Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ

    রাবাংলার বুদ্ধ পার্কের সামনেই হলো ঘটনাটা৷ আরে তোরা উঠে আসছিলিস, আমি তখন অস্তগামী সূর্যের আলোয় সোনার রঙের বুদ্ধকে আরেকবার দেখছিলাম৷ কিছু বোঝার আগেই চোখে আলোটা পড়লো৷ এদিক ওদিক তাকাতেই দেখি ডিএসএলআর-টা বাগিয়ে অকারণে পারমিশন না নিয়েই আমার ছবি তুলে যাচ্ছে৷ এ তো মহা মুশকিল! এখন থেকে কি বোরখা পরে রাস্তায় বেরোতে হবে নাকি?

    ছেলেটাকে কি তুই দেখেছিস নয়নিকা ?

    মেয়েদের গ্রুপটায় বেশ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে বিষয়টা নিয়ে৷

    এরই মধ্যে রচনা একটু হিংসুটে স্বরে বললো, আমি তো একটা জিনিসই বুঝতে পারছি না, আমরা সকলে থাকতে নয়নিকার ছবি তুলতে যাবেই বা কেন? রচনা ওদের ইউনিভার্সিটির জিওগ্রাফি ডিপার্টমেন্ট-এর মধ্যে সব চেয়ে সুন্দরী মেয়ে৷ তাই কোনো ইয়ং ফটোগ্রাফার রচনার ছবি না তুলে শেষে কিনা নয়নিকার?

    শ্যামলা রঙেই তো নয়নিকার অর্ধেক সৌন্দর্য হ্রাস পেয়েছে৷ ওই দুটো বাঙময় চোখ ছাড়া ওর মধ্যে কি এমন রূপের সন্ধান পেলো কে জানে?

    রচনার ধারণা, সুন্দরী মানেই তাকে দুধে আলতা, বা মটর দানার মতো রঙের অধিকারিণী হতে হবে৷ শুধু রচনা কেন,হয়তো বেশির ভাগেরই ধারণা৷ তাহলে,ওদের ব্যাচের এত এত রূপসী থাকতে ওই সাধারণ চেহারার নয়নিকার ছবি কেউ কেন লুকিয়ে তুলবে!

    অরুন্ধতী বেমক্কা বলে বসলো, দেখ হয়তো ফেসবুকে সোনার গয়নার পেজের হিরোইন বানাবে তোকে নিয়ে৷ হয়তো শ্যামলা মেয়ের মুখের সাথে ওই পেজের বাজার ভালো কাটবে৷ কালোর মধ্যে সোনালি রঙের জেল্লা৷ মেয়েদের এই আলোচনায় বিধস্ত লাগছে নয়নিকার৷

    এরাই ওর কাছের বান্ধবী?

    এদের সাথেই ও হোস্টেল থেকে টুরে এসেছে?

    মুখটা নিচু করে নয়নিকা বললো, আমি তো মানুষটাকেই দেখি নি৷ সে খারাপ মানুষ না ভালো সেটাই তো জানি না৷ শুধু পিছন ফিরে চলে যাওয়ার সময় দেখলাম, একটা ব্লু সোয়েটার৷

    এমনকী মাথায় টুপি ছিল বলে, আর কিছুই বুঝতে পারেনি নয়নিকা৷ তবে বান্ধবীদের এ হেন আলোচনায় নিজেরই খারাপ লাগতে শুরু করেছে৷ মনে হচ্ছে ওই দু-বার আলোর ঝলকানিটাতেও বোধহয় এতটা খারাপ লাগা ছিল না যতটা হচ্ছে এদের আলোচনায়!

    নয়নিকা একটা খারাপ লাগা নিয়েই বান্ধবীদের সাথে হোটেলে ফিরলো৷ কিন্তু সন্ধ্যের চায়ের আসরে কিছুতেই স্বাভাবিক হতে পারছে না নয়নিকা৷

    ওই আনমনা অবস্থায় চোখে লাগা ঝলকানিটা আরেকবার মনে করল নয়নিকার৷

    অনেকক্ষণ ধরে হাওয়ায় ঘুরে ঘুরে মুখটা শুকনো হয়ে গেছে ওর৷ ব্যাগটা খুলে ক্রিমটা বের করতে গিয়েই দেখতে পেল ছোট্ট চিরকুটটা৷ ব্যাগে এই চিরকুটটা কে দিলো? ব্যাগের চেনটা একটু খোলা ছিল৷ তারমধ্যেই কেউ রেখে গেছে এটা৷ ভয়ে ভয়েই বান্ধবীদের চোখ এড়িয়ে ছোট্ট কাগজটা খুলে ফেললো নয়নিকা৷

    এক্সট্রিমলি সরি ম্যাম৷ এভাবে লুকিয়ে আপনার ছবি তোলা অন্যায়৷ তাই এভাবে পারমিশন নিলাম৷ নিচে একটা দশ ডিজিটের নাম্বারের শেষ অক্ষরটা জিরো না নাইন সেটা বোঝা যাচ্ছে না৷ সম্ভবত তাড়াহুড়ো করে লিখতে গিয়ে শূন্য থেকে একটা ফ্যাকরা বেরিয়ে এসেছে৷ অথবা লোকটা এমন ভাবেই অপরিষ্কার নয় লেখে৷

    ধুর! মরুক গে এই নিয়ে কিছুতেই ভাববে না আর নয়নিকা৷ তবুও রচনার মতো সুন্দরীর কপালে যখন হাজার হাজার প্রেমপত্র জোটে তখন শ্যামলা নয়নিকার ভাগ্যে তেমনি হাতে গোনা৷ তার মধ্যে বেশিরভাগই মেয়ে দেখলেই প্রেমে পড়া পার্টি৷ তাই চিরকুটটা ফেলতে গিয়েও ফেললো না ও৷

    মুচকি হেসে রেখে দিল হ্যান্ড ব্যাগে৷

    পরেরদিন খুব ভোরে উঠেই চলে যাবে রাবাংলার আরেকটু ভিতরের ছোট্ট গ্রামে৷ নয়নিকা অনেক ভেবে চিন্তে এখানের ঝকঝকে আকাশের সাথে পাল্লা দিয়েই ঘন আকাশি পোশাকটা বাছলো কালকের জন্য৷ নিজের গায়ের রঙের দিকে লক্ষ্য রেখেই খুব উগ্র রংগুলোকেও এভয়েড করে৷ আর সেই জন্যই নয়নিকা খুব সহজেই স্নিগ্ধতা নিয়ে ধরা দেয় অপরিচিতের লেন্স-এ৷

    নয়নিকার কেন যে মনে হচ্ছে,ওর ছবি ক্যামেরাবন্দি করা মানুষটা কোনো খারাপ লোক নয়৷ হোটেল থেকে বেরোনোর সময়েই নয়নিকা খেয়াল করলো রচনা, অরুন্ধতীরা যেন একটু এড়িয়ে চলছে ওকে৷ রচনা বললো, কি রে আজ আবার কোথায় আনমনে দাঁড়িয়ে থাকবি!… মানুষ আকাশপরি ভেবে ছবি তুলে নিয়ে যাবে?

    নয়নিকার অসহ্য লাগছে বন্ধুদের এমন ব্যবহার৷ কথা না বাড়িয়ে রাবাংলার সবুজের হাতছানিতে দূরের দিকে পা বাড়ালো৷

    অরুন্ধতী বললো, এই নয়ন কোথায় যাচ্ছিস ওইদিকে?

    আমরা কিন্তু আজ কোনো গ্রামে যাব না৷ হস্তশিল্পের মেলা চলছে, ওখানে চললাম৷ পরিচিত বান্ধবীদের প্রতি তীব্র অভিমানেই নয়নিকা বললো, আমি একাই যাবো৷

    এমনিতেও নয়নিকা বড্ড চাপা স্বভাবের৷ কখনো পরিষ্কার করে নিজের পছন্দ অপছন্দ বলতে পারে না৷ এমনকী ওর বাবা মাও মেয়ের মুখ দেখে বুঝতে পারে না, মেয়ের মনের মধ্যে এখন কি চলছে৷ মাঝে মাঝে মা রেগে গিয়ে বলে,এর থেকে তো দুটো চিৎকার করে কথা বলাও ভালো৷ কিন্তু নয়নের অভিমান হলেই ও বড্ড নিশ্চুপ৷ কিছুতেই বোঝা যায় না কি চলছে ওর মনের মধ্যে!

    সরু পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে সাবধানে চলছে ও৷ মনের মধ্যে একটা অব্যক্ত কান্না দলা পাকাচ্ছে অনেকক্ষণ ধরেই৷ আর মাত্র দেড় দিন পরেই ফিরে যেতে হবে কলকাতায়৷ আবার সেই বাবার শাসন৷ পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে…

    আবার মায়ের সাবধান বাণী, রোদে ঘুরিস না এই ক-দিন৷ একটু পার্লারে ঘুরে আসিস৷ সেই নয়নিকার ছবি নিয়ে বাবার স্টুডিওতে যাওয়া৷ দেখুন তো,ছবিটা আরেকটু লাইট করে দিয়ে, গায়ের রংটা আরেকটু ফর্সা করে দেওয়া যায় কি না?

    এই লোক ঠকানো ব্যাপারটা একদম হজম হয় না ওর৷ বলতে গেলেই মা বলে, আরে ওরা তো তোকে দেখবে নাকি?

    এটাই তো বোঝাতে পারে না নয়নিকা ..ছবিতে ফর্সা দেখে এসে শ্যামলা নয়নিকার দিকে ওরা কেমন একটা বিদ্রুপের হাসি নিয়ে তাকায়৷ হতে পারে নয়নের চোখের ভুল৷ অথবা ওর ক্ষত মনের ভাবনার স্বরূপ৷

    এক্সকিউজ মি!

    পিছন থেকে একটা অপরিচিত গলা…

    মরেছে… এমনিতেই রাগের মাথায় নয়ন কোথায় যাচ্ছিল সেটা নিজেই জানে না৷ পিছন থেকে কি কেউ পথনির্দেশ জানতে চাইবে নাকি?

    রাস্তায় ঘড়ি পরা লোক দেখলেই অনেকেরই অকারণ সময় জানতে ইচ্ছে করে৷ তেমনিই এই নিরিবিলি পাহাড়ি রাস্তায় একমাত্র মানুষ দেখে ওকেই হয়তো গাইড করবে ভাবছে পিছনের রেড ব্ল্যাক সোয়েটার ভদ্রলোক৷

    পিছন ফিরে থমকে দাঁড়িয়েছে নয়ন৷ ভদ্রলোক বললে একটু গম্ভীর লাগবে,এর বয়েস বড়জোর আঠাশ-ঊনত্রিশ৷ কিন্তু মুখে একটা সবজান্তা ভাব নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে৷ যেন মনে হচ্ছে, স্বয়ং গৌতম বুদ্ধ তার জ্ঞানের ভান্ডার নিয়ে নয়নের সামনে হাজির হয়েছে৷ এমন জ্ঞানী লোককে নয়ন ইতিহাসের পাতায় সম্মান করলেও সামনে পেলে এড়িয়ে যায়৷ কারণ অযাচিত জ্ঞান দিয়ে এরা নয়নের ছোট্ট মাথায় যেটুকু ছিল সেটুকুও নিঃশেষ করে দেয়৷

    ছেলেটি হাঁপাতে হাঁপাতে কয়েকটা ধাপ নেমে এসে বললো, আরে আপনি তো মহা কালা৷ কখন থেকে ডেকে চলেছি৷ শুনতেই পান না৷ কোন রাজ্যে বিচরণ করেন কে জানে?

    বিরক্ত লাগছে নয়নিকার৷

    অপরিচিত ভদ্রমহিলার সাথে কথা বলার নূন্যতম সহবত শেখেনি লোকটা৷

    নয়ন নিজেকে সামলে নিয়ে চিবিয়ে চিবিয়ে বললো, কেন? পলাশীর যুদ্ধ লেগেছে? নাকি ঋত্বিক রোশন আমাকে বিয়ে করতে চেয়েছে? হঠাৎ অকারণে আপনি আমাকে ডাকছেনই বা কেন?

    ছেলেটি বললো, আরে আপনি তো আচ্ছা গোঁয়ার পাবলিক! একে তো উপকারীর উপকার স্বীকার করেন না, উল্টে তাকেই মেজাজ দেখান৷

    নয়নের এবার বিস্ময়ের পালা! এই মানুষটা ঠিক কি ভাবে ওর বিশাল উপকার করলো সেটাই তো বুঝতে পারছে না ও!

    ছেলেটি বললো, শুধু আকাশের আর সবুজের সৌন্দর্য দেখলেই চলে না৷ রাস্তার শেষটা দেখে ফিরতে হয় বুঝলেন? সামনে দেখুন!

    এতক্ষনে নয়ন যে পথে যাচ্ছিল সেদিকে তাকালো৷

    চমকে উঠলো৷ একটু টাল খেয়ে গেল মাথাটা৷ সামনে আর কোনো রাস্তাই নেই৷ শুধুই বড়ো একটা খাদ৷ খাদের অন্য প্রান্তে আবার গ্রাম৷ কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর রাস্তা বোধহয় অন্য কোনো ঘুরপথে৷ আর গুনে গুনে ঠিক পাঁচ পা হাঁটলেই নয়নিকা নামটা হয়তো মুছে যেত ওদের ২০১৮-র জিওগ্রাফির ব্যাচ থেকে৷

    সামনে এত বড়ো বিপদ দেখলে অনেক সাহসী মানুষেরও নার্ভাস ব্রেক ডাউন হয়ে যায়৷ সেটা ভেবেই হয়তো ছেলেটি ধরেছিল নয়নের হাতটা৷ এখুনি কি ঘটে যাচ্ছিলোর ভাবনাতেই ভীত হয়ে নয়ন খেয়ালই করেনি ওর বাম হাত তখন একটা অপরিচিত স্পর্শে নিরাপদে রয়েছে৷

    চমকে উঠে হাতটা সরাতে গিয়েই দেখলো, একজোড়া মুগ্ধ দৃষ্টিতে বিদ্ধ হচ্ছে ও৷ ছেলেটি অপলক তাকিয়ে আছে নয়নিকার দিকে৷ একটা হালকা অস্বস্তি ছুঁয়ে যাচ্ছিল নিশ্চুপ পাহাড়ি পরিবেশে৷

    নয়নিকা সামলে নিয়ে বললো, অনেক ধন্যবাদ৷

    ছেলেটি বললো, আমি প্লাবন৷ প্লাবন রায়৷ নেহাতই বেকার মানুষ৷ ঘুরে বেড়ানোটাই পেশা বলতে পারেন৷ তবে এই সবুজ আর নীলে রাঙানো প্রকৃতির বুকে ‘ধন্যবাদ’ কথাটা যেন একঝাঁক বিষাক্ত ধোঁয়ার মতো৷ কলকাতার পরিবেশে খুব সাবলীল৷ কিন্তু এখানে?

    নয়নিকা আলতো হেসে বললো, তাহলে কি বলবো?

    প্লাবন দূরের দিকে তাকিয়ে, বাতাসে কথাটা ভাসিয়ে দিলো… বন্ধুত্বের হাত বাড়ানো হাতটাকে ফেরত দিতে নেই৷

    বলুন, আর কতদিন আছেন রাবাংলায়!

    মাত্র দেড় দিন৷ পরশু বিকালে ট্রেন ধরবো নিউজলপাইগুড়ি থেকে৷

    তারপর আবার কংক্রিটের পাহাড় কলকাতা৷

    প্লাবন বলল,কলকাতার বাতাসেও কিন্তু মুগ্ধতা আছে, চাওয়া পাওয়া আছে৷ শুধু দৃষ্টি পথকে রোম্যান্টিক করে তুলতে পারলেই আপনি বারোমাস আনন্দে৷

    অদ্ভুত একটা পজেটিভ এনার্জি নিয়ে আসা মানুষ হলো প্লাবন৷ একটু বেশি কথা বলে ঠিকই কিন্তু প্রতিটা কথায় লুকিয়ে আছে অনেকটা মুক্ত বাতাস৷

    ওপরে উঠতে উঠতেই আলটপকা প্লাবন বললো,আচ্ছা ম্যাডাম , আপনার বাবা মা কি আপনার এই অসাধারণ চোখ দুটোর দিকে তাকিয়েই নাম রেখেছিলেন নয়নিকা?

    সামনাসামনি খুব বেশি রূপের প্রশংসা শোনেনি ও৷ তাই লজ্জায় মুখটা নিচু করে বললো, আপনি কি কোনো বন্যার বছর জন্মেছিলেন?

    প্লাবন জোরে জোরে হেসে বললো, না না ঠিক সেটা নয়৷ আসলে আমি স্রোতহীন নদীকেও ভাসাতে পারবো বলেই কনফিডেন্টলি আমার নাম রাখা হয়েছে প্লাবন৷

    দুজনেই হেসে উঠলো একসাথে৷ নয়নিকা একবারও জিজ্ঞেস করেনি প্লাবনের বাড়ির অ্যাড্রেস৷ অথচ প্লাবন নয়নিকার বায়োগ্রাফি লিখবে বলে পণ করে ওর বায়োডাটা জানতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে৷

    খুঁটিনাটি জিজ্ঞেস করেই চলছে৷ তবে প্রশ্নের ভঙ্গিটা এমন, যেন গল্প করছে৷ গল্পের স্রোতেই ভাসতে ভাসতে নয়নিকার মতো চাপা স্বভাবের মেয়েও দুঃখ কষ্ট, পছন্দ অপছন্দগুলো বলে ফেলছে টুক করে৷ বলে ফেলার পরে মনে হচ্ছে না বলাই ভালো ছিলো৷ কিন্তু র্যাপিড ফায়ারের মতোই হুড়মুড় করে জিভের ডগায় চলে আসছে নয়নের ব্যক্তিগত জীবন৷

    ফেরার পথে সরু পাহাড়ি রাস্তায় বারবার ছুঁয়ে যাচ্ছে দুজনের কড়ি আঙুল৷ কড়ি আঙুলের নামে বদনাম আছে৷ সে নাকি শুধুই আড়ি ঘটায়৷ কিন্তু এক্ষেত্রে দুটো কড়ি আঙুলের ছোঁয়ায় হালকা উষ্ণতা ছড়িয়ে যাচ্ছে দুজনের মনে৷

    প্লাবন বললো, আপনি বিকেলের দিকে কি একাই বেরোবেন? নাকি বান্ধবীরা সঙ্গে থাকবে?

    খুব ইচ্ছে করছে নয়নের প্লাবনের সাথেই রাবাংলার বাকি দিনগুলো কাটাতে৷ কিন্তু এই মূহূর্তে যদি নতুন সম্পর্কের টানে ভেসে যায় তাহলে বিপদটা ওর৷ বাড়ি থেকে মোটামুটি বিয়ের সব প্রায় ফাইনাল করে ফেলেছে৷ না, নয়নিকার বিশেষ মতামতের প্রয়োজন নেই৷ বাবার কথাই এক্ষেত্রে শেষ৷ এমনকী ঠাকুমাও বাবাকে একটু সমঝে চলে৷ তাছাড়া লাভ ম্যারেজে ওদের পরিবারের কারোর মিলন হয়নি৷ গুরুজনদের হস্তক্ষেপে সেটা মাঝপথেই থেমে গেছে৷

    ওর বড়ো পিসির মেয়ের তিনবছরের প্রেমের পরিণতি স্বরূপ একটা প্রায় বছর দশেকের বড়ো ছেলের সাথে হঠাৎ করেই বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছিল গ্র্যাজুয়েশনের মাঝ পথে৷ নয়নিকা প্রেম করেনি বলেই এম. এস. সি.-র ফাইনাল পর্যন্ত গেছে৷

    আকাশ পাতাল ভাবতে ভাবতেই হোটেলের মাথাটা দেখতে পেলো নয়নিকা৷ পাশে তাকিয়ে দেখল প্লাবন তখনও একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে ওর দিকে৷

    ওর উত্তরের আশায়৷

    একটু কঠিন স্বরেই নয়ন বললো, আমি রাস্তার পরিচয় রাস্তাতেই শেষ করতে পছন্দ করি৷

    প্লাবনের আহত চোখের দৃষ্টি ক্রমাগত আঘাত করে চলেছে নয়নকে৷ কৃতজ্ঞতা বোধ থাকলেও বোধহয় এমন বলা যায় না৷ নয়নিকা বললো, আমি বান্ধবীদের সাথে বেরোব বিকালে৷

    একবারও পিছনের দিকে না তাকিয়েই ঢুকে পড়ল হোটেলের রুমে৷ তবুও খুব ভালো করে বুঝতে পারছে কেউ একজন ওর তাকানোর অপেক্ষায় এখনো যেন দাঁড়িয়ে আছে৷ কিছুতেই দুর্বল হলে চলবে না নয়নিকার৷ ঘন্টা দুয়েকের মধ্যেই যেন সব ওলটপালট হয়ে যাচ্ছে ওর৷ এই মানসিক দ্বন্দ্বকে নিয়েই বোধহয় কবিরা তাদের কাব্যে প্রথম দর্শনে প্রেম বলে অনেক লাইন লিখে ফেলেছেন৷

    ফোনে বাবার নাম উঠছে৷ বেড়াতে এসেও একটুও শান্তি নেই৷ দিনে চারবার বাবা, তিনবার মা ফোন করেই চলেছে৷ দমদমের ছেলের বাড়ি থেকে ফোন এসেছিল৷ ওরা সোমবার দেখতে আসছে রে৷ বেশি রোদে রোদে ঘুরিস না৷

    উফ, দমটা বন্ধ হয়ে আসতে চায় নয়নের৷ এত পরাধীনতার বেড়া জালে আবদ্ধ হয়ে বেঁচে থাকার নাম কি বাঁচা? প্রশ্নগুলো গুমরে মরছে৷

    পাঁচ জন বান্ধবীর এখনও ফেরার নাম নেই৷ রিক্তা বেড়াতে এসেও গল্পের বইয়ে মনোনিবেশ করে৷ ও হোটেলের বাইরেই বেরোয় নি৷

    ধুর বাবা! তখন প্লাবনকে বললেই হত, যে বিকেল চারটের দিকে একবার আসতে৷ একসাথে একদিন ঘুরলে কি প্রেম হয়ে যায়?

    কি সব আদি জামানার ভাবনার মধ্যেই রয়ে গেছে নয়নিকা! এখন গোটা বিকেল ভুলপথে গোলকধাঁধার মতো ঘুরে বেড়ানো ছাড়া আর কি বা করার আছে নয়নের!

    নামচি বাজারের দিকেই ঘুরবে বিকেলটা৷ শেয়ারের গাড়ি পেলে মন্দ হয় না৷ ওর সমস্ত স্বাধীনতার উড়ন্ত পতাকার দড়িটা সব সময় থাকে বাবার হাতে৷ বাবা টান দিলেই স্বাধীনতা পরিবর্তিত হয়ে যায় বিপরীত শব্দে৷

    তাই উড়তে গেলেও ডানা ঝাপটানোর মতোই লাগে নয়নের৷

    এখানে সূর্য তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতে পছন্দ করে৷ তাই চারটে বাজতে না বাজতেই বিরহী প্রিয়ার কাছে যাবে বলেই প্রখরতা কমাতে শুরু করেছে৷ রচনা হাতে গুচ্ছের শপিং ব্যাগ নিয়ে হোটেলে ঢুকলো৷ নয়নিকা আলতো করে জিজ্ঞেস করলো, তোরা কি আর বেরোবি?

    উত্তরটা যে না আসবে সে ব্যাপারে ও নিশ্চিত ছিলই৷

    হোটেলের রুম থেকে বেরিয়ে উঁচু নিচু রাস্তায় পা দিতেই পাশ থেকে স্বল্প পরিচিত স্বরে কেউ বলে উঠলো, জানতাম একাই বেরোবেন৷ সকলের সঙ্গ সকলের জন্য নয়৷

    নয়নিকার মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল, ও মুখে না বললেও প্লাবনকে দেখতে পেয়ে বেশ খুশিই হয়েছে৷

    কথাটাতে গুরুত্ব না দিয়ে নয়ন বললো, ফ্যামেলি নিয়ে বেড়াতে আসেননি? একাই এসেছেন বুঝি?

    একদম একা৷ তবে এবারেরটা ঠিক বেড়ানো নয়, একটা কাজও ছিল৷ ওই রথ দেখা কলা বেচা দুই আরকি!

    বাড়িতে স্ত্রীকে রেখে এলেন যে, তো তিনি রাগ করেন নি?

    না না রাগ করবেন কেন?

    স্ত্রী মানেই কি মুখরা, ঝগরুটে?

    কখনো কখনো তো মেয়েরা অনেক চেষ্টা করেও নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতেও নারাজ থাকে৷ সকলে কি আর মুখরা হয়?

    তবে মাঝে মাঝে মুখরা বউকে বেশ ভালোই লাগে৷

    বুকের মধ্যে অজানা ব্যথার চিনচিনটা হওয়ার সঠিক কারণটা হয়তো বুঝতেই পারছে না নয়ন৷ প্লাবন বিবাহিত জেনে ওর রিয়াক্ট করার কি আছে?

    পরক্ষণেই দুম করে বলে বসলো, আপনার বউ যদি জানতে পারে আপনি আমার সাথে ঘুরছেন, তখন?

    প্লাবন হেসে উত্তর দিলো, কি আর হবে? আমি না হয় বলবো, পেলিং-এ এসে একটা আকাশপরির সাথে দেখা হয় গিয়েছিলো! পরিপূর্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে প্লাবন৷ কিন্তু এর সেই ভালোলাগাটা ছুঁয়ে যাচ্ছে না নয়নের মনকে৷ বরং খারাপ লাগা এসে জড়ো হচ্ছে ওর মনে৷

    অন্যের স্বামীর সাথে এভাবে …

    আচ্ছা প্লাবন বাবু, আপনি পেশায় কি?

    প্লাবন বললো, ধুরধুর বাবু বসালেই বয়সটা নিমেষে সেই বঙ্কিমচন্দ্রের আমলে চলে যায়৷

    ওটা বাদ দিয়ে শুধু প্লাবন করা যায় কিনা ভাবলে ভালো হত৷

    তবে বন্ধু হিসাবে বেশ প্রাণবন্ত মানুষ প্লাবন৷ তাছাড়া ও কোনো খারাপ কথাও তো বলেনি এখনো পর্যন্ত৷ ওকে নিয়ে যত ভাবনা সেগুলো তো একান্তভাবেই নয়নের৷

    ওরই বারবার মনে হচ্ছে প্লাবন যেন কিছু বলতে চায় ওকে৷

    পাহাড়ের কোলে সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বলে উঠলো৷ দুজনেই পাশাপাশি দাঁড়িয়ে দেখলো সন্ধ্যে নামাটা৷

    প্লাবন বললো, আমি কালই কলকাতা ফিরে যাচ্ছি৷ আপনি তো আর কয়েকঘন্টা বেশি পাচ্ছেন পাহাড়কে৷ এই বাড়তি সময়টা আরেকটু আদর করে কাছে ডেকে নেবেন এদের৷ একরাশ বিষণ্ণতা জড়িয়ে ধরছে নয়নকে৷ কেন যে এই মনখারাপ? কে জানে?

    ফেরার পথে চিকেন মোমো খাওয়ার সময় প্লাবন বলে উঠলো, আস্তে… স্যুপটা ভীষণ গরম৷ জিভ পুড়ে যাবে কিন্তু৷

    এই আলতো যত্নটা পেয়েই ভালো লাগায় ভরে উঠলো নয়নের মন৷ স্বল্প পরিচিতকে যে এতটা কেয়ার করতে পারে, সে নিজের পরিবারকে তো… ভাবনার জাল ছিন্ন হলো প্লাবনের কথায়৷

    ছোটোবেলায় মা মরা ছেলেরা ভালোবাসার কাঙাল হয়৷ তাই না নয়নিকা? কেউ একটু মিষ্টি মুখে কথা বললেই আপন করে নেয় তাকে৷

    নয়ন শুনেছে মাত্র ছয় বছরে মা মারা গিয়েছিল প্লাবনের৷ বাবার কাছেই মানুষ৷

    যার যার গন্তব্যে ফেরার সময় হয়ে গেছে৷

    ভালোই হলো, প্লাবন বিবাহিত জেনে ওর মনের সুপ্ত আশাটা ভ্রূণেই মারা গেল৷ নাহলে হয়তো বাড়ি গিয়ে বাবার সামনে দাঁড়িয়ে বলতেই পারতো না, বাবা আমি তোমার পছন্দের নয় আমার পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করতে চাই৷

    প্লাবন বললো, তবে ম্যাডাম একটা কথা… আপনার সামনেই বিয়ে৷ আমার কিন্তু নিমন্ত্রণ চাই..ই৷

    ধীরে ধীরে কুয়াশা ঘেরা রাস্তায় মিলিয়ে গেল প্লাবন৷ হোটেলের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ওর চলে যাওয়া দেখলো নয়নিকা৷

    ফোনে লোড করে নিয়েছে প্লাবনের নাম্বার৷ বিয়ের নিমন্ত্রণ করতে হবে বলে নিজেই যেচে নাম্বার দিয়েছে প্লাবন৷

    পরের দিন আর হোটেল থেকেই বেরোতে ইচ্ছে করলো না নয়নের৷ ধুর গোটা রাবাংলাটা বড্ড নিশ্চুপ হয়ে গেছে একজনের অনুপস্থিতিতে৷

    বাড়ি ফিরে এসেছে৷

    হোস্টেল থেকে গোছগাছ করে পার্মানেন্টলি বাড়ি৷ পরীক্ষার পরেও হোস্টেলে থাকার কারণটাই ছিল,সবাই মিলে একটা টুর৷

    এখন মনে হচ্ছে না গেলেই হতো৷ ধুর…ফেরার পর থেকেই মনের মধ্যে নানারকম অনুভূতির আনাগোনা শুরু হয়েছে নয়নের৷

    এদিকে বাড়িতে বেশ হইচই চলছে৷ পাত্রপক্ষের নাকি ওই এডিট করা ছবি দেখে খুব পছন্দ হয়েছে নয়নিকাকে৷ যদিও নয়ন ধরেই রেখেছে, সামনে ওকে দেখে একই ভাবে ওরা বলবে, আপনাদের মেয়ের গায়ের রংটা কিন্তু চাপা৷ ছবিতে বোঝা যাচ্ছিল না৷ মা বিনয়ী হয়ে বলবে, পড়াশোনার চাপ, রোদে ঘোরে.. বিয়ের পর যত্নে থাকলে ও রং খুলতে সময় নেবে না৷

    তারা থালা থালা মিষ্টি খেয়ে, বাড়ি গিয়ে জানাবো বলে, আর ফোন করবে না৷

    তবে এবার নয়ন ঠিক করেই নিয়েছে, নয়ন পরিষ্কার বলবে… যে ছবিটা কম্পিউটারের ক্যারামতি৷

    যদিও তারপরে বাবা মায়ের কাছে চূড়ান্ত অপমান করবে ,তবুও৷

    মায়ের আনা হলুদটা না মেখেই স্নান সেরে নিল নয়ন৷

    বিকেলে মায়ের পছন্দের লাল শাড়িটা সরিয়ে রেখে হালকা সবুজে জড়িয়ে নিলো নিজেকে৷

    পাত্রের সামনে সঙের মতো বসে থাকাটা বড্ড অপমানের৷

    চায়ের ট্রে হাতে ঘরে ঢুকতেই ছলকে উঠলো চা-টা৷

    ও কি ঠিক দেখছে?

    সত্যিই সাদা টি-শার্ট পরে ওটা কি প্লাবন?

    কিন্তু ও আজ এখানে?

    মা পরিচয় করিয়ে দিল, এই হচ্ছে আমার মেয়ে নয়নিকা৷ জিওগ্রাফি নিয়ে পড়ছিল৷

    এ হলো প্লাবন৷ পেশায় ইঞ্জিনিয়ার৷

    চোখের সামনে সব ধোঁয়াশা হয়ে যাচ্ছে৷

    প্লাবন বললো, ম্যাডাম … সাবধানে৷ গরম চা-টা গায়ে পরে যাবে যে৷ একটু আস্তে করে বললো, অসাবধানে চলার অভ্যাসটা কি ছোটো থেকেই৷

    নয়নিকা কটমট করে তাকিয়ে আছে ওর দিকে৷

    প্লাবনের বাবা আর বড়ো পিসি বিভিন্ন আলোচনায় ব্যস্ত৷

    মিথ্যে পরিচয় দেওয়াটা কি জরুরি ছিল?

    কোনটা মিথ্যে ম্যাডাম?

    আপনি বিবাহিত বলেছিলেন যে৷

    না ম্যাডাম আপনার বোঝার ভুল, আমি শুধু বলেছিলাম… মুখরা স্ত্রীও মন্দ লাগে না৷ আপনি ধরেই নিলেন, আমি বিবাহিত!

    নয়নিকা বললো, ভুলটা ভাঙাতে পারতেন!

    প্লাবন হাসি মুখে বললো, কিছু ভুল থাক না, তবেই তো পাগলামি জমে বেশি৷

    আপনি কি করে জানলেন আমরা রাবাংলা যাচ্ছি? পিছু নিয়েছিলেন?

    আমতা আমতা করে প্লাবন বললো, এতে আমার কোনো দোষ নেই৷ আপনার নিজের বাবা আপনাকে বিশ্বাস করে না৷ তাই আমাকে আপনার হোটেলের অ্যাড্রেস, আপনার ছবি দিয়ে বলেছিলেন, পারলে তুমিও ঘুরে আসতে পারো প্লাবন৷ মেয়েটা খুব আনমনা…

    আমিও দুটো ব্যতিক্রমী চোখের টানে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে তৎকালে টিকিট কেটে চললাম রাবাংলা৷

    নয়নিকা বললো, গিয়ে কি দেখলেন?

    কি আর দেখবো, আপনি একজন বিবাহিত মানুষের প্রেমে পড়েছেন!

    লজ্জায় মাথা নিচু করলো নয়নিকা৷ বাবা বোধহয় ঠিকই করেছিল,প্লাবনকে ওখানে পাঠিয়ে৷

    আস্তে আস্তে ফিসফিস করে প্লাবন বললো, তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে৷

    হঠাৎ ‘তুমিতে’ নয়নের গালে একগুচ্ছ কৃষ্ণচূড়া এসে ভিড় জমালো৷

    বিয়ের ডেটটা ফাইনাল হয়ে গেছে ওদের৷

    ফেরার সময় প্লাবন একটা সুন্দর অ্যালবাম গিফট করে গেছে ওকে৷ এখনো দেখার সময় পায়নি নয়ন৷ সন্ধ্যেবেলা অ্যালবাম খুলতেই চোখে পড়লো, ওর বিভিন্ন অ্যাঙ্গেলে ছবি৷ পিছনে বিশাল বুদ্ধমূর্তিটাও রয়েছে৷

    নিজের ছবি এমন ভাবে যায় প্রথম দেখলো নয়ন৷

    অনেক যত্ন করে কেউ তুলেছে এগুলো৷

    অনেক খুঁজে সেই চিরকুটটা বের করলো নয়ন৷ নাম্বারটা ডায়াল করলো… শেষেরটা নয় দিয়েই করলো৷ সেভ করা আছে ফোনে… প্লাবন রায়৷

    ইস… একবারও আগে দেখেনি নয়নিকা৷ ফোনটা ধরেই প্লাবন বললো, বলুন ম্যাডাম … হঠাৎ ফটোগ্রাফারের খোঁজ কেন? বিয়েতে ছবি তুলতে হবে বুঝি?

    নয়নিকা বললো, না স্যার বিয়েতে নয়, হানিমুনের ছবি তুলতে হবে৷ পারবেন কি?

    রেটটা একটু বেশি নেবো…মানে …

    ইস, এই ছেলের মুখে কিছুই আটকাবে না জানে নয়নিকা৷

    প্লাবন বললো, বলেছিলাম না মৈত্র বাড়ির প্রথম মেম্বার হবে তুমি, যে প্রেম করেই বিয়ে করবে৷

    আশ্চর্য! এটা আবার তুমি কখন বললে? নয়নের গলায় কপট রাগ৷

    প্লাবন বললো, আরে আগে বলিনি তো কি হয়েছে, এখন বললাম৷

    এবার শোনো হানিমুনের ছবিতে তোমার …

    তুমি থামো বদমাশ…

    বলেই ফোনটা কেটে দিয়েছে নয়নিকা৷

    হঠাৎ মনে হলো, ভাগ্যিস ও শ্যামলা হয়েছিল৷ ভাগ্যিস ওকে আগে এই রঙের জন্য আরো কয়েকজন পাত্র ক্যানসেল করেছিল৷

    হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ ঢুকলো…

    ভাগ্যিস…তোমাকে আমি ওই পাহাড়ের কোলে দেখেছিলাম নয়নিকা৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }