Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অসমাপ্ত ফোন নম্বর

    দিনের পর দিন এই প্রেমপত্র পাওয়াটা আর জাস্ট নিতে পারছে না রোহিত৷ যেদিন থেকে এই অফিসে জয়েন করেছে তার ঠিক দিন দশেক পর থেকে রঙিন খামে ভরে কেউ তার ডেস্কে চিঠি রেখে যায়৷ কিন্তু কে রেখে যায় সেটাই তো গবেষণার বিষয়! এই অফিসে ওদের ডিপার্টমেন্টে এমন কোনো ইয়ং মেয়ে নেই যে এনগেজড নয়৷ তাহলে রোহিতের ডেস্কের এই বোম্ব ব্লাস্ট করা হুমকিগুলোকে কে রেখে যায়, কেন রেখে যায় কে জানে?

    এমনিতেই রোহিত খুব সাদামাটা ছেলে৷ পাড়ার বিথীকে ক্লাস ইলেভেনে প্রোপোজ করতে গিয়ে এমন ঝাড় খেয়েছিল যে প্রেম নামক বস্তুর থেকে ও শতহস্ত দূরে থাকে৷ বিথীকে খুব ছোটো করে বলেছিল, তোমাকে আমার খুব ভালো লাগে বীথি!

    বীথি চোখের সামনে অ্যানাকোন্ডা দেখে চমকে ওঠা গলায় বলেছিল, হঠাৎ আমার বাবা-মা আমার ভাইকে বাদ দিয়ে আমাকেই কেন ভালো লাগে! রোহিত আমতা আমতা করে বলেছিলো, আমি তোমাকে ভালোবাসি বীথি!

    বীথি প্রায় কঁকিয়ে উঠে বলেছিল, তুমি আমার সাথে প্রেম করতে চাইছো?

    তুমি আমাকে এতটা খারাপ ভাবো রোহিত!

    বীথির কাঁদো কাঁদো মুখ দেখে রোহিত বুঝেছিলো, প্রেম করার মতো গর্হিত অন্যায় আর হয় না৷

    তাই চোখের সামনে দিয়ে সকলের প্রেম হতে দেখেও ও চুপ করেছিলো৷ বীথি তখন ক্লাস টেন৷ রোহিত ভেবেছিলো, বীথি যেদিন প্রেমের মানে বুঝবে সেদিন হয়তো ফার্স্ট প্রেফারেন্স হিসাবে রোহিতের কথাই মনে পড়বে৷ এই আশায় কমলাবালা বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে দিয়েই টিউশন থেকে ফেরত রোহিত৷

    বছর দুয়েক পরে হঠাৎই দেখলো ক্লাস টুইলভের বীথি অয়নের বাইকের পিছনে বসে গোলাপি ওড়না উড়িয়ে ওর পাশ দিয়ে প্রজাপতির মতো উড়ে গেলো৷

    তার মানে বীথি প্রেমের মানে বোঝার সাথে সাথেই অয়ন এন্ট্রি নিয়েছে৷ বীথি রোহিতের হাত ছাড়া হয়ে গেছে বোঝার পর থেকেই শরৎচন্দ্রের দেবদাস ওর প্রিয় ক্যারেক্টার হয়ে গিয়েছিলো৷

    তারপর থেকেই রোহিত বুঝেছিলো নারী চরিত্র বড়ো গোলমেলে৷ এরা কখন কাকে আঘাত করে আর কখন কাকে ভালোবাসে সেটাই কেউ জানে না৷ তবে বীথির লোকের কাছে বলে বেড়ানোর ফলে রোহিতকে দেখে অনেকেই বলতো,আহা রে বীথিকে অয়ন নিয়ে নিলো… রোহিতের ঘুড়ি ভোকাট্টা৷ একটু যে অপমান বোধ হত না তা নয়৷

    পাড়ায় এমন আওয়াজ খেয়ে একদিন বিথীকে ধরেছিলো রাস্তায়৷ তো বীথি এমন ড্রামা করছিলো, যেন রোহিত সেই গল্পে পড়া রাক্ষস-খোক্কস৷ এমন চিৎকার জুড়লো যে মহিলাদের উদ্ধারকর্তারা অবতীর্ণ হয়ে গিয়েছিলো৷ ক্লাবের ছেলেরা এসে বললো, কি রে রোহিত! তুই পাড়ার মেয়ের পিছনে পড়েছিস! দিনরাত মেয়েদের দেখে কমেন্ট ছোঁড়া কার্তিকদাও সাধু পুরুষ হয়ে অবতীর্ণ হয়েছিলো বীথির সামনে৷ সে যাত্রা যাহোক বেঁচে গিয়েছিলো রোহিত৷ তারপর থেকেই এই ন্যাকা ন্যাকা মেয়েগুলোর কাছ থেকে ও শত হস্ত দূরে থাকে৷

    প্রেম তো দূরে থাক৷ ট্রেনে বাসেও এদের পাশে বসার সময় নিজেকে বাংলা সিনেমার কাঞ্চন মল্লিকের চেহারায় রূপান্তরিত করার আপ্রাণ চেষ্টা করে৷ বলা তো যায় না, কারোর গায়ে অসাবধানে হাত লেগে গেলো আবার কলি যুগে সতীত্ব হরণের দায়ে পড়তে হবে ওকে৷ এভাবেই কেটে গেলো ওর আগে এসে চলে যাওয়া ছাবিবশটা বসন্ত৷ এমনকি সাতাশটাও যাচ্ছিলো … সেই সময় শুরু হয়েছে কোনো এক প্রেতাত্মার প্রেমপত্র পাওয়া৷

    যদিও এগুলোকে রোহিতের বন্ধু বিজয় প্রেমপত্র বলে আখ্যা দিলেও রোহিতের কাছে সেগুলো শুধুই হুমকি৷

    ছোট্ট চিরকুটে লেখা… ‘পিঙ্ক শার্ট পরবেন না,ওটা লেডিস কালার৷ স্কাই পরুন৷ ভবিষ্যতে যেন পিঙ্ক পরতে না দেখি৷’

    কোনটায় লেখা, ‘সায়রীর দিকে তাকিয়ে অত হাসার কিছু হয়নি৷ ও এমন কিছু সুন্দরী নয়৷’

    যা বাবা! এগুলো প্রেমপত্র কি করে হয়! এ তো ফুলনদেবী টাইপ হুমকি পত্র৷ প্রেমের বহু অভিজ্ঞতা প্রাপ্ত বিজয় বলেছে, ওরে মেয়েরা ডিরেক্ট বলে না যে সে তোকে পছন্দ করে ৷ এগুলো হলো মেয়েটার পজেসিভনেস৷ আর মানুষের পজেসিভনেস কখন আসে? যখন সে তোকে নিয়ে কনসাস ! ইদানিং অফিসে ঢুকেই ড্রয়ারে চিঠিটা পেতে পেতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে রোহিত৷ আর গোয়েন্দার চোখে মেয়েদের দিকে তাকিয়ে দেখে কার চোখে ওর জন্য পজেসিভনেস আছে৷ না, এখনো অব্দি কাউকে দেখেনি৷ সায়রীকে দারুন দেখতে, রাধিকা পুরো ন্যাকা হলেও আকর্ষণীয়, সুজাতা দিনরাত ছেলে মানেই রেপিস্ট, এমন চোখেই তাকিয়ে থাকে পুরুষদের দিকে৷ এ ছাড়া আছে সুমিতাদি,সন্ধ্যাদি এরা বয়েসে যথেষ্ট বড়ো৷ রোহিতকে ভাইয়ের চোখেই দেখে থাকেন৷ মাঝে মাঝেই সায়রীকে সন্দেহ হয় রোহিতের৷ ঠিক যেদিন থেকে চিরকুটে লেখা ছিল সায়রীর দিকে বেশি তাকানোর কিছু হয়নি৷ তাহলে কি ওর দিকে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই একথা লেখা হলো!

    রোহিত বললো বুঝলি বিজয়, ভাবছি প্রাইভেট ডিডেকটিভ লাগাবো একটা৷ এই রহস্যময়ীকে খুঁজে বের করার জন্য৷

    কারণ যত আগেই অফিসে আসি ওই চিঠি তার আগেই এসে যাচ্ছে আমার ড্রয়ারে৷ নিজেকে কেমন নজরবন্দি লাগে রে৷ মনে হয় দুটো চোখ সর্বদা আমাকে দৃষ্টিবন্দি করে রেখেছে অথচ আমি চিনতে পারছি না তাকে৷ কি যে অসহ্য লাগছে ব্যাপারটা কি বলবো!

    বিজয় বললো, তারপর আমাদের ওই গোদের ওপর বিষ ফোঁড়া বস যদি একবার জানতে পারে অফিসে এসব চলছে তো তাকে খুঁজে না পেয়ে তোকেই ধরবে! রোহিতের কপালে চিন্তার ভাঁজ৷ তাহলে কি এই চিঠিগুলো আমি বসকে গিয়ে জমা দিয়ে আসবো?

    বিজয় হাঁ হাঁ করে বলেছিলো, তোর কি মাথাটা খারাপ হলো? যেচে কুমিরের গর্তে হাত ঢোকাবি?

    তারপর থেকে ওই হুমকিপত্রগুলো কষ্ট করেই হজম করে চলেছে রোহিত৷

    আজকের হুমকি পত্রে ছিল, টিফিনে রেগুলার লুচি খাবেন না৷ ময়দা তেল দুটোতেই ফ্যাট! সাথে আলুর দম! ফুল কার্বহাইড্রেড৷ দু-দিনে মোটা হয়ে যাবেন৷ লাঞ্চে ওটস বা ফ্রুটস খান৷

    আর নেওয়া যাচ্ছে না৷ শালা! এই মাত্র ছয়মাস হলো চাকরি পেয়েছে৷ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে কড়কড়ে নোট দিচ্ছে বলে মা-বউদি এরা একটু নেক নজরে দেখছে রোহিতকে৷ তাই তার লাঞ্চ বক্সে ফুলকো লুচি ভরে দিচ্ছে আর ওই রহস্যময়ীর সেটাও সহ্য হচ্ছে না৷

    ও কি খাবে সেটাও অলক্ষ্যে বসে উনিই যেন ঠিক করবেন৷ এতো মহামুশকিল৷

    এবার এই চিরকুটগুলোকে ইগনোর করতে হবে রোহিতকে৷

    ইচ্ছে করে পিঙ্ক শার্ট পরবে, লুচি খাবে! দেখি শালা কার বাপের কি! মনে মনে গালাগাল দিচ্ছিলো রোহিত৷

    ঠিক তিনদিন পরে একটা ফোন নাম্বার৷ নীচে লেখা কল মি…

    যাক এতদিনে রহস্যময়ী আসলে ছেলে না মেয়ে সেটা অন্তত বোঝা যাবে৷

    কয়েকদিন ধরে অরিনকে একটু সন্দেহের চোখে দেখছে রোহিত৷ অরিন সেদিন এসে বললো, রোহিতদা তোমাকে ভীষণ হ্যান্ডু লাগছে৷

    রোহিত রেগে বলেছিলো, তুই আমার কাছ থেকে দূরে থাক৷ আমি গে নই৷

    অরিন চোখ ছোটো করে বলেছে, তবুও আমি ছেলে হয়েই বলছি, তোমার কপালের ওই কাটা দাগটার জন্যই তোমাকে বড্ড হ্যান্ডু লাগে৷

    যা বাবা! শেষ পর্যন্ত কি অরিন! রোহিতের যা কপাল তাতে শেষ পর্যন্ত ছেলেই ওর প্রেমে পড়বে! মেয়েও জুটবে না ওর৷ বীথির প্রেমের জোয়ারে ভাসতে গিয়ে এমন ডোবা ডুবলো যে এতবছর পরেও ডুবন্ত টাইটানিক হয়ে রয়ে গেলো৷ এদিকে চোখের সামনে দিয়ে অয়নের কোমর জড়িয়ে ধরে ওর দিকে খিল্লিবাজ মন্তব্য ছুঁড়ে দিয়ে ওরা বেরিয়ে যায়৷ অর্বাচীনের মতোই সেই মন্তব্যগুলো শোনে রোহিত৷

    মা বলছে একটা বিয়ে দিতে হবে রোহিতের৷ যতদিন পর্যন্ত বউ নিয়ে অয়নের সামনে দিয়ে না ঘুরছে ততদিন শান্তি নেই রোহিতের৷ এদিকে অয়ন আবার রোহিতের কোম্পানিতেই চাকরি করে, রোহিতের ওপরের পোস্টে৷ উফ! এত জ্বালা সহ্য করার কপাল নিয়ে জন্মেছে রোহিত৷ সিঙ্গেলদের জীবনের দুঃখ কেউ যদি বুঝতো৷ সিঙ্গেলরা সরস্বতী পুজোর দিনে হঠাৎ করেই গল্পের বই-এ মন দেয়, হাসির মুভি দেখে৷ ভ্যালেনটাইনডের দিনে মায়ের ঠাকুরের জন্য ফুলের দোকান থেকে গাঁদার মালা কেনে৷ আর আড়চোখে দেখে রক্তগোলাপগুলো৷

    সিঙ্গেলরা গলাবাজি করে বলে, প্রেম মানেই ঝামেলা! আরেকজনের মন রাখার তাগিদ৷ তার থেকে বিন্দাস আছি৷ অথচ এদের বুকেতে কান পাতলে শোনা যায় জমিয়ে রাখা দীর্ঘশ্বাসগুলো৷

    রোহিতও সকলের সামনে বলে, বিয়ে করে বোকারা৷

    এদিকে মনে মনে ভাবে, একবার বিয়েটা করি তারপর অয়ন আর বীথির সামনে দিয়ে বউ-এর হাত ধরে ঘুরবো৷ তবে বীথির অপমানের শোধ তোলা যাবে৷

    এই হুমকিপত্র পেয়ে মনে একটু আশারবানীর উদয় হয়েছিলো ঠিকই কিন্তু গত ছয়মাসে চিরকুটের ভাষার পরিবর্তন না দেখে আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলো৷

    আজ এই ফোন নাম্বারটা পেয়ে আবার মনের মধ্যে প্রজাপতিরা পাখা মেললো৷

    কিন্তু ফোন করে রোহিত কি বলবে? কার নাম্বার তাই তো জানে না!

    যে রোহিতের সব খবর রাখে সে নিশ্চয় ওর নাম্বারও জানবে৷ মায়ের সন্ধ্যের শঙ্খ তিনবার বেজে শেষ হবার পরেই দুরুদুরু বুকে রোহিত নম্বরটা ডায়াল করলো৷ লে চাপ! বলেছে নাকি এই নাম্বার বাস্তবে নেই৷ তার মানে মানুষটাও বাস্তবে নেই, আর নাম্বারটাও৷ তবে কি গত জন্মের কোনো অতৃপ্ত আত্মা! যে রোহিতের কাঁধে ভর করেছে! তাই চিঠি প্রেরককে আজ অবধি ধরতে পারলো না রোহিত৷ /৪৩৪২২’’// … বার তিনেক গোনার পরে কনফার্ম হলো এটা দশ ডিজিট নয়৷ ভুল নাম্বার দিয়ে মজা করছে কেউ৷ রোহিতের কান্না চলে এলো৷ ওর অনুভূতি নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলার অর্থ কি?

    পুরুষ মানুষ বলে কি মন নেই তার! যেদিন থেকে অফিসে ঢুকেছে কেউ একজন মজা করেই চলেছে৷ ফোন নাম্বার লেখা কাগজটা কুচিয়ে ফেলতে গিয়েও থমকে গেলো রোহিত৷ এক কোণে লেখা এই নাম্বারের শেষে ০-/ একটা বসালেই আমায় খুঁজে পাবে৷ আজ মাথায় আগুন ধরে গেছে রোহিতের৷

    ক্রমাগত চেষ্টা করেই চলেছে৷

    কোনোটা মুদির দোকানের মালিক তো কোনোটা কলের মিস্ত্রি৷ একজনকে তো রোহিত বললো, আমি রোহিত বলছি৷ শুনেই সে কাঁচা দুটো দিয়ে বললো, রোহিত! তুই আমার কোন শ্বশুর রে!

    একজন মহিলা বললেন, পাগলা গারদের কর্মীগুলো মারাত্মক ফাঁকিবাজ বলেই নাকি রোহিতের মতো পাগলরা এখনো রাস্তায় ছাড়া রয়েছে৷ ফাইভ পর্যন্ত বসিয়ে রাজ্যের গালাগাল খেয়ে ক্ষান্ত দিলো রোহিত৷ না এভাবে হবে না৷

    পরেরদিন অফিসে গিয়েই রোহিত সায়রীকে বললো, সায়রী তুমি কি আমায় চিঠি দাও?

    আকাশ থেকে ধপ করে পড়েই মানুষ যেমন খুব লেগেছে বলে কাঁদতে শুরু করে তেমনি গলায় সায়রী বললো, ছি রোহিতদা আমার বিয়ের যোগাযোগ হচ্ছে, এসময় তুমি আমার বদনাম করো না প্লিজ৷ এমনিতেই মাল্টিন্যাশনাল অফিসে চাকরি করা মেয়েদের নিয়ে কানাঘুষো চলতেই থাকে৷ তারপর আর বদনাম করো না৷

    পরেরদিন চিঠি, আপনি সায়রীকে প্রোপজ করলেন? ও রাজি হলো? লজ্জা করলো না আপনার!

    সব পুরুষ সমান৷ মেয়ে দেখলেই হ্যাংলামি!

    যা বাবা! রোহিত কিছু করলোই না৷ উল্টে চাপ খেয়ে গেলো৷

    বাবার অফিসের কলিগ নিয়োগী কাকুর মেয়ের বিয়ে৷ নীহারিকা ওয়েডস রোহিত৷ লেখা কার্ডটা দেখেই মাথায় বুদ্ধিটা খেলে গেলো৷ পাত্রের নামও রোহিত বিশ্বাস৷

    সারনেম সমেত মিলে গেছে৷

    কার্ডটা অফিসের ড্রয়ারে রেখে দিলো রোহিত৷

    দিন তিনেক পড়ে আছে কার্ডটা ওর টেবিলে৷

    কোনো হুমকি চিঠি নেই৷

    সেদিন সকাল নয়টায় সুইপার ঢোকার সাথেই রোহিত অফিসে ঢুকলো৷ লুকিয়ে বসেছিলো রহস্যময়ীকে ধরবে বলে৷

    শুধু দুটো পা দেখতে পাচ্ছে রোহিত৷ খুব সাবধানে ওর টেবিলের দিকে এগোচ্ছে পা দুটো৷ অন্য ডেস্কের নীচে থেকে চুপটি করে দেখছে রোহিত৷

    আজকাল মেয়েরাও ছেলেদের জুতো পরে বটে৷ তবে পায়ের আকৃতি দেখে কোনো মহিলা বলে মনে হচ্ছে না৷ অবশেষে দেখলো গেট কিপার রতনের হাতে গোলাপি চিঠি৷ খুব সাবধানে রতন নিখুঁত হাতে রোহিতের ড্রয়ার খুললো… রেখে দিলো গোলাপি কাগজ৷ আর তুলে নিলো নিয়োগী কাকুর মেয়ের বিয়ের কার্ডটা৷

    রোহিত ড্রয়ার খুলে দেখলো, লেখা আছে ফোন নম্বরটা কমপ্লিট করার ধৈর্য যার নেই সে কি করে সেলস ম্যানেজার হবে! প্রমোশন পাবে কি করে?

    আবার কেমন একটা প্রেস্টিজে গ্যামেক্সিন টাইপের কথা শুনেই মারাত্মক রাগ হলো রোহিতের৷ ৫ এর পর থেকে সংখ্যা বসাতে শুরু করলো অসমাপ্ত ফোন নম্বরে৷

    সকালে কাজের সময়ে রং নাম্বারকে গালাগালি দিয়ে ভূত ভাগাবে সেটাই স্বাভাবিক৷

    তবুও হাল ছাড়বে না রোহিত৷ এ এক পুরোহিত মনসা পুজোর মন্ত্র বলতে বলতেই ফোন ধরলো৷ দিয়ে গালাগালি দিয়ে বললো, তোকে সাপে কাটবে হারামজাদা৷ মায়ের পুজোয় ব্যাঘাত ঘটালি?

    ’’ বসিয়ে ডায়াল করেছে রোহিত৷ ফোনটা ওর ফ্লোরেই বেজে উঠলো৷

    হ্যাঁ মিস্টার রোহিত বলুন৷

    সর্বনাশ! এ তো ওদের বস মিস সোনালী!

    ওর সামনেই একটা কম্পিউটারে কিছু দেখাচ্ছিলেন সন্ধ্যাদিকে৷

    তার মানে কি কেউ শয়তানি করে রোহিতকে ফাঁসাতে চাইছে৷ অফিস শুদ্ধু সবাই জানে, মিস্টার চাটার্জির একমাত্র মেয়ে সোনালী চ্যাটার্জি যবে থেকে বাবার কাজের দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছেন তবে থেকে অফিসে হাসি-কান্না-প্রেম সব উঠে গেছে৷ সোনালীর একটাই কথা, কোম্পানি তোমাকে টাকা দেবে তুমি পরিশ্রম দাও৷ অফিসে ফাঁকিবাজি চলবে না৷ রোহিত সামলে নিয়ে বললো,ম্যাম রং নাম্বার হয়ে গেছে৷

    ম্যাম বললেন, আপনি একবার আমার চেম্বারে আসুন৷

    আজ হয়ে গেল! প্রেমে মারাত্মক রকমের অবিশ্বাসী সোনালী ম্যাম যদি জানতে পারেন যে রোহিত অজানা প্রেমিকার খোঁজে ফোন করে চলছিলো তাহলে ওকে স্যাক করতে বেশি সময় বোধহয় নেবেন না৷ নিন্দুকে বলে প্রেমে ধাক্কা খেয়েই মাত্র ছাবিবশ-এ সোনালী ম্যাম ছেচল্লিশ হয়ে গেছেন৷ মুখে হাসি নেই, চোখে জল নেই একটা যন্ত্র মানবী৷

    ভয়ে ভয়ে ওনার রুমে ঢুকতেই রাগে ফেটে পড়লেন সোনালী ম্যাম৷

    এত কম বয়সে বিয়ে করে কি নিজের ক্যারিয়ারের বারোটা বাজাতে চাইছেন নাকি! বিয়ে তো করবেন ঘোমটা পরা লজ্জাবতীকে৷ যে স্বামীর কাশি হলেই বলবে, আজ আর অফিস যেও না৷

    আপনাদের মতো বাঙালিদের জন্যই দেশটা রসাতলে গেলো৷ কোনোমতে একটা চাকরি জোগাড় করেই বিয়ের পিঁড়িতে বসা৷

    ঘাবড়ে গেছে রোহিত৷ হঠাৎ ওই নকল রোহিতের বিয়ের কার্ড দেখে ম্যাম কেন এত রিয়াক্ট করছে?

    তারপর একটু সামলে নিয়ে বুকে বল নিয়ে রোহিত বললো, ম্যাম… আমি পিঙ্ক শার্ট পরি না৷ লাঞ্চে ওটস খাই, ফোন করে করে শেষ নাম্বারটাও মিলিয়ে ফেলার ধৈর্য রেখেছি… তাহলে কি আমার প্রমোশন হতে পারে?

    আমার নিজস্ব ডায়রিটা বেশ কিছুদিন ধরে অফিসের ড্রয়ার থেকে মিসিং৷ ওটা কি ফেরত পেতে পারি?

    রাশভারী সোনালী ম্যামের গালেও আবিরের ছোপ৷ পেতে পারেন, তবে ওই ডায়রিতে বিথীকে নিয়ে আর কিছু লেখা চলবে না৷

    বরং যে লুকিয়ে আপনাকে ভালবাসে তাকে নিয়ে লিখতে হবে৷ আর তাকে নিয়ে বাইকের পিছনে করে অয়ন আর বীথির সামনে দিয়ে ঘুরিয়ে আনতে হবে৷

    গোটা ডায়রিটা পড়েছেন?

    আলতো করে ঘাড় নাড়লো সোনালী৷ শুধু আগ্রহের বশেই এমপ্লয়ির পার্সোনাল ডায়রি চুরি করিয়েছিলাম রতনকে দিয়ে৷ তারপর পড়তে পড়তে বুঝেছিলাম একজন সত্যিকারের প্রেমিক বাস করে ওই মনে৷ যে প্রেমে ধাক্কা খেয়ে ভালোবাসাকে অবিশ্বাস করে আমার মতোই৷ আমিও ভালোবাসায় ধাক্কা খাওয়া মানুষ৷

    রোহিত বললো, তাহলে আজ বিকেলে বাইকটা রেডি রাখি?

    তবে শর্ত একটাই, ওই হুমকি চিঠিগুলো কিন্তু বন্ধ করা যাবে না৷ ওগুলো পাঠাতেই হবে৷ রোহিতের সামনে এখন চ্যাটার্জি এন্টারপ্রাইজের মালিক নয়, রহস্যময়ী নারী বসে আছে৷ যার মনে আজও ভালোবাসা বেঁচে আছে৷ রোহিত মনে মনে ভাবল, ভগবানের সৃষ্টি বটে এই নারী চরিত্র৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }