Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ফিসফিস

    কেমন যেন একটা অস্বস্তি হচ্ছে শুভেন্দুর৷ অনেক চেষ্টা করেও ওর প্রিয় দোকানের স্পেশাল বিরিয়ানিটা কিছুতেই গলা দিয়ে নামছে না যেন৷ কোথাও একটা ছোটো কাঁটা খোঁচা দিয়েই চলেছে৷

    দুটো অবয়বের ছবির অবিরাম আনাগোনাই দৃষ্টিপথকে বাধা দিয়ে চলেছে৷ মৌসুমী আর ওর পরিবারের সকলেই দারুণ মুডে আছে আজ৷ মৌসুমী সকলকে গর্ব করে বলছে, আমার পাগলটা আজ সি.ই.ও হয়েছে৷ ভাবা যায়! এমন একটা প্রমোশন এত কম বয়সে?

    মৌসুমীর আদরের ডাকগুলো আজ সব পাবলিক হতে বসেছে আনন্দের চোটে৷

    মৌসুমীর বাবা, মা আত্মীয়রা জামাইয়ের উন্নতিতে আপ্লুত৷

    ছোট্ট রেহানকে নানা রকম চকলেট গিফট করছে পার্টিতে আসা মানুষগুলো৷ হ্যাঁ, আজ হাবির প্রোমোশনের আনন্দে একটা পার্টি থ্রো করেছে মৌসুমী৷ গোটা ব্যাপারটা ওই সামলে নিয়েছে৷ এত সুন্দর এরেজমেন্ট করেছে মৌসুমী, যে শুভেন্দু বিকেলে বলছিলো, তোমাকে আমাদের কোম্পানির ককটেল পার্টির অ্যারেজমেন্ট-এর দায়িত্ব দিলে তো তুমি ফাটিয়ে দেবে গো৷ স্বামীর প্রশংসায় মৌসুমীর ফর্সা গালে আবিরের ছোপ৷ ওদের প্রেমটা বিয়ের আগের বছর দুয়েক অতিক্রম করে বিয়ের প্রায় ছয় বছর হয়ে কাটিয়ে দিয়েছে গতানুগতিক নিয়মে৷

    মৌসুমী জানে শুভেন্দুর উন্নতির পিছনে ওর অবদান ঠিক কতটা৷ শুভেন্দুর ওই ছাপোষা মধ্যবিত্ত মানসিকতা থেকে ওকে বের করে আনতে কম খাটতে হয়নি মৌসুমীকে৷ প্রথমে তো উত্তর কলকাতার ওই পুরোনো ভাড়া বাড়ির থেকে আজকের এই অবস্থায় তুলে আনতে কম সাধ্যসাধনা করতে হয়নি মৌসুমীকে৷ আসার পরেও শিকড়ের গায়ে লেগে থাকা মাটি ধুতে ধুতে একসময় হাঁপিয়ে যেতো মৌসুমী৷ তাও হাল ছাড়ে নি৷ রবিবারের ছুটির রাতগুলো বাবা-মায়ের কাছে কাটানোর জন্য কি ব্যাকুলতা ছিল শুভর৷ উফ, রবিবার বাড়িতে স্পেশাল ডিস বানিয়ে, বন্ধুদের ডেকে তাস ক্যারামের আড্ডা বসিয়ে তবেই ওই বাড়িতে যাওয়া বন্ধ করতে পেরেছে৷

    ধুর! ব্রিলিয়ান্ট মানুষগুলো যখন ফালতু সেন্টিমেন্টকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে তখন তাদের বোঝানো যে কতটা কঠিন সেটা একমাত্র মৌসুমীই জানে৷

    শুভেন্দুর বাবা ভোলানাথ দত্ত রিটায়ার্ড মানুষ৷ আর্মিতে কাজ করেছেন৷ সারাজীবনই তিনি বাইরে বাইরেই কাটিয়েছেন৷ মা সাদামাটা গৃহবধূ৷ একমাত্র সন্তান শুভেন্দুর মুখের দিকে তাকিয়ে বেঁচে থাকা একটা মানুষ৷ রমলা দেবীর প্রথম সন্তান মাত্র ছয় মাসে মারা যাওয়ায় শুভেন্দুর ওপর ভয়, আতংক, দুশ্চিন্তা নিয়ে অতি সাবধানতা আছড়ে পড়েছিলো যেন৷

    শুভেন্দুও ভাবতে শুরু করেছিল, মায়ের কথাই হলো বেদ বাক্য৷ মা কিছু বললে, শুভেন্দুর যুক্তি বুদ্ধি তখন কাজ করতো না৷ অথচ ওই স্বল্প ভাষী মহিলা যে ঠিক কি চায় সেটা মৌসুমীর থেকে ভালো আর কে জানে?

    রঞ্জনা আর ওর হাজবেন্ড মিস্টার গুপ্তা ঢুকলেন মৌসুমীদের ফ্ল্যাটে৷

    রঞ্জনা নিজেকে শ্রেষ্ঠ ইন্টিরিয়ার ডেকোরেটর মনে করে৷ কারোর ফ্ল্যাটে ঢুকেই মিষ্টি হেসে বলে, এহে… এই টিউলিপ ঝাড়টা ঘরের কর্নারে রেখেছো কেন? ফ্রন্টে রাখো অথচ মনে হবে কর্নারে৷

    এমন ধরনের হালকা উপদেশ ও দিয়েই থাকে এই ধরনের ঘরোয়া পার্টিতে৷

    মৌসুমী অপেক্ষায় ছিল, কতক্ষণে ওর ঘর সাজানোর খুঁত ধরবে?

    হঠাৎ রঞ্জনা বলে উঠল, বাহ মৌসুমী তোমার ব্যালকনির কাটিং প্লান্টগুলো কিন্তু জাস্ট অসাম৷

    অন্যের প্রশংসা করতে যাদের কষ্ট হয় এমন মানুষদের কাছে সেটা পেলে বেশ অপ্রত্যাশিত আনন্দ হয়৷ মৌসুমীও শুভেন্দুর কানে কানে ফিসফিস করে বললো, দেখো দেখো মিসেস গুপ্তাও তোমার বউ-এর গুনের প্রশংসা করছে৷ ক্লান্ত হাসলো শুভেন্দু৷ আসলে এই লোক দেখানো প্রতিযোগিতার থেকে আনন্দটা গ্রহণ করতে আজও অক্ষম শুভেন্দু৷ রেহান এসে গুটি গুটি পায়ে বললো, পাপা তোমার কি মন খারাপ?

    শুভেন্দু ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে বললো, কি করে বুঝলি?

    রেহান তার ক্ষুদ্র বুদ্ধি দিয়ে বললো, ওই যে তুমি আজ পায়চারি না করে এক জায়গায় চুপটি করে বসে আছো, তাই!

    এই স্বভাবটা শুভেন্দু পেয়েছিল তার বাবা ভোলানাথ দত্তর কাছ থেকে৷ বাড়িতে অতিথি আসবে শুনলেই বাবার পায়চারি বেড়ে যেত৷ ঘনঘন রান্নাঘরে যেত আর দরজার বাইরে থেকে মাকে জিজ্ঞেস করতো, কি গো তোমার আর কতদূর৷ আরে দাদা-বৌদিরা যে এসে পড়বে!

    শেষে আসানসোলের জ্যেঠু-জেঠিমা এসে বাবাকে বলতো, ভোলা তুই এবার একটু শান্ত হয়ে বোস৷ আমাদের যত্ন রমলা কিছু কম করবে না৷ বাবার ওই অস্থির হওয়ার স্বভাবটা নিয়ে মা মাঝে মাঝে মজা করে বলতো, হ্যাঁ গো যখন বর্ডারে শত্রুর সাথে তুমি যুদ্ধ করতে তখন কি শত্রুরা আসার আগেই গুলি ছুঁড়তে? নাকি পায়চারি করতে কখন শত্রু আসবে বলে৷ শুভেন্দু মায়ের মজায় হেসে গড়িয়ে পড়তো৷

    বাবা তখন ওর মাথায় চাটি মেরে বলতো, চুপ কর মায়ের চামচা৷

    একটা ক্রিকেট ব্যাট এনেছিলাম তোর জন্য৷ কিন্তু মায়ের ফরে কথা বললি বলে, ওটা আমি পাঁচুর ছেলেকে দিয়ে দেব৷ শুভর তখন করুণ অবস্থা৷ একবার মায়ের দিকে তাকাত, আরেকবার বাবার দিকে৷ শেষে মা বলতো, আমার মানিকের ব্যাট কেউ অন্য কাউকে দিয়ে দেখুক দেখি! তার আজ দুপুরে মাংসের ঝোল বন্ধ৷

    বাবা নিরুপায় মুখ করে বলতো, বেশ বেশ ব্যাট-বল শুভকেই দিচ্ছি৷ মায়ের আদুরে বাঁদর একটা৷

    বাবা মায়ের ওই ছোট্ট ছোট্ট আনন্দগুলোকে আজ বড়ো মিস করে শুভেন্দু৷ ইদানিং মানিওর্ডারের টাকাটাও রিটার্ন আসছে শুভেন্দুর অ্যাকাউন্টে৷

    ভোলানাথ দত্ত-এর নামটা ভোলানাথ হলেও তিনি অপমানের জ্বালাটা মনে রেখেছেন ভালো করেই৷

    রেহান আবার বললো, পাপা তুমি চকলেট আইসক্রিম খাবে? আমি খেয়েছি৷ দারুন৷

    ঘাড় নেড়ে ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে শুভ বললো, আমি দুধ মালাই খেতে খুব ভালোবাসতাম জানিস রেহান৷

    আইসক্রিমের বাক্স মাথায় বিশে দাদু প্যাঁক প্যাঁক হর্ন বাজিয়ে যেত আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে৷ আমি মায়ের আঁচলে বাঁধা খুচরো আট আনা নিয়ে ছুটতাম৷ তারপর চুষে চুষে খেতাম ওই কাঠি লাগানো সাদা রঙের আইসক্রিম৷

    রেহান কৌতুহল নিয়ে বড়ো বড়ো চোখ করে তাকিয়ে আছে পাপার দিকে৷ হাঁ করে গিলছে পাপার ছোটোবেলার গল্প৷ মনের মধ্যে প্রশ্ন একটাই… তারমানে পাপাও একদিন ছোট ছিলো!

    মৌসুমী বিরক্ত মুখে বললো, তোমার প্রোমোশনের জন্য পার্টি, তোমার ফ্ল্যাটে পার্টি হচ্ছে৷ অথচ আনসোশ্যালের মতো এক কোণে মনমরা হয়ে বসে আছো! এভাবে সকলের সামনে আমাকে ছোটো করতে তোমার লজ্জা করছে না শুভ৷ অপ্রস্তুত মুখে শুভেন্দু বললো, বলো কি করতে হবে ?

    মৌসুমী বললো সকলের সাথে কথা বলো৷

    সংসারের শান্তি বজায় রাখতে গেলে কিছু কিছু বাধ্যবাধকতা বোধহয় থেকেই যায়৷ শুভেন্দুও বিতর্ক এড়াতে সকলের সাথে হাসি মুখে কথা বলতে লাগলো৷ বুকের ভিতরের রক্তক্ষরণটা বাইরে আসতে দিলো না কিছুতেই৷

    গত ছয় বছর ধরে ক্ষতটাকে মলম লাগিয়েও একটু সারাতে পারেনি শুভেন্দু৷ তবে পুরুষ মানুষ কাঁদলে বড্ড অপদার্থ লাগে৷ সকলেই শুভেন্দুর এই উন্নতির জন্য প্রশংসায় পঞ্চমুখ৷ তবে শুভেন্দু জানে এদের মধ্যে বেশিরভাগই মনে মনে হিংসা করছে৷ এই লোক দেখানো আশীর্বাদে আর যাইহোক শুভেন্দুর মনের তৃপ্তি আসা সম্ভব নয়৷

    যেদিন প্রথম এই চাকরির পরীক্ষায় পাশ করেছিলো ও সেদিন মা লুকিয়ে গিয়েছিলো কালীঘাটে৷ ওখানের পূজার ফুল নিয়ে এসে আলতো করে মাথায় বুলিয়ে বিজবিজ করে কিছু একটা বলেছিলো৷ না, আদৌ শুনতে পায়নি শুভ মায়ের বলা কথাগুলো, শুধু বুঝেছিলো মা মন থেকে সমস্ত দিয়ে ভালো চাইছে শুভর৷

    সেই মনপ্রাণ দিয়ে বিনাস্বার্থে মঙ্গলকামনা করার মতো কেউ নেই এই পার্টিতে৷

    এত বড়ো ফ্ল্যাটে কিছুতেই ভোলানাথ দত্ত আর রমলা দত্তর জায়গা হয়নি৷ মৌসুমী বলে, প্রাইভেসি নষ্ট হয়ে যায়৷ সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়৷ দূরে দূরেই ভালো৷ কে জানে, কি ভালো! ওই বছরের দুটো দিন নিজের জন্মস্থানে নিজের মায়ের কাছে অতিথির মতো আতিথেয়তা নিতে যেতে মোটেই ভালো লাগে না শুভেন্দুর৷

    মা যেন তটস্থ হয়ে শুভেন্দুদের যত্ন করে৷ বাবা পায়চারি করে, ছেলে, বৌমা, নাতির কোনো অযত্ন যেন না হয়৷ নিজের পেনশনের টাকায় সাধ্যের বাইরে গিয়েও বাজার করে নিয়ে আসে৷ মা হাঁটুর ব্যথা নিয়ে সব রান্না করে৷ আর শুভেন্দু-মৌসুমী গিয়ে বিজয়ার দিনে প্রনাম সেরে আসে৷ না, বাবা মা কোনো দিন তাদের শরীর খারাপের খবর জানায় না শুভেন্দুকে৷

    শুধু শুভেন্দুর জন্মদিনের দিন মা নিজের হাতে পায়েস বানিয়ে, সকালবেলা বাবাকে সঙ্গে নিয়ে ওর ফ্ল্যাটে এসে ওকে আশীর্বাদ করে যায়৷ কলকাতার দুটো প্রান্তে বাস করেও যেন কয়েক যোজন দূরত্ব ওদের মধ্যে৷ একটা হিমশীতল প্রাচীর তুলে রেখেছে বাবা-মা, সেখানে আজ আর শুভেন্দু চেষ্টা করেও ঢুকতে পারে না৷

    শুভেন্দু একদিন অফিস থেকে ও বাড়ি গিয়েছিলো৷

    বাবা কড়া গলায় বলেছিল, বউমাকে না জানিয়ে কখনো এ বাড়িতে আসবে না শুভ৷ পরে এ নিয়ে অশান্তি হোক সেটা আমরা চাই না৷ তোমার কোনো ক্ষতি আমরা চাই না৷

    পার্টির দুর্দান্ত মেনু, মৌসুমীর রুচিবোধ নিয়ে সকলে ভূয়সী প্রশংসা করে ফিরে গেছে অনেকক্ষণ৷

    শুভ বললো, মৌ… বাবা-মাকে জানালে না কেন, আমার প্রোমোশনের খবরটা?

    মৌসুমী আদুরে মুখে বললো, আর কবে মানুষ হবে সোনা?

    প্রমোশন মানে কি শুধুই উঁচু পোস্ট? সাথে তো তোমার স্যালারিও বাড়বে৷ বাবা মাকে এখন সাত দিচ্ছ৷ এরপরে প্রমোশনের খবর পেলে ওটা চোদ্দো হয়ে যাবে হয়তো৷

    বুকের ভিতরটা কষ্টে নীল হয়ে গেলো শুভেন্দুর৷ এই মেয়েটাকেই একদিন ভালোবেসেছিল ও৷ একে দেখেই মনে হয়েছিলো, স্বর্গীয় উদারতা আছে মেয়েটার চোখ দুটোতে! সত্যি, নিজের মানুষ চেনার ক্ষমতার ওপর আরেকবার ধিক্কার জানালো ও৷

    আর ইচ্ছে করছিলো না বলতে, যে মৌ ভোলানাথ দত্ত মধ্যবিত্ত হতে পারে,বড়ো বাড়ির মালিক না হতে পারে, নাতির অন্নপ্রাসনে একভরি সোনার হার গিফট না করতে পারে কিন্তু আত্মসম্মানটা তার মারাত্মক৷ যবে থেকে ওই বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছি আমরা, যখন থেকে আমি অতিথির মতো ব্যবহার করতে শুরু করেছি, তবে থেকেই আমার পাঠানো টাকা নির্দিষ্ট ডেটে অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার হয় আবার ফেরত আসে ঠিক তিনদিন পরেই৷ না কোনো মাসে অন্যথা হয়নি এর৷ কোনো কথা না বলে ফেরত পাঠায় বাবা৷

    মা-কে জিজ্ঞেস করতে গেলে বলেছিল, যদি তেমন দরকার পড়ে তাহলে তোরা তো রইলি৷

    ‘রইলি’ কথাটার মধ্যেই ছিল দূরে সরিয়ে দেবার ইঙ্গিত৷

    কারণটা অবশ্য বাবা-মা কোনোদিনই বলে নি৷ কেন শুভেন্দুকে এতটা পর করে দিলো ওরা৷ তবে শুভেন্দুর দৃঢ় বিশ্বাস মৌসুমী এমন কিছু বলেছিলো যে কারণে …

    না হলে রাসবিহারীর এই ফ্ল্যাটটা নেওয়ার সময় বাবার উৎসাহ চোখে পড়ার মতো ছিল৷

    এমনকী এই ফ্ল্যাট পছন্দের সময় মা বলেছিল, হ্যাঁরে শুভ ব্যালকনি থাকবে তো? আমি কিন্তু তোদের সাজানো টবের পাশে একটা ছোট্ট তুলসী গাছ রাখবো৷ তোরা যতই ব্যাকডেটেড বল না কেন!

    সারাজীবন ভাড়া বাড়িতে থাকার পর প্রথম নিজেদের বাড়িতে উঠে আসার উত্তেজনাটাই ছিলো আলাদা৷ তারপরই হঠাৎ করে মা ব্যাগ গোছানো বন্ধ করে উদাস চোখে বলেছিলো, শুভ তোরাই যা ওই ফ্ল্যাটে৷ এত বছরের সংসার ছেড়ে যেতে পারবো না রে৷ শুভ রাগ করেছিলো, অভিমান করেছিলো৷ বাবা নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিলো, আর মা ওদের সংসারটা গুছিয়ে দিতে সাহায্য করে যাচ্ছিলো৷ ভোলানাথ দত্ত কোনোদিনই খুব সংসারী ছিলেন না৷ বাড়ি করবো, গাড়ি কিনবো এসব ভাবনা থেকে শতহস্ত দূরে থেকেছেন চিরকাল৷ শুধু জলের মতো টাকা খরচ করেছিলেন, শুভেন্দুকে মানুষ করতে৷ ওখানে কোনো কার্পণ্য ছিলো না৷

    তারপর মা প্রায় জোর করে ওদের পাঠিয়ে দিয়েছিলো নতুন কেনা ফ্ল্যাটে৷ চলে আসার দিনও মা কপালে হাত ঠেকিয়ে ফিসফিস কিছু বলেছিলো৷

    রেহানের জন্মের সময় মা বাবা এসে কয়েকদিন ছিলো এই ফ্ল্যাটে৷ কিন্তু মৌসুমী নার্সিংহোম থেকে ফিরেই দু-জন আয়া নিযুক্ত করতেই মায়েরা ফিরে গেলো বাড়িতে৷

    সেদিনও কিছু বলেনি মা৷ তবে শুভেন্দু জানতো নিশ্চয় মৌসুমী কিছু বলেছে৷

    এভাবেই কেটে গেলো অনেকগুলো বছর৷ ক্রমশ দুরত্ত্ব বেড়েছে… নিজের সন্তান হয়ে গেছে ক্ষণিকের অতিথি৷

    মৌসুমী বললো, দিনরাত অন্যমনস্ক হয়ে থাকার কিছু হয়নি৷ তোমার বাবা মা শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে নেই৷ যথেষ্ট শক্ত ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে বুঝলে?

    ইউনিভার্সিটির গাছের নিচের সেই দৃশ্যটা মনে পড়ে যাচ্ছে শুভেন্দুর৷ হাতের ওপরে হাত রেখে মৌসুমী বলেছিলো, শুভ তোমার বাবা-মা আমার নিজের বাবা মায়ের মতোই হবে৷ তাদেরও আমি সমান ভাবে ভালোবাসবো৷

    প্রেমের শেষ পর্বে যখন মৌকে নিয়ে মায়ের সামনে হাজির হয়েছিলো শুভেন্দু৷ মা ওদের দুজনকে পাশাপাশি দাঁড় করিয়ে বলেছিলো, তোদের দুজনকে খুব সুন্দর মানিয়েছে৷ যাক বাবা, আমাকে আর কষ্ট করে মেয়ে খুঁজতে হলো না৷

    বাবা বলেছিলো, তোমাদের বাড়িতে আমরা কবে যাবো মৌসুমী? শুভর চাকরি পাবার পরে, নাকি এখনই?

    ওকে সেদিনই নিজেদের বাড়ির মেম্বার করে নিয়েছিলো ভোলানাথ দত্ত আর রমলাদেবী৷ মা ইউনিভার্সিটি বেরোনোর সময় প্রায়ই একটা টিফিনবক্স হাতে ধরিয়ে বলতো, মেয়েটার জন্য একটু খাবার বানালাম …দিয়ে দিস কিন্তু৷

    মৌ সেইসব ভালোবাসাগুলো কি করে ভুলে গেলো এত তাড়াতাড়ি৷

    রাত থেকেই মৌয়ের হঠাৎ করেই পেটের ব্যাথাটা মারাত্মক বেড়েছে৷ আগে বার দুয়েক হয়েছিলো৷ বদহজম বলে ওষুধ খেয়ে চালিয়েছে ও৷ আজ মধ্যরাত থেকেই শুরু হয়েছে অসহ্য যন্ত্রনা৷

    পাশে ঘুমন্ত রেহান৷ কি করবে কিছুই বুঝতে পারছে না শুভেন্দু৷ আসলে অফিসের খুব গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট সামলালেও বাড়ির এসব সময় খুব হেলপ্লেস লাগে ওর৷ এইধরণের কিছু হলে সাধারণত বাবাই সামলাত আগে৷ এখন মৌসুমীই সব দিকটা দেখে৷ অসহায় লাগছিলো শুভেন্দুর৷

    এত রাতে পরিচিতদের ফোনে বিব্রত করাটা বড্ড খারাপ লাগে৷ নিরুপায় হয়েই বাবাকে ফোনটা করলো শুভ৷

    বাবা বেশি প্রশ্ন না করেই ফোনটা রেখে দিল৷

    অ্যাম্বুলেন্স-এর ভরসা না করেই নিজের গাড়ি করে নিয়ে যাবে ভাবছিলো শুভেন্দু৷

    ছটফট করছে মৌসুমী৷ রেহানকে কার কাছেই বা রেখে যাবে এত রাতে!

    ফোন করার ঠিক পঁয়তাল্লিশ মিনিটের মাথায় বাবা-মা দুজনেই হাজির ওদের ফ্ল্যাটে৷ মা বললো, দেরি না করে, তোরা বেরিয়ে পর, আমি থাকছি রেহানের কাছে৷

    নিশ্চিন্তের নিঃশ্বাস ফেলে মৌ-কে নিয়ে নার্সিংহোমের দিকে ছুটলো ওরা৷

    বাবা বারবার বলছিলো, মৌ চিন্তা করিস না৷ সব ঠিক হয়ে যাবে!

    মৌয়ের গল্ডব্লাডারে প্রবলেম ধরা পড়ল৷ অপারেশন না করলেও চলবে,তবে দীর্ঘদিন ওষুধ খেয়ে, খুব সাবধানে থাকতে হবে ওকে৷

    মৌসুমীর অসহায় চোখের দিকে তাকিয়ে বুকের ভিতরটা মুচড়ে উঠলো শুভেন্দুর৷ এক অদ্ভুত টানাপোড়েনে কেটে যাচ্ছিল ওর দিনগুলো৷ বাবা মায়ের প্রতি টান আবার মৌয়ের ভালোবাসা৷ মৌ শুভেন্দুকে যে ভীষণ ভালোবাসে সে ব্যাপারে নিশ্চিত ও৷ কিন্তু শুভেন্দুর শিকরটা উপড়ে এনে বাঁচিয়ে রাখতে চায় ওকে৷

    লোকে বলে, বিয়ের পরে মেয়েরাই নাকি অসহায় হয়ে পড়ে৷ শুধু কি মেয়েরা! শুভেন্দুর এই দোলাচলের নির্ঘুম রাতের সাক্ষী থাকে কেবল ওর ঘরের সিলিং৷ যে বলে, তুমি পুরুষ… তুমি শ্রষ্টা৷ তোমাকে ভেঙে পড়লে চলবে না৷ তোমাকে নোনতা জলেরাও সাহায্য করবে না কষ্ট কমাতে৷

    তিনদিন নার্সিংহোমে থেকে ফিরে এলো মৌ৷

    রেহানকে জড়িয়ে ধরে হাউহাউ করে কাঁদছিলো মৌ৷

    মুখে বলছিলো, নার্সিংহোমের বেডে শুয়ে শুধুই মনে হচ্ছিলো, আমি যদি না ফিরি তাহলে কি হবে তোর?

    তুই মা-কে ছাড়া কি করে থাকবি?

    রেহান আলটপকা বলে বসলো, কেন মা… পাপাও তো ঠাম্মাকে ছাড়াই থাকে!

    মৌ বড়ো বড়ো চোখে তাকালো মায়ের দিকে৷ আপনি এই দু-দিনেই ছেলেটার মাথায় এসব ঢুকিয়েছেন?

    ওই জন্যই বলেছিলাম, যদি নিজের ছেলের উন্নতি চান তো তার থেকে দূরে থাকুন৷ ভাগ্যিস সেদিন আবেগের বশে আপনাদের এই ফ্ল্যাটে নিয়ে এসে তুলিনি৷ তাহলে এতদিনে এই সংসার…

    শুভেন্দু বললো, তুমি এসব কি বলছো! তুমি বাবা মা-কে এসব বলেছিলে?

    মৌ তখন উগ্রমূর্তি ধারণ করেছে৷

    হ্যাঁ বলেছি৷ তোমার মা আমরা ওই বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ফিসফিস করে কীসব বলতো৷ আমাদের খারাপ চাইতো তোমার মা৷ আর সেই জন্যই আমি ওনাদের থেকে তোমাকে আলাদা করতে চেয়েছিলাম৷ তাই জন্যই আজ তোমার এত উন্নতি৷

    বাহ্যিক উন্নতিটাই চোখে পড়ে মৌয়ের, শুভেন্দুর ভিতরের ক্ষয়টা অগোচরেই থেকে গেল ওর!

    এভাবে মৌ শুভেন্দুর চোখে ধীরে ধীরে নিচু হয়ে যাচ্ছে, হারিয়ে ফেলছে নিজের সম্মান৷

    কিছুতেই বুঝবে না মৌ! শুভেন্দু সকলকে নিয়ে থাকতে চায়৷ দুজনেরই পৃথক জায়গা ওর মনে৷

    বাবা একপাশে চুপচাপ বসে ছিলো এতক্ষণ৷ এবার বললো, রমলা তুমি সারাজীবন কেউ বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ফিসফিস করে কি বলতে? আমিও কখনো জানতে চাইনি৷ আজ যখন বদনাম উঠলো তখন শুনতে চাই৷

    মা কোনো কথা না বলে, শাড়ি পরে রেডি হয়ে বলল, আর কখনো এ বাড়িতে আসবো না শুভ৷ তুইও আর যাস না৷

    শুভ বললো, মা আমি জানি তুমি আমাদের মঙ্গল কামনা করেই কিছু বলতে৷ সকলের সামনে বলে দাও না মা৷

    রমলাদেবী দৃঢ় গলায় বললেন,এই শেষ বয়সে এসে পরীক্ষা দিতে পারব না শুভ৷

    বেরিয়ে গেছে বাবা মা৷

    রেহান খেলছে নিজের মনে৷ মৌ সোফায় বসে টিভি দেখছে৷ শুভেন্দু খবরের কাগজ পড়ার বৃথা চেষ্টা করে চলেছে৷ আর মনে পড়ে যাচ্ছে প্রত্যেক পরীক্ষার আগে সেই মায়ের ফিসফিস করে বলার ভঙ্গিমাটা৷

    মৌ বলেছে, ওই বাড়ি থেকে ফেরার পর থেকেই নাকি শুভেন্দুর মনের ওপর প্রভাব পড়ে৷ সেটা নাকি মায়ের ওই গুনতুকের কথার জন্যই৷

    শুভ অপারগ৷ না বোঝাতে পারেনি মৌ-কে, যে বাপের বাড়ি থেকে ফেরার সময় ওর যেমন মন খারাপ করে, ঠিক তেমনি শুভেন্দুরও মনখারাপ করে৷

    মৌ অশিক্ষিতের মতো বলেই চললো, মা চায় আমার কাছ থেকে তোমাকে আলাদা করতে৷ তাই ফিসফিস করে কি যেন বলে তোমার মাথায় হাত দিয়ে৷

    রেহান তিনচাকার সাইকেলে চেপে ডাইনিংয়ে ঘুরতে ঘুরতেই আপন মনে বকেই চলেছে৷ হঠাৎ একটা অদ্ভুত কথা কানে এলো শুভেন্দুর৷

    ‘ভগবান আমার পরমায়ু ওকে দাও৷ ওর সব দুঃখ আমাকে দাও৷ জীবনের সব সাফল্য ওর হোক৷’ রেহানের আদো আদো কথায় পরিষ্কার হচ্ছিলো না কথাগুলো৷

    তবুও শুভেন্দু বার দুই জিজ্ঞেস করতেই রেহান বললো, ঠাম্মি সেদিন আমাকে স্কুল বাসে তোলার সময় বলছিলো৷ আমি সন্ধ্যেবেলা মায়ের জন্য কাঁদছিলাম তখন ঠাম্মি আবার বললো৷ ঠাম্মি বললো, আমার মা নাকি নার্সিংহোমে শুয়ে শুয়ে এগুলোই বলছে৷ আমি শুনতে পাচ্ছি না বলায় ঠাম্মি জোরে জোরে বললো৷ মানে হলো, ঠাম্মির যত বয়েস ততদিন আমি বাঁচবো…

    বাড়ির বাইরে থেকেই মায়ের সেই বিশেষ পালংশাক-এর ঘন্টটার গন্ধ পাচ্ছিল শুভেন্দু৷

    খুব ইচ্ছে করছিলো সেই আগের মতো মায়ের রান্না ঘরে ঢুকে মা-কে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরতে৷

    আজ আর বোধহয় সেটা হয় না৷

    শুভেন্দু বললো, মা… আমি তোমাদের কাছে সেই আগের মতো থাকতে চাই৷ থাকতে দেবে না আমায়?

    মা মাথায় হাত বুলিয়ে বললো, ধুর পাগল, ছেলে বড়ো হলে মায়ের কাজ কমে৷ ঝক্কি কমে৷ নিশ্চিন্তে ঈশ্বরের নাম করার দিন আসে৷ তুই এখন সংসারী৷ রেহান আর মৌ আছে৷ তাদের দায়িত্ব তোর৷ তুই ফিরে যা শুভেন্দু৷

    আমাদের তোকে ছাড়া থাকার অভ্যাস হয়ে গেছে রে৷ কিন্তু রেহান আর মৌ তোকে ছাড়া থাকতে পারবে না৷

    রান্নাঘরের জানালার বাইরে দাঁড়িয়ে মৌসুমী শুনলো তার শ্বাশুড়ীর গুনতুকের ভাষা৷ লজ্জায় নিজের কাছেই নিজে ছোটো হয়ে যাচ্ছিলো ও৷ তবে মানুষটাকে যেটুকু চিনেছে তাতে জানে এত সহজে এই পাথরসম অভিমান ভাঙবে না৷ এই অভিমানকে ওকেই ভাঙতে হবে, মেয়ে হয়ে… বউমা হয়ে নয়৷ ভুলের পাহাড় জমেছিলো এতদিন, কম কথা বলা মানুষটার সম্পর্কে৷

    আজ আর এই বাড়িতে ঢুকে ক্ষমা চাওয়ার মুখটাও নেই মৌয়ের৷ ধীরে ধীরে গাড়িতে গিয়ে বসলো ও৷

    আজও বাড়ি ফেরার সময় দাঁড়িয়ে থাকলো মা, কিন্তু শুভেন্দুর মাথায় হাত রেখে আর ফিসফিস করে কোনো কথা বললো না৷

    তবে শুভেন্দু নিশ্চিত মা মনে মনে নিশ্চয় বলছে, আমার পরমায়ুটা ওর হোক ভগবান…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }