Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প446 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চকলেট

    একটা করে দিন কাটছে জেলের মধ্যে৷ অন্ধকার কুঠুরীতে আলোর রেখা কমই পৌঁছায়৷ এখন অভ্যেস হয়ে গেছে রাজদীপের৷ হয়েও তো গেল বেশ কয়েকটা দিন৷ বিনা বিচারে জেল খাটছে ও৷ তবে ওর বিশ্বাস আর কয়েকটা দিন কাটিয়ে দিতে পারলেই হয়তো মুক্তি৷

    মুক্তি! মুক্তি কি সত্যিই চায় রাজদীপ! কে আছে ওর অপেক্ষায় ..নীল আকাশ আর কমলা সূর্য ছাড়া আর কারোর নাম তো মনে পড়ছে না ওর৷

    তবে একটা মুখ মনে পড়ছে বারবার৷ তার চোখের জলটাও বুকে এসে বিঁধেছে৷

    যতবার সেই মুখটা দেখেছে রাজদীপ ততবার তার চোখে একটাই আকুতি ছিল, কেন করলি?

    কেন করেছিল সেটা শুধু রাজদীপই জানে৷ আর এটাও জানে ও ঠিক করেছিল৷

    এই উনিশ বছরের জীবনে এত বড়ো কলঙ্ক নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে জেনেও করেছিল৷ বিরোধী পক্ষের টাকার জোরে ও যে প্রায় একমাস বিচারহীন ভাবে পচে মরবে সেটাও জানতো, তবুও করেছিল৷

    কারণ পাঁচ বছর বয়সে ললিপপের দিবিব খেয়ে বলেছিলো, তোকে আমি রক্ষা করবো দিভাই৷ ক্লাস সিক্সের সাথী একমুখ হেসে বলেছিলো, পাগল ভাই আমার! তুই তো কতো ছোটো! তুই কি করে আমাকে রক্ষা করবি! তুই রক্ষা করবি কথাটা শিখলি কোথা থেকে! রাজদীপ ওকে ছোটো ছেলে বলায় ঠোঁট ফুলিয়ে বলেছিলো, রামায়ণে লক্ষণ সীতাকে বলেছিল যে৷

    প্রিয় ললিপপটা আরেকবার চুষে নিয়ে ঠোঁট ভর্তি লালা নিয়েই সাথীর গালে চুমু খেয়েছিলো রাজদীপ৷ সাথী রেগে গিয়ে বলেছিলো, ভাই… তুই আমার গালে লালা লাগিয়ে দিলি?

    বেশ করেছি, বলেই দে ছুট৷

    রাজদীপ জানত না ওই সেভেনের মেয়েটা গালটা ধোয়ার আগে আরেকবার হাত বুলিয়ে নিত পরম স্নেহে৷

    মা বলতো, দুটোই পাগল৷ যেমন ভাই, তার তেমনি দিদি৷

    বাবার প্রিয় ছিলো দিদি, মায়ের একটু বেশি পক্ষপাতিত্ব ছিলো তার বিচচু ছেলেটার ওপরে৷

    বাবা বলতো, তোমার আদরে জলজ্যান্ত হনুমান তৈরি হবে তোমার রাজা বেটা, তখন সামলিও৷ মা রাজের মাথায় হাত বুলিয়ে বলতো, একটু দুষ্টু ঠিকই কিন্তু প্রাণে বড়ো মায়া দয়া৷ বড়ো হলেই শান্ত হয়ে যাবে৷ বড়ো হচ্ছিল রাজ৷ প্রথম স্কুলে গিয়েছিল দু-দিকে বিনুনি করা ওই মেয়েটার হাত ধরে৷ যে মেয়েটা সারা রাস্তা বোঝাতে বোঝাতে যাচ্ছিলো, ভাইসোনা স্কুলে গিয়ে দুষ্টুমি করতে নেই৷ শুধু লেখা পড়া করতে হয়৷ রাজ বলেছিলো, তাহলে দুষ্টুমি কোথায় করে দিদিভাই!

    গালে হালকা ভালোবাসার থাপ্পড় মেরে সাথী বলেছিলো ,শুধু দিদিভাই-এর কাছে করতে হয়৷

    রাজের যত বায়না ছিল দিদির কাছে৷ চিররুগ্ন মা দিনরাত সংসারের কাজ সামলে সন্ধ্যে হলেই বিছানা নিতো৷ বাবাও দুই সন্তানের সব খরচ সামলাতে সামলাতে ক্লান্ত হয়ে পড়তো৷ একমাত্র নিজের খাতার পিছনের পাতায় ভাইকে কাটাকুটি খেলতে দিত দিদি৷ বাবার বকুনি শুনেও লুকিয়ে লুকিয়ে নিজের খাতার পাতা ছিঁড়ে এরোপ্লেন বানিয়ে দিত ভাইয়ের আব্দারে৷

    ভাইয়ের হয়ে কোমর বেঁধে খেলার মাঠে একাই ঝগড়া করে যেত সাথী৷ সম্পর্কটা যে এমনই ছিলো৷ রাজদীপ যখন মাধ্যমিকে দারুণ রেজাল্ট করলো তখন দিদিভাই চিৎকার করে বলেছিলো, বলতাম না আমার ভাই সব থেকে ভালো৷ দিদিভাই ক্লাস ইলেভেন থেকেই টিউশনি করতো, আর তার মাইনের টাকার সিংহভাগ খরচ করত রাজদীপ৷ হঠাৎই দিদিভাই মাস্টার্স কমপ্লিট করে চাকরি পেয়ে গেল স্কুলে৷ রাজদীপকে আর পায় কে৷ প্রথম মাসের মাইনে পেয়েই সাথী একটা মোবাইল কিনে দিয়েছিল ভাইকে৷ নিজের কোনো অ্যান্ড্রোয়েড ফোন ছিল না৷ ওদের বাড়ির প্রথম অ্যান্ড্রোয়েড ফোনটা এসেছিল আদুরে ভাইয়ের জন্য৷ বাবা বলেছিলো, সাথী নিজের বিয়ের জন্য কিছু জমা৷ আমার চাকরি থেকে তো খাওয়া পড়া ব্যতীত কিছুই জমে না৷ তোর বিয়ের গয়না তোকেই তৈরি করতে হবে৷ বাবার চোখ থেকে অসহায়তার জলপড়েছিলো নীরবে৷ সেই প্রথম রাজদীপ বুঝতে পেরেছিলো সে নিম্নমধ্যবিত্ত বাড়ির ছেলে৷ এতদিন দিদিভাই-এর জন্য রাজদীপ বিষয়টা অনুভবই করেনি কখনো৷ ওর মায়ের গায়ে থাকে নিতান্ত সাধারণ আটপৌরে কাপড়৷ বাবার শার্ট-এর কাপড়টা টেরিকটের৷ গরমে বাবার কষ্ট হয়৷ দিদির চুড়িদারগুলো হাতিবাগানের ফুটের দোকান থেকে কেনা৷ একমাত্র রাজদীপই ব্র্যান্ডেড জিন্স পরে, দামি রেস্টুরেন্টে বন্ধুদের ট্রিট দেয়৷

    রাতে শুয়ে থেকে থেকে দু-চোখে ঘুম আসছিলো না রাজদীপের৷ পায়ে পায়ে দিদির ঘরে ঢুকে দেখলো, দিদি খাতা পেন নিয়ে নোট তৈরি করছে৷ দিদির টেবিলে ওদের দুজনের পছন্দের ললিপপটা রেখে ও বলেছিলো, দিদিভাই সরি রে৷ আমি বড্ড অবুঝ ছিলাম৷ সাথী একমুখ হেসে বলেছিলো, যাক! এতদিনে আমার ভাইটা বড়ো হয়েছে৷ আমি জানতাম যেদিন তুই সত্যিকারের বড়ো হবি, একমাত্র সেদিনই বাবার অর্থনৈতিক অবস্থাটা বুঝতে পারবি৷

    দিদিভাই রাত্রি বেলাতেই মুখে চকলেট ললিপপটা খেতে খেতে বলেছিল,নিজেরটা দিলি … নাকি এটা আমার জন্য কিনেছিলি?

    রাজদীপ দিদিভাই এর গালে চুমু খেয়ে বলেছিলো, নিজেরটা দিলাম৷ তোকে আমি সব দিতে পারি ৷ সাথী হেসে বলেছিলো, আর রক্ষা করবি না আমাকে? লজ্জা পেয়ে পালিয়ে এসেছিলো রাজদীপ৷

    এনে খাবার… খেয়ে নে৷ আজ বোধহয় কোনো একটা উকিল আসবে তোর সাথে দেখা করতে৷ ভাবনার ছন্দে বিরতি ঘটলো রাজদীপের৷ লাল চালের ভাত,ডাল, রুটি..সবই বিস্বাদ৷ এখন অভ্যস্ত হয়ে গেছে রাজদীপ৷ প্রথম প্রথম নোনতা জলে মিশে যেতো মুখের গ্রাস৷ ইদানীং চুপ করে খেয়ে নেয়৷ কে আনবে উকিল ওর জন্য! বাবা বলেছে ,অকাল কুষ্মান্ড জেলেই পচে মরুক৷ মা শুধু কেঁদেছিল৷ দিদিভাই বলেছিল, কেন করলি এমন! ছি!

    ওই একটা ছি-এর পর থেকেই বাঁচার ইচ্ছেটা ক্রমাগত তলানিতে এসে ঠেকেছে৷ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফার্স্ট টার্ম পরীক্ষা ৷ জেলে বইপত্র অ্যালাও আছে৷ কিন্তু পড়তে পারছে না রাজদীপ৷

    ডায়রি খুলে বসেছে৷ হাবিজাবি লিখবে বলে৷ বাবা ওর এই ভুলভাল লেখা দেখে বলেছিলো, কমলা তোমার ছেলে মাইকেল মধুসূদন হবে৷ পড়া বাদ দিয়ে কাব্য লিখছে৷

    না কাব্য রাজদীপ লিখতে পারে না৷ ও যেটা পারে সেটা হলো, কিছু অবাধ্য শব্দকে একই সূত্রে গাঁথতে পারে৷

    ভালোবাসার জন্য একটা মন চাই৷ খুনিরাও ভালোবাসে৷ সব খুন প্রতিহিংসা থেকে হয় না৷ কিছু নিজেকে বাঁচাতে করতে হয়৷ সেই আবির রঙা বিকেলে, সেই চিত্তরঞ্জনের হিল টপ টিলার ওপরের অভিসন্ধিটা ধরতে পারেনি দিদিভাই৷ একমাত্র সাক্ষী ছিল রাজদীপ৷ না, সামলাতে পারেনি নিজেকে৷ চোখের সামনে দিদিভাইয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র দেখে কি করে একটা ভাই নিশ্চুপ থাকতে পারে!

    শেষ পর্যন্ত অবশ্য দিদিভাইও অবিশ্বাসী চোখে তাকালো ওর দিকে৷ তখনই শেষ হয়ে গিয়েছিল রাজদীপ৷ দিদিভাই-এর চোখের ওই ঘৃণা মিশ্রিত অবিশ্বাসটাই যথেষ্ট ছিল৷ না, জেলের এই অন্ধকার ঘরে কয়েদিদের সাথে থাকতে ওর কষ্ট হচ্ছে না, এই রকম খাবার খেতে ওর কষ্ট হচ্ছে না, শুধু কষ্ট হচ্ছে ওই দু-চোখে জল নিয়ে সাথীর বলা … ছি ওই শব্দটায়৷

    ওর পক্ষের কোনো উকিল নেই৷ তাই কেসও কোর্টে ওঠেনি৷ উকিল নেই,নাকি ওর মতো অপরাধীকে কেউই আর নীল আকাশের নিচে নিঃশ্বাস নিতে দেখতে চায় না৷ নিজের দিদির সাথে যে এমন করতে পারে তাকে বোধহয় শুধু অপরাধী বললেও কম বলা হবে৷

    ভাবনার অতলে প্রবেশ করাটাই একমাত্র কাজ রাজদীপের৷ চূড়ান্ত অবসন্ন অবসরে…শুধু স্মৃতি ঘেঁটে যাওয়া৷ নিজের বন্ধ চোখের সামনে হঠাৎই আবিষ্কার করলো মেরুন রঙের পাঞ্জাবি পরে লুকিয়ে কাঁদা এক অসহায় ভাইকে৷ উনিশ বছরের ৫ ফুট লম্বা পুরুষ মানুষ ভেউ ভেউ করে কাঁদলে বিয়ে বাড়ির সকলেই লেগপুল করতে শুরু করবে৷ তাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে মাঝে মাঝেই বাথরুমে ঢুকে কেঁদে নিজেকে হালকা করে আসছিল৷ রাজদীপের এই ঘনঘন বাথরুমে যাওয়া আর মুখে চোখে জল দিয়ে আসাটা কেউই নজর করেনি৷ কিন্তু তবুও শেষ পর্যন্ত ধরা পরেই গেল! হলদে রঙের শাড়ি, গোটা মুখে তখনো কাঁচা হলুদের ছোপ লাগা …আলতো করে কানের কাছে এসে বললো, তোর কি ডায়াবেটিস হয়েছে ভাই? এতবার বাথরুমে ঢুকছিস কেন?

    কোথা দিয়ে জল বের করছিস?

    তার চোখেও জল টলটল করছে৷ তবুও ভাইকে হাসানোর চেষ্টা চালাচ্ছিল সাথী৷ অন্য ছেলেদের মতো একগাদা বন্ধু নিয়ে হুল্লোড় করতে পারে না রাজ৷ তার যত গোপন কথা সব দিদির কাছে৷ কবে কোন মেয়েকে দেখে প্রেম জেগেছিল মনে তাও শুনতে হয়েছে সাথীকে৷ সাথী বিয়ে করে চলে গেলে রাজদীপ যে একান্তই একা হয়ে যাবে সেটা আর কেউ না বুঝুক সাথী জানে৷

    তার ভাইটার গোটা পৃথিবী জুড়ে শুধুই দিদিভাই৷

    সাথী বলল, কৃষ্ণেন্দুর কোনো বোন আছে কিনা খোঁজ করবো তোর জন্য?

    রাজ রেগে গিয়ে বলল, আর কয়েকটা দিন পরে বিয়ে করতে পারতিস! তখন তো বাবা বলেছিল…দেখতে এলেই কি বিয়ে হয়? লাখ কথার পরে নাকি বিয়ে হয়৷ কই দিদিভাই তোকে তো প্রথম দেখাতেই ওরা বিয়ে করতে রাজি হয়ে গেল৷ আর তুইও আমাকে ছেড়ে চলে যেতে এক পা বাড়িয়ে দিলি!

    চিত্তরঞ্জন তো কত দূর বল! ইচ্ছে হলেই ছুটে যেতে পারবো না৷

    দিদিভাই ভাইয়ের ঘন চুলের মধ্যে আঙুল চালিয়ে বলেছিল, সে তো ওদের দেশের বাড়ি৷ কৃষ্ণেন্দু তো কলকাতায় ফ্ল্যাট বুক করেছে রে৷ মাত্র কয়েকমাস পর থেকেই আমি তোর খুব কাছেই চলে আসব৷ তাছাড়া আমার স্কুল তো কলকাতায়৷ তুই ছুটির সময় স্কুলের গেটে চলে যাবি… আমি আর তুই আড্ডা দিয়ে ফিরবো৷ কেউ জানতেও পারবে না৷

    রাজদীপ চোখে জল নিয়েই হেসে বলেছিল, যেমন সেই স্কুল থেকে ফেরার সময় কয়েতবেলের আচার খাওয়াটা আজও মা জানে না ,তাই না?

    তাহলে এতবড় ছেলে বোকার মতো কাঁদছিস কেন?

    যা বাবার কত কাজ, তুই হেল্প কর৷ দিদিভাইকে সান্ত্বনা বাণী শোনার পর একটু হাসি ফুটেছিল রাজের মুখে৷ তবুও এত তাড়াতাড়ি এত চট করে দিদিভাই-এর বিয়েতে কিছুতেই রাজি ছিল না ও৷

    বাবা বলেছিল, ঘর শত্রু বিভীষণ! ভালো সম্বন্ধ এসেছে … কোথায় বড়ো ভাই হয়ে এগিয়ে আসবে তা নয় ব্যাগড়া দিচ্ছে৷ ঘাড়ের ওপর সোমত্ত মেয়ে বসে থাকলে নাকি বাবা মায়েরা মরেও শান্তি পায় না৷

    রেগে গিয়ে রাজদীপ বলেছিলো, দিদিভাই কারোর ঘাড়ে বসে খাচ্ছে না৷ বরং মাস গেলে দিদিভাই একগাদা টাকা এনে দিচ্ছে সংসারে৷

    রাজদীপের সব অমতকে তুচ্ছ করেই সাথীর বিয়েটা ঠিক হয়ে গেল মাত্র এক মাসের মাথায়৷ কৃষ্ণেন্দুদাকে এমনি দেখতে শুনতে মন্দ নয়৷ ভালো চাকরি করে৷ কিন্তু তবুও দিদিভাই-এর জন্য ঠিক পছন্দ হয়নি রাজের৷ ছেলেটা যেন সব সময় ডোমিনেট করে রাখতে চায় মানুষকে৷

    দিদিভাইকে যদি স্বাধীন ভাবে বাঁচতে না দেয়? রাজদীপরা মধ্যবিত্ত হতে পারে কিন্তু মেয়ের স্বাধীনতায় কখনো হস্তক্ষেপ করেনি রাজকমল বাবু৷ বরং রাজদীপ আর সাথীর মধ্যে কখনো কোনো পার্থক্য করতেও দেখেনি ও৷ বাবা ছেলের থেকে মেয়েকেই ভালোবেসেছে বরাবর৷

    সেখানে কৃষ্ণেন্দুদার বাবা প্রথম দিনেই হাসতে হাসতে বললেন, চাকরি করা মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দিচ্ছি বটে কিন্তু তার মানে এই নয় যে সে মাইনের অর্ধেক টাকা বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেবে!

    রাজকমল বাবু হাত নেড়ে বলেছিলেন,এতদিন আমাদের মেয়ে ছিল আমরা নিয়েছি৷ কাল যখন আপনাদের বউমা হবে তখন কি আর আমাদের সেই অধিকার থাকবে!

    বিয়ের পর কি তার মানে দিদিভাই আর রাজের থাকবে না! ওই বাড়ির বউ হয়ে যাবে!

    রেগে মেগে চিৎকার করে রাজ বলেছিল, আমার দিদিভাইকে নিয়ে গিয়ে যদি কোনো অত্যাচার করে তাহলে সবাইকে খুন করে দেব আমি৷

    বাবা বলেছিল, বংশের কুলাঙ্গার!

    কেউই শোনেনি রাজদীপের নিষেধ৷ শেষ পর্যন্ত কৃষ্ণেন্দু দত্তর সাথেই বিয়েটা হচ্ছে সাথীর৷ সেদিন সকাল থেকেই বারবার দু-চোখ ভরে উঠছিল নোনতা জলে৷ তবুও রাজদীপ নিজেকে সামলেছে দিদিভাই-এর সুখের কথা ভেবে৷

    কনকাঞ্জলি দিয়ে মা যতটা কেঁদেছিল তার থেকে অনেক বেশি কেঁদেছিল রাজ৷ মনে হচ্ছিল ওর একান্ত কোনো দুর্মূল্য জিনিসকে কেউ কেড়ে নিয়ে চলে গেল৷

    বুকের ভিতরের হাহাকার নিয়েই ঘরে ঢুকেছিলো রাজ৷ ওর পড়ার টেবিলের ড্রয়ার খুলতেই চোখে পড়লো, এক ড্রয়ার নানা রকম চকলেট৷ তার মধ্যে রাজের ফেবারিট চকলেট ললিপপটাও আছে৷

    ওগুলোকে আঁকড়ে ধরেই কেঁদে ফেলেছিলো রাজ৷ দিদিভাই-এর সব দিকে খেয়াল৷ ছোটো থেকেই চকলেটের প্রতি ওর মারাত্মক লোভ৷ সেই লোভে আরো ইন্ধন জুগিয়েছে দিদিভাই৷ ওই ব্যাগ বোঝাই চকলেট সাপ্লাই দিয়েছে ভাইকে৷

    বিয়ের ঠিক একমাস পরেই রাজদীপ খবর পেলো কৃষ্ণেন্দুদার নাকি একটা এফেয়ার আছে৷ বাড়িতে মেনে নেবে না বলেই ওই বয়েসে বড়ো অন্য কাস্ট-এর মহিলার সাথে গোপনে যোগাযোগ রেখে চলেছে কৃষ্ণেন্দুদা৷ দিদিভাই-এর সরল মুখটা মনে পড়ে গিয়েছিলো রাজের৷ কৃষ্ণেন্দুদার নামে ওর করা প্রশংসাগুলোও৷ ইস! কি নিষ্পাপ ভাবে কৃষ্ণেন্দুদাকে বিশ্বাস করে চলেছে দিদিভাই৷ কথাটা যে সত্যি সেটা দু-দিন কৃষ্ণেন্দুদাকে ফলো করেই ধরে ফেলেছিলো রাজদীপ৷ শুধু দিদিভাই-এর হাসি মুখের দিকে তাকিয়ে বলতে পারেনি৷

    সেই সময়েই দিদিভাই-এর দেশের বাড়ি চিত্তরঞ্জনে যেতে হবে শুনেই দিদিভাই বলেছিলো, চল রাজ… তুইও ঘুরে আসবি৷ ওখানের আমলাদহী বাজার,হিল টপ টিলা…মাইথনেও ঘুরে আসবো সকলে৷

    দিদিভাই-এর সাথে কয়েকদিন থাকা যাবে এই ভেবেই এক কথায় রাজি হয়েছিলো রাজ৷

    কৃষ্ণেন্দুদার বারবার গাড়ি দাঁড় করিয়ে ফোনে কথা বলা, মেসেজ লেখার ধরনগুলো কেন চোখে পড়ছে না দিদিভাই-এর! এটা ভেবেই রাগ হচ্ছিলো রাজের৷

    আসুন আপনার কেস যিনি লড়বেন তিনি এসেছেন!

    একজন মধ্যবয়স্ক উকিল অনেক ভাবে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করলো, ঘটনার দিনের সব কথা৷ রাজ যাওয়া থেকে অ্যাকসিডেন্ট পর্যন্ত সবটা বললো উকিলকে৷

    কালই কোর্টে উঠবে কেসটা৷ উকিল কিছুতেই বলতে চাইলো না কে ওনাকে নিযুক্ত করেছে৷

    তাহলে কি শেষ পর্যন্ত রাজকমল বাবুই নিজের সম্মানের কথা ভেবে ছেলেকে ছাড়াতে চাইছেন দিন কুড়ি পরে!

    কোর্টে যে মানুষটাকে বসে থাকতে দেখলো তাকে আর কোনোদিন সামনে দেখবে ভাবেনি রাজদীপ৷ সে বহুদিন আগেই কৃষ্ণেন্দু দত্তর স্ত্রী হয়ে গেছে৷ রাজদীপের দিদিভাই আর নেই৷

    দিদিভাই ওর দিকে তাকাচ্ছে না৷ বাবা আর দিদিভাই দুজনে পাশাপাশি বসে আছে৷

    সাক্ষী হিসাবে মাথায় ব্যান্ডেজ নিয়ে কাঠগড়ায় উঠলো কৃষ্ণেন্দু দত্ত৷

    রাজদীপ মনে মনে বললো, মরেনি শুয়োরটা৷ মারতে পারেনি ওকে৷ দিদিভাই নিশ্চই যমের সাথে লড়াই করে স্বামীর প্রাণ বাঁচিয়ে এনেছে৷

    এসব দেখার থেকে বিনা বিচারে জেলে পরে থাকা ভালো ছিলো৷ কারণ দিদিভাই বোধহয় আজ স্বামীর পক্ষ নিয়েই লড়বে৷ সেদিন কৃষ্ণেন্দুদাকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলতে তুলতে দিদিভাই বলেছিলো, আমি তোকে কোনোদিন ক্ষমা করবো না৷ আজ তুই আমার যে সর্বনাশ করলি … ছি! তোকে ভাই ভাবতে ঘৃণা হচ্ছে৷

    দিদিভাই-এর বলা লাস্ট কথাগুলো আজও কানে বাজছে৷

    কৃষ্ণেন্দু বললো, আমি তো এখনো বুঝতে পারলাম না, হঠাৎ করে আমার শান্ত শালাবাবু কেন আমার মাথায় অতবড়ো একটা পাথর ছুঁড়ে মারলো৷ মাথার পিছনে যে ভাবে লেগেছিলো, তাতে আমি বেঁচে আছি সেটাই ভগবানের দয়া৷

    রাজদীপের উকিল প্রশ্ন করেছিলো, আপনার বিবাহিত জীবন কেমন কৃষ্ণেন্দু বাবু?

    এক গাল হেসে ও বলেছিলো, ধুর মশাই! নতুন বিয়ের পর একথা কাউকে জিজ্ঞেস করা মানেই বোকামি৷ আমার সুন্দরী শিক্ষিতা স্ত্রী৷ আমার সাথে দারুণ বন্ডিং৷

    উকিল বললো, তাহলে আপনি প্রায়ই অফিস ছুটির পরে গড়িয়াহাটের ফ্ল্যাটে কি করতে যান?

    চমকে উঠে ঢোক গিলে কৃষ্ণেন্দু বললো, আমার এক দূর সম্পর্কের রিলেটিভ একা থাকে তাই খোঁজ খবর নিতে…

    এই রিলেটিভের কথা নিশ্চয়ই আপনার স্ত্রীও জানেন! তিনিও নিশ্চয় চেনেন ওই রিলেটিভ কে?

    এবার তোতলাচ্ছে কৃষ্ণেন্দু৷

    তবুও সামলে নিয়ে বললো, এই অ্যাক্সিডেন্টের সাথে ওই ফ্ল্যাটের কি সম্পর্ক আছে? অকারণ ওসব টানছেন কেন?

    আছে আছে মিস্টার দত্ত! এই দুর্ঘটনার সাথে ওই মহিলার অনেকটা সম্পর্ক আছে৷

    তো সেদিন হিলটপে আপনারা কি করছিলেন?

    আমার শালা বাবু প্রথম আমাদের দেশের বাড়ি গিয়েছিলো তাই সাথী আর আমি ওকে চিত্তরঞ্জন ঘোরাতে নিয়ে গিয়েছিলাম৷

    আমরা সবাই ছবি তুলেছিলাম, চিপস খাচ্ছিলাম… হঠাৎই আচমকা রাজদীপ আমার মাথায় পিছন থেকে আঘাত করতে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই৷

    শুধু দেখেছিলাম ওর চোখে খুনির দৃষ্টি আর হাতে বড়ো পাথর৷ হয়তো ওখান থেকেই কুড়িয়ে নিয়েছিলো৷

    সাথী দত্তকে ডাকা হয়েছে সাক্ষী দিতে৷

    রাজদীপের মনে হলো, কয়েকযুগ পরে সে তার প্রাণভ্রমরাকে সামনে দেখলো৷ তার দিদিভাই, তার আদরের দিদিভাই৷

    কিন্তু দিদিভাই ভেবেছে, রাজদীপ হিংসা থেকে এটা করেছে৷ হয়তো কৃষ্ণেন্দুর সাথে বিয়েতে ওর আপত্তি ছিল বলেই ওকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলো৷

    সাথী প্রথমে খানিকক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলো৷ ওর চোখ দুটো স্থির হয়ে গেছে রাজদীপের দিকে৷ ছেলেটা কয়েকদিন না খেয়ে খেয়ে যেন অনেকটা রোগা হয়ে গেছে৷ দাড়িতে মুখটা ভরে গেছে৷

    সাথী বলতে শুরু করলো, ওই দিন আমার স্বামী আমাকে মারতে চেয়েছিলো৷ বাড়ির লোক ভাবতো আমি অসাবধানে পরে গিয়ে মরেছি৷ তারপর ওকে আর কেউ বিয়ের জন্য জোর করতো না৷ আর গড়িয়াহাটের ওই মহিলার কাছে যাওয়াটা হয়ে যেত অবারিত দ্বার৷ একি বলছে দিদিভাই! দিদিভাই জানলো কি করে যে কৃষ্ণেন্দু সেদিন সাথীকে উঁচু টিলা থেকে নিচে ফেলে দিতে চেয়েছিলো!

    কৃষ্ণেন্দু বললো, ভাইকে বাঁচাতে তুমি এভাবে চক্রান্ত করতে পারলে সাথী?

    সাথী মোবাইল খুলে বের করলো বেশ কয়েকটা ছবি৷ দিদিভাই তখন সেলফি তুলছিলো৷

    সেই সেলফিতেই ধরা পড়েছে কৃষ্ণেন্দুদার ঠেলে ফেলে দিতে আসা হাতটা৷

    প্রিন্ট আউট জমা দিলো উকিল৷

    দিদিভাই বললো, আমার ভাইয়ের প্রতিটা রক্ত কণিকার চলাফেরা আমি চিনি৷ যে ছেলে কখনো ইঁদুর মারতে পারে না সে হঠাৎ মানুষ মারতে যাবে কেন?

    তখন কৃষ্ণেন্দুকে নিয়ে হসপিটালে যমে মানুষে টানাটানি চলছিলো, তাই এসব কিছু আমার মাথায় কাজ করেনি৷ ভাই অ্যারেস্ট হয়েছে৷ কৃষ্ণেন্দুর বাবা টাকা খাইয়ে কেসটা ঝুলিয়ে রেখেছিলো৷

    কৃষ্ণেন্দু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর থেকেই অনবরত মনে পড়ে গেছে, দিদিভাই ললিপপের দিব্যি আমি তোকে রক্ষা করব৷ তখনই ছবিগুলো দেখতে দেখতে আবিষ্কার করি খুনির হাত কোনটা! তারপর খোঁজ নিতে গিয়ে ওর অবৈধ রিলেশনটার কথাও জানতে পারি৷ এমনকি ফোনে ওর কথাও শুনি,তার রেকর্ডিংও আছে…

    কৃষ্ণেন্দু বলছে, চেষ্টা তো করলাম মলি… হিল টপ থেকে সাথীকে ফেলে দেবার৷ কিন্তু শালা ভাইটা সব ভেস্তে দিলো৷

    সেদিন দরজার ফাঁক থেকে ওর এই কথাগুলো রেকর্ড করেছিলাম আমি৷ কৃষ্ণেন্দু বুঝতে পারেনি৷ তাহলে হয়তো আরেকবার চেষ্টা করতো ওর পৃথিবী থেকে আমাকে সরাতে৷

    দিদিভাইএর চোখে জল৷ আমার ভুল বোঝার জন্য আমার ভাইটা কষ্ট পেল৷

    জেল হয়ে গেল কৃষ্ণেন্দুর৷ স্ত্রীকে খুন করতে যাওয়ার প্রচেষ্টার কারণে৷

    দিদিভাই-এর হাত ধরেই জেল থেকে বেরোলো রাজদীপ৷

    দিদিভাই বাবার চোখ বাঁচিয়ে রাজের হাতে দিলো ওর ফেবারিট চকলেট ললিপপ৷

    কানের কাছে এসে দিদিভাই বললো, হ্যাপি চকলেট ডে ভাইসোনা৷

    রাজদীপ কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, ললিপপের দিব্যি বলছি, তোকে আমি রক্ষা করব সবসময়৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার
    Next Article চেনা অচেনার ভিড়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }