Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিতু বলছি – তৌহিদুর রহমান

    তৌহিদুর রহমান এক পাতা গল্প93 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিতু বলছি – ৭

    ৭

    আমাদের স্কুলের ইতিহাসে, সবচেয়ে অবাক ঘটনাটা ঘটল আজ

    সকাল দশটা নাগাদ একটা পুলিশ ভ্যান আসল। কিছু পুলিশ স্যারের রুমে ঢুকল। এবং মিনিট দশেকের মধ্যে স্যারকে গাড়িতে উঠিয়ে চলে গেল। আমাদের স্কুল ছুটি হয়ে গেল, ঠিক তার দশ মিনিট পর।

    ঘটনা জানা গেল পরে। দুপুরে। টিভি চ্যানেলে।

    ব্রেকিং নিউজ। ঢাকার একটি স্বনামধন্য বেসরকারি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ, ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার। অভিযোগকারি নারী, তার প্রতিষ্ঠানেরই একজন অধঃস্তন।

    আমাদের টিভি চ্যানেলগুলোর অভ্যাস অনেকটা শেয়ালের মতো। কেউ একজন ‘হুক্কা-হুঁয়া’ বললেই, বাকিরা সে সুরে সুর মেলাতে শুরু করে। সম্ভবত রবীন্দ্রনাথের একটা গান তাদের প্রশিক্ষণে এবং প্রতিষ্ঠানে বারবার বাজানো হয়। তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে… আমার বেলা যে যায় সাঁঝবেলাতে।

    মোবাইল, কম্পিউটার সব কিছু বন্ধ করে, ভয়াবহ মনখারাপ নিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লাম আমি। সবকিছু এক ধরনের বিরক্তিকর লাগতে লাগল আমার কাছে। যথারীতি মনখারাপের আইন ও গানের কথা অনুযায়ী, বিছানা ছেড়ে উঠলাম একেবারে সাঁঝবেলা। অর্থ্যাৎ সন্ধ্যা নাগাদ।

    কোনো একটি টেলিভিশন চ্যানেল, হাইভোল্টেজ একটি টকশো’র আয়োজন করেছে। বিষয়বস্তু, ধর্ষণ ও নিরাপদ প্রতিষ্ঠান। বক্তারাও মোটামুটি প্রস্তুত। আলোচনার টেবিল-সেট ভাঙতে হবে। এবং নিয়ম অনুযায়ী বাবা-মা-ও দু’জনে মিলে, সকল কাজ ফেলে, অত্যন্ত চিন্তিত মুখে তা দেখতে বসে পড়েছেন টিভি সেটের সামনে। যথারীতি আমাকে দেখামাত্রই, কথার ইশারায় পাঠিয়ে দিল অন্য ঘরে।

    আমিও কিছুই বুঝতে পারিনি, এমন গোবেচারী একখানা ভাব ধরে চলে গেলাম সোজা ছাদে। আর এ.ভি’র একটি জনপ্রিয় ডায়ালগ মনে করলাম, Art is a form of catharsist

    বুঝেছি কি বুঝি নাই
    সে তর্কে কাজ নাই
    ভালো লেগেছিল, মনে রইল এই কথাই।

    আমি নিশ্চিত, রেজা স্যার আর যা-ই হোক, কারও ওপর জোর করবেন, এমন মানুষ কখনোই নন। তবে শুধু এইটুকু জানতে ইচ্ছা করছে, অভিযোগটা করল কে? কী তার উদ্দেশ্য?

    .

    আমাদের বাসা রায়েরবাজারের একটু ভেতরে। জায়গাটার নাম দুর্গামন্দির গলি।

    আশেপাশে বেশকিছু নতুন অ্যাপার্টমেন্ট গড়ে উঠলেও, অনেকগুলো পুরাতন দোতলা-তিনতলা এখনও রয়ে গেছে এখানে। হয়তো ডেভলপারের সাথে বনিবনা হচ্ছে না বলে। তাই অনায়াসে মধ্যবিত্ত কিছু পরিবার, এখনও কম ভাড়ায় থাকতে পারছে এইসব পুরনো আমলের বড়বড় ঘরওয়ালা বাড়ি নিয়ে। যথারীতি আমাদের তিনতলা বাড়ির ছাদটাও তাই বেশ খানিকটা বড়।

    আমাদের ছাদ থেকে একটু সামনে, একটা চার রাস্তার মোড় দেখা যায়। যার ল্যাম্পপোস্টের একমাত্র লাইটটি বছরের অধিকাংশ সময়ই নষ্ট থাকে। আর এ কারণেই এই জায়গা দিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকার রিক্সাভ্রমণের দৃশ্য অত্যন্ত আনন্দময়। একটু দূর থেকে লক্ষ করলে, বিষয়টা স্পষ্ট বোঝা যায়। স্ক্রিপ্ট বানালে, কাহিনিটা দাঁড়াবে ঠিক এরকম।

    দৃশ্যপট এক। রিক্সা আলো থেকে আলো-আঁধারি। ছেলেটি সরে বসছে মেয়েটির গা ঘেঁষে। মেয়েটি হালকাভাবে এলিয়ে দিচ্ছে শরীর।

    দৃশ্যপট দুই। রিক্সা আলো-আঁধারি থেকে অন্ধকার। ছেলেটির হাত পেছনে। মেয়েটি ইতস্তত না-না ভাব।

    দৃশ্যপট তিন। রিক্সা ঠিক ল্যাম্পপোস্টের নিচে। এবার ঘন অন্ধকার। গালে গাল; হাল্‌কা ঘষা-ঘষি, লেপ্টালেপ্টি। হঠাৎ ঠোঁটে ঠোঁট I

    শেষ দৃশ্যপট। রিক্সার অন্ধকার থেকে মোড় অতিক্রম। যথারীতি ছেলে-মেয়ের আগের পজিশন। এবং এরপর শুধু হাতে হাত, চোখে চোখ। আর মধুময় কিছু স্মৃতির রোমন্থন।

    মাঝে মাঝে অবশ্য আরও খারাপ কিছু দেখা যায়। তবে সেটা হুড তোলা থাকে বলে, অনুমানে বুঝে নিতে হয়।

    তাসলি আপু অবশ্য বিকেল থেকে সন্ধ্যা অবধি, ছাদ থেকে এসব দৃশ্য অবলোকনের নিয়মিত দর্শক। তাই প্রিয়ংবদার মতো, প্রতিটি দৃশ্যের অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর ধারাভাষ্য ও মতামত দিতে পারেন তিনি। স্বভাববশতই বাজে ভাষায়। রিক্সাভ্রমণ নিয়ে আপুর মন্তব্য শুনলে, যে কারো মাথা ঝিমঝিম করে উঠবে সাথে সাথে।

    .

    একদিন সন্ধ্যায় আমাকে ছাদে দেখে উনি বললেন।

    শোন্ নিতু, ভুল করেও ফোমের ব্রা ছাড়া ছেলেমানুষের সাথে রিক্সায় উঠবি না। আর অন্ধকারে তো জিন্স প্যান্ট ছাড়া বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘোরা হারাম।

    আমি হাসতে থাকলাম।

    হাসবি না, হাসবি না। ঢাকা শহরের যত গলির লাইট, সব নষ্ট! কারণ কী, জানিস?

    আমি না-সূচক মাথা ঝাঁকালাম।

    মাস্তানদের মতো ইয়াং পোলাপাইনরাও সিটি কর্পোরেশনের লাইটম্যানদের ঘুষ দেয়। রাস্তা অন্ধকার রাখার জন্য। আলো রাখলেই অসুবিধা।

    আমি জানতে চাইলাম, কী অসুবিধা আপু?

    আছে, আছে। ক’দিন পরে বুঝবি।

    বলেই তাসলি আপু কেমন যেন একটু উদাসীন হয়ে গেল। এটা আপুর অত্যন্ত স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। এই মেঘ, এই রোদ্দুর। এখনই হাসি- খুশি, আবার একটু পরেই মনখারাপ।

    আচ্ছা নিতু, ঢাকা শহরের সব জায়গাতেই-তো না-কি ইদানিং সিসি ক্যামেরা আছে।

    আমি মাথা ঝাঁকালাম।

    এগুলো মনিটরিং করে কে?

    জানি না। মেট্রোপলিটন পুলিশ অথবা সিটি কর্পোরেশনও হতে পারে। কিন্তু কেন!

    এগুলো দিয়ে তো ক্রাইম অ্যান্ড ক্রিমিনালস্ ধরা হয়, তাই না? যেমন, মাস্তান, সন্ত্রাসী, খুনি, ছিনতাইকারী… ধর্, সেইভাবে একদিন ডিসিশন নেয়া হল যে, প্রেমিকা-প্রেমিকা ধরা হবে। অর্থাৎ কাপল্‌স। যারা বেশি রোমান্টিক তাদের বেশি শাস্তি।

    কী শাস্তি দেবে!

    আমি অবাক হয়ে জানতে চাইলাম।

    লাইক, ভেলেনটাইস ডে কিংবা পহেলা ফাল্গুন অথবা বর্ষার প্রথম দিনে, ভিডিও ফুটেজ দেখে দেখে খুঁজে বের করা হবে এইসব অতি রোমান্টিক জুটিদের। রোমান্টিকতার মাত্রা অনুযায়ী শাস্তিস্বরূপ দেয়া হবে বিবিধ উপহার। কাউকে বাদলদিনের প্রথম কদম ফুল। কাউকে এক ঘণ্টার জন্য ঘুরতে দেয়া হবে ফ্রি পুলিশ পিক-আপ ভ্যান। অথবা কাউকে এক দিনের কারাবাস, একটি নির্জন কক্ষ—-তুম-হাম এক কামরে মে বান্দ্‌ হো, অ-ওর সব চাবি খো গ্যায়া হ্যায়।

    আমি মনে মনে ভীষণ হাসতে লাগলাম।

    তাসলি আপুকে আমার অত্যন্ত ভালো লাগে। অসম্ভবরকম ভালো। স্পেশিয়ালি ওনার জোক্সগুলোর জন্য। তবে, আমি জানি, আপুর মনে অনেক কষ্ট। অনেক। আমাদের দেশের আর দশজন মেয়ের যে কারণে কষ্ট হয়, সে কষ্ট।

    তাসলি আপু একটু কালো। বাল্কি-ফিগার! আর এ কারণেই কোনো বয়ফ্রেন্ড স্থায়ী হয়-না তার। এমনকি বাবার এতকিছু থাকা সত্ত্বেও, ভালো বিয়ের প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায় ওনার। কিছুদিন আগে এক ছেলেপক্ষ নাকি সরাসরি বলেই ফেলেছে, জায়গাটা ছেলের নামে লিখে দিলে আলোচনা শুরু করা যায়, নতুবা মেয়ে দেখে কী লাভ!

    আমার মাঝে মাঝে খুব মনে হয়। সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে সত্যিই যদি ‘ইচ্ছে-দেবতা’ কখনও এসে আমাকে বলে, বল, তুমি কী চাও?

    আমি আমার একটিমাত্র ইচ্ছে পূরণের কথা বলব।

    আমি চাই, পৃথিবীর প্রতিটি মেয়েই সুন্দরী হোক। অতিশয় ফর্সা। অতি রূপবতী। অসুন্দর বলতে কোনো মেয়েই যেন আর জন্ম না-নেয়, কোনো মায়ের কোলে কখনো।

    তাহলে একদিন দেখা যাবে, সুন্দরীদের অহংকার আর অসুন্দরীদের হীনমন্যতা কোনোটাই থাকবে না এই পৃথিবীতে কখনো। সবচেয়ে বড় কথা, একটু সুন্দরী মেয়ে দেখলেই, কিছু পুরুষের জিভ আর লক্ লক্ করবে না বন্য পশুদের মতো।

    .

    কিরে, একা একা কী বিড়বিড় করছিস? মোবাইলও তো কানে নেই।

    আমি পেছন থেকে কণ্ঠ শুনেই বুঝলাম, এটা তাসলি আপু।

    তুমি কি ছাদেই ছিলে এতক্ষণ?

    না। এইমাত্র আসলাম। কেন, কেউ আসবে নাকি? গোপন অভিসার!

    আমি হাসলাম।

    হুঁ! এই তো তুমি এলে!

    আমি তো আসলাম সিঁড়িতে পায়ের শব্দ শুনে।

    মানে?

    আমি জানতাম এটা তুই-ই হবি। আর তোকে আমার দরকারই দরকার। ইমার্জেন্সি।

    আমাকে! কেন?

    ও-মা, বলিস কী রে! তোরা তো হলি আজকের মিডিয়া স্টার। দি স্টুডেন্টস অব রেজা স্যার।

    আমি মৃদু হাসলাম।

    তাই না-কি? এতক্ষণে তাহলে আলোচনায় চলে এসেছে সব!

    সব মানে! অল টিভি-চ্যানেল, অনলাইন ম্যাগাজিন, ওয়েবপোর্টাল, টুয়েন্টি ফোর আওয়ার্স নিউজ মিডিয়া, ফেইসবুক, সোশাল পেইজ, সব তো বন্যায় সয়লাব। তোদের ‘দেবতা-স্যার’ নাকি ছাত্রীদের সাথেও ইটিস- পিটিস্ চালাতেন মাঝে মাঝে!

    আমি হঠাৎ হাসিমুখ বন্ধ করলাম।

    আপু বলতে লাগলেন।

    কী রে, তুইও আছিস না-কি লিস্টে? থাকলে বল্? কতদূর! ড্রাই টেস্ট, না-কি….

    এই প্রথম তাসলি আপুর কোনো জোক্স আমার কাছে বিরক্ত লাগছে। আমি একটু গম্ভীর হয়ে গেলাম।

    ছিঃ আপু! কী যে বল-না তুমি। স্যারকে নিয়ে এসব বোলো-না।

    ছাদে অন্ধকার। তাই হয়তো আপু আমার মুখ দেখতে পাননি। ওনার মতো করে বলতেই লাগলেন।

    আর যাই হোক, ব্যাটার চেহারাটা কিন্তু জটিল। দেখলেই ক্র্যাশ! হৃদয় ভেঙে গুঁড়ো গুঁড়ো। আমাদের স্যার হলে তো, আমি কমপক্ষে…

    আমার চোখে সরাসরি পানি চলে এল। ছিঃ! ছিঃ! স্যারকে নিয়ে তাহলে, এখনিই এতদূর কথা বলা শুরু করে দিয়েছে মানুষ! আমার মতো খারাপ মেয়েরা স্যারকে দশটা বাজে কথা বলুক। বাজে ফাঁদে ফেলুক। কিন্তু অন্যরা কেন? অন্যরা কেন…

    আপু প্লিজ, স্যার প্রসঙ্গ বাদ দাও।

    আমি প্রায় কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে বলে বসলাম শেষ বাক্যটা।

    এ কী! এ কী! তুই তো দেখি সত্যি ওনার ওপর ক্র্যাশ খাওয়া পাবলিক!

    আমি ওনার কোনো কথা না শুনেই, সরাসরি সিঁড়ি বরাবর চলে এলাম একরকম দ্রুত পা ফেলে।

    পেছন থেকে তাসলি আপু ডেকে চলেছেন।

    নিতু, এই নিতু। থাম্। যাবি-না। তোকে বেশ কিছু ইমার্জেন্সি কথা বলার আছে। আমি এইজন্যই এসেছি। থাম্‌ বলছি।

    আপু অনেকটা দৌড়ে এসে আমার হাত ধরলেন।

    আমি উল্টোমুখ করেই বললাম।

    বল, কী বলবে? আমি পড়তে বসব।

    আপু একটু ঘুরে আমার মুখের দিকে তাকালেন।

    শোন, তোর ফেইসবুকে জন্মদিনের বেশকিছু ছবি আছে। স্যারের সাথে। ডুয়েল, সিঙ্গেল, গ্রুপ। এমনকি ক্লোজলিও। মিডিয়া ছাড়াও পুলিশ, ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট এগুলো অ্যানালাইসিস করছে। টিভিতে বারবার এইসব সোশ্যাল ওয়েবসাইটের কথা আলোচনা হচ্ছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, ওগুলো সরিয়ে ফেলিস্।

    এতক্ষণে আমার মনে একটা কাঠিন্য ভাব চলে এসেছে। আমি গলার স্বরটা যথাসম্ভব ভারি করেই বললাম।

    আর যদি না সরাই? কী হবে? ডিবি’ আসবে! অ্যারেস্ট করবে! মিডিয়ার মাতামাতি হবে!

    বলেই চোখ রাখলাম আপুর চোখ বরাবর।

    তাসলি আপু কোনো কথা না-বলে সরাসরি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন।

    লক্ষ্মী বোন আমার! রাগ করিস না। আমার কথা শোন্। তোদের স্যারের এখন বিপদ। ভীষণ বিপদ। এই ছবিগুলো ওনাকে আরো বিপদে ফেলবে। আই নো, হি ইজ ইনোসেন্ট। মেয়েরা আর যা-ই হোক, পুরুষের চোখের দিকে তাকালেই বুঝতে পারে, কে মানুষ আর কে পশু! বাট উয়ি হ্যাভ টু হেল্প হিম। ইট্স নট দ্যা টাইম টু বি ইমোশনাল।

    আমি তাসলি আপুর বুকে ঝাঁপিয়ে কেঁদে ফেললাম। ঝরঝর করে কান্না। সারাদিনের জমানো কান্না। সারা জীবনের জমানো কষ্ট!

    আপু আমি জানি। আমি জানি। সব জানি। স-অ-ব।

    আপু আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলেন।

    এ কী! এ কী! তুই তো দেখি আসলেই সিরিয়াস হয়ে গেছিস। চুপ্ চুপ্। জাস্ট ফুল-স্টপ। ফুল গার্ল!

    আমি আরও বেশি কাঁদতে লাগলাম। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে। ছোট বাচ্চার মতো।

    আপু, উনি পশু হোক কিংবা মানুষ। দেবতা হোক অথবা দৈত্য। আমি কিচ্ছু জানি-না। জানতেও চাই-না। আমি শুধু একটা কথাই বলব। শুধু তোমাকেই বলব। আর কাউকে না। আমি, আমি…

    বলার আগেই হাউ মাউ করে কেঁদে ফেললাম এ দফায়।

    .

    আপু হাসতে লাগল।

    এই যাহ্! এ তো দেখি সত্যিই বিপদ! পুরো স্কুল একসাথে এক লোকের প্রেমে ফিদা। ছাত্রী-শিক্ষিকা, বুয়া-আয়া, চেয়ার-টেবিল সব! মিডিয়া তো দেখি এক বিন্দুও বানিয়ে বলছে-না।

    তাসলি আপু গভীর মমতায় আমার মাথায় হাত বুলাতে লাগলেন।

    চুপ্ পাগলি। সব কষ্ট সবসময় বিলাতে হয় না-রে। যারা কষ্টকে হাসি দিয়ে মুড়ে দিতে পারে, তারাই আসল মানুষ। আলকেমিস্টদের নাম শুনেছিস্। তারা কী করত জানিস্! ইনফেরিয়র মেটাল অর্থাৎ কাঁচা-লোহাকে স্বর্ণে রূপান্তর করত। আমার কী মনে হয় জানিস নিতু? আমরা প্রতিটি মানুষই একজন এক্সপার্ট আলকেমিস্ট। কিন্তু মনে মনে। মনের ধাতব কষ্টকে সবার জন্য সোনার হাসিতে রূপান্তর করাই আমাদের আসল কাজ।

    .

    ছাদ থেকে বাসায় ঢোকামাত্রই, বাবা-মা দু’জন একসাথে আমার পিছু পিছু ঘরে আসলেন।

    বোঝাই যাচ্ছে টেনশনে অস্থির। নতুবা আমার চোখ যে ভেজা ছিল, তা অন্তত কারও চোখে পড়ত। নাকি হয়তো-বা পড়লেও এড়িয়ে যাচ্ছেন সেসব।

    বাবা যথারীতি ধৈর্য রাখতে পারলেন না।

    শোন্ নিতু, তোর ফেইসবুক, ভাইবার, মোবাইল, কী কী সব আছে না, সব এক্ষুণি অন কর্

    আমি তাসলি আপুর কথামতো, একজন অভিজ্ঞ আলকেমিস্টের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলাম। মুখে হাসির ফোয়ারা ফোঁটালাম।

    বুঝেছি তো। বুঝেছি। সব ডিলেট করতে হবে। তাই না বাবা? হোয়াটস্ অ্যাপ, ইমো, ভাইবার, মেসেঞ্জার, এমনকি মোবাইলের এসএমএস, কল রেকর্ডস্, সব।

    মা আমার দিকে কঠিন করে তাকালেন।

    সব সময় বেশি বোঝা ভালো-না। আমাদের সামনে ওইসব ছবি-ফবি সব ফেলে দে। পারলে কম্পিউটার, মোবাইল থেকেও সরিয়ে ফেল সব কিছু। এক্ষুণি।

    আমি মা’র মেজাজটা একটু চড়ানোর জন্য বললাম।

    ক্যান মা, পুলিশ কি বাড়ি বাড়ি গিয়েও তল্লাশি করবে? সব ছাত্রীর লেপ-তোষক, বিছানা-বালিশ!

    কথা শেষ হবার আগেই মা ঠাস্ করে চড় বসালেন।

    যা বললাম, এই মুহূর্তে কর্।

    উহ্! তুমি আবার এইসব কী শুরু করলে মিতুর মা! নাহ্! ঠাণ্ডা মাথায় কোনো চৌবাত-ই তোমরা সালাবাহ্ করতে পার-না কেউ।

    বাবা তার ঘর বরাবর পা বাড়ালেন। চোখে-মুখে তার তীব্র বিরক্তির ভাব।

    আমি মোবাইল অন করলাম। ল্যাপটপ খুললাম। দিনের প্রথমবারের মতো ফেইসবুক ওপেন করলাম।

    মা যথারীতি আমার ঘর থেকে কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলেন রান্নাঘরে।

    .

    ও মাই গড! এ কী!

    পুরো সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে আজ একটাই গল্প

    ধর্ষক ও তার শাস্তি। প্রাচীন আমলের ইট-পাথর নিক্ষেপ থেকে শুরু করে ক্রসফায়ার, ফায়ারিং স্কোয়াড, এমনকি নর্থ কোরিয়ার আধুনিক আনবিক বোমায় লাগিয়ে এমন শিক্ষককে মারার প্রস্তাবও দিয়েছেন কোনো কোনো বিজ্ঞ কমেন্টস্কারী।

    টুয়েন্টি ফোর আওয়ার্স নিউজ পোর্টালগুলো একটু পরপর আপডেট দিচ্ছেন। চরিত্রহীন অধ্যক্ষের নানাবিধ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে।

    উদাহরণ এক। বিকৃত রুচিশীলতা। ছাত্রীদেরকে গোপন কামরায় নিয়ে কু-প্রস্তাব। প্রমাণ, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিভাবকদের অভিযোগ।

    উদাহরণ দুই। কর্মস্থলে হীনমন্যতা। সুন্দরী শিক্ষিকাদের নিজ বাসায় আমন্ত্রণ দিয়ে অশালীন কাজ। প্রমাণ, মুখ ফ্রোজেন করা একজন শিক্ষিকা ও একজন অফিস কর্মকর্তা। যাদের চেহারা দেখলেও, অফিসের বলে ঠিকমতো সনাক্ত করা যাবে মনে হচ্ছে না।

    উদাহরণ তিন। নৈতিক স্খলন। খারাপ মেয়েদের সাথে অবৈধ মেলামেশা ও রসালাপ। প্রমাণ, নাম না-জানা বিভিন্ন ফোনালাপ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় করা চ্যাটিং-এর স্ন্যাপ শট।

    সবকিছু দেখে আমার এমন উদ্ভট লাগতে লাগল যে, এক পর্যায়ে আমি সত্যি সত্যি নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না। তাসলি আপুর বর্ণনায় নিজেকে একজন দক্ষ আলকেমিস্ট বানিয়ে ফেললাম অট্টহাসিতে ভেঙে পড়ে। কিন্তু একজায়গায় যেয়ে আমার চোখ একদম স্থির হয়ে গেল।

    এটা কে! এটাই কি সেই অভিযোগকারিণী?

    অসম্ভব এ হতেই পারে না। ইম্‌পসিবল! ইম্‌পসিবল ইজ মাস্ট বি আ ওয়ার্ড, দ্যাট উইল বি ফাউন্ড ফর দিস কেইসে’স ডিকশনারি।

    .

    আরো কিছু ভাববার আগেই আমার মোবাইল বেজে উঠল I

    হ্যালো, নিতু! তুই কি একটা গাধা না-কি একটা বেকুব, বল তো?

    রাফিয়ার উত্তেজিত কণ্ঠস্বর।

    আমি স্বাভাবিকভাবে উত্তর দিলাম, এ মুহূর্তে দ্বিতীয়টা বলতে পারিস। তবে সারাদিন গাধাই ছিলাম। কারণ, কিছুই জানতাম না।

    তোর মোবাইল বন্ধ। ফেইসবুক অফলাইন। মেসেঞ্জার অফ। আর এদিকে আমি তো টেনশনে অস্থির তোকে নিয়ে। শুধু তোদের বাসায় যেতে পারিনি মাত্র! বাবা আমার চলাফেরায় কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন বলে।

    থাম্, থাম্। এক হল আমাকে নিয়ে টেনশন। দুই, নিষেধাজ্ঞা। কারণ?

    তুই কিছু জানিস না?

    সন্ধ্যা পর্যন্ত জানতাম না। এই একটু আগে থেকে জানা শুরু করলাম।

    তুই জানিস ঘোড়ার ডিম। ইউ নো দ্যা এগ অফ এ হর্স।

    কেন? কালাপেত্নীর কথা বলবি তো?

    ধূর্, ধূর্। ছবি দেখেছিস্?

    কী ছবি?

    সেটাই তো বলছি! জন্মদিনের ছবি।

    মানে?

    তোর জন্মদিনে তোলা আমাদের সেই বিখ্যাত ছবি। কালাপেত্নী আর পিসু’র এডিটেড পিকচার। জয়েন্ট। সিংগেল। ডুয়েল। শাড়িতে হাত দেয়া।

    যেটা আমরা পেত্নীর ফেইসবুকে শেয়ার-পোস্ট দিয়েছিলাম? ফেইক আইডি থেকে?

    ইয়েস গাধীরাম। সেই ছবি। পেত্নী সব মিডিয়ায় ওইসব ছবি, কী সব ছেঁড়া-ফাঁড়া শাড়ি, হাবি-জাবি দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছে।

    ও মাই গড!

    শুধু গড়? পারলে ঈশ্বর-ভগবান-মহাদেব সব নামে ডাকা শুরু কর। আসল কথা তো এখনো শুনিস্-ই নি।

    আরও!

    পেত্নী বলেছে, অনেক ছাত্রীরা না-কি তার রুমে যেয়ে বাজে বাজে কথা বলত। বাজে কাজ করত। এমনকি বাজে একটা ছবিও নাকি বানানোর প্ল্যান করছিল পিসু নিজে।

    আমার হাত-পাসহ পুরো শরীর কাঁপতে থাকল।

    বলিস কী এসব!

    শুধু তাই না। কালাপেত্নী সিগনাল দিয়েছে। সময় হলে এসব নামও নাকি বলে দেবে সে।

    নিজের কান আর রাফিয়ার বক্তব্য, দু’টোকেই কেমন অবিশ্বাস্য বলে মনে করতে ইচ্ছে করছে আমার। রাফিয়া তার বেকুবসুলভ কথার রেলগাড়ি চালাতেই লাগল।

    জানিস্ নিতু, আমার ভীষণ ভয় করছে। আমরা মনে হয়, আমরা ধরাই খেয়ে যাব শেষমেষ। বুমেরাং চিনিস! বুমেরাং? অস্ট্রেলিয়ান অস্ত্র। আমরা যেসব ছবি পাঠিয়ে এতদিন সবাইকে বোকাস্-বু’র ভয় দেখিয়েছি। এখন আমাদেরকেই সেসব ছবি বুমেরাং বানিয়ে ফেরত পাঠাচ্ছে অ্যান্টিপার্টি। হিট অ্যান্ড রিটার্ন মেথড।

    থাম, থাম্, রাফিয়া। ওয়ার্ডটা আরেকবার বল তো? কী বললি, হিট অ্যান্ড রিটার্ন!

    কেন? বললেই কি সবকিছু ক্লিয়ার হয়ে যাবে? দুধ কা দুধ, ওয়াটার কা ওয়াটার। শোন্ নিতু, দুধ-পানি-বরফ আমরা সব একসাথে গুলিয়ে ফেলেছি। আমাদের ধরা খাওয়া ছাড়া…

    রাফিয়ার বেকুবীয় বক্তব্যে মাথা না ঘামিয়ে, আমি ঠাণ্ডা মাথায় বলতে লাগলাম।

    লিসেন রাফিয়া, অভিনয় নিয়ে রেজা স্যার বিশ্ববিখ্যাত এক ফিল্ম প্রডিউসারের একটা উক্তি প্রায়শই বলতেন, মনে আছে? অ্যাক্টিং ইজ দ্যা ফুল্‌স বিজনেস, অভিনয় হল মিথ্যার বেসাতি। আর এই মুহূর্তে তুই কী বলছিস্, হিট অ্যান্ড রিটার্ন! তাহলে, অভিনয়ের মিথ্যে মিথ্যে খেলায় আমরা কাকে কাকে হিট করেছি, হিসাব করে বল তো?

    মানে কী? আমরা আবার মিথ্যে-মিথ্যে কী করলাম?

    রাফিয়া উত্তেজিত কণ্ঠে কথার মাঝখানেই প্রশ্ন করল।

    আমি আগের মতোই ধীরকণ্ঠে উত্তর দিলাম।

    ইয়েস্ রাফিয়া, ইয়েস! আই গট্ ইট্‌।

    কী পেয়েছিস?

    অস্ট্রেলিয়ান উইপন। কী যেন নাম বললি একটু আগে, বুমেরাং? ইয়েস্ এগেইন বুমেরাং

    কী সব আবোল-তাবোল বলছিস্? নিউজ শুনে তোর কি মাথা-মুথা অলরেডি লগ-আউট? এগেইন বুমেরাং-টার মানে কী?

    মানে হল, আমরা যাদেরকে হিট করেছি, সলিউশন তাদের কাছেই আছে। এবং স্যারকে ফাঁসানোর এই প্ল্যানটা, তাদের মধ্যেই কারো।

    কী বলছিস্, খোলাসা করে বল্! এত জেমস্ববন্ডগিরি আমার একদম ভাল্লাগছে না। আমি আর ফিল্মে-ফুল্মে নাই। আমার আর চার্লিস্ অ্যাঞ্জেল্স-এর ক্যামেরন ডায়াজ হবার কোনো শখ নাই। শুধু তুই এই বিপদ থেকে উদ্ধার কর, আম্মাজান। প্লি-ই-জ।

    লেট্স কাম টু দ্যা পয়েন্ট রাফিয়া। বল তো, লাস্ট টাইম আমরা আক্রমণ করেছি কার ওপর?

    কালাপেত্নী? শাকচুন্নি? পিসু?

    উঁ হু, ইউ আর নাউ এ হর্স এগ। মনে কর, শেষদিন রাতের ঘটনা। আমরা কাকে ভয় দেখিয়েছি? মনে পড়ে?

    ওহ্, ইয়েস্!

    রাফিয়া এই প্রথম তার পুরনো আত্মবিশ্বাসের সাথে, জোর সাহস নিয়ে বললো শেষ কথাটা

    কিন্তু নিতু, ওই পাবলিক কিভাবে জড়ালো এটাতে? তাছাড়া পিসু’র সাথে ওর শত্রুতা কী?

    এটাই তো কোয়েশ্চেন। পিসুর সাথে ওর রিভেঞ্জটা কোথায়?

    তুই কি বলতে চাচ্ছিস আমরা?

    ইয়েস্। ভালোভাবে ভেবে দ্যাখ, এর কারণ আমরাই। সুতরাং পুরনো সূত্রের নতুন প্রয়োগ। কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা।

    আবার নতুন পরিকল্পনা!

    নিতু হাসল।

    ভয় পাচ্ছিস কেন? সমুদ্রে পেতেছি শয্যা, শিশির কিসের ভয়।

    শোন্ নিতু, তোর যেখানে যখন ইচ্ছা, বিছানা পাত্‌। পারলে ক্যাথা বালিশও নিয়ে যা। কিন্তু আমাকে শুধু এইটুকু বল্, হোয়াট টু ডু নাউ।

    আরেকবার ডাকতে হবে। ‘ওয়ান্‌স মোর’।

    কাকে?

    বুঝতে পারছিস না, ‘ওয়ান্‌স মোর’ মানে কী?

    প্যাট্‌না আসিফ!

    ইয়েস, মিস্টার আসিফ দ্যা প্যাট্‌না। তবে এবার তুই না, ফেইস হব আমি। আমি নিজে। ফুল অ্যান্ড ফাইনাল ভারশন।

    রাজি হবে না।

    হবে, হবে। ইট্স মাই কল। আমার আবেদন এড়ানোর মতো দুঃসাহস এখানো দেয়া হয়নি ওকে। তুই শুধু ক্যামেরা-লাইট-সেট-ক্রু সব রেডি রাখবি। সময়মতো। জায়গামতো।

    কথাগুলো এত দৃঢ়তার সাথে বললাম যে, রাফিয়া ‘হ্যাঁ-না’ কিছু বলার সুযোগই পেল-না।

    শুধু বলল, নো টেনশন। অল ক্রু’জ স্ট্যান্ডবাই।

    আমি বলতেই থাকলাম।

    কিন্তু তার আগে সবচেয়ে যেটা জরুরি, তা হল, রেজা স্যারের সাথে দেখা করা।

    রাফিয়া এই দফায় চিৎকার করে উঠল।

    আর ইউ ম্যাড? আমার ধারণা তুই সত্যি-সত্যি পাগল হয়ে গেছিস্। স্যারের উল্টা-পাল্টা নিউজ শুনে তোর মাথা আউলা হয়ে গেছে। ইট ইজ কোয়াইট ইম্‌পসিবল নিতু!

    হয়তো সেটাই। কিন্তু দেখা আমি করবই। ইট্ ইজ মাই কমিটমেন্ট টু রেজা স্যার।

    .

    কেটে গেল নির্ঘুম আরো একটা রাত।

    সকাল সকাল পত্রিকায় বিশদ ব্যাখ্যা দেখলাম ঘটনার। তবে, সকল ঘটনার মধ্যে আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন বলে মনে হল কয়েকটা বিষয়।

    এক, রেজা স্যার আর আমাদের প্রিন্সিপাল নেই। নতুন কাউকে নিয়োগ দিয়েছে গভর্নিং বড়ি।

    দুই, রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে স্যারের। এক দিনের।

    তিন, বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে আমাদের স্কুল। অনির্দিষ্ট কালের জন্য।

    চার, ঘটনার সপক্ষে স্কুলের কোনো ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী কেউই সাক্ষ্য দিতে নারাজ। শুধু ভিক্‌টিম ছাড়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহাতকাটা তান্ত্রিক – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত
    Next Article ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }