Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তোমার মনে অন্য কারোর বাস

    জিনিয়া, আমার বাড়িতে কিন্তু বিয়ের দেখাশোনা শুরু হবে, এখনো তোমার মতামত জানালে না! রেকর্ডিং রুমে সাউন্ড সেট করার মাঝখানেই উদগ্রীব হয়ে বললো রিতেশ৷

    জিনিয়া ওর কালার করা চুলটা ঘাড়ের কাছে ব্যাকক্লিপে আটকে আড়চোখে তাকিয়ে উত্তর দিলো, আর ইউ ক্রেজি রিতেশ? বিয়ে?

    বিয়ে করবো আমি?

    আরে এখনো মফঃস্বলের দিকের কল শো গুলোতে আমি স্টেজে উঠলেই পুরুষদের মধ্যে একটা মারাত্মক উন্মাদনা দেখি৷ সেটা শুধুমাত্র আমার গানের জন্য নয়, ওই মাদকতাটা বোধহয় আমাকে তাদের প্রেমিকা হিসাবেও কল্পনা করে৷ কান দুটো ঝাঁঝাঁ করে উঠলো রিতেশের৷ জিনিয়া নাকি একজন সংগীত শিল্পী! এই ধরনের নিম্ন রুচির মানুষকে রিতেশ যে কি করে ভালোবাসলো কে জানে! জিনিয়া কি তবে ঠিকই বলে, শুধুই ওর মিষ্টি গলার টানে নয়,ওর ওই আকর্ষণীয় শরীরের টানেই রিতেশ বারবার ছুটে যায় জিনিয়ার ধর্মতলার ফ্ল্যাটে৷ না, শুধু শরীরের টানেই নয় জিনিয়ার ওই হঠাৎ গেয়ে ওঠা গানের কলি, ওর গলার সুরের টানেই রিতেশ ভালোবেসেছিলো ওকে৷ যদিও জীবনের ফার্স্ট প্লে ব্যাকে ফিমেল সিঙ্গার ছিলো জিনিয়া৷ ভয়ে যখন বুক শুকিয়ে কাঠ,তখনই জিনিয়া ওর রিনরিনে গলায় বলেছিলো, ডোন্ট ওরি… আমি আছি,ম্যানেজ করে নেব৷

    সত্যিই জিনিয়া পাশে ছিলো৷ সত্যি বলতে কি রিতেশ দত্ত আর জিনিয়া মুখার্জীর ডুয়েট অ্যালবামের বাজার যেমন হাই, তেমনি টলিউডের অল্পবয়সি নায়ক-নায়িকার লিপেও ওরা এখন পারফেক্ট৷ দুজনের কেরিয়ার তরতর করে এগুনোর সাথে সাথেই ব্যক্তিগত সম্পর্কও এগুচ্ছিলো৷ ফিল্মি ম্যাগাজিনে প্রায়ই স্প্যানিশ গিটার হাতে রিতেশকে পোজ দিতে দেখা যায়, অবশ্যই তার পাশে থাকে জিনিয়া৷ একটা ফিল্মি ম্যাগে তো গসিপ কলমে লিখেই দিয়েছিল, খুব তাড়াতাড়ি গায়ক রিতেশ আর গায়িকা জিনিয়াকে আপনারা হানিমুন এনজয় করতে দেখবেন৷

    জিনিয়া পত্রিকাটা দেখে হাসতে হাসতে লুটিয়ে পড়েছিলো৷ সেদিন থেকেই রিতেশের মনে সংশয় তৈরি হয়েছিলো, জিনিয়া কি আদৌ ওকে ভালোবাসে? যতবারই জিনিয়াকে জিজ্ঞেস করেছে ততবারই ও এড়িয়ে গেছে৷

    এমনকী ওর নির্জন ফ্ল্যাটে শরীরী খেলায় উন্মত্ত হতে হতেও ওর ভিজে ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে রিতেশ জানতে চেয়েছে, কবে মিসেস রিতেশ দত্ত হবে জিনিয়া?

    রিতেশের শরীরে নিজেকে মিশিয়ে দিয়ে জিনিয়া বলেছে, নট মিসেস রিতেশ দত্ত, প্লিজ কল মি অনলি জিনিয়া৷

    ইদানীং রিতেশের বাড়িতে বাবা মা দুজনেই উঠে পড়ে লেগেছে ছেলের বিয়ে দিতে৷ দিদির বিয়ে হয়ে যাবার পর থেকেই এই উদ্যোগ৷ দিদির সাথে রিতেশের বয়েসের পার্থক্য মাত্র তিনবছর৷ কিন্তু রিতেশের ওপর রিতিকার প্রভাব খুব বেশি৷ ছোটো থেকেই রিতিকার প্রায় প্রতিটি কথা শুনতে শুনতে রিতিকা কবে যেন রিতেশের দিদি নয় মায়ের স্থান নিয়ে নিয়েছে৷ এখনো দিদিই রিতেশকে বলছে, দেখ ভাই, তুই যদি জিনিয়াকে বিয়ে করতে চাস সেটাতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই৷ জিনিয়ার সাথে ফাইনাল কথা বলে আমাদের জানাস৷ আমি ওর অভিভাবকের সাথে কথা বলে নেব৷

    এদিকে গত তিনদিন ধরে জিজ্ঞেস করেও সঠিক উত্তর পায়নি রিতেশ৷ তবে কি জিনিয়ার অন্য কারোর সাথে কোনো রিলেশন তৈরি হয়েছে, তাই বিয়ের কথায় ক্রমাগত এড়িয়ে যাচ্ছে রিতেশকে!

    বার তিনেক ভুল সুর দিয়ে ফেললো লিরিকে৷ মিউজিক ডিরেকটর বললেন, তুমি কি ডিস্টার্বড আছো রিতেশ?

    জিনিয়াকেও তিন তিনবার গাইতে হলো রিতেশের ভুলের জন্য৷ নিখুঁত গাইছে জিনিয়া৷ অথচ রিতেশের যেন কিছুতেই পারফেক্ট হচ্ছে না৷ মনের মধ্যে একটা কথারই অনুরণন চলছে, সরি রিতেশ, আমি বিয়ে করে সংসার করার জন্য জন্মাই নি৷

    রিতেশ বলেছিলো, ডাল ভাত রাঁধা সংসার তো আমি করতে বলিনি জিনিয়া! তোমার কেরিয়ার, তোমার গান সব আগের মতোই থাকবে৷ শুধু দু-জনে একসাথে থাকা সামাজিক ভাবে৷

    আলতো হেসে জিনিয়া বলেছিলো, ম্যারেড চিহ্নটাই যথেষ্ট জিনিয়া মুখার্জীর ক্রেজ টা নষ্ট করার জন্য৷

    হঠাৎ চেঁচিয়ে উঠলেন ডিরেক্টর সমীর গুপ্তা৷

    রিতেশ… পারফেক্ট হচ্ছে না৷

    বার তিনেক পর, মনের সাথে যুদ্ধ করে সুরটা সঠিক লাগলো ও৷ যদিও অন্যদিনের থেকে অনেকটাই খারাপ৷ তবুও চালিয়ে নেবেন ডিরেক্টার৷

    অন্যমনস্ক রিতেশ গাড়ির বেল্ট না লাগিয়েই স্টার্ট দিলো গাড়িতে৷ ট্রাফিক পুলিশ ধরেও ছিলো, নেহাত স্টার ,পরিচিত নাম তাই আজকের মতো ছাড়া পেলো৷

    রাতেই দিদির ফোন এলো৷

    কিছুটা বীতশ্রদ্ধ হয়েই রিতিকাকে বলে দিলো রিতেশ, জিনিয়া আমার ফ্রেন্ড, সহ গায়িকা৷ হঠাৎ ওকে বিয়ের কথা বলছিস কেন?

    দিদির গলায় দ্বন্দ্বের সুর৷ তুই ঠিক বলছিস ভাই, তুই আমার পছন্দের মেয়েকেই বিয়ে করবি? নিশ্চিত থাক ভাই, আমি তোর মনের মতো মেয়েই জোগাড় করে আনবো৷ যে তোর গানকে সম্মান করবে৷

    নিশ্চুপ হয়ে শুনছিলো রিতেশ৷ বারংবার কানের কাছে পরিচিত কণ্ঠস্বর… সরি রিতেশ, তোমাকে বিয়ে করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়৷ প্রথম দেখা থেকে আজ পর্যন্ত সমস্ত ভালোলাগা, খুনসুটি, সুরের মূর্ছনা যেন চোখের সামনে দিয়ে ক্রমশ বেরঙিন হয়ে উঠছে৷ জিনিয়ার সাথে কাটানো সব রামধনু রাঙা সময়গুলো হঠাৎ করেই ধূসর আকাশের মলিনতা নিয়ে হাজির হচ্ছে রিতেশের সামনে৷

    হয় দিদির কথায় রাজি হতে হবে, নয় জিনিয়ার কাছ থেকে অপমানিত হয়েও ওর সাথে ছন্নছাড়া জীবন কাটাতে হবে রিতেশকে৷ এত সাফল্য পাওয়ার পর রিতেশের ইদানীং মনে হচ্ছে জীবনটা যেন লক্ষ্যহীন হয়ে যাচ্ছে রিতেশের৷ দিনের শেষে একটা নিরবিচ্ছিন্ন অবসর, একজন একান্ত সঙ্গী… এগুলোর বড্ড প্রয়োজন জীবনে৷ শুধু সাকসেস আর কেরিয়ারে উন্নতি দিয়ে জীবন চালানো সম্ভব নয়৷ জিনিয়া কোনোদিনই রিতেশকে বিয়ে করবে না সেটা আজ ওর কথায় পরিষ্কার৷

    মনখারাপি বাতাসটা চবিবশ ঘন্টা রিতেশের চারিদিকে ঘুরছে৷

    ততদিনে কানাঘুষোয় ম্যাগাজিনের চমকদার খবর হয়ে উঠেছে, রিতেশ আর জিনিয়ার ব্রেকআপ এর ঘটনাটা৷ ওরা শুধুমাত্র প্রফেশনাল ব্যাপারেই এক সাথে গাইবে৷ মুখরোচক খবরের খোরাকে জিনিয়ার অবশ্য খারাপ লাগা তৈরি হয়নি৷ বরং রিতেশকে পরিষ্কার বলেছে, এই নেগেটিভ প্রচারেও ওর ক্রেজ বাড়বে বৈ কমবে না৷

    মনমরা রিতেশের উদাস মনের খবরটা হয়তো দিদির কাছে মা-ই পাঠিয়েছিল৷ তাই দিদি ফোনে নির্দেশ দিল, দুদিনের জন্য আমার বাড়ি থেকে ঘুরে যা৷ দুই ভাইবোনে মিলে বিন্দাস মস্তি করবো৷

    দিদির ডাকে সাড়া দেবে না অতটাও বড়ো সড়ো ব্যক্তিত্ব কখনোই নিজেকে ভাবে না রিতেশ৷ তাই দিদির নির্দেশে নিজের ব্যস্ত সিডিউল থেকেও তিনদিন বের করে চলে গেল শিলিগুড়ি৷ জিজু চাকরি সূত্রে এখন শিলিগুড়িতেই আছে৷ তাই রিতিকাও স্বামী অশোকের কাছে শিলিগুড়ির সরকারি বাংলোতেই জমিয়ে সংসার পেতেছে৷ রিতেশকে পেয়ে যেন হাতে স্বর্গের চাঁদ পেলো দিদি৷ সেই স্কুল বেলার মতোই রাগী চোখে বললো, কি চেহারা করেছিস নিজের! ওই মেয়ের জন্য আমার এত সুন্দর ভাইয়ের চোখের নীচের কালি পড়েছে? এভাবে ভাইকে দেখতে মোটেই ভালো লাগছে না রিতিকার৷ তার সেই খুনসুটি করা,অভিমানী ভাইটা যেন সম্পূর্ণ অন্য এক মানুষ৷ বড্ড নিশ্চুপ৷ নিভে আসা আলোয় ছাদে গিয়ে এক মনে গান গাইছিল রিতেশ৷ গলায় এক অদ্ভুত নীরবতা,গভীর বেদনা৷

    অটোগ্রাফ প্লিজ… কোনো নিউজ পেপারে তো খবর বেরোয়নি যে সিঙ্গার রিতেশ দত্ত আমাদের শিলিগুড়িতে আসছেন৷ ময়ূরপঙ্খী রঙের সালোয়ার পরা মেয়েটা উত্তেজনায় তিরতির করে কাঁপছে৷ যেন সামনে স্বয়ং ঈশ্বরকে দেখেছে৷ চমকে উঠেছে রিতেশ৷ দিদির ছাদে এই মেয়েটা কি করছে ?

    রিতেশের চোখের কৌতুহল নিবারণ করতেই বলে উঠলো, আমি রিতিকা বউদির পাশের বাড়িতেই থাকি৷ ওই যে আমাদের বাড়ি৷ ছাদ থেকে দেখলাম,আপনি গান গাইছেন৷ আর নিজেকে বশে রাখতে না পেরে চলে এলাম৷ চায়ের ট্রে হাতে পিছন থেকে দিদি ডেকে উঠলো, ওমা সায়নী… তুই! তুই চিনিস রিতেশকে?

    সায়নী বলে মেয়েটি একমুখ হেসে বললো, চিনবো না মানে! আমাদের ইউনিভার্সিটির সকলেই ওনার পাগলের মতো ফ্যান ছিলাম৷

    রিতেশ বললো, ছিলেন! মানে এখন আর নেই?

    সায়নী জিভ কেটে বললো, ধুর, তাই বললাম বুঝি? এখনো আছি, সারাজীবন থাকবো৷

    দিদি মুচকি মুচকি হাসছে দেখেই অস্বস্তি হচ্ছে রিতেশের৷ সায়নীর কোনো লজ্জার বালাই নেই৷ সে তখন তার হাতের ছোট্ট ডায়রী আর পেনটা ধরে আছে রিতেশের সামনে৷ সায়নীর কথা বলার মধ্যে এক অদ্ভুত সরলতা৷

    চোখে তখনও পছন্দের গায়ককে দেখার অপরিসীম বিস্ময়৷ বহুবার বহু প্রোগ্রামে গিয়ে এরকম অনেক ফ্যানের সম্মুখীন হয়েছে রিতেশ, তাই নতুন কিছু নয়৷

    তবে আলটপকা সায়নী যে কথাটা বলে বসলো তার জন্য বোধহয় রিতিকাও প্রস্তুত ছিলো না৷ রিতেশ তো নয়ই৷

    রিতেশ স্যার, আর যাই করুন ওই শাকচুন্নি টাইপের মহিলাটাকে বিয়ে করবেন না৷ প্রথম দিন জিনিয়া মুখার্জীর সাথে আপনাকে দেখে আমরা সবাই বলেছিলাম,ইস! রিতেশ স্যারের চয়েসটা ভালো না৷

    দেখতে ভালো হলেই কি আর ভালো মনের মানুষ হয়! ওই জিনিয়া ম্যাডাম কিন্তু আপনার প্রতি জেলাস৷

    রিতেশ চমকে তাকিয়েছিলো অপরিচিত মেয়েটার দিকে! কি আশ্চর্য বিশ্লেষণ ক্ষমতা মেয়েটার৷ একটা স্টেজ শো দেখে বুঝতে পেরে গেলো আসল ঘটনাটা৷ এটা রিতেশও অনেকবার ফিল করেছে, বারবার নিজের মনকে শাসন করে বলেছে, ছি! ভালোবাসাকে সন্দেহ করছো?

    জিনিয়া রিতেশকে ভালোবাসে, ও কেন ওকে হিংসা করবে! তবুও জিনিয়ার কয়েকটা ব্যবহারে হিংসাটা এতটাই প্রকট হয়েছে, যে কষ্টে মুচড়ে উঠেছে রিতেশ৷

    সায়নীর কথাটা শুনেই চুপ করে গেছে রিতেশ৷ একজন ফ্যানের কাছ থেকেও শুনতে হলো জিনিয়ার নামে৷ জিনিয়া ওদের ভালোবাসা, সম্পর্ককে অস্বীকার করলেও… রিতেশ ওর নামে নিন্দা করতে পারবে না কারোর কাছে৷

    রিতিকা মেয়েলি কৌতুহলে বলে উঠলো, এই সায়নী কি করে বুঝলি?

    সায়নী গল্প বলার ঢঙে বললো, আরে আমাদের মিলন সংঘের পঞ্চাশ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে যখন রিতেশ স্যার আর জিনিয়া ম্যাম এসেছিলো তখনই খেয়াল করেছিলাম, মাউথপিসে মুখে একটা কথা বলার পরেই জিনিয়া ম্যাম রিতেশ স্যারের সাথে মাইক চেঞ্জ করলেন৷

    রিতেশ স্যারের মাইকের সাউন্ডটা অনেক বেটার ছিলো৷

    তুমিই বলো, রিতিকা বউদি, ভালোবাসলে কেউ পারতো এটা করতে! বরং খারাপটা নিজে নিয়ে ভালোটা ভালোবাসার মানুষকে দিতো৷

    এতক্ষনে হাসি পেয়ে গেল রিতেশের! মেয়েটা যেভাবে ভালোবাসার সরলীকরণ করলো, জিনিয়া শুনলে হেসেই লুটিয়ে পড়তো৷ বলতো, ক্যারিয়ারের আগে সিলি লাভ কখনোই আসতে পারে না৷

    দিদিটার আর আক্কেল জ্ঞান হবে না কোনোদিন৷

    সায়নীকে জিজ্ঞেস করলো, জিনিয়ার জায়গায় তুই থাকলে কি করতিস?

    সায়নী বললো,আমি রিতেশ স্যারকে আগলে রাখতাম৷

    বলতেই দিদি বললো, রিতেশ-এর সারাজীবনের দায়িত্ব যদি তুই পাস কি করবি?

    শেষ বিকেলের আলোয় সায়নীর মুখে অস্তগামী সূর্য একমুঠো লালচে লজ্জা ছড়িয়ে দিলো৷

    বকবক করা মেয়েটাও নিমেষে চুপ করে গেলো!

    হাসি পাচ্ছিলো রিতেশের৷ এই মেয়ে আবার লজ্জাও পায়!

    ছাদ থেকে দুরদুর করে নেমে গেলো সায়নী৷

    রিতেশ দিদির দিকে তাকিয়ে বললো, তুই কি চবিবশ ঘন্টা ঘটকালি করে যাবি?

    কেন, মেয়েটাকে তোর পছন্দ হয়নি?

    এই মুহূর্তে পছন্দ অপছন্দ নিয়ে কিছুই ভাবে নি রিতেশ৷

    জিনিয়া আর ওর কাটানো টুকরো টুকরো মুহূর্তগুলো বারবার ফিরে আসছে, আড়াল করে দাঁড়াচ্ছে দৃষ্টিপথ৷

    ভাবনা শক্তিকে আচ্ছন্ন করে দিচ্ছে৷ ওর এতদিনের সাধনা গানও যেন জিনিয়ার মতোই রিতেশকে ছেড়ে চলে যেতে চাইছে৷

    দিদি আলতো করে মাথায় হাত রেখে বললো, ভাই… বল না, সায়নীর মতো সহজ সরল একটা মেয়েকে তুই জীবনসঙ্গিনী হিসাবে চাস কিনা! যে তোকে প্রতিযোগী ভাববে না, বরং আগলে রাখবে৷

    রিতেশের ভাবনা শক্তি আপাতত অচল৷ মিডিয়া, ম্যাগাজিনের গসিপ, জিনিয়ার বিদ্রুপ… রিতেশের অবশ মন পারছে না এতকিছু একসাথে সামলাতে৷

    তুই আমাকে আমার থেকেও ভালো চিনিস দিদি৷ তুই যা ভালো মনে করিস কর৷

    রিতেশকে আর কিছুই বলতে হয়নি৷

    সায়নীর বাবা মায়ের সাথে কথা বলা থেকে শুরু করে বিয়ের শপিং সব একা হাতেই সামলাচ্ছে রিতিকা৷

    শুধু সায়নীকে বিশ্বাস করাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছিলো, যে সিঙ্গার রিতেশ দত্তর সাথেই সায়নীর বিয়েটা হচ্ছে ৷

    সায়নী শুনেই বলেছিলো, চিমটি কেটে দেখো তো আমাকে, আমি ঠিক শুনছি কিনা! মাত্র মাস দুয়েকের মধ্যেই সায়নী আর রিতেশের এনগেজমেন্টের ছবি বিভিন্ন ম্যাগাজিনে বেরিয়ে গেলো৷

    সায়নী নিতান্তই ঘরোয়া মেয়ে৷ মাস্টার্স ফাইনাল ইয়ারের স্টুডেন্ট৷ সে তুলনায় রিতেশ পেশায় ইঞ্জিনিয়ার, সাথে প্লে ব্যাক সিঙ্গার হওয়ায় ফিসফিসটা একটু বেশিই সরব হয়ে উঠলো৷

    রিতেশ দত্তর মত হ্যান্ডসাম গায়ক শেষে একটা ঘরোয়া মেয়েকে বিয়ে করেছে! কানে কানে এটাও চললো যে, জিনিয়া মুখার্জির কাছ থেকে ল্যাং খেয়েই এই চট জলদি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছে রিতেশ৷

    ম্যাগাজিনগুলো যে সায়নীর চোখে পড়েনি তা নয়, কিন্তু স্টারদের সম্পর্কে এমন অনেক গসিপ বাজারে চলে, ভেবেই এড়িয়ে গেছে ও৷ এছাড়া রিতিকা বউদিও বলেছে ওরা নাকি শুধুই কো সিঙ্গার৷

    তাছাড়া প্রিয় সিঙ্গারের জীবনসঙ্গিনী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর সায়নীর চোখের সামনে তখন রামধনুর রঙের খেলা৷

    রিতেশ একটু গম্ভীর স্বভাবের আর সায়নী প্রাণচঞ্চল৷ তাই ফোনে যেটুকু কথা হয়েছে তাতে রিতেশের হ্যাঁ হুঁ এর জবাবে সায়নীর মহাভারত শেষ হয়েছে৷ একদিন রিতেশ বলেছিলো, সায়নী একটু দম নিয়ে, জল খেয়ে আবার শুরু করো, না হলে হাঁপিয়ে যাবে৷

    সায়নী খিলখিল করে হেসে বলেছিলো, আমার অভ্যাস আছে, চিন্তা করো না৷

    সায়নীর এই অনবরত বকমবকম করার ফলেই হোক অথবা দুঃখ ক্ষণস্থায়ীই হোক… এই প্রথম রেকর্ডিং রুমে ঢুকে জিনিয়াকে দেখেও না দেখার অভিনয়টা করতে পারলো রিতেশ৷

    বরং জিনিয়াই আগবাড়িয়ে এগিয়ে এসে ওর এনগেজমেন্টের জন্য অভিনন্দন জানালো৷ সাথে এটাও বললো, এই ভালো হলো রিতেশ, তোমার বাবা মাকে শান্ত করার জন্য এমনই একটা ঘরোয়া মেয়ের দরকার ছিলো৷ আমি তো বলেইছি, ভালো আমি তোমাকেই বাসি, শুধু বিয়েটাতেই আপত্তি ছিল৷

    বিয়ের পরেও আমার ফ্ল্যাটের দরজা তোমার জন্য খোলা থাকবে৷

    হঠাৎ কেমন একটা অস্বস্তি হতে শুরু করলো রিতেশের৷ আচমকাই সায়নীর মুখটা ভেসে উঠলো চোখের সামনে৷

    মহানন্দার ক্ষীণ জলের ধারার সামনে দাঁড়িয়ে আগত সন্ধ্যের কনে দেখা আলোয় দেখা সায়নীর সরল মুখটা যেন ব্যঙ্গ করে বললো, সুরের সাধকের ভিতরের রূপটা ঢেকে রাখো রিতেশ৷

    কথা না বলেই বিক্ষিপ্ত মন নিয়েও রেকর্ডিংটা শেষ করলো ও৷

    ফেরার পথেও জিনিয়ার চোখের ইশারায় নিজেকে বড্ড অবাঞ্ছিত লাগছিলো৷

    বারবার মনে হচ্ছিল জিনিয়ার সাথে কাটানো মুহূর্তগুলো মিথ্যে হয়ে যাক৷ কোনো একটা বিশেষ উপায়ে স্মৃতিভ্রষ্ট হয়ে রিতেশ ভুলে যাক পুরোনো সব কথা৷

    বিয়ের আর মাত্র দিনপনেরো বাকি৷ এখনো রিতেশের মনের দোলাচল মিটেছে না৷ সায়নীর মতো সাধারণ মেয়েকে কি ও আদৌ কোনোদিন ভালবাসতে পারবে! নাকি চোরাবালির অন্ধকার ক্রমশ গ্রাস করে নেবে ওদের বিবাহিত জীবন৷

    দিদি বলেছিলো, সায়নী নাকি গান গায়৷ খারাপ নয়, বেশ ভালোই গায়৷ যদিও রিতেশ এখনো শোনেনি৷ তবে দিদির ওই খারাপ নয় কথাটা শুনেই বুঝেছিল, সায়নী ওই হারমোনিয়াম নিয়ে বসে গান জানি বলা টাইপের পাবলিক৷

    মা বলেছিলো, সবাইকে যে ভালো গাইতেই হবে তা তো নয়, গান ভালোবাসে যখন তখন তোর সমস্যা কি রে খোকা?

    বাড়ির সকলেই বোধহয় জিনিয়া নামক কেরিয়ার সচেতন গায়িকাকে ঠিক বউ হিসেবে মেনে নিতে পারছিলো না৷ এখন ঘরোয়া বউ পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে৷ কিন্তু রিতেশের মনে জিনিয়া একটা অন্য অনুভূতি৷ জিনিয়া যখন খালি গলায় বেহাগের তানকারী করে তখন যে বিহ্বলতা কাটতেই চায় না রিতেশের৷ জিনিয়ার জন্য একটা আলাদা সম্মান তোলা আছে রিতেশের মনে৷ সায়নীকে সেই অর্থে ভালোবাসতেই পারবে না রিতেশ৷ জীবনসঙ্গী হলেই যে মনের নির্দিষ্ট আসনটা দখল করতে পারবে এমন ভাবাটাও তো অর্থহীন৷

    মোটামুটি টলিউডের প্রায় সব ভি. আই. পি.-রাই নিমন্ত্রিত হয়েছে৷ মিডিয়া কভারেজ হবে ওদের বিয়ের অনুষ্ঠানটা৷ সায়নীর পোশাকটাও রীতিমতো ফ্যাশন ডিজাইনার দ্বারা প্রস্তুত৷ এত কথা বলা সায়নীও আজ একটু ঘাবড়ে গেছে৷

    শিলিগুড়ি থেকে ওরা কলকাতায় চলে এসেছে বিয়ের চারদিন আগেই৷

    একটাই রিসেপশনে পার্টি রাখা হয়েছে রিতেশ আর সায়নীর বিয়ের৷ বিয়ের আসরে কোনো জাঁকজমকের কমতি নেই৷ শুধু রিতেশের মুখের বিষণ্ণতাটা নিখুঁত মেকআপ বা শেরওয়ানির ঝলমলানিতেও কমানো গেল না৷

    আলতো করে কেউ বললো, জিনিয়া মুখার্জী এসেছেন৷ গোটা হলে একটা সরগরম আওয়াজ৷ জিনিয়া জানে ঠিক কখন আর কোথায় কীভাবে নিজের দিকে ক্যামেরার ফোকাস নিয়ে নিতে হবে৷ প্লেব্যাক না করে অভিনয় করলেও জিনিয়া বেশ নাম করতো৷

    প্রতিটা পদক্ষেপ মাপা, মুখের কৃত্রিম হাসিটা পর্যন্ত নিখুঁত৷

    ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে জিনিয়া৷ রিতেশের দমটা বন্ধ হয়ে যাবে যেন,জিনিয়া আর রিতেশের দূরত্ব এখন মাত্র চার পা৷ না, রিতেশের দিকে না এগিয়ে জিনিয়া সোজা চলে গেল সায়নীর চেয়ারের কাছে৷

    সায়নীকে তখন ঘিরে রয়েছে ওর বন্ধুবান্ধবেরা৷ তার মাঝেই জিনিয়া ব্যাগ থেকে গয়নার ছোট্ট বক্সটা বের করে সায়নীর হাতে দিয়ে বললো, একদিন রিতেশই এই আংটিটা পরিয়ে দিয়েছিলো আমাকে, আমি আজ তোমাকে দিয়ে দিলাম৷

    চমকে উঠেছে রিতেশ৷ জিনিয়ার হাতে সেই আংটিটা, যেটা জিনিয়ার গত বছরের বার্থ ডেতে রিতেশ গিফট করেছিলো৷ আজ ওর বিয়ের দিন জিনিয়া যে এভাবে প্রতিশোধ তুলবে ভুলেও ভাবেনি রিতেশ৷ জিনিয়ার এই রাগের একটাই কারণ জিনিয়া লিভ ইনে বিশ্বাসী হলেও বিয়েতে নয়৷

    সায়নী মুচকি হেসে বললো, আপনার বন্ধু আপনাকে গিফট করেছে, আপনি কেন সেই বন্ধুত্বের মর্যাদা না রেখে তার দেওয়া গিফটটা আমাকে দিয়ে দিচ্ছেন সেটাই বুঝলাম না৷

    আমার উপহারটা ডিউ থাক ম্যাডাম,আমি অন্যকে দেওয়া জিনিস গ্রহণ করি না৷

    জিনিয়া মুচকি হেসে বললো, তাহলে তো রিতেশকেও বিয়ে করা উচিত নয় তোমার৷ রহস্যের হাসি জিনিয়ার মুখে, মুখ নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে রিতেশ৷

    সায়নী বললো, মেয়েদেরও যেমন বিয়ের পরে মেয়েবেলার পরিচয়টা মুছে যায়, তেমনি ব্যাচেলার ছেলেও বিয়ের পরে সম্পূর্ণ অন্য মানুষ হয়ে যায়৷ আমি বিবাহিত রিতেশকে ভালোবাসবো, তার অতীতকে নয়৷

    ছবি দেখে মেয়েটাকে যতটা সাদাসিধে মনে হয়েছিল সেটা যে নয় তা বুঝে গেছে জিনিয়া৷ সায়নীর কথায় রীতিমতো অপমানিত বোধ করছিলো ও৷ এমনিতেই ওর প্রস্তাবে রাজি না হয়ে রিতেশের এই হটকারীর মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসাটাকেই ঠিক সহ্য করতে পারছে না জিনিয়া৷ তারপর আবার রিতেশের নতুন বউ-এর লম্বা চওড়া কথা!

    ফুলশয্যার রাতেই রিতেশের অন্যমনস্ক মুখটার দিকে তাকিয়ে সায়নী বললো, সম্পূর্ণ ইচ্ছের বিরুদ্ধে বিয়েটা না করলেও পারতে৷ আমি না হয় আমার পছন্দের সিঙ্গারকে জীবনসঙ্গী পেয়েছি ভেবে কাটিয়ে দেব, কিন্তু তুমি?

    সায়নীর সেই উৎফুল্লতা আর নেই, চোখে মুখে একটা না বলা কষ্ট কষ্ট অনুভূতি৷ রিতেশের খারাপ লাগছে, আবার সায়নীকে আঁকড়ে ধরতেও পারছে না নিজেকে উজাড় করে! অদ্ভুত একটা নিস্তব্ধতা ঘিরে রয়েছে জুঁই ফুল আর গোলাপ দিয়ে সাজানো ফুলশয্যার বিছানাটাকে৷

    আজ বকবক মেয়েটাও চুপ৷

    শুধু একবারই বললো, তার মানে ম্যাগাজিনের গসিপ মিথ্যে হয় না!

    জিনিয়া মুখার্জী আর রিতেশ দত্ত তারমানে শুধু বন্ধু নয়!

    রিতেশ চুপচাপ পাশ ফিরে শুয়ে পড়লো৷ রক্ত গোলাপগুলো পাঁপড়ি মেলে বিদ্রুপ করলো ফুলশয্যা নামক স্বপ্নের রাতটাকে৷

    রিতেশের বাবা মা তো সায়নী বলতে অজ্ঞান৷ রিতিকাও যেন দু-হাতে আগলে রেখেছে সায়নীকে৷ সত্যি বলতে কি রিতেশ ওর বাবাকে অনেকদিন পরে এত এত কথা বলতে দেখলো, হাসতে দেখলো… সেটা শুধুমাত্র সায়নীর জন্যই৷

    রেকর্ডিং-এ যাওয়ার আগে রিতেশের প্রয়োজনীয় জিনিস সুন্দর করে গুছিয়ে রাখে সায়নী৷ কর্তব্যের কোনো ঘাটতি নেই, শুধু সেই আগের মতো হাসিটা আর নেই ওর মুখে৷ ওর এই চুপ হয়ে যাওয়াতেই রিতেশ আরও গুটিয়ে নিয়েছে নিজেকে৷ মেয়েটার মুখের প্রতিটা নিষ্পাপ রেখা যেন আঙুল তুলে রিতেশকে বলে, তুমি ঠকিয়েছ আমাকে! তোমার গানে পাগল ছিলাম বলেই সুযোগ নিয়েছো৷

    সত্যিই কি তাই! সায়নীকে বিয়ের আগে কি একবারও মনে হয়নি রিতেশের যে, দেখুক জিনিয়া, আমি ওকে ছেড়েও বাঁচতে পারি৷

    হঠাৎই সোমবার রেকর্ডিং ক্যানসেল হয়ে যাওয়ায় তাড়াতাড়ি ফিরে এলো রিতেশ৷ দরজার বাইরে থেকেই শুনতে পেল, কেউ একটা গান গাইছে, ওর ঘর থেকেই ভেসে আসছে আওয়াজটা৷ গলার স্বরে মাদকতা না থাকলেও সুর জ্ঞান প্রখর৷ সায়নী গাইছে, মা বলছে, তুই তো খোকার কাছে শিখতে পারিস৷

    সায়নী উদাস মুখে বললো, তোমার খোকার সময় কোথায় সময় নষ্ট করার!

    সায়নীর গলায় ভেজা কান্নার সুর৷

    ঘরে ঢুকতেই মা বললো, খোকা তুই তো কোনোদিন আমাদের গান শোনাস না, সবই যন্ত্রের মাধ্যমে শুনতে হয়৷ সায়নী…

    মেয়েটা যেন কয়েক মাসেই রিতেশের বাবা মাকে নিজের দিকে টেনে নিয়েছে৷ বিরক্ত হয়েই রিতেশ বললো, আগে গানটা শিখুক, তারপর গাইবে…

    হারমোনিয়াম বাজালেই গান হয় না৷

    সায়নী আলতো করে বললো, আমি তো জিনিয়া মুখার্জী হতে চাইনি৷

    আজই জিনিয়ার সাথে কাটিয়েছে বেশ কিছুক্ষণ৷ নিজেরাই গানে গানে একটা মায়াবী পরিবেশ তৈরি করেছিলো জিনিয়ার ফ্ল্যাটের অন্ধকার ড্রয়িংরুমে৷ জিনিয়া রিতেশকে বিয়ে করেনি ঠিকই, কিন্তু কেউ জিনিয়াকে অপমান করলেই রিতেশের বুকে এসে বিঁধে যায়৷ জিনিয়া আজই বলছিলো, তোমার বউকে পেয়ে কি আমাকে ভুলে গেলে?

    রিতেশ বুঝিয়ে বলেছে জিনিয়াকে, সায়নী ওর নামে মাত্র বউ৷ সকলের সামনে একটা মুখোশ মাত্র৷

    রিতেশ রাগী চোখে বললো, যে কেউ চেষ্টা করলেই জিনিয়া মুখার্জী হতে পারে না সায়নী৷

    ইদানীং সায়নীকে দেখলেই কেমন অসহ্য লাগছে৷ কেন যে মরতে বিয়েটা করতে গিয়েছিলো! তার থেকে জিনিয়ার প্রস্তাবে রাজি হয়ে লিভ ইন করলেই বেটার হত৷ এত সাধারণ একটা মেয়ে রিতেশ দত্তর বউ হতে পারেনা৷ ইদানীং রিতেশ-এর নিজের লেখা কথা, ওরই সুর আর গলায় গাওয়া গানগুলো মারাত্মক ভাইরাল হচ্ছে৷ জিনিয়া বললো, মার্কেটে তো এখন একটাই নাম…

    পরিচালকদের সব গাড়িই তো এখন রিতেশ দত্তর বাড়ির দিকে ছুটছে৷

    যদিও নন্দন বলে ছেলেটাও কম্পিটিশনে আছে৷ অদ্ভুত লিরিক্স তৈরি করে ছেলেটা৷ ওর গানের কথাগুলোর জন্যই রিতেশ নাম্বার ওয়ানে পৌঁছাতে পারছে না৷

    ‘মেঘের বাড়ি’ ছবিতে সব থেকে পপুলার গানটা নন্দনের গাওয়া৷

    ‘তোমার মনের ঘরে অন্য কারোর বাস৷ বর্তমানে থেকেও আমি রইলাম পরবাস৷’

    গানটার জন্য সম্ভবত নন্দন জাতীয় পুরস্কার পাবে৷ মনমরা হয়ে বসেছিলো রিতেশ৷ জিনিয়া বললো, নন্দন তো আগেও গাইতো, কই এত ভালো লিরিক্স তো ছিলো না৷

    আজকের পার্টিতে নন্দনেরও আসার কথা আছে৷

    এই মুভিতে জিনিয়া, রিতেশ আর নন্দনের একসাথে একটা গানের সিকোয়েন্স আছে৷

    নন্দনের সাথে সেভাবে সামনা সামনি পরিচয় নেই রিতেশের৷

    একেবারেই নতুন ও ইন্ডাস্ট্রিতে৷ একবছরেই বেশ নাম করে ফেলেছে৷

    নন্দনের পরনে সাদা কালো পাঞ্জাবি৷ মুখে বেশ একটা অহংকারী ব্যক্তিত্ব৷ রিতেশ আর জিনিয়াকে বললো বটে আপনাদের থেকেই শিখছি৷ কিন্তু চোখে মুখে অহংকার পরিষ্কার৷

    সামনেই ও জাতীয় পুরস্কার পেতে চলেছে সেই ভাবটাও বেশ পরিষ্কার৷ আরে নমিনেশন পাওয়া মানেই পুরস্কার পাওয়া নয়, গাম্বাট সেটাও জানে না, বললো জিনিয়া৷

    আপসেট রিতেশ বাড়ি ফিরেও ক্লান্ত মুখে বললো, সায়নী সম্ভবত নন্দন পাবে এবারের পুরস্কারটা৷ অন্তত খবর তাই বলছে৷

    সায়নী বেশ হেসেই বললো, তার মানে জিনিয়া মুখার্জী আর রিতেশ দত্তর থেকেও বেশি ভালো কেউ গাইতে পারে?

    রাগের মাথায় সায়নীর গালে একটা থাপ্পড়ই মেরে বসলো রিতেশ৷

    সায়নী বললো, বাহ! তোমার শুধু গলা নয়, হাতেও বেশ ছন্দ আছে তো৷

    আমি কি তোমাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম সায়নী?

    তুমি তো জানতে আমি জিনিয়াকে ভালোবাসি৷

    কথাটা বেশ চিবিয়ে চিবিয়ে বললো রিতেশ৷

    না, জানতাম না… বিয়ের রাতে জানলাম৷ তার আগে পর্যন্ত তুমি আর তোমার দিদি মিলে বুঝিয়েছিলে, এগুলো জাস্ট গসিপ৷ স্টারদের নিয়ে রটনা৷

    বিয়ের পরে যখন তোমার শার্ট-এ লিপস্টিকের দাগ আর লেডিস পারফিউমের গন্ধ পেয়েছি তখন বুঝেছি ওগুলো গসিপ নয়৷

    আপাতত আমি এসব জেনেও কেন তোমাকে ছেড়ে যাচ্ছি না জানো? কারণ নিজেকে আর মুখরোচক খবর করতে চাইছি না বলে!

    সায়নী চলে গেল রান্না ঘরে৷

    হাত না তুলেও থাপ্পড় মেরে গেলো রিতেশের গালে৷

    জিনিয়া শুনে বললো, দেখো রিতেশ এসব হলো জেলাস মেয়ে৷ নিজেদের কোনো ক্ষমতা নেই, যোগ্যতা নেই তোমার ওয়াইফ হবার, তাই হিংসা করছে৷

    তবুও তো ন্যাশনাল আওয়ার্ড প্রোগ্রামেতে আমার বাবা-মা জোর করে আমার সাথে সায়নীকে পাঠিয়ে দিচ্ছে গো৷ রিতেশের মুখেও বিরক্তি৷

    জিনিয়া চিমটি কেটেই বললো, ভালো তো, তবুও তো রিতেশ দত্তর বউ হয়ে একবারের জন্যও সিরিফোর্ট অডিটোরিয়ামে পা রাখতে পারবে ওই হিংসুটে টাইপ মেয়েটা৷ নিজের তো কোনো যোগ্যতা নেই তোমাদের হেঁসেল ঠেলা ছাড়া৷

    সত্যিই রিতেশের যে কি ভীমরতি ধরেছিলো, যে ওই সাধারণ মেয়েটাকে বিয়ে করে বসলো!

    জিনিয়া, তুমি কার সাথে যাবে?

    একমুখ হেসে জিনিয়া বললো, আমি মিউজিক ডিরেক্টার প্রতাপ রায়ের সাথে যাচ্ছি৷ মার্কেটে খবর আছে জিনিয়া মুখার্জীর নতুন প্রেমিক নাকি এই প্রতাপ রায়৷ বড়ো ঘাটেই নৌকা বেঁধেছে জিনিয়া৷

    রিতেশ জিজ্ঞেস করলেই জিনিয়া বলেছে, কেন রিতেশ বিয়ে তো তুমিও করেছো৷ ঘরে বউ রেখে তুমিও তো আসছো আমার ফ্ল্যাটে৷ তাহলে আমি কার সাথে মিশেছি তা নিয়ে তোমার এত আগ্রহ কেন!

    সপাটে যেন কেউ একটা চড় মারলো রিতেশের গালে৷

    দামি গাড়ি, অফুরন্ত টাকার আড়ালেও রিতেশ ভীষন অসুখী৷ অসুখী, কারণ সে জিনিয়ার মতো মেয়েকে ভালোবাসে! যে ভালোবাসার অর্থই বোঝেনা৷ এখন যেমন মিউজিক ডিরেক্টার প্রতাপ রায়কে ব্যবহার করছে সিঁড়ি হিসাবে৷

    সিরিফোর্ট অডিটোরিয়াম আজ তারকা খচিত৷ ন্যাশনাল আওয়ার্ড দেওয়ার অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে৷

    রিতেশের পাশের সিটটাতেই বসে আছে সায়নী৷ অন্য সময় হলে রিতেশের সাথে কোনো পার্টিতেই আসতে চায় না৷কলকাতার মধ্যেই বেরোতে চায় না সায়নী৷ আজ হয়তো নন্দনের কাছে রিতেশের পরাজয়টা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতে চাইছে সায়নী৷ গত এক বছরের রিতেশের কাছ থেকে প্রাপ্ত সব অপমানগুলোর মলম পড়বে রিতেশের হাত থেকে ন্যাশনাল আওয়ার্ডটা বেরিয়ে গেলো বলে৷ শুধু সায়নী কেন, জিনিয়াও চায় না পুরস্কারটা রিতেশ পাক!

    জিনিয়া এখন প্রতাপ রায়ের বাহু বন্ধনে আবদ্ধ হয়েই হলে প্রবেশ করলো৷ আড়চোখে একবার তাকালো রিতেশের দিকে…

    সায়নীই আগ বাড়িয়ে বললো, আমি কি সামনের চেয়ারে যাবো, জিনিয়া মুখার্জী কি তোমার পাশে বসবে?

    অপমানে শরীরটা নীল হয়ে যাচ্ছে রিতেশের৷ সেই সময়েই ঘোষক সুললিত কন্ঠে ঘোষণা করলেন, ‘মেঘের বাড়ি’ মুভির লিরিক্স-এর জন্য ন্যাশনাল আওয়ার্ড পাচ্ছেন, সায়নী সেন৷

    গায়ক নন্দনের গলায় যে গানগুলো আপনারা শুনেছেন সেগুলোর রচয়িতা সায়নী সেন৷ অপরিচিত আর সম্পূর্ণ নতুন নাম সায়নী সেন৷

    রিতেশকে চমকে দিয়েই সায়নী উঠে গেলো মঞ্চে৷ পাশেই আরেকজন ন্যাশনাল আওয়ার্ড পাওয়া গায়ক নন্দন দাঁড়িয়ে আছে৷

    দত্ত নয়, সেন সারনেম ব্যবহার করেছে সায়নী! রিতেশের পরিচয়টা কি মুছে দিতে চাইছে! তাই আগের সারনেম? এখনো ধোঁয়াশার মধ্যেই রয়েছে রিতেশ৷ মেঘের বাড়ির মুভির পোস্টারে লিরিকিস্ট-এর নামটাই তো দেখা হয়নি৷ ভেবেছিলো নন্দনই হয়তো করেছে৷ নন্দন তো এখন বেশ কিছু গান নিজেই লিখে সুর দিয়েছে… তাই আর খেয়াল করা হয়নি৷

    সায়নীর হাতে মাইক, বলতে শুরু করেছে ও৷

    কি লিখেছি জানি না, কাটাকুটি করতে করতেই কয়েকটা গানের লাইন বেরিয়ে এসেছিলো আমার কলমে৷ ‘মেঘের বাড়ির’ পরিচালক তার মুভির জন্য লিরিক্স চেয়ে এড দিয়েছিলেন৷ শুধু খেলার ছলেই নিজের লেখা ওই হাবিজাবি শব্দগুচ্ছদের বন্দি করে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম৷ হাজার হাজার গানের ভিড়ে আমার কথাগুলো যে সিলেক্ট হবে, সেটাও কল্পনা করিনি৷ ভাবতেও পারিনি তারপর ‘মেঘের বাড়ির’ সব কটা লিরিক আমাকে লিখতে হবে৷ তবে সব থেকে প্রিয় ছিল, ‘তোমার মনে অন্য কারোর বাস,বর্তমানে থেকেও আমি রইলাম পরবাস’…

    আমি নিতান্ত সাধারণ মেয়ে, আমাদের শরৎ বাবুর সাধারণ মেয়ের মতো কোনো উচচাকাঙ্ক্ষাও ছিলো না সেলিব্রিটি হবার৷ সেলিব্রিটিদের দূর থেকে ভালোবেসেছি চিরকাল৷ তবুও আজ জাতীয় পুরস্কার পেয়ে আপ্লুত৷ এখনো স্বপ্ন স্বপ্ন সত্যি মনে হচ্ছে এই পুরস্কারটাকে৷

    নন্দন হাসি মুখে মাইক ধরেই বললো, শুধু লিরিক্সের জোরেই গানটা হিট৷ গায়কির জন্য পুরস্কার প্রাপ্ত গায়কও লিরিকিস্টকেই ক্রেডিট দিতে চাইছে৷

    থমথমে করছে রিতেশের ঘরের পরিবেশ৷ সায়নীর ডায়রির পাতায় অসংখ্য গান লেখা৷ তার মধ্যে বেশ কিছু অলরেডি নন্দন গেয়েছে৷

    রিতেশের বাবা, মা, এমনকী দিদিও জানতো সায়নী গান লেখে৷ শুধু রিতেশই ছিল অন্ধকারে৷

    পরিচিতরা ক্রমাগত ফোনে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠাচ্ছে রিতেশকে৷ এমন গুনের স্ত্রী পেয়েছে বলেই হয়তো৷ এমনকী জিনিয়াও বললো, তোমার বউ তো ছুপা রুস্তম৷ তবে তোমার সারনেম ব্যবহারে কি আপত্তি আছে তোমার বউ-এর?

    কাল রাতেই সায়নীকে জিজ্ঞেস করেছিলো রিতেশ, সায়নী কেন দত্ত ইউজ করেনি, সেন কেন? সায়নী ভারী গলায় বলেছিলো, দত্ত হলাম কবে?

    ক্ষমা চাইবে কি সায়নীর কাছে? আদৌ কি হয় ওর অপরাধের ক্ষমা!

    সায়নীর সম্মুখীন হতেই লজ্জা করছিলো রিতেশের৷ তবুও রাতের অন্ধকারে একই বিছানায় শুয়ে আলতো করেই ডাকলো রিতেশ৷ একবারও বললে না আমাকে? কেন সায়নী?

    অভিমানী গলাটা যেন বিদ্রুপ করলো রিতেশকেই! সায়নী ধীরে ধীরে বললো, অনেক রাত হলো, ঘুমিয়ে পড়ো৷ কাল তোমার রেকর্ডিং আছে!

    রিতেশ বললো, হোক রাত৷ ফুলশয্যার রাতেও তো আমরা ঘুমিয়েছিলাম আজ না হয় একসাথে ভোর দেখলাম৷

    মৃদু হেসে সায়নী বললো, এখনো তোমার গা থেকে জিনিয়া মুখার্জীর পারফিউমের গন্ধ আসছে রিতেশ৷ তোমার গায়ে খুঁজলে হয়তো এখনো দু চারটে লাভ বাইট পাওয়া যাবে জিনিয়ার৷ আমি আজও তোমার গানের ফ্যান৷ কিন্তু মানুষ রিতেশকে আমার বড্ড ঘেন্না৷

    প্লিজ রিতেশ, আমাদের সম্পর্কটা চার দেওয়ালের মধ্যেই থাকতে দাও,গসিপ বানিও না৷ বিয়ের রাতের আমাকে নিয়ে আড়ালের হাসি ঠাট্টা আজও ভুলিনি৷ আমাকে থাকতে দাও সাধারণ মেয়ে হয়ে৷ নিতান্ত সাধারণ হয়েই বাঁচতে চাই আমি৷ সাধারণ মেয়েদের এত সস্তা ভেবো না রিতেশ, আত্মসম্মান শব্দটা আমিও জানি৷

    নিজের নিঃশ্বাসের আওয়াজটাও যেন আজ ব্যঙ্গ করে উঠলো রিতেশকে৷ দূরে কোথাও গান বেজে উঠলো…

    তোমার মনে অন্য কারোর বাস,

    বর্তমানে থেকেও আমি রইলাম পরবাস…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }