Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রথম স্পর্শ

    সাজানো গোছানো একটা নিখুঁত বাড়ি৷

    গোটা বাড়িময় আভিজাত্যের চিহ্ন৷ পামেলার নিজের হাতে সাজানো সংসার৷ সৌমেনের স্বপ্নের বাড়িকে নিজের রুচিতে সাজিয়ে তুলেছে পামেলা৷

    সৌমেন কলেজের প্রফেসর৷ নির্বিবাদী মানুষ৷ তবে একটা অদ্ভুত উদাসীনতা যেন সব সময় গ্রাস করে আছে ওকে৷ না, ওই বেরঙিন উদাসীনতার ঘেরা টোপের মধ্যে কখনো পামেলাও ঢুকতে পারেনি৷

    ওটা যেন সৌমেনের একান্ত বিলাসিতার জায়গা৷ ওর মনখারাপ,না পাওয়াটাকে যেন একটু করে করে খরচ করে ও৷ কিছুতেই যেন ওই কষ্টের ভাগ দেবে না কাউকে৷

    বিয়ের প্রথম প্রথম পামেলা জিজ্ঞেস করতো, কি হয়েছে সৌমেন? মনখারাপ৷

    ঘাড় নেড়ে না বলা ছাড়া যেন আর কিছুই বলার নেই ওর৷

    পামেলাও গুটিয়ে নিয়েছে নিজেকে৷

    সম্পর্কটা ধীরে ধীরে কর্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ৷ পামেলা স্বামীর জন্য পছন্দের খাবার বানায়, ঘর গোছায়৷ সৌমেনও কিনে দেয় পামেলার একমাত্র বিলাসিতা, পছন্দের বই৷

    বই পড়াটা পামেলার মারাত্মক একটা নেশা৷

    অবশ্য এই বই পাড়াতেই ওদের প্রথম আলাপ৷

    ভগবান তথাগতর ওপর একটা রেয়ার বইয়ের একটাই কপি নিয়ে ওদের ঝগড়া লেগেছিলো৷ পামেলা বলেছিলো, বইটা আমি আগে দেখেছিলাম, দিয়ে অর্ডার করেছি৷ সৌমেনের বক্তব্য ছিলো, আমি আগে পেমেন্ট করেছি৷

    অবশেষে বুক সেলারই এর বিধান দিয়েছিলেন৷ পনেরোদিন আপনি রাখুন, পনেরো দিন আপনি৷

    আবার প্রিন্ট হলে আরেকজন কিনে নেবেন৷ শেষ পর্যন্ত ঝগড়া করে পামেলা বইটা প্রথম নিয়ে গিয়েছিলো নিজের বাড়িতে৷ অবশ্য কথা রেখেছিলো পামেলা৷ নিজেই ফোন করে সৌমেনকে ডেকেছিলো কফি হাউসে, দিয়ে শর্ত অনুযায়ী বই এসেছিলো সৌমেনের কাছে৷

    প্রথম আলাপটা বেশ রোমান্টিক হলেও বিয়েটা বেশ কঠিন ছিলো৷ কারণ পামেলারা ছিল খ্রিষ্টান৷ সৌমেন খাঁটি ব্রাহ্মণ বাড়ির ছেলে৷

    পামেলা প্রায়ই মজা করে বলতো, সপ্তপদীর কৃষ্ণেন্দু তার প্রিয় চরিত্র৷

    যদিও প্রেম বলতে যেটা বলা হয় সেরকম সম্পর্ক ওদের কোনোদিনই ছিলো না৷ হয়তো প্রাপ্ত বয়স্কদের বন্ধুত্বে উচ্ছল আবেগটা একটু কম থাকে বলেই,কেউ কাউকে ভালোবাসি কথাটাও বলে উঠতে পারেনি আজও৷

    পামেলা আর সৌমেনের গল্পগুলোও ছিল বইপত্র কেন্দ্রিক৷ তাই হূদয়ের আবেগে ভেসে যেতে পারেনি কোনোদিনই৷ তবুও কেমন একটা টান… ভালোলাগা ছিলো তো বটেই৷ পছন্দের কোনো বই পড়েই সৌমেন প্রথম ফোনটা করতো পামেলাকে৷

    বিয়েটা হয়েছিলো পামেলার বাড়ির ইচ্ছেতেই৷ সৌমেনের মা প্রথমে মেনে নেননি, তারপর ছেলের মুখের দিকে তাকিয়েই বিয়েতে মত দিয়েছিলেন৷

    বিয়ের পর বছর দেড়েক ভালোই কাটলো৷

    কিছুদিন ধরেই একটা নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে পামেলার৷ বই পড়তে গেলেই চোখদুটো অসম্ভব লাল হয়ে যাচ্ছে, সাথে জল পড়ছে৷ সাথে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে চশমার পাওয়ার৷

    ডক্টর বললেন, কর্নিয়া এফেকটেড৷ বেশি স্টেইন দেওয়া চলবে না চোখের ওপরে৷

    তাও কমছে না পামেলার বই পড়া৷

    সেদিন সন্ধ্যেতে হঠাৎ পামেলা বললো, জানো সৌমেন, কেন জানিনা আমার মনে হচ্ছে, আমি অন্ধ হয়ে যাবো৷ হয়তো আর বই পড়তেই পারবো না৷ তাই যতটা পারছি পড়ে নিচ্ছি৷

    সৌমেন বলেছিল, জীবনে তো অনেক পড়লে, আর নাইবা এমন অত্যাচার করলে চোখদুটোর ওপরে?

    অন্ধকার কিন্তু বড়ো কষ্টদায়ক পামেলা৷ ওই সাত আট ঘন্টার রাত্রির বিশ্রাম বলেই হয়তো অন্ধকার মোহময়৷ কিন্তু ভেবে দেখো তো, একদিন সকালে উঠে দেখলে, চারিদিক শুধুই অন্ধকার… তখন?

    পামেলা অবসন্ন গলায় বলেছিল, কি হবে এই সাজানো সংসারের আড়ালের নিস্পৃহতা দেখে?

    এখন মনে হয় জানো সৌমেন, শুধু বই পড়ার রুচির মিল হলেই মনের সব অংশের মিল হয় না৷ সংসার আরো বৃহত্তর জায়গা৷ বিয়েটা না হলেই বোধহয় ভালো হতো?

    সৌমেন ব্যালকনির সামনের কৃষ্ণচূড়া গাছটার দিকে তাকিয়ে বলেছিলো, আমি কি তোমাকে স্বাচ্ছন্দ্য দিইনি পামেলা?

    দিয়েছো, দুটো শরীর এক হয়েছে, শুধু উষ্ণ হয়নি ভালোবাসার ছোঁয়ায়৷

    পামেলা আর কথা না বাড়িয়ে একটু জোরেই চালিয়ে দিয়েছিলো টিভির অপ্রয়োজনীয় খবরের চ্যানেল৷

    আবার শুরু হয়েছিলো একটা নতুন দিন৷

    কয়েকদিন ধরে পামেলা আর একেবারেই বই পড়তে পারছে না৷ ডক্টরেরা রেস্ট লিখে দেওয়ার পরেও পড়ছিল৷ কিন্তু এখন পড়তে গেলেই চোখ দিয়ে জল পড়ছে৷

    অনেক ভেবে সৌমেনই একটা উপায় বের করলো৷

    কাগজে বিজ্ঞাপনটা দিয়েই দিলো৷ একজন পঁচিশ-ত্রিশের মেয়ে চাই৷ যে ইংরেজি বাংলায় পারদর্শী৷ বই পত্র পড়তে ভালোবাসে৷ পামেলার সমবয়সী হলে কথা বলতেও ভালো লাগবে বলেই এই বয়সটা নির্দিষ্ট করেছিল সৌমেন৷

    দিনে তিনঘন্টা বিভিন্ন বই পড়ে শোনাতে হবে পামেলাকে৷

    পামেলা শুনেই বলেছিল, কেন অকারণ খরচ করছো বলতো৷ এমনিতেই আমার চোখের ট্রিটমেন্টের জন্য কত টাকা বেরিয়ে যাচ্ছে৷ শোনেনি সৌমেন৷ বই না পড়তে পারলে পামেলার যে ঠিক কতটা কষ্ট হবে সেটা ওর থেকে আর কে বেশি বুঝবে!

    সৌমেন বললো, পামেলা বিকেলের দিকে ইন্টারভিউ রেখেছি৷ আমি তো থাকতে পারবো না, তুমিই পছন্দ করে নিও, তোমার পঠন সঙ্গীকে৷

    দেখো দিনকাল কিন্তু খারাপ, সাবধানে বাছবে কিন্তু৷

    পামেলার মুখটা হঠাৎ খুশিতে ভরে গেছে৷ হয়তো সৌমেনের ওর প্রতি মনোযোগই এই খুশির একমাত্র কারণ৷

    বাড়ি ফেরার পরেই পামেলা বেশ উচ্ছসিত৷ জানো সৌমেন, মোট এগারো জন মতো এসেছিল৷ তার মধ্যে আমি একজনকে পছন্দ করেছি৷ নয়নিকা নাম মেয়েটির৷ মেয়েটি খুবই সাদামাঠা দেখতে, কিন্তু চোখ দুটো অপূর্ব৷ ইংরেজি উচচারণে একটি গ্রাম্য টান আছে ঠিকই কিন্তু ওর একটা জিনিসই আমার খুব ভালো লাগলো৷ বই পড়ার আগে নিজের শাড়ির আঁচল দিয়ে খুব যত্ন করে বইটা মুছে নিলো৷

    অনেকদিন পরে পামেলাকে এইভাবে হাসতে দেখে খুব ভালো লাগলো সৌমেনের৷

    বেশ, তোমার এই অয়নিকা আসবে কখন?

    উফ সৌমেন, নাম ভুলে যাবার বাতিকটা তোমার এখনো যায়নি দেখছি৷ অয়নিকা নয় ওর নাম৷

    পামেলার সাথে প্রথম পরিচয়ের দ্বিতীয় দিনেই সৌমেন ওকে পায়েল বলে ডেকেছিলো৷ সত্যি এই নাম ভুলে যাবার রোগটা বত্রিশে এসেও গেল না সৌমেনের৷

    মেয়েটি নাকি কাল থেকেই আসবে৷ দুপুর তিনটে নাগাদ আসবে ৷ যাক ভালোই হয়েছে, লাইব্রেরি, টুকিটাকি কাজ করে বাড়ি ফিরতে ফিরতে সৌমেনের প্রায়ই সন্ধ্যে ছটা বেজে যায়৷ আজকাল অপরিচিত মানুষদের সম্মুখীন হতে বড়ো অস্বস্তি হয় সৌমেনের৷ কলেজ কলিগ, ছাত্র ছাত্রী, বইপত্র আর পামেলার বাইরে কারোর সাথেই ঠিক মতো যোগাযোগ রাখতে ইচ্ছে করে না সৌমেনের৷ পামেলা বলে, তুমি বড্ড ঘরকুনো হয়ে যাচ্ছো সৌমেন৷

    রোজই পামেলার কাছে ওই অয়নিকা না নয়নিকার গল্প শোনে সৌমেন৷ পামেলার চোখের প্রব্লেমটাও একটু কমেছে৷ প্রেশার কম পড়ছে চোখে৷ দিন পনেরো হয়ে গেল মেয়েটি জয়েন করেছে, এর মধ্যেই পামেলার চোখটা অনেকটা ভালো৷

    আজ ঘরে ঢুকেই চোখে পড়লো, ফ্লাওয়ার ভাসে একগুচ্ছ রজনীগন্ধা৷ পামেলার পছন্দ রক্ত গোলাপ আর টিউলিপ৷ তাই এ বাড়িতে ওই দুটো ফুলই দেখতে পায় সৌমেন৷ বাকিদের প্রবেশ ঘটেনি৷ তারা ব্রাত্য৷

    সৌমেনের হাসি পেয়ে গেল৷ পুরোনো স্মৃতির গন্ধ এসে ঝাপটা দিলো নাকে৷ ক্লাস সেভেনের ক্লাসে দাঁড়িয়ে রোগা রোগা ছেলেটা বলেছিল, ম্যাম আমার পছন্দের ফুল গোলাপ নয়, রজনীগন্ধা৷ গোলাপের মধ্যে কেমন একটা অহংকারী মন লুকিয়ে আছে৷ রজনীগন্ধা যেন মধ্যবিত্ত৷

    ম্যাডাম বলেছিলেন, সৌমেন তোমার প্রচুর জ্ঞান বেড়ে গেছে, এবার জীবনবিজ্ঞান বইটা খোল৷

    বেশ কিছুক্ষণ ধরে রজনীগন্ধার সামনে দাঁড়িয়ে গন্ধটাকে ভিতরে মিশিয়ে নিলো সৌমেন৷

    স্যার! আপনাকে বৌদি ডাকছেন৷

    পিছন ঘুরেই চমকে গেছে সৌমেন৷

    নয়ন!

    তুমি?

    আমার নাম নয়নিকা স্যার, আমিই বৌদির কাছে বইপত্র পড়ার জন্য আসছি৷

    পাশের ঘরে চলে গেছে ও৷

    এক ঝাড় রজনীগন্ধার সামনে দাঁড়িয়ে আছে সৌমেন৷

    সময় যেন থমকে গেছে৷

    কিন্তু হঠাৎ করেই একটা গ্রাম্য হাওয়া মুহূর্তে উড়িয়ে নিয়ে গেল সৌমেনের আনা মনখারাপের কারণগুলোকে৷ যে মনখারাপের কারণটাই ছিল সৌমেনের নিজের কাছেই অচেনা৷ মনকে বারবার প্রশ্ন করেও যার সঠিক উত্তর পায়নি ও৷

    পিছিয়ে চলে যাচ্ছে সেই পলাশপুর গ্রামের বড়ো মাসির বাড়িতে ৷

    কলেজের গ্রীষ্মের ছুটিতে মা-কে নিয়ে মাসির বাড়ি গিয়েছিলো সৌমেন৷

    মা অনেকদিন যায় নি, বড়ো মেসোমসাই খুব অসুস্থ ছিলো৷

    অগত্যা সৌমেনের ওপরেই দায়িত্ব পড়েছিলো মা-কে নিয়ে পলাশপুর যাবার৷

    মাসির বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে কালবৈশাখীর আগমন বার্তা শুনছিলো সৌমেন৷

    হঠাৎই খেয়াল করেছিলো সামনের চুন খসা একতলাটার ছাদে দাঁড়িয়ে একটা মেয়ে পাগল হাওয়ায় নিজের ওড়নাটা ওড়াচ্ছে৷

    সৌমেনের খুব মজা লেগেছিলো৷

    বেশ জোরেই হেসেছিলো ও৷

    মেয়েটি হাওয়ার শনশন আওয়াজকে উপেক্ষা করেই চেঁচিয়ে বলেছিলো, ওমা দীপিকা পিসির বোনপোটা পুরো পাগল৷ কথায় একটু গ্রাম্য টান৷

    কিন্তু গলাটা বেশ মিষ্টি৷

    সৌমেন হকচকিয়ে বলেছিলো, আমি পাগল নই… যে ওড়না ওড়াচ্ছে সে পাগল৷

    পরেরদিন সকালে ঘুম ভেঙেই দেখেছিলো কালকের উড়িয়ে ওড়না দাঁড়িয়ে আছে, হাতে নারায়ণ সান্যালের ‘বিশ্বাসঘাতক’৷

    এই নিন, দীপিকা পিসি বললো, তার বোনপো নাকি বই পড়তে ভালোবাসে?

    গ্রামে এসে বই পাচ্ছে না বলে রাগ হচ্ছে তার!

    গ্রামের লোকেরা বুঝি বই পড়ে না? তবে শুনুন, এটা কিন্তু গ্রামীন লাইব্রেরির বই, একটু যত্ন করে পড়বেন৷ কিনে পড়ার সামর্থ্য হয়তো আমাদের নেই৷

    নিজের ওড়নার খুঁট দিয়ে মুছে বইটা সৌমেনের হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলো৷

    প্রায় সমবয়সী ওদের মধ্যে বন্ধুত্ব হতে সময় লাগেনি খুব৷ নয়ন তখন ক্লাস টুলেভের ছাত্রী৷ সৌমেন সেকেন্ড ইয়ারে৷

    মাসি ওকে নয়ন বলেই ডেকেছিলো৷ তাই সৌমেনও ওই নামটাই জেনেছিলো৷

    ওদের গ্রামটা ঘুরিয়ে সৌমেনকে দেখানোর দায়িত্ব পড়েছিলো নয়নের ওপরেই৷

    উফ একটু আস্তে হাঁট চয়ন!

    কোমরে হাত দিয়ে নয়ন বলেছিলো, খবরদার ভুল নামে ডাকলে সাড়া দেব না, কিন্তু৷

    গরিবের না আছে টাকা, না আছে রূপ… ওই নাম টুকুই তো সম্বল, ওটাও ভুল বললে… নিজেকে চিনবো কি করে?

    সৌমেন কনে দেখা আলোয়, শালুক ভরা পুকুরের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলো, তোমার নয়ন সমুদ্রে ডুব দিয়ে ডুবুরি হতে ইচ্ছে করছে৷

    তোমার চোখ দুটো বড়ো সুন্দর৷

    সন্ধ্যের অন্ধকারে দড়ির ব্রিজ পেরোনোর সময় সৌমেন প্রথম ধরেছিলো নয়নের হাত৷

    কেঁপে উঠছিল অষ্টাদশী তরুণী পুরুষের প্রথম স্পর্শে তবুও হাত ধরেই পর করেছিল শহুরে ছেলেকে!

    দিন পাঁচেক গোটা গ্রামের আনাচে কানাচে ঘুরেছিলো ওরা৷

    নয়নের মা মারা গিয়েছিলো সেই ছোটোবেলায়৷ একটা ছোটো ভাই, নয়ন আর বাবার ছোট্ট সংসার ওদের৷

    রং চটা ঘরগুলো যেন নয়নের হাতের ছোঁয়ায় পরিপাটি৷ বিছানার চাদরে নয়নের নিজের হাতের সেলাই৷

    কাল ভোরেই চলে যাবে ওরা৷ তাই আজ সন্ধ্যেতে লাইব্রেরির দুটো বই নিয়ে ফেরত দিতে গিয়েছিলো নয়নের বাড়িতে৷

    সংকুচিত হয়ে গিয়েছিলো নয়ন৷ বড়োলোকের ছেলেকে কোথায় বসাবে সেটাই যেন চিন্তা ছিলো ওর৷

    সৌমেন বলেছিলো, বই পড়ার তো বেশ নেশা দেখছি৷

    নয়ন হেসে বলেছিলো, হ্যাঁ পাড়ার পাঁচজনের কার্ডে এক সাথে বই তুলি আমি৷ লাইব্রেরির কাকু বলেছে, আর বই জোগান দিতে পারবে না ওরা৷

    বাইরে কোথাও একটা হইচই হচ্ছিলো৷ নয়ন জানালা দিয়ে তাকিয়েই বলেছিলো, সৌমেন দা তুমি শিগগির পিছনের দরজা দিয়ে পালাও৷

    গরিবের বড়ো লোভ৷ বাবা পাড়ার কিছু লোক নিয়ে আসছে৷ সৌমেন না বুঝে অবাক হয়ে তাকিয়েছিলো৷

    কিছুই বুঝতে পারেনি৷

    নয়ন বলেছিলো, বাবা নিজের মেয়েকে তোমার ঘাড়ে চাপাতে চাইছে৷ যেহেতু তুমি ক-দিন ঘুরেছ আমার সাথে তাই৷

    সৌমেন অবাক হয়ে ভেবেছিলো, হয়তো পড়া শেষ করে নয়নকে বিয়ের কথা ভাবাও যেত, তাই বলে এভাবে?

    নয়ন ওর হাত ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলো পিছনের দরজার কাছে৷

    চলে আসার আগে নয়ন বলেছিলো, সৌমেনদা যদি কখনো সত্যি প্রয়োজন হয় তাহলে যোগাযোগ করবো, সেদিন পাশে থেকো৷

    কাল ভোরেই তোমরা পলাশপুর ছেড়ে চলে যেও৷

    সৌমেন স্পষ্ট দেখেছিলো, নয়নের চোখে জল৷

    তারপর তো মাসিরা কলকাতা চলে এসেছিলো, মেসোর ট্রিটমেন্টের জন্য৷ এখানেই ফ্ল্যাট কিনেছিলো৷

    না, কোনো চিঠি দেয়নি নয়ন৷

    তারপরে তো কলেজের চাকরিটা পাওয়ার পরেই পামেলার সাথে আলাপ৷

    নয়নকে সম্পূর্ণ ভুলেছিলো সৌমেন৷ নামের সাথে সাথে মানুষটাও আস্তে আস্তে স্মৃতির পাতায় গুঁড়ো ধুলোয় চাপা পড়ে গিয়েছিলো৷

    পামেলার সাথে বিয়ের ঠিক তিনদিন আগেই পুরোনো লেটার বক্সে একটা চিঠি পেয়েছিলো সৌমেন৷

    ফোন, হোয়াটস আপের যুগে চিঠিটা বড়ো ব্যতিক্রমী৷ চিঠি খুলেই চমকে গিয়েছিল সৌমেন৷ পলাশপুরের নয়ন৷

    সৌমেন দা,

    জানি না আদৌ তোমার আমাকে মনে আছে কিনা! না থাকাই স্বাভাবিক৷ দীপিকা পিসিরাও বহুদিন পলাশপুর ছেড়েছে৷ ভাই কলকাতায় একটা সামান্য মাইনের চাকরি পেয়েছে, আমি আর ভাই সামনের সপ্তাহেই কলকাতা যাচ্ছি৷

    বাবা, মাস দুয়েক হলো আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন৷ কলকাতায় কেউ চেনা জানা নেই, যদি কোনো ঘর ভাড়া দেখে দেওয়া সম্ভব হয়!…..

    একদিন পলাশপুরে বৃষ্টিভেজা মাটিতে দাঁড়িয়ে সৌমেন বলেছিলো, নয়ন.. তুমি যদি কখনো কলকাতা যাও তবে আমিও তোমাকে সব দেখাবো! তুমি যে ভাবে তোমাদের গ্রাম দেখালে, ঠিক সেই ভাবে আমিও আমার শহর দেখাবো৷

    এইচিঠিটা হাতে পেয়ে বড্ড অস্বস্তি হচ্ছিলো সৌমেনের৷ সামনেই বিয়ে, বিয়েতে অনেক কাজ৷ এই অবস্থায় নয়নকে দেবার মতো সময় ছিলো না সৌমেনের কাছে৷

    চিঠিটা ভাঁজ করে সরিয়ে রেখেছিলো নিজের দৃষ্টিপথের আড়ালে৷

    বিয়ের একমাসের মধ্যেই এই নতুন বাড়িতে শিফট করেছিলো সৌমেন আর পামেলা৷

    মা, রয়ে গিয়েছিলো বড়দার কাছে৷ দু-মাস সৌমেনের কাছে দু-মাস দাদার কাছে থাকে মা৷

    পামেলা বলেছিল, মা আপনি আমাদের কাছেই থাকুন৷ দাদার আপত্তি ছিলো,মায়েরও৷ যতই হোক ওটাই ওদের আদি বাড়ি কিনা৷

    বাড়ি ছাড়ার সময় প্রয়োজনীয় জিনিসের ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিলো নয়নের চিঠিটা৷

    আজ হঠাৎ গড়িয়ার বাড়িতে পামেলার বই পড়ে দেবার পাত্রীকে চাক্ষুস দেখে চমকে উঠেছে সৌমেন৷

    নয়ন যেন চিনেও না চেনার ভান করে এড়িয়ে গেছে৷

    পামেলা ডাকছিলো সৌমেনকে, পুরোনো কথা ভাবতে ভাবতে ভুলেই গিয়েছিল ও৷

    পামেলার ঘরে যাওয়ার মুখেই ড্রয়িংয়ের প্যাসেজে আবার দেখা হলো নয়নের সাথে৷

    পামেলার বইয়ের আলমারিগুলো গোছাচ্ছে ও৷

    নিজেই সামনে এগিয়ে এসে বললো, ভাই খুবই কম মাইনে পায়, আমিও মাস্টার্স করে চাকরি পায়নি৷ তাই এই এডটা দেখে না জেনেই এসেছিলাম৷ আমি জানতাম না এটা তোমাদের বাড়ি৷

    আমি কালই চাকরিটা ছেড়ে দেবো৷

    সৌমেন সামলে নিয়ে বলল, কিন্তু কেন? তোমার কি এখানে অসুবিধা হচ্ছে?

    এতদিন হচ্ছিলো না, কিন্তু এবার হবে৷ মনে হবে তোমার উপকারে বেঁচে আছি৷

    নয়নের গলায় অভিমান স্পষ্ট৷

    সৌমেন বললো, তুমি এখানেই থাকো, পামেলার কাছে৷ আমিই না হয় তোমার সম্মুখীন হবো না কোনদিন৷

    নয়ন বললো, বলা যায় না, আমি আমার বিশ্বাসঘাতক চোখ দুটোকে বিশ্বাস করি না৷ গরিবের লোভ বড়ো খারাপ জিনিস৷ পামেলা বৌদি আমাকে বড্ড বিশ্বাস করেছে, ভরসা করেছে৷ তাকে প্রবঞ্চনা করে ফেলি যদি৷

    সারা রাত এপাশ ওপাশ করছিলো সৌমেন৷

    হয়তো ওই ছিলো নয়নের জীবনের প্রথম অনুরাগের পরশ৷ অনেক ভরসা করেই হয়তো কলকাতা আসার আগে চিঠিটা লিখেছিলো নয়ন৷

    ইস.. নিজের কাছেই নিজে ছোটো হয়ে যাচ্ছে সৌমেন৷

    মনে পড়ে যাচ্ছে, সেই ব্রিজে ওর হাত ধরার মুহূর্তটা৷ নয়ন বলেছিলো, এই হাতটা এভাবেই ধরে রাখতে ইচ্ছে করছে৷ মনে হচ্ছে তোমার হাতের ছোঁয়া কখনো প্রবঞ্চনা করবে না৷

    সারারাত না ঘুমিয়ে ব্রেকফার্স্ট টেবিলে বসতেই পামেলা বললো, ভালো লাগছে না সৌমেন৷ মনটা বড্ড খারাপ৷

    দেখো না, নয়নিকার কি যে হলো, বললো… বৌদি আমি আর কাল থেকে আসতে পারবো না৷ এই দিন পনেরোর মাইনে দিতে গেলাম তাও নিলো না৷ মেয়েটা বড় ভালো ছিলো গো!

    চলে গেছে নয়ন!

    গরিবের আত্মসম্মান বড্ড বেশি পামেলা৷ আমি আজই আরেকটা এড দেব তোমার পাঠ সঙ্গী খুঁজে৷ তুমি নিশ্চিন্ত থাকো৷

    শুধু একটা মানুষই ক্ষমা করলো না সৌমেনকে৷

    নিরুপায় সৌমেন, সারাটা জীবন হয়তো এই অপরাধ বোধ ওকে ক্ষত বিক্ষত করবে৷

    তবু যেন ওই পলাশপুরের নিম্নমধ্যবিত্ত মেয়েটা জিতে গেল সৌমেনের চোখে৷ একদিন যার সাথে ওরও পছন্দের ফুল রজনীগন্ধার মিল হয়ে গিয়েছিল৷

    কালকের ফুলগুলো এখনো রয়েছে ফুলদানিতে৷ শুধু গন্ধটা আর টাটকা নেই…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }