Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্মলেন্দু গুণের কবিতা

    নির্মলেন্দু গুণ এক পাতা গল্প19 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৫ মার্চ রাতে আমি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম

    অভিনন্দনের জবাবে হাত নাড়ছেন বঙ্গবন্ধু কবিতার নিচে রচনার তারিখ লিপিবদ্ধ করা যে কতটা জরুরি, তা এখন মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছি। রবীন্দ্রনাথের প্রতি সম্মান দেখাতে গিয়ে কী ভুলটাই না করেছি। আজ, চল্লিশ বছর আগের লেখা কোনো কবিতার দিকে যখন তাকাই, আবছা স্মৃতির মতো অতি-সামান্য কিছু মনে পড়ে। বুঝি, ওই সব কবিতার রচনা-তারিখ কোনো দিনই আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। এ পৃথিবী একবারই পায় তারে, পায় নাকো আর। তবু রচনার কাছাকাছি সময়টা কবিতার চেহারার দিকে তাকিয়ে আমি মাঝে মাঝে ধরতে পারি। কিন্তু একটি কবিতা (‘হুলিয়া’) নিয়ে আমি খুবই ধন্ধের মধ্যে পড়েছি। কবিতাটিকে অনেকেই আমার প্রথম সফল কবিতা বলে বিবেচনা করেন, আমি নিজেও করি। ওই জনপ্রিয় কবিতাটির রচনাকাল নির্ণয় করার ব্যাপারে আমার প্রবল আগ্রহ ছিল, প্রয়োজনও ছিল; এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। কিন্তু ছয় মাস ধরে তদন্ত করেও আমি এর রচনাকাল নির্ণয়ে সফল হইনি। অনেক (আজাদ, সংবাদ, পূর্বদেশ) পত্রপত্রিকা ঘেঁটেও আমি ওই কবিতার রচনাকাল, কবিতাটি প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়েছিল, প্রথম কোথায় কবিতাটি পাঠ করেছিলাম, বা ওই কবিতার প্রথম শ্রোতা কে ছিল, কিছুই আমি আবিষ্কার করতে পারিনি।
    আমার শুধু মনে পড়ে, বাংলা একাডেমীর কোনো একটি অনুষ্ঠানে আমি ওই কবিতাটি পাঠ করেছিলাম। কবিতা পাঠের আসরে প্রচুর জনসমাগম হয়েছিল। পাঠের পর মঞ্চ থেকে নেমে এলে অভিনেতা ও আবৃত্তিকার গোলাম মোস্তাফা আমাকে তিরস্কার করে বলেছিলেন, একটি ভালো কবিতার বাজে আবৃত্তিতে তিনি খুবই মর্মাহত হয়েছেন।
    সেটি কি কোনো একুশের কবিতা পাঠের আসর ছিল? হতে পারে। ১৯৭০-এর একুশে ফেব্রুয়ারির ভোরেই হবে। বাংলা একাডেমী একুশের অনুষ্ঠানগুলোতে পাঠ করা কবিতা বা পঠিত প্রবন্ধের কোনো রেকর্ড রাখে না। তাই একাডেমীর সংস্কৃতি বিভাগ থেকেও এ-বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, ‘আইয়ুব খান এখন কোথায়?’—কবিতার মধ্যে উত্থাপিত ওই প্রশ্ন পাঠে মনে হয়, কবিতাটি আইয়ুবের পতনের অব্যবহিত পরে রচিত হয়ে থাকবে। রচয়িতা এবং তাঁর সহযাত্রীদের জীবদ্দশায়ও ‘হুলিয়া’র রচনাকাল এবং প্রথম প্রকাশের স্থান নির্ণয় করা যে কারও পক্ষে সম্ভব হলো না—এটা খুবই দুঃখের বিষয়।
    মনে আছে, ‘হুলিয়া’র প্রথম খসড়াটি আমার প্রিয় বন্ধু আবুল হাসান রাগ করে ছিঁড়ে ফেলেছিলেন। আগের দিন রাতে আমি আর হাসান সলিমুল্লাহ হলে ছিলাম। সম্ভবত হাসানের বাল্যসুহূদ মাহফুজুল হক খানের রুমে। পান এবং আড্ডার কারণে অনেক রাত করে আমরা ঘুমাই। তাই পরদিন বেশ দেরিতে আমার ঘুম ভাঙে। ঘুম ভাঙার পর উঠে দেখি রুম ফাঁকা। হাসান চলে গেছে। তাকিয়ে দেখি টেবিল থেকে ‘হুলিয়া’ উধাও। তাড়াতাড়ি হাত-মুখ ধুয়ে, রুম বন্ধ করে ছুটলাম শরীফ মিয়ার ক্যান্টিনের উদ্দেশে। শরীফে যাওয়ার পথে ঘাসের মধ্যে ওই কবিতার কিছু ছেঁড়া অংশ আবিষ্কার করি। বুঝতে একটুও অসুবিধে হয় না যে আমার বন্ধু কবিতাটি পড়তে-পড়তে এবং ছিঁড়তে ছিঁড়তে শরীফের দিকে গেছে। জটায়ুর কর্তিত ডানা পথে পড়ে থাকতে দেখে শ্রীরামচন্দ্র যে রকম সীতার গমনপথের সন্ধান পেয়েছিলেন, আমিও তেমনি হাসানের গমনপথের সন্ধান পাই।
    আমি যখন শরীফে পৌঁছি তখন সকাল ১০টা। হাসান চা-নাশতা সেরে, একটি অকবিতার হাত থেকে বাংলা সাহিত্যকে মুক্ত করতে পারার আনন্দে চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছিল এবং চারপাশে ভিড় করে বসা তার কয়েকজন ভক্তকে কবিতা জিনিসটা আসলে কী, সে-সম্পর্কে জ্ঞান দান করছিল।
    আমি শরীফে ঢুকেই পথ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া ‘হুলিয়া’র কিছু ছেঁড়া অংশের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করি। হাসান প্রথমে একটু চমকে ওঠে। তারপর আমার দিক থেকে কিছুটা অভয় পেয়ে হাসে। বলে, এটা তো কবিতা নয়, গল্প। আবার লিখে ফেলো। রাগ করার কী আছে?
    এজরা পাউন্ড যে এলিয়টের ওয়েস্ট ল্যান্ডের কতটা কেটে বাদ দিয়ে দিয়েছিলেন, আমি জানি, তর্কে লিপ্ত হলে হাসান ওই প্রসঙ্গটি তুলবে। তাই আর তর্ক করলাম না। ঘটনাটি স্বীকার করায় হাসানের ওপর থেকে আমার রাগ পড়ে গেল। অবশ্য আমি খুব একটা রাগ করিওনি। আমি জানতাম যে ওই কবিতাটি আমার পক্ষে আবার রচনা করা খুবই সম্ভব।
    আমি হাসানের পাশে গিয়ে বসলাম। বুঝলাম, মুখে সে যাই বলুক না কেন, ‘হুলিয়া’ কবিতাটি তার কবিতা-সম্পর্কিত ধারণাকে পাল্টে দিতে উদ্যত হয়েছিল বলেই ওই কবিতাটিকে সে না পারছিল সহ্য করতে, না পারছিল উপেক্ষা করতে। ওইদিনই আমি পাবলিক লাইব্রেরিতে বসে ‘হুলিয়া’ কবিতাটি আবার নতুন করে লিখি। দ্বিতীয়বারের লেখাটি প্রথমবারের লেখা থেকে খুব একটা পৃথক হয়নি বলেই আমার ধারণা। আমি হাসানকে কবিতাটি পাঠ করে শোনাই। হাসান ‘হুলিয়া’র দ্বিতীয় পাঠ শোনার পর, একটি পরিবর্তনমুখী সময়ই যে এই কবিতাটি আমার হাত দিয়ে লিখিয়ে নিয়েছে, তা স্বীকার করতে বাধ্য হয়। এবং স্বীকার করে যে এই কবিতার মধ্যে ‘আমি’ এবং ‘দেশ’ এমনভাবে মিশে গেছে যে, এর একটি থেকে অন্যটিকে পৃথক করা কঠিন।
    আমার হুলিয়াকবলিত জীবনের অভিজ্ঞতা একদিন এ রকম একটি কবিতার রূপ নিয়ে বেরিয়ে আসবে, আমি ভাবিনি। কবিতাটি লেখার পর আমি খুব খুশি হই।
    প্রথম কোথায় ‘হুলিয়া’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল, তার সন্ধান পাওয়া সম্ভব হয়নি, আগেই বলেছি। এ প্রসঙ্গে কবি মুহম্মদ নুরুল হুদা তাঁর স্মৃতি থেকে বলেছেন, আমার কণ্ঠে ওই কবিতা তিনি ১৯৬৯ সালে প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের একটি অনুষ্ঠানে শুনেছিলেন। ওই অনুষ্ঠান কলা ভবনের ২০১৩ নম্বর কক্ষে হয়েছিল এবং বাংলা বিভাগের প্রধান প্রফেসর মুহম্মদ আবদুল হাই ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছিলেন। আমারও এ রকম একটা অনুষ্ঠানের কথা মনে পড়ে। কিন্তু ওই অনুষ্ঠানে আমি কোন কবিতাটি পড়েছিলাম, তা মনে পড়ে না। হতে পারে ‘হুলিয়া’।
    পরে কবিতাটি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের বই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। আমার জানা মতে সেটি ছিল ‘হুলিয়া’ কবিতার পুনর্মুদ্রণ। ২১ জুলাই ১৯৭০ জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রে তরুণ কবিদের কবিতাপাঠের একটি আসর বসেছিল। ওই আসরে আবদুল মান্নান সৈয়দ, আবু কায়সার, হুমায়ুন কবির, আবুল হাসান, মহাদেব সাহা, সানাউল হক খান, দাউদ হায়দার প্রমুখ কবি কবিতা পাঠ করেছিলেন।
    ওই আসরে আমি ‘হুলিয়া’ পাঠ করি। আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ওই আসরে উপস্থিত ছিলেন। ওই কবিতাটি শোনার পর তিনি দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় তাঁর জনপ্রিয় কলাম ‘তৃতীয় মত’-এ ‘হুলিয়া’ সম্পর্কে এ রকম মন্তব্য করেন:
    ‘গত মঙ্গলবার ঢাকার জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আয়োজিত একটি কবিতা পাঠের আসরে উপস্থিত ছিলাম। কয়েকজন তরুণ কবি কয়েকটি বিস্ময়কর উজ্জ্বল কবিতা পাঠ করেছেন এই আসরে। শ্রাবণ-সন্ধ্যায় এমন কবিতার আসর ঢাকায় আজকাল দুর্লভ। ভেবেছিলাম, অধিকাংশ তরুণ কবি এই আসরে এমন কবিতা পাঠ করবেন, যার মূল কথা হবে—সমাজ সংসার মিছে সব, মিছে এই জীবনের কলরব।
    ‘কিন্তু তা নয়। এই আসরে একটি সুস্থ, সাম্প্রতিক কণ্ঠ শুনলাম একটি কবিতায়। কবিতার নাম সম্ভবত হুলিয়া। কবির নাম নির্মলেন্দু গুণ। ফেরারী নায়ক গ্রামে ফিরেছেন। তার শৈশব ও কৈশোরের অতি-পরিচিত খাল-বিল, মাঠ-ঘাট, পথ সবই তার কাছে বহুবার দেখা ছবির মতো। অথচ কেউ তাকে চিনতে পারছে না। যেমন তাকে চিনতে পারেনি স্টেশনের গোয়েন্দা পুলিশ এবং টিকিট চেকার। নায়ক ফিরে এলো মায়ের কাছে, সংসারের প্রাত্যহিক দাবির কাছে। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে সকলের কণ্ঠেই একটি প্রশ্ন—দেশের কী হবে? শেখ সাহেব এখন কী করবেন? কবিতার নায়ক জবাব দেয়…আমি এসবের কিছুই জানি না—আমি এসবের কিছুই বুঝি না
    ‘জানি না কবিতাটির আখ্যান সংক্ষেপে বর্ণনা করতে পেরেছি কি না। দীর্ঘ কবিতা। তাতে শুধু কবিতার স্বাদ নয়, সাম্প্রতিক রাজনীতির যুগ-জিজ্ঞাসাও বেশ স্পষ্ট। এ যেন বাংলার ক্ষুব্ধ তারুণ্যের স্বগতোক্তি। এই জবাবের চাইতে বড় সত্য এই মুহূর্তে জন-চেতনায় আর কিছু নেই।’ [দ্র: তৃতীয় মত—আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, পূর্বদেশ, ২৪ জুলাই ১৯৭০]
    আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর ওই কলামটি তখন খুবই জনপ্রিয় ছিল বলে ওই কলাম পাঠ করে অনেকেই আমার ‘হুলিয়া’ কবিতার খোঁজ করেন। ওই কবিতাটি আমার কবি-স্বীকৃতি লাভেই শুধু সহায়তা করেনি, আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থের প্রকাশক পাওয়ার ব্যাপারেও সহায়ক হয়েছিল। ওই কবিতা প্রকাশিত হওয়ার পরই খান ব্রাদার্স অ্যান্ড কোং-এর মালিক মোসলেম খান তাঁর পুত্রদের ‘হুলিয়া’র কবিকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন। তাঁর আগ্রহের কারণ অবশ্য শুধুই ‘হুলিয়া’ ছিল না, আমার গুণ পদবিটিও ছিল তাঁর আগ্রহের একটি উত্স। ছাত্রজীবনে তিনি মানিকগঞ্জের ইব্রাহিমপুর স্কুলে মণীন্দ্র গুণ মহাশয়ের ছাত্র ছিলেন, আমি ওই মনীন্দ্র গুণের সঙ্গে রক্তসূত্রে যুক্ত কি না, তা জানার জন্যও তিনি আমার সন্ধান করেন। মণীন্দ্র গুণ ছিলেন আমার জ্ঞাতি-ভাই। একদিন বিউটি বোর্ডিংয়ে ঢোকার পথে মোসলেম খান সাহেবের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। তিনি আমাকে ‘হুলিয়া’ কবিতাটির জন্য প্রশংসা করেন এবং আমাকে আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থের পাণ্ডুলিপি তৈরি করতে বলেন। জীবনানন্দ দাশের কাব্যসমগ্র প্রকাশ করার কারণে ওই প্রকাশনীটি তখন সুধীমহলের, বিশেষ করে কবিমহলের সুনজরে পড়েছিল।
    আমার কবিতার বই প্রকাশ করার জন্য আমি নওরোজ কিতাবিস্তান, মওলা ব্রাদার্স এবং বইঘরের কাছে ধরনা দিয়ে ব্যর্থ হই। তাদের কেউই আমার বই প্রকাশ করার ঝুঁকি নিতে রাজি হননি। তখন পর্যন্ত আধুনিক কবিতার বইয়ের কাটতি এমন কম ছিল যে আল মাহমুদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ লোক লোকান্তর কবি-সাহিত্যিকের যৌথ উদ্যোগে গড়া কপোতাক্ষ নামক একটি প্রকাশনী থেকে প্রকাশ করতে হয়েছিল। শামসুর রাহমানের প্রথম কবিতার বইও প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর অনুরাগী-বন্ধু শিল্পপতি আবদুল বারিক চৌধুরী (এবিসি নামেই তিনি ঢাকার সুধীমহলে পরিচিত ছিলেন) আর্থিক আনুকূল্যে। আবদুল মান্নান সৈয়দ তাঁর প্রথম কবিতার বই জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ নিজেই প্রকাশ করেছিলেন।
    কবিতার বইয়ের এই প্রকাশনা ও পাঠক-সংকটজনিত পরিস্থিতিটা আমার কাছে একেবারেই গ্রহণযোগ্য ছিল না। কয়েকজন প্রকাশক আমাকে নিরাশ করলেও, আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, অচিরেই এই অবস্থার অবসান হবে। পাঠক যখন কবিতার দিকে ঝুঁকছে, তখন প্রকাশকেরাও ক্রমশ কবিতার দিকে ঝুঁকবে।
    খান ব্রাদার্স নিজ থেকে আমার কবিতার বই প্রকাশ করতে আগ্রহী হওয়ায়, আমি খুব খুশি হই। আমার জেনারেশনের কবিদের মধ্যে এমন সৌভাগ্য হয় আমারই প্রথম।
    বঙ্গবন্ধু কবি হিসেবে আমাকে আগে থেকেই জানতেন। তাঁকে উত্সর্গ করে রচিত আমার প্রথম কবিতা ‘প্রচ্ছদের জন্য’ প্রকাশিত হয় সংবাদ-এর ১৯৬৭ সালের ১২ নভেম্বর সংখ্যায়। কবিতাটি তিনি যে পাঠ করে খুব আনন্দ পেয়েছিলেন এবং গর্ব বোধ করেছিলেন, সে কথা আমি জেনেছিলাম রণেশ দাশগুপ্তের মুখে। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের পর জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর একদিন (সম্ভবত সংবাদ কার্যালয়ে) তাঁর সঙ্গে দেখা হলে তিনি ঘটনাটির কথা আমাকে বলেছিলেন। পরে এক সময় আওয়ামী লীগের অগ্রজতুল্য নেতা আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর কাছেও শুনেছিলাম। আগরতলা ও গোলটেবিলের চাপে হয়তো তিনি আমার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। গাফ্ফার ভাইয়ের কলাম পাঠ করার পর আমার কথা নতুন করে তাঁর মনে পড়ে। তিনি আমার সঙ্গে ‘হুলিয়া’ নিয়ে আলাপ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। [তথ্য: আবিদুর রহমান, সম্পাদক, দি পিপল]
    বিস্তারিত তথ্যের জন্য আবিদুর রহমানের সন্ধান করা যেতে পারে। আবিদ ভাই আমাকে তাঁর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে যেতে বললেও, আমি আজ যাব কাল যাব করে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে যাওয়ার ব্যাপারটিকে বারবার পিছিয়ে দিচ্ছিলাম। একপর্যায়ে আবিদ ভাই রণে ভঙ্গ দেন। আমি বঙ্গবন্ধুকে দূর থেকেই দেখব, কখনো তাঁর কাছে যাব না, তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত হব না বলেও মনে-মনে স্থির করি।
    আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রেমাংশুর রক্ত চাই প্রকাশিত হয় ১৯৭০ সালের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে। ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয় পাকিস্তানের ইতিহাস পাল্টে দেওয়া সেই নির্বাচন। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ তো বটেই, সমগ্র পাকিস্তানের মেজরিটি পার্টির নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন। কিন্তু মুজিবের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করার ব্যাপারে পাকিস্তানের সামরিক শাসক প্রেসিডেন্ট আগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খান ও পাকিস্তানের অসামরিক নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর মধ্যে গোপন মতৈক্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কারণে ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ পাড়ি দিয়ে আসে একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চ। পূর্ব পাকিস্তানের মাটিতে রোপিত হয় বাংলাদেশের রক্তবীজ। বাংলাদেশের নতুন পতাকা নিয়ে আসে ২ মার্চ। জাতীয় সংগীত ও স্বাধীনতার ইশতেহার নিয়ে আসে ৩ মার্চ। ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম/এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’—বঙ্গবন্ধুর এই অমর কবিতা নিয়ে আসে ৭ মার্চ। আমি মন্ত্রমুগ্ধবত্ মঞ্চের পশ্চিমপাশে সাংবাদিকদের জন্য সংরক্ষিত আসনে বসে বঙ্গবন্ধুর সেই কালজয়ী ভাষণটি শ্রবণ করি। ফিরে এসে দি পিপল গ্রুপ থেকে প্রকাশিত বাংলা সাপ্তাহিক গণবাংলার জন্য ৭ মার্চের ওপর একটি কবিতাও লিখেছিলাম। সেদিনই সন্ধ্যায় গণবাংলার টেলিগ্রামে সেই কবিতাটি ছাপা হয়।
    অসহযোগ আন্দোলনের ইতিহাসে মহাত্মা গান্ধীর একক-কৃতিত্বে ভাগ বসিয়ে শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলন। শুরু হয় ইয়াহিয়া ও ভুট্টোর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর অর্থহীন আলোচনা-আলোচনা খেলা। এককাট্টা হয়ে বাংলার মানুষ বঙ্গবন্ধুর পেছনে দাঁড়ায়। পাকিস্তান দিবসে তিনি তাঁর নিজের বাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা উড়ান। গাড়িতে বাংলাদেশের জন্য অনুমোদিত লাল-সবুজ পতাকা উড়িয়েই তিনি ইয়াহিয়া ও ভুট্টোর সঙ্গে আলোচনায় যোগ দেন। তাঁর সাহস, দূরদৃষ্টি ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দেখে আমার প্রাণ জুড়িয়ে যায়। পাকিস্তানিদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার সংবাদে আমি অন্তরে পুলকিত বোধ করি। বুঝতে পারি, ইয়াহিয়া-ভুট্টো নন, ধৈর্যের অগ্নি-পরীক্ষায় শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবই জয়ী হতে চলেছেন।
    ‘হুলিয়া’ কবিতায় একটি পঙিক্ত ছিল, ‘শেখ মুজিব কি ভুল করছেন?’ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব সম্পর্কে আমার এই সংশয়-যুক্ত পঙিক্তটি আমি মনে মনে আমার ‘হুলিয়া’ কবিতা থেকে প্রত্যাহার করি। আমার মনে এই প্রত্যয় জন্মায় যে সাতই মার্চের জনসভায় প্রদত্ত চার-শর্ত নয়, তাঁর মুক্তি ও স্বাধীনতার কৌশলী ঘোষণাটিই শেষ পর্যন্ত কার্যকর হতে চলেছে। ভাবি, আর বিলম্ব করা ঠিক হবে না। তিনি যে ভুল করছেন না, এই প্রয়োজনীয় কথাটা আমার দিক থেকে তাঁকে বলা দরকার।
    কাছে যাওয়ার সুযোগ পেলে আমি বঙ্গবন্ধুকে এই কথাটাই বলব, এই মনে করে সন্ধ্যার দিকে আমি ছাত্রলীগের নেতা সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ভিপি সৈয়দ আহমদ ফারুকের সঙ্গে বত্রিশ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে যাই। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে যে-বাড়িটি পরিণত হয়েছিল সাড়ে সাত কোটি বাঙালির সবচেয়ে প্রিয়ভবনে। কিন্তু তখন বড় বেশি দেরি হয়ে গিয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে উপস্থিত খালেদ ভাইয়ের (প্রভু খালেদ চৌধুরী, তখন এপিএনে কর্মরত ছিলেন) সঙ্গে লনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কথা বলি। বঙ্গবন্ধু সেদিন আর বাইরে বেরিয়ে আসেননি। তাঁর সঙ্গে পরিচিত হওয়া বা কথা বলা তো দূরের কথা, তাঁকে একনজর দেখার সুযোগও আমার হয় না। তাঁর প্রেস সচিব আমিনুল হক বাদশা জানান যে বঙ্গবন্ধু হাইকমান্ডের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসেছেন। তিনি আজ বাইরে বেরোবেন না।
    আমি গাড়ি-বারান্দার ছাদের ওপর দাঁড়ানো বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনাকে দেখতে পাই। হাজার মানুষের ভিড়েও আমাকে চিনতে পেরে তিনি মৃদু হাত নাড়েন। সেই হাত নাড়ার অর্থ আমার কাছে স্পষ্ট হয় না। তবু আমি তাঁর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার কথা একবার ভেবেছিলাম, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কারও মাধ্যমে পরিচিত হতে আমার মন শেষ পর্যন্ত সায় দেয়নি। আমি রাত ১০টার দিকে বিফল মনোরথ হয়ে ফিরে আসি।
    বাংলাদেশকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়ার অপরাধে ওই রাতেই তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে বন্দী হন। তারিখটি ছিল ২৫ মার্চ ১৯৭১।

    নির্মলেন্দু গুণ
    সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, এপ্রিল ০২, ২০১০

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরক্তঝরা নভেম্বর ১৯৭৫ – নির্মলেন্দু গুণ
    Next Article আনানসি বয়েজ – নিল গেইম্যান

    Related Articles

    নির্মলেন্দু গুণ

    রক্তঝরা নভেম্বর ১৯৭৫ – নির্মলেন্দু গুণ

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }