Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্যানভাসে তোমার ছবি

    খোলা বারান্দায় বসে বসে অবিশ্রান্ত বৃষ্টি দেখছিলো অনিমেষ৷ বৃষ্টি ওর বড়ো প্রিয়৷ যেন মনে হয় একটানা বৃষ্টির পরে গোমড়া মুখের প্রেমিকার গোলাপি ঠোঁটে আলতো হাসির রেখা দেখা যাবার একটা ছোট্ট ইঙ্গিত থেকে যায়৷ অনিমেষের মন জুড়ে কল্পিত একটা মুখ আছে৷ অথচ ওর ক্যানভাস আর পেন্সিল কিছুতেই পারে না সেই মুখটাকে সঠিক রেখায় ফুটিয়ে তুলতে৷

    তাই ভাবলেশহীন মুখে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলোকে ধুয়ে নিতে চাইছিলো অনিমেষ৷

    লোকে শুনলে হাসবে… বলবে বিখ্যাত চিত্রশিল্পী অনিমেষ চৌধুরী যার ছবির এগজিবিশনের সমস্ত টিকিট বুক হয়ে যায় এক সপ্তাহেই, সে কিনা এমন দিনে ছবি না এঁকে নিশ্চুপ হয়ে দুঃখ স্নাত হয়ে চলেছে৷ যার এক একটা ছবি ঠিক কত দামে বিক্রি হবে সেটা অনিমেষ নিজেও কল্পনা করতে পারে না৷ ওর আঁকা শেষ ওই সাদা ঘোড়ার ছবিটা তো নিলামে উঠেছিলো শেষে৷

    সাধারণ মানুষের চোখে অনিমেষ দুঃখ বিলাসী৷ অর্থ আর প্রাচুর্য্যের পাহাড়ে বসে কেউ যখন বলে,আমার ব্যর্থ জীবনের ভার বহন করতে করতে আমি ক্লান্ত ,তখন আড়ালে লোকে তো হাসবেই৷

    বৃষ্টিটা একটু ধরে এসেছে৷ সামনের বাড়িগুলো এবার পরিষ্কার৷ অনিমেষের ফ্ল্যাটের সামনে এখনো বেশ কিছু দোতলা তিনতলা বাড়ি নিজেদের গরিমা বহন করে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে৷ ফ্ল্যাট বাড়ির আকর্ষণে নিজেদেরকে এখনো বিকিয়ে দেয়নি৷ এই স্বাতন্ত্রতা বজায় রাখার ব্যাপারটাকে অনিমেষ শ্রদ্ধা করে৷ সে মানুষ হোক অথবা অন্যান্য জিনিস৷ অঝোরে বৃষ্টিটা কমতেই দেখলো পলাশ রঙের চুড়িদারের ওড়নাটা কেও ভিজে অবস্থাতেই ওড়ানোর চেষ্টা করছে৷ অনিমেষ-এর চোখের সামনে আগুনে পলাশে মাখামাখি৷ সামনের বাড়ির ছাদে একটি মেয়ে৷ সে বোধহয় এতক্ষণ ধরে বৃষ্টিতে ভিজছিলো৷ এখন ওড়না নিঙড়ে কোমর ছাপানো চুল মোছার চেষ্টা করছে৷ অনিমেষ উঠে দাঁড়িয়েছে, মেয়েটির মুখটা ওকে দেখতেই হবে৷ আজকাল বৃষ্টিকে ভালোবাসা মানুষ নেই বললেই চলে৷ যে কয়েকজন আছে তারাও অনিমেষের মতো আরামকেদারায় বসে সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে৷ কিন্তু আলিঙ্গন নয়৷ যে মেয়ে বৃষ্টিকে আলিঙ্গন করছে৷ প্রাণ ভরে নিচ্ছে বৃষ্টির নোনতা জলের স্বাদ৷ এ তো ব্যতিক্রমী৷ একে অন্তত একবার দেখা দরকার৷ ভাবতে ভাবতেই মেয়েটি অনিমেষের দিকে ঘুরে দাঁড়ালো৷ অদ্ভুত এক সারল্যে ভরা বৃষ্টিস্নাত মুখ৷

    মেয়েটি নেমে গেছে নীচে৷ ছাদ ফাঁকা ৷ অনিমেষের মনে তোলপাড়৷ এই মুখটাই কি ও খুঁজে চলছিলো অনবরত?

    ওর ক্যানভাসে অর্ধেক আঁকা ছবিটার পরিণতি কি ঘটাতে পারে এই মেয়েটি?

    দেরি না করে স্টুডিওতে ঢুকলো অনিমেষ৷

    তুলির এলোমেলো টানে বারবার আবছা হয়ে যাচ্ছে ক্ষণিকের জন্য দেখা মেয়েটার মুখটা৷ বরং প্রকট হচ্ছে সাগরিকা, পারমিতাদের মুখগুলো৷ যারা ভালোবাসা মানে শুধু অর্থ বোঝে!

    সাগরিকার সঙ্গে অনিমেষের পরিচয় হয়েছিলো, ক্লাস ইলেভেনের টেস্ট পরীক্ষার পর৷ পড়াশোনায় ভালো, ছবি আঁকার বেশ কিছু পুরস্কার পেয়েছে,অবস্থাপন্ন বাড়ির ছেলে অনিমেষের প্রেমে পড়তে সময় নেয়নি সাগরিকা৷ বেশ কিছুদিন ওর একলা বন্ধুহীন জীবনের সঙ্গী হয়েছিলো সাগরিকা৷ অনিমেষের আঁকাকে ভালোবেসেই নাকি সাগরিকা মানুষটার প্রেমে পড়েছে৷ মুখচোরা অনিমেষের স্কুল-কলেজে বন্ধু তেমন ছিল না বললেই চলে৷ তাই বন্ধুহীন জীবনে সাগরিকাকে পেয়ে আঁকড়ে ধরেছিল অনিমেষ৷ উচচমাধ্যমিকে দুর্দান্ত রেজাল্ট করে,জয়েন্টে চান্স পেয়েও যখন অনিমেষ বাড়ির অমতে আর্ট কলেজের দরজা পেরোলো তখনই সাগরিকা দূরে সরতে শুরু করলো৷

    অনিমেষ আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছিলো সাগরিকাকে নিজের কাছে ধরে রাখার৷ বড়ো আর্টিস্টদের উপার্জনের লিস্ট পর্যন্ত কালেক্ট করে দেখিয়েছিলো অনিমেষ৷ কিন্তু সাগরিকার একটাই কথা, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তেই হবে… সাইডে আঁকা থাক৷

    অনিমেষ বোঝাতে চেয়েছিলো, রংই ওর জীবনের একমাত্র সত্য৷ ও এতদিন পর্যন্ত জোর করে পড়েছিলো অন্য বিষয়গুলো৷ ওর চোখের সামনে রামধনু খেলা করে অবিরাম৷ পারবে না ও ওই রামধনুর হাতছানিকে অবহেলা করতে৷ সাগরিকা বলেছিলো, কেরিয়ার নেই এমন একটা ছেলের সাথে নিজের জীবন আমি জড়াতে পারবো না৷ চলে গিয়েছিলো সাগরিকা৷ মাঝপথে অনিমেষের হাত ছেড়ে চলে গিয়েছিলো ও৷ অনিমেষের ক্যানভাসে তখন শুধুই নোনতা জলের রেখা৷ অনিমেষ বুঝেছিলো, ভালোবাসায় আঘাত পাওয়া কাকে বলে৷ দীর্ঘদিন ওর তুলিরা অবাধ্য হয়েছিলো, কিছুই আঁকতে পারেনি ও৷ পার্ট ওয়ান পরীক্ষা যখন দরজায় কড়া নেড়েছিলো, তখন অনিমেষ মনের জোরে ভাঙা শিকদাঁড়াকে শক্ত করে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলো৷ রাত জেগে শেষ করেছিল ওর স্বপ্নের প্রজেক্ট৷ তারপর অনিমেষের জীবনে শুধুই অনেক রঙের আঁকিবুঁকি৷ কিন্তু যখনই কোনো নারীর মুখ আঁকতে গেছে অনিমেষ তখনই ভালোবাসা, স্নেহহীন একটা নারীর অবয়ব এঁকে বকুনি খেয়েছে প্রফেসরের কাছে৷ প্রফেসর বলেছেন,কি হচ্ছে অনিমেষ! প্রেমিকার মুখ আঁকছ তুমি… সেখানে মুখের প্রতিটা রেখায় রাখো ভালোবাসার, আবেগের, মমতার টান৷ অনেক চেষ্টা করেছে অনিমেষ…কিন্তু কিছুতেই প্রেমিকার মুখ আঁকতে পারেনি কখনো৷

    সকলেই আড়ালে হাসে…আর্টিস্ট অনিমেষ চৌধুরী সব আঁকতে পারে শুধু নারীমূর্তি আঁকতে ব্যর্থ!

    কি করে যেন সেই আর্ট কলেজ থেকে কথাটা ছড়িয়ে পড়েছিলো ভাইরাল ফিভারের মতো৷ আজও কথাটার দায় বয়ে বেড়াতে হচ্ছে অনিমেষকে৷

    নিজের পড়াশোনা শেষ করে, বেশ কয়েকটা পরীক্ষা দিয়ে যেদিন আর্ট কলেজে অধ্যাপনার কাজে নিযুক্ত হয়েছিল সেদিনও জানতো না আদৌ ধরাবাঁধা চাকরি ও ক-দিন করতে পারবে!

    অনিমেষের মা কালীঘাটে পুজো দিয়েছিল, ছেলের যেন মতি ফেরে৷ হয়তো মায়ের সেই সকরুণ ডাকে সাড়া দিয়েই আজ প্রায় তিনবছর অনিমেষ চাকরিটা করছে৷

    চাকরিসূত্রেই আলাপ হয়েছিলো পারমিতার সাথে৷ পারমিতা তখন সবে একটা স্কুলে জয়েন করেছে৷ যাতায়াতের পথে নিছকই আলাপটা, পারমিতার আগ্রহেই বন্ধুত্বে পরিণত হয়েছিল৷ দুজন প্রাপ্ত বয়স্ক বন্ধু৷ যাদের মনে আবেগ কম বাস্তবতা বেশি৷ কিন্তু অনিমেষ যে আবেগ শূন্য হয়ে বাঁচতে পারবে না৷ অনুভূতি না থাকলে ওর রঙেরা যে কোনো আকৃতিই নেয় না৷ অনিমেষের মা চাইছিলো ছন্নছাড়া ছেলের একটা নিখুঁত সংসার৷ ধানবাদ-এর দেশের বাড়ি ছেড়ে অনিমেষের কলকাতার ফ্ল্যাটে এসে থাকা বাবা মায়ের পক্ষে সম্ভব নয়৷ এলেও দিন সাতেক থেকেই পালাই পালাই করে বাবা মা৷ তাই এবারে মায়ের ইচ্ছে, অনিমেষকে বাঁধতেই হবে সংসারের বেড়াজালে৷ পারমিতার বাড়ি অবধি চলে গিয়েছিলো ওদের দুজনের বিয়ের কথাটা৷ ঠিক তখনই অনিমেষ খেয়াল করেছিলো, ওর স্টুডিওতে ঢুকে পারমিতা বলেছিলো, এই ছবিগুলো ফেলে রেখে জঞ্জাল না বাড়িয়ে বিক্রি করে দাও৷ কয়েকটা টাকাও আসবে, আর ঘর পরিষ্কারও হবে৷

    চোখের সামনে একটা সুন্দর রঙিন ছবিকে মুহূর্তে ধূসর হতে দেখেছিলো অনিমেষ৷ পারমিতার চোখের ওই লোভই আবার ধ্বংস করেছিলো অনিমেষের ক্যানভাসের রেখাদের৷ তারপর বছর খানেক শুধু কলেজে গেছে আর এসেছে৷ একটাও ছবি আঁকতে পারেনি অনিমেষ৷ আঁকতে গেলেই মানুষের ওই স্বার্থান্বেষী মুখটা চোখে ভেসে উঠেছে৷ ব্যর্থ হয়ে ক্লান্ত হয়ে ছেড়ে দিয়েছে রঙের খেলা৷ অনিমেষ-এর নিজেকে বড়ো রিক্ত মনে হয়৷ বন্ধু বান্ধবহীন, রং তুলিহীন অনিমেষ যেন মৃতপ্রায় একটা মানুষ৷ মাত্র একত্রিশেই প্রৌঢ়ত্বের দিকে এগিয়ে যাওয়া একটা হেরে যাওয়া মানুষ৷

    ক্যানভাসের সামনে অনেকক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়েছিলো অনিমেষ৷ বারবার চেষ্টা করছিলো একটু আগে দেখা পলাশ রঙের মেয়েটার মুখটাকে আবছা থেকে স্পষ্ট করতে, কিছুতেই না পেরে হাল ছেড়ে বসে পড়লো ও৷ কিন্তু মনের মধ্যে ওই বৃষ্টিস্নাতার চিত্রটি যেন খোদাই হয়ে গেছে৷

    রেগুলার কলেজ থেকে ফিরে ব্যালকনির চেয়ারে বসে নির্দিষ্ট বাড়ির নির্দিষ্ট ছাদের দিকে তাকিয়ে বসে থাকা৷ যদি একবার অন্তত দেখা পাওয়া যায়… তাহলে হয়তো ওর ছবিটা কমপ্লিট হয়ে যাবে৷

    হঠাৎই চমকে উঠলো অনিমেষ… আজ পরেছে নীল৷

    নীলাম্বরী চুড়িদারে আকাশ লজ্জা পাচ্ছে যেন৷ মেয়েটাও ওর দিকে অবাক হয়ে বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকেই গায়েব৷

    তারপরেই ফ্ল্যাটে কলিংবেলের আওয়াজ …

    দরজা খুলতেই একটা ঝড় তীব্র বেগে আছড়ে পড়লো অনিমেষের ওপরে৷

    রোজ বিকেল বেলা আমাদের ছাদের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকেন কেন আপনি? কি দেখেন? জীবনে কোনোদিন তো আপনাকে হাসতে দেখলাম না৷ অথচ মেয়েদের দিকে তাকিয়ে থাকতে পারেন!

    অনিমেষের চোখে একটা অপরাধীর ছায়া৷ সরি ম্যাম! আমি কোনো খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার দিকে তাকাইনি৷ আমার একটা অসমাপ্ত ছবি ….

    মেয়েটা ঝর্ণার মতো খিল খিল করে হেসে বললো, আমাকে আপনি ম্যাম কেন বলছেন?

    আমি তো দিয়া! ইস! একটা ত্রিশ-বত্রিশের লোক কিনা ছাবিবশের আমাকে ম্যাম বলে ডাকছে৷ নিজেকে বড্ড বুড়ি মনে হয়৷

    আচ্ছা, শুনলাম নাকি আপনি আর্ট কলেজের প্রফেসর? তা ছবি টবি আঁকতে পারেন নাকি কলেজের ছেলেদের দিয়েই আঁকান! মেয়েটার কথা বলার ভঙ্গিমাতেই বহুদিন পরে হেসে ফেললো অনিমেষ৷

    দিয়া বললো, আমি এখনও বেকার৷ তবে গানের টিউশনি করি বেশ কয়েকটা৷ আর বাবা মা সরকারি চাকুরে খুঁজতে গিয়ে কেরানি থেকে পিওন খুঁজে চলেছে৷

    যারা আমাকে দেখতে এসেই প্রথমে জিজ্ঞেস করছে, আমি ঘরের কাজ পারি কিনা!

    কেউ জিজ্ঞেস করেনি, আমি গানটা কেমন গাই!

    দিয়া উদাস দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো, আপনি আমাকে দেখেন কেন? আমি কি পাগলি?

    অনিমেষ সামলে নিয়ে বললো, পাগলিরা মন্দ কি? দৈনন্দিন জীবনের হিসেব নিকেশ কষতে কষতে নিজেদের জীবনটাকে জটিল করে তোলে না অন্তত৷

    দিয়া বললো, আপনি ভারি সুন্দর কথা বলেন তো!

    অনিমেষ ভালো কথা বলতে পারে? এই প্রথম কেউ এই কথাটা বললো! এতদিন শুনছে ও নাকি ভীষণ আনরোমান্টিক৷ কথাটুকুও বলতে পারে না৷

    দিয়া বললো, আচ্ছা আপনার শিল্প সত্তার সাথে যদি বাস্তব জীবনের বিরোধ বাঁধে তাহলে আপনি কাকে মেনে নেবেন?

    অনিমেষ একটুও না ভেবে বললো, শিল্পী জীবন৷

    মেয়েটা হঠাৎ করে কোনো ভূমিকা ছাড়া অনিমেষকে জড়িয়ে ধরে বললো,থ্যাংক ইউ স্যার! আমাকে বাঁচালেন৷

    বলেই আর পিছন ফিরে না তাকিয়ে নীলাম্বরী ওড়না উড়িয়ে ফ্ল্যাটের দরজা খুলে পালিয়ে গেলো৷

    অদ্ভুত একটা শিহরণ শরীরে মেখে দাঁড়িয়ে আছে অনিমেষ৷ মেয়েটা কি সত্যিই পাগল? নাকি ওর মতোই আবেগতাড়িত৷ নিজের থেকেও বেশি হয়তো গানকে ভালোবাসে৷

    ব্যালকনিতে এসে বসেছে অনিমেষ৷ দিয়াদের বাড়ি থেকে খুব হালকা হয়ে ভেসে আসছে … যে রাতে মোর দুয়ারগুলি ভাঙল ঝড়ে…

    রোজ বিকালে তীর্থের কাকের মতোই বসে থাকে অনিমেষ৷ তবুও দেখা মেলে না দিয়ার৷

    অধৈর্য হয়ে যায় অনিমেষ৷ একবারও কি ছাদে উঠতে নেই? একবারও কি মনে পড়ে না, কেউ একজন অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করছে ওর জন্য! ধুর..

    সেদিনও বিরক্ত হয়ে ব্যালকনি ছেড়ে ঘরে ঢুকে এলো অনিমেষ৷ তারপরেই ঝড়ের মতো প্রবেশ করলো দিয়া৷

    হাতে বেশ বড়ো একটা ট্রলি ব্যাগ নিয়ে৷ শুনুন আমার এই ব্যাগটা দিন দুই রাখতে পারবেন আপনার বাড়িতে?

    তারপর পালানোর ব্যবস্থা করে আমি নিয়ে চলে যাব!

    চমকে উঠে অনিমেষ বলেছিলো, কার সাথে কোথায় পালাবেন?

    দিয়া একমুখ হেসে বললো, এই তো মানুষের দোষ! যেন পালাতে গেলেই কাউকে একটা দরকার৷ আরে আমি একাই পালাব, বাড়ির লোককে শিক্ষা দেবার জন্য৷ আমার গান ছাড়িয়ে বিয়ে দিতে চায় বলে৷ ব্যাগটা রাখতে পারবেন কিনা বলুন?

    যদি না পারেন তো অন্য কোথাও…

    আরে না সে আপনি ব্যাগ রাখতেই পারেন, কিন্তু আমি তো আপনাকে এভাবে অচেনা পথে পাড়ি জমাতে দিতে পারি না৷ অনিমেষের কথা শেষ হবার আগেই দিয়া বললো, তাহলে তো খুব ভালো হয়৷ রাস্তা ঘাটে আজকাল মেয়েদের বড়ো বিপদ৷

    আপনি সঙ্গে থাকলে পালিয়ে গিয়ে আর কোনো চিন্তা থাকবে না৷ নিশ্চিন্তে দিন সাতেক শান্তিনিকেতনে থেকে ফিরতে পারবো! অনিমেষ বললো, বিয়েতে আপত্তি কীসের?

    দিয়া কাঁদো কাঁদো মুখে বললো, পরাধীনতা ভালো লাগে না যে৷

    আমি যদি খারাপ লোক হই? আমার সাথে পালাবে! তোমার ভয় করবে না?

    দিয়া এক মুখ হেসে বলল, ধুর! আপনি খারাপ লোক হতেই পারেন না৷ বৃষ্টি, আকাশকে ভালোবাসা লোকেরা কখনো খারাপ হয় না, যান্ত্রিক হয় না৷

    মেয়েটার কথায় যে সুরটা মিশে আছে এটাই বহুদিন ধরে গাইতে চেয়েছিল অনিমেষ৷

    দিয়াকে আরও কয়েকদিন দেখতে হবে, মিশতে হবে ওর সাথে… তবে ও প্রেমিকার ছবিটা কমপ্লিট করতে পারবে৷ আঁকতে পারবে একটা পরিপূর্ণ নারীর ছবি৷ যার দীঘল চোখে থাকবে ভালোবাসা৷

    মেয়েটার সব ভালো, তবে বড্ড চঞ্চল৷ একমুহূর্তও স্থির হয়ে ভাবতে চায় না৷

    এখন যেমন অনিমেষের বিছানা গোছাচ্ছে৷ আর গজগজ করে বলছে, আচ্ছা তোমরা ছেলেরা এত নোংরা হও কেন? একটু গুছিয়ে রাখতে পারো না?

    অনিমেষ খেয়াল করল দিয়া বে-খেয়ালই ওকে তুমি বলছে৷

    নিজের মধ্যে অদ্ভুত একটা পরিবর্তন খেয়াল করছে অনিমেষ৷ দিয়াকে দেখতে পেলেই একটা ভালোলাগার অনুরণন চলছে মন জুড়ে৷ যদিও দিয়া স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলে ওর সাথে কিন্তু অনিমেষ দিয়াকে দেখলেই বুঝতে পারে নিজের মনের আলোড়নটা৷ এটাকে কি শুধু ভালোলাগা বলে? নাকি তার থেকে বেশি কিছু!

    দিয়া বললো, আমার বিয়ে প্রায় ঠিক ৷ পাত্রকে অনেক বারণ করেছি, আমি বিয়ে করতে চাই না৷ কিন্তু পাত্রও মহা বদমাশ, কিছুতেই আমার কথা শুনল না৷ তাই ঠিক করেছি বিয়ের দু-দিন আগে থেকে বিয়ের ডেটের তিনদিন পর পর্যন্ত আত্মগোপন করে থাকবো৷

    অনিমেষ বললো, তোমার বাবা মা যদি জানতে পারেন আমি সাহায্য করেছি তাহলে কিন্তু!

    দিয়া ঠোঁট ফুলিয়ে বললো, বেশ আমি ব্যাগ নিয়ে চলে যাচ্ছি৷ ব্যাগটা ধরতে যাওয়ার আগেই অনিমেষ ওর হাতটা ধরলো৷

    অনিমেষের বলিষ্ঠ হাতের মুঠোর মধ্যে থরথর করে কেঁপে উঠলো দিয়া৷

    না, ব্যাগটা এখানেই থাক৷

    আর দাঁড়ায়নি দিয়া৷

    তবে রোজ নিয়ম করে ওই সময় ছাদে উঠেছে পাখিদের ঘরে ফেরা দেখতে৷ আরেকজনের মুগ্ধ দৃষ্টিকে অগ্রাহ্য করতে চেয়েও পারেনি৷ অনিমেষের নির্নিমেশ দৃষ্টির সামনে দিয়ার গালদুটো ধীরে ধীরে অস্তগামী সূর্যের আলোয় আবির রঙা হয়ে উঠেছে৷

    দুটো চোখ লজ্জা অবনত হয়েছে কখনো, কখনো কপট শাসনে বলতে চেয়েছে …কি হচ্ছে? এমন নির্লজ্জের মতো তাকিও না তো৷

    অনিমেষের ক্যানভাসের সামনে ঘন্টার পর ঘন্টা ছটফটে দিয়া চুপটি করে বসে থেকেছে … জেতাতেই হবে অনিমেষকে৷ এটা যেন দিয়ার পরীক্ষা৷ অনিমেষের অসমাপ্ত নারী চিত্রকে পরিপূর্ণতা দিতেই হবে৷

    অনিমেষের বিশাল ক্যানভাস জুড়ে পলাশ রঙা চুড়িদার পরে মিষ্টি করে হাসছে দিয়া৷

    এতদিনে নিখুঁত একটা নারী মূর্তি আঁকতে পেরেছে অনিমেষ৷ বুকের সমস্ত জমে থাকা কষ্ট বেরিয়ে যাচ্ছে নোনতা জল হয়ে৷

    অবশেষে ও পেরেছে….

    দিয়া বললো, অনিমেষ… আর বোধহয় তোমার আমাকে প্রয়োজন নেই৷ তোমার অসমাপ্ত ছবির প্রয়োজনেই তো তুমি তাকিয়ে থাকতে আমার দিকে৷ এখন তো সেটা সম্পূর্ণ হয়েছে৷ এবার আমি আসি৷

    অনিমেষ ক্যানভাসে হাত বোলাতে বোলাতে বললো, হ্যাঁ দিয়া এসো৷ এরপর আর নারীর মুখ আঁকতে ক্যানভাস নষ্ট করতে হবে না আমাকে৷ একটার পর একটা আঁকতে পারবো৷

    দিয়া আমি কৃতজ্ঞ তোমার কাছে৷ তোমার ওই সরল দুটো চোখের জন্যই আমি আজ জিততে পারলাম ৷

    অনিমেষ একবারও দেখলো না, পরিপূর্ণ জীবন্ত নারীর চোখে এখন জলের ধারা নেমেছে৷

    দিয়া চলে গেছে বেশ কিছুক্ষণ৷ অনিমেষ এঁকে চলেছে আরও অনেক ছবির স্কেচ৷ দীর্ঘ একবছর পরে আবার হবে অনিমেষ চৌধুরীর ছবির এগজিবিশন৷

    ভীষণ ব্যস্ত এখন অনিমেষ৷ বিকেলে ব্যালকনিতে দাঁড়ানোর সময় নেই আর৷

    আরেকজন যে ছাদের আলসেতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা আর অপেক্ষা করে করে ফিরে গেছে সেটা বোধহয় কেউ জানলো না৷

    এগজিবিশনের হল বুক কমপ্লিট৷ রাতে ফ্ল্যাটে ফিরতেই পাশের ফ্ল্যাটের মহিলা অনিমেষের হাতে বিয়ের কার্ডটা ধরিয়ে দিয়ে বললো, একজন দিয়ে গেল৷

    কার্ডটা খুলেই চমকে গেল অনিমেষ৷ দিয়ার বিয়ে!

    তাহলে দিয়া আর পালাচ্ছে না৷ বিয়েটা করেই নিচ্ছে৷

    দিয়াকে গিফ্ট করবে বলেই স্টুডিওতে ঢুকে আঁকতে শুরু করলো দিয়ার মুখটা৷ বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছিলো একজোড়া জল থইথই চোখ৷

    ছবিটা কোনোমতে শেষ করলো অনিমেষ৷ কাল সন্ধ্যেবেলা গিয়ে দিয়ে আসবে দিয়াকে৷

    দিয়াদের বাড়ির ছাদেও একটা প্যান্ডেল হয়েছে৷ সন্ধ্যেবেলা টুনি জ্বলছিলো৷

    ছবিটা নিয়ে দিয়াদের বাড়িতে ঢুকতেই দিয়া বেরিয়ে এলো ছুটে৷

    এক নিঃশ্বাসে বললো, তুমি এসেছো অনিমেষ? আমি জানতাম তুমি আসবে!

    অনিমেষ নিজের আঁকা ছবিটা গিফ্ট করলো দিয়াকে৷

    ছবিটা হাতে নিয়ে দিয়া বললো, শুধু এটা দেবে বলেই এসেছিলে?

    অনিমেষের মনে হচ্ছে সেই ছোটোবেলার নাগরদোলা থেকে নীচে নামার মতোই কিছু একটা হারিয়ে ফেলার অনুভূতি বুকের মধ্যে চাপ হয়ে বসে আছে৷

    আজ পালাবে দিয়া? আমার সাথে?

    কোনো কথা না বলে দিয়া হাতটা ধরল অনিমেষের৷

    অনিমেষের গাড়ি ছুটছে শান্তিনিকেতনের দিকে৷

    ওর কাঁধে মাথা রেখে দিয়া বললো, তুমি বুঝি মডেল ছাড়া আঁকতে পারো না?

    অনিমেষ দিয়ার ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে বললো, বিশেষ মডেল,নিজস্ব ব্যক্তিগত মডেল ছাড়া রং কথা বলতে নারাজ৷

    রাতের আকাশে তখন কালপুরুষ আর অরুন্ধতী ভালোবাসা দিবসের প্রতিশ্রুতির বন্ধনে নিজেদের বেঁধে ফেলেছে৷ একই আকাশে থাকবে সারাজীবন৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }