Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হাত চিঠি

    অনেক কষ্টে যেদিন এই ছোট্ট দোতলা বাড়িটা শেষ করেছিলাম সেদিন নিজের মধ্যে কেমন এক গর্ব অনুভব করেছিলাম৷ এই প্রথম অপদার্থ জামাই থেকে পদার্থ হতে পারার সুপ্ত সম্মানটা যেন আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল আমাকে৷ আত্মজীবনী শোনানোর আগে আমার পরিচয়টা একটু দিয়ে দিই আপনাদের৷ আমি অমল বসু৷

    ভ্রূ কুঁচকে অকারণে ভাবতে বসবেন না, কোথাও কি আদৌ শুনেছেন অমল বসু নামটা! না শোনেন নি৷ সেটেলমেন্টের সামান্য কর্মচারীর নাম না শুনলেও আপনার দৈনন্দিন জীবনের কোনো হেরফের হবে না বলেই আমার বিশ্বাস৷ তবুও বলি, আমি সেটেলমেন্ট অফিসে চাকরি করি, কেরানি বলতে পারেন৷ আমার বয়স বছর বিয়াল্লিশ৷ এমন কিছু হ্যান্ডু চেহারা আমার নয় যে মহিলারা একবার দেখে দ্বিতীয় বার ঘুরে তাকাবেন৷ কলেজেও নেহাতই গোবেচারা স্বভাবের জন্যই আমাকে সব মেয়ে বান্ধবীরা বয়ফ্রেন্ডের জায়গায় পিওন ভাবতেই বেশি ভালোবাসতো৷ মেয়েরা বলতো, অমল বিশ্বাস কর তুই আমার প্রিয় বন্ধু৷ না, গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের মতো ‘জাস্ট ফ্রেন্ড’ বলে দু-দিন পরে কেচ্ছা কেলেঙ্কারির মতো ব্যাপার নয়৷ আমি সত্যিই সকলের শুধুই বন্ধু ছিলাম৷ বান্ধবী ও বন্ধুদের কাছে আমি এই কারণেই পপুলার ছিলাম যে, আমি কখনই দশটা চিঠি বিলির দায়িত্ব নিয়েও ফেলিওর হই নি৷ যদিও সেই সব কলেজ প্রেমই যে পরিণতি পেয়েছে এমন নয়৷ কিছু তো দু-চারটে চিঠির পরই ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে৷ এখনকার ভাষায় যাকে বলে ব্রেকআপ৷

    এই চিঠি বিলির সূত্র ধরেই আমার সাথে পরিচয় হয়েছিল কলেজেরই এক মহিলা পিওনের ,তার নাম প্রভাতী৷ প্রভাতীও বিশ্বাসী পিওন বলেই পরিচিত হয়েছিল, আমাদের বিনোদবিহারী কলেজে৷

    একদিন আমার জেঠুর খুব শরীর খারাপ ছিল, হাতে তখন আর্জেন্ট গোটা পাঁচেক প্রেমপত্র৷ এমত অবস্থায় কলেজেও যেতে পারছি না৷ জেঠুকে নিয়ে ডাক্তার-বদ্যি করতে হচ্ছে৷ তখন বিপদ তারণ করলো ওই প্রভাতী৷ প্রভাতীর হাতে ওই পাঁচটা চিঠি দিয়ে আমি নিশ্চিন্ত হয়েছিলাম৷

    সেম প্রফেসনের অনেক গোপন কথা থাকে, সেই সূত্রেই প্রভাতীর সাথে আমার বন্ধুত্বটা বেশ জমে উঠেছিল৷

    কোন বইয়ের মধ্যে করে চিঠি বহন করলে বাড়িতে মোটেই ধরা পড়বে না সেটা ওই আমাকে শিখিয়েছিল৷ বাড়ির লোকের সব সময় আগ্রহ থাকে অঙ্ক আর ইংরেজি বইয়ের প্রতি, অবহেলিত হয় বাংলাটাই৷ তাই বাংলা বইটাই ভীষণ সেফ৷

    মুশকিলটা বাঁধলো কলেজ পাশ করে যখন ইউনিভার্সিটিতে প্রবেশ করলাম৷ ততদিনে প্রভাতী আর আমি দুজনেই হাড়েহাড়ে বুঝতে পারছি যে, আমরা আর জাস্ট ফ্রেন্ড নেই৷ লোকের চিঠি বহন করতে করতে আমাদেরও চিঠি লিখতে সাধ জাগছে মনে৷

    প্রথম চিঠিটা আমিই লিখেছিলাম প্রভাতীকে৷

    চিঠিটা ওর হাতে দিয়ে বলেছিলাম, এটা অনন্যাকে দিয়ে দিও, সুবোধের চিঠি৷ তবে সুবোধ বলেছিল, ও নাকি ভীষণ বানান ভুল করে, তাই একবার পড়ে নিতে৷ আমার সময় হয়নি প্রভাতী, তুমি একবার দেখে নিও৷

    পরেরদিন প্রভাতী এসে আরেকটা চিঠি আমার হাতে দিয়ে বলেছিল, সুবোধকে বলে দিও, অনন্যা বলেছে, বানান ভুল তেমন নেই, তবে ভালোবাসি কথাটা ওভার রাইটিং হয়েছে বলে বাতিল হয়ে যেতে পারে!

    সেদিন আমি হেসে ফেলেছিলাম৷ বলেছিলাম, আর প্রভাতীর কি মত? ওভার রাইটিং হলে ভালোবাসা বেশি হয় নাকি বাতিল হয়৷

    ও কিছু না বলেই চিঠিটা আমার হাতে গুঁজে দিয়ে পালিয়েছিল৷

    সেই প্রথম আমি কাঁপা হাতে আমার জন্য লেখা কোনো চিঠি খুলেছিলাম৷

    প্রভাতী লিখেছে, শপথ কর সারাজীবন একসাথে একই পথে চলবো৷

    তারপর তো শুধুই ভেসে যাওয়া৷

    প্রভাতী ছিল ধনীর দুলালী৷ আমি অমল বসু নিতান্তই মধ্যবিত্ত৷ মধ্যবিত্তদের হূদয় বড়ো হলেও সামর্থ্য থাকে কম৷ নুন, তেলের হিসেব কষতে কষতেই ঝুলপির চুলে পাক ধরে যায়৷ বেড়াতে যাওয়া বলতে তারাপীঠ, পুরী, দিঘা৷ পুজোর সময় নতুন শাড়ির গন্ধ নেওয়া৷ সমস্যাটা শুরু হলো বিয়ের কটা মাস পরেই৷

    আমি তখন সেটেলমেন্টের অফিসে সবে নতুন চাকরি পেয়েছি৷ মাইনে তেমন কিছুই নয়৷ শুধু সরকারি চাকরি এটুকুই বুক ফুলিয়ে বলতে পারছিলাম৷

    প্রভাতী প্রতি মুহূর্তে মানিয়ে নিতে নিতে হয়তো ভিতরে ভিতরে ক্লান্ত৷ আমার বাবা মারা গিয়েছিলেন আমি যখন ক্লাস ইলেভেনে পড়ি৷ কম উপায় করা ভাইকে দয়া দেখিয়েই দিদি মাকে তার সংসারে নিয়ে গিয়ে রেখেছিলো, নাকি তার বাড়ি পাহারা দেবার সবসময়ের একজন বিশ্বাসী মানুষকে পেয়ে হাতছাড়া করতে চায়নি, সে তর্কে আমি কখনোই ঢুকতে চাইনি৷ তবে আমার বিয়ের পর পরই দিদি মা-কে নিয়ে ভূপাল চলে গিয়েছিলো৷

    প্রভাতী নিজের সংসার নিজের মতোই চালাতে শুরু করেছিলো৷ আমি শুধু মাইনের টাকাটা এনে ওর হাতে ধরিয়ে দিতাম৷

    মাঝে মাঝেই দেখতাম প্রভাতী খাতায় কাটাকুটি করে হিসেব কষছে৷ এদিক ওদিক থেকে খরচ কমিয়ে ইলেকট্রিক বিল ম্যানেজের চেষ্টা চালাচ্ছে৷

    শ্বশুর বাড়ির অনুষ্ঠানে আমরা বরাবরই একটু কমা উপহার নিয়ে হাজির হতাম৷

    উপহারের মূল্য ভালোবাসায় নয়, অর্থের মূল্যেই বিবেচ্য হত প্রভাতীর বাপের বাড়িতে৷ ওর কাকা, জ্যাঠার মেয়েরা বা ওর নিজের দিদিও মাঝে মাঝেই প্রভাতীকে মিষ্টি করে বলতো, ওহ এই শাড়িটা তো হাতি বাগানে মাত্র দুশো টাকায় ফুটে বিক্রি হচ্ছে রে৷

    আনন্দ অনুষ্ঠান থেকে ফিরেই আমি প্রতিবার প্রভাতীর মুখে একটা গোপন কষ্ট দেখতাম৷

    কে জানে আমাকে বিয়ে করাটা হয়তো ওর ভুলই হয়েছে! এই দু-কুঠুরি ঘরের বদ্ধ আবহাওয়ায়, টানাটানির সংসারে ও হয়তো হাঁপিয়ে উঠেছে৷ মাঝেই মাঝেই আজকাল প্রভাতীকে বড় বিষণ্ণ লাগে আমার৷

    আর ঠিক তখনই অপরাধ বোধ কাজ করে৷

    একদিন রাতের অন্ধকারে আমি প্রভাতীর বুকের মধ্যে মুখ গুঁজে ভুলতে চাইছি আমার ব্যর্থতা, ঠিক সেই সময়েই প্রভাতী বললো, আমি একটা স্কুলে চাকরি পেয়েছি৷

    ওর কোমল শরীরী আকর্ষণকে উপেক্ষা করে ছিটকে সরে এসেছিলাম আমি৷

    চাকরি! চাকরি করবে তুমি?

    এমনিতেই তোমার বাবা তার ছোটো জামাইকে অপদার্থ বলেই পরিচয় দিয়ে থাকেন৷ এখন যদি তোমাকে চাকরি করতে হচ্ছে দেখেন তাহলে তো বলবেন,আমি তোমার টাকায় বসে বসে খাবো বলেই তোমাকে চাকরি করতে পাঠাচ্ছি৷

    প্রভাতী বললো, বাবার কাছ থেকে হাত পেতে আমরা তো টাকা চাইছি না৷ আমরা দুজনেই লেখাপড়া জানি৷ নিজেরা পরিশ্রম করে সচ্ছল ভাবে থাকতে পারলে সেটা করবো না কেন?

    প্রভাতী আস্তে আস্তে বললো, তাছাড়া এরপর তো আমরা তিনজন হবো৷ তখনও তো খরচ অনেক বেড়ে যাবে!

    আমার শিক্ষিত মন সায় দিচ্ছে প্রভাতীর চাকরি করাতে, কিন্তু পুরুষতান্ত্রিক মনটা বিদ্রোহ করছে, ঘরের বউ চাকরি করবে!

    মনের দ্বন্দ্ব মেটাতে দু-দিন তারাপীঠ থেকে ঘুরেও এলাম৷ প্রভাতী ততদিনে মনস্থির করেই ফেলেছে চাকরিটা সে করবে৷

    দুজনের রোজকারে যে সচ্ছলতা এসেছে সেটা আমাদের গ্লোয়িং স্কিনই বলে দিচ্ছে৷ বাপের বাড়ির দিকের অনুষ্ঠানে গিয়েও প্রভাতী বেশ গর্ব করেই বলছে, নিউ মার্কেট ছাড়া মার্কেটিং করে পোষায় না৷

    টাকা কি বদলে দেয় মানুষকে? কেন যে বারবার মনে হচ্ছিলো আমার সেই পরিচিত প্রভাতী বদলে যাচ্ছে! মনের ভুল হয়তো৷ প্রভাতী তো চেষ্টা করছিলো আমাদের দুজনকেই ভালো রাখতে৷

    অবশেষে ব্যাংকে লোন করে, প্রভাতীর একটা টাকাও না নিয়ে ব্যালকনি সমেত ওপরে দুটো আর নীচে দুটো এই ছোট্ট দোতলা বাড়িটা তৈরি করেছিলাম আমি৷ বাড়িটা ছোটো হলেও বেশ আধুনিক ডিজাইনের বলেই হয়তো গৃহপ্রবেশের অনুষ্ঠানে এসে আমার শ্বশুরমশাই প্রথম বললেন, যাক! এতদিনে অমল যাহোক একটা ভালো জিনিস করতে পারলো৷

    যদিও সংসার খরচটা প্রভাতী সামলে ছিল বলেই আমার পক্ষে বাড়িটা করা সম্ভব হয়েছিল৷ তবুও মধ্যবিত্তের জীবনে বাড়ি করাটা একটা বড়ো অ্যাচিভমেন্ট, তাই অহংকার যে আমার একটু আধটু হচ্ছিল না তা নয়৷ আমার চালচলনে হাবে ভাবে সেটা হয়তো অনেকেরই দৃষ্টিগোচর হয়েছে৷ বিশেষ করে প্রভাতীর চোখে তো বেশ অচেনা হয়ে গিয়েছিলাম আমি৷

    নতুন রঙে আমার বাড়ি যখন সেজে উঠেছে তখন বেআক্কেলের মতো প্রভাতী একটা পেরেক দিয়ে নতুন দেওয়ালে খুদিয়ে লিখে দিয়েছিল, My sweet home…

    ঝাঁ চকচকে দেওয়ালে ওর ওই লেখা দেখে আমার মাথা গরম হয়ে গিয়েছিল৷ আমি বেশ উঁচু গলায় বলেছিলাম, এই বাড়ির একটা ইটেও তোমার রোজকারের কোনো টাকা নেই, অথচ তুমি দেওয়ালে লিখে দিলে যে, তোমার বাড়ি?

    নিজের অহংকার না দেখালেই হচ্ছিলো না, প্রভাতী! লোকজনের কাছে প্রমান করতে চাইছো যে বাড়িটা তুমি বানিয়েছো?

    না, অত কথা বলা মেয়েটাও সেদিন চুপ করে গিয়েছিলো৷ শুধু দু-চোখ দিয়ে অবিরত জল গড়াচ্ছিলো ওর৷ আমি সেদিকে ভ্রূক্ষেপ না করেই বললাম, আমি একটা প্রশ্ন করেছি তোমাকে?

    প্রভাতী কান্না চেপে বলেছিল, ভুল হয়ে গেছে৷ আমি আমার বাড়ি লিখেছি৷ কারণ আমি ভেবেছিলাম, যা কিছু তোমার সেটাই হয়তো আমার৷

    পরের দিন অফিস থেকে ফিরে দেখলাম বাড়িতে তালা ঝুলছে৷ আমি ডুপ্লিকেট চাবি দিয়েই দরজা খুললাম৷

    যদিও অন্যদিন প্রভাতী এই সময় স্কুল থেকে ফিরে আসে৷

    তবে বাড়ি হবার পর বেশ কয়েকদিন দেরি করেই ফিরছিল, হয় ঘরের পর্দা, নয়তো, ফুলদানি, শো পিস এসব কিনে আনছিলো ঘর সাজাবে বলে৷ আমি ভেবেছিলাম, হয়তো আবার ওসব কিনতেই গেছে, তাই দেরি হচ্ছে৷ কিন্তু সন্ধ্যে সাতটা বেজে যেতে কেমন একটা ঠান্ডা স্রোত বুকের মধ্যে বইতে শুরু করলো৷

    তবে কি রাগ করে কোথাও …

    প্রথমেই প্রভাতীর মোবাইলে ফোন করলাম, সেটা আমাদের টিভির টেবিলেই বাজছে৷ ফোন ছাড়া বেরিয়েছে দেখেই ওদের বাড়িতে ফোন করলাম, না সেখানেও যায়নি৷

    বিছানায় গিয়ে ধপাস করে বসে পড়লাম আমি৷

    বেডরুমের কোণের দেওয়ালে লেখা My sweet home… আচ্ছা My বলতে তো আমার অর্থাৎ অমল বসুরও বোঝায়! তাহলে আমি কাল অত রেগে গেলাম কেন! ও তো প্রভাতীর বাড়ি লেখেনি! আর যদি আমার তৈরি করা বাড়িতেও নিজের নাম লিখেও থাকতো তাহলেও তো সেটা ভালোবেসেই, অধিকারবোধ থেকেই লিখতো! আমার মাথায় আর কিছুই আসছিল না তখন৷

    বড্ড হেল্পলেস লাগছিলো৷

    আমি এদিক ওদিক খুঁজছিলাম, যদি কোনো চিঠি লিখে রেখে যায়…

    কয়েকটি বইয়ের সাথে একটা একটা খাম পড়লো মেঝেতে৷

    একটা নয় বেশ কয়েকটা চিঠি৷

    সব কটারই নীচে লেখা অমল বসু৷

    আশ্চর্য! এগুলো ওর লেখা চিঠি?

    অথচ প্রভাতীর হাতের লেখায়৷

    পড়তে পড়তে চোখ দুটো জ্বালা করছিল আমার৷

    চিঠিতে প্রভাতী লিখেছে,

    সেদিন ওই বাদল রঙের শাড়িটা তোমার যে খুব পছন্দ হয়েছে সেটা আমিও দোকানে বসেই বুঝেছিলাম৷ কিন্তু ট্যাগ-এর প্রাইসটা দেখে তুমি অন্য শাড়ি বাছলে, আমার কষ্ট হলো প্রভাতী৷ বিশ্বাস কর, নিজেকে অপদার্থ মনে হলো৷

    কিন্তু প্রভাতী আমি তোমাকে ভালোবাসি, বড্ড ভালোবাসি৷

    এমনই ছোট্ট ছোট্ট ঘটনা যেগুলো আমার মনে হয়েছিল, সেগুলো শুধু চোখের ভাষা পড়ে প্রভাতী নিজেই লিখেছে আমার নাম করে৷ নীচে সই করেছে অমল বসু৷

    এতটা বুঝতো প্রভাতী আমাকে!

    আমার সব না বলা কষ্টগুলোও ও এভাবে অনুভব করছে আমার হয়ে!

    একটা প্রেগনেন্সি টেস্টের রিপোর্টও হাতে পেলাম আমি৷ প্রভাতী দু-মাসের প্রেগন্যান্ট৷ বাড়ির ঝামেলায় আমি এতটাই উদভ্রান্ত হয়ে ছিলাম যে আমি খেয়ালই করিনি ওকে৷

    অথচ প্রেসক্রিপশনে ও প্রভাতী বসুর নিচে প্রযত্নের জায়গায় যথারীতি অমল বসুই লিখেছে৷

    আমার সন্তান এখন প্রভাতীর গর্ভে৷ ভাবতেই কেমন যেন বুকের ভিতরটা হু হু করে উঠলো৷

    সন্তান আমাদের আরো আগেই হওয়া উচিত ছিল৷ শুধু তাকে যাতে কোনো দারিদ্র স্পর্শ করতে না পারে তাই প্রভাতীই বলেছিল, আরেকটু গুছিয়ে নিয়ে তাকে আনবো পৃথিবীতে৷

    আমি তো খেয়ালই করিনি কবে সে এসে গেছে আমাদের মধ্যে৷

    তার মানে কাল আমার বলা কথাগুলো আমার সন্তানও প্রভাতীর পেটের মধ্যে থেকেই শুনেছে৷

    প্রভাতীর একটা চিঠিতে সে লিখেছে, আমি বাবা হতে চলেছি প্রভাতী, তুমি আমাকে পিতৃত্বের স্বাদ পাওয়াতে চলেছো৷

    হয়তো প্রভাতী খুঁজছিল কোনো নিবিড় মুহূর্ত যখন কানে কানে আমাকে বলতো, আমার বাবা হবার খবরটা৷

    আমার বয়ানে যে এত চিঠি লিখতে পেরেছে সে কেন বুঝলো না, আমি হঠাৎ করে রাগের মাথায় কাল অমন বলেছিলাম!

    প্রভাতীর কলিগদের ফোন করেই চলছি, না কারোর বাড়ি যায়নি প্রভাতী৷

    বিয়ের পর থেকে হাতে গুনে ও কয়েকদিন মাত্র বাপের বাড়িতে রাত কাটিয়েছে৷ কখনো আমাকে ছেড়ে কোথাও যেতে চাইতো না৷

    আমার ফোনটা বোকার মতো চুপটি করে পড়ে আছে সোফায়৷ আমি ভাবছি কেউ কি বাকি পরে গেল খোঁজ নেওয়া থেকে?

    হঠাৎ আমার ফোনের রিংটা বাজছে… আরে সুবোধ!

    সেই কলেজের সুবোধ৷ কলেজের বন্ধুদের মধ্যে জনা তিনেকের সাথেই এখনো যোগাযোগ আছে আমার৷ সুবোধ আর অনন্যার বিয়েটা হয়েছিলো শেষ পর্যন্ত, তাই ওদের দুজনের সাথেই সম্পর্কটা রয়ে গিয়েছিল৷

    তবে অনন্যাই সাধারণত প্রভাতীকে ফোন টোন করে, সুবোধ খুবই কম ফোন করে৷ এখন হঠাৎ ও!

    ফোনটা ধরতেই চাপা গলায় সুবোধ বললো, প্রভাতী আমাদের বাড়িতে রয়েছে রে৷

    ওকে দেখে মনে হলো, তোদের মধ্যে বোধহয় ঝগড়া হয়েছে৷ অনন্যাকে বলছিল, একটা লেডিস মেস খুঁজে দিতে! আমি পাশের ঘরে এসে তোকে খবরটা দিলাম৷

    আর এক মুহূর্ত দেরি না করেই আমি চিঠিটা লিখে ফেললাম৷

    সুবোধ-এর বাড়িতে যখন পৌঁছুলাম তখন রাত প্রায় নটা৷ সুবোধের হাতে চিঠিটা দিয়ে বাইরেই অপেক্ষা করছিলাম৷

    সুবোধ গিয়ে আমার শিখিয়ে দেওয়া কথাগুলোই বলেছিল প্রভাতীকে ৷

    সুবোধ বলেছিল, তুই তো জানিস প্রভাতী আমি বরাবরই বাংলা বানানে কাঁচা, তাই তুই যদি চিঠিটা একবার চেক করে তবে এটা অনন্যাকে দিস ,তাহলে বিয়ের আট বছর পরে আমাদের প্রেমটা আবার জমে যাবে৷

    প্রভাতী কথা না বলে চিঠিটা খুলেছিল, ভালোবাসি কথাটা আজও চিঠিতে ওভার রাইটিং হয়ে রয়েছে দেখেই, ছুটে বাইরে বেরিয়ে এসেছে হয়তো… আমি জানতাম প্রভাতী আসবে৷ আসতে ওকে হবেই৷

    আমরা যে একে অপরকে ভীষণ ভালোবাসি, মধ্যবিত্ত ভালোবাসায় ঐশ্বর্য্যের প্রলেপ পড়লেও তা বড্ড হিসেবী থেকে যায়, কিছুতেই নিজের জিনিসের ওপর অধিকার ছাড়তে চায়না৷

    প্রভাতী সামনে আসতেই আমি বোকা বোকা হেসেছিলাম৷ ওটা আমার জন্মগত হাসি৷

    তবুও প্রভাতী আমার মতো অকর্মণ্যর বুকেই মাথা গুঁজে নিজের কান্না সামলে ছিল৷

    আমি কানে কানে বলেছিলাম, আমি জানি আমি বাবা হতে চলেছি৷

    প্রভাতী চোখ বড়ো বড়ো করে আমার দিকে তাকিয়ে বলেছিল, তার মানে তুমি আমার লেখা সব চিঠিগুলোও পড়েছো?

    আমি বললাম ওগুলো তোমার লেখা কোথায়, ওগুলোতো সব অমল বসুর লেখা৷

    তারপর আমরা ফিরে এসেছিলাম, my sweet home-এ৷

    এখন আমি বিয়াল্লিশের কোটায় রান করছি৷ তবুও প্রভাতীর হাতেই আমাদের সংসারের সুখের চাবি৷ আমাদের একটা মেয়ে হয়েছে, সে সবে বাবা বাবা বলে ডাকতে শিখেছে৷ মাঝে মাঝেই সে বাবার জায়গায় ভুল করে বোকা বলে ফেলছে আমাকে৷ আসলে মেয়েটার দোষ নেই, প্রভাতী মাঝে মাঝেই আমাকে বলে, বুড়িয়ে মরতে চললেও তোমার বোকা বোকা হাসিটা যাবে না৷

    মেয়েটাও বুঝে গেছে আমি একটু বোকাই আছি৷

    অবশ্য প্রভাতীর ওই বোকা বলার ধরনটা আমার ভীষণ মিষ্টি লাগে৷ বিয়ের দশ বছর পরও মাঝে মাঝেই প্রভাতীর ভিজে চুল আর এলোথেলো আঁচল দেখে আমার মাথায় সেই বাসর ঘরের দুষ্টু বুদ্ধিগুলো ঘুরতে থাকে৷

    প্রভাতী আমার চোখ দেখেই সব বুঝে যায়, তাই আগেই বলে বসে, এখন মেয়েকে ঘুম পাড়াব৷

    এই হলো আমার, মানে অমল বসুর বিয়াল্লিশ বছরের আত্মজীবনী৷

    আমার মধ্যবিত্ত ভালোবাসায় কিন্তু কোনো খামতি পাবেন না আপনারা৷ আমি হয়তো আমার বউকে সুইজারল্যান্ড বেড়াতে নিয়ে যেতে পারিনি, আইফেল টাওয়ারের সামনে চুমু খেতে পারিনি, আমি হয়তো ম্যারেজ এনিভার্সারিতে ডায়মন্ড নেকলেস ওর গলায় পরিয়ে দিতে পারিনি কিন্তু আমি হলফ করে বলতে পারি ধর্মাবতার, আমি জ্ঞানত প্রভাতীকে ছাড়া আর কোনো মহিলাকে কখনো ভালোবাসিনি৷ আজীবন ঝগড়া ঝাটির মধ্যেও ওকেই ভালোবাসতে চাই৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }