Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶

    গোল পোস্ট

    কি গো কি মনে হচ্ছে, পারবে আমাদের বিট্টু? ঈশানি কপালের দু-পাশটা কাতর ভাবে টিপে ধরে বললো, কিছুই তো বুঝতে পারছি না আসলে৷ মিশনে ভর্তি করাটা সত্যিই বেশ টাফ গো৷ গতবছর তো ছেলেটা রিটেনে পাস করেও ওরালে গিয়ে কি যে বলে চলে এলো, ক্যানসেল হয়ে গেলো৷ এই লাস্ট চান্স আমাদের হাতে৷ প্রলয় চিন্তিত মুখে বললো, এই জন্যই রঞ্জনদা মিশনের চক্করে না গিয়ে টাকা দিয়ে ছেলেকে নামি স্কুলে ভরতি করিয়ে দিয়েছে৷ কথাটা শোনার পরেই নিমেষে জ্বলে উঠলো ঈশানি৷ তুমি থামো তো, তুমি তো আবার সত্যবাদী যুধিষ্ঠিরের সেকেন্ড এডিসন৷ তখন কতবার বললাম, নাম স্কুলে এডমিশন দিতে গেলে ডোনেশন লাগে৷ সে কে শোনে কার কথা! ওহ, ছেলেকে মানুষ করার থেকে ওর সততা আগে হলো৷ এখন বোঝো! প্রলয় বললো, বিট্টুর প্রিপারেশন তো বেশ ভালোই, না পারার কি আছে?

    ঈশানি মুখ ঝামটা দিয়ে বললো, শোনো, তুমি যতই সৎ পুলিশ অফিসার হও না কেন, লোকে কিন্তু তোমার আড়ালে তোমাকে ঘুষখোরই বলে বুঝলে? আর তুমি কি ভেবেছো আমি কিছুই জানি না, তুমি তোমার ওই পাড়ার ফুটবল ক্লাবটায় টাকা দিতে পারো, আর নিজের ছেলের ভরতির জন্য এক টাকাও বের করতে তোমার কষ্ট৷ মাইনে কম পাও তো ফুটবলার তৈরির স্বপ্ন কীসের গো তোমার? লজ্জা করে না, পুলিশে চাকরি করে এমন হাঘরের মতো জীবন কাটাতে!

    প্রলয় চুপচাপ খবরের কাগজের পাতায় মন দিলো৷ ঈশানি এমনিতে ভালো মেয়ে হলেও রেগে গেলে ওর মাথার ঠিক থাকে না৷ তখন প্রলয় যদি চুপ করে না থাকে তাহলেই বিপদ৷ নামে প্রলয় হলেও ওর স্বভাবটা নেহাতই শান্ত, উল্টে ঈশানি যখন রাগে তখন উত্তাল ঝড়ের দাপটে এলোমেলো হয়ে যায় প্রলয়ের শান্ত জীবন৷ তাই ঈশানির রাগটাকে একটু ভয়ই পায় ও৷

    পরিচিতরা হেসে বলে, লোকে পুলিশকে ভয় খায় আর আমাদের পাড়ার পুলিশই বউ-এর ভয়ে জুজু৷

    প্রলয় সামন্ত পুলিশ কনস্টেবলের চাকরিটা যখন পেয়েছিল তখন ওর কাঁধে পুরো সংসারের দায়িত্ব এসে পড়েছিলো৷ ওর বাবা প্রানেশ সামন্ত ছিলেন গ্রামীন লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান৷ বাবার রোজগারের টাকায় ওদের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য না থাক অভাবের তাড়নায় খেতে না পেয়ে মরতে হয়নি কখনো৷ দু-বোন আর প্রলয়কে লেখাপড়া শেখানোর জন্যই প্রানেশ সামন্তকে বেলার দিকে বাজারে যেতে হতো৷ যখন রোদে গরমে সকালের সবজির অবস্থা ম্রিয়মান হয়ে এসেছে, বিক্রেতারও বাড়ি ফেরার তাড়া, দরাদরির ইচ্ছেয় ভাটা পড়েছে, তখন ঠিক সময়ে প্রানেশ বাবু বাজারে গিয়ে একটু সস্তায় বাজার করে আনতেন৷ যা দুটাকা বাঁচাতেন তাতে ছেলে মেয়ে দুটোর টিফিন খরচটা যদি হতো, সেটুকুই ছিলো চেষ্টা৷

    এত কষ্টের পরেও যেদিন শুনেছিলেন, তার একমাত্র ছেলে প্রলয় স্কুলে গিয়ে পড়া না করে ফুটবল খেলে তখন আর বাবা হিসাবে মাথা ঠিক রাখতে পারেন নি৷ স্কুলের শিক্ষকরা লাইব্রেরিতে বই নিতে এসে হেসে বলেছিলেন, প্রানেশ বাবু! ছেলে আপনার মারাদোনা হবে৷ লেখা পড়া ওর জন্য নয়৷ বাড়ি ফিরে প্রলয়কে একচোট পিটিয়েছিলেন তিনি৷ রাগে কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন, খেলা তোকে পেটের ভাত দেবে? খেলা তোকে চাকরি দেবে? মাথা নিচু করে মুখে টুঁ শব্দ না করে বাবার মার খেয়েছিলো প্রলয়৷ মনে মনে শপথ নিয়েছিলো আর কখনো খেলার মাঠে যাবে না৷

    মাও বলেছিল, যাস না বাবা, আমাদের ঘরের ছেলে খেয়ে দেয়ে কেরানীর চাকরি করতে যাবে, এটাই সইবে রে৷

    তবে প্রলয়ের আদর্শ ছিলেন সংগ্রাম স্যার৷ সংগ্রাম বক্সী৷ ঠিক মাইনে নেওয়া ফুটবল কোচ ছিলেন না উনি, তবুও সংগ্রাম স্যার ছিলেন তরুণ সমাজের কাছে একটা মডেল ক্যারেক্টার৷ বিকেলে পাড়ার মাঠে ছেলেদের ফুটবল শেখাতেন তিনি৷ শহরের কোনো স্কুলের ওয়ার্ক-এডুকেশন ফিজিক্যাল এডুকেশনের টিচার ছিলেন৷ বিকেল বেলা বাড়ি ফিরেই মাঠে চলে আসতেন৷ রোজ নতুন নতুন ছেলের আমদানি হতো খেলার মাঠে, সংগ্রাম স্যার আগের দিন শেখানো ছেলেটাকে আর খুঁজে পেতেন না৷ তবুও হাল ছাড়তেন না৷ নতুন ছেলেকে দিয়েই শুরু করতেন৷ এই ভাবেই পরিচয় হয়েছিলো প্রলয়ের সাথে৷ প্রথম দর্শনেই ক্লাস ইলেভেনের প্রলয়ের মনের সবটুকু এক নিমেষে জয় করে নিয়েছিলেন সংগ্রাম বক্সী৷ তারপর প্রলয়ের পিঠে হাত বুলিয়ে বলেছিলেন, ওরে বাবারা অমন একটু বকে! ধর যদি পেলে বাবার বকুনি খেয়ে আর মাঠে না আসতো তাহলে কি আজ পৃথিবীর লোক ওই নাম ধরে চিৎকার করতো?

    ধর মারাদোনা পায়ে বল না নিয়ে অঙ্ক কষছে তাহলে কি হতো বলতো?

    স্যারের হাঁটা চলা, কথা বলার স্টাইল সব খুঁটিয়ে দেখতো প্রলয়৷ কিছুদিন পর থেকেই প্রলয়কেও লোকে ডান হাতে ঘড়ি পরতে দেখেছিলো৷ সংগ্রাম স্যার বলতেন, ঘড়িটা হলো চূড়ান্ত কাজের জিনিস৷ সময়ের মূল্য যার কাছে নেই সে জীবনে কোনোদিন নিজেকে মানুষ বলেই পরিচয় দিতে পারবে না৷ তাই এমন অমূল্য জিনিসটাকে শুধু শুধু কেন বাম হাতে পরবো, একে ডান হাতেই রাখবো৷ সাংগ্রাম স্যারের কথা মতো ভোরে উঠে পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা রোজ ছুটতো প্রলয়৷ বাড়ি ফিরেই এক গ্লাস ছাতুর শরবত খেতো৷

    বাবা ওরকম করে মারার পরে, বেশ কিছুদিন আর মাঠ মুখো হয়নি প্রলয়৷ তারপর হঠাৎই একদিন বৃষ্টির বিকেলে সংগ্রাম স্যারের বাঁশির তীক্ষ্ণ আওয়াজটা কানে পেয়েই সব বাধা ছিন্ন করে ছুটে গিয়েছিলো স্যারের কাছে৷ স্যার বেশ কিছুদিন পরে বাধ্য ছাত্রকে দেখে বলেছিলেন, সামনেই ডিস্ট্রিক্ট লেভেলে খেলা আছে, জোর প্র্যাকটিস কর৷ আমি তোকে নামাতে চাই আমার শহরের টিমের সাথে৷

    সংগ্রাম স্যার কখনো মিথ্যে বলেন না, কখনো লেট করেন না৷ তাই প্রলয়ও মিথ্যে বলাকে ঘৃণা করে৷ সেই জন্যই বাবার সামনে দাঁড়িয়ে বাবার চোখের দিকে তাকিয়ে প্রলয় বলেছিলো, বাবা আমি খেলাটা ছাড়তে পারবো না৷ তুমি আমাকে যতই মারো আমি পারবো না৷ ছেলের মুখে অমন স্পষ্ট কথা শুনে বোধহয় বাবাও কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে বলেছিলেন, পড়াশনাটাও করো৷ এইচ. এস. পরীক্ষার রেজাল্টের পরে কলেজে ভর্তি হয়েছিলো প্রলয়৷ ঠিক তখনই আচমকা ঝড়টা এসে পড়েছিলো ওদের সামন্ত বাড়ির তিন কুঠুরি ঘরের ছাদে৷

    ভোর বেলা রোজই হাঁটতে যাওয়াটা প্রানেশবাবুর দীর্ঘ দিনের অভ্যেস৷ সে অভ্যাস বশেই সেদিনও বেরিয়েছিলেন৷ তারপর প্রলয়রা ঘুম চোখে খবর পেয়েছিলো যে ওদের বাবা বড়ো রাস্তার মোড়ে লরি চাপা পড়েছে৷ মা আকুল হয়ে কেঁদেছিলো৷ বোন দুটো অসহায়ের মতো দাদার দিকে তাকিয়েছিলো৷ প্রলয় সেকেন্ড ইয়ারে কলেজ ছেড়েছিলো৷ কলেজ ছেড়েছিলো কিন্তু মাঠ ছাড়েনি৷ সংগ্রাম স্যারের সাহায্যেই পুলিশের চাকরিটা পেয়ে গিয়েছিলো প্রলয়৷

    না, মারাদোনা বা পেলে হওয়া ওর আর হয়নি৷ ও পুলিশ কনস্টেবল হয়েই সংসারের দায়িত্ব নিয়েছিলো৷

    ধীরে ধীরে গোটা সংসার গিলে নিয়েছিলো ওর ফুটবলার হবার স্বপ্নটাকে৷ দুই বোনের বিয়ে দেওয়ার সময় ও প্রথম মিথ্যে বলেছিলো৷ বড়ো বোন মাধ্যমিকে ব্যাক পেয়েছিলো৷ যতদিন পর্যন্ত এই সত্যিটা পাত্রপক্ষর সামনে বলে চলেছিলো প্রলয় ততদিন পর্যন্ত কিছুতেই কোনো পাত্র পক্ষ রাজি হচ্ছিল না৷ শেষে মা এসে প্রলয়ের হাত দুটো ধরে কেঁদে বলেছিলো, জীবনে একবার মিথ্যে বল বাবা, বোনটার একটা গতি কর৷

    কাঁপা গলায় সেই প্রথম সংগ্রাম স্যারের আদর্শের মৃত্যু ঘটিয়ে মিথ্যে বলেছিলো প্রলয়৷

    বড়ো বোনের বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিলো, সারারাত অন্ধকার ঘরে শুয়ে কেঁদেছিলো প্রলয়৷ পরের দিন থেকে প্রলয় বাম হাতে ঘড়ি পরেছিলো৷ মনে মনে বলেছিলো, সংগ্রাম স্যার, আমি কোনো দিক থেকেই আপনার মতো হতে পারলাম না৷ প্রলয়ের মনে একটার পর একটা ঝড় এসেছে, নীরবে ওকে ভেঙে টুকরো টুকরো করে চলে গেছে৷

    প্রথম যেদিন ও চোখের সামনে থানায় বসে বড়োবাবুকে ঘুষ নিতে দেখেও নিশ্চুপ ছিলো সেদিনও আরেকবার মৃত্যু হয়েছিলো প্রলয়ের৷

    তবুও ও সাহস করে একবার বলেছিলো, স্যার, যদি ঘুষ না নিতেন তাহলে কি আপনার সংসার চলতো না?

    দিন দশকের মধ্যেই পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামে বদলি হয়ে গিয়েছিলো প্রলয়৷ ওখানে গিয়েও শান্তি পায়নি ও৷ রাজনৈতিক নেতারা এসে থানা ঘেরাও করেছিলো, ও কোনো রং না দেখেই লাঠি চার্জ করেছিলো বলে, একমাস উইদাউট পে হয়ে গিয়েছিলো৷ হাতের চুরি বেচে সে মাসে সংসার চালিয়েছিলো মা৷

    জীবন কেটেছে জীবনের ছন্দে৷ অনেক মিথ্যে, অন্যায় দিয়ে তৈরি হয়ে গেছে প্রলয় সামন্তর জীবন৷ লোকে আড়ালে ঠাট্টা করে বলে, সামনে ঘুষ নেয় না, সৎ পুলিশ অফিসার৷ পকেটে টাকা ভরে, হাতে নয়৷ সবই কানে আসে প্রলয়ের৷ ডিউটি থেকে ফেরার সময় ফাঁকা মাঠে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে বল পায়ে ছুটন্ত বছর আঠেরোর প্রলয়কে আরেকবার ফিরে দেখে নেয় ও৷ দু চোখের কোণে নোনতা জল জমে৷ হঠাৎ সংগ্রাম স্যার কানের কাছে বাঁশি বাজিয়ে বলেন, সবাই পেলে হতে পারে না, সবাই মারাদোনা হতে পারে না৷ কিন্তু প্রলয় তুই তো মিথ্যুক, অন্যায় সহ্য করা একটা মানুষ হয়ে গেলি রে৷ তুই তো সংগ্রাম স্যারের ছাত্রও হতে পারলি না৷

    ছোটো বোনের বিয়ের সম্বন্ধ ফাইনাল করে ট্রেনে করে ফিরছিলো প্রলয়৷ হঠাৎই পাশের লোকের হাতের সান্ধ্য কাগজের পাতায় পরিচিত মুখটা দেখে চমকে উঠেছিলো প্রলয়৷ অনুমতি না নিয়েই অপরিচিত ভদ্রলোকের হাত থেকে কাগজটা প্রায় ছিনিয়ে নিয়ে বলেছিলো, দেখুন এই ভদ্রলোক আমার স্যার! আমি খুব কাছ থেকে চিনি৷

    সংগ্রাম বক্সীর ছবির ওপরে লেখা, একা তিনজন ছেলেকে পিটিয়ে এক যুবতীর সম্মান বাঁচিয়েছেন ভদ্রলোক৷ তিন দুষ্কৃতীকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ খবরটা পড়েই দু-চোখ দিয়ে জলের ধারা নেমেছে প্রলয়ের৷ কাগজটা ফেরত দিয়েই ধীরে ধীরে বললো, স্যার আমাকে আপনি ক্ষমা করুন৷ আমি আপনার আদর্শে বাঁচতে পারলাম না৷

    যত দিন যাচ্ছে তত যেন প্রলয় অসৎ সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছিলো৷

    বোনদের বিয়ে দিয়েই দায় মুক্ত হয়ে বাকি জীবনটা সৎ ভাবে বাঁচবে ভেবেছিলো প্রলয়৷ সেটা শুনেই হয়তো বিধাতা পুরুষ হেসেছিলো অলক্ষ্যে বসে৷ বছর না ঘুরতেই মা উঠে পড়ে লেগে গেলো ঘরে বউ আনবে বলে৷

    শেষে ঈশানি এলো ওদের সংসারে৷ প্রলয়ের মা আর বউ-এর আলোচনার বিষয় ছিলো, প্রলয়ের মতো আহাম্মক ছেলে নাকি তারা কোনোদিন দেখেইনি! সৎ পথে থেকে কোনো রকম উন্নতি করতে পারে নি প্রলয়, তবুও সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারে, সে সৎ পুলিশ৷

    তবে ইদানীং আয়নাও ওকে আঙুল তুলে বলে, তুই সৎ?

    তুই বড়ো বোনের বিয়ের সময় মিথ্যে বলেছিলিস! তুই ছোটো বোনের বিয়ের সময় পাত্র পক্ষকে পণ দিয়েছিস! তুই চোখের সামনে অন্যায় দেখে সহ্য করেছিস!

    নিজে ঘুষ নিস নি ঠিকই কিন্তু ঘুষখোরকে চিনেও চুপ করে থেকেছিস৷

    হঠাৎ মাঝরাতে উঠে প্রলয় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলো সে এই পুলিশের চাকরি ছেড়ে দেবে৷ মুটে গিরি করে খাবে তাও ভালো, তবু এই চাকরি করবে না৷ ভাবতে ভাবতেই সংগ্রাম স্যারের কথা মনে পড়লো, পায়ে বল নিয়ে গোল পোস্টের দিকে ছুটছিলো প্রলয়৷ একটুর জন্য গোলটা মিস করেছিলো নিজের ভুলেই৷ স্যার বলেছিলেন, তুই হয়তো জীবনে অনেক গোল দিবি প্রলয়, কিন্তু এই গোলটার আক্ষেপ তোর সারাজীবন থাকবে৷ এই একটু ভুলের জন্য হারিয়ে ফেলা সুযোগগুলো আর আসেনা রে জীবনে৷ সত্যিই তাই, প্রলয় সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে৷ একটা মিথ্যের সুযোগ নিয়ে ওর জিভ আরও অনেক মিথ্যে বলেই চলেছে৷ পাশ ফিরে ঈশানিকে জানাতে যাচ্ছিলো, যে ও রিজাইন করবে, ঠিক সেই সময় ঈশানি ওর গলাটা জড়িয়ে ধরে ফিস ফিস করে বললো, তুমি বাবা হতে চলেছো৷ এবার থেকে তোমার ওপর আমাদের তিনজনের দায়িত্ব চাপবে৷ সন্তান হবার খুশিতে খুব বেশি আনন্দ পায়নি প্রলয়৷ কারণ ও বুঝেছিলো, আবার অন্যায়ের সাথে আপোষ করেই করতে হবে ওকে চাকরিটা৷ লোকে গালাগাল দেয়, পুলিশ কি অন্ধ, একজন ধর্ষিতা মেয়ের ওপরে অন্যায় দেখেও পুলিশ সহ্য করে! সাধারণ মানুষ বুঝতেও পারে না এর মধ্যে কত কত খেলা চলে৷ প্রলয়ের সব থেকে আপত্তি ওই ধর্ষিতা কথাটাতে৷ একটা মেয়ে একজন দুষ্কৃতীর দ্বারা আক্রান্ত হলো, তার সুস্থ স্বাভাবিক জীবন বিপন্ন হলো, আবার সমাজ তারই একটা নাম ঠিক করে ফেললো, ধর্ষিতা৷ কষ্ট হয় প্রলয়ের৷ কিন্তু সামান্য কনস্টেবলের ক্ষমতার দৌড় সাধারণ মানুষ না জানলেও ও ভালো মতোই জানে৷ কিন্তু অসহায় মেয়েগুলোর বাবারা যখন পুলিশ স্টেশনে এসে ডায়রী করে, তখন প্রলয়ের চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে, ভেঙে দিন সব নিয়ম কানুন৷ ঈশানি মাথায় হাত বুলিয়ে বলে, তুমি একা কি সব পাল্টাতে পারবে? নিজেকে ক্ষত বিক্ষত করা ছাড়া আর কি পারবে তুমি?

    প্রলয় হেসে বলেছিলো, সংগ্রাম স্যার একাই পারতো৷ একাই গোল দিতো, একাই গোল আটকাতো, একাই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতো৷

    দিন কেটে গেছে, প্রলয়ের তিনবার বদলি হয়েছে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে৷ নাতির মুখ দেখে মাও স্বর্গারোহন করেছেন নিশ্চিন্তে৷ প্রলয়ের ছেলের নাম সংগ্রাম সামন্ত৷ ডাক নাম বিট্টু৷ ওকে ঘিরেই প্রলয়ের যত স্বপ্ন৷ স্যারের নামে নামটা রেখেছিলো, যদি ওনার মত একটু গুনও পায় বিট্টু৷ কিন্তু প্রলয় বুঝেছে শুধু নামে দুটো মানুষ কখনো এক হয়ে যায় না৷ সেই জন্যই বিবেকানন্দ নামের চোর জোচেচারকে প্রায় ধরতে হয় ওকে৷

    তাই বিট্টুর প্রিয় খেলা ফুটবল নয়৷ প্রলয় ছোট্ট ছেলেটার পায়ে ফুটবল দিয়ে দেখেছে, ছেলেটা বলটা শট না মেরে হাতে তুলে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে৷ বরং বন্দুকের প্রতি ওর আগ্রহ বেশি৷ সব মেলাতে গিয়ে একটা করে বন্দুক ওর কেনা চাই৷ হতাশ হয়েছে প্রলয়৷ নাহ, ছেলে তার সংগ্রাম সামন্তই থেকে গেল, বক্সী হতে পারবে না৷

    ঈশানির ইচ্ছে ছিলো নামী কোনো স্কুলে ডোনেশন দিয়ে ভর্তি করার৷ স্বামীর কাছে কাকুতি মিনতি করেছিলো ও৷ কিন্তু প্রলয়ের এক কথা, ওর জীবনটাও গোঁজামিল দিয়ে শুরু হবে? তারপরেই মিশনের আইডিয়াটা মাথায় খেলে যায় ওর৷ গত বছর নামী রামকৃষ্ণ মিশনে রিটেনে পাশ করেও ওরাল পরীক্ষায় আটকে গিয়েছিলো বিট্টু৷ ঈশানির অত খাটনি বিফলে গিয়েছিল৷ এ বছরই বয়েস কমিয়ে যাহোক করে পরীক্ষায় বসিয়েছিলো বিট্টুকে৷ যথারীতি রিটেনে পাশ করেছে ও৷ এখন ঈশানি পাখি পড়ানো করে ওকে সব শেখাচ্ছে৷ প্রলয় শুনতে পাচ্ছে ঈশানি অনেক মিথ্যেও শেখাচ্ছে৷ যেমন তোর বয়েস কিন্তু 10+ নয়, বলবি 9+, আর কিশোর ভারতী বিদ্যালয়ে ক্লাস ফোরে কিন্তু তুমি দু-বছর নয়, একবছরই পড়েছো৷ আর বাবার বারবার বদলি হয়ে যায় সেটাও বলবি না কিন্তু৷ আর রেগুলার মা কি রান্না করে জিজ্ঞেস করলে বলবি, মাছ, মাংস… মনে থাকবে?

    বিট্টু ঘাড় নেড়ে বলছে, সব মিথ্যে ঠিক ঠিক মুখস্ত করে নিয়েছি মা৷ কিন্তু আমরা তো সপ্তাহে দু-দিন মাছ, আর একদিন মাংস খাই তাহলে?

    ঈশানি মুখ ঝামটা দিয়ে বললো, যেটা বলতে বলছি সেটাই বলবি৷ নাহলে তোর বাবার স্যালারির বহর বুঝেই হয়তো ভরতি করবে না৷

    প্রলয়ের বুকটা ফেটে যাচ্ছে৷ শেষ পর্যন্ত ছেলেকে মিথ্যে বলতে শেখাতে হচ্ছে? বিট্টুর নাম সংগ্রাম রাখাটা বড়ো ভুল কাজ হয়ে গেলো৷ প্রলয় পরোক্ষে যেন অপমান করলো সেই মানুষটাকে৷ যিনি হাজার বিপদেও কখনো মিথ্যে বলেননি৷

    তবুও টেনশন হচ্ছে, আগামী কাল পরীক্ষা৷ সারারাত প্রলয় আর ঈশানি নির্ঘুম চোখে দুজনে দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে৷ ঈশানি জিজ্ঞেস করলো, আর কিছু শেখানোর আছে ওকে?

    প্রলয় ঘাড় নেড়ে বললো, আর কোনো মিথ্যে বাকি নেই বোধহয়৷ প্রলয়ের চোখের কোনা দুটো ভিজে যাচ্ছিলো৷ বালিশে চোখটা মুছে নিয়ে বললো, ঈশানি আমি একটা হেরে যাওয়া মানুষ৷ আমার পায়ে বল টিকলো না, আমার মুখে সত্যিও থাকতে চাইলো না৷

    আজ ছুটি নিয়েছে প্রলয়৷ তার একমাত্র স্বপ্নকে নিয়ে ও আর ঈশানি যখন পৌঁছালো রামকৃষ্ণ মিশনের বিশাল দরজার সামনে তখন স্কুলের প্রার্থনা সংগীত ভেসে আসছিলো ওদের কানে৷ প্রলয়ের রক্তে ধ্বনিত হচ্ছে বিবেকানন্দের সেই সব বাণী৷ যেগুলো ও শুনেছিলো সংগ্রাম স্যারের মুখ থেকে৷

    বিট্টুর কাঁধে হাত রেখে বললো, তুই পারবি দেখিস৷ কিছুটা যেন নিজেকেই সান্ত্বনা দিলো প্রলয়৷

    মহারাজের ঘরের সামনে যাওয়া নিষেধ৷ তাই ভিতরে বিট্টু থাকা সত্ত্বেও, সামনে দাঁড়াতে পারেনি প্রলয় বা ঈশানি৷ বেশ কিছুটা দূরে পায়চারি করছে ওরা৷ ঈশানি ছটফট করছে, সেটা ওর ঘনঘন নিঃশ্বাস নেওয়া দেখেই বোঝা যাচ্ছে৷

    একজন শিক্ষকের সাথে লাফাতে লাফাতে বেরোচ্ছে বিট্টু৷ ঈশানির মুখে চিন্তার ঘন রেখা, প্রলয়ের কপালে দুশ্চিন্তার রেখারা প্রকট৷ বিট্টু এসে বললো, মা সব ঠিক বলেছি৷ শুধু মিথ্যেগুলো বলিনি৷ বলেছি, আমি কিশোর ভারতী স্কুলে দু-বছর পড়েছি৷ আপনারা আগের বছর আপনাদের স্কুলে ভর্তি নিলেন না বলেই এই দুর্ঘটনা ঘটলো৷ বলে দিয়েছি, আমার 9+ নয় আমি আরেকটু বড়ো৷ আর বাবা মোটেই দুষ্টু নয়, বরং খারাপ কাজের প্রতিবাদ করে বলেই বাবাইকে পচা লোকেরা বদলি দিয়ে দেয়৷ আর বললাম, আমার রোজ মাছ, মাংস খেতে ভালো লাগে না বলেই মা রান্না করে না৷ আমার সবজি ডাল খুব প্রিয়৷

    উনি আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, রোজ রোজ ভালো খাবার জন্য বায়না করতে নেই৷

    ঈশানি ধপ করে বসে পড়লো চেয়ারে৷ চোখের সামনে এত দিনের আশার, পরিশ্রমের মৃত্যু দেখলো৷ দু-চোখ দিয়ে অবুঝ জলের ধারা বেরিয়ে আসতে চাইছে৷ প্রলয় হঠাৎ বাম হাত থেকে ঘড়িটা খুলে ডান হাতে পরে ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললো, ওরে তুই মিথ্যে বলবি কি করে! তোর নাম যে সংগ্রাম! যে স্কুলে পাবি সে স্কুলে পড়বি, চল চল বাড়ি চল৷ আজ থেকে আমি ডান হাতে ঘড়ি পরবো৷ আমার ছেলে মিথ্যে বলে না৷ প্রলয়ের চোখে মুখে খুশির দীপ্তি৷ ঈশানি বোকার মতো তাকিয়ে আছে৷ ফিরে চলে আসছিলো ওরা, সত্যিকে সম্বল করে, ভেঙে যাওয়া স্বপ্নের ধ্বংসাবশেষ নিয়েই ফিরেছিল… ঠিক সেই সময় পিছন থেকে একজন মহারাজ ডাকলেন৷

    প্রলয়রা সামনে যেতেই বললেন, যদিও ওর এজটা একটু বেশি, কিন্তু সার্টিফিকেটে ঠিকই আছে৷ তবে আপনার ছেলের সত্য বচনে আমরা মুগ্ধ৷ আর মিস্টার সামন্ত, আপনাদের মতো সৎ মানুষদের বড্ড প্রয়োজন এই অবক্ষয়িত সমাজের৷ ওর অ্যাডমিশন হয়ে যাবে, নিয়ম ভেঙেই না হয় নিয়ম গড়া হোক৷

    মহারাজের কথা গুলো শোনার পরেই প্রলয় ধীরে ধীরে বললো, দেখেছো ঈশানি, সত্যের জয় হয় গো, আজও সত্যের জয় হয়৷

    সংগ্রাম স্যার বলতেন, তুই সঠিক থাক চারপাশের লোক জন তোকে ভয় পাবেই৷ সত্যিকে লোকে আজও সমীহ করে৷ বিট্টু বললো, বাবাই… সত্যি বললাম বলেই এবারে আমি চান্স পেলাম?

    ঈশানি ছেলের মাথায় হাত রেখে বললো, হ্যাঁ বাবা, তুই সত্যি বলেছিস বলেই ওনারা তোকে ভর্তি নিয়ে নিলেন ওনাদের স্কুলে৷

    বিট্টু বললো, বাবাই, আই লাভ ইউ৷ আমি বড়ো হয়ে তোমার মতো হতে চাই৷

    প্রলয় সামন্ত আবার ডান হাতে ঘড়ি পরেই ডিউটিতে যাচ্ছে৷ এই ক-বছরে এত জায়গায় বদলি হয়েছে ও যে থানার বড়ো বাবুও ওকে একটু ভয়ই পান৷ আড়ালে বলেন, মাথা খারাপ সৎ মানুষ, ওকে একটু সমঝে চলিস তোরা৷ প্রলয়ের সামনে এখন গোল পোস্টটা পরিষ্কার, সেখানে একটাই শব্দ স্পষ্ট ভাষায় লেখা আছে… সত্য৷ প্রলয় বুঝেছে, সত্যিবাদী সন্তানের বাবা হওয়ার গর্বটাও নেহাত কম নয়৷

    __

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }