Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প190 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিষাদ – ৩

    ৩

    পলাশ বলল, ‘তাতে কী হয়েছে?’

    নিষাদ বলল, ‘কী হয়েছে মানে!‌’

    পলাশ ‌অবাক হওয়া গলায় বলল, ‘চাকরি হয়নি বলে বিয়ে হবে না!‌ চাকরির সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক কী? তুই তো এখনই বউকে ঘরে নিয়ে গিয়ে তুলছিস না। তাকে খাওয়ানো-পরানোর দায়িত্বও নিসনি। নাকি নিয়েছিস?’

    নিষাদ মাথা নামিয়ে অস্ফুটে বলে, ‘কী করব?’

    পলাশ ধমক দিয়ে বলল, ‘কী আবার করবি? যেমন ঠিক করা আছে, তেমন করবি। বিয়ে করবি। আজ পাঁচটার সময় রেজিস্ট্রি অফিসে যাবি, দু’জনে সই করবি, বিয়ে হয়ে যাবে। সাক্ষীর সই করার জন্য দু’জনকে আমি ফিট করেছি। একটা পাঁইটের দাম ধরে দেব। এত সব অ্যারেঞ্জমেন্ট হওয়ার পর বিয়ে হবে না বলার মানে কী? সবটা ফাজলামি নয় নিষাদ। তোর ভিতুপনা বিয়ের পর বউকে দেখাবি, আমাকে নয়। রেজিস্ট্রি অফিসে ব্যাকডেটে নোটিস করিয়েছি। পয়সা খরচ হয়েছে। সেই পয়সা জলে যাবে? বিয়ে হয়ে গেলে তোর বউ নিজের বাড়িতে ফিরে যাবে, তুই আবার মেসে ফিরে তোর ওই ব্রজনাথ না মেঘনাদকে জড়িয়ে শুয়ে পড়বি।’

    মেসে নিষাদের ঘর ভাগ করে থাকা পলাশ ভাল চোখে দেখে না। ভাগাভাগির খবরটা শুনে সে চোখ-মুখ কুঁচকে বলেছিল, ‘এটা কোনও ব্যবস্থা হল? কলকাতা শহরের কি এতটাই দুর্দশা? থাকার জন্য একটা ঘর পাওয়া যাবে না?’

    নিষাদ বলেছিল, ‘পাওয়া যাবে না কেন? আমার মতো বেকার ছেলের সে ঘর ভাড়া দেওয়ার ক্ষমতা নেই।’

    পলাশ বলল, ‘তা বলে অন্যের ঘাড়ে শুতে হবে? আমাকে টাইম দে নিষাদ, আমি দেখছি। সল্টলেকে বাড়ির পর বাড়ি তালা মারা, সবাই বাইরে থাকে। ও রকম একটা কোথাও তোকে ঢুকিয়ে দেব। ক’টা দিন আমার হস্টেলে ঘাপটি মেরে থাক দেখি, কেউ জানতে পারবে না। সেরকম বুঝলে ধনাদাকে বলে রাখব। সুপার ত্যান্ডাই ম্যান্ডাই করলে সে একটা ফোন করে দেবে, সব চেপে যাবে।’

    নিষাদ বলেছিল, ‘ধনাদাটা কে?’

    পলাশ বলল, ‘এই এলাকার দাদা। আরে বাবা, দাদা ধরা থাকলে সব ম্যানেজ হয়। এই যে আমি এতদিন স্টুডেন্ট হস্টেলের ঘর নিয়ে রয়েছি, সে তো ওই ধনাদাকে ধরেই। তবে পয়সা দিতে হয়। ডাইরেক্ট নেয় না, চেলারা আসে। বলে, দাদা, বোতলের দাম হচ্ছে না, দুশো টাকা ধার দাও। ধার মানে তোলা। তবে আমি বেকার বলে বেশি নেয় না, ডিসকাউন্ট আছে। তুইও দিবি। দুশো-চারশো যখন যেমন পারবি।’

    নিষাদ বলেছিল, ‘না না, ওসব ঝামেলা করতে হবে না।’

    পলাশ ‌বিরক্ত হয়ে বলেছিল, ‘তুই শালা সবেতে ঘাবড়ে যাস। শুধু না আর না। কলকাতা শহরে তুই একবারে আনফিট। দেশে ফিরে যা নিষাদ। গিয়ে মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নে।’

    নিষাদ বলেছিল, ‘সে তুই যা বলিস, এই বয়সে ছাত্র হস্টেলে থাকতে পারব না।’

    পলাশ বলেছিল, ‘নীতি ফলাচ্ছিস? ভিতু, অক্ষমদের নীতি বেশি হয়। আসলে তুই এখানে মানাতে পারছিস না।’

    নিষাদ চুপ করে গিয়েছিল। কী উত্তর দেবে? সত্যি তো এতবছর পরেও এই শহরের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেনি। কত আশা নিয়ে, জোর দিয়ে মাকে বলেছিল, কলকাতায় পড়বে, ভাল চাকরি পাবে। কীসের কী হল? পড়া এমন কিছু হল না, শুধু ডিগ্রি বাড়ল।‌ ভদ্রস্থ কাজ জুটল না। বাড়িতে ফিরলে মা রাগ করে। বকাবকি করে।

    ‘অনেক পয়সা ধ্বংস হয়েছে, এবার ফিরে আয়।’

    সেদিন রাতে সবাই খেতে বসেছিল। সিন্ধুরা কলেজের ফাইনাল পরীক্ষা দিয়েছে। মায়ের সঙ্গে বসে খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে অনেকদিন। নিষাদ কলকাতায় চলে যাওয়ার পর থেকেই ছেড়েছে। কলেজ যাওয়ার সময় দুটো ভাতে ভাত খেয়ে নিত। রান্না না হলে, না খেয়েই বেরোত। কলেজ ক্যান্টিনে গিয়ে রুটি-তরকারি নিত। ফিরে নিজের ঘরে বই খাতা নিয়ে বসে পড়ত দরজা আটকে। নয়নতারা খেতে ডাকলে, বলত পরে খাবে। ছুটিছাটার দিন একসঙ্গে বসতে হলে চুপচাপ খেয়ে উঠে পড়ত। নয়নতারাও বুঝে গিয়েছিল, মেয়ে তাকে এড়িয়ে থাকতে চায়। মেয়ে যত বড় হচ্ছিল, এই স্বভাব তার তত বেশি করে বাড়ছিল। ছেলে চলে যাওয়ার পর মেয়ের সঙ্গে দূরত্ব আরও বেড়েছে। নয়নতারাও ডাকাডাকি কমিয়ে দিয়েছিল। কলেজের পালা চুকে যাওয়ার পরেও সকালবেলা বেরিয়ে যায় সিন্ধুরা। সারাদিন বাইরে কাটায়। ফেরে রাত করে। নয়নতারা খবর পেয়েছে, মেয়ে পলিটিক্স করছে।

    সেদিন খেতে বসে, মায়ের ফিরে আসার ধমক শুনে নিষাদ নিচু গলায় বলল, ‘চাকরিবাকরির অবস্থা ভাল নয়। কোথাওই ভাল নয় মা। এখানে ফিরে এসেই বা কী করব?’

    নয়নতারা ঝাঁঝের সঙ্গে বলল, ‘লেকচার দিস না। অমন বাজে সাবজেক্ট নিয়ে বিএ, এমএ পড়তে গিয়েছিলি কেন? ফার্স্ট ডিভিশনে হায়ার সেকেন্ডারি পাশ করেছিলি, সায়েন্স পড়তে পারিসনি? এই সাবজেক্টে চাকরি হয়?’

    নিষাদ রুটি নাড়াচাড়া করতে করতে বলে, ‘বাবাও তো পড়েছিল। ‌ভেবেছিলাম মাস্টারি পাব, নইলে বাবার মতো কোনও গভর্নমেন্ট সার্ভিস.‌.‌.‌’

    দাদা এসেছে বলে সিন্ধুরাও একসঙ্গে খেতে বসেছিল সেদিন। বলল, ‘সায়েন্স পড়লে কী হত মা? তপেশকাকার ছেলে, অঞ্জলিদি, হরিনাথ ঘোষের মেয়ে তো সায়েন্স পড়েছে। কী করছে? ফ্যা ফ্যা করে ঘুরে বেড়াচ্ছে।‌’

    নয়নতারা বলল, ‘আবার পাকামি করছিস? মুখে মুখে কথা বলতেই শিখেছিস।‌ শুধু পড়লে হয় না, ভাল রেজ়াল্ট করতে হয়।‌ ফার্স্ট সেকেন্ড হলে কারও চাকরি আটকায়?’

    সিন্ধুরা‌ ডালের বাটিতে চুমুক দিয়ে বলল, ‘সবাই‌ ফার্স্ট সেকেন্ড হবে!‌ কী যে বল।‌ যারা মিডিওকার? তাদের কী হবে? ফার্স্ট সেকেন্ড না হওয়ার অপরাধে পেটে গামছা বেঁধে বেকার বসে থাকবে? তাহলে কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে এত ছেলেমেয়েকে নেওয়ার দরকার কী? গুটিকয়েক ভাল ছেলেমেয়েকে পড়ালেই হবে। আসলে সিস্টেমটাই গোলমালের। ছেলেমেয়েকে দোষ না দিয়ে সিস্টেমকে গাল দাও।’

    নয়নতারা বলল, ‘এতসব জানি না। তোর বাবা চাকরি পেয়েছিল কী করে? সে তো পরীক্ষায় ফার্স্ট সেকেন্ড হত বলে শুনিনি।’

    সিন্ধুরা বলল, ‘পরীক্ষায়‌ ফার্স্ট সেকেন্ড না হলেও বাবা একজন বুদ্ধিমান মানুষ ছিল মা। সরকারি চাকরির পরীক্ষায় পাশ করেছিল। সে সব পরীক্ষাই তো উঠে গিয়েছে। পরীক্ষা হলেও চাকরি বিশবাঁও জলে। সেই আমল আর নেই, এখন লেখাপড়ার কোনও দাম নেই। একসময়ে যারা টেকনিক্যাল কাজ শিখত, তারা কলকারখানায় চাকরি করত। লেবার, ওভারসিয়র, ইলেকট্রিশিয়ান। সেসব কলকারখানাই তো নেই। দেখছ না, কী ছিল আর কী হয়েছে? শুধু বিএ, এমএ কেন, হাতেকলমে কাজ শিখলেও কিছু হয় না আজকাল। গাড়ির কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। হাজার হাজার বেকার।‌’

    নয়নতারা বলে, ‘নেতাদের মতো বুলি কপচাস না। সবাই ঘরে হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে?’

    সিন্ধুরা বলল, ‘ঘরে যারা বসে থাকে তাদের দেখতে পাও না মা। গোটা দেশ জুড়ে বেকারদের মিছিল হলে বুঝতে পারতে। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও একটা না একটা কারখানা নয়তো অফিস বন্ধ হচ্ছে। ভাল ভাল ছেলেমেয়েরা একদিন দুম করে শুনছে, চাকরি নেই। কাগজ পড় না?’

    নয়নতারা বলে, ‘বলছি তো, এসব পলিটিক্স করা লোকেদের লেকচার। তোর বাবাও দিত। আমাকে শোনাতে আসিস না। তাহলে লেখাপড়া ছেড়ে ধিঙ্গিপনা করে বেড়া‌।’

    সিন্ধুরা বলে, ‘তাই করা উচিত। ধিঙ্গিপনা করলে কিছু হতে পারে।’

    এইসব কথার মাঝে নিষাদ খাওয়া ফেলে উঠে যায়। ঘর অন্ধকার করে শুয়ে পড়ে। রাতে সিন্ধুরা ঘরে আসে। খাটের পাশে বসে নিষাদের মাথায় হাত বুলিয়ে নিচু গলায় বলে, ‘চিন্তা করিস না দাদা। ঠিক একটা কিছু হয়ে যাবে।’

    নিষাদ ফিসফিস করে বলত, ‘নিজেকে অপরাধী বলে মনে হয় রে সিন্ধু।’

    সিন্ধুরা নরম গলায় বলত, ‘সময়টাই অপরাধী দাদা। আমরা কী করব?’

    স্কুল-কলেজের পড়ায় মন না দিলেও বোন যে তার চেয়ে বেশি বুদ্ধিমতী, নিষাদ জানত। জগৎসংসার সম্পর্কে তার ধারণা স্পষ্ট। মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক কিশোরীবেলা থেকেই তেতো। কোথাও একটা রাগ রয়েছে। মুখে কিছু বলে না। মাকে শুধু মাঝেমধ্যে ‘জানি’ বলে হুমকি দেয়। নিষাদ এক-আধবার জানতে চেয়েছে।

    ‘তোর মায়ের উপর রাগ কেন সিন্ধু?’

    সিন্ধুরা মুখ নামিয়ে বলেছে, ‘রাগ কোথায়? ‌কষ্ট। অভিমানও বলতে পারিস।’

    নিষাদ অবাক হয়ে বলেছে, ‘অভিমান!‌ ‌কীসের অভিমান?’

    ‌‌সিন্ধুরা শুকনো হেসে বলেছে, ‘থাক। সব তোর শুনে লাভ কী? তুই এসব সাংসারিক মান-অভিমানের মধ্যে থাকার মানুষ নোস। মায়ের কথায় কান দিস না, নিজের মতো একটা কাজকর্ম পাওয়ার চেষ্টা কর।’

    ‘সিন্ধু, তুই পলিটিক্স করছিস?’

    সিন্ধুরা হেসে ফিসফিস করে বলে, ‘তুই‌ প্রেম করছিস দাদা?’

    নিষাদ একটু চমকে উঠে বলল, ‘তুই কোথা থেকে জানলি?’

    সিন্ধুরা আহ্লাদি গলায় বলল, ‘ছবি আছে না মোবাইলে? দেখা না।’

    নিষাদ লজ্জা পাওয়া গলায় বলল, ‘ধুস, আমার ফোনে কি ছবি তোলা যায়? পুঁচকে সস্তার ফোন…’

    সিন্ধুরা দাদার মুখের উপর ঝুঁকে পড়ে বলল, ‘কেমন দেখতে রে মেয়েটা? খুব সুন্দর? নাম কী?’

    ‘দেখতে সুন্দর কিনা জানি না, তবে নামটা সুন্দর। মেঘপর্ণা।’

    সিন্ধুরা বলল, ‘মেঘপর্ণা!‌ বাহ্‌, ভারি সুন্দর তো।’

    নিষাদ বলল, ‘ওকথা ছাড়, তুই পলিটিক্স করছিস কিনা সেটা বল। একটা পুঁচকে মেয়ে, তুই পলিটিক্স কী করবি!‌’

    সিন্ধুরা উঠে দাঁড়িয়ে নিষাদের মাথা ধরে ঝাঁকিয়ে বলল, ‘হ্যাঁ, আমি পলিটিক্স করছি। ক্যাবলা দাদা যদি প্রেম করতে পারে, তার পুঁচকে বোন পলিটিক্স করতে পারবে না কেন?’

    ‌‌একসময়ে মেঘপর্ণার কথা জানতে পারে নয়নতারা। এখন নয়, একবছর আগেই জানতে পেরেছে। তখন নয়নতারা অসুস্থ হতে শুরু করেছে। একটু কাজ করলেই হাঁপিয়ে পড়ে। রোগা হয়ে গিয়েছে। চোখের তলা কালো। কিছুতেই ডাক্তার দেখাবে না। সিন্ধুরা বলে বলে হাল ছেড়ে দিয়েছে।

    এক তোড়ে অনেকটা ধমকের পর পলাশ গলা নরম করল।

    ‘চিন্তা করিস না, চাকরি এখন না হোক, পরে তো পাবি। তা ছাড়া একবারে তো বেকার নোস। প্রেসের কাজটা তো রয়েছে।’

    নিষাদ মাথা নামিয়ে বলল, ‘মেঘপর্ণার কাছে তো এইটুকুই জোর ছিল। আমার মোটামুটি একটা চাকরির জন্য সে অপেক্ষা করছিল। একটা সময় তো ওর বাড়িতে জানাজানি হবেই। খুব তাড়াতাড়িই হবে। তখন আমার কথা বলতে হবে। যেসব ছোটখাটো কাজ করি, সে তো বলার মতো নয়। প্রেসে তো চাকরি করি না। প্রুফ টুফ দেখে দিই।’

    পলাশ বলল, ‘তোর ওই মেঘপর্ণা বাড়িতে এতদিন বলেনি, এবার বলবে। সমস্যা কী?’

    নিষাদ বলল, ‘কী বলবে? লুকিয়ে একটা বেকার ছেলেকে বিয়ে করে বসেছে? ওর বাড়িতে তুলকালাম হয়ে যাবে।’

    পলাশ মুখ বেঁকিয়ে বলল, ‘অশান্তি হলে হবে। পালিয়ে বিয়েতে অশান্তিই হয়। বস্তাপচা গল্প শোনাসনি। কোন যুগে পড়ে আছিস? এখন ছেলেমেয়েরা লিভ-ইন করে, মিউচুয়াল সেক্স করে। ব্যাগে প্রোটেকশন রাখে। আমরা যে সময় কলেজে পড়তাম, তার চেয়েও সময় অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। নরনারীর সম্পর্ক নিয়ে ধ্যানধারণা রোজ পালটাচ্ছে। পুরনো বাংলা সিনেমার মতো দিন আর নেই। বিশেষ করে মেয়েরা এখন অনেক বোল্ড, খোলামেলা, অনেক স্বাধীন হয়েছে।’

    নিষাদ ঠান্ডা গলায় বলল, ‘তুই একটা খুব ছোট অংশের কথা বলছিস। বেশিটাই এসব থেকে অনেক দূরে। এমনভাবে ভাবতে পারে না। মেঘপর্ণা এতটা সামলাতে পারবে না। পলাশ, সে খুব সাধারণ একটা মেয়ে, আমার মতোই সাধারণ, ঘরোয়া। বাড়ি খুব কনজ়ারভেটিভ। তারপরেও বলেছিল, মোটের উপর একটা চাকরি জোগাড় করো। বাকিটুকু আমি ফেস করব। তাতে যত অশান্তি হয় হবে।’

    পলাশ নিষাদকে নিয়ে চায়ের দোকানে বসেছে। বিডন স্ট্রিটের মুখে ফুটপাতের উপর ঝুপড়ি দোকান। হয় দাঁড়িয়ে, নয় ব্যাটারির খোলের উপর বসে চা খেতে হয়। নিষাদ যখন ফোন করেছে , পলাশ তখন হস্টেলের ঘরে ঘুমোচ্ছিল। দুপুরের ঘুম।‌ মাসতিনেকের জন্য একটা ছোট আইটি কোম্পানিতে কাজ জুটেছিল। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে অফিস। নাইরোবি থেকে ডেটা আসত। সেগুলো সাজিয়েগুছিয়ে দিতে হত। তারপর যেত অ্যানালিসিসের জন্য। সেটা আবার আলাদা ডিপার্টমেন্ট। পলাশের এক পরিচিতই জোগাড় করে দিয়েছিল। তিনমাস পরে প্রজেক্ট শেষ, চাকরিও খতম। একদিন প্রজেক্ট ইনচার্জ বলে দিল, ‘কাল থেকে আপনাদের আর দরকার নেই।’ গলা থেকে টাই খুলে পকেটে ঢুকিয়ে হাঁটতে হাঁটতে এসে বাসে উঠতে হল। কাজটা যে জোগাড় করে দিয়েছিল তাকে ফোন করতে বলল, আইটি সেক্টরে এরকম রোজ হয়। আবার প্রজেক্ট পেলে ‘কল’ হবে।

    পলাশ চায়ের ভাঁড় ফেলে বলল, ‘তোর ওই মেঘ না জলকে ফোন কর।’

    নিষাদ ভয়ে ভয়ে বলল, ‘কী বলব?’

    পলাশ সিগারেট ধরিয়ে বলল ‘কী আবার বলবি? বলবি, সব ঠিক আছে, সন্ধেবেলা যেন চলে আসে। বিয়ে করে বাড়ি চলে যাবে।’

    ‘আর আমার চাকরির কথা?’

    পলাশ বাঁ পায়ের ওপর ডান পা-টা তুলে একমুখ ধোঁয়া ছেড়ে বলল, ‘বলবি হয়ে গিয়েছে… না থাক, মিথ্যে বলতে তুই‌ পারবি না। বলবি.‌.‌.‌বলবি.‌.‌.‌এসো তারপর বলছি। বিয়ের পরপরই দুঃসংবাদটা দিস না। কোনও একটা রেস্টুরেন্টে‌ ঢুকে চুমু-টুমু খেয়ে চলে যাবি,’ তারপর একটু থেমে নিষাদের চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘অ্যাই, ফুলশয্যা করবি?’

    নিষাদ ভুরু কুঁচকে বলল, ‘মানে?’

    পলাশ বলল, ‘শালা, মানে বোঝ না? বিয়ে হয়ে গেলে বউকে আদর করবি কিনা বল। বললে ঘরের ব্যবস্থা করে দিতে পারি। ক’টা বেলফুলের মালা নিয়ে ঢুকে যাবি।’

    নিষাদ বলল, ‘ধুস।’

    পলাশ হাই তুলে বলল, ‘তোমার শালা কিছুই হবে না। যা এবার বউকে খবর দে। লেট করলে মুশকিল। আমাকে একটা জায়গায় যেতে হবে।’

    নিষাদ তার ছোট মোবাইল ফোনটা বের করে নম্বর টিপল। একবার, দু’বার, তিনবার। মেঘপর্ণার ফোন প্রতিবারই জানাল, ‘সুইচড অফ’।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }