Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিষিদ্ধ গাণ্ডিব – কর্ণ শীল

    কর্ণ শীল এক পাতা গল্প163 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিষিদ্ধ গাণ্ডিব

    এক

    চার প্রহর পার হতে চলল, তবুও রোদ উঠল না। চৈত্রারম্ভের নিম হলুদ বাটতে বসেছিল বাড়ির মেয়েরা। তারাও কাজ ফেলে ঘোমটা টানা মেঘ করে বসে রইল।

    এখন শুধু চুপ করে বসে ঘুম পায় না। ছোটনের জলপাই খুঁজতে গিয়েও ঘুম পায়। পুরোনো প্রতাপ রাজার এক ভাঙা গড় রয়ে গেছে জলপাই বনের উত্তর দিকে। শুকনো পরিখা, ভাঙাচোরা ইটের পাঁজা রয়ে গেছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। দুর্গের একটা বড়ো অংশ অবশ্য এখনও রয়ে গেছে অক্ষত। সে অংশটা হলুদ আর কালো পাথরের চাঁই দিয়ে তৈরি। পলাশের বাবার মুখে ছোটন শুনেছে প্রতাপরাজার একটা গুপ্তধন ওখানে আজও রয়ে গেছে। গল্পটা শোনার পরই ওদের জলপাই কুড়োনোর দলটা ভেঙে গেছে। এখন যে যার নিজের মতো জলপাই কুড়োতে আসে।

    জলপাই গাছগুলোর নিচটায় কাঁচাপাকা জলপাই বিছিয়ে আছে। টকমিষ্টি গন্ধে ম-ম করছে নিঃশব্দ দুপুর। পশ্চিমের পদ্মবিল থেকে এক গা-কাঁপানো ঠান্ডা হাওয়া ছুটে আসছে। পাতার গায়ে সে হাওয়া আছড়ে পড়ে অদ্ভুত ছমছমে শব্দ উঠছে। শিরশির করে উঠল ছোটনের গা।

    ভাঙা প্রাচীরের গর্ত দিয়ে গড়ের চৌহদ্দির মধ্যে ঢুকে গেল ছোটন। ভিজে ভিজে মাটি। শীতকালে তো বটেই, প্রচণ্ড গরমেও এখানে সরাসরি রোদ পড়ে না। মাথার ওপর বট, জাম, হিজল, আম, কাঁঠাল, কৃষ্ণচূড়া গাছ জড়াজড়ি করে একটা ছোটো ছোটো ছিদ্রভরা ছাঁকনির সৃষ্টি করেছে। সেই ঘনবুনট পার হয়ে যেটুকু রোদ আসে, তাতে মাটির গা তাতে না। আজ তো একে মেঘলা, তার ওপর সময়টা ফাল্গুনের সবে শেষ দিক। রোদ এখনও ঘনিয়ে ওঠা শুরু হয়নি।

    সরু শ্যাওলা ঢাকা পথ। পচা পাতা থেকে ঝাঁজালো একটা গন্ধ উঠে আসছে। একটা মরচে ধরা লোহার বর্শা উঁচিয়ে আছে পাথুরে চাতাল থেকে। তার নিচটায় গুচ্ছের ঘেঁটুফুল হয়ে আছে। হালকা সাদাটে বেগুনি ফুল ফুটে আছে। বাড়ি ফেরার সময় দু-মুঠো ঘেঁটুফুল নিয়ে যাবে ছোটন। ছোটোবোনটা খুব খোসপ্যাঁচড়ায় ভোগে। ঘেঁটুফুলের রস অব্যর্থ ওষুধ।

    ফুলগুলো থেকে চোখ তুলতেই লোকটাকে দেখতে পেল ও। লোহার বর্শাটার পাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। অদ্ভুত কালো একটা পোশাক। চোখ দুটো খুব জ্বলজ্বলে। ছোটন খুব অবাক হয়ে গেল। ভরা দুপুরবেলায় লোহার বর্শার পাশে একটা অদ্ভুত পোশাক পরা অচেনা জলজ্যান্ত মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলে অবাক হওয়ারই কথা। খুব করে চোখ দুটো ডলে নিয়ে আবার তাকাল। নাঃ, কেউ নেই।

    এই এক দুপুর আলোর মধ্যে ও ভুল দেখল?

    নারকেল গাছগুলোর মাথায় মেঘ ঘন হয়ে জমাট বেঁধে আছে। তবে বেশ হাওয়া দিচ্ছে। বৃষ্টি নামবে না।

    কালো পাথরের ঘোরানো পথ গড়ের বাইরের দিকে প্রাচীরের গা বেয়ে উপর দিকে উঠে গেছে। পাথরের দেয়ালের গায়ে ছোটো ছোটো চারকোনা জানালা। বিপজ্জনকভাবে পাথরের টুকরো ঝুলে আছে নিচের দিকে। কোনো-কোনোটা আবার নড়বড়ে। জোরে চলতে গেলে পাথর ভেঙে পড়তে পারে।

    এখান থেকে পদ্মবিলের অনেকটা অংশ দেখা যায়। মেঘের ছায়া পড়ে কালো হয়ে আছে বিলের জল। দু-একটা বক ওড়াউড়ি করছে জলের ওপর। অন্য পাড়ে পলাশবনির ঘরবাড়ি দেখা যায়। বিরাট দোতলা সাদা বাড়িটা স্পষ্ট বোঝা যায় এখান থেকেও। সিংহবাড়ি। পলাশদের বাড়ি। প্রতাপরাজার সময় সিংহরা রাজবংশের অনুগত ছিল বলে লোককথা প্রচলিত। সিঁড়ির খাড়া ঢাল বরাবর ঠিক নিচেই একটা খসখস শব্দ হল। একটা বড়োসড়ো কালো কুকুর। এত বড়ো কুকুর এ অঞ্চলে আগে দেখেনি ছোটন। সবুজ সবুজ চোখ। ছোটনের দিকে তাকিয়ে একবার ঠোঁট চাটল কুকুরটা। তারপর একটু দূরে বঁইচি গাছের ঝোপে ঢুকে গেল। কুকুরটার দিকে চোখ রাখতে রাখতে সিঁড়ি দিকে মুখ ঘোরাতেই এক ঝলক দমকা গরম বাতাস ছুটে এসে ধাক্কা দিল পিছন থেকে।

    চমকে উঠল ছোটন।

    সেই লোকটা। বড়ো বড়ো কালো দাঁত। তার একদম সামনে দুটো ধাপ নিচে দাঁড়িয়ে আছে। প্রাচীরের পাশে দাঁড়িয়ে ঠান্ডা কালো চোখ দিয়ে ওকে দেখছে। প্রচণ্ড ভয় পেল ছোটন। অসতর্ক পায়ে একটু পিছিয়ে যেতেই, সিঁড়ির একদম শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেল। ডান পায়ের গোড়ালিটা পড়ল একটা নড়বড়ে পাথরের ওপর। প্রাণপণে কিছু একটা ধরতে চাইল ওর হাত দুটো।

    তারপর আকাশ হাতড়াতে হাতড়াতে ছোটন পড়ে গেল ঘেঁটুফুলের ঝোপের ওপর। মাথার পাশ থেকে একটা গরম তরল গড়িয়ে নামল। প্রাণপণে উঠে বসার চেষ্টা করতে লাগল ছেলেটা। হঠাৎই একটা বুনো গন্ধ নাকে এসে লাগল ওর।

    ঝাপসা চোখে দেখল, বঁইচি ঝোপের অন্ধকার থেকে কালো কুকুরটা বেরিয়ে এসেছে। ঘন সবুজ রঙের চোখ। লাল টকটকে জিভটা দিয়ে একবার নিজের মুখটা চেটে নিল জন্তুটা। দু-সারি ছুরির ফলার মতো দাঁত।

    খুব ধীর পায়ে একটু একটু করে কুকুরটা এগিয়ে আসতে লাগল মৃতপ্রায় ছোটনের দিকে।

    ২

    ছোটনের নীল প্যান্টটা প্রথম চোখে পড়ে রতনের। প্রায় একই সময়ে সেও গড়ের উত্তর দিক দিয়ে এদিকটায় এসেছিল। সামনের ফলসা ঝোপটার আড়ালে একটা গোঙানির আওয়াজ কানে আসতেই সেদিকে চোখ পড়ল। নীল রঙের প্যান্ট আর দুটো পা ঝোপের বাইরে বেরিয়ে আছে। অল্প অল্প নড়ছে পা দুটো। প্যান্টটা এখন কাদামাখা হলেও রতন ভালোমতোই চেনে ওটা। পা টিপে টিপে সেদিকে এগোতেই একটা গজরানির শব্দ শোনা গেল। একটা চাপা গর্জন। তাতে কুকুরের ডাকের আদল আছে, কিন্তু আরও গম্ভীর। ওটা যদি কুকুরের ডাক হয়, রতন নিশ্চিত তার আকার সাধারণ কুকুরের প্রায় পাঁচ গুণ। আর সাহস হল না এগিয়ে যাওয়ার। পায়ে পায়ে পিছিয়ে এল রতন। ভস করে একরাশ ধোঁয়া বেরিয়ে এল ঝোপের আড়াল থেকে। ছায়া ছায়া বিকেলে সেই ধোঁয়ার পেট থেকে ঠিকরে পড়ল কিছু আগুনের ফুলকি। রতন আর দাঁড়াল না।

    পিছন ফিরে ছুটতে লাগল।

    একটা ফিসফিসে হাসি প্রাচীরের সীমা পর্যন্ত তাড়া করে এল ওকে। প্রাণপণে ছুটে রতন বড়ো রাস্তায় উঠল। বুকটা ধড়ফড় করছে। আর-একটু ছুটতে হলে বুকটাই ফেটে যেত। প্রতাপগড়ের ওদিকের গাছগুলো যেন মেঘ মেখে আরও কালো হয়ে আছে। সেদিকে ভয়ে ভয়ে তাকাতে তাকাতে রতন গ্রামের দিকে হাঁটল দ্রুত পায়ে।

    .

    সিংহবাড়ির ছেলে পলাশ। ছোটন, রতন দুজনেরই বন্ধু সে। তাকে খবরটা দেওয়া উচিত মনে করল রতন। পলাশের মা উঠোনে দাঁড়িয়ে কাজের লোককে কিছু বলছিলেন। রতনকে সন্ধ্যাবেলায় দেখে একটু ভ্রূ কুঁচকে তাকালেন শুধু। কিছু বললেন না। ও মাথা নিচু করে পলাশের ঘরে ঢুকে গেল।

    অস্থিরভাবে ঘরে পায়চারি করছিল পলাশ। রতনকে দেখেই থমকে দাঁড়াল। কিছুক্ষণ থমকে দাঁড়িয়ে থেকে তেড়ে এল রতনের দিকে। গলার কাছে জামাটা খামচে ধরে বলল, খুব সাহস বেড়েছে, না?

    রতন হকচকিয়ে গেল। ছোটনের ব্যাপারটা দেখে এমনিতেই তার স্নায়ু কাজ করছিল না। তার ওপর পলাশের হঠাৎ আক্রমণে খাবি খেতে লাগল। কোনোমতে পলাশের হাতটা ছাড়িয়ে বলল, ‘আমাকে একটু জল দে। নইলে মরে যাব।’

    পলাশ জামাটা ছেড়ে ঘরের কোণে রাখা জলের বোতলটা দেখিয়ে দিল। রতন ঢকঢক করে কিছুটা জল খেয়ে থামল একটু। তারপর আবার জল খেতে গিয়ে বমি করে ফেলল। এবার পলাশের হকচকিয়ে যাওয়ার পালা। রতনকে ধরে না ফেললে ও পড়েই যেত। ওকে বিছানায় বসিয়ে পাখাটা চালিয়ে দিল পলাশ। একটু রাগ রাগ গলাতেই বলল, ‘প্রতাপগড়ে ঢুকেছিলি কেন?’

    রতন কিছুক্ষণ চোখে হাত দিয়ে মড়ার মতো পড়ে রইল। বুকটা হাপরের মতো ওঠানামা করছে। পলাশ অস্থিরভাবে পায়চারি করল ততক্ষণ। অনেকক্ষণ পর রতন উঠল। একটু সহজ হয়ে বলল, ‘তুই কী করে জানলি?’

    – ছাদ থেকে দেখলাম তোকে।

    – কেন, তুইও তো যাস…!

    পলাশ আবার রতনের গলাটা খামচে ধরতে গিয়েও থেমে গেল। হিসহিস করে বলে উঠল,

    – আমি যাই না, যেতাম। ওই বইটা পাওয়া পর্যন্ত।

    – বই!

    – হ্যাঁ বই। নিষিদ্ধ গাণ্ডিব।

    – কোথায় পেলি?

    – বাবার পুরোনো বাক্সপ্যাঁটরার মধ্যে ছিল। তবে বাবা বলেন তিনিও ছোটোবেলা থেকেই দেখে আসছেন বইটা। চল দেখাচ্ছি। একটু রাত হোক। বাবা একটু পরেই ক্লাবে চলে যাবেন, মা-ও বেলাকাকিমার বাড়ি, তখন।

    – ছোটন ওখানে পড়ে আছে বঁইচির ঝোপে! এই কথাটা তোকে এতক্ষণ বলা হয়নি।

    – ছোটন! গড়ে ঢুকেছিল?

    – হ্যাঁ।

    – বড়ো কুকুর ছিল কোনও ওখানে?

    রতনের চোখ দুটো ঠিকরে বেরিয়ে আসছে যেন।

    – তুই কী করে জানলি?

    – এখনই গড়ে যেতে হবে, বই দেখার সময় নেই। এখনও বাঁচানো যাবে ছোটনকে। তাড়াতাড়ি চল।

    – এই রাতে? কী করে?

    – চল, যেতে যেতে বলছি।

    দুটো শক্তিশালী টর্চ, মোটা দুটো লাঠি নিয়ে রতন আর পলাশ চলল প্রতাপগড়ের দিকে। ঝিঁঝি ডাকছে রাস্তার দুপাশের ঝোপে ঝাড়ে। হাওয়াটা ভিজে ভিজে।

    ৩

    রাত্রির পথ শুনশান। এখনও মেঘলা করে রইলেও পদ্মদহের দিক থেকে বয়ে আসা হাওয়াটা বেশ ঠান্ডা। ভেজা ভেজা। পলাশ ফিসফিস করে রতনকে বইটার ব্যাপারে বলছিল।

    – ওঁ জলবিম্বায় বিদ্যহে নীলপুরুষায় ধীমহি।

    ত্রো বরুণঃ প্রচোদয়াৎ।।

    বইয়ের প্রথম অধ্যায়টি শুরু হয়েছে বরুণ মন্ত্রটি দিয়ে। কারণ পরে বলছি। মহাভারত আর পুরাণের একটু বলি। সংক্ষেপে বুঝে নে। দধীচি মুনির নাম শুনেছিস নিশ্চয়ই।

    – পিপ্পলাদের গল্পে পড়েছি।

    – তবে তো দধীচি মুনির হাড় থেকে তৈরি দিব্যাস্ত্রের নামও শুনেছিস নিশ্চয়ই?

    – হ্যাঁ, বিশ্বকর্মা তৈরি করেছিলেন।

    – সেই অস্ত্রগুলি, মানে, কালদণ্ড, বজ্র, পাশ ইত্যাদির সঙ্গে গাণ্ডিবও তৈরি হয়েছিল। ব্রহ্মা প্রথম তার মালিকানা পান। তারপর প্রজাপতি, বরুণের হাত ধরে খাণ্ডব দাহনের সময় অর্জুনের হাতে আসে। অর্জুনকে দুবার এই ধনুক ত্যাগ করতে দেখা যায়। এক, কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময়। গীতার ১:৪৭ অধ্যায়ে। শ্রীকৃষ্ণের নির্দেশে অবশ্য সে ধনুক তিনি তুলে নেন শেষ পর্যন্ত। আর শেষবারের মতো তিনি গাণ্ডিব ত্যাগ করেন শ্রীকৃষ্ণের মৃত্যুর পর দ্বারকা নগরী সমুদ্রে ডুবে গেলে। সে মহাপ্রস্থানের ঠিক আগে।

    তা, প্রতাপরাজারা প্রচণ্ড অত্যাচারী ছিলেন। সেইসঙ্গে অত্যন্ত ধূর্তও। প্রজাদের বিভিন্ন উপায়ে অত্যাচার, খুনজখম, বলপূর্বক রাজস্ব আদায় তো করতেনই। সবচেয়ে বড়ো ভয়ের ব্যাপার ছিল, কোনও একজন অমর ভয়ানক পুরুষ নাকি তাঁর সহায় ছিলেন।

    – অমর পুরুষ তাঁর সহায় হতে যাবেন কেন?

    – শোনা যায় মানবজাতির ওপর তাঁর প্রচণ্ড রাগ ছিল, প্রতিশোধস্পৃহা ছিল। নিজের বীরত্ব আর অধিকারের যোগ্য সম্মান না পেয়ে তিনি উন্মাদ হয়ে উঠেছিলেন। অমর অপ্রাপ্তির জ্বালা বড়ো জ্বালা। রাজা প্রতাপ তাঁর এই দুর্বলতাটুকু কাজে লাগালেন। যিশুর জন্মেরও ৩০৬৭-৩০৭৫ বছর আগে থেকে তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন কোণে ঘুরে বেরিয়েছেন প্রতিশোধস্পৃহা বুকে নিয়ে। বিশ্বের সবকটি কোণ তাঁর চেনা। যতগুলি দিব্যাস্ত্রের এখনও পর্যন্ত অস্তিত্ব আছে, তার খোঁজ ছিল তাঁর নখদর্পণে। প্রতাপরাজা তাঁর সাহায্যে অর্জুনের গাণ্ডিব খুঁজে বার করেন দ্বারকা সমুদ্রের অতল থেকে। আর এখানেই শুরু হয় ব্যাপারটা।

    পলাশের হাতটা রতন চেপে ধরল,

    – তার মানে আমরা যে গুপ্তধনের খোঁজ করতে আসি, তা কোনও ধনরত্ন নয়?

    – না, সেটাই বলা আছে ওই বইতে। তার সন্ধানও বলা আছে। প্রতাপগড়ের ভিত্তির অনেক নিচে একটি গোপন কুঠুরিতে রাখা আছে সেই গুপ্তধন।

    – গাণ্ডিব!

    – নিষিদ্ধ গাণ্ডিব।

    – নিষিদ্ধ কেন হল?

    – তা তো বলতে পারব না। তবে যতদিন পর্যন্ত না ও গাণ্ডিব আবার জলে বিসর্জন দেওয়া হবে, তা নিষিদ্ধই হয়ে থাকবে এবং অযোগ্য কেউ তার খোঁজে গেলে এক ভয়ংকর কুকুরের সামনে পড়বে।

    – কুকুর? কুকুর আসবে কেন?

    – শ্‌শ্‌শ্‌, পলাশ তর্জনী ঠোঁটে ঠেকাল।

    সামনেই প্রতাপগড়ের বিরাট প্রাচীর আকাশের গায়ে আঁকা। সাঁই সাঁই করে পদ্মদহের হাওয়ায় গা ভাসিয়ে উড়ে এল কয়েকটা মেঘছেঁড়া বালিহাঁস। পলাশ রতনের কাঁধ খামচে ধরে বলল,

    – রতন, কোনও কুকুরের সামনে পড়লে যেন তার পিছনে কোথাও এগিয়ে যাবি না। মুখোমুখি থাকবি। আর অজ্ঞান হওয়া বা হতাশ হওয়া বা মরে যাওয়ার মতো কোনও ভাব দেখাবি না। মনে থাকবে?

    মনে থাকবে কি না রতন জানে না। তবুও মাথা নাড়ল। দুর্গের ভাঙা ফাটল দিয়ে ওরা গড়ের চৌহদ্দিতে ঢুকে গেল।

    ৪

    দুর্গের টিকে থাকা অংশটা প্রস্থ বরাবর অশেষ মনে হয়। আটটা মিনারের মাথায় মাথায় লোহার বিদ্যুৎবাহ। কৃষ্ণচূড়া গাছের ডাল ঝুঁকে পড়েছে গবাক্ষের ওপর। গড়ের চূড়া থেকে হঠাৎ শোনা যায় ডানার শব্দ। কিছু একটা উড়ে গেল শব্দ করে।

    – পাথরগুলো হলুদ, জানিস? রতন বলল।

    – তোর এখন পাথরের রং মনে পড়ছে?

    রতন হেসে উঠল। একটু কষ্ট কষ্ট হাসি।

    – আমার বাবা মা তো কেউ নেই। তোদের সঙ্গেই ঘোরাফেরা করি। ছোটনকে ওভাবে দেখে মাথাটা ঠিক নেই।

    পলাশ এগিয়ে এসে রতনের কাঁধে হাত রাখল। আশ্বাসের সুরে বলল, ‘চল। হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে।’

    পশ্চিমের দরজাটা দিয়ে ঢুকলে একটা খুব নিচু ছাতওয়ালা জায়গা পার হতে হয়। ওদের দুজনকে মাথা নিচু করে যেতে হল এ অংশটুকু। নিকষ অন্ধকারে পরস্পরের পায়ের শব্দটুকু শোনা যাচ্ছে। বনের মধ্যে পলাশ আলো জ্বালায়নি, অন্য কারও চোখে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে বা কুকুরটার নজরে পড়ে যাওয়ার ভয়েও হয়তো। প্রাচীরের আড়ালে পৌঁছে আর সে ভয়টা নেই। কোমরে গোঁজা টর্চটা জ্বলে উঠল এবার।

    পাথুরে চাতালটায় একবার টর্চের আলোটা ঘুরিয়ে নিল পলাশ। রতনকে ফিসফিস করে বলল, ‘একদম উল্লম্ব তিনটে কুয়ো আছে। পরস্পরের সঙ্গে লম্বালম্বি তেরোটা করে সিঁড়ি দিয়ে জোড়া। একদম শেষ কুয়োর গহ্বরে আছে ওটা।’

    বুকটা ধ্বক্ করে উঠল রতনেরর। এই কি সেই গাণ্ডিব দেখার মুহূর্ত?

    দুটো ছোটো ছোটো ঘর ছুঁয়ে অলিন্দ শেষ হয়েছে দেয়ালঘেঁষা সিঁড়ির কাছে। চওড়া পাথুরে সিঁড়ি। বাইরের দেয়াল হলুদ পাথর দিয়ে তৈরি হলেও, অন্দরের সব কাজ নিকষ কালো পাথরের। সিঁড়ির ডানদিকে দেয়াল। তার বাঁদিকে কোনও বাধা নেই। তেরোটি ধাপ পার হলে একটা গোল উঠোন মতো জায়গায় পড়তে হয়। ডানদিকে বেশ কিছুটা দূরে একটা কুয়ো। পলাশ ছুটে গেল সেদিকে। কুয়োর গভীরে আলোটা নেমে গেল সিঁড়ি বেয়ে। রতন ওর পিছনে এসে দাঁড়াল। বইটা খুলল পলাশ। একদম শেষ পাতায় কালো স্কেচে আঁকা ছবি। ভালো করে আলোটা ছবির ওপরে বুলিয়ে পলাশ বলল, ‘এটায় নেমে, আরও একটা। তারপর সেই গহ্বরও পার হয়ে, শেষে আসল জায়গা।’

    জায়গাটা গরম হয়ে উঠছে আস্তে আস্তে। পলাশ জামাটা খুলে কুয়োর পাশে রেখে সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগল। কতদিনের অব্যবহৃত সিঁড়ি কে জানে? কিন্তু মনে হয় এখানে কেউ আসে না। ধুলোবালি বেশ কম। তেরোটা সিঁড়ি নামার পর দ্বিতীয় কুয়োর মুখ। টর্চটা কিছুক্ষণের জন্য নিভিয়ে রাখল পলাশ। নিস্তব্ধ জায়গায় আলোরও যেন একটা শব্দ শোনা যায়। আলোটা নিভে যেতেই রতনের পায়ের শব্দ শোনা গেল ঠিক পিছনে। উদ্বিগ্ন গলায় সে বলল, ‘কী রে থামলি কেন?’

    – একনাগাড়ে টর্চ জ্বললে সেল বসে যাবে। এবার তোর হাতেরটা জ্বালা।

    অবাক গলায় রতন বলল, ‘এ কোথাকার বোকা রে! টর্চ জ্বালতে কে বলেছে? এ তো আর আঁকাবাঁকা গলি নয়। আর ছবিতে তো দেখাই গেল সোজা সিঁড়ি দুনম্বর কুয়ো হয়ে নেমে গেছে। পা বাড়ালেই তেরো-তেরো ছাব্বিশ সিঁড়ি পার হলেই পৌঁছে যাব।’

    একটা দমবন্ধ করা অথচ তীব্র আরামের গরম পলাশের পা থেকে মাথা পর্যন্ত ছড়িয়ে যাচ্ছে। খুব, খুব কাছেই একটা উষ্ণতার বিরাট উৎস রয়েছে। গাঢ় অন্ধকারের মধ্যেও পলাশ দেখতে পাচ্ছে বিরাট এক ধনুক। সোনার ধনুক। যার একটিমাত্র আঘাতে দশ লক্ষ জীবিত মানুষ মৃত্যুবরণ করে।

    এই তো বাইশ… চব্বিশ… পঁচিশ। রতন গুনছে। আর মাত্র কয়েক পা।

    একটা চাপা গর্জন। ফোঁস করে একটা নিঃশ্বাস আছড়ে পড়ল কোথাও। দশটা রাজগোখরোর আফসানির মতো সে শব্দ। দুটো টর্চ জ্বলে উঠল।

    উঃ, কী ভয়ানক!

    বিরাট কালো কুকুরটা বিরাট বিরাট দাঁত বার করে দাঁড়িয়ে আছে। দাঁতের ফাঁক দিয়ে বাইরে ঝুলে পড়েছে লাল টকটকে জিভ। নিঃশ্বাসবাষ্প থেকে ছিটকে পড়ছে আগুনের ফুলকি। একটা আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের মতো গরম হয়ে উঠেছে জায়গাটা।

    পলাশ মোটা লাঠিটা এগিয়ে ধরল। গম্ভীর গলায় কুকুরটার দিকে তাকিয়ে বলে উঠল, ‘যা, আমি যাব না।’

    আশ্চর্য হয়ে রতন দেখল কুকুরটা আর পলাশের দিকে তাকালও না। রতনের দিকে এগিয়ে এল। রতনের হাত থেকে টর্চটা পড়ে গেল। পলাশ চেঁচিয়ে উঠল, ‘খবর্দার রতনা, মরার ভয় মনেও আনবি না। ও কিচ্ছু করতে পারবে না।’

    রতনের চোখের সামনে সাক্ষাৎ মৃত্যু। পায়ে পায়ে এগিয়ে আসছে। টলছে রতন। কাঁপছে। যে-কোনো মুহূর্তে সে পড়ে যাবে। আর তখনই ওই কুকুর তাকে টেনে নিয়ে যাবে মৃত্যুর পথে। কিন্তু পলাশকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। মনে মৃত্যুভয় এলে হবে না বিন্দুমাত্র।

    তখনই লোকটা বেরিয়ে এল একটা দেওয়ালের পাশ থেকে। অদ্ভুত একটা কালো পোশাক তার গায়ে। পলাশের হাত ধরে সে নিয়ে চলল রতন যেখানে আছে, তার সম্পূর্ণ বিপরীত দিকে। একটি আলো, যার কোনও উৎস নেই, পথ দেখাচ্ছে ওদের। অনেক অলিন্দ গলিঘুঁজি পার হয়ে ওরা পৌঁছোল প্রতাপরাজার প্রাচীন অস্ত্রাগারে। মরচে ধরা বর্শা, তলোয়ার, সড়কি, লোহার দণ্ড, শূল ছড়িয়ে আছে। তারই মধ্যে পড়ে থাকা একটা ধুলোর আস্তরণ পড়া ছিলাছেঁড়া ধনুক দেখিয়ে লোকটা বলল, ‘এখনই ওটা পদ্মদহের জলে ফেলে এসো। তিনবার বরুণমন্ত্র উচ্চারণ করবে বিসর্জনের আগে।’

    এই তবে সেই গাণ্ডিব! এমন ছন্নছাড়া দিব্যাস্ত্র! অবাক হয়ে পলাশ ভাবছিল এই ধনুকই এক মুহূর্তে দশ লক্ষ মানুষ ধ্বংস করে দিতে পারত!

    লোকটা হিসহিস করে বলে উঠল, ‘সময় কম, যাও। নইলে তোমার বন্ধুদের বাঁচাতে পারবে না।’

    পলাশ ধনুকটা হাতে নিল।

    গাণ্ডিব!

    নিষিদ্ধ গাণ্ডিব!

    তখনই পাতালপুর পূর্ণ হয়ে গেল এক ভয়ানক গর্জনে। আর ভারী পায়ের শব্দ ছুটে আসতে লাগল অস্ত্রাগারের দিকে। পলাশ বিহ্বল অবস্থায় থরথর করে কাঁপতে লাগল। লোকটা ওকে প্রাণপণে একটা ঝাঁকুনি দিয়ে চিৎকার করে উঠল, ‘তোমার মনেও মৃত্যুভয় ঢুকেছে পলাশ। গাণ্ডিব বিসর্জন না হলে তুমিও বাঁচবে না। যাও!’

    একটা গলির মধ্যে পলাশকে ঢুকিয়ে দিল লোকটা। পলাশ ছুটছে। প্রচণ্ড বেগে ছুটছে। রাস্তাটা ঢালু হয়ে আসছে ক্রমশ। পিছনে ভয়ানক গর্জন করতে করতে ছুটে আসছে বিশাল কুকুরটা। একসময় পলাশ পড়ে গেল। গড়াতে লাগল ঢাল বেয়ে। হাত পা ছড়ে যাচ্ছে।

    হাত থেকে ছিটকে গেল ধনুকটা!

    অর্ধমৃত অবস্থাতেও পলাশের প্রথম যা মনে হল, তা হল, ছোটন আর রতনকে বাঁচানো গেল না। নিজেও হয়তো বাঁচবে না আর। পিছনে প্রায় উড়ে আসছে সাক্ষাৎ মৃত্যু।

    ঢালটা শেষ হল। মাথার ওপর তারাভরা আকাশ। পদ্মদহের জলে তার ছায়া পড়েছে। এসব আর দেখতে পাবে না ও। অবসন্ন পলাশ মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হল। ভর দিয়ে উঠে বসতে গিয়েই হাতটা একটা ধাতব বস্তুকে ছুঁয়ে গেল।

    এই তো! এই তো গাণ্ডিব!

    শরীরে দুনো বল এল পলাশের। দু-হাতে ধনুকটা তুলে নিয়ে চিৎকার করে পরপর তিনবার বলল,

    “ওঁ জলবিম্বায় বিদ্যহে নীলপুরুষায় ধীমহি।

    তত্রো বরুণঃ প্রচোদয়াৎ।।”

    .

    তারপরই ধনুকটা ছুড়ে দিল পদ্মদহের জলে। ভয়ানক কুকুরটাও পলাশের কানের পাশ দিয়ে উড়ে গিয়ে জলে পড়ল। বীভৎস একটা চিৎকারে আকাশ বাতাস পরিপূর্ণ হয়ে গেল।

    অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল পলাশ।

    ৫

    লোকটা ওর ঠিক সামনে বসে মুখে একটা সবুজ তেতো রস ঢেলে িদচ্ছে। ধড়মড় করে উঠে বসল পলাশ। ফোয়ারার ঠিক পাশটায় বসে আছে রতন আর ছোটন। ছোটনের মাথায় একটা কাপড় বাঁধা। তাতেও সবুজ সবুজ একটা তরলের ছোপ।

    পলাশ লোকটাকে বলে উঠল,

    – কুকুরটা নেই তো?

    – না, সে আর আসবে না।

    – ওটা কী জন্তু?

    লোকটা মৃদু হাসল।

    – জন্তু নয়। গাণ্ডিব ওরও সম্পদ। আর দেবতাদের মধ্যে এ কলিযুগে পৃথিবীতে আসার ক্ষমতা একমাত্র ওরই আছে।

    – ও দেবতা? তিনজন সমস্বরে বলে উঠল।

    – হ্যাঁ, তোমরা চেনো ওকে। মহাপ্রস্থানের ঠিক আগে অর্জুন গাণ্ডিব বিসর্জন দিয়েছিলেন। তখন কুরুপাণ্ডবকে স্বর্গে নিয়ে যাওয়ার জন্যই ও এসেছিল। মৃত্যুইচ্ছা মনে জেগে উঠলেই ও আসে। আসে হতাশা বা জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা জেগে উঠলেও।

    – মহাপ্রস্থানের কুকুর, মানে ধর্মদেব?

    – হ্যাঁ, তাঁর আর-এক নাম যমও বটে। ব্রহ্মা, প্রজাপতি, বিষ্ণু ও শিবের পর গাণ্ডিব যমেরই সম্পদ ছিল। তারপর বরুণ পান। বরুণের হাত থেকে অর্জুন।

    রতন অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল,

    – রাজা প্রতাপ এ ধনুক সংগ্রহ করেছিলেন কেন?

    – সে মূর্খ! ভেবেছিল ওই ধনুক সে মানুষের ধ্বংসের কাজে লাগাবে। সে জানত না গাণ্ডিব একমাত্র পাপের বিরুদ্ধেই কাজে লাগে। পাপকাজে ব্যবহার করলে তার সব দৈবী শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। দেখলে না সাধারণ লোহার ধনুকের মতোই ওটাকে লাগছিল। প্রতাপের কোনও কাজে লাগেনি। আর ওরই বা দোষ কী? সাধারণ লোভী মানুষ। সব বেদ, উপনিষদ, ব্রাহ্মণ, বিজ্ঞান জানা আমিও তো তার প্ররোচনার ফাঁদে পড়ে গাণ্ডিব তুলে এনেছিলাম পশ্চিম সমুদ্রের গভীর থেকে। আমার কারণেই তো গাণ্ডিব নিষিদ্ধ হয়ে পড়েছিল। ওই ভয়ানক কুকুরের রোষে পড়ে সবংশে ধ্বংস হয়েছে প্রতাপ। সেও তো আমারই কারণে।

    .

    শিউরে উঠল ওরা তিনজন। এই ভোরের আলোতেও ওরা শিউরে উঠল। লোকটা মৃদু হাসল। করুণ হাসি।

    – ভয় পেয়ো না। আমি দানব বা প্রেতাত্মা নই। এক সাধারণ অভিশপ্ত অমর মাত্র। যম আমাকে নিয়ে যেতে পারেননি, কারণ ব্রহ্মার বরে আমি অমর।

    পলাশ বলল, ‘তুমি যদি সে হও, তোমার তো সব অস্ত্রের ব্যবহার, মন্ত্রশাস্ত্র জানা। তুমি কেন গাণ্ডিব বিসর্জন দিলে না?’

    লোকটার চোখ দুটো ছলছল করে উঠল। ভেজা গলায় সে বলল, ‘বাবার অভিশাপে। ক্রোধকে তোমরা জয় করতে শিখো। ওর চেয়ে বড়ো ভুল আর হয় না। আসি।’

    .

    লোকটা চলে গেল। লম্বা লম্বা পায়ে জলপাই বন পার হয়ে গেল। সেই অদ্ভুত কালো পোশাকটা বনের মধ্যে হারিয়ে গেল যেন চিরকালের মতো।

    রতন ফিসফিস করে বলল, ‘লোকটা কী ভুলভাল বল? ও ঠিক পারত ধনুকটা বিসর্জন দিতে।’

    পলাশ রতনের দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে বলল, ‘ব্রহ্মাস্ত্র ব্যবহারের অপরাধে ব্রহ্মা ওঁর সব অস্ত্রজ্ঞান কেড়ে নিয়েছিলেন। উনি তাই পারেননি। নিষিদ্ধ গাণ্ডিব বিসর্জন দিতে পারেননি অশ্বত্থামা।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগোলাপ সুন্দরী – কমলকুমার মজুমদার
    Next Article ইন্দুবালা ভাতের হোটেল – কল্লোল লাহিড়ী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }