Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প190 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিষাদ – ১০

    ১০

    ‌‌‌‌‌‘যমুনাতে জলকে গিয়ে

    শ্যাম দাঁড়ায়ে কদম তলে

    কালায় কত না ছল করে—

    বলি নিত করো না আনাগোনা।’

    গাইছে গঙ্গামণি। মাদুরে বসে মুগ্ধ হয়ে সেই গান শুনছে নিষাদ। কাল পলাশ তাকে ফোন করেছিল।

    ‘একটা ঠিকানা বলছি, চট করে লিখে নে।’

    নিষাদ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কার ঠিকানা?’

    পলাশ বিরক্ত হয়ে বলে, ‘কার জেনে তোর দরকার কী? যা বলছি তাই কর। আজ দুপুরে মেয়েটির কাছে যাবি। সে তোকে কাজের জন্য এক জায়গায় পাঠাবে।’

    ‘মেয়েটি’ শুনে নিষাদ থতমত খেয়ে যায়। বলে, ‘বাদ দে পলাশ।’

    দু’দিন হল পলাশ কলকাতার পাততাড়ি গুটিয়ে গ্রামে ফিরে গিয়েছে। যাওয়ার সময় কাউকে কিছু বলে যায়নি। নিষাদকে একটা চিঠি লিখে পাঠিয়ে দিয়েছিল মেসে।

    ‘ওরে ভালমানুষ গাধা, ভেবেছিলাম মোবাইলে মেসেজ পাঠাব। তারপর ভাবলাম, অনেকদিন কাউকে চিঠি লিখিনি, তোকে শালা লিখি। দেখি ক’টা বানান ভুল হয়। লেখাপড়া মনে আছে কিনা। চিঠি লেখা শেষ হলে পেনটা ছুড়ে ফেলে দেব। লেখাপড়ার সঙ্গে সম্পর্ক খতম। টাটা বাই বাই নিষাদ। কলকাতার পালা শেষ। বাবার কোল্ড স্টোরেজে বসব। এই শহর আমাকে শুধু দু’জনকে দিয়েছে। একজন তুই, আর একজন.‌.‌.‌থাক। গাঁজা ছেড়ে দেব ঠিক করেছি। আলু ধরব। আলুতে নেশা করব। আলু নিয়ে ফাটকা খেলব। এমন টাকা হবে যে ফুলে ফেঁপে ঢোল হব। চিন্তা করিস না ভালমানুষের বাচ্চা, তোর যদি কোনও কম্মো না জোটে, তোকে আমার এখানে কাজ দেব। আলুর ম্যানেজার হবি তুই। যাক, ভাল থাকিস। যেমন ভাল তোকে মানায়, তেমন ভাল। অন্যরকম হতে যাস না। তোর দ্বারা হবে না। মোবাইল ফোনে আমাকে পাবি না। তাও দরকার হলে, মেসেজ পাঠিয়ে রাখবি। পরে দেখে নেব। বাই বাই। ইতি পলাশ।’

    পলাশই ফোন করেছে।

    ‘বাদ দিবি কেন? মেয়ের কাছে যেতে হবে বলে? তোর এই বদ অভ্যেসটা এবার ছাড় নিষাদ।’

    নিষাদ একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘আমিও সুরুলপুরে ফিরে যাব ভাবছি।’

    পলাশ বলল, ‘সে যাস। কিন্তু আমি যাকে তোর জন্য এত করে বলে রেখেছিলাম, তার সঙ্গে একবার দেখা কর। নইলে আমার প্রেস্টিজ যাবে। গিয়ে না হয় বলবি, ‘তুমি আমার জন্য অনেক করেছ, ধন্যবাদ। আমি কাজ করব না। যদি কাউকে বলে থাক, তাকে জানিয়ে দিও।’এরা কারও জন্য কিছু করে না নিষাদ। করলে, সেই দামটা দিতে হয়। আমি তোর কথা বলে এসেছিলাম বলেই করেছে। প্লিজ় যা ভাই, আমার মুখ রক্ষা কর। গঙ্গামণি আমাকে ফোন করেছিল।’

    নিষাদ বলল, ‘গঙ্গামণি!‌ সে কে?’

    পলাশ বলল, ‘যার কাছে তুই যাবি। খুব ভাল গান করে। শুনলে ব্যোম্‌কে যাবি। সোনাগাছি চিনিস?’

    নিষাদ আঁতকে উঠেছিল, ‘কী বলছিস পলাশ!‌’

    পলাশ বলল, ‘কেন সোনাগাছিতে অসুবিধে কোথায়? তুই তো ওখানে খদ্দের হয়ে যাচ্ছিস না। একজনের সঙ্গে দেখা করবি। দেখা করে চলে আসবি।’

    নিষাদ বলল, ‘না, আমি পারব না। বলছি তো আমার দরকার নেই। কেন তুই বলতে গেলি। সবাইকে আমার কাজের কথা বলার কী হয়েছে?’

    পলাশ রাগের গলায় বলল, ‘কেন? তুই এতজনকে বলতে পারিস, আমি গঙ্গামণিকে বললে আপত্তি কেন? বাজারের মেয়েছেলে বলে? তোর কোন ভদ্রলোক ভদ্রতা দেখিয়েছে নিষাদ? কম লোককে তো বলিসনি।‌ কুটোটি কেটেছে? চাকরি দেব বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে অপমান করেছে। সোনাগাছির মেয়েরা আর যাই করুক, তাদের মতো অপমান করে না। কে তুই ওদের? কেউ নোস। না ওদের খদ্দের, না ক্ষমতাওয়ালা কেউ। একটা ফালতু। তারপরেও তোর জন্য করতে চাইছে।’

    নিষাদ বন্ধুর রাগ বুঝল। বলল, ‘রাগ করিস না পলাশ। আমাকে তো জানিস, অনেক কিছুই পারি না। সত্যি আমি কেউ নই। তুই তো জানিস। কাজের জন্য অনেকের কাছে গিয়েছি ঠিকই, কারও হাতে পায়ে ধরিনি। নিচু হইনি কখনও।’

    পলাশ নরম হল। বলল, ‘আমি তোকে জানি। সেই জন্যই তো চেষ্টা করেছি। আমার আর চেনাজানা কোথায় বল? গঙ্গামণিকে বলেছি। ব্যবসার কারণে ওদের কাছে অনেক ক্ষমতাওলা লোক আসে। তুই যদি ওখানে যেতে না চাস, তাহলে গঙ্গামণিকে অন্য কোথাও আসতে বলি? সেখানে কথা বলে নে।’

    নিষাদ একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘আমাকে ছেড়ে দে। ‌আমার কিছু ভাল লাগছে না পলাশ। মেঘপর্ণার বিয়ের তারিখ ঠিক হয়ে গিয়েছে। ও আমাকে মেসেজ করে জানিয়েছে। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে বিদেশ চলে যাচ্ছে।’

    মেঘপর্ণা এক লাইনের মেসেজ করেছিল। শুধু বিয়ের কথাটাই জানিয়েছে। গোপন করেছে উষ্ণির কথা। নিষাদের সঙ্গে রেজিস্ট্রির দিন উষ্ণিই মেঘপর্ণার মাকে ফোন করে বিয়ের খবর জানিয়ে দিয়েছিল। উষ্ণি নিজেই সব বলল। বান্ধবীর বিয়ের খবর পেয়ে লাফাতে লাফাতে বাড়িতে এসেছিল। প্রথম প্রথম বর আদর করতে এলে কীভাবে তাকে গায়ে হাত দিতে না দিয়ে উত্তেজিত করা যায় সে বিষয়ে একটা ছোটখাটো ভাষণ দেওয়ার পর বলল, ‘আমার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবি ব্যাটা। ‌বরের সঙ্গে বিছানায় যাওয়ার আগে মনে মনে একবার আমাকে প্রণাম ঠুকে নিবি।’

    মেঘপর্ণা হেসে বলল, ‘বন্ধুর প্রতি আবার কৃতজ্ঞতা কী? আর আমার বরকে কি তুই খুঁজে দিয়েছিস? আমার বাবা-মা জোগাড় করেছে।‌’

    উষ্ণি বলল, ‘আমি যদি সেদিন তোর মাকে অচেনা ল্যান্ডফোন থেকে ফোন না করতাম তাহলে তো এতক্ষণে নিষাদের গলায় ঝুলতিস।’

    মেঘপর্ণা থমকে গেল। অবিশ্বাসের গলায় বলল, ‘তুই!‌ উষ্ণি, তুই সেই ফোন‌টা করেছিলি?’

    উষ্ণি হেসে বলল, ‘ইয়েস, মি, দ্য ব্রুটাস।’

    মেঘপর্ণা চুপ করে থেকে বলে, ‘কেন একাজ করলি?’

    উষ্ণি সহজভাবে সামনে রাখা প্লেট থেকে কাজুবাদাম তুলে মুখে ফেলে বলল, ‘ভুল সংশোধন করতে। নিষাদকে গোপনে বিয়ে করার পরিকল্পনা তোকে আমিই দিই। পরে মনে হল, ভুল করেছি। বিরাট ভুল। একটা সহজ-সরল মেয়ের সর্বনাশ করেছি। নিষাদ একজন ভালমানুষ। কিন্তু সে এই সময়ে বেমানান, অচল। তার কোনও উচ্চাশাও নেই। একটা চাকরি হয়তো সে পেয়ে যেত, তাতে কিছু তফাত হত না। কতকগুলো ওল্ড অ্যান্ড ফুলিশ ভ্যালু ওকে বড় হতে দেবে না কোনওদিন।’

    মেঘপর্ণা নিচু গলায়, ‘আমি যদি মেনে নিতাম?’

    উষ্ণি হেসে বলল, ‘পারতিস না মেঘপর্ণা। জীবনটা আমার বানানো গল্প নয়। মুখে পুরুষমানুষের শরীর নিয়ে যতই গল্প বলি না কেন, তোদের অনেকের চেয়ে আমি রিয়েল লাইফটা বেশি বুঝি। কঠিন জীবন মেনে নেওয়ার জন্য কনভিকশন লাগে, সাহস লাগে। তোদের দু’জনের কারও তা নেই।’

    মেঘপর্ণা শ্বাস নিয়ে বলল, ‘তোকে কে বলল?’

    উষ্ণি বলল, ‘তোরাই বলেছিস। যদি তাই থাকত, তুই মাসিমার কথা পাত্তা না দিয়ে পালিয়ে বিয়ে করে আসতিস। তোর বাবার পাতা ফাঁদে পা দিয়ে নাদুসনুদুস গুডবয়ের জন্য বিয়ের পিঁড়িতে বসতিস না। আর যদি নিষাদের কথা বলিস, তাহলে বলব, ব্যাটা একটা কাপুরুষ। কই এসে তোর বাড়ির দরজায় বেল বাজাল না তো! বলল না তো, মেঘপর্ণাকে ডেকে দিন, ওর সঙ্গে কথা আছে। এসেছে? যা হয়েছে ঠিক হয়েছে মেঘপর্ণা। যাক, ভুলে যা ওসব। মেনু কী হচ্ছে বল তো।’

    মেঘপর্ণা এসব কোনও কথাই নিষাদকে লেখেনি। কেনই বা লিখবে? শুধু বিয়ের খবরটুকু দিয়েছে। দিয়ে লিখেছে, ‘এটাই আমাদের শেষ যোগাযোগ।’

    মেঘপর্ণার বিয়ের খবর শুনে এবার বিরাট রেগে গেল পলাশ। ফোনেই চেঁচামেচি শুরু করে দিল।

    ‘ঠিক হয়েছে, বেশ করেছে ওই মেয়ে। তোর মতো বোকা, ভিতুকে বিয়ে করলে ওকে একদিন সুইসাইড করতে হত। পকেটে একটা ফুটো কড়ি নেই, শালা চরিত্র মাড়ায়। তোকে কে ধরে রেখেছে! গঙ্গামণির কাছে যেতে হবে না তোকে। এরপর কোনওদিন কোনও দরকারে আমাকে বলবি না। আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখবি না।’

    পলাশ ফোন কেটে দিলে মোবাইলটার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল নিষাদ। নিজের মনেই সামান্য হাসল। সবাই একে একে যোগাযোগ বন্ধ করে দিচ্ছে। ভালই হয়েছে, নিজের মধ্যে আরও গুটিয়ে যাওয়ার সুযোগ হল। তার আগে ওই মহিলার কাছে যেতে হবে। সোনাগাছি ঠিক কোন পথে? সেখানে গিয়ে গঙ্গামণির নাম বললে কেউ ঘর দেখিয়ে দেবে?

    বেশি ঘুরতে হয়নি। গঙ্গামণির ঘর পাওয়া গেল মিনিট দশেকের মধ্যেই। নামের সঙ্গে গানের কথা বলতেই কাজ হল। কিন্তু ঘরে তালা। সন্ধের পর আবার এল নিষাদ। হাতে সময় নেই। আজই কাজ মিটিয়ে ফেলতে হবে। কাল সুরুলপুরের ট্রেন ধরবে। পাকাপাকি কিনা জানে না, তবে এখন বাড়িতে যেতেই হবে। মায়ের শরীর খুব খারাপ। সিন্ধুরাও বারবার ডাকছে। নিজেরও মনে হচ্ছে, এই শহর ছেড়ে কিছুদিনের জন্য পালাতে হবে।

    দুপুরে যেমন মিইয়ে ছিল, এখন পাড়াটা একেবারে গমগম করছে। পলাশের নাম বলতে গঙ্গামণি একগাল হেসে বলল, ‘ও আপনি সেই ভালমানুষ? আসুন, ঘরে আসুন।’

    নিষাদ তাড়াতাড়ি করে বলল, ‘ঘরে যাব না। আপনাকে শুধু একটা কথা বলতে এসেছি। বাইরে থেকেই চলে যাব।’

    গঙ্গামণি চোখ তুলে বলল, ‘ঘরে আসবেন না কেন? বাজারের মেয়েমানুষ বলে?’

    নিষাদ লজ্জা পেল। বলল, ‘না না, তার জন্য নয়। আসলে একটা কথা ‌বলেই তো চলে যাব।’

    গঙ্গামণি গাঢ় লিপস্টিক মাখা ঠোঁটে হেসে বলল, ‘পলাশদা সব বলেছে। আপনি আমাদের ঘেন্না করেন। সোনাগাছি শুনে আঁতকে উঠেছিলেন।’

    নিষাদ আরও লজ্জা পেল। বলল, ‘পলাশ বাড়িয়ে বলেছে, আসলে আমার অভ্যেস নেই।’

    গঙ্গামণি বলল, ‘সে তো ঘাবড়ানো দেখেই বুঝতে পারছি। আরে বাবা, যাদের পকেটে পয়সা নেই তাদের আমরা নষ্ট করি না। এত ভয় পাবেন না। ঠিক আছে, ঘরে ঢুকতে হবে না। আপনার কাজের জন্য একজনকে বলে রেখেছিলাম। আমার কাছে আসেন। তিনি কথা দিয়েছেন, কিছু একটা করে দেবেন। সেই জন্য পলাশদাকে বলেছিলাম, আপনাকে যেন খবর দেয়। দরকার হলে নিজে নিয়ে যেতাম। সকালে পলাশদা ফোনে বলল, ও কাজ আপনার লাগবে না। ভালই হয়েছে, বাজারের মেয়েমানুষের জোগাড় করে দেওয়া চাকরির পয়সায় ভদ্রলোকের বাঁচা উচিত নয়। তবে একটা কথা কী জানেন ভালমানুষবাবু, এই ধরনের কাজ তো আগে কখনও করিনি, করে খুব ভাল লাগল। নিজের উপর ভরসা এল। চাইলে একজনের উপকারও করতে পারি!‌ এবারে আসুন, নমস্কার।’

    নিষাদ একটু থমকে থেকে বলল, ‘কথাটা ঠিক তেমন নয়। আমি এখন কলকাতায় থাকব না, পরেও থাকব কিনা জানি না। এর মধ্যে একটা চাকরির প্রস্তাব পেয়েছি। জানিনা সেটারই বা কী হবে। আপনি ভুল বুঝবেন না। তবে আমারও মানুষ বোঝায় ভুল হয়েছে। প্রথমে পলাশের কাছে আপনার কথা শুনে.‌.‌.‌যাক, আপনি আমাকে সেই ভুল শোধরানোর একটা সুযোগ কি দেবেন? আমি কি আপনার ঘরে একটু ঢুকতে পারি? ঘরে বসে এক গ্লাস জল খেয়ে আসতে পারি?’

    গঙ্গামণি সামান্য সময় নিল। ঠোঁটের কোনায় হেসে বলল, ‘আসুন।’

    গঙ্গামণি নিজে থেকেই গান শোনানোর প্রস্তাব দিয়েছে।

    ‘পলাশদা আমার গানের কথা বলেনি?’

    নিষাদের কেন যেন ভাল লাগছে! কেন লাগছে জানে না।‌ নীল রঙের চুমকি বসানো শাড়ি ব্লাউজ় পরা এই মহিলাকে অনেক সহজ মনে হচ্ছে। খাঁটি মনে হচ্ছে। নিজেকে অনেক স্বচ্ছন্দ মনে হচ্ছে এই ঘরে।

    ‘অবশ্যই বলেছে।’

    গঙ্গামণি হেসে বলল, ‘তাহলে একটা গান শুনে যান।’

    নিষাদ বলল, ‘নিশ্চয়ই শুনব।’

    গঙ্গামণি মেঝেতে মাদুর পেতে বসল। পাশে রাখা ব্যাগ থেকে একশো টাকার একটা নোট বের করে নিষাদের দিকে বাড়াল।

    নিষাদ অবাক হয়ে বলল, ‘এটা কী!‌’

    গঙ্গামণি হেসে বলল, ‘ভালমানুষ, আপনাকে ধার দিলাম। আমার গাওয়া শেষ হলে আপনি আমায় দক্ষিণা হিসেবে দেবেন। গঙ্গামণি কাউকে বিনি পয়সায় গান শোনায় না। কেন জানেন? তাহলে ভালবাসা হয়ে যায়। আপনি যদি আমায় ভালবেসে ফেলেন, তখন কী হবে?’

    কথা শেষ করে খুব একচোট হাসল গঙ্গামণি। তারপর গান শুরু করল।

    ‘কালায় কত না ছল করে/বলি নিত করো না আনাগোনা…।’

    নিষাদ ঘোরের মধ্যে চলে গেল। তার ইচ্ছে করল, আরও অনেকক্ষণ ধরে গান শুনতে।

    বাস থেকে নেমে নিষাদ পকেট থেকে মোবাইল বার করল। রাস্তার আলোতেই অপূর্ব রায়ের নাম বের করে নম্বর টিপল।

    বিরক্ত গলায় অপূর্ব রায় বলল, ‘কে?’

    ‘স্যার আমি নিষাদ। নিষাদ সেনগুপ্ত।’

    অপূ্র্ব রায় দ্রুত গলা বদলে তাড়াহুড়ো করে বলেন, ‘গুড ইভনিং নিষাদ। কোনও খবর আছে? ‌এনি ডেভলপমেন্ট? ঐশানীর সঙ্গে কথা বলেছ? কী বলছে সে।’

    নিষাদ নিচু গলায় বলল, ‘না স্যার, এখনও বলিনি।’

    অপূ্র্ব রায় অধৈর্য কণ্ঠে বলল, ‘সে কী! বলনি? দেরি করছ কেন? তোমাদের হোল ফ্যামিলির অনেক কিছু ডিপেন্ড করছে এর উপরে। তোমার চাকরি, তোমার বোনের চাকরি, তোমার মায়ের ট্রিটমেন্ট।’

    ‌নিষাদ আমতা আমতা করে বলে, ‘আসলে স্যার.‌.‌.‌’

    অপূ্র্ব রায় আবার গলা শান্ত করে, ‘ঠিক আছে.‌.‌.‌ঠিক আছে বুঝতে পারছি তোমার সমস্যা হচ্ছে। এতটা পার্সোনাল কথা তুমি তোমার দিদিকে বলতে আনইজ়ি ফিল করছ। হতেই পারে নিষাদ। একটা কাজ করা যাক, কাল সন্ধেবেলা আমরা তোমার দিদির বাড়িতে সারপ্রাইজ় ভিজ়িট দিই। একেবারে চমকে দেব। তুমি থাকলে সে গোড়াতে কিছু বলতে পারবে না। পরেরটুকু আমি সামলে দেব। কেমন হবে? মজার না?’

    নিষাদ গলা আরও নামিয়ে বলল, ‘স্যার, আমি চাকরি করব না। আমি বাড়িতে ফিরে যাচ্ছি। অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।’

    ওপাশ থেকে অপূ্র্ব রায় কিছু একটা বলতে চায়, ফোন কেটে দেয় নিষাদ। অন্ধকার গলি ধরে মেসের দিকে হাঁটতে থাকে সে। মাথার মধ্যে কে যেন গাইতে থাকে, ‘কালায় কত না ছল করে/ বলি নিত করো না আনাগোনা.‌.‌.‌।’

    কে গায়? মেঘপর্ণা? ঐশানীদি? নাকি গঙ্গামণি? গলা চিনতে পারে না। একসময়ে নিষাদের মনে হয়, এরা কেউ নয়, অন্য কেউ যাকে সে চেনে না। কোনওদিন চিনবেও না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }