Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কিছু অজানা কথা

    মা, বাবার কোনো ভালো ছবি আছে?

    শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে লাগবে যে! ওই পাসপোর্ট সাইজের ছবি থেকে ছবি করতে গেলে ছবিটা ভালো হচ্ছে না তো৷

    কি করবো বল সমু, তোর বাবা তো কখনো ছবি তুলতেই চাইতো না৷ সেই জোর করে ধরে বেঁধে কয়েকবার যে দুটো তুলিয়েছিলাম আমি৷ তাও তো নিজের স্ত্রীর পাশেও তোর বাবার দাঁড়াতে বড়ো আপত্তি ছিলো৷

    গজগজ করছে সৌমেন, কীসে যে ভদ্রলোকের আপত্তি ছিলো না সেটাই তো বুঝতে পারলাম না এই ছাবিবশের গোটা জীবনটায়৷ লোকজনের কাছে তো উত্তর দিতে দিতে জেরবার হয়ে গেলাম মা৷ কি করে হলো অ্যাকসিডেন্ট?

    আদৌ কি অ্যাকসিডেন্ট নাকি সুইসাইড৷ একটি আটান্ন বছরের বয়স্ক মানুষ কেন সুইসাইড করতে যাবে?

    বাড়িতে প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে বয়স্ক স্ত্রী থাকতেও৷

    লজ্জা করছে মা, ক্লাবে গিয়ে বসতেও খারাপ লাগছে৷ এমনকী টিউশনি পড়াতে গেছি, তো কোচিংয়ের ছেলেগুলো বলছে, স্যার আপনার বাবা এতদিন রেলে চাকরি করতেন, ডেলিপ্যাসেঞ্জারি করতেন… হঠাৎ কি করে ওই ঝরঝরে লোকাল বাসে চাপা পড়লেন?

    উনি কি কোনো অশান্তি করে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন?

    বোঝো মা! ওই লোকটা মরে গিয়েও আমাদের একটু শান্তি দিয়ে গেলেন না৷

    বিদিশাদেবী অঝোরে কেঁদে ফেললেন৷ কি করে বুঝবো সমু?

    মঙ্গলবারদিন সকাল বেলায় তোর বাবা বলল, বিদিশা, আজ একটু ভাত ডালের পাতে ছোটো বড়ি ভেজে দিও তো৷ আর একখানা গরম বেগুন ভাজা৷ কখনো অফিস যাবার আগে এত বায়না কখনো করে না মানুষটা৷ সকালে আমার যাতে ঝামেলা না হয় তাই, গরম ভাতে একটু ঘি ফেলে আলুভাতে দিয়ে ভাত খেয়েই চলে যায়৷ আমি বড়ি ভাজলাম, বেগুন ভাজলাম৷

    ভাত খেতে বসে অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললো, তুমি আমার সব আবদার রেখেছো বিদিশা?

    অথচ দেখো জীবনে কোনো সুখই তোমাকে দিতে পারলাম না৷ কেরানির চাকরিতে কটা টাকাই বা মাইনে পেতাম প্রথম জীবনে, তুমিই তো কষ্ট করে সংসার সাজিয়েছো৷ মাইনে তো বাড়লো এই বছর পাঁচেক৷ তখন তো সমুর লেখা পড়া, মাথার ওপর একটি নিজেদের ছাদের চিন্তা করতে করতে তোমার শখ আহ্লাদ পূরণ করা আর হয়ে উঠলো না বিদিশা৷

    কেন যে ওই দিন খেতে বসে তোর বাবা এই কথাগুলো আমাকে বলে গেল…

    মা আঁচল দিয়ে চোখের জল মুছে চলেছে৷

    মনে মনে একটু বিরক্তই লাগছে সৌমেনের৷ একে তো ও চাকরি বাকরি করে না৷ একটা কোচিং সেন্টারে পড়াতে শুরু করেছে সবে৷ না, ব্রিলিয়েন্ট রেজাল্ট ওর নয়৷ একেবারেই মিডিওকার৷ বাবার টাকায় অনেক টিউশনি নিয়েছিলো, এ লাইন-ও লাইনে পড়েও কিছু করতে পারেনি সৌমেন৷ বাবা বলতো, আসলে মন স্থির নেই সমুর৷ সব দিক খাবলাতে গিয়ে সবকিছু হারালো৷ কোনো কোর্সটাই ঠিক মতো করলো না৷

    দিনদিন বিরক্তিকর হয়ে উঠেছিলো বাবা৷ একটা হাড়কিপটে লোক৷ লোকে রেলে চাকরি করে কত প্রমোশন পায়, কত ঘুষ পায় আর এই নরেন অধিকারী সারাজীবন একই পোস্টে একই মাইনেতেই কাটিয়ে দিলো৷ সৌমেন একদিন রাগের মাথায় বলেছিলো, দেখো বাবা, তুমি সিম্পলি ধরে কয়ে পুলিস কেস করে চাকরিতে ঢুকেছিলে৷ আজকালকার দিন হলে আর ওই ডিগ্রি নিয়ে রেলে জয়েন করতে হতো না৷

    একশো দিনের কাজ করতে হতো৷

    বাবা হাসি মুখেই বলেছিলো, তা তুমিও একটা ধরে কয়ে চাকরি জোগাড় করো না৷ যদি কিছু টাকা লাগে সে না হয় আমি লোন করেও দেবো৷

    বাবার ওই হাসিটার মধ্যেই ছিলো একটা প্রচ্ছন্ন ব্যঙ্গ৷ আসলে বাবার কাছে সৌমেন জাস্ট গুড ফর নাথিং৷

    যদিও এই বয়েসে এসে সৌমেনেরও নিজের সম্পর্কে তাই ধারণা৷

    বিশেষ করে দয়িতা ওদের বছর চারেকের সম্পর্ক থেকে যেদিন নিষ্কৃতি চাইল সেদিনই ওর ধারণাটা দৃঢ় হলো নিজের সম্পর্কে৷

    ইচ্ছে করছিলো, বাস, ট্রেন অথবা ঘুমের ওষুধে প্রাণটা ত্যাগ করে৷ কিন্তু অকারণে বারবার মনে পড়ে যাচ্ছিলো, কি রে সমু, চা খাবি? মাথা ধরেছে? এত ভাবিস না৷ কিছু একটা হবেই৷

    অজ্ঞ মায়ের আশাবাণী৷ অনেকসময় এমন হয় যে, বর্তমান সমাজে, অর্থনীতি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও কেউ অনর্থক আশার কথা শোনালেও মৃতপ্রায় মনটা একটু সতেজ হয়৷ তাই মায়ের শুধুমাত্র কথার কথাগুলোও সৌমেনকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়৷ সেদিন মৃত্যুচিন্তা থেকে ফিরিয়ে এনেছিলো ওকে৷

    আর সেখানে কিনা,পরিবারের মান সম্মানের চিন্তা না করেই স্বার্থপর লোকটা এমন একটা কান্ড করে বসলো৷ সৌমেনের দৃঢ় বিশ্বাস বাবা অ্যাক্সিডেন্টে মরেনি৷ মৃত্যুটা ইচ্ছাকৃত৷

    কি গো মা, বললে না তো কোনো ভালো ছবি আছে কি?

    আরে হাতে তো মাত্র দিন দশেক৷ এত কাজ… ছবিটা করতে না দিলে ডেলিভারি দেবে না তো৷ পাসপোর্ট থেকে বড়ো করতে গেলেই গ্রেন আসছে৷

    মা ধরা গলায় বলল, ওই তোর বাবার বইয়ের আলমারিতে দেখ, আমাদের বিয়ের কিছু ছবি আছে বোধহয়৷

    মা, শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে বাবার অল্পবয়সে টোপর মাথায় ছবি থাকবে? লোক হাসাবো নাকি?

    বিরক্তি ঝরে পড়ছে সৌমেনের গলায়৷ কিন্তু মায়ের এই মানসিক অবস্থায় সেভাবে কিছু বলতেও পারছে না সৌমেন৷ মা সবেতেই কাঁদছে৷

    সৌমেনের অন্য চিন্তা হচ্ছে৷ বাবার ওই পেনশনের টাকাটাই ভরসা ওদের সংসারের৷ বাড়ি তৈরির জন্য লোনটা বোধহয় বাবা শোধ করে গেছে৷

    মায়ের কিডনির প্রবলেমের জন্য বেশ কিছু টাকা তো মাসের প্রথমেই খরচ হয়৷

    ওর টিউশনির টাকাটুকুতে তো নিজের নিকোটিনের ধোঁয়া, প্রতিমাসের নেট রিচার্জ, আর রাস্তায় টিফিনের খরচাতেই চলে যায়৷

    সব থেকে বড়ো সমস্যা হলো, কম টাকায় সংসার চালিয়ে চালিয়ে নরেন অধিকারী জেনে গিয়েছিলো, বাজারের কোন দোকানে একটু দাগি আলু কম দামে পাওয়া যায়, বা অন্ধপ্রদেশের মাছকে চালানি না বললেও টাটকা দেশি বলা হয় না বলেই একটু কম দামে পাওয়া যায়৷

    সৌমেনকে কোনোদিনই বাবা বাজারে পাঠাতো না, ভদ্রলোকের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, বোকা খদ্দের পেয়ে সকলে ঠকিয়ে দেবে৷

    হঠাৎই মাথার ওপরটা কেমন ছাদ শূন্য মনে হলো ওর৷ ছাতাটা সরে গেছে, মাথার ওপরে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে চামড়াটা জ্বলে উঠলো যেন৷ বাবার হাজার কথার ভিড়ের আর্দ্রতাটা এই প্রথম অনুভব করলো সৌমেন৷ বাবা মারা যাবার পর এই প্রথম৷ মুখাগ্নি করার সময়েও এতটা শূন্যতা ঘিরে ধরেনি ওকে৷ আজ কাছা পরে নিমন্ত্রণ করতে যাবার আগে যেন একটা অনিশ্চয়তার হিমেল স্রোত তিরতির করে বয়ে চলেছে ওর অপোক্ত শিকদাঁড়া দিয়ে৷ পারবে, ও কি আদৌ পারবে সংসারের দায়িত্ব নিতে৷ ওই মানুষটা তো সব দিক দিয়ে বেষ্টন করে রেখেছিল সৌমেনকে৷

    মায়ের কথা মতো, বাবার পুরোনো ডায়রি, অ্যালবাম ঘাঁটতে গিয়ে হাত পা ঠান্ডা হয়ে গেল সৌমেনের৷ এটা কি?

    কে এই কণিকা? বাবার ডায়রির পাতায় এই সাদা কালো ছবিটা কার?

    চুলের লম্বা বিনুনিটা বাঁদিকের কাঁধ দিয়ে নেমে এসেছে সামনে৷ ছবিটা বহুদিন আগের হলেও বেশ যত্নে রাখা ছিলো বোঝাই যাচ্ছে৷

    মা কখন পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে খেয়াল করেনি সৌমেন৷

    খুব ধীর গলায় মা বললো, ওটা যেমন ছিল রেখে দাও সমু৷ ওটা কণিকার ছবি৷ তোমার বাবার সাথে কলেজে পড়ত৷ তোমার বাবা সারাজীবন ওকে লুকিয়ে রেখেছিলো, আমি চাই ওর মৃত্যুর পরেও ওটা লুকানোই থাকুক৷

    চমকে গিয়ে সৌমেন জিজ্ঞেস করেছিলো, তুমি জানতে এই মহিলার কথা?

    মা বললো, জানতাম৷ তোমার বাবা ভালোবেসেছিলো কণিকাকে৷ ওরা ব্রাহ্মণ ছিলো বলেই তোমার বাবাকে মেনে নেয়নি ওদের পরিবার৷ কণিকার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যায়৷ তোমার বাবার মনের কোনো গোপন কোণেই শুধু কণিকার অস্তিত্ব ছিলো৷ আমার সংসার জীবনে নয়৷ তোমার বাবা আমাকেও বড়ো ভালোবাসতো৷

    অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে সৌমেন৷ ধন্য বঙ্গনারী৷

    এত কিছু জানত মা, তবুও বাবাকে এত সম্মান করতো?

    সৌমেন বললো, তাহলে কি বাবা এখন এই মহিলার জন্যই ডিপ্রেশনে গিয়ে সুইসাইড করলো?

    মা দৃঢ় গলায় বললো, না, ওটা অ্যাকসিডেন্ট, সুইসাইড নয়৷

    কণিকা কখনো আমাদের বিবাহিত জীবনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি ৷ এমনকী তোমার বাবা এই বাড়িটাও করেছে আমার নামে৷ আমার হাতে দলিল তুলে দিয়ে বলেছিলো, বিদিশা…এটা তোমার বাপের নয়, স্বামীর নয়, ছেলেরও নয়.. এটা শুধু তোমার বাড়ি৷

    মায়ের চোখে আবার জল ঝরছে৷

    বাবার মৃত্যুটা মা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না৷ মেনে কি সৌমেনই নিতে পারছে?

    সকালে বাবা বেরোনোর আগেই বাবার চকলেট কালারের চটি দুটোর পাশ থেকে নিজের চপ্পল দুটো পায়ে দিয়ে টিউশনে বেরিয়েছিলো৷ খবর পেয়ে যখন ফিরলো তখন বাবার বডি নিয়ে যাওয়া হয়েছে পোস্টমর্টেম-এর জন্য৷

    হঠাৎ ধাক্কাটা সামলে উঠেই সৌমেন বুঝেছিলো, বট গাছের গুঁড়িটা সপাটে কেউ উপরে দিলো যেন সংসারের মাথা থেকে৷

    মা শুধু একটাই দাবি করেছিলো, সমু তিনদিনে নয় দশ দিনে কাজ করো৷

    কিন্তু মা অপঘাতে মৃত্যু হলে তো…

    যেটা বলছি সেটাই করো৷ মায়ের গলায় কাঠিন্য৷ হয়তো আর কয়েকদিন কষ্ট করতে চাইছিলো বাবার জন্য৷

    বাবার একটা আগেকার ছবি থেকেই একটু বড়ো করে ছবি করতে দিলো সৌমেন৷ আশ্চর্য মানুষ ছিলো বাবা৷ কখনো ইচ্ছে করেনি একটা ভালো ছবি তুলতে৷ অবশ্য সৌমেনের অ্যান্ড্রোয়েডে বারবার নিজের বা দয়িতার ছবি তুলেছে আগ্রহে, কখনো নরেন অধিকারীর ছবি তোলা হয়ে ওঠেনি৷

    বাবার অফিসেও যেতে হবে নিমন্ত্রন করতে৷

    বাবার শ্রাদ্ধের কাজটা মিটে গেলেই সৌমেনকে একটা চাকরির জন্য উঠে পড়ে লাগতে হবে৷ এতদিন তো অনেক চেষ্টা করেছে৷ আসলে না আছে পরিচিতি, না আছে রেজাল্ট..এই বাজারে চাকরি পাওয়া অসম্ভব৷

    দয়িতা অসহায় গলায় সেদিন বলেছে, সৌমেন… বাড়িতে পাত্র দেখা শুরু করেছে৷ প্লিজ কিছু একটা করো৷

    আমি তোমার চোখের সামনে অন্যের হয়ে যাবো এটা মানতে পারবে তুমি?

    ভিতরটা কঁকিয়ে উঠেছিলো সৌমেনের৷ সত্যিই তো না আছে চাকরি, না ব্যবসা… দুটো কোচিংয়ের প্রাইভেট টিউটরের সাথে কেউ নিজের মেয়ের বিয়ে কেন দেবে৷ দয়িতা ওর বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান৷ বাবা মাকেই বা কষ্ট দেয় কি করে?

    বাবার অফিসে ঢুকতেই বাবার সিনিয়র বলেন, আরে তুমি নরেন বাবুর ছেলে তো?

    আমরা সব কাগজপত্র ক্লিয়ার করছি, তুমি বাবার চাকরিটা পেয়ে যাবে৷ রিটায়ারের আগেই নরেন বাবু মারা গেছেন৷ তাছাড়া উনি ভীষণ এফিসিয়েন্ট ছিলেন৷ ছেলে হিসাবে তুমিও নিশ্চয় ওনার মতোই৷

    ষাট-এ রিটায়ারের পরে যদি উনি মারা যেতেন তাহলে আর তুমি চাকরি পেতে না৷ কিন্তু হিসেব মতো ওনার এখনও প্রায় দেড় বছর চাকরি ছিলো৷

    নিমন্ত্রণ কার্ডটা কোনোমতে বাবার সিনিয়রের হাতে দিয়েই কোনোমতে টলতে টলতে বাড়ি ফিরে এলো৷

    বাবার ডায়রি খুঁজতে লাগলো৷ বাবা রোজ ডায়রি লিখতো এটা সৌমেন দেখেছে৷ কোন মাসে কতো খরচ হলো তার নিখুঁত হিসেব লেখা থাকতো নরেন অধিকারীর ডায়রির পাতায়৷

    সৌমেনের চিন্তাগুলো জট পাকাচ্ছে৷ এতক্ষণ ভাবছিলো, ওই কণিকা বলে মহিলার সাথে আবার যোগাযোগের রেশেই হয়তো…

    বাবা সুইসাইড করে বসলো, কিন্তু এখন তো মনে হচ্ছে… আর ভাবতে পারছে না সৌমেন৷

    ডায়রির পাতা উল্টে যাচ্ছে একটার পর একটা৷

    প্রথমে কিছু লেখা, কিছু হিসেব…

    তারপর বেশ কিছু পাতা ফাঁকা ৷

    না, কিছুই নেই… তাহলে কি অ্যাকসিডেন্ট?

    হয়তো ৷ ভুল ভাবছে সৌমেন৷ হয়তো রাস্তা না দেখে বাসে উঠতে যাবার জন্যই অঘটন ঘটেছে৷

    মা ডাকছে, হবিষ্যি করতে হবে৷ বেলা অনেক হল৷

    ডায়রিটা যথাস্থানে রাখতে গিয়েই চোখ পড়লো একেবারে শেষ পাতায়৷

    আমি তো অনেকদিন বাঁচলাম৷ জীবনের রং রূপ সবই পেলাম৷ ব্যাংকে কিছু টাকা জমালাম, বিদিশাকে একটা বাড়িও করে দিলাম মাথার ওপরে৷

    কিন্তু সমু? কাল রাতে সমুর কান্নার আওয়াজ পেলাম৷ হয়তো দয়িতা বেকার ছেলের স্ত্রী হতে পারবে না বলেই৷ দোষ তো দয়িতার নেই৷ দোষ তো কণিকারও সেদিন ছিল না৷ লোকে জানে আমরা ব্রাহ্মণ ছিলাম না বলে কণিকার সাথে আমার বিয়ে হয়নি৷ আসল কারণ ছিলো, তখনও আমি ছিলাম বেকার৷ কণিকা আমার হাত ধরে পালাতে চেয়েছিলো, কিন্তু খাওয়াব কি, রাখবো কোথায়! ভেবেই আমি নিরুদ্দেশ হয়েছিলাম৷ কণিকার বিয়ের পরে বাড়ি ফিরেছিলাম৷

    আমার জীবনের পুনরাবৃত্তি আবার ঘটবে সমুর জীবনে৷

    এখনো বছর খানেক চাকরি আছে আমার৷ এইসময় যদি আমি মরে যাই তাহলে সমু পাবে চাকরিটা৷ বাবা হিসাবে সমুর জীবনটা ধূসর হতে দেওয়া কি আমার উচিত?

    আমি চলে যাওয়ার পরে বছর খানেকের মধ্যেই সমু চাকরি পাবে৷ বিদিশার ঘরে বউমা আসবে৷ বিদিশাও আস্তে আস্তে ভুলবে ওর দুঃখ৷

    নরেন অধিকারী এবার তুমি বিদেয় নাও পৃথিবী থেকে৷

    ডায়রি পড়া শেষ৷ সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেছে সৌমেন৷

    অস্ফুটে একটাই শব্দ বেরিয়ে এলো ওর গলা দিয়ে ‘বাবা’৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }