Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি – শংকর

    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়) এক পাতা গল্প176 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি – ৩

    ৩

    জীমূতবাহনের বাংলোটা ষাট-সত্তর গজ দূরে। মধ্যে লাল সুরকি দিয়ে রাস্তা—এমন কিছু চওড়া নয়, একটা ছোট গাড়ি কোনোরকমে চলে যেত পারে। বাংলোটা আকারে একটু যা বড়ো, কয়েকটা বেশি ঘর আছে।

    বাড়িতে আর কেউ আছে বলে মনে হলো না, কারণ জীমূতবাহন সেন নিজেই দরজার তালা খুললেন। ড্রইং রুমটা নিতান্ত ছোট নয়—দেওয়ালে অসংখ্য বই-এর সারি।

    জীমূতবাহন বললেন, “আমি চাই আমার সাধের এই নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরির সঙ্গে তোমার পরিচয় হোক। কত দূর থেকে আমার কথার ওপর ভরসা করে তুমি এসেছো।”

    অমিতাভ প্রতিবাদ করল, “আপনার কথা ছাড়াও প্রফেসর ব্ল্যাকারের মুখে নিবেদিতা ল্যাবরেটরির অনেক খবর শুনেছি আর সায়েন্টিফিক জার্নালগুলোও কিছু কিছু উল্টে দেখার অভ্যাস আছে আমার। ফ্রেঞ্চ ইনস্টিটিউট অফ এগ্রিকালচারের জার্নালে আপনার একটা লেখার অনুবাদ ছেপেছে দেখলাম।”

    “তুমি ফরাসী জানো?”

    “কাজ চালানো গোছের।”

    বেজায় খুশী হয়ে জীমূতবাহন বললেন, “খুব ভালো হলো—ফরাসী না জানার জন্যে মাঝে মাঝে বড্ড অসুবিধে হয়। ফরাসী এনটমোলজিস্ট জাঁ হেনরি ফেবারের লেখাগুলো আমার খুব ভাল লাগে। ইংরিজী অনুবাদ পড়েছি কিছু কিছু—কিন্তু অবসর সময়ে তোমার সাহায্যে অরিজিন্যালগুলো পড়া যাবে।”

    “নিশ্চয়। ফেবারের কিছু কিছু লেখা আমিও মূল ফরাসীতে পড়েছি—সত্যি খুব ভাল লাগে!” অমিতাভ উৎসাহের সঙ্গে বললে।

    জীমূতবাহনের এই পরিবেশ অমিতাভর বেশ ভাল লাগছে। জীমূতবাহনের মধ্যে বোধ হয় সেই গুণ কিছু আছে, যা গান্ধীজীর মধ্যে ছিল—মানুষ দেখলেই, খপ করে মোহিত করে টপ করে নিজের কাজে লাগিয়ে দিতে পারেন। বিলাসী ব্যবসায়ী, বিখ্যাত ব্যারিস্টার, ডাকসাইটে ডাক্তার, উদীয়মান উকিল, কত প্রতিভাধর কেমন সুখে স্বচ্ছন্দে সচ্ছল দিন কাটাচ্ছিলেন। গান্ধীজীর সঙ্গে একবার সাক্ষাতেই মাথায় ভূত চেপে গেল। পসার প্র্যাকটিশ পিছনে ফেলে রেখে জেলখানায় ঢুকতে হলো।

    অমিতাভর চিন্তাস্রোতে বাধা দিয়ে জীমূতবাহন বললেন, “তোমার খাওয়া-দাওয়ার অসুবিধে হবে। আমার হরিমোহন যা রাঁধে, তা বোধ হয় তোমার ভাল লাগবে না।”

    “মোটেই খারাপ লাগবে না,” অমিতাভ জানায়।

    জীমূতবাহন বললেন, “হরিমোহনের পূর্বপুরুষ শিবাজীর সৈন্যবাহিনীতে ছিলেন। যুদ্ধ করার চেয়েও রান্না করাটা যে অনেক শক্ত, তা হরিমোহনের কাজকর্ম দেখলে বুঝতে পারবে।”

    ঘড়ির দিকে তাকিয়ে জীমূতবাহন ডাক দিলেন, “হরিমোহন, হরিমোহন।”

    অমিতাভকে বললেন, “মেক ইওরসেলফ ইজি—জুতোটুতো খুলে ফেলে নিজের বাড়ির মতো করে বোসো।”

    ডাইনিং টেবিলে হরিমোহন একবার আবির্ভূত হয়ে খাবার জিনিসপত্র গুছিয়ে দিলেও, জীমূতবাহনই অমিতাভর দিকে সব এগিয়ে দিতে লাগলেন। হাসতে হাসতে বললেন, “এটা আমার অনেক দিনের অভ্যাস। ছাত্রাবস্থায় হোস্টেল থেকে এই মেয়েলী স্বভাবটা আয়ত্ত করি। সবাই টেবিলে বসতো। আমিই ভাত-ডালগুলো এগিয়ে দিতাম। ”

    অমিতাভ এবারও হাসলো। জীমূতবাহন বললেন, “এফ এ ও-র ডাইরেক্টর জেনারেল বি আর সেন মশাই একবার রোমে খেতে নেমন্তন্ন করেছিলেন। সেখানেও ভুলে আর একটু হলে আমি নিজেই সার্ভ করতে যাচ্ছিলাম। শেষ মুহূর্তে সামলে নিয়েছিলাম, বিনয়রঞ্জনবাবু জানতে পারেননি। জানলে হয়তো সব জিনিসটাই লঘু করে দিতেন। বলতেন, পৃথিবীর কোটি কোটি লোকের খাবারের থালায় অন্ন তুলে দেওয়ার সুযোগটা একটা মস্ত প্রিভিলেজ।”

    ‘অমিতাভ উত্তর দিলে, “তা সত্যি। পৃথিবীর খাদ্যসমস্যা ক্রমশ যেরকম গুরুতর আকার ধারণ করছে তা খুবই চিন্তার বিষয়। এবং এটা খুবই গর্বের কথা, এই সমস্যা সমাধানের নেতৃত্বটি যাঁকে দেওয়া হয়েছে তিনি একজন ভারতীয়।”

    জীমূতবাহন বললেন, “এবার খাওয়া শুরু করো। কোটি কোটি মানুষ যে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অনাহারে অর্ধাহারে রাত্রি যাপন করছে এসব কথা খাবার সময় মনে না আনাই ভাল।”

    খাওয়ার টেবিলেই কত আলোচন৷ হচ্ছিল। জীমূতবাহনকে খুঁটিয়ে লক্ষ্য করছিল অমিতাভ। চোখদুটো দেখলেই মনে হয় বড় স্নেহপ্রবণ। ভারি সরল মানুষটি।

    জীমূতবাহনের চশমাটা যা পুরু, কত পাওয়ার কে জানে! তাকানোর কায়দাতেই বোঝা যায় মাইওপিক। অথচ জীমূতবাহন নিজের সাধনায় পৃথিবীর কত দূরের জিনিস দেখতে পাচ্ছেন। শুধু ভূগোলের দূরত্ব নয়—কালের দূরত্ব। লক্ষ কোটি বছর আগে এই প্রাণহীন পৃথিবীতে যেদিন প্রথম প্রাণের স্পন্দন অনুভূত হয়েছিল, কিংবা সাড়ে সাঁইত্রিশ কোটি বছর আগের সেই প্যালিওজিক যুগেও জীমূতবাহন যে অনায়াসে বিচরণ করেন, তা তাঁর কথা শুনেই বুঝতে পারছে অমিতাভ। মাছেদের বয়স তখন অতি সামান্য ( এই কয়েক লক্ষ বছর মাত্র! ) সিলুরিয়ান পিরিয়ডে প্রথম পতঙ্গের সন্ধান পাওয়া গেল। হেমিপটেরাদের এই নিকট আত্মীয়কে শিলীভূত অবস্থায় লীমূতবাহন সুইডেনে দেখে এসেছেন। কিংবা পঁচিশ কোটি বছর আগে কার্বনিফেরাস যুগে ড্রাগনাকৃতি পতঙ্গরা যখন আড়াই ফুট লম্বা পাখা মেলে উড়ে বেড়াতো, জীমূতবাহন সে সম্বন্ধেও খবর রাখেন!

    কথাপ্রসঙ্গে জীমূতবাহন বললেন, “মানুষের বড়াই করবার মতো কিছুই নেই। যদি কারও তা থাকে, সে এই আরশোলার—যা দেখে আমার মেয়ে মদালসা প্রচণ্ড ভয় পেয়ে যায়, ঘেন্নায় বমি করে ফেলে। কিন্তু জীবিত পাগীদের মধ্যে একমাত্র আরশোলাই ২৫ কোটি বছরের ঐতিহ্য দাবি করতে পারে।”

    অমিতাভ জীমৃতবাহনের মোটা কাচের চশমার দিকে অবাক হয়েই তাকিয়ে ছিল। কিন্তু জীমূতবাহন তা লক্ষ্য করলেন না, আরশোলাদের সম্বন্ধে তাঁর তখন বেশী চিন্তা।

    জীমূতবাহন বললেন, “ভেরি প্রিমিটিভ টাইপ অফ ইনসেক্ট! ওদের কাছে আমাদের অনেক কিছু শেখবার আছে। নিজেদের গায়ের রঙ, খাবার জিনিস, সামাজিক ব্যবহার কোনো বিষয়েই আরশোলারা খুঁতখুঁতে হয়নি, তাই আজও তারা টিকে রয়েছে। এবং বহু যুগ পরে অস্তগামী সূর্যের কিরণ বরফে আবৃত এই পৃথিবীর শেষ যে প্রাণীটির ওপর এসে পড়বে, সেও নিশ্চয় একটা আরশোলা।”

    জীমূতবাহন সেন কিংবা অমিতাভ মিত্র শেষের সেই ভয়ঙ্কর দিনে নিশ্চয় উপস্থিত থাকবেন না। কিন্তু অ্যাডভেঞ্চার কাহিনীর নায়কের মতো জীমূতবাহন কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না, অনাগত কালে মানুষের আধিপত্যের একদিন শেষ হবে। প্রকৃতির সংগ্রামে পরাজিত মানুষকে একদিন রণদর্পী পতঙ্গের হাতে পৃথিবীর আধিপত্য সমর্পণ করে চিরবিদায় নিতে হবে।

    অমিতাভর চোখদুটো জীমূতবাহনের খুব ভাল লাগছে। চোখ থেকে মানুষের গভীরতা মাপবার একটা সহজাত শক্তি আছে জীমূতবাহনের ওকে পাঁচ জনের থেকে আলাদা মনে হয়েছে জীমূতবাহনের। সেই আশাতেই তো অমিতাভকে তিনি ডেকে পাঠিয়েছেন। একজন, অন্তত একজন বিশ্বস্ত তরুণ বন্ধুর প্রয়োজন তাঁর, বিজ্ঞানের পদযাত্রায় যে হবে তাঁর সহযাত্রী।

    উত্তেজিত হয়ে উঠলেন জীমূতবাহন। অমিতাভকে প্রশ্ন করলেন, “তুমি কি বলো, পতঙ্গের হাতে আমাদের এই পরাজয় আমরা বিনাযুদ্ধে মেনে নেবো? এখন থেকেই আমাদের কি কিছু স্টেপ নেওয়া উচিত নয়?”

    মুখ খুলে এ-প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়নি অমিতাভকে। জীমূতবাহন ওর মুখের দিকে তাকিয়েই যেন সব বুঝে ফেলেছেন। অমিতাভ এখনও তাঁর পরিকল্পনার কিছু জানে না। কানে না শুনে, নিজের চোখে সব কিছু দেখুক অমিতাভ।

    খাওয়া-দাওয়া শেষ করে অমিতাভ ও জীমূতবাহন বাইরের বারান্দায় এসে বসলেন। চাঁদ ওঠেনি। কিন্তু তারায় তারায় ছেয়ে রয়েছে আকাশের উঠোন।

    তারাগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে অমিতাভ। ওর মনটা যে একটু কাব্যিক তা জীমূতবাহন সহজে বুঝতে পারেন। তারাদের দিকে তাকিয়ে অমিতাভর কী মনে হয় কে জানে। হয়তো মনে হয় কোনো শাড়ির আঁচলের সোনালী চুমকি, কিংবা স্বৰ্গ দেওয়ালীতে লক্ষ প্রদীপের সমারোহ। কিন্তু জীমূতবাহনের মনে হয়, পৃথিবীর মতো স্বর্গেও নিশ্চয় পতঙ্গের পরাক্রম আছে। তারাগুলো যেন সুদূরের পতঙ্গ।

    আজ না হয় বয়স হয়েছে জীমূতবাহনের; সংসারের আগুনে জ্বলেপুড়ে তাঁর সমবয়সী অনেকেই হয়তো কুসুমে কেবল কীট দেখেন। কিন্তু যখন তাঁর বয়স কম ছিল, যখন সবে তিনি বিবাহ করেছেন, সবুজ সম্ভাবনার দিনগুলো যখন সামনে নরম কার্পেটের মতো পেতে দেওয়া হয়েছে, তখনও তারকাতে পতঙ্গ দেখেছেন জীমূতবাহন।

    ঈশিতা, তাঁর স্ত্রী, নববিবাহিতার সলজ্জ আভায় তখনও রঙীন হয়ে ছিল। কলকাতার প্রিটোরিয়া স্ট্রীটে ওদের বাড়ির পিছনে সবুজ ঘাসভরা যে বিরাট লন ছিল সেখানে জীমূতবাহনকে নিয়ে গিয়েছিল ঈশিতা। খোপায় ফুল পরেছিল ঈশিতা—আর দুটো বেতের চেয়ারে মুখোমুখি বসে গুনগুন করে গান গেয়েছিল, “আজ তারায় তারায় দীপ্ত শিখার অগ্নি জ্বলে নিদ্রাবিহীন গগনতলে।”

    বোধ হয় ঈশিতা বুঝেছিল, স্বামীর মরমে সে গান ঢুকছে না। তাই বোধহয় বলেছিল, “কী হাঁদা-গঙ্গারামের মতো আকাশের দিকে তাকিয়ে আছো?”

    মনে যে একটু আঘাত লাগেনি এমন নয়। কিন্তু জীমূতবাহন এসব সহ্য করবার মতো মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই জগদানন্দ বস্তুর মেয়েকে বিয়ে করতে রাজী হয়েছিলেন। ঈশিতা বলেছিল, “জান, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ তোমার খবরাখবর চেয়েছেন।”

    “আমার খবর! পৃথিবীতে এতো লোক থাকতে গ্রাম্য স্কুলের পাশ করা জীমূতবাহনের খবর নিতে চেয়েছেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।”

    ঈশিতা একটু বিরক্ত হয়ে বলেছিল, “তার কারণ তুমি ঈশিতার স্বামী আমাকে কবিগুরু খুব স্নেহ করেন। জন্মদিনে কবিতা লিখে দিয়েছেন। অসুস্থ হয়ে না পড়লে বিয়েতে ঠিক আসতেন, হয়তো একটা বড় কবিতাই লিখে ফেলতেন। এখন সুস্থ হয়েই তোমার খবরাখবর জানতে চেয়েছেন। একবার জোড়ে শান্তিনিকেতন যেতেও বার বার অনুরোধ করেছেন।”

    ঈশিতা বলেছিল, “তুমি নিজেই ওঁকে চিঠি লেখো না—একটা খামের মধ্যে দু‘জনের চিঠি পাঠিয়ে দিই। খুব খুশী হবেন, নিশ্চয় উত্তর দেবেন।”

    “রবীন্দ্রনাথকে? ওরে বাবা, মরে গেলেও নয়!”

    “কেন, তোমার বাংলা বানান ভুল হয় নাকি? সায়েন্সের ছাত্র, হলেও হতে পারে, কিন্তু আমি তো রয়েছি, দেখে দেবো।”

    “পাঠশালায় বিদ্যাসাগর মহাশয়ের বর্ণপরিচয় দ্বিতীয় ভাগটা যত্ন করে পড়তে হয়েছিল, তাই বানান ভুল হয় না—কিন্তু একেবারে কাঠখোট্টা মানুষ। একটুও রসকষ নেই,” জীমূতবাহন বলেছিলেন।

    “রস না থাকুক, কষ যে আছে সেটা বেশ বুঝিয়ে দিচ্ছো।” অভিমানিনী ঈশিতা উত্তর দিয়েছিল।

    রোমান্সের সেই অবমাননা ঈশিতা ৰোধহয় আজও ভুলতে পারেনি। কিন্তু কী করবেন জীমূতবাহন? কোটি কোটি কীটপতঙ্গের জীবনে’ আদিম রোমান্সের যে পুনরাবৃত্তি হচ্ছে তার গহনে একবার প্রবেশ করলে অন্য কিছুতেই আর রস পাওয়া যায় না।

    ঈশিতা যদি তার মধ্যে প্রবেশ করতো, সেও নিশ্চয় সমান আনন্দ পেতো। মানুষের সমাজে যে উত্থান-পতন চলেছে, পিঁপড়ের সামাজিক কাহিনী কি তার থেকে কম রোমাঞ্চকর? ধরিত্রীর বক্ষ খনন করে পুরাতত্ত্ববিদ্‌ল মহেঞ্জোদারোর যে ইতিহাস অতীতের আলিঙ্গন থেকে উদ্ধার করেছেন, তা অবশ্যই আকর্ষণীয়; কিন্তু মাটির গর্ভে উই পোকার নগরে যে রমণী প্রতিদিন সাত হাজার সন্তানের জন্ম দিচ্ছে এবং অলিখিত সংবিধানের বলে ত্রিশ লক্ষ নাগরিকের উপর কর্তৃত্ব করছে, সেও কি কম আকর্ষণীয়?

    ঈশিতাকে জীমূতবাহন কিছুদিন আগেই বলেছিলেন, “জানো, উইদের রানীকে পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে দেখা গেছে। প্রতিদিন সাত হাজার ডিম পাড়লে অর্ধ-শতাব্দীতে কত হয় ভেবে দেখো তো!”

    ঈশিতা কোনো বিস্ময় বোধ করেনি, বরং ঘেন্নায় তার গা ঘিন ঘিন করতে শুরু করেছিল। বলেছিল, “সবে মাত্র খেয়ে এসেছি—এখন এই সব বলতে আরম্ভ করলে বমি হয়ে যাবে আমার।”

    কিন্তু ঈশিতার অতীত রোমন্থনের অনেক সময় পাওয়া যাবে; এখন বরং অমিতাভর মনে যে-সব প্রশ্ন জাগতে পারে তার উত্তর দেওয়া যাক।

    জীমূতবাহন যেন ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। আচমকা ঝাঁকানি খেয়ে উঠে পড়ে অমিতাভকে ‘বললেন, “তুমি সিগারেট ধরাচ্ছো না কেন অমিতাভ? নিজে সিগারেট খাই না, কিন্তু তাই বলে ‘নাদার মধ্যে কুকুরের’ পলিসি “অনুসরণ করি না আমি।”

    অমিতাভ তখনও ইতস্তত করছিল দেখে জীমূতবাহন নিজেই ভিতর থেকে সিগারেট নিয়ে এলেন। বললেন, “জাপানী অধ্যাপক মিচিকানা কিছুদিন এখানে আতিথ্য নিয়েছিলেন। তিনি চুরুটের ভক্ত নন। সিগারেট না হলে তাঁর চলতো না—সেই সময় কিনে রেখেছিলাম।” জীমূতবাহন সিগারেট এগিয়ে দিয়ে দেশলাই জ্বেলে দিলেন। নিজেও এবার একটা চুরুট পরালেন তিনি।

    সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়ছে অমিতাভ। ধোঁয়ার কুণ্ডলীগুলো প্রশ্নচিহ্নের ‘আকার ধারণ করে জীমূতবাহনকে সেই সব প্রশ্ন জিগ্যেস করছে যা অমিতাভ সোজাসুজি বলতে পারছে না।

    অন্তত জীমূতবাহনের তাই মনে হলো। একমুখ ধোঁয়া ছেড়ে তিনি ‘পাই অমিতাভকে বললেন, “তোমার যা-যা জানতে ইচ্ছে করছে আমাকে নিঃসঙ্কোচে বলো ”

    অমিতাভ কোনো উত্তর দিলে না।

    “চুপ করে রইলে কেন, অমিতাভ? আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র আমাদের বলতেন—ইউ মাস্ট আস্ক কোয়েশ্চেনস্।”

    “প্রফেসর ব্ল্যাকারের কাছে শুনেছি, আপনি নতুন অনেক কিছু করার স্বপ্ন দেখেছেন,” অমিতাভ ধীরে ধীরে বললে।

    “স্বপ্ন অনেকেই দেখে, অমিত। আসলে সারাজীবন ধরে যা দেখে এলাম সে কি শুধু স্বপ্ন, না তার কোনো বাস্তব সম্ভাবনা আছে? সেইটাই আজকে আমার কাছে, শুধু আমার কাছে কেন, সমাজের কাছে, এমনকি আমার বাড়ির লোকের কাছেও মস্ত বড় একটা প্রশ্ন।”

    “মানে?” অমিতাভ প্রশ্ন করে।

    “মানে, মনে করো পরীক্ষার হলে বহুক্ষণ ধরে একটা জটিল অঙ্ক কষে যাচ্ছো। অঙ্কটা শেষ পর্যন্ত মিলবে কিনা তুমি নিজেই বুঝতে পারছো না, অথচ সময় ফুরিয়ে আসছে। এই অবস্থায় তুমি কি সেই অঙ্কটাই কষে যাবে, না অন্য কোনে৷ সহজ অঙ্ক ধরবার চেষ্টা করবে?’

    সিগারেট টানা বন্ধ করে অমিতাভ যে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে তাঁর কথা শুনছে, জীমূতবাহন এবার তা বুঝতে পারলেন। নিজের উত্তেজনা চেপে রেখে বললেন, “একদিনে তোমার ঘাড়ে সব ডেটা চাপিয়ে দিতে চাই না। আস্তে আস্তে তুমি নিজেই সব বুঝতে পারবে। এখন মোটামুটি দরকারী কথাগুলো বলে দিই।”

    “বলুন স্যার।”

    “তুমি জানো, আমি পেস্টিসাইডের ওপর কাজ করে প্রথম বৈজ্ঞানিক জগতে নাম করেছিলাম। পৃথিবীতে আমাদের অনেক ফসল দরকার। যদি এতগুলো মানুষকে দু’ বেলা খাওয়াতে হয়, তাহলে পোকামাকড়ের হাত থেকে কৃষিপণ্যকে রক্ষা করতেই হবে। ধানের মাজরা পোকা, স্টেম বোরার অর্থাৎ কিনা Schoenobius bipunctifera এবং পামরী পোকা—রাইস হিস্পা ( Hispa armigera )-এর উপর প্রথম কাজ আরম্ভ করি।”

    অমিতাভ বললে, “আপনার গোড়ার যুগের সেই রিপোর্ট ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এখনও পড়ে থাকে। হাইমেনোপটেরা, নিউরোপটেরা ও কোলিওপটেরার ওপর আপনার কয়েকটা কাজ তো ক্লাসিক স্বীকৃতি পেয়েছে।”

    অমিতাভর দিকে তাকিয়ে জীমূতবাহন বললেন, “সেসব কাজের পর বিজ্ঞানের বহু অগ্রগতি হয়েছে—জাপান এবং স্টেটসের বৈজ্ঞানিকরা অনেক নতুন আলোকসম্পাত করেছেন। ঐতিহাসিক মূল্য ছাড়া সেনস্ রিপোর্টের আর কোনো মূল্য নেই আজ। আর কবে মান্ধাতার আমলে একটা কিছু করে, সেই নাম ভাঙিয়ে বাকি জীবনটা কুড়েমি করে এবং ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেওয়াটাও আমি ঘূর্ণা করি।”

    “ভারতীয়দের এ-রকম একটা বদনাম আছে বটে—খুব ভাল স্টার্ট এবং ব্যাড ফিনিস।” অমিতাভ তার নিজের মত জানাল।

    “অথচ সব ভাল যার শেষ ভাল।” জীমূতবাহন এবার অমিতাভর কথার সূত্র ধরলেন। “আমার স্থির বিশ্বাস ছিল, কেমিক্যাল কন্ট্রোল ছাড়া পতঙ্গের এই পরাক্রম থেকে কৃষির মুক্তি নেই। আমেরিকায় সেই সময় পাগলের মতো পরিশ্রম করেছিলাম এবং ভাগ্যের দেবতা স্মিতহাস্থে আমার দিকে কৃপাদৃষ্টিপাতও করেছিলেন।”

    অমিতাভ বিস্মিতভাবে জীমূতবাহনের কথা শুনে যাচ্ছিল। “আপনি কেমিক্যাল পেস্টিসাইডে দুটো পেটেন্ট পেয়েছিলেন, তাই না?”

    “অত অল্প সময়ের মধ্যে দুটো পেটেন্ট পাওয়া নিতান্ত ঈশ্বরের আশীর্বাদ তাড়া কি বলবো? অনেকে তখন বলেছিল, নিজের ফার্ম চালু করো—ক্রমশ কোম্পানী হয়ে উঠবে। নিজের আবিষ্কারকে মূলধন করে যাঁরা কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তাঁদের বিশ্বজোড়া নাম হয়েছে—আলফ্রেড নোবেল, হেনরি ফোর্ড, আলেকজাণ্ডার গ্রাহাম বেল, মার্সিজ মার্কনি ও গানেস্ট ফন সীমেন্স—আরও কত নাম বলতে পারি।”

    “করলেন না কেন? পৃথিবীর রসায়ন শিল্পে একজন ভারতীয়ের নাম অন্তত পরিচিত হয়ে যেতো,” অমিতাভ প্রশ্ন করে।

    জীমূতবাহন বললেন, “অনেকে যেমন বিশ্বজোড়া কোম্পানী ফেঁদেছেন, মেন আবার অনেকে দেউলিয়াও হয়ে গিয়েছিলেন।”

    “সেটা তো অ্যাডভেঞ্চারের প্রশ্ন। চেষ্টা করে হেরে যাওয়ার মধ্যে কোনো লজ্জা আছে?” অমিতাভ জানতে চায়।

    “না অমিতাভ, ব্যবসা আমাদের কাজ নয়! আমাদের কাজ গবেষণা।

    তা ছাড়া, আমার এক এক সময় কীটনাশক ইনসেকটিসাইড-এর ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে সন্দেহ হয়।”

    “মানে, আপনি কী বলতে চান? রাসায়নিক কীটনাশক আবিষ্কৃত না হলে পৃথিবীতে এতোদিন দুর্ভিক্ষ লেগে যেতো। পোকামাকড় পৃথিবীময় চাষের যে সর্বনাশ করছিল—ইনসেকটিসাইড তার হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করেছে।”

    জীমূতবাহন চুরুটে আর একটা টান দিয়ে বললেন, “কীটনাশক ছাড়া এগ্রিকালচারের কথা ভাবা পর্যন্ত যায় না—স্বীকার করি। আমাদের দেশেই প্রতি বছর অন্তত এক হাজার কোটি টাকা দামের খাদ্যশস্য পোকামাকড় এবং জন্তুজানোয়াররা নষ্ট করছে। কোটি কোটি টাকার কীটনাশক ক্ষেতে ক্ষেতে বিভিন্ন সময় স্প্রে করা দরকার। পৃথিবীর অন্য দেশেও তাই হচ্ছে—এরোপ্লেন এবং হেলিকপ্টার পর্যন্ত এই কাজে লাগানো হচ্ছে! কিন্তু যে জিনিসটা আমাকে ক্রমশই চিন্তিত করে তুলছে তা হলো পতঙ্গরাও বাঁচবার নতুন পথ খুঁজে বার করছে।”

    একটু থেমে জীমূতবাহন বললেন, “কীটনাশকে প্রথম দিকে যে-রকম কাজ হতো ইতিমধ্যেই আর ততটা হচ্ছে না। এমন একদিন আসতে পারে, যেদিন পতঙ্গের সহ্যশক্তি এমন বেড়ে যাবে যে, মানুষের তৈরি এই ইনসেকটিসাইডে আর কোনো কাজই হবে না। মশা, মাছি, বীল, মথ এরা মহানন্দে রসায়নকে অবজ্ঞা করে নিজেদের বংশবৃদ্ধি করে যাবে।”

    অমিতাভ বললে, “সেদিন এখনও অনেক দূরে।”

    জীমূতবাহন বললেন, “দূরে, কিন্তু হয়তো খুব দূরে নয়। আগে যেখানে ফাইভ পারসেন্টে কাজ হতো, এখন সেখানে দশ পারসেন্ট দিতে হচ্ছে, তাতেও সব সময় মনের মতো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। পোকারা নীলকণ্ঠ হবার সাধনা করছে।”

    অমিতাভ উত্তর দেয়, “কয়েকটা বড় বড় কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি দেখেছি আমি। নতুন নতুন বিষ বার করবার জন্যে নিরন্তর গবেষণা চলছে। সেই সব ছড়িয়ে কৃষিবিজ্ঞানীয় শিশু চারাদের সর্বভুক্ পোকাদের হাত থেকে রক্ষা করবে।”

    জীমূতবাহন বললেন, “রাসায়নিক যুদ্ধ যারা করছে, করুক। কিন্তু এর বিপদের দিকটাও যে ক্রমশ আরও প্রকট হয়ে উঠবে, এ সম্বন্ধে আমার মনে একটুও সন্দেহ নেই। নির্বিচারে বিষ ছড়িয়ে, প্রকৃতির রাজ্যে, আমরা ইতিমধ্যে বহু সর্বনাশ করেছি। শত্রু পোকার সঙ্গে যে-সব পোকা মানুষের বন্ধু, আমরা তাদের নির্বংশ করে ফেলে, নতুন বিপদ ডেকে আনছি।”

    “নিখাদ আশীর্বাদ বলে কোনো জিনিস তো পৃথিবীতে নেই। একদিন বাষ্পীয় রেল-ইঞ্জিন আমাদের জঙ্গে নতুন আশীর্বাদ বহন করে এনেছিল, কিন্তু তার সঙ্গে এসেছিল ম্যালেরিয়া। ম্যালেরিয়ার ভয়ে রেলপথ বিস্তার বন্ধ করে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে ভাল হতো কি?” অমিতাভ নিজের মত জানায়।

    কিন্তু জীমূতবাহন এই বিষয়ে চিন্তা করেছেন। তিনি বললেন, “মোটর গাড়ি না থাকলে মোটর অ্যাক্সিডেন্টে লোক মারা যেতো না—সুতরাং মোটর গাড়ি না হওয়াই ভাল ছিল, এমন মতে নিশ্চয় আমি বিশ্বাস করি না অমিতাভ। কিন্তু নির্বিচারে ইনসেকটিসাইড ব্যবহার করে আমরা ভবিষ্যৎ মানব জাতির দৈহিক ক্ষতি করছি, একথা পশ্চিমের অনেক বৈজ্ঞানিক এখন গেছেন। বৈজ্ঞানিক জার্নালের সীমা পেরিয়ে, মাঝে মাঝে খবরের কাগজেও ‘এ-সম্বন্ধে কথা উঠছে। আমরা বোধহয় ধীরে ধীরে অনেক শস্যকেও বিষাক্ত করে ফেলছি। গোরুবাছুররা এই সব খড় এবং ঘাস খাচ্ছে। তাদের দুধ থেকে এইসব বিষ তোমার আমার ঘরে ফিরে আসছে। কোটি কোটি অনাগত শিশুর ওপর একদিন এই বিষের কী ক্রিয়া হবে, তা এখনও খামাদের জানা নেই।”

    অমিতাভ বললে, “তা হলে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে চাষা? দেখবে তার সোনার ক্ষেত ঝাকে ঝাঁকে পতঙ্গ এসে লুট করছে?”

    “না, তা বলছি না।”

    “তবে?”

    “কেমিক্যাল কন্ট্রোল আমি ছেড়ে দিতে বলছি না—আরও অনেকদিন পারে এই সব বিষ আমাদের চাষ-আবাদ রক্ষা করতে সাহায্য করবে। কিন্তু অন্য যেসব পথ রয়েছে, সেসব সম্বন্ধে আরও বেশী করে চিন্তা করবার সময় এসে গিয়েছে। আমার এই ছোট্ট ল্যাবরেটরিতে সেই নিয়েই তো কাজ চালাবার চেষ্টা করছি।”

    “আপনি বায়োলজিক্যাল কন্ট্রোলের কথা বলছেন?”

    জীমূতবাহন বললেন, “ক্যালিফোর্নিয়ায় একবার কটনি কুশন স্কেল পোকার অত্যাচার শুরু হলো। অস্ট্রেলিয়া কিংবা নিউজিল্যাণ্ড থেকে কীভাবে তারা আমেরিকা পাড়ি দিয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার তাদের বংশ তেমন দ্রুত বৃদ্ধি পায় না, কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়ায় তারা এতো বেড়ে যাচ্ছে কেন? এ সম্বন্ধে অনুসন্ধান করবার জন্যে আলফ্রেড কীবিল নামে এক ভদ্রলোককে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানো হলো। তিনি সেখানে ওই পোকার জন্মগত শত্রু আর এক পোকাকে আবিষ্কার করলেন। লেডি বার্ড বীট্‌ল এনে ক্যালিফোর্নিয়ায় ছেড়ে দিতেই মন্ত্রের মতো ফল পাওয়া গেল।”

    একটু কেশে জীমূতবাহন বললেন, “আমার বন্ধু ডাক্তার মায়ার পোকা দিয়ে পোকা তাড়ানোর যে আশ্চর্য ফল হাওয়াই দ্বীপে পেয়েছেন, তা তো গল্পের মতো শোনায়। ফিজিতে লেভুয়ানা মথকে কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছিল না। সেখানে ট্যাকিনিড প্যারাসাইট ছেড়ে দিতেই কাজ পাওয়া গিয়েছে।”

    ঘড়ির দিকে তাকিয়ে জীমূতবাহন এবার চমকে উঠলেন, বললেন, “প্রায় বারটা বাজতে চলেছে। এখন আর আলোচনা নয়। আলোচনা করবার অনেক সময় পাওয়া যাবে। দু‘দিন ট্রেন জার্নি করে তোমার এখন ঘুমের প্রয়োজন। যতক্ষণ খুশী ঘুমিয়ে থেকো!”

    জীমূতবাহন নিজে অমিতাভকে এগিয়ে দিয়ে গেলেন। অমিতাভর ঘরে খাবার জল দেওয়া হয়েছে কিনা নিজে দেখলেন। তারপর শুভরাত্রি জানিয়ে বিদায় নিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকত অজানারে – শংকর
    Next Article চৌরঙ্গী – শংকর

    Related Articles

    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)

    জন-অরণ্য – শংকর

    November 20, 2025
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)

    অচেনা অজানা বিবেকানন্দ – শংকর

    November 20, 2025
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)

    অবিশ্বাস্য বিবেকানন্দ – শংকর

    November 20, 2025
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)

    আশা-আকাঙ্ক্ষা – শংকর

    November 20, 2025
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)

    চৌরঙ্গী – শংকর

    November 20, 2025
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)

    কত অজানারে – শংকর

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }