Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্মৃতির চোরা পথে

    পুরোনো খবরের কাগজের হলুদ হয়ে যাওয়া পাতায় আরেকবার হাত বুলিয়ে নিলো নন্দিনী৷ জ্বলে যাওয়া ছবিটা আছে, আর নামটা তো রয়েছেই৷ বিয়ের পর নিজের সব জিনিস ও বাড়ি থেকে না আনলেও এই কাগজের কাটিংটা মনে করে ভরেছিলো শ্বশুর বাড়ি থেকে দেওয়া গায়ে হলুদের বাক্সের মধ্যে৷ শুধু কি একটা নাম ছিলো এর মধ্যে! না, বেশ কিছু অপরাধবোধের স্মৃতিও বোধহয় ছিল খবরটাতে৷

    অঙ্কুশ ভৌমিক, বয়েস তেইশ, ভ্রূতে একটা কাটা দাগ, গায়ের রং উজ্জ্বল শ্যাম৷ পরনে ছিল আসমানী রঙের টিশার্ট আর ব্ল্যাক জিন্স৷

    চোখের সামনে ভেসে ওঠে অঙ্কুশের সেই কলেজবেলার ছবিটা৷ ছটফটে প্রাণচঞ্চল একটা ছেলে৷ নন্দিনীকে লেগপুল না করে যার শান্তি ছিলো না৷ মুখচোরা নন্দিনী একমাত্র জব্দ হতো অঙ্কুশের কাছে৷ এমন এমন কথা বলতো ছেলেটা যে নন্দিনীর মতো স্বল্পভাষীও কথা বলতে বাধ্য হতো৷ নন্দিনীর ছিলো বেঙ্গলি অনার্স, অঙ্কুশ ম্যাথের স্টুডেন্ট৷ ওদের দেখা বলতে কলেজ ক্যান্টিন, অথবা ক্যাম্পাসের সবুজ প্রান্তরে৷ অঙ্কুশ যেন দায়িত্ব নিয়েছিলো, নন্দিনীকে স্মার্ট, প্রেজেন্টেবেল করবেই৷ প্রচেষ্টার ত্রুটি ছিলো না অঙ্কুশের৷ কীভাবে ছেলেদের ইভটিজিং-এর জবাব দিতে হবে সেগুলো পর্যন্ত শেখাতো অঙ্কুশ৷ লজ্জা করতো নন্দিনীর৷ চোখ নীচু করে নিতো৷ অঙ্কুশ ফিচেল হেসে বলতো, এই নন্দিনী তুই আবার লজ্জা পাচ্ছিস, তার মানে আমার এত পরিশ্রম বিফলে গেলো! এর থেকে তো একটা পাহাড় একা হাতে কাটলে গিনিসবুকে নাম উঠতো রে৷ তোর পিছনে এত খাটনি অরণ্যে রোদন হয়ে গেল৷ ওর কথার ঝাঁজেই আবার উজ্জীবিত হতো নন্দিনী৷ ভরা ক্লাসে প্রফেসরের সামনে দাঁড়িয়ে বলতো, স্যার আমি জানি আপনার কোশ্চেনের অ্যানসার৷ ক্লাস শুদ্ধু সবাই হেসে বলেছিলো, ও বাবা! নন্দিনী বলবে বলছে৷ দেখিস অজ্ঞান হয়ে যাস না রে! সকলের বিদ্রুপ মিশ্রিত কথায় হাত পা কেঁপে উঠেছিলো নন্দিনীর৷ তবুও অঙ্কুশের বলা কথাগুলো কানের কাছে বাজছিলো৷

    নন্দিনী পারবি, তুই ঠিক পারবি৷ তোর মধ্যে সব কিছু আছে, শুধু বহিঃপ্রকাশ করতে হবে বুঝলি৷ সেদিন সব বাঁধা কাটিয়ে নন্দিনী ব্যাখ্যা করেছিলো, কীভাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছিন্ন পত্রের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল উপন্যাসের বীজ৷ প্রফেসরের চোখের মুগ্ধ দৃষ্টিই বুঝিয়ে দিচ্ছিল ওর উত্তর একদম ঠিক ছিল৷ ক্যান্টিনে গিয়ে অঙ্কুশের হাতটা জড়িয়ে ধরে নন্দিনী বলেছিলো, আজ শুধু তোর জন্য নিজেকে প্রমাণ করতে পারলাম৷ লিখতে নয়, আমি ক্লাসে দাঁড়িয়ে বলতেও পারি৷ নন্দিনী আপ্লুত গলায় বলেছিলো, তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড অঙ্কুশ৷ গোটা কলেজ জানতো ওদের বন্ধুত্বের কথা৷ বন্ধুরা মজা করে রাহুল আর অঞ্জলী বলে রাগাতো ওদের৷ এমনকী নন্দিনীর অমন রাশভারী বাবাকে পর্যন্ত কব্জা করে ফেলেছিলো অঙ্কুশ৷ কলেজ এক্সকারসনে বাবা বলেছিলো, যদি অঙ্কুশ যায় তো তুইও যাবি৷ নন্দিনীর জন্মদিনের রাতেই বাবার সাথে আলাপ হয়েছিলো অঙ্কুশের৷ তারপর প্রায়ই হোস্টেল থেকে চলে আসতো নন্দিনীর বাড়িতে৷ নন্দিনী হয়তো তখন গানের স্কুলে, বাবা মায়ের সাথে গল্প করে, মায়ের হাতের রান্না খেয়ে চলে যেতো৷ নন্দিনী বাড়ি ফিরে শুনতে পেতো, ছেলেটা বড্ড ভালো রে৷ কামারপুকুরের ছেলে হলে কি হবে, ভীষণ স্মার্ট৷ বাবা তো বলেই ফেলেছিলো, আমার মেয়েটাকে দেখো, কে বলবে ওর জন্ম কলকাতায়! না, হিংসে হয়নি নন্দিনীর বরং আনন্দই হয়েছিলো, কামারপুকুরের ছেলেটার প্রশংসা শুনে৷ মা ভালো কিছু বানালেই অঙ্কুশের জন্য টিফিন বক্সে দিয়ে দিতো৷ অঙ্কুশ বলতো, বুঝলি, আন্টি আমাকে না দিয়ে খেতেই পারবে না৷ নন্দিনী কপট রাগ দেখিয়ে বলতো, আমার বাড়িতে গিয়ে চড়াও হয়ে আমার জায়গাটা তো নিয়েই নিলি রে৷

    সেদিন ছিলো এমনই এক শ্রাবনের দুপুর৷ আকাশে রোদ আর মেঘের লুকোচুরি খেলা৷ অঙ্কুশ বললো, কলেজ বাঙ্ক করে মুভি না দেখলে নাকি কলেজের মজাই নেই৷ নন্দিনী ভয়ে ভয়ে বলেছিল, যদি বাবা জানতে পারে তো… ওকে কথা শেষ করতে না দিয়েই রঞ্জনার দিকে তাকিয়ে অঙ্কুশ বলেছিলো, চল রঞ্জু তুই আমি, সুমন আর কেয়া মিলে মুভি দেখে আসি৷ গুড গার্ল ক্লাস করুক৷ অঙ্কুশ অন্যদের সাথে মুভি দেখতে যাবে আর ও যাবে না ভেবেই রাগে গা রিরি করে উঠেছিলো নন্দিনীর৷ রাগী গলায় বলেছিলো, আমিও যাবো৷ অঙ্কুশের ঠোঁটে ফাজিল হাসির আনাগোনা চোখ এড়ায়নি নন্দিনীর৷ রঞ্জনা বলেছিলো, ফাইনাল ইয়ার তো প্রায় শেষ৷ আর কদিনই বা থাকবো একসাথে৷

    হইহই করে ওরা গিয়েছিলো মুভি দেখতে৷ সবার টিকিটের দাম অঙ্কুশ দিয়েছিলো৷ নন্দিনী কানে কানে বলেছিলো, লটারি লেগেছে তোর?

    ও ফিসফিস করে বলেছিলো, আজ এই অধমের জন্মদিন৷ কাউকে বলিস না যেন৷

    হকচকিয়ে গিয়েছিলো নন্দিনী৷ জন্মদিনের মতো ভালো একটা দিনকে লুকিয়ে রাখার কারণটা ঠিক কি, সেটাই খোঁজার চেষ্টা করছিলো৷ কিছুই খুঁজে না পেয়ে, বললো, তুই লুকাতে চাইছিস কেন রে?

    অঙ্কুশ ওর স্বভাবসিদ্ধ স্বরে বলেছিলো, আমি জন্মে কার কোন কার্যসিদ্ধি হয়েছে, যে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে বলতে হবে৷ চুপচাপ মুভি দেখতে দে, বকিস না৷ তোর বকবকানির চোটে আমির খান কি বললো শুনতেই পেলাম না৷ থামিয়ে দিয়েছিলো নন্দিনীকে৷ তবুও নন্দিনীর মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিলো, অঙ্কুশকে কি গিফট দেওয়া যায়৷ অবস্থাপন্ন বাড়ির মেয়ে হওয়ার সুবাদে হাত খরচ মন্দ পেতো না ও৷ জমেছেও বেশ কিছু৷ ভাবতে ভাবতেই মনে পড়ে গেলো, অঙ্কুশেরই অসাবধান মুহূর্তে বলা একটা কথা৷ অঙ্কুশ বলেছিলো, যদি কখনো টাকা জমাতে পারি তাহলে একটা গিটার কিনবো৷ গিটার বাজিয়ে এলোমেলো গান গাইবো, তুই শুনবি৷ আমিও ভালো গাইতে পারবো না, তুইও ভালো শ্রোতা নোস, তাই অ্যাডজাস্ট করে নেবো৷

    ভালো শ্রোতা নই মানে? বলে, দুটো কিল মেরেছিলো নন্দিনী৷

    মুভি থেকে বেরিয়েই সবার থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিলো ওরা দুজনে৷ নন্দিনী সোজা গিয়েছিলো একটা গিটারের দোকানে৷ অঙ্কুশকে বলেছিলো, নন্দিনী গিটার বাজাতে চায়৷ ও যেন পছন্দ করে দেয়৷ অঙ্কুশের চোখে ভালোলাগার রেশ দেখেছিল৷ সব গুলো গিটার ছুঁয়ে দেখার পর একটা পছন্দ করেছিল ও৷ নন্দিনী অ্যাডভান্স দিয়ে বাড়ি ফিরেছিলো৷

    পরেরদিন গিটার হাতে কলেজে ঢুকেছিলো৷ সবাই চমকে উঠে বলেছিলো, হারমোনিয়াম ছেড়ে কবে থেকে গিটার ধরেছে নন্দিনী৷

    নীল ভেলভেটের ব্যাগটা অঙ্কুশের হাতে দিয়ে বলেছিলো, বার্থ ডে গিফট৷

    এত কথা বলা ছেলেটা নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিলো মুহূর্তের মধ্যে৷ ওর দু-চোখ ছাপিয়ে জল নেমেছিলো৷ নন্দিনী হেসে বলেছিলো, এমন বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হলাম আমি৷ অঙ্কুশ ভৌমিকের চোখেও নোনতা জল পড়ে তাহলে৷ সামলে নিয়ে অঙ্কুশ বলেছিলো, কিন্তু এত দামি গিফট আমি নিতে পারবো না৷

    নন্দিনী রাগ দেখিয়ে বলেছিলো, গাইতে পারবি না সেটা স্বীকার করে নে, অজুহাত দিস না৷ গিফটের কখনো দাম হয় না৷

    সকলকে চমকে দিয়ে অঙ্কুশ গিটারের তারে আঙুল ছুঁইয়ে ছিলো৷ দরাজ গলায় গেয়েছিলো… সে প্রথম প্রেম আমার নীলাঞ্জনা৷

    বন্ধুদের হাততালির শব্দে সম্বিৎ ফিরেছিলো নন্দিনীর৷

    যথারীতি কলেজের পার্ট মিটিয়ে মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছিলো নন্দিনী৷ অঙ্কুশও এম. এস. সি. ভর্তি হয়েছিলো৷ রোজ দেখা হতো না আর৷ তবে সপ্তাহে তিনদিন অবশ্যই দেখা করতো ওরা৷

    নন্দিনীকে যেদিন প্রথম দেখতে এলো পাত্রপক্ষ সেদিনই মারাত্মক ঝগড়া করেছিলো অঙ্কুশ৷ কেন নন্দিনী এত কম বয়সে বিয়ে করে ফেলবে সেই নিয়েই ঝগড়া৷ তারপরেই সেই অপ্রত্যাশিত কথাটা বলেছিলো অঙ্কুশ৷ যেটা এতদিনে একবারও কল্পনা করতে পারেনি নন্দিনী৷ অঙ্কুশ চিৎকার করে বলেছিলো, না তুই অন্য কারোর হতে পারিস না নন্দিনী৷ তুই আমার, আমি তোকে ভালোবাসি৷

    অবশ হয়ে গিয়েছিলো নন্দিনীর হাত পা৷ গলা শুকিয়ে গিয়েছিলো, শ্রবনেন্দ্রিয়ও যেন অকেজো হয়ে গিয়েছিলো৷ এসব কি বলছে অঙ্কুশ!! নন্দিনী কোনোদিন অঙ্কুশকে প্রেমিক ভাবে নি৷ কোনোদিন ভাবেনি অঙ্কুশ ওর শয্যাসঙ্গী হবে, ওকে সিঁদুর পরাবে, ও নিজে নন্দিনী ভৌমিক হবে কি করে! নন্দিনী সব সময় ভেবেছে, অঙ্কুশ ওর বিয়েতে এসে হইহুল্লোড় করে বলবে, আমার বেস্ট ফ্রেন্ডের বিয়ে তাই আজ মটনটা আমি একটু বেশি খাবো৷ বিয়ের পর শ্বশুর বাড়িতে প্রথম তত্ত্ব নিয়ে যাবে অঙ্কুশ৷ নন্দিনী নিজে সেজেগুজে যাবে অঙ্কুশের জন্য মেয়ে দেখতে৷ পৃথিবীর সেরা মেয়েটাকে ও খুঁজে নিয়ে আসবে ওর বন্ধুর জন্য৷

    এসব গল্পও ওরা বহুবার করেছে৷ তারপরেও অঙ্কুশ কি করে ওদের বন্ধুত্বকে অপমান করতে পারে?

    দু-চোখে ঘৃণা ফুটিয়ে নন্দিনী বলেছিলো, ছি… তুই আমাকে এতদিন এই চোখে দেখেছিলিস! আমি তো ভাবতেই পারছি না তুই এতটা নোংরা মানসিকতার৷ দু-চোখের জলে চারিদিক ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিলো নন্দিনীর৷ তবুও বলে যাচ্ছিলো ও৷ একদিন কম কথা বলার রোগটা অঙ্কুশই সারিয়ে ছিলো, আজ সেটাই হয়তো কাজ করেছিলো৷ একবারও না থেমে বলছিল নন্দিনী… এই তোর পবিত্র বন্ধুত্ব? তুই তো বন্ধুর নামে কলঙ্ক৷ কেন রে অঙ্কুশ, একটা ছেলে আর মেয়ের মধ্যে প্রেম ছাড়া আর কোনো সম্পর্ক কি থাকতে পারে না? লজ্জা করছে আমার, তোকে আমি এতদিন বেস্ট ফ্রেন্ড ভেবেছি বলে৷ একমুহূর্তও দাঁড়ায়নি নন্দিনী৷ কাঁপতে কাঁপতে অটো ধরেছিলো৷ বুকের ভিতরটা মুচড়ে উঠছিলো৷ এটাই ওর বন্ধু অঙ্কুশ! ভাবতেই কষ্ট হচ্ছিলো৷ আর পাঁচটা ছেলের সাথে কোনো পার্থক্য নেই অঙ্কুশের৷ বাড়ি ফিরেই বাবাকে বলেছিলো, আমার অনিরুদ্ধকে পছন্দ হয়েছে, তোমরা এগোতে পারো৷

    বাবা একটু চমকেই গিয়েছিলো৷ যে মেয়ে সকালেও গাইগুই করছিলো বিয়ের কথায় সেই এক কথায় রাজি হয়ে গেলো! মা বললো, নিশ্চয়ই অঙ্কুশ বুঝিয়েছে, যে অনিরুদ্ধ ভালো ছেলে, বিয়েটা করে ফেল৷ মেয়ে তো তোমার অঙ্কুশের কথায় ওঠে বসে, তাই রাজি হয়ে গেছে৷ অঙ্কুশ নামটা আর শুনতেই ইচ্ছে করছিলো না নন্দিনীর৷

    ইচ্ছে করছিলো, বাবা মায়ের সামনে ওর মুখোশটা খুলে দিতে৷ ও এ বাড়িতে এতদিন ছেলের মতো এসেছে, তারপর ওকে নিয়ে কি ভেবেছে সেটাই চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছিলো নন্দিনীর৷

    তবুও সামলে নিয়েছে নিজেকে৷ না, ছোটো করেনি ও অঙ্কুশকে কারোর চোখে৷

    বেশ কয়দিন ধরেই আর কোনো যোগাযোগ নেই অঙ্কুশ আর নন্দিনীর৷

    বিয়ের মার্কেটিং শুরু হয়ে গেছে নন্দিনীর৷ অথচ ওর সব থেকে কাছের বন্ধুর পাত্তা নেই৷ অবশ্য আর কি অঙ্কুশকে বন্ধু বলাটা সমীচিন হবে!

    তবুও ফোনটা করেই ফেললো নন্দিনী৷

    হোস্টেলের ছেলেরা জানালো অঙ্কুশ হোস্টেলে নেই, বাড়ি গেছে৷ অঙ্কুশের বাড়ির নাম্বারে ফোন করেছিলো নন্দিনী৷

    বড়ো মুখ করে একদিন বলেছিলো, তোর বিয়েতে আমিই হবো কন্যা পক্ষের প্রতিনিধি৷ তোর বরকে গিয়ে বলবো, এই বুদ্ধুটাকে আমি মানুষ করলাম৷ তোর বর হয়তো আমার হাতে দামি সিগারেটের প্যাকেট দিয়ে বলবে, ভাগ্যিস মানুষ করেছিলে, তাই আমি ছাগলকে বিয়ে করলাম না৷ নন্দিনী রেগে গিয়ে ওকে মারার জন্য ছুটতো৷ এমনই ছিলো তো ওদের সম্পর্কটা৷ বৃষ্টির জলের মতো ক্রিস্টাল ক্লিয়ার৷ এ পিঠে দাঁড়ালে ওদিকটা দেখা যেতো৷ হঠাৎ কি ঘটে গেলো, কেন অঙ্কুশ ছোটো করলো ওদের পবিত্র সম্পর্কটাকে৷ চোখের শিরা ফেটে কান্না বেরিয়ে আসতে চাইছিলো নন্দিনীর৷

    অনেক কষ্টে সামলে নিয়ে ফোনটা কানে চেপে বললো, হ্যালো৷ মহিলা কণ্ঠ বলে উঠলো, তুমি নন্দিনী৷ আমার ছেলেকে নাচানোর সময় মনে ছিলো না, এখন আবার ফোন করে আদিখ্যেতা দেখাচ্ছ?

    ফোনটা মাঝপথে কেড়ে নিলো কেউ৷ একটুক্ষন চুপ থেকে অঙ্কুশ বললো, মায়ের কথায় কিছু মনে করিস না৷

    আমি রঞ্জনার কাছে খবর পেলাম তোর বিয়ের৷ যাবো রে, নিশ্চয়ই যাবো তোর বিয়ের আগেই যাবো৷ তোকে গিফটটা আগেই দেবো৷

    নন্দিনীর কানে তখনো অঙ্কুশের মায়ের কথাগুলো ভাসছিলো৷ ছেলে নাচানো শব্দটা ওলটপালট করে দিচ্ছিলো ওর ভাবনা চিন্তাকে৷

    ছি ছি, অঙ্কুশ তার মানে নিজের মায়ের কাছে এমন কিছু বলেছে যে ওর মা নন্দিনীকে খুব খারাপ মেয়ে ভেবেছেন৷ আর ইচ্ছে ছিলো না নন্দিনীর অঙ্কুশের মুখোমুখি হতে৷

    ভগবানের কাছে প্রার্থনা করছিলো, কিছুতেই যেন ওই মুখটা ওর সামনে আর না আসে৷ পুরোনো সব স্মৃতি চোখের সামনে ভাসছিলো নন্দিনীর৷

    ওদের কলেজ ক্যান্টিন, ওদের খুনসুটি, নবীন বরণ, মুভি, ফুচকা সব কিছু…

    বিয়ের ঠিক পাঁচদিন আগে সন্ধ্যেবেলা চমকে উঠেছিলো অঙ্কুশকে সামনে দেখে৷

    নন্দিনী তখন এক মনে একটা উপন্যাস পড়ছিলো৷ কি উপন্যাস আজ আর মনেও নেই৷ হয়তো বুদ্ধদেব গুহর কোয়েলের কাছে, অথবা একটু উষ্ণতার জন্য৷

    মায়ের গলার আওয়াজে চোখ তুলে তাকিয়েছিলো… মা হাসি হাসি মুখে বলেছিলো, এই তোর ছেলের মতো কাজ? নন্দিনীর বিয়েতে তুইই নেই৷ কত কাজ বলতো, তোর আঙ্কেল তো রোজ একবার করে তোর নাম বলছে রে৷ অঙ্কুশের মুখেও মেকি হাসি…

    নীল কভারে মোড়া গিটারের ব্যাগটা ফেরত দিয়ে বলেছিলো, এটা কয়েকদিন তোর কাছে রেখে দে৷ আর এই যে এটা তোর গিফট৷

    একদিন রাস্তার ধারে একটা দোকানে একটা তাজমহলের শোপিস দেখে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো নন্দিনী৷ বলেছিলো, দেখ পুরো কপি৷ আমি যখন আগ্রা গিয়েছিলাম যে তাজমহল দেখেছিলাম এটা অবিকল ওরকম৷ শিল্পীর হাতের কাজ আছে বলতে হবে বলেছিলো অঙ্কুশ৷ দুজনেই ঢুকে দাম জিজ্ঞেস করেছিলো৷ পাঁচ হাজার টাকা দাম বলায় মুখ শুকনো করে নন্দিনী বলেছিলো, বাবা, শো পিসের এত দাম!

    সেটাই আজ ওর বিয়েতে গিফট এনেছে অঙ্কুশ৷

    নন্দিনী জানে ওর সব পছন্দ অপছন্দ মনে রেখেছে অঙ্কুশ৷ কয়েকদিন আগে হলেও তাজমহলটা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যেতো ও, কিন্তু আজ যখন অঙ্কুশের মানসিকতা ওর সামনে পরিষ্কার, আর ওর মায়ের বলা কথাগুলো মনের মধ্যে রক্ত ঝরিয়েই চলছে তখন আর আনন্দিত হতে পারলো না ও৷ তবুও ক্লান্ত হেসে বলেছিলো, এত খরচ করতে গেলি কেন?

    অঙ্কুশ বলেছিলো, একবারই তো তোকে উপহার দেবো৷ মায়ের হাজার অনুরোধেও সেদিন খেয়ে যায়নি অঙ্কুশ৷

    তারপরের দিনই খবরটা বেরিয়েছিলো কাগজে৷ যাদবপুর ইউনিভার্সিটির এম. এস. সি.-র স্টুডেন্ট অঙ্কুশ ভৌমিককে কে বা কারা হোস্টেল থেকে কিডন্যাপ করেছে৷ নীচে অঙ্কুশের চেহারার বর্ণনা আর ওর একটা ছবি৷

    খবরটা দেখে অবধি তোলপাড় চলছিলো মনের ভিতরে৷ বাবা মায়ের মুখেও হাসি নেই৷ বিয়ে বাড়ির পরিবেশে গাম্ভীর্য্যের চাদর বিছিয়ে দিয়েছিলো অঙ্কুশের খবরটা৷

    অনিরুদ্ধদের বাড়িতে কিছু জানানো হয়নি বলেই বিয়েটা হচ্ছিলো৷ না হলে ভিতরে ভিতরে ক্ষয়ে ক্ষয়ে শেষ হয়ে গিয়েছিলো নন্দিনী৷

    কোথায় গেলো ছেলেটা…

    ওর বাবা মা এসে হাজির হলো নন্দিনীর আইবুড়ো ভাতের দিন৷ যাচ্ছেতাই করে অপমান করে গেলো নন্দিনীকে৷

    ওর জন্যই নাকি অঙ্কুশের আজ এই অবস্থা৷ একটা কথাও না বলে নন্দিনী সহ্য করছিলো বন্ধুত্বের দায়৷

    এর মধ্যেই চলছিলো বিয়ের কাজ কর্ম৷

    অনিরুদ্ধদের বাড়ি থেকে গায়ে হলুদের তত্ত্ব পৌঁছে গেছে নন্দিনীদের বাড়িতে৷ হলুদ শাড়ি পরে নন্দিনীর গায়ে হলুদের মাখামাখি৷ ঠিক সেই মুহূর্তে রঞ্জনা, কেয়া ফিসফিস করে বললো, ওটা কিডন্যাপ ছিলো না রে, অঙ্কুশ সুইসাইড করেছে৷ আজ বডি পাওয়া গেছে৷ এই মাত্র টিভিতে দেখলাম৷

    গায়ে হলুদের পিঁড়ি থেকে ছুটে গিয়ে টিভি চালিয়েছিলো নন্দিনী৷ খবরে বলছিলো, অঙ্কুশ ভৌমিকের কিডন্যাপিং এর ঘটনাটা সত্যি নয়, কারণ ডেড বডির পকেটে পাওয়া গেছে একটা চিরকুট৷ তাতে লেখা ছিলো, ওর মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়৷ জীবন সম্পর্কে বিতৃষ্ণাই ওর মৃত্যুর কারণ৷

    পাগলের মতো কেঁদেছিল নন্দিনী৷

    মাথা নেড়ে বলেই যাচ্ছিলো, এটা বন্ধুত্ব নয় রে অঙ্কুশ৷ তুই আমার বন্ধু হলে আজকের দিনে আমাকে এভাবে বিপদে ফেলতে পারতিস না৷ এটা বন্ধুত্ব হতে পারে না রে অঙ্কুশ৷ বন্ধু তারাই হয় যারা সবসময় পাশে থাকে, সব পরিস্থিতিতে সাথে থাকে৷ নিজেকে শেষ করে তুই আবার আমাদের বন্ধুত্বকে অপমান করলি৷

    মায়ের আঁচলে চোখের জল মুছেছিলো নন্দিনী৷

    আশেপাশের বাড়ির আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে ছিলো ও৷ লোকে আঙুল দেখিয়ে বলেছিলো, ওর জন্যই নাকি ছেলেটা সুইসাইড করলো৷ লুজ ক্যারেক্টার মেয়ে, ভালো ছেলে পেয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসে গেলো, প্রেমিকের দিকে ফিরেও তাকালো না৷

    নন্দিনী কাউকে বোঝাতেই পারছিলো না ওরা প্রেমিক প্রেমিকা ছিলো না৷ ওরা শুধু ভালো বন্ধু ছিলো, খুব কাছের বন্ধু৷ অবুঝ অভিমানে কেঁদেছিলো নন্দিনী, অঙ্কুশ এভাবে প্রতিশোধ নিলো ওর ওপরে, এভাবে সারাজীবনের জন্য অপরাধী করে দিলো ওকে৷ বিয়ের পিঁড়িতে যখন শুভদৃষ্টি, সিঁদুর দান হচ্ছিলো তখনো বারবার নন্দিনীর মনে হচ্ছিলো ওই বোধহয় দায়ী অঙ্কুশের মৃত্যুর জন্য৷

    কাউকে প্রেমিকের মতো না ভেবে বন্ধুর মতো ভালোবাসলে সেটাও কি অপরাধ হয়! কেউ প্রোপোজ করলে, সেটা অস্বীকার করলেও অন্যায় হয়ে যায়! এই সব প্রশ্নগুলো নন্দিনীর মাথার চিন্তাশীল কোষগুলোকে অকেজো করে দিচ্ছিলো ক্রমাগত৷

    অঙ্কুশ নাকি অনেক ঘুমের ওষুধ খেয়ে হোস্টেলের অব্যবহূত স্টোররুমে চির ঘুমের দেশে পাড়ি জমিয়েছিলো৷

    রাতে ঘুমের মধ্যেও চমকে চমকে উঠতো নন্দিনী৷

    অনিরুদ্ধ সবটা শুনে ওকে অনেক বুঝিয়েছিলো , এতে নন্দিনীর দোষ নেই, অঙ্কুশের বোঝার ভুল৷ ওদের বন্ধুত্বটাকেই ও প্রেম মনে করেছিল৷ অনেক বুঝিয়েছে আপনজনেরা, তবুও অঙ্কুশের মৃত্যুর দায় নিজের কাঁধ থেকে নামাতে পারেনি নন্দিনী৷ তাই আজও স্বপ্নের মধ্যে বারবার হানা দেয় অঙ্কুশ৷ ও ঘুমের মধ্যেই চমকে উঠে বলে, তুই কেন এমন করলি অঙ্কুশ৷ কেন আমাদের বন্ধুত্বকে অস্বীকার করলি, কেন আমাকে অপমান করলি!

    অনিরুদ্ধ বুকে জড়িয়ে ধরে বলে, ভয় পেও না নন্দিনী আমি আছি তোমার সাথে৷

    ভয় করে নন্দিনীর, আর কাউকে বিশ্বাস করতেই ভয় করে৷ আর কাউকে বন্ধু ভাবতেই ভয় করে ওর৷ মনে হয় এই বুঝি সে অবিশ্বাসী হাসি হেসে বলবে, তোর জন্যই সব হলো… তুই দোষী…

    হলদে হয়ে যাওয়া কাগজের ওপরে প্রতিবার এই দিনে দু-ফোঁটা জল পড়ে নন্দিনীর চোখের৷ জ্বলে যাওয়া ছবিটা যেন বলে ওঠে, কাঁদিস না নন্দিনী, তোর দোষ নেই রে, আমিই ভুল করে তোকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম৷

    নন্দিনী ছবির ছেলেটার ভ্রূর নিচের কাটা দাগটা খোঁজার চেষ্টা করে, চেষ্টা করে ওদের ধূসর স্মৃতির মধ্যে থেকে রামধনু রঙের দিনগুলো খুঁজে বের করতে৷ ওদের সেই বন্ধুত্বের দিনগুলোকে ফিরে দেখতে চায় নন্দিনী৷ বারবার বলতে চায়, অঙ্কুশ তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড ছিলিস, প্রেমিকের থেকেও বেশি, হাজবেন্ডের থেকেও বেশি… ফিরে আসিস অঙ্কুশ, বেস্ট ফ্রেন্ড হয়েই ফিরে আসিস পরের জন্মে৷

    জ্বলে যাওয়া ছবিটাতে হাত বুলিয়ে নন্দিনী বললো, আজ তোর জন্মদিন অঙ্কুশ, তাই তোর গিটারটা বাজিয়ে আমি তোর প্রিয় গানটা গাইবো, তুই হয়তো হেসে উঠে বলবি, তোর দ্বারা জীবনমুখী গান হবে না রে নন্দিনী৷

    নন্দিনী ধীরে ধীরে গিটারটাতে আঙুল ছোঁয়ালো, অঙ্কুশের স্পর্শ লেগে আছে এর গোটা শরীরে৷

    টলমল জল চোখে নিয়েই নন্দিনী, গাইলো… সে প্রথম প্রেম আমার নীলাঞ্জনা…

    বাইরে আকাশ ছাপিয়ে বৃষ্টি নামলো৷ জানলার কাঁচগুলো ক্রমশ ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিলো৷ বৃষ্টির প্রতিটা ফোঁটা যেন নন্দিনীকে উদ্দেশ্য করে বলে চলেছে, মনে রাখিস নন্দিনী, আমায় মনে রাখিস৷ আবার জন্ম নেবো, তোর বন্ধু হয়ে, শুধুই ভালো বন্ধু হয়ে৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }