Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘরোয়া পাত্রী

    খুব সাবধানে পায়ের আওয়াজ বাঁচিয়ে বাথরুমে ঢুকে পড়ল সুচেতনা৷ পবিত্র ওপাশ ফিরে এখনও ঘুমাচ্ছে৷

    বাথরুমের লাইট জ্বেলেই দু-ফোঁটা ইউরিন ফেললো প্রেগনেন্সি টেস্ট কিটটার মধ্যে৷ ক্যালেন্ডারে দাগ দেওয়া আছে, ২ এপ্রিল ওর পিরিয়ড ডেট ছিল গতমাসে৷ আজ ২ জুন, তার মানে পাঁচদিন পিছিয়েছে৷ না এখনও কোনো লক্ষণ নেই, পায়ে যন্ত্রনা বা কোমরে যন্ত্রনা হচ্ছে না অন্য বারের মতো৷ ভোরের সূর্য ওঠার আগেই যদি গুড নিউজটা পেয়ে যায় ও তাহলে হয়তো আজ রায়চৌধুরী বাড়ির সকালের চায়ের সাথেই খবরটা দিয়ে সকলের দুশ্চিন্তা লাঘব করতে পারবে৷ মনের মধ্যে মারাত্মক আশা নিয়েই তাকিয়েছিল প্রেগনেন্সি কিটের দিকে৷

    উফ! এবারও নেগেটিভ৷ প্যাকেট ছিঁড়ে আরেকটা কিট বের করল সুচেতনা৷ অনেক সময় ভুল রিপোর্ট আসে বলেই ও মেডিসিন শপ থেকে দুটো কিনেছিল৷ আরেকটাতেও যখন পজেটিভ চিহ্ন এল না তখন ধপ করে বাথরুমের ভিজে মেঝেতেই বসে পড়লো ও৷

    বারবার ওর সাথেই কেন এমন হয়? বারবার সুচেতনাকেই কেন শুনতে হয়, কি কপাল করেছি আমরা, আর বোধহয় নাতি-নাতনির মুখ দেখে স্বর্গে যেতে পারবো না৷ কেন শুনতে হয়, জানো সু, মুখার্জীদার বউ সেকেন্ডবার প্রেগনেন্ট হলো! আর তুমি… কেন শুনতে হয়, আমার বোধহয় আর বাবা ডাক শোনা হলো না সু৷

    ঠাম্মা, দাদু, বাবা ডাকের আকাঙ্খার ভিড়ে মা ডাক না শোনার কষ্টটা হারিয়ে যায় বোবা কান্নার আড়ালে৷

    বেশ খানিকক্ষণ বাথরুমের ভিজে মেঝেতে বসে থাকলো সুচেতনা৷ মাথার মধ্যে আবার একরাশ না পাওয়ার বেদনা ভিড় করে এলো৷ প্রতি মাসে শাশুড়িমা খোঁজ নেন সুচেতনার পিরিয়ডের তারিখের৷ এমাসেও নিতে ভোলেন নি৷ বিয়ের প্রায় বছর পাঁচেক অতিক্রান্ত৷ তাই সমস্ত আত্মীয় স্বজনের কাছেই একরাশ প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে চলেছে সুচেতনা৷ পবিত্র মুখে কিছু না বললেও ওর দীর্ঘশ্বাসের শব্দটা বেশ অনুভব করে সুচেতনা৷ অফিস কলিগদের বাচচার অন্নপ্রাশনে নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যাবার দিনে, অথবা পার্কের পাশ দিয়ে যাবার সময় বাচচাদের কোলাহলে অন্যমনস্ক হয়ে যায় পবিত্র৷ এটা খেয়াল করে বুকের ভিতরটা মুচড়ে উঠেছে সুচেতনার৷ নিজেকেই দোষী মনে হয়েছে৷ গাইনকোলজিস্ট দেখিয়ে দেখিয়ে পবিত্রর মাসের মাইনের অর্ধেক ব্যয় হয়েছে, তবুও ইউরিন টেস্টের রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছে৷

    শাওয়ারের নীচে দাঁড়িয়ে ভাবনার গভীরে ডুব দিতে দিতেই অনুভব করলো, এ মাসে পাঁচ দিন পিছিয়ে গেলেও ভুল হয়নি ডিম্বাণুর ক্ষরণে৷ পা দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে ওর আশাহত হবার চিহ্ন৷ তাড়াতাড়ি স্নান সেরে স্যানিটারি ন্যাপকিনের প্যাকেটটা খুঁজলো সুচেতনা৷

    প্যাকেটের খচখচ আওয়াজেই ঘুমটা বোধহয় ভেঙে গেল পবিত্রর৷ ঘুম চোখে তাকিয়েই নীল প্যাকেট হাতে সুচেতনাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পবিত্র বললো, একটা করে মাস কেটে যাচ্ছে আশায় আশায়৷ ওর কথাগুলোর মধ্যেই তীব্র বেদনার ছোঁয়া পেলো সুচেতনা৷ অপরাধীর মতোই মাথা নিচু করে আবার বাথরুমে ঢুকে গেলো ও৷

    পুজোর ঘরে ফুল তোলা নেই দেখেই ডাক পড়লো… বৌমা…

    ঠাকুর ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে মাথাটা নিচু করে সুচেতনা বললো, আজ আমি ফুল তুলতে পারবো না মা৷

    হা ঈশ্বর, আমি কি এত পাপী! বলতে বলতেই ঠাকুর ঘর থেকে বাগানের দিকে এগোলেন নন্দিনী দেবী৷ বিজবিজ করে বলছিলেন, বংশ শূন্য হবে রায়চৌধুরী পরিবার৷ নয়তো অজাত কুজাতের কাউকে হয়তো আশ্রম থেকে এনে বংশ রক্ষার নাটক করতে হবে৷ কথাগুলো খুব একটা আস্তে না বলায় শুনতে পাচ্ছিলো সুচেতনা৷ রান্নাঘরে ঢুকে চায়ের জল চাপালো ও৷ ভারাক্রান্ত মনে কোনো কাজই বোধহয় সুষ্ঠ ভাবে হয় না, তাই সাঁড়াশি ছাড়াই চায়ের সসপ্যানটা হাত দিয়ে ফেলে ডানহাতের বুড়ো আঙুলে বেশ বড়ো একটা ফোস্কা ফেললো৷

    না, এই পুড়ে যাওয়া জায়গার ব্যথাটা কাউকে দেখালে চলবে না৷ তাহলে হয়তো সবাই ভাববে সুচেতনা সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম, আবার সংসারের কাজেও অক্ষম৷ তাই চুপচাপ চোখের অবাধ্য জলটাকে ওড়না দিয়ে মুছে নিলো ও৷

    চায়ের টেবিলে চায়ের ট্রে হাতে নিয়ে ঢুকেই শুনতে পেল, মা বলছেন, খোকা বলছি তোর বিন্দু মাসির বউমার তো প্রায় সাত বছর ধরে মিস ক্যারেজ হয়ে হয়ে গতবছর একটা ছেলে হলো৷ তো বিন্দু বলছিলো, ওই এক্সাইডের কাছে কোনো ডাক্তারের কাছে দেখিয়েই নাকি…

    একবার বৌমাকে ওখানে দেখালে হয়না?

    পবিত্র হাল ছাড়া গলায় বলল, আর কত মা? গত দু-বছরে যত গাইনি আছে সকলের কাছে দেখানো হয় গেছে৷ দু-বছরে এই ডাক্তারদের ফিজ কখনো হিসেব করেছো মা?

    বাবা খুব শান্ত গলায় বললেন, সবই ভাগ্য বলে এবার মেনে নাও নন্দিনী৷

    তাই বলে খোকার কখনো সন্তান হবে না এটা মেনে নিতেও যে আর পারছি না৷

    সুচেতনা আস্তে আস্তে বললো, মা আজকাল যে ওই টেস্ট টিউব বেবি… কথাটা শেষ করতে না দিয়েই পবিত্র চেঁচিয়ে উঠে বললো, তা সু তার খরচটা কি তোমার বাবা দেবেন? এই জন্যই বলি, অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী৷ যা জানো না সেটা নিয়ে কথা বলতে এসো না৷ তোমার কোনো ধারণা আছে টেস্ট টিউব বেবির জন্য কত খরচ হয়?

    চায়ের কাপটা হাতে নিয়ে ঘরে ঢুকে গেলো পবিত্র৷ সুচেতনা কি বলবে বুঝতে না পেরে অসহায়ের মতোই শাশুড়ি মায়ের দিকে তাকালো৷ মা বললেন, শোনো বৌমা তুমি বরং এ মাস থেকে সোমবারটা পালন করো দেখি৷ ওই ফ্ল্যাটের অমলা বলছিলো, ওর ননদের নাকি সব ডাক্তার জবাব দেবার পরও বাচচা হয়েছে৷ শুনছিলাম, খুব নিষ্ঠা ভরে সোমবার করলে নাকি গর্ভসঞ্চার হয়৷ সুচেতনা ধীরে ধীরে ঘাড় নাড়লো৷

    শনি, মঙ্গল, শুক্রবার তো নিরামিষ খেতই, সঙ্গে না হয় সোমবারটাও যোগ হোক৷ তবু যদি মা ডাকটা শুনতে পায় ও৷

    সুচেতনারা তিনবোন৷ বাবা এক উকিলের আন্ডারে মুহুরি ছিলেন৷ সেই উকিলের কর্মবিরতির সাথে সাথে বাবাও রিটায়ার করে গেছেন৷ রিটায়ারের পরেই অবশ্য সুচেতনার বিয়েটা হয়েছিল৷ ও বাড়ির ছোটো মেয়ে৷ তাই দুই দিদির মতো জাঁকজমক করার ক্ষমতা তখন আর বাবার ছিলো না৷ সেটা নিয়েও এ বাড়িতে এসে শুনতে হয়েছে, তোমার বাবা তো তোমার বিয়েতে হাতের মুঠো ফাঁকও করলেন না৷ প্রায় নমো নমো করে কন্যা বিদেয় করলেন৷

    প্রথম প্রথম সুচেতনার বাবার ওপর রাগ হত৷ তারপর বাপের বাড়ি গিয়ে যখন দেখতো, বাবার প্রেশারের ওষুধটা তিনদিন ফুরিয়ে যাবার পরেও কেনা হয়নি, অথবা বাবা সিগারেট ছেড়ে বিড়িতে অভ্যস্ত হয়েছেন তখন আর রাগ হয়নি বরং বাবার পাকা চুলের দিকে তাকিয়ে কষ্ট হয়েছিলো৷ মনে হয়েছিল, মানুষটা নিজে তো কোনোদিন ভোগ করলেন না, তিন তিনটে মেয়েকে পড়াশোনা শেখাতে, বিয়ে দিতেই কাটিয়ে ফেললেন জীবনের তিনভাগ৷ এরপরে আর বাবা মায়ের ওপরে রাগ অভিমান করার জায়গা থাকে না৷ আর রায়চৌধুরী বাড়িতে স্বাচ্ছন্দ্য থাকলেও এই বাড়ি ওর নিজের হলো কই৷ এত বছর পরেও তো ও পরের বাড়ির মেয়েই রয়ে গেল৷ এ বাড়িতে অপমান নামক শব্দটার মাত্রা লঘু করেই বেঁচে আছে গত পাঁচ বছর৷

    বড়দি গত কালও ফোন করে বলেছিলো, সু দেখিস এবারে ভগবান তোর দিকে মুখ তুলে চাইবেন৷ বড়দিকে কি একবার ফোন করে বলবে, যে এবারেও নেগেটিভ৷

    হোয়াটস আপে মেসেজটা ঢুকলো, বিপ টোনে জানান দিলো তার আগমন বার্তা৷

    একটা অজানা নাম্বার থেকে মেসেজ ঢুকলো৷

    সুচেতাদি প্লিজ মন খারাপ করো না৷ আমি তো আছি তোমার সাথে৷ নিচের ভিডিওটা দেখ, তোমার মন ভালো হয়ে যাবে৷

    সুচেতনা বুঝতে পারছে খুব পরিচিত কেউ এমন লিখেছে৷ যার কাছে ওর ফোন নাম্বার আছে৷ যদিও ওর এই নাম্বারটা সেই কলেজ লাইফের৷ তাই বহু বন্ধুর কাছেই ছিল৷ তাদের মধ্যেই হয়তো কেউ…

    তুমি কে বলো তো, আমাকে চেনো?

    দু সেকেন্ড পরেই টাইপ হলো, ওমা চিনবো না কেন, তুমি আমার শয়নে স্বপ্নে আজও বিরাজ করো৷

    তার মানে কোনো বন্ধু দুষ্টুমি করছে৷ কলেজে ওকে কেউ সুচেতনা বলতো না৷ কেউ সু, কেউ সুচেতা, কেউ চেতা বলেই ডাকতো৷ তার মানে পরিচিত কেউই হবে৷

    বেশি না ভেবে নিচের ভিডিওটা ক্লিক করলো৷

    পরপর ভেসে উঠছে নিজের মুখ৷

    বিভিন্ন নাচের মুদ্রায় সুচেতনা৷ কখনো বসন্ত বন্দনায় পলাশ রঙের শাড়িতে ও, কখনো রবীন্দ্র জয়ন্তীতে সাদা শাড়িতে ও৷ অন্তত গোটা কুড়ি নাচের ছবি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ভিডিওটা৷

    সুচেতনার ধমনীর মধ্যে দিয়ে তখন রিমঝিম ছন্দে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে৷ হঠাৎ করেই অবাধ্য পা দুটো মাটিতে ঠুকে দু-বার কত্থকের তাল প্রাক্টিস করে নিলো যেন!

    চোখের সামনে ভেসে উঠলো, চন্দননগরের রবীন্দ্র ভবনের স্টেজটা৷ সুচেতনার নাচ শেষের পরে দর্শকদের অবিরাম হাততালির আওয়াজ ভেসে এলো কানে৷

    যেদিন বাবার কাছে দত্ত কাকু এলো পবিত্রর সাথে সুচেতনার সম্বন্ধ নিয়ে, সেদিন দত্ত কাকু বলেছিলেন, রায়চৌধুরীরা আগে খুব সম্ভ্রান্ত ছিল৷ এখন ভাইয়ে ভাইয়ে ভাগ হয়ে গিয়ে সব সম্পত্তির বাটোয়ারা হয়ে যাওয়ায় অবস্থা পড়ে গেছে৷ তাই এমন নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘর থেকে মেয়ে নিচ্ছে ছেলের বিয়ের জন্য৷ আগেকার অবস্থা হলে নাকি, ওই বাড়িতে সুচেতনার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যাবার সাহসই পেতো না দত্ত কাকু৷ বাবা তখন নেহাতই কন্যা দায়গ্রস্ত পিতার ভূমিকায়৷ তাই খড়কুটোর মতো আঁকড়ে ধরেছিলেন দত্ত কাকুর হাত দুটো৷ পাত্রের মা নাকি একটু ঘরোয়া মেয়ে চান!

    বাবা সরল বিশ্বাসে বলেছিলেন, আমার তিন মেয়েই ঘরোয়া ভাই৷ মুচকি হেসে দত্ত কাকু বলেছিলেন, তুমি হাসালে দাদা৷ তোমার ছোটো মেয়ে স্টেজে নেচে বেড়াচ্ছে আর বলছো কিনা ঘরোয়া! সেদিন থেকেই সুচেতনার কাছে ঘরোয়া, শান্ত মেয়ের সংজ্ঞা বদলে গিয়েছিল৷ ও বুঝেছিলো, নিজেকে ঘরোয়া প্রমাণ করতে ওকে পা থেকে ঘুঙুর খুলতে হবে৷ শান্ত বোঝাতে ওকে, আজ থেকে ‘বোবার কোনো শত্রু নেই’ এই নিয়মে চলতে হবে৷ তবেই বাবার কপালের দুশ্চিন্তার চিরস্থায়ী রেখাগুলোর নিরাময় হতে পারে৷ মায়ের করুন চাহনির আকুতিতেই সেই ছোট্ট থেকে শেখা ভালোবাসাটার জলাঞ্জলী দিতে হয়েছিলো ওকে৷ বাড়ির পাশের রেবতীদিকে গিয়ে জানিয়ে এসেছিলো সুচেতনা, ও আর নাচতে পারবে না৷ রেবতীদি কখনো এক টাকা মাইনে না নিয়েই শিখিয়েছিলো তার প্রিয় ছাত্রীকে৷ যে কোনো প্রতিযোগিতার পর গর্ব করে বলতো, সু আমার কাছে নাচ শেখে৷ এটাই ছিলো রেবতীদির প্রাপ্তি৷ সেই রেবতীদি যখন জেনেছিলো, সুচেতনা নিজেকে ঘরোয়া লক্ষ্মী মেয়ে প্রমাণ করবে বলে আর নাচবে না, তখন রেবতীদি অঝোরে কেঁদে বলেছিলো, তুইও সেই শান্ত, ঘরোয়া, গৃহকর্মে নিপুণার দলে নাম লেখালি সু? এগুলো করলে বুঝি নাচ করা যায় না? কে বললো, যারা নাচে তারা সংসার করতে পারে না? রেবতীদি, আমি ছন্দকে দূরে সরালাম, কিন্তু নৃত্যকে ভুলবো না কখনো৷ স্বয়ং নটরাজকে তুমি যে আমার রক্তে মিশিয়ে দিয়েছো৷

    মাস দুয়েকের মধ্যেই লাল বেনারসী আর মাথায় সিঁদুর পরে রায়চৌধুরী বাড়ির চৌকাঠে পা রেখেছিলো সুচেতনা৷ আর ঠিক সেদিন থেকেই আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে সাথে স্বাধীনতা নামক শব্দটাকে বিদায় জানিয়েছিলো৷ তবুও মন্দ লাগেনি, পবিত্রর আদরে সোহাগে সুচেতনার অস্তিত্বকে সম্পূর্ণ ভুলে এই বাড়ির বউ সাজতে৷ কিন্তু ঠিক যেদিন থেকে বাড়ির সকলে বুঝতে পারলো, সুচেতনা ওদের বংশ রক্ষায় অপারগ সেদিন থেকেই মানসিক দ্বন্দ্বে ক্ষত-বিক্ষত হচ্ছিলো ও৷

    সমস্ত ডাক্তারেরা পরিষ্কার জানিয়েছেন, সুচেতনার কোনো রকম শারীরিক সমস্যা নেই, তাহলে কেন পারছে না ও মা হতে৷

    ক-দিন আগেই সাহস করে পবিত্রকে ট্রিটমেন্টের জন্য বলেছিলো ও৷ পবিত্র অদ্ভুত চোখে তাকিয়ে বলেছিলো, সু! নিজের অক্ষমতা অন্যের ঘাড়ে চাপাতে চাইছো? আত্মীয়-পরিজনদের কাছে এটাই প্রমাণ করতে চাইছো তো, যে আমার প্রবলেমের জন্য তুমি মা হতে পারছো না?

    ভয়ে সংকুচিত হয়েছিলো সুচেতনা৷ বোধহয় পুরুষত্বের অহংকার আঘাত দিয়ে ফেলেছিলো ও৷ তবুও সামলে নিয়ে মরিয়া হয়ে বলেছিলো, তুমি কি চাও না পবিত্র, আমরা বাবা-মা হই৷ তাই …

    ওর কথা শেষ হবার আগেই পবিত্র বলেছিলো, ঠিক আছে কাল দেখিয়ে আসবো ডক্টর৷

    সপ্তাহ খানেক পরে হঠাৎ অফিস থেকে বাড়ি ফিরে রাগে ফেটে পড়েছিলো পবিত্র৷ বাবা-মায়ের সামনেই বলেছিল, সুয়ের কথায় আমাকেও যেতে হয়েছিলো ডাক্তারের কাছে৷ জানতে যেতে হয়েছিলো, কার দোষে এ বাড়িতে সন্তান আসছে না৷

    শুনেই মা মুখে হাত চাপা দিয়ে বলেছিল, চুপ কর খোকা, চুপ কর৷ আমি তো ভাবতেই পারছি না বৌমা তোকে অব্দি দোষারোপ করতে পারে! নিজের দোষ তোর ঘাড়ে চাপাতে পারে ভেবেই অবাক লাগছে৷ সেদিন সারারাত ঘুমন্ত পবিত্রর পাশে শুয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদেছিল সুচেতনা৷ মাঝরাতে উঠে পবিত্র বলেছিলো, তোমার এই ছিঁচকাঁদুনে কান্নাটা না হয় বাপের বাড়ি গিয়ে কেঁদো৷ আমাকে ডক্টরের কাছে পাঠানোর সময় তোমার একবারের জন্যও মনে হয় নি, তুমি নিজের স্বামীকে অপমান করছো?

    সুচেতনা মধ্যরাতের একফালি চাঁদকে সাক্ষী রেখে পবিত্রর পায়ে হাত দিয়ে ক্ষমা চেয়েছিলো৷ আবার কয়েকদিন পরে দুজনের শরীর মিশেছিলো নতুন উদ্যমে৷ শুধু শারীরিক আকাঙ্খায় নয়, সন্তান লাভের আশায় অপমান নামক শব্দটাকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিল সুচেতনা৷ এ বাড়ির হাজার অপমান সূচক কথার উত্তর দিতে চায় ও৷ একটা মা ডাকের আশায় বারংবার পবিত্রর কাছে ছুটে গেছে সুচেতনা৷ প্রতিবার ব্যর্থ হয়েছে ওর চাওয়া৷ মাসের নির্দিষ্ট তারিখে ও আবার ঋতুমতী হয়েছে৷ কাউকে বোঝাতে পারেনি পবিত্রর যেমন কোনো শারীরিক সমস্যা নেই, তেমনি সুচেতনাও বন্ধ্যা নয়, ও সুস্থ৷ পাড়া-প্রতিবেশীর একই প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে ও ক্লান্ত৷ এমনকি নিজের মাও বললো, কি কপাল করেছিলাম… তাই আজ বেয়ান বাড়ি থেকেও কথা শুনতে হলো৷ আমরা নাকি খুঁতে মেয়েকে ওদের বাড়িতে গছিয়ে দিয়েছি৷

    অসহ্য লাগে সুচেতনার৷ বাঁচার সব ইচ্ছেটুকু ধীরে ধীরে শেষ হতে বসেছে৷ কোনো শুভ অনুষ্ঠানের আচারে ওকে হাত দিতে দেন না বাড়ির গুরুজনেরা৷

    তারই মধ্যে একটু নিঃশ্বাস নেবার মতো ঠান্ডা বাতাস দেয় হোয়াটস আপের ওই অপরিচিত নাম্বারটা৷ রোজই সুচেতনার কোনো না কোনো নাচের ছবি সে পাঠাবেই৷ সঙ্গে লেখে দু চার লাইন৷

    সেদিন যেমন একরাশ মনখারাপ নিয়ে মুঠোফোনটা হাতে নিতেই মেসেজটা ঢুকলো…

    তোমার মনের মনখারাপি বাতাসটাকে আমি মন্ত্রবলে টেনে নেব নিজের কাছে৷ আর পরিবর্তে পাঠাবো একমুঠো বৃষ্টি৷ সারাদিন ধরে তুমি ভিজবে সেই বৃষ্টিতে৷ তুমি নাচবে বৃষ্টির তালে তালে৷ আমি শুধু দূর থেকে দেখবো তোমাকে৷

    সুচেতনা লিখেছিল, আমি আর নাচি না৷ না, ও আর জানতে চায়নি অজানা মানুষটিকে! জানতে চাইলে যদি মানুষটা পালায়৷ তাহলে তো নিঃশ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে যাবে ওর৷ তাই বেঁচে থাকার জন্যই ওই অজানা নম্বরটাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে৷ খুব ইচ্ছে করছিলো সুচেতনার, যদি ওই মানুষটির গলাটা একবার শুনতে পেতো…. এই একটা মানুষই ওকে বলে, মা হওয়া যেমন গর্বের, তেমনি নারী হওয়াও কিন্ত গর্বের৷ তুমি তো মা হতে গিয়ে নারী সত্ত্বাকে ভুলে যেতে বসেছো৷

    সুচেতনা রক্ত ঝরিয়ে লিখেছিলো, কোনোদিন কি আমাদের দেখা হবে না? কোনোদিন কি তুমি নিজের পরিচয় দেবে না আমার কাছে? আমি তো খুব ভালো করেই বুঝতে পারছি তুমি আমাকে ভীষণ ভালো করে চেনো৷ আমার প্রতিটা নাচের প্রোগ্রামে তুমি গেছো৷ এমনকি আমার এত সুন্দর ছবিগুলোও রয়েছে তোমার কালেকশনে৷ বলো না, কে তুমি? শুধু নামটা বলো!

    সুচেতনার কাকুতি মিনতিতে মানুষটি বলেছিলো, ঠিক আছে সুচেতাদি কখনো যদি কোনো প্রয়োজনে তুমি ডাকো আমায়, আমি যাবোই তোমার কাছে৷ তার আগে পর্যন্ত এটুকু আড়াল থাক আমাদের মাঝে৷

    সুচেতনা বলেছে তুমি কি পুরুষ?

    মানুষটি লিখেছে, প্রথমে আমি একজন মানুষ, তারপরে আমি পুরুষ৷ পুরুষত্বের মিথ্যে অহংকার নেই আমার মধ্যে৷

    রায়চৌধুরী বাড়িতে উঠতে বসতে অপয়া, অলুক্ষণে শুনতে শুনতে চোখের জল প্রায় শুকিয়ে গিয়েছিলো সুচেতনার৷ ইদানিং পবিত্রও আর খুব বেশি কথা বলে না ওর সাথে৷ সম্পর্কের ঘুড়িটা মাঝ আকাশে ছিঁড়ে গিয়ে সুতো সমেত এলোমেলো ঘুরপাক খাচ্ছে৷ লাটাইটা আর হাতে নেই ওর, তাই কোনোভাবেই ঘুড়িটাকে নিজের কাছে আনতে পারলো না সুচেতনা৷ শাশুড়ি মা ফোনে লোকের কাছে দুঃখ করে বলছেন, কি আর করবো বলো, বাঁজা মেয়েকে নিয়েই আমার খোকাকে কাটাতে হবে বাকি জীবনটা৷

    অদ্ভুত একটা বোবা কষ্টে বিদ্ধ হতে হতেই ঘরের সব জিনিস ওলটপালট করতে শুরু করলো সুচেতনা৷ এলোমেলো চুল, শাড়ির আঁচল বিধস্ত, চোখের নিচে গাঢ় অন্ধকার৷

    পাগলের মতো তছনছ করছিলো ও৷ হঠাৎই পবিত্রর কাবার্ড থেকে স্কাই কালারের স্বচ্ছ ফাইলটা পড়লো চোখের সামনে৷ নিশ্চয়ই কোনো মেডিকেল রিপোর্ট৷ সারা ঘরে শুধু মিসেস সুচেতনা রায়চৌধুরীর মেডিকেল রিপোর্ট ছড়ানো৷ যে যা বলেছে তাই টেস্ট করা হয়েছে৷ সবই নরম্যাল, তারপরেও ও পরিচিত হয়েছে বন্ধ্যা বলে৷ এই সব রিপোর্টগুলো একসাথে জ্বালিয়ে দিতে হবে আজ৷ কোনো মূল্য নেই, এসব মিথ্যে কথার৷ রিপোর্টগুলো জড়ো করছিলো সুচেতনা৷

    মাসতুতো ননদের সাধের অনুষ্ঠানে বেরিয়ে গেছে বাড়ির সকলে৷ সাধের অনুষ্ঠানে যেতে পারেনি সুচেতনা৷ ও গেলে যদি ওই গর্ভবতীর ক্ষতি হয় বলেই এই সাবধানতা নিয়েছেন শাশুড়িমা৷ সব ফাইলগুলো পাগলের মতো খুলছে সুচেতনা৷ বের করে আনছে নিজের ডাক্তারি রিপোর্টগুলো৷ দু-চোখে নোনতা জলের ধারায় ভিজে যাচ্ছে গাল থেকে চিবুক৷

    হাতের এই রিপোর্টটাতে সুচেতনার নয়, পবিত্রর নাম লেখা আছে৷ ভালো করে চোখটা মুছে তাকাতেই দেখলো, এটা পবিত্রের স্পার্ম কাউন্টিং-এর রিপোর্ট৷

    ওহ, এই সেই রিপোর্ট যেটা করাবার পর, পবিত্র বলেছিলো, লজ্জা করে না তোমার! আমার পুরুষত্বকে অক্ষম প্রতিপন্ন করে নিজের নারীত্বকে বন্ধ্যা বলা থেকে আটকাতে চাইছো? লজ্জায় সত্যিই অধঃবদন হয়ে গিয়েছিলো সুচেতনা৷

    এ কি দেখছে ও…

    ও কি সত্যিই ঠিক দেখছে?

    নাকি মাথার সাথে ওর চোখেরও গন্ডগোল হয়ে গেছে?

    সুচেতনার বান্ধবী সীমার হাজবেন্ড ডাক্তার৷ এক সেকেন্ডও দেরি না করে রিপোর্টের একটা ছবি তুলে সীমার হোয়াটস আপে পাঠিয়েই লিখলো, পরে নয় সীমা৷ প্লিজ হেল্প৷ তোর হাজবেন্ডকে এখুনি দেখিয়ে বল, এটা কি বলতে চাইছে৷

    সীমার রিপ্লাই এলো…দশ মিনিট সময় দে প্লিজ৷

    ও চেম্বারে বেরোনোর জন্য রেডি হচ্ছে৷ আমি দেখাচ্ছি৷

    সময়গুলো কাটতেই চাইছে না ….

    বুকের ভিতর হৃৎপিণ্ডের দ্রুতগামীতা টের পাচ্ছে সুচেতনা৷ সব রিপোর্টগুলো জ্বালিয়ে সেই আগুনেই নিজেকে ধ্বংস করবার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে সেই সকালবেলায়৷ যখন শাশুড়িমা বললেন, দেখো আবার শাড়ি পরে খুকি সেজে যেন রিয়ার সাধের অনুষ্ঠানে গিয়ে হাজির হয়ো না৷ তাহলে আর ওদের কাছে মুখ দেখাতে পারবো না৷ ভাববে আমাদের ঘর শূন্য বলেই লোকের ক্ষতি করতে আমরা তোমাকে নিয়ে গেছি ওদের বাড়ি৷

    ঠিক সেই মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো সুচেতনা…আর বোধহয় বেঁচে থাকার অর্থ নেই৷

    সীমা কল করেছে…

    কাঁপা গলায় ফোনটা ধরলো সু৷

    সীমা বললো, আমার হাজবেন্ডের সাথে কথা বল…

    ভদ্রলোক বেশ গম্ভীর গলায় বললেন, দেখুন সুচেতনা দেবী এটা জাস্ট লস্ট কেস৷ যদিও আমি নিউরোলজিস্ট, তবুও রিপোর্ট দেখে বেশ বুঝতে পারছি, ওনার স্পার্ম কাউন্টিং এতটাই কম যে উনি সন্তান ধারণে অক্ষম৷ দেখুন রিপোর্টের পাশের নরম্যাল নম্বরের থেকে ওনারটা ঠিক কতটা কম৷ মেডিসিনের মাধ্যমে স্পার্ম কাউন্টিং বাড়ানো সম্ভব, কিন্তু সেটা একটা মাত্রা পর্যন্ত ….এক্ষেত্রে সেটা সম্ভব নয় বলেই মনে হচ্ছে৷ তবুও আপনারা ট্রাই করে….

    কথাটা শেষ হবার আগেই ফোনটা কেটে দিলো সুচেতনা৷ ডাক্তারি ভাষা না বুঝলেও এটুকু বুঝেছে, যে কার শারীরিক অক্ষমতায় ওদের আজ পর্যন্ত সন্তান এলো না৷ বুকের ভিতরটা মুচড়ে উঠলো ওর৷ যার জন্য ও মা ডাক শোনা থেকে বঞ্চিত হলো সেই ওকে এতবড়ো প্রবঞ্চনা করলো৷ শনি, মঙ্গল, সোমবারের উপোস করে করে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের হাজার চেষ্টা বৃথা হয়ে গেছে ওর, কত কত ওষুধ, গাছ গাছালির রসে পেটের মধ্যে চড়া পড়ে গেছে ওর….তবুও ওই মানুষটা একবারের জন্যও সকলের সামনে দাঁড়িয়ে বলেনি, যে দোষটা তার…সুচেতনার নয়৷ এটা কি পুরুষত্ব? তাহলে মানবিকতা কার নাম? ভালোবাসা কার নাম?

    আজ ওই অজানা নাম্বারে ফোনটা করেই ফেললো সুচেতনা৷

    ফোন ধরেই পুরুষ কন্ঠ বললো, বলো সুচেতাদি… নিয়ম ভেঙে ফোন কেন হঠাৎ?

    কঠিন কণ্ঠে সুচেতনা বললো, ভালোবাসো না আমাকে, খুব ভালোবাসো! আমি যা বলবো করতে পারবে বলে অনেক গর্ব করেছো তুমি৷ এখুনি চলে এসো আমার শ্বশুর বাড়িতে৷

    ফোনটা কেটে দিয়েছে সুচেতাদি৷ কিন্তু গলা শুনেই বুঝতে পেরেছে সাগ্নিক, সামথিং ভেরি আর্জেন্ট৷ সুচেতাদিকে তো আজ থেকে দেখছে না ও৷

    ওর যখন ক্লাস ফোর তখন সুচেতাদি ক্লাস এইটের ছাত্রী৷ প্রথম যেদিন মায়ের কাছে নাচ শিখতে এসেছিল সেদিনই অবাক চোখে দেখেছিলো সাগ্নিক৷ মায়ের এত এত ছাত্রীর মধ্যে কেন যে সুচেতাদিকেই এত ভালো লাগতো তা কখনো বোঝেনি ও৷ শুধু এটুকু বুঝেছিলো, ও যখন মঞ্চে নাচত তখন মনে হত স্বর্গের কোনো অপ্সরী ভুল করে পৃথিবীতে নেমে এসেছেন৷ মা বলত, সু এর পায়ের ছন্দে পৃথিবী ভয় পায়, ওর হাতের মুদ্রায় বাতাস থেমে যায়৷ সাগ্নিক ওকে ক্লাস ফোরে নোটিস করলেও সুচেতাদি নাকি আরও পাঁচ বছর আগে থেকেই নাচ শিখছিলো৷ প্রতিদিন পড়া ভুলে মায়ের নাচের ক্লাসের দিকে তাকিয়ে থাকতো না সাগ্নিক৷ শুধুমাত্র যেদিন সুচেতাদির ক্লাস থাকতো, সেদিনই বিশ্ব সংসার ভুলে যেত ও৷ ক্লাস শেষ করে বেরোনোর সময় সাগ্নিকের মাথায় হাত বুলিয়ে, গালটা টিপে দিয়ে আদর করে চলে যেত ও৷ কিন্তু সাগ্নিক যখন ক্লাস নাইন আর সুচেতাদি সদ্য কলেজে উঠেছে তখনই ভয়ংকর ভুলটা করে ফেলেছিল ও৷ ক্লাস শেষ করে ওদের বাড়ি থেকে বেরোচ্ছিলো সুচেতাদি, ঠিক সেসময় সাগ্নিক দু-পাতার প্রেমপত্রটা অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না করেই ওর হাতে দিয়ে বলেছিল, I love you৷

    প্রায় আধঘণ্টা পরে ওকে আবার সাগ্নিকদের বাড়ির দরজায় দেখেই মুখ শুকিয়ে গিয়েছিলো ওর৷ একবার যদি চিঠিটা মায়ের সামনে পড়ে তাহলে যে কি কি হবে ভাবতেই পারছে না সাগ্নিক৷ এ অঞ্চলে নাচের কড়া টিচার বলে রেবতী গোস্বামীর নাম আছে৷

    সুচেতাদি আস্তে আস্তে বলেছিলো, আজ বিকেলে দীঘির পাড়ে দেখা করবো, কথা আছে৷ সারাদিন পাগল পাগল অবস্থা ছিলো সাগ্নিকের৷

    সুচেতাদি কলেজের কোনো ছেলের সাথে কথা বললেও ভীষণ রাগ হতো সাগ্নিকের৷ ও শুধুই সাগ্নিকের৷ ওর প্রতিটি কোষকলার ওপর অধিকার একমাত্র সাগ্নিকের৷

    এমনই ভেবে এসেছে সেই ছোট্ট থেকে৷

    একটা ময়ূরকণ্ঠী রঙের চুড়িদার পরে দীঘির পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিলো সুচেতাদি৷ ঢিপঢিপ বুক নিয়ে সাগ্নিক সামনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলো৷

    মাথা নিচু, চোখ নিচের দিকে… দেখেই সুচেতাদি বলেছিলো, এমন কাজ কেন করলি সাগ্নিক যাতে নিচের দিকে চোখ করে রাখতে হয়?

    তারপরেই শান্ত গলায় ও বলেছিল, শোন পাগল তুই কোনো অন্যায় করিস নি৷ ভালোবাসা কোনো অন্যায় নয়৷ তবে মুশকিলটা কি বলতো, আমাদের সমাজের কিছু কিছু নিয়ম আছে৷ তুই আমার থেকে অনেকটা ছোটো, তাই তোর ভালোবাসাকে ঠিক প্রেমিকের ভালোবাসা বলা যায় না রে৷ সাগ্নিক আস্তে আস্তে বলেছিলো, কিন্তু আমি তো একদিন বড় হবোই৷

    সুচেতাদি হেসে বলেছিলো, হ্যাঁ সেই বড়ো হবার পরে যাকে ভালোবাসবি সেটাই হলো আসল ভালোবাসা বুঝলি পাগল৷ এসব কথা আর কাউকে বলিস না, লোকে তোকে খারাপ ভাববে, আর তোকে খারাপ ভাবলে আমার কষ্ট হবে রে!

    চলে গিয়েছিল সুচেতাদি৷ নীরবে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল সাগ্নিক৷

    তারপর ভেবেছিলো, বেশ, বাসতে হবে না সুচেতাদিকে ভালো, ও যদি বাসে সেটাকে আটকানোর ক্ষমতা তো কারোর নেই৷ সেই তবে থেকেই মনে মনে ওকে ভালোবাসে সাগ্নিক৷ ওর যখন ভালোবাড়িতে বিয়ে হলো, তখন ও চলে যাবে ভেবে কষ্ট হলেও খুব আনন্দও হয়েছিল সাগ্নিকের৷ সুচেতাদি ভালো থাকবে ভেবেই আনন্দ পেয়েছিল ও৷

    দিন কেটে গেছে, বছর ঘুরে গেছে…মাঝে সাজে সুচেতাদিকে দেখেছে বাপের বাড়ি এসেছে, মায়ের সাথেও দেখা করে গেছে৷ একবারও জানতে পারেনি, সাগ্নিকের দিন শুরু হয় ওর নাচের ছবি দেখে৷ মায়ের অ্যালবাম থেকে ওর সব ছবি এখন সাগ্নিকের জিম্মায়৷ ওর দিকে তাকিয়ে সুচেতাদি বলেছিলো, বাপরে কত বড়ো হয়ে গেছিস তুই… গোঁফ গজিয়ে গেছে তো৷

    লজ্জা পেয়েছিলো সাগ্নিক, সাথে ওর চোখে বড়ো হয়েছে শুনেছে আনন্দও পেয়েছিলো৷

    তারপরে প্রথম হোয়াটস আপ ডাউন লোড করেই ওর চেনা নম্বরে পিং করেছিলো ও৷

    মায়ের কাছেই শুনেছিলো, বাচচা হচ্ছে না বলে নাকি ডিপ্রেশনে ভুগছে সুচেতাদি৷

    সাগ্নিক চেষ্টা করতো, নানা ছবি, কবিতার লাইনের মাধ্যমে ওর ডিপ্রেশন কাটাতে৷ অপরিচিতের আড়ালেই রেখেছিলো বন্ধুত্বটাকে৷

    তবে একটা জিনিস অবাক লাগলো… ওর গলাটা চিনতে পারলো না সুচেতাদি৷ তাহলে কি বড়োসড়ো কোনো মানসিক বিপর্যয়ে আছে ও, তাই চিনতে পারলো না?

    ওর শ্বশুর বাড়ির সামনে দাঁড়িয়েই ভাবলো, ফিরে যাবে কি? যদি ওর স্বামী বা শ্বশুর বাড়ির সকলে কিছু বুঝতে পারে! তবুও সুচেতাদি যখন ডেকেছে তখন সম্মুখীন ওকে হতেই হবে৷ কারণ সাগ্নিক কথা দিয়েছিলো, তুমি যেদিন সত্যি করে ডাকবে সেদিন আমি ঠিক হাজির হবো৷ বেলটা বাজতেই বাড়ির ভিতরে সুন্দর মিউজিক বেজে উঠলো৷ সেই কবে বিয়ের দিন বর নিতে এসেছিলো ওর শ্বশুরবাড়িতে৷

    শীতের এক সন্ধ্যায় পবিত্রদাকে ফুল সাজানো গাড়িতে করে নিয়ে গিয়েছিলো সাগ্নিক৷ আজ আবার এলো….

    এলোথেলো শাড়ি, উস্কোখুস্কো চুল৷ চোখের নিচে কয়েক রাত্রি জাগরণের ছাপ৷ সাগ্নিককে দেখেই বিরক্ত মুখে বললো, কি রে তুই হঠাৎ?

    তারপরেই দুশ্চিন্তার রেখারা স্পষ্ট হলো সুচেতাদির মুখে৷

    বাবা-মা, রেবতীদির কিছু হয়নি তো? এই সাগ্নিক, বোকার মতো না তাকিয়ে থেকে বল…

    সাগ্নিক তখনও বিস্ময়ে হতবাক৷ এই মেয়েটাই কি সেই মেয়েটা…যার নাচের মুদ্রায় ছিলো স্বর্গীয় বিভঙ্গ, যার প্রতিটা চলার ছন্দে ধরিত্রী জেগে উঠতো এককালে৷ এই মেয়েটাই কি সেই মেয়েটা, মঞ্চে যার চোখের চঞ্চল আঁখি দেখে সাগ্নিকের প্রথম কবিতা লেখা! এ যে অর্ধমৃত কোনো প্রতিমা!

    অস্ফুটে ও বললো, কি করে হলো সুচেতাদি? নিজেকে এভাবে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছ কেন?

    সুচেতনার চোখে বিস্ময়!

    তুই…তুইই আমাকে হোয়াটস আপে..

    আর কথা না বলে ও বললো, আয় ভিতরে আয়৷

    সাগ্নিককে নিয়ে গেল নিজের বেডরুমে৷ চারিদিকে কাগজ, ভাঙা ফুলদানি, জামা কাপড় ছড়ানো…দেখেই মনে হচ্ছে কেউ ইচ্ছে করে সব ভাঙতে চাইছে, সাগ্নিককে একটা চেয়ারে বসতে বলেই নিজের শাড়ির আঁচলটা মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দিলো সুচেতাদি৷

    তারপর অস্বাভাবিক দৃষ্টিতে তাকালো সাগ্নিকের দিকে…

    তুই আমাকে সেই ছোট্ট থেকে ভালোবাসিস তাই না? আজ প্রমাণ কর তুই আমাকে সত্যিই ভালোবাসিস…

    প্রমাণ কর, আমি বন্ধ্যা নই, আমার শারীরিক কোনো সমস্যা নেই৷ আমি মা ডাক শুনতে চাই, বাঁজা নামটা ঘোঁচাতে চাই…

    থরথর করে কাঁপছে সাগ্নিক..

    এ ও কাকে দেখছে? কোথায় গেলো ওর সেই সংযমী, মিতভাষী, অথচ উচ্ছল সুচেতাদি৷ রোজ যাকে স্বপ্নে দেখতো, যাকে দেখতে পেতো মায়ের ঘরের বিরাট নটরাজ মূর্তির অবয়বে৷

    সুচেতাদির জন্য আনা গিফ্টগুলো হাত থেকে মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ে গেলো নিজের অবচেতনেই৷

    কল্পনার মানবীর সাথে বাস্তবের মেয়েটার এতটা তফাৎ মেনে নিতে পারছে না সাগ্নিক৷

    ও ধীরে ধীরে বললো, সুচেতাদি আমি তোমাকে ভালোবাসি৷ হ্যাঁ প্রেমিকের মতোই ভালোবাসি৷ কিন্তু তোমার শরীর কামনা করে নয়৷ তুমি আমার কবিতার সেই নারী, যাকে আমি ভোরের স্নিগ্ধতায় অনুভব করি৷ যাকে আমি ধ্রুবতারার মতো মনে করি৷ যাকে দেখে পথ হারানো নাবিক খুঁজে পাবে আলোর দিশা…

    আজ আমি এসেছিলাম তোমাকে একটা খবব দিতে৷ মা মায়ের কলকাতার স্কুলটার সমস্ত দায়িত্ব তোমাকে দিতে চায়, তাই আমি মাকে বলেছিলাম, যে আমি তোমাকে রাজি করাবো আবার নাচতে৷

    তোমার পায়ে আবার ঘুঙুরের বোল বেজে উঠবে , জীবন্ত হয়ে উঠবে ঘুমন্ত নারী সত্ত্বা৷ সেখানে তুমি কিনা….

    ছি সুচেতাদি, আমি কাকে ভালোবাসলাম এতদিন ধরে!

    সাগ্নিকের কথা শেষ হবার আগেই হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো সুচেতনা৷ আজ ও সাগ্নিকের চোখেও ছোটো হয়ে গেলো৷ মাটিতে মিশে গেল ও৷

    ঠিকই তো মাতৃত্ব একজন নারীকে পরিপূর্ণ করে ঠিকই, তাই বলে সেই মাতৃত্ব পাবার জন্য নিজেকে বিকিয়ে দেবে কেন?

    মেঝেতে ছড়িয়ে আছে একজোড়া ঘুঙুর৷ একটা ছোট্ট নটরাজের মূর্তি, আর বেশ কতগুলো সুচেতনার পুরোনো নাচের ছবি৷

    নিজেকে সামলে নিয়েছে সুচেতনা৷

    গম্ভীর ভাবে বলল, তোর ক্লাস নাইনে, দীঘির পাড়ে আমি তোকে ক্ষমা করেছিলাম, আজ পারবি না আমাকে ক্ষমা করতে…কি রে সাগ্নিক বল, পারবি না?

    সাগ্নিক বললো, জানো সুচেতাদি, যাকে মানুষ খুব ভালোবাসে তাকে বোধহয় ঘৃণা করলেও তা ভালোবাসারই নামান্তর হয়৷

    বলো, কবে থেকে দক্ষিণাপনের কাছে মায়ের নতুন স্কুলটার দায়িত্ব নেবে? মায়ের বয়েস হয়েছে, আর নিজে পারে না৷ সব প্রিয় ছাত্রীদের ওপরে দায়িত্ব দিয়েই টিকিয়ে রাখতে চায় মায়ের শিল্পীসত্ত্বাকে৷

    চোখের জল মুছে সুচেতনা বললো, কিন্তু এরা যে নাচ পছন্দ করে না!

    সাগ্নিক হেসে গিফটগুলো তুলতে তুলতে বললো, এবার একটু নিজের পছন্দের গুরুত্ব দাও সুচেতাদি৷ এতগুলো বছর তো সবার ভালো দেখলে৷

    চলে গেছে সাগ্নিক৷

    একা নিশ্চুপ হয়ে বসেছিলো সুচেতনা৷ বাইরে গাড়ির আওয়াজ… এরা বাড়ি ফিরলো৷ সন্ধ্যে নেমেছে তিলোত্তমাতে৷ চারিদিকে আলোর মালায় সেজে উঠেছে কল্লোলিনী৷

    ঘরোয়া মেয়েটা আজ প্রতিবাদিনী৷

    হাতে পবিত্রর মেডিকেল রিপোর্টটা নিয়ে সোজা ড্রয়িংয়ে ঢুকলো ও৷

    শ্বশুর মশাইয়ের হাতে তুলে দিয়ে বললো, আপনি তো শিক্ষিত মানুষ৷ আশা করি বুঝবেন৷ রিপোর্টটা দেখেই পবিত্র ঝাঁপিয়ে পড়লো বাঘের মতো৷ সুচেতনা বললো, লাভ নেই পবিত্র৷ আমি ছবি তুলে রেখেছি৷ দিনের পর দিন নিজের অক্ষমতাকে ঢেকে তুমি আমাকেই দোষী করে গেছো৷

    শ্বশুর মশাই শাশুড়ি মাকে বলতেই উনি বললেন, এসব ঘরের কথা পাঁচ কান না হওয়াই ভালো৷

    সুচেতনা ব্যঙ্গের হাসি হেসে বললো, আমি তো ঘরোয়া মেয়ে মা, তাই এসব কথা ঘরেই রাখবো৷

    পরেরদিন সুন্দর করে নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে, ব্যাগেতে ঘুঙুর জোড়া নিয়ে চললো ও৷ অন্য এক নারী সত্ত্বার পুনরায় বিকাশ ঘটাতে৷

    পবিত্র কাল থেকেই চুপ করে আছে৷ সুচেতনারও ইচ্ছে জাগেনি ওকে আর কিছু বলার৷

    স্কুলে যখন ঢুকলো, তখন রেবতীদি বললেন, দেখ সু, তুই আজ কতগুলো ছেলে মেয়ের মা হলি৷

    ছোট্ট ছোট্ট ছেলেমেয়েগুলোর কলকাকলীতে ভরে উঠেছে ওর ‘নৃত্যমঞ্জরী নিকেতন’৷

    আহা…মুক্তির স্বাদ, নিজেকে আবার খুঁজে পাবার স্বাদ৷

    মাটিকে প্রণাম করে মাটির বুকে আবার ছন্দে পা ফেলার স্বাদ৷ সুচেতনা মনে মনে বললো, সাগ্নিক তুই আমাকে এভাবেই ভালোবাসিস৷ নটরাজের ভাঙ্গিমাতেই আমাকে দেখিস৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }