Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শরীরের পবিত্রতা

    এই দিনরাত এমন ন্যাকামি করো না তো৷ সবই বিয়ের আগে না ,শুনতে শুনতে আমি জাস্ট বিরক্ত হয়ে গেছি ইন্দ্রানী৷ অ্যাট লিস্ট কিস তো করতে দেবে তোমার ওই জুসি ঠোঁট দুটোতে!

    আমূল কেঁপে উঠলো ইন্দ্রানী৷

    আধুনিক কালের মেয়ে হলেও মনে মনে ও ভীষণ সনাতন পন্থী৷ বিয়ের আগে শরীর কেউ ছোঁবে না গোছের মানসিকতার বশবর্তী৷ সৌনক প্রায়ই ভিড় রাস্তায় ইন্দ্রানীর হাত ধরতে গিয়েও টিপ্পনি কেটেছে৷ ওহ..তোমার হাত ধরলে তো আবার পবিত্রতা নষ্ট হয়ে যাবে! আজব প্রেমিকা জুটিয়েছি আমি বটে৷ বন্ধুরা শুনলে আমাকে নিয়ে খিল্লি করবে বুঝলে!

    আমি আজ কোনো কথা শুনবো না ইন্দ্রানী৷ তোমাকে আজ ইউনিভার্সিটির পরে আমার বাড়িতে যেতেই হবে৷ আগে প্রমিস করো৷ একরাশ অভিমান গলায় নিয়ে আব্দার জুড়লো সৌনক৷

    ইন্দ্রানী ভালোবাসার পুরুষের অভিমানী মুখের দিকে তাকিয়েও শেষ চেষ্টা করলো, কিন্তু সৌনক ..রাত হয়ে যাবে যে৷ ইউনিভার্সিটির পরে গানের ক্লাস সেরে আবার তোমাদের বাড়ি!

    ট্রাই টু আন্ডারস্ট্যান্ড ইন্দ্রানী… আমার বার্থ ডে আর তুমি প্রেজেন্ট নেই৷ অফিস কলিগরা কি বলবে বলতো!

    তাছাড়া আজ মা-বাবার সাথেও তোমার পরিচয়টা করিয়ে দেবো সোনা৷ প্লিজ একদিন তোমার বাড়িতে ম্যানেজ করো৷

    ইন্দ্রানী চিন্তান্বিত মুখে বললো, বেশ দেখছি৷ মুশকিলটা হলো শীতের দিনে সাড়ে পাঁচটা মানেই সন্ধ্যে৷ গানের ক্লাস মিস করলেই গানের নীলিমা দি ডিরেক্ট মাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করে, কি রে ইন্দ্রানী আজ এলো না কেন! তখন! তখন কি উত্তর দেবে ইন্দ্রানী৷ সৌনক-এর কথা এখনো বাড়িতে বলেনি৷ যদিও সৌনকের সাথে ওর বছর দুয়েকের সম্পর্ক৷ তবুও বাবার সামনে দাঁড়ালেই কেমন একটা অজানা ভয় চেপে ধরে ওকে৷

    আসলে ছোটো থেকেই যৌথ পরিবারের রক্ষণশীল পরিবেশে বড়ো হয়েছে ইন্দ্রানী৷ বাবা, জ্যেঠুর সামনে দাঁড়িয়ে নিজের প্রেমের কথা বলবে, এমন সাহসই ওর নেই৷ ওদের বাড়ির কেউ প্রেম করে বিয়ে করেনি৷ অভিভাবকরা দেখা শোনা করে বিয়ে দিয়েছে সকলের৷ এমনকী ইন্দ্রানীর ছোটো কাকার বিয়ের সময় ছোটো কাকিমাকে কাকুর খুব একটা পছন্দ ছিলো না৷ তবুও জেঠুর মুখের ওপর কোনো কথা না বলতে পেরেই চুপ করে ছাদনা তলায় বসেছিলো কাকু৷ ইন্দ্রানীর ভয়ে বুকটা কেঁপে ওঠে, কি করে বলবে ও সৌনকের কথা!

    বিশেষ করে ফেসবুকে পরিচয়, তারপর প্রেম শুনলেই তো বাবা আর জ্যেঠু ওর ইউনিভার্সিটি যাওয়াই বন্ধ করে দেবে৷ মাঝে মাঝে খুব দমবন্ধ লাগে ওর৷ বান্ধবীরা জিন্স টপ পরে, ও সেই একই ফুলহাতা চুড়িদার৷ ক্লাসের বন্ধুরা মজা করে বলে, ওরে আমাদের কাননদেবী এসে গেছে৷ আওয়াজ খেতে খেতে এখন ও অভ্যস্ত৷

    মুশকিলটা হলো, সৌনকের সাথে পরিচয় বা বন্ধুত্ব হলেও প্রেম করতে তেমন আগ্রহী ছিল না ইন্দ্রানী৷ নিজের বাড়ির পরিবেশ তো ও জানতো৷ কিন্তু নিজের সব কথা সৌনকের সাথে শেয়ার করতে করতে কবে যে ওদের সম্পর্কটা প্রেমে পরিণত হয়ে গেছে ইন্দ্রানী নিজেও জানে না৷ মাঝে মাঝে ওরও মনে হয়, সৌনক বোধহয় এবার বিরক্ত হচ্ছে৷ কোথাও মিট করার কথা হলেই ইন্দ্রানী বলে, দেরি করে ফিরলে বাড়িতে বকবে৷ আজ ওর জন্মদিনে কি করে বলবে ইন্দ্রানী, যে পার্টিতে যাবে না!

    কাঁচুমাচু গলায় ইন্দ্রানী বললো, বেশ আমি ট্রাই করছি সৌনক, কিন্তু আধঘন্টার বেশি থাকব না কিন্তু৷

    যা ইচ্ছে করো, তাও এসো প্লিজ৷

    আর হ্যাঁ, আজ একটা শাড়ি পরে এসো কিন্তু৷

    কথাটা শোনার পর থেকেই ভিতরে ভিতরে ভয় করতে শুরু করেছে ইন্দ্রানীর৷ বন্ধুদের বাড়ির নিমন্ত্রণ থাকলে তারা মা বাবার সাথে ফোনে কথা বলে, দল বেঁধে যায়৷ বাড়িতে প্রবলেম হয় না৷ এক্ষেত্রে বলবেই বা কি!

    বেশ আমতা আমতা করে ইন্দ্রানী চায়ের টেবিলে গিয়ে বাবার সামনে গিয়ে বলল, বাবা… আজ গানের স্কুল থেকে একটা বান্ধবীর বাড়ি যাবো৷ কিছু নোটসের দরকার৷ বাবা মুখটা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফেরা ঔরঙ্গজেবের মতো করে বললো, বাড়িটা কোথায়? কী নাম বান্ধবীর?

    সুলগ্না …এত মিথ্যে একসাথে বলতে গিয়ে যেন ধরা না পড়ে যায়৷ বাড়ি ওই গাঙ্গুলিবাগানের দিকে৷ ওদের বাড়ি থেকে ওটা একটু দূরে আছে তাও৷ বাবা যাও যেও না বলে বললো, বেশি দেরি করো না যেন৷ এই শীতেও ইন্দ্রানীর হাতের তালু ঘেমে গিয়েছিলো৷

    যাইহোক, এত কাণ্ডের পর আবার মায়ের কাছে বলবে কি করে, যে শাড়ি পরে যাবে!

    অবশ্য মা একচান্সেই বললো, হ্যাঁ শাড়ি পরা অভ্যেস কর৷ আর তো মাত্র তিনটি মাস, তারপরেই তোর ফাইনাল পরীক্ষা হবে আর পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে৷

    চুপচাপ সৌনক-এর পছন্দের হালকা গোলাপি শাড়িটা পরে নিলো ইন্দ্রানী৷

    আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেই লজ্জা পেলো৷ মনের মধ্যে একটা অদ্ভুত অনুভূতি৷ বিয়ের পরে যে বাড়িতে সংসার করবে সেই বাড়িতে আজ ওর প্রথম পদার্পণ৷ কেমন হবে সৌনকের বাবা মা! ওকে মেনে নেবে তো? বিয়ে মানে তো শুধু স্বামী নয়, একটা সম্পূর্ণ অপরিচিত গোটা জগৎ৷

    তাই সৌনকের পরিবারের সকলের সাথেই পরিচয় হওয়াটা জরুরি ৷ সৌনক বলেছে এরপরেই ও ওর বাবা মাকে নিয়ে আসবে৷ ফুলের বুকে আর ওর পছন্দের পারফিউম কিনেই ট্যাক্সি ধরলো ইন্দ্রানী৷ আজ ইউনিভার্সিটিতেও সবাই আড়চোখে তাকাচ্ছিলো ওর দিকে৷ অদ্ভুত একটা ভালোলাগা মিশেছিলো ইন্দ্রানীর মনে৷ আজ গানের ক্লাসে গিয়েও মন বসাতে পারছিলো না ও৷ সৌনক একটা সাদা পাঞ্জাবি পরে বাড়ির সামনেই অপেক্ষা করছিল ইন্দ্রানীর জন্য৷

    একমুখ হেসে সৌনক বললো, যাক রাজকুমারীকে অবশেষে সম্রাট ছেড়েছেন৷ সৌনকের বাবা মাও খুব খুশি হবু বৌমাকে পেয়ে৷ সৌনকদের অফিসের কলিগদের সাথে পরিচয়ের আগেই ঘনঘন ঘড়ি দেখছিল ইন্দ্রানী৷ সেটা খেয়াল করেই সৌনক বললো, মাত্র সাতটা বাজে ইন্দ্রানী৷ অন্তত আটটা পর্যন্ত থাকো প্লিজ৷

    এর মধ্যেই বাবা দু-বার ফোন করেছিলো৷ অসহায় মুখে ও বললো, সৌনক আজ আর হবে না, আমাকে এখুনি যেতে হবে যে৷

    সৌনকের বেডরুমে এই প্রথম ওকে জড়িয়ে ধরেছিলো ও৷ ইন্দ্রানী কেঁপে উঠছিলো প্রথম পুরুষের ছোঁয়ায়৷

    ভালোলাগায় ভাসছিলো ও, তবুও সৌনক মুখটা গম্ভীর করে রেখেছিলো৷ এখুনি ঢুকবে ওর অফিস কলিগরা৷ সেই মুহূর্তেই বেরিয়ে গেলো ইন্দ্রানী৷ সৌনকই ট্যাক্সি ডেকে তুলে দিলো ওকে৷

    মিনিট দশেক চলার পরেই ট্যাক্সিটা গন্ডগোল করতে শুরু করলো৷ বিরক্ত হয়ে নেমে পড়লো ইন্দ্রানী৷ কয়েক পা হেঁটে ধরে নেবে অন্য ট্যাক্সি৷ বাবার ফোনে ভয়ে ভয়েই বললো, আর ঘন্টাখানেকের মধ্যেই পৌঁছে যাবে বাড়ি৷

    নির্জন রাস্তা ধরে কয়েকপা হাঁটার পরেই আর কিছু মনে ছিল না ওর৷

    মুখটা বাঁধা, শরীরে অকথ্য যন্ত্রনা নিয়ে সেন্স ফিরেছিল ওর৷ বেশ কয়েকজন ঘিরে ধরে ছিল ওকে৷ ওর গোলাপি শাড়িতে ছোপ ছোপ রক্তের দাগ৷ ভিড়ের মধ্যেই দেখতে পেয়েছিল বাবার মুখটা৷

    বেশ কয়েকদিন বাড়িতে ঘর বন্দি হয়ে বসেছিলো ইন্দ্রানী৷ বাবা নিজের চুলের মুঠি ঝাঁকিয়ে বলেছিল, ইন্দ্রানীর ফোন থেকেই বোধহয় নাম্বারটা পেয়েছিল ওখানের লোকগুলো৷ আমাকে ফোন করে বললো, একটি গোলাপি শাড়ির মেয়ের …

    আর বলতে পারেনি বাবা৷

    কোনো এক খবরের কাগজের পাতায় ইন্দ্রানীর ছবি৷ ওই ভিড়ের মধ্যে কে যে ওর ছবি তুলেছিল বুঝতেও পারেনি অজ্ঞান ইন্দ্রানী৷ ওকে বাঁচানোর লোকের অভাব ছিল ঠিকই কিন্তু ওর ছবি তোলার লোকের অভাব ছিল না৷ এমনকী মিডিয়ার ভিড় লেগে গিয়েছিলো ওদের বাড়ির সামনে৷ ইন্দ্রানী কারোর সামনে বেরোয়নি৷

    পাগলের মতো সৌনককে ডায়াল করে গেছে ও৷

    কিছুতেই ফোন ধরেনি সৌনক৷ শুধু একটা মেসেজ… ক্ষমা করো ইন্দ্রানী৷ আমার বাবা মা সকলে দেখেছে তোমার ছবি৷ কেউ আর মেনে নেবে না এই সম্পর্কটা৷

    কিন্তু সৌনক আমার দোষ কোথায়?

    না আর উত্তর আসেনি ও তরফ থেকে৷ ধর্ষিতা মেয়েরা করুণার পাত্র হতে পারে কিন্তু কারোর প্রেমিকা বা স্ত্রী নয়৷ সত্যিটা খুব সহজেই বুঝে গিয়েছিল ইন্দ্রানী৷ নিজের শরীরের ক্ষতগুলোতে ওষুধ না লাগিয়ে কষ্টটা দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করছিলো ইন্দ্রানী৷ আর মনে মনে সঞ্চয় করছিলো একরাশ প্রশ্নের সম্মুখীন হবার মতো জোর৷

    পুলিশকে জানিয়ে দিয়েছে ও ,অন্ধকারে কাউকে চিনতে পারেনি ও৷ সত্যিই চিনতে পারেনি ওর জীবনটা তছনছ করে দেওয়া মানুষ দুটো অথবা চারটেকে৷

    শুধু শহরের রাস্তায় কোনো প্রতিবাদী মোমবাতি মিছিল বেরোয়নি ওকে কেন্দ্র করে, কারণ ধর্ষকরা ওকে জীবিত ছেড়েছিলো, মেরে ফেলেনি৷

    ইউনিভার্সিটির লাস্ট পরীক্ষার জন্য পাগলের মতো খেটে চলছিলো ও৷ কিন্তু পড়তে বসলেই শুধু সেই কালো মুখগুলো দৃষ্টিপথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিলো৷ নোনতা জলে ভিজে যাচ্ছিল বইয়ের পাতা৷

    বাবার সাথে ইন্দ্রানী বসে আছে একজন সাইক্রিয়াটিস্ট-এর চেম্বারে৷ বাবার শরীরটাও যেন ভেঙে গেছে এই সাত দিনে৷ সেই রাগী রাগী ভাবটা চলে গিয়ে কেমন বিধস্ত চেহারা নিয়েছে৷ বাবা নিজের মুখটা ঢেকে কেঁদে বলেছিলো,মেয়ের বাবার বড়ো জ্বালা৷

    ওটা শুনেই বোধহয় সব থেকে বেশি কষ্ট হয়েছিলো ইন্দ্রানীর৷ ওর রাশভারী বাবাকে ভেঙে পড়তে দেখে ভীষণ কষ্ট হয়েছিলো ওর৷

    ডক্টর দিগন্ত রায় বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন ইন্দ্রানীর দিকে৷ অপলক…

    তারপর বললেন, কি মনে হয় তোমার, রেপ মানে কি?

    মনের বিরুদ্ধে জোর করে যে কোনো কাজ! তাই তো?

    ঘাড় নাড়লো ইন্দ্রানী৷

    দিগন্ত বললো, একটু ভালো করে ভেবে বলো তো… জীবনে কত বার তুমি নিজের মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো কাজ করেছ?

    ইন্দ্রানী বললো, হ্যাঁ করেছি৷ আমার ইচ্ছে ছিল ইকোনমিক্স অনার্স নিয়ে পড়বো৷ কিন্তু বাবার ইচ্ছেয় ইংলিশ পড়ছি৷

    ডাক্তারের মুখে মিষ্টি হাসি৷ এটা রেপ নয়?

    কোনোদিন হয়তো ভেটকি মাছ খেতে না, কারোর অনুরোধে জোর করে ভেটকি ফ্রাই খেলে, সেটাও কিন্তু তোমার মনের বিরুদ্ধেই৷

    ওই দিন রাস্তায় তুমি মনের বিরুদ্ধেই কিছু মানুষের নোংরামির স্বীকার হয়েছ, কষ্ট হয়েছে তোমার৷ কিন্তু বাকিগুলোর মতো এটা নিয়ে এত কুন্ঠিত কেন তুমি?

    বছর সাইত্রিশের ডাক্তারের ঝুলপির কাছে দু একটা সিলভার লাইন৷ চোখে পাওয়ারের চশমা৷ শুধু হাসিটা অমলিন৷ পৃথিবীতে কিছুই যেন খারাপ নেই৷

    শরীরের বাকি রোগগুলো যদি সারতে পারে তাহলে এটাও সারবে৷

    কাঁদছিলো ইন্দ্রানী৷ ফুঁপিয়ে কেঁদে ফেলেছিল৷

    দিগন্ত বললো, ইন্দ্রানী… পবিত্রতা শরীরের মতো ক্ষণে ক্ষণে রোগে পড়া জায়গায় থাকে না, থাকে মনে৷

    ইন্দ্রানী জানে না কেন! তবুও একমাত্র দিগন্তর সাথে কথা বললেই ও নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার প্রাণ শক্তি খুঁজে পাচ্ছে৷

    প্রায় রেগুলারই ফোনে কথা বলে ওরা৷ ডাক্তার নয়, দিগন্ত যেন খুব কাছের বন্ধু৷

    পরীক্ষাটা ভালোই দিয়েছে ইন্দ্রানী৷ তবে এই ভালো পরীক্ষা দেবার জন্য সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দিগন্তর৷ ও যদি এভাবে শক্তিসঞ্চার না করতো, তাহলে হয়তো কোনোদিনই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারতো না ইন্দ্রানী৷

    আজ রাতে দিগন্তের কোনো একটা মিটিং আছে৷ তাই আজ ইন্দ্রানী কল করেনি ওকে৷ এই প্রথম ইন্দ্রানী বুঝতে পারলো, দিগন্তকে ইন্দ্রানী অন্য চোখে দেখতে শুরু করেছে৷ খুব কাছের বন্ধুর বেশিই কিছু৷

    দিগন্তর বয়েস প্রায় সাইত্রিশ৷ ইন্দ্রানীর থেকে তেরো বছরের বড়ো৷ হয়তো স্ত্রী সন্তানও আছে ওর৷ ইন্দ্রানীর অসহায় অবস্থায় ওকে সাহায্য করেছে বলেই, এই ধরণের ভাবনাটা বড্ড ভুল হচ্ছে ৷ কিন্তু কেন কিছুতেই ইন্দ্রানী ওকে ভুলতে পারছে না৷ ওর বলা সব কথাগুলো বারবার মনে পড়ে যাচ্ছে ওর৷

    ইন্দ্রানী, জীবনে কখনো ছোট্ট ডোবাকে ভালোবেসো না৷ ডোবাকে করুনা করো কিন্তু ভালোবেসো সমুদ্রকে৷ সমুদ্র তোমাকে তার বিশালতা দিয়ে প্রসারতা চেনাবে৷ আর ডোবা তোমাকে চেনাবে সংকীর্ণতা৷

    কেন কে জানে আজকাল ইন্দ্রানীর সৌনককে ডোবার মতোই মনে হয়৷ একটা অন্তত সাধারণ সংকীর্ণ মনের ছেলে৷ যে ভালোবাসার অর্থই বোঝে না৷

    রাত তখন প্রায় বারোটা৷

    আর পারছে না ইন্দ্রানী৷ উত্তরটা আজ ওকে পেতেই হবে৷ এতক্ষণে হয়তো দিগন্ত ফিরেছে মিটিং থেকে৷ হয়তো স্ত্রীর সাথে নিশ্চিন্তে ঘুমুচ্ছে৷ ফোন করাটা কি ঠিক৷ তাছাড়া ব্যক্তিগত কথা তো শুধু ইন্দ্রানীই বলতো, দিগন্ত তো নিজের ব্যাপারে কখনো কিছু বলেনি৷

    প্রতিটা রিঙের আওয়াজে বুকের ভিতরে তোলপাড় হচ্ছে ইন্দ্রানীর৷ অবশেষে ঘুম গলায় ফোনটা ধরলো দিগন্ত৷

    কি হয়েছে ইন্দ্রানী?

    কোনো প্রবলেম?

    এ প্রান্তে শুধুই ফুঁপিয়ে কান্নার আওয়াজ৷ দিগন্ত ধীর গলায় বললো, কেঁদো না ইন্দ্রানী৷ আমি জানি তুমি কি বলতে চাইছো৷

    আমি জানি তুমি আমাকে ভালোবাসো৷ হয়তো আমিও…কিন্তু আমাদের বয়েসের পার্থক্যটা কখনো ভেবেছো? তোমার সামনে সুন্দর ভবিষ্যৎ৷

    ইন্দ্রানী কান্না ভেজা গলায় বললো, মনের বয়েসটা বুঝি গুরুত্বপূর্ণ নয়? শরীরের বয়েসটাই বুঝি সব?

    দিগন্ত খোলা গলায় হেসে বললো, আমি অনাথ৷ খুব ছোটোবেলায় বাবা মা মারা গিয়েছিলেন, পিসির কাছেই মানুষ হয়েছি৷

    কথা শেষ করতে না দিয়েই ইন্দ্রানী বললো, যদি তেরো বছরের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তোমাকে ছেড়ে আমি তেরো সেকেন্ডও না থাকতে পারি, সেটাকে কি বলে ডক্টর দিগন্ত রায়?

    বেশ কয়েকমাস হয়ে গেছে ইন্দ্রানী আর দিগন্তর সুখী দাম্পত্যের৷ ইন্দ্রানী এখন একটা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা৷

    ইন্দ্রানীর গোছানো সংসারের আদরে এলোমেলো দিগন্ত এখন পরিপূর্ণ৷

    সেদিনও ছিলো এমনি শীতের সন্ধ্যে৷ দিগন্ত চেম্বারে৷ চেম্বার সেরে দুজনের যাওয়ার কথা ছিলো শপিং-এ৷ গাড়ি নিয়েই ওর চেম্বারের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল ইন্দ্রানী৷

    হঠাৎই চিৎকারটা কানে এলো ওর৷ গাড়ি দাঁড় করাতেই চোখে পড়লো একটা গোলাপি শাড়ির অল্পবয়সী মেয়ে..পাগলের মত দিকবিদিক জ্ঞান শূন্য হয়ে ছুটছে৷ শাড়ির কয়েক জায়গায় ছেড়া৷ ইন্দ্রানীর পাঞ্জাবি ড্রাইভার সামনে দাঁড়াতেই পিছনের ছেলে দুটো ছুট লাগলো৷ মেয়েটি ক্লান্ত…

    ইন্দ্রানী গাড়িতে তুলে নিয়ে গেল দিগন্তর চেম্বারে৷

    প্রাথমিক চিকিৎসার পরেই দিগন্ত বললো, মানসিক ভাবে বিধস্ত৷ বাড়িতে খবর দাও ইন্দ্রানী৷

    দিগন্তই ফোন করেছে ওর বাড়িতে৷

    মেয়েটি কান্না ভেজা গলায় বললো, আজ যদি তুমি না থাকতে দিদি তাহলে আমার সর্বনাশ হয়ে যেত৷

    হন্তদন্ত হয়ে যে মানুষটি ছুটে চেম্বারে ঢুকছে, তাকে বছর খানেক আগে জন্মদিনের সন্ধ্যেতে শেষ দেখেছিলো ইন্দ্রানী৷

    মল্লিকা বলে মেয়েটি তাহলে সৌনকের স্ত্রী৷

    সৌনক ঢুকেই জড়িয়ে ধরেছে নিজের স্ত্রীকে৷

    ভাগ্যিস…ভাগ্যিস মল্লিকাকে বাঁচাতে পেরেছিলো ইন্দ্রানী৷ নাহলে কি করতো সৌনক! অপবিত্র ধর্ষিতা স্ত্রীকে কি ডিভোর্স করতো!

    মল্লিকা কাঁদো কাঁদো গলায় বললো, এই দিদিই আমাকে আজ..

    সৌনকের চোখে বিস্ময়৷ কোনটা দেখে বিস্ময়? ইন্দ্রানীর সিঁথির লাল রংটা দেখে কি?

    ধন্যবাদ… সৌনকের কথাটা শেষ করতে না দিয়েই ইন্দ্রানী বললো, আমার হাজবেন্ড ডক্টর দিগন্ত রায়কে থ্যাংকস জানান৷ ওই আপনার ওয়াইফের ট্রিটমেন্ট করছে এই মুহূর্তে৷

    সৌনকের বিস্মিত ভাবটা কাটার আগেই ইন্দ্রানী বললো, চলো দিগন্ত…আমাদের শপিংয়ের দেরি হয়ে যাচ্ছে৷

    ইন্দ্রানীর মনে পড়ে গেলো, দিগন্তর বলা সেই কথাটা… ইন্দ্রানী ডোবাকে নয় সমুদ্রকে ভালোবাসো৷ যে তোমাকে বিশালতা শেখাবে…

    ডোবাকে করুণা কোরো, সমুদ্রকে আলিঙ্গন৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }