলুন উপরে।

    কথা শেষ করেই ভদ্রলোক আমার দিকে চোখ ফেরালেন। সেই পুরনো দৃষ্টি! খাদ্যবস্তুর দৃষ্টি!

    আমি মনে মনে বললাম।

    এটাই তো চাই ফাহাদ। জনাব ফাহাদ বিন ফারুক। এটাই চাই।

    .

    দোতলার ছাদের উপর আড়াই তলায় একটা ছোট্ট চিলেকোঠার মতো ঘর। অত্যন্ত পরিপাটি।

    ছাদ জুড়ে অসংখ্য ফুলগাছ। দোলনা। একটা রকিং চেয়ার। একটা গার্ডেন সোফা। একপাশে রাজকীয় রেলিং। সিনেমায় দেখানো পুরো রাজপ্রাসাদ। আশে-পাশে বড় কোনো ঘর-বাড়ি গড়ে ওঠেনি এখনও। একটু ফাঁকা ফাঁকা পরিবেশ।

    ভদ্রলোকের লোলুপ দৃষ্টি আর পরিবেশের মোহময়তা আমার ভেতর এক ধরনের তীব্র প্রতিহিংসাবোধ জাগিয়ে তুলল। আমি খাবার শেষে অপেক্ষা করতে লাগলাম সেই সময়টির জন্য। কখন আসবে সেই মাহেন্দ্ৰক্ষণ!

    দেরি করতে হল-না বেশিক্ষণ। সম্ভবত তিনি নিজেই সহ্য করতে পারছিলেন-না আর। অতিদ্রুত জাল বুনতে লাগলেন শিকারি মাকড়সার মতো।

    ইয়েস্ ইয়াং গাইজ্‌! তোমাদের কাজে আসি এবার। লেসন অ্যাবাউট ‘শট্’। এভি প্রোডাকশনের সবচেয়ে মজার বিষয়টাই হল শট্। দি মোস্ট ইম্‌পরটেন্ট অ্যান্ড সেনসেশনাল পার্ট অব দ্যা ফিল্ম। তুমি একটি বিষয়কে শটের তারতম্যের কারণে দর্শকের কাছে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে প্রভাব ফেলতে পার। ওয়াইড শটে যে দৃশ্যকে ভৌতিক বলে মনে হতে পারে, ক্লোজ-আপে সেটাকেই আবার অত্যন্ত রোমান্টিকভাবে দেখানো যায়। একই দৃশ্য এক্সট্রিমে চলে গেলে, তা দেখানো যায় ক্রেইজিভাবে। শটের সংজ্ঞা অনুযায়ী এ.ভি-তে প্রায় চৌদ্দটা ফান্ডামেন্টাল ক্লাসিফিকেশনস্ ক্লাসিফিকেশনস্ আছে। ই.ও.ডব্লিউ.এস। এস.ডব্লিউ.এস। ডব্লিউ.এস। ই.এল.এস। এল.এস। এম.এল.এস।…

    রাফিয়া প্রায় হাই তুলতে যাবার মতো অবস্থায় পৌঁছে গেছে।

    ভদ্রলোক যে নিশ্চিত একজন অভিজ্ঞ প্রডিউসার, তা অতিদ্রুত প্ৰমাণ করতে লাগলেন এরপর। দর্শকের জ্ঞান গ্রহণে অনীহা দেখে, সরাসরি উদাহরণে চলে গেলেন। সিনেমার ভাষায় বর্ণনা থেকে কাহিনী।

    একটা মেয়ের কথাই চিন্তা করা যাক। ধর, তোমার ফ্রেমে একটি মেয়ে আছে। আসো, মেয়েটির মাথা থেকে শুরু করি। মাথা থেকে পা পর্যন্ত অর্থাৎ পুরো আপদমস্তক শটে ধরলে, তাকে বলা হবে এফ.এস বা ‘ফুল- শট্’। কিন্তু হাঁটু পর্যন্ত নিলে তা হয় এম.এফ.এস আর থাই পর্যন্ত এম.এস। ঠিক কোমর পর্যন্ত নামলে তাকে বলে ওয়েইস্ট শট। আর যদি আমরা তার ব্রেস্টের নি পর্যন্ত নেই, তবে বলতে হবে মিডিয়াম ক্লোজ আপ।

    কথার এই অংশ বলেই প্রডিউসার সাহেব জায়গামতো তাকালেন আমার দিকে। শট্ নেবার জন্য ড্রাগনের জিভ লক্ লক্ করছে তার

    রাফিয়া ইঙ্গিত বুঝে বাথরুমে যাবার বাহানা তুলল। কারণ, ও জানে শিকার এখনই পা ফেলবে ফাঁদে। সুতরাং রশিতে অতিদ্রুত টান দেয়াই হবে আমার দায়িত্ব।

    অবশেষে ভদ্রলোক আমাদের পরিকল্পনায় সার্থকতা দিলেন। রাফিয়া ঘর থেকে বাথরুম বরাবর পা বাড়াতেই, চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ালেন তিনি অনেকটা উঠে এসে দাঁড়ালেন আমার চেয়ারের সামনে। তার টেবিল বরাবর হেলান দিয়ে।

    যা বলছিলাম রিতু, স্যরি, প্রবালি নিতু! রাইট?

    আমি মাথা ঝাঁকালাম। এবং একটা রহস্যময় হাসি হাসলাম।

    ভদ্রলোক হাত নাড়িয়ে নাড়িয়ে বলতে লাগলেন এ দফায়।

    ইয়েস্, নিতু। শোন। এ.ভি-র সবচেয়ে মজার শটা সম্পর্কে এবার বলি। ই.সি.ইউ অর্থাৎ এক্সটিম ক্লোজ-আপ। ধর, তোমার চুল থেকে ঠিক গলা, আই মিন, টপ অব দ্য ব্রেস্ট পর্যন্ত নেয়া হবে…

    ঠিক এই পর্যন্ত বলেই ভদ্রলোক হাত বাড়ালেন লক্ষ্যবস্তুর দিকে।

    আমিও যথারীতি প্রস্তুত।

    চেয়ার থেকে হাল্কাভাবে দাঁড়িয়ে উঠলাম ওনার সুপার ক্লোজ-আপ শট্ বরাবর। ন্যাতানো ভঙ্গিতে হাল্‌কা জড়িয়ে ধরে বললাম।

    শুধু হাত দিলেই চলবে? না-কি, আরও মেগা ক্লোজ-আপে যেতে হবে ভাইয়া! তবে সাবধান, রাফিয়া কিন্তু তার মোবাইলটা অন করেই চলে গেছে ভুলে। আপনার টেবিলের কর্নারে। লক্ষ করেননি হয়তো। এবং সে নিজেও দাঁড়িয়ে আছে ঠিক দরজার ওপাশে। ফিল্মের শেষ অংশটুকু দেখার জন্য।

    বলামাত্রই ঠাস্-ঠাস্ করে দু’গালে দু’টো কষে চড় বসালাম আমি।

    ভদ্রলোক কিছু বুঝে উঠবার আগেই রাফিয়া ঢুকে পড়ল ঘরে। হাসতে হাসতে বলতে লাগল।

    এবারের মতো মাফ করে দিলাম, যান! বাবাকে কিছু জানালাম না। আশা করি পরবর্তীতে এই শিক্ষাটা মনে রাখবেন, জনাব ফাহাদ বিন ফারুক। দি ডিরেক্টর অ্যান্ড প্রডিউসার, এফ.বি.এফ ফিল্মস্।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহাতকাটা তান্ত্রিক – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত
    Next Article ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }