Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সংজ্ঞাহীন সম্পর্ক

    অবশেষে আমাদের ডিভোর্সটা হয়েই গেল নিশীথ৷ রিনির গলার অবসাদটা এসে গভীর ভাবে ছুঁয়ে দিলো নিশীথকে৷ রিনি ‘ভালো আছে’র অনুভুতিটাই ওকে অনেকটা উচ্ছল বাতাসের তৃপ্তি দিতে পারতো৷ কিন্তু রিনি ‘খারাপ আছে’ টাই তো নিশীথের চরম শাস্তি৷

    ফোনের অন্য প্রান্তে শুধুই হেরে যাওয়া মানুষের দীর্ঘশ্বাস৷ নিশীথের বুকের মধ্যে ড্রাম বাজাচ্ছে যেন রিনির ওই নিঃশ্বাসগুলো৷ তবুও নিজেকে সামলে নিয়ে ও বললো, এমন অনেক পরিস্থিতিই বোধহয় আমাদের জীবনে আসে যেগুলো থেকে বেরুনোর রাস্তা থাকে না তবুও আমরা রিকোভার করে ঘুরে দাঁড়াই, তাই না রিনি?

    রিনি উদাস কণ্ঠে বললো, তুমি কি তোমার অতীতের কথা বলছো?

    যাক মনে পড়েছে তাহলে! আমিও কিন্তু বেঁচে আছি রিনি৷ আর তোমার জন্যই বেঁচে আছি৷

    এভাবে বলো না নিশীথ৷ বন্ধুর পাশে বিপদের দিনে দাঁড়ানোর মধ্যে কোনো মহত্ব নেই৷ ওটাই একজন ভালো বন্ধুর কাজ৷

    সেই একই প্রশ্ন তো আমারও রিনি! আজ তোমার পাশে একই ভাবে কি আমি থাকতে পারি না?

    রিনি গম্ভীর গলায় বলল, অবশ্যই পারো৷ তবে আমি একদম ঠিক আছি৷ এই মুহূর্তে আমার সত্যিই কাউকে প্রয়োজন নেই৷ ফোনটা রেখে দিয়েছে রিনি৷

    নিশীথ তাকিয়ে আছে স্ক্রিনের দিকে৷

    যেখানে রিনির নাম্বারের পাশে সেভ করা আছে রিনিরিনি৷

    নিশীথ নিজেও জানে না কেন রিনির নামটা দু-বার লিখে রেখেছে ও৷

    আসলে অফিসের সেই রিনি ছিল খুব উচ্ছল, কিছুটা পাহাড়ি তিস্তার মতো কি?

    নাকি নূপুরের চঞ্চল আওয়াজ! তাই বোধহয় নিশীথ শুধু রিনি না লিখে রিনিরিনি লিখেছিলো৷

    সেদিন ছিলো শুক্রবার৷ প্রাইভেট কোম্পানির অফিসের একটাই সুবিধা, সোম আর শুক্রর মধ্যে বিশেষ পার্থক্য নেই৷ যে কোনো দিন হঠাৎ তলব আসতেই পারে, আজ লাঞ্চের পরে মিটিং হলে চলে এসো, মিটিং আছে৷

    শুক্রবারের সেকেন্ড হাফে ল্যাদ খাওয়া পাবলিকরা নড়ে চড়ে বসে৷ ল্যাপটপে চেক করে নেয় প্রজেক্টের লাস্ট পেপারগুলো৷ নিশীথ বরাবরই একটু এলোমেলো স্বভাবের৷ এই ধরা বাধা দশটা-পাঁচটায় হাঁফিয়ে ওঠা মানুষ৷

    দিনরাত তার একটা মন মুক্তি চায়… আরেকটা… চাকরিটা ছাড়া কি ঠিক হবে?

    দোলাচলে দুলছে নিশীথ৷ একবার মনে হয়, ধুত্তোর নিকুচি করেছে৷ নিজস্ব বিজনেস করবে একটা৷ যেখানের রাজা আর প্রজা দুই ও নিজেই হবে৷

    এমন মনের অবস্থাতেই সেদিন মিটিংয়ে গিয়ে উপস্থিত হলো নিশীথ৷

    একই অফিস, শুধু ডিপার্টমেন্টটা অন্য ,তবুও চোখে পড়েনি কোনোদিন৷ একটু কি ব্যতিক্রমী মুখটা! ভাবতে ভাবতেই সামনে বাড়ানো হাতটা ধরে করমর্দন করলো নিশীথ, রিনি চৌধুরীর সাথে৷

    আপনাকে আমি চিনি না বোধহয়৷ বেমক্কা বলে দিয়েছিল অগোছালো নিশীথ৷

    রিনির ঠোঁটের কোণে একটা আলগা হাসি৷ এই ধরনের কর্পোরেট সেকশনে এমন নিষ্পাপ কথাটা বোধহয় এই প্রথম শুনেছিল রিনি৷

    পরিচয় হওয়া তো নিত্য দিনের ঘটনা৷ সেই পরিচয়টা বন্ধুত্বের আঙিনায় পৌঁছালে তবেই তাকে মনে রাখতে হয়, তাই না?

    মিষ্টি গলার গোছানো কথা শুনে একটু ঘাবড়ে গিয়ে নিশীথ বলেছিল, তবুও… এতদিন চোখে পড়েনি বলেই তো অবাক হচ্ছি৷

    রিনি আলগা হেসে বলেছিলো, এই যে চিনে ফেললেন, এবার থেকে দেখবেন আপনার চোখ বাঁচিয়ে অফিসে আসতেই পারছি না৷

    দুজনেই হেসেছিলো একসাথে৷

    কর্পোরেট অফিসে যেটা সাধারণত হয় না সেটা হলো বন্ধুত্ব৷ কাজ, টার্গেট, জেলাস… এগুলোর মধ্যেই বাতাসটা ঘুরপাক খেতে থাকে৷ এই প্রথম হয়তো সেই ভারী বাতাসটা হালকা হয়ে রিনি আর নিশীথের মধ্যে সঞ্চারিত হয়েছিলো বন্ধুত্ব-এর নাম নিয়ে৷

    আজ আর সঠিক মনে নেই ওদের বন্ধুত্বের ভিত্তিটা ঠিক কি ছিলো! তবে এটুকু নিশীথ খুব ভালো করেই জানে, যে ওদের অনেক পছন্দই দারুন ভাবে মিলে যেত৷ সে চায়ে কম চিনি খাওয়া থেকে শুরু করে কনকনে শীতে আইসক্রিম খাওয়ার টেস্টটা পর্যন্ত৷ নিশীথ ধ্রুবসত্যের মতোই বুঝতে পারতো তার পাঁচ বছরের স্টেডি গার্লফ্রেন্ড ঈশানি ওকে যতটা না বেশি চিনত তার থেকে রিনি নিশীথকে চিনত অনেক বেশি৷ নিশীথের মনখারাপের দিন এক কাপ গরম কফি নিয়ে এসে সুমনের গান চালিয়ে রিনি বলতো, কি হয়েছে, ঈশানির সাথে ঝগড়া? আরে ঝগড়া তো প্রেমের লক্ষণ! এভাবেই নিশীথের সেই টালমাটালের দিনে সামাল দিতো রিনি৷

    নিশীথ বারবার বলতো, ঈশানি আমি এই ধরা বাধা জীবনে হাঁপিয়ে উঠেছি৷ আমি বিজনেস করতে চাই৷ ঈশানি কিছুতেই মানতে চাইতো না নিশীথের এই এলোমেলো জীবন৷ অবাক লাগতো নিশীথের, এতদিনেও কেন ঈশানি ওকে বুঝলো না৷ তাহলে আর ভালোবাসা কীসের! মনের মানুষটার মন কি চাইছে সেটাই যদি না বোঝে কেউ৷

    চাকরিটা ছাড়বে সিদ্ধান্ত নিয়েই নিয়েছিলো নিশীথ৷ এখানে চ্যালেঞ্জিং কাজ নেই, নিজেকে প্রমাণ করার জায়গাটুকু পর্যন্ত নেই৷ শুধু ওপরওলার নির্দেশে যান্ত্রিক জীবন৷

    রেজিগনেশন দেওয়ার পরে সব থেকে বেশি দরকার ছিলো ঈশানিকে৷ নিশীথ ভেবেছিলো ওর মানসিক দ্বন্দ্বটা আর কেউ না বুঝুক ঈশানি বুঝবেই৷ কিন্তু ঈশানি খুব আস্তে আস্তে সরে যেতে থাকলো নিশীথের ঝড়ে রাস্তা হারানো, হাল ভাঙা নৌকাটার পাশ থেকে৷ নিশীথ আগলে ধরতে চেয়েছিলো একমাত্র অবলম্বন ঈশানিকে৷ কিন্তু ঈশানি তখন নিজের লক্ষ্যে স্থির৷

    সে আর কোনোভাবেই চায় না এই ঝুঁকিপূর্ণ জীবন৷ নিশীথ জিজ্ঞেস করেছিলো, ঈশানি তুমি আমাকে ভালোবাসো না? ঈশানির পরিষ্কার উত্তর ছিলো, আমি জীবনে এই টালমাটাল অবস্থা মেনে নিতে পারবো না নিশীথ৷

    বাড়ির পাশের প্রেমিকা যখন ছাদে দাঁড়িয়ে অন্য দিকে মুখ করে তাকিয়ে থাকে শুধুমাত্র নিশীথের চলে যাবার অপেক্ষায়, তখনও সেই প্রেমকে বিশ্বাস করার আর কোনো অর্থই থাকে না৷

    পাশের বাড়ির কাঁচের জানালার দিকে অপলক তাকিয়েছিলো নিশীথ৷ একদিন ওখানেই অপেক্ষা করতো ঈশানি, নিশীথের ফেরার সময়ের৷

    চাকরি ছেড়েছে নিশীথ, অফিস যায় না ঠিকই তবে অফিসের রিনির সাথেই বন্ধুত্বটা অটুট রয়ে গিয়েছিলো৷

    ঈশানি এভাবে ছেড়ে যাবার পর প্রায় অবসাদগ্রস্ত নিশীথকে সম্পূর্ণ ভরসা করেছিলো একটাই মাত্র মানুষ… সেটা রিনি৷ অবস্থাপন্ন বাড়ির ছেলে হলেও ব্যবসা বিষয়ে বিশেষ সাহায্য পায়নি নিশীথ পরিবারের কারোর কাছ থেকেই৷ শুধু মানসিক জোরটা জুগিয়েছিলো রিনি৷ একমাত্র রিনিই বিশ্বাস করত, হারবে না নিশীথ৷

    আর সেই জোরেই মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করেছিল ও৷ ইন্টিরিয়ার ডেকোরেশনের ব্যবসাটা শুরু করেছিল মনের জোরে৷ একটা ইট কাঠ পাথরের ঘরকে ও সাজিয়ে তুলেছিল মনের মতো করে৷ ‘অন্দরের রূপ’ নিশীথের কোম্পানির নাম৷ নামটাও রিনিরই দেওয়া৷

    রিনির তখন অশোকের সাথে প্রেমটা চূড়ান্ত পর্যায়ে৷ বিয়ের সব ঠিকঠাক৷ প্রায়ই নিশীথ বলে, রিনি অনেক প্রেম করেছ, এবার তো বিয়েটা করো৷ নাহলে কিন্তু তোমাকেও আমার মতো বন্ধ জানালায় মাথা ঠুকতে হবে৷

    রিনি হেসে বলতো, অশোক আমাকে ছাড়া কিছুই বোঝে না নিশীথ৷ এই কথাটাতেই একটা আলাদা তৃপ্তি পেতো নিশীথ৷ যাক, তার প্রিয় বন্ধু ভালো থাকবে৷ নিশীথের ব্যবসা ততদিনে ছোট্ট চারা গাছ থেকে একটু একটু করে ফলবতী বৃক্ষের রূপ নিতে শুরু করেছে৷

    না ফেরেনি ঈশানি৷ নিশীথের বাইকের পিছনের সিটটা আজ ফাঁকা ৷ ঈশানির চুলের গন্ধটা আজও ওর নাকে এসে হালকা করে ঝাপটা দিয়ে বলে যায়, একদিন খুব কাছে ছিলাম৷ আসলে দূরত্বই বুঝিয়ে দেয় একদিন কতটা কাছে ছিল তারা৷

    নিশীথ এখন শুধুই নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত৷ ওর প্রায় ডুবন্ত নৌকার হালটা তখনও ধরে রেখেছিলো রিনি৷ বলা তো যায় না, যা এলোথেলো ছেলে! হাসি মুখে ওর সব পাগলামির প্রশ্রয় ছিলো কেবল রিনির৷ নিশীথকে যদি কেউ ভীষণ ভাবে চিনে থাকে, সেটা কেবল রিনি৷

    হঠাৎই পাশের বাড়ির ছাদে বসলো সানাই৷ বন্ধ জানালাটা হঠাৎ গেল খুলে৷ বধূবেশে নিশীথ দেখল তার প্রেয়সীকে৷ উদাস চোখেও সেদিন নোনতা জল পড়েছিলো৷ পুরুষ মানুষকে কাঁদলে বড্ড বেমানান লাগে, সেটাও সেদিন অস্বীকার করেছিলো নিশীথের মন৷ ফোনে সমানে বোঝাচ্ছিলো রিনি৷

    জীবন এমনই নিশীথ৷ ওঠা পড়া, সুখ দুঃখ সব আসবে চলার পথ আটকে৷ বেরোতে তোমাকেই হবে৷

    না দীর্ঘদিন ওই সানাই-এর সুর থেকে বেরোতে পারেনি নিশীথ৷ অদ্ভুত একটা দমবন্ধ করা পরিস্থিতির মধ্যে দিয়েই চলছিল ও৷ ঈশানির অষ্টমঙ্গলা… চোখের সামনে সিঁদুর পরে স্বামীর হাত ধরে গাড়ি থেকে নেমেছিল ঈশানি৷

    রিনি বলেছিল, নিশীথ তোমার জীবনে ভালোবাসা না থাকুক, বন্ধু থাকবেই৷ আমি হারাবো না, কথা দিলাম৷ রিনির বিয়ের উদ্যোগে নিশীথ ছিল প্রধান হর্তাকর্তা৷ সব থেকে প্রিয় মানুষটিকে অন্যের হাতে তুলে দিতে সেদিন একটুও কষ্ট হয়নি নিশীথের৷ কারণ, রিনি ভালোবাসে অশোককে৷

    বিয়ের পর নতুন সংসার, স্বামী, অফিস সামলে রিনির সময় কমেছিলো নিশীথকে দেবার৷ তবুও নিশীথ জানতো একটা ঠিকানা আছেই এই পৃথিবীতে যেখানে ও সুখগুলোকে নয় কষ্টগুলোকে নিশ্চিন্তে রাখতে পারবে৷ মাঝে মাঝে ফোনে কথাও হয়েছে ওদের দুজনের৷ কিন্তু রিনি তো কখনো বলেনি নিশীথকে যে তার সংসারের ভিতটা কবে আলগা হয়ে গিয়েছিল! কি মনে করেছিল রিনি, নিশীথ এসব সমস্যা শোনার যোগ্যই নয়৷ অভিমানে চোখ দুটো লাল হয়ে উঠলো নিশীথের৷ ঘুরিয়ে ফোনটা করে, ঝড়ের বেগে বলে দিল, তুমি কি ভেবেছিলে রিনি, নিশীথ ইমোশনাল ফুল! ওর কাছে কিছুই বলা সম্ভব নয় তাই না!

    নিশীথের গলায় হয়তো এমন কিছু ছিল যেটা শোনার পর এই প্রথম ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো রিনি৷

    বহুদিন পরে ওদের আবার দেখা…

    রিনি কেঁদেই চলেছে… সামনেই নিস্তরঙ্গ গঙ্গা নিশ্চুপে বয়ে চলছে৷ পাশে বসে আছে নিশীথ!

    ধীরে ধীরে রিনি বললো, চেষ্টা করেছিলাম জানো, নিজে পছন্দ করে বিয়ে করেছিলাম বলে আত্মীয় পরিজন কাউকে বলিনি, দিনের পর দিন অশোকের মেন্টালিটির সাথে জোর করে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করেছিলাম৷ কিন্তু দেখলাম যেটাকে আমি ভালোবাসা বলে ভুল করছিলাম সেটা আসলে মোহ ছাড়া কিছু নয়৷

    অনেক চেষ্টা করেছিলাম, অশোকের মন রাখার কিন্তু হেরে গেলাম নিশীথ৷

    এই প্রথম রিনির গলায় এমন হেরে যাওয়া মানুষের লক্ষণ ফুটে উঠলো৷ যেটা নিশীথের কাছে অবিশ্বাস্য৷ এটা কি সেই রিনি? যে দু-বছর আগে ব্যবসার টালমাটাল অবস্থায় নিশীথকে বলেছিলো, ঝড় না উঠলে তুমি বুঝবে কি করে তুমি সমুদ্রতেই নৌকা চালাচ্ছ৷ দিকভ্রান্ত হতে হতেই তো নাবিক খুঁজে পায় ধ্রুবতারাকে৷

    এটিকেট মেইনটেইন করাটা যে নিশীথের কোনো কালেই আসে না সেটা রিনির থেকে আর কেই বা ভালো বুঝবে?

    তেমনি আলটপকা নিশীথ বলে বসলো, রিনি আরেকবার শুরু করা যায় না?

    অবাক চোখে তাকিয়ে আছে রিনি আজকের সফল ব্যবসাদার তার খুব কাছের বন্ধুটির দিকে৷

    কি বলতে চাইছে নিশীথ? কি শুরু করতে চায় ও?

    ওর কথাকে গুরুত্ব না দিয়েই রিনি বললো, আবার কি শুরু করতে চাও? আবার কেরিয়ার নিয়ে ছিনিমিনি?

    জোরে জোরে ঘাড় নেড়ে নিশীথ বললো, না না ..আমি তোমাকে নিয়ে শুরু করতে চাইছি!

    আমূল চমকে উঠেছিল রিনি৷

    পাগল নাকি ছেলেটা?

    সম্ভ্রান্ত বাড়ির ছেলে নিশীথ৷ ও জানেও না একজন ডিভোর্সী মহিলাকে বাড়ির বউ করে মেনে নেওয়াটা অতটাও সহজ নয়৷

    তবুও এই আধ পাগলের সামনে ওসব বোঝাতে যাওয়া বাতুলতা ছাড়া কিছু নয়৷ এখুনি হয়তো রেজিস্ট্রি অফিসে টেনে নিয়ে বলবে ,নাও সই করো৷

    সেই ওর শো রুম ওপেনিং ডেটের মতো৷ একরাশ মানুষ দাঁড়িয়ে আছে, তার মধ্যে রিনির হাতে কাঁচিটা দিয়ে বলেছিলো, আজকে এই ফিতে কাটার অধিকার যদি কারোর থাকে সেটা রিনির৷

    রিনি দেখেছিলো, নিশীথের ফ্যামিলির লোকজনের মুখটা সাময়িক হলেও অন্ধকার হয়েছিলো৷ রিনি ইশারা করে আটকাতে চেয়েছিলো ব্যাপারটা৷ কিন্তু কে শোনে কার কথা, বাবু আরেকটু গলা তুলে বলেছিলো, তুমি ফিতে টা কাটবে নাকি… আমি সব ভেঙে দেব?

    একরোখা পাগলের সাথে যেদিন থেকে পথ চলা শুরু করেছিলো সেদিনই জানতো রিনি ঈশানি পারবে না এই আবেগ সর্বস্ব ছেলেটাকে সামলাতে৷ একে তো ভালোবাসা আর শাসন সমান ভাবে করতে হয়৷

    আজও নিশীথ একই আছে৷ অগ্রপশ্চাৎ না ভেবেই বলে বসলো, চলো শুরু করি৷

    রিনিকে চুপ করে থাকতে দেখে নিশীথ বললো, বেশ… মাসখানেক আমি ডেমো দিই তারপর না হয় আমাকে নিয়ে গোটা জীবনটা চলতে পারবে কিনা ভাববে!

    অশোকের বাড়ি থেকে চলে এসে রিনি রয়েছে একটা লেডিস মেসে৷ বাড়ি ফিরতে পারবে না ও৷ নিজে পছন্দ করে বিয়ে করলে মেয়েদের কষ্টের কথা বলার লোকও যেন কমে যায়৷ সকলে চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দেয়, কেন পছন্দের মানুষের সাথেও থাকতে পারলে না? দোষটা তাহলে তোমারই৷

    আপাতত বেশ নিরুপায় লাগছে নিজেকে৷ কেমন একটা একাকীত্ব যেন গিলে খেতে আসছে রিনিকে৷ এর মধ্যে একমাত্র নিশীথের সাথে কথা বলার সময়েই ও ভুলে থাকতে পারে অশোকের সাথে কাটানো দুর্বিষহ মুহূর্তগুলোকে৷ নিশীথের এলোমেলো কথাতে ভেসে যেতে ইচ্ছে করে৷ ভীষণভাবে বাঁচতে ইচ্ছে করে আবার৷ ধরাবাধাহীন, জবাবদিহি বিহীন, ছন্নছাড়া একটা জীবনের হাতছানিতে খুব ইচ্ছে করে সাড়া দিতে৷ কিন্তু পিছিয়ে আসতে হয় পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকেই৷ তবুও তো পাখিরা ঝড়ের পরেও আবার বাসা বাঁধে, বলেছিলো নিশীথ৷

    স্বামী স্ত্রী নয় শুরুটা নাহয় বন্ধু হিসাবেই হোক৷

    রিনি নিমরাজি হয়েই লিভ ইন শুরু করেছে নিশীথের সাথে৷ মাত্র দু-মাসের সংসারে এটুকু খুব ভালো করেই বুঝেছে রিনি, নিশীথের নয় এটা ওরই সংসার৷ নিশীথ ওর হাতেই সপে দিয়েছে সব ভার৷ শুধু উপার্জনের অর্থটা ইদানীং এনে ধরে দিচ্ছে রিনির হাতে৷ প্রথমে রিনি আপত্তি করেছিলো, নিশীথ বলেছে… আমার থেকে তুমিই বেশি পারবে আমাকে সামলে রাখতে৷

    ইদানীং রিনিকে ছাড়া বাবুর এক মুহূর্তও যেন কাটে না৷ কথায় কথায় আবার নতুন সংযোজন হয়েছে তার অভিমান৷ অশোকের শাসনের ঘেরা টোপ নেই, কিন্তু নিশীথের নির্ভরতার নরম আবেশ আছে৷

    সেদিন রাতে নিশীথ হঠাৎ বলে উঠলো, আচ্ছা রিনি যদি আমাদের বিয়েটা হয়েই যায় শেষ পর্যন্ত তাহলে কিন্তু আমি তোমাকে একটা ডিপ কিস করব!

    রিনি লজ্জায় লাল৷ এর মুখে কি কিছুই আটকায় না?

    কয়েকদিনের জন্য কাজের সূত্রেই নিশীথের কলকাতার বাইরে যাওয়া৷ অফিস থেকে ফিরে একলা ফ্ল্যাটে মনখারাপ করছে রিনির৷ কি ভীষন মনখারাপ করছে ওই বেহিসেবি ছেলেটার জন্য৷ কই অশোকও তো কাজের সূত্রে বাইরে যেতো, কখনো তো দুশ্চিন্তা ছাড়া এমন পাগল পাগল লাগেনি রিনির৷ তবে কি অভ্যাস আর ভালোবাসা দুটো ভিন্ন শব্দ?

    ও কি তবে সত্যিই নিশীথকে!

    ফোনটা বাজছে রিনির৷

    ও প্রান্তে কোনো একটা অচেনা ব্যক্তির গলা৷ ম্যাডাম নিশীথ রায়কে আপনি চেনেন? ওনার ফোনে আপনার ফোন নম্বর পেয়ে কল করছি৷

    মুহূর্তের জন্য হৃৎপিণ্ডের ওঠানামা বন্ধ হয়ে গেলো রিনির৷ কি হয়েছে নিশীথের? কোনো অ্যাকসিডেন্ট?

    রিনি কি তবে সত্যিই অপয়া? তাই কি ও আসায় নিশীথের….গলা দিয়ে একফোঁটাও আওয়াজ বেরোচ্ছে না ওর৷

    ও প্রান্তের ভদ্রলোক বললেন, ম্যাডাম নিশীথ বাবুর এখানের কাজ শেষ৷ আমরা আজই হোটেল ছেড়ে দিয়ে কলকাতা ফিরতে চাই পুরো টিম৷ কিন্তু নিশীথ বাবু বলছেন, ওনাকে নাকি কেউ ভালোবাসার নেই কলকাতায়? তাই আপনাকে জিজ্ঞেস করতে পাঠালো… আপনি কি সত্যিই?

    প্রায় চিৎকার করে উঠেছে রিনি৷ আপনি ওই জানোয়ারটাকে ফোনটা দিন… আমি দেখছি ওকে!

    ও প্রান্তে চেনা হাসির আওয়াজ৷

    বলো রিনিরিনি, তুমি আমাকে ঠিক কি রূপে দেখতে চাও?

    আই জাস্ট কিল ইউ নিশীথ! তুমি এভাবে আমাকে… ফুঁপিয়ে কেঁদে ফেললো রিনি৷ জানোয়ার, আই লাভ ইউ৷

    নিশীথ চিৎকার করে বললো, রিনি… বাংলায় বলো… আমি ইংরাজি বুঝি না!

    রিপিট করো, বলো… ভালোবাসি, নিশীথ আমি শুধু তোমাকেই ভালোবাসি৷ আমি এতদিন এই সত্যটা লুকিয়ে রাখছিলাম৷ বলো রিনি বলো…

    রিনি গলার মধ্যের কষ্ট কষ্ট সুখটাকে চেপে রেখেই বললো, চলো শুরু করি নতুন করে৷ সব ভুলে…

    কিছু কিছু সম্পর্ক এমন হঠাৎই মোড় নেয়, যার কোনো নির্দিষ্ট সংজ্ঞা হয় না… দৃষ্টান্ত হয়েই রয়ে যায়৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }