Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিষিদ্ধ গাণ্ডিব – কর্ণ শীল

    কর্ণ শীল এক পাতা গল্প163 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দীপাবলি

    দীপাবলি

    বিল্বভদ্রের দুই বউ। বড়োবউ বাঁজা। ছোটোবউ একটি ছা বিইয়েছে, আর সেও জন্মে ইস্তক মায়ের দুধ আর বাপের রক্ত সমানে চুষে চলেছে। ওদিকে ব্যাটার গায়ে গত্তি লাগার নামটি নেই।

    সংবৎসরকাল চাষ হয়নি। বৃষ্টি নেই। রাজার ছেলেরা গাধায় চেপে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আকাশ জুড়ে মেঘের দল কালো হাতির রূপ নিয়ে লড়াই করছে।

    পারুলবনের কোণে ধূপ জ্বেলে বসেছেন এক সাদা কাপড় পরা মানুষ। কোনও এক বড়ো শহর থেকে তিনি এসেছেন ঐশ্বর্যের বোঝা এড়াতে। কেউ তাঁর কাছে যায় না। উলটে তিনিই আসেন ভোর না হতে সবার বাড়ি। চেয়েচিন্তে কচুঘেঁচু যা পান, তাই দিয়ে উদরপূর্তি করেন। চাহিদা বা খিদে খুব একটা আছে বলে মুখ দেখে তো বোঝা যায় না।

    আজ দু-দিন হল বিল্বভদ্রের ছোটোবউয়ের বুকের দুধ শুকিয়েছে। খাবার না পেলে মায়ের বুক কি আর পুরন্ত হয়? গাভিন গোরুর বাঁটে ভনভন করছে মাছি। ফসল হয়নি, সে কুঁড়ো, খোল কোথায় পায়? ঘাসই বা পায় কোথায়? তাই তারও বুকের দুধ শুকোল।

    .

    নদের জেলে আর মাঝিরা গাঙের পুব পাড় জুড়ে বসত করে আছে। সেখানে তো আর জলের অভাব নেই। নদী, পুকুর, জলা, বাঁওড়, হাওরে ভরভরন্ত। সমুদ্র গিয়েছে খুব বেশি দিন হয়নি। মাছ সেঁকা, মাছ পোড়া, মাছ শুকনো খেয়ে তাদের ছেলেমেয়ের গা তেলচুকচুকে, পুরুষ্ট। চাল, গম তারা নৌকো চাপিয়ে চালান করে পাটলিপুত্র, মগধ…।

    তাদের জাল টানায় সারাদিন সাহায্য করে চারটি চাল আর ফলফলাদি নিয়ে এসেছেন বিল্বভদ্র। মাছ তাঁদের বাড়িতে ওঠে না। বড়ো কবিরাজ ছিলেন বিল্বভদ্রের ঠাকুরদাদা। তাঁর মতে মাংস বুদ্ধিভ্রংশ করে, শুধু অবয়বে বাড়ায়।

    সবে চালের গুঁড়ি করে তাতে গরম জল মিশিয়েছে ছোটোবউ। এমন সময় সেই ন্যাড়ামাথা ভিখারি এসে দাঁড়াল উঠোনে। মুখটা শুকিয়ে গেছে। নদের রসালো ঘাস খেতে লেগেছে গোরু। ছানাটিরও খাবার তৈরি। এমন সময় যদি শুকনো মুখে বাপ-মা-স্বজনহারা কেউ এসে দুয়ারে দাঁড়ায়, কী করে ব্যাটাকে খাওয়ায় বলো দেখি?

    ছোটোবউ ছেলের ভাগের থেকে একটু তরল চালের গুঁড়ো পাত্রে ঢেলে লোকটিকে দিল। ছলছল চোখে সেটুকু খেয়ে, সাদা উত্তরীয়তে সে মুখ মুছে নিল। তারপর নরম গলায় বলল, ‘মা গো, তোমার তিনি বাড়ি ফিরলে ওই বটতলায় একবার পাঠিয়ে দিয়ো তো…’

    – কেন গা ঠাকুর?

    – সে আমাদের পুরুষমানুষের কথা মা, তুমি বুঝবে না।

    ছোটোবউ চুপ করে গেল।

    সেকালে পুরুষমানুষের কথায় বউমানুষেরা ভারী লজ্জা পেত। নাকি ভয়ই পেত, কী জানি!

    বিল্বভদ্র সন্ধে নাগাদ ঘরে ফিরে শুকনো মুখে বলল, ‘আর বুঝি ঠাকুরদাদার কথা রাখা যায় না… মাছ, পাখি বোধহয় হেঁশেলে ঢুকবেই।’

    একহাত ঘোমটা মাথায় বড়োবউ বলল, ‘অলুক্ষুণে কথা বন্ধ করো সতিনভাতার… মাছ, মাংস আনলে খোকা মোর খাবে কী? আর ওই আবাগির বেটিই বা কী গিলে আমায় উদ্ধার করবে? ও তুমি আমার ঘরে ঢুকিয়ো না…’

    বিল্বভদ্র অবাক হয়ে বললেন,

    – খাওয়া জুটবে না গো শর্বরী, কিচ্ছু জুটবে না.

    .

    – কেন, আমাদের ফল, মেটে আলু, কাঁঠাল, সে কী হবে?

    – কিচ্ছু থাকবে না গো বড়োবউ। এই পৃথিবীর রাজা কী এক স্বপ্ন দেখেছেন, সারা বিশ্ব জুড়ে নেমে আসবে অন্ধকার। ঈশ্বরে ঈশ্বরে লড়াই বাধবে। মহাজনেরা আলাদা আলাদা হয়ে নানা দেবতার পক্ষ নেবেন। মাটি শুকিয়ে যাবে। শুকিয়ে যাবে ন-দের নদী, পারুলবনের ফুল। ফসল জ্বলে যাবে। মরা মাছ ভাসবে নদীতে নদীতে। পাখির ঝাঁকে মড়ক লাগবে আর তারা উড়ে উড়ে ছড়িয়ে দেবে বিষাক্ত হাওয়া… সব শেষ হয়ে যাবে গো.. সব..

    দরজার পাশে ছোটোবউয়ের মৃদু গলাখাঁকারি শোনা গেল,

    – শুনছেন?

    বিল্বভদ্র তাকালেন।

    ছোটোবউ আস্তে আস্তে বলল, ‘বটতলার সেই সুন্দর ঠাকুরটি আপনাকে একটিবার যেতে বলেছিলেন।’

    বিল্বভদ্র আশ্চর্য হলেন। তিনি তো সচরাচর কারও সঙ্গে বাক্যালাপ করেন না। জিজ্ঞাসা করলেন,

    – কারণ কিছু বলেছেন?

    – না, কইলেন, পুরুষমানুষের কথা।

    – ও..

    সশঙ্ক মনে বিল্বভদ্র চললেন নাওয়া খাওয়া ভুলে। প্রাচীন বোধিবৃক্ষের নিচে বসে আছেন নির্বিকার সর্বত্যাগী। কে যেন একটি মাটির প্রদীপ জ্বেলে দিয়ে গিয়েছে। তার আলোয় তাঁর মুখখানি বড়ো শান্ত মনে হয়।

    বিল্বভদ্রকে দেখে তিনি বললেন,

    – বসুন ভদ্র..

    – আপনি আমাকে দেখা করতে বলেছিলেন?

    – হ্যাঁ, বিল্বভদ্র, বড়ো গুরুদায়িত্ব দেব আপনাকে।

    বিস্মিত হলেন শ্রমিক।

    – আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষ কী করে পালন করবে গুরুদায়িত্ব? আপনি ভুল করছেন না তো সাধক?

    মৃদু হাসলেন সন্ন্যাসী।

    – না বিল্বভদ্র, আমি ভুল করছি না। আপনি অভাবী, তাই পূর্ণতার আশা আপনার নিখাদ। আপনি শূন্য, তাই পরিপূর্ণ হওয়ার পরিসর আপনার বেশি। আপনিই পারবেন।

    একজন দুজন করে ষোলোটি মেয়ে বোধিবৃক্ষের তলে দীপ জ্বেলে দিতে আসছে। অন্ধকার আকাশ। ছায়াপ্রাচীরের মতো গাছের মাথায় উল্কা আর জোনাকির ছুট এক হয়ে যাচ্ছে। বাতাসে স্নিগ্ধতার অলোক অমল গন্ধ।

    বিল্বভদ্রের মনটি কেমন যেন করে উঠল। এত নিরেট নৈঃশব্দ্য আগে কোনোদিন তিনি অনুভব করেননি। দীপ হাতে যে মেয়েরা প্রদক্ষিণ করে চলেছে স্থিতধী বোধিবৃক্ষকে, তাদের পায়ের শব্দ উঠছে না পাতার বুকে। শব্দ নেই নিঃশ্বাসের। ঝিল্লিরব শোনা যায় না ঝোপের নরম অন্ধকারে। চরমতম অন্ধকার যেন প্রাণবন্ত হয়ে চেপে ধরছে দু-কান।

    তিনি বধির হয়ে আসছেন যেন।

    কাতর কণ্ঠে বলে উঠলেন,

    – ঋষি, কী সেই কাজ? আর এত সুকঠিন নিস্তব্ধতা কেন চরাচরে?

    – সসাগরা ধরিত্রীর সম্রাটের স্বপ্নের কথা আপনি শুনেছেন?

    – হ্যাঁ, শুনেছি। তবে সে তো শুধু স্বপ্ন… তার সত্যতা কই?

    – না ভদ্র, সে শুধু স্বপ্ন নয়। আগামী অশনি সংকেতের পূর্বাভাস। নরপতির স্বপ্নে মিশে থাকে দেশ-কালের চেতনা। উদ্বেগ। তা বহুলাংশে সত্য হয় তাই।

    এক অসম্ভব ভয় গ্রাস করল বিল্বভদ্রকে। রুগ্ন সন্তানটির কথা মনে পড়ল তাঁর। গৃহিণীর শুকনো মুখ। ভারী গলায় বললেন,

    – কী সেই স্বপ্ন মহাজ্ঞানী?

    – স্বপ্ন নয়। স্বপ্নবন্ধ। ষোলোটি স্বপ্ন।

    – ষোলোটি!

    – হ্যাঁ, ষোলোটি ভয়াল দুঃস্বপ্ন। প্রথম, দিবামধ্যে সূর্যাস্ত।

    – দিবামধ্যে সূর্যাস্ত! সে কি সম্ভব?

    – হ্যাঁ সম্ভব। সকল জ্ঞান, শুভবোধ যখন লুপ্ত হয়, তখন দিবামধ্যেই সূর্যাস্ত হয়।

    – তারপর?

    – দ্বিতীয় স্বপ্ন, কল্পবৃক্ষের শাখার পতন। রাজবংশ তথা রাজ্যের পতন, ধর্মের বিপর্যয়। তৃতীয় স্বপ্নে রাজন দর্শন করেন, একটি স্বর্গীয় রথ স্বর্গদ্বার থেকে ফিরে আসছে শূন্য হয়ে।

    .

    দীপহস্ত মেয়েরা থমকে দাঁড়াল। কান্নার সুর বেরিয়ে এল তাদের গলা চিরে। ঘোমটা টানা মুখে আধো আলো আধো অন্ধকার। বাঁশির মুখে একটানা ফুঁয়ের মতো কান্না।

    বিল্বভদ্র কেঁপে উঠলেন।

    ঋষি বলে চললেন,

    – এর অর্থ, স্বর্গ প্রত্যাখ্যান করেছে ভারতভূমি। দেব, দেবর্ষি, আদিত্য, বসু, গ্রহ, ভাগ্যনির্ধারক তারকা, কৃত্তিকা ত্যাগ করেছেন এই দেশ।

    – চতুর্থ স্বপ্ন?

    – পূর্ণচন্দ্র দ্বিধাবিভক্ত হয়েছে। অর্থাৎ, যে চিন্তন সৎমার্গ, সৎচিন্তা আর সৎযাপনের পূর্ণতা দান করেছিল, তা দ্বিধাবিভক্ত হতে চলেছে। পঞ্চম স্বপ্ন, যুযুধান কৃষ্ণ হস্তীযূথ।

    – হাতির যুদ্ধ! তাতে ভয়ের কী, চিন্তার কী প্রভু?

    – বুঝলেন না আপনি ভদ্র। উর্ধ্বে ব্রহ্মা আর পাতাললোকের নারায়ণ ছাড়া বাকি আটদিক রক্ষা করেন আট মহাহস্তী। তাঁরা হলেন ঐরাবত, পুণ্ডরীক, বামন, কুমুদ, অঞ্জন, পুষ্পদন্ত, সার্বভৌম এবং সুপ্রতীক। আট দিকের জল, বায়ু, তেজ এঁরাই নিয়ন্ত্রণ করেন। ভাবুন দেখি এঁদের মধ্যে মনোমালিন্য, মতপার্থক্য হলে কী হতে পারে।

    আর্তনাদ করে উঠলেন বিল্বভদ্র,

    – ঠিক, ঠিক তাই-ই হচ্ছে প্রভু… মরে গেছে সব ফসল… বৃষ্টি নেই… শুকিয়ে গেছে মায়ের দুধ… এখন, এখন কী হবে?

    – ধৈর্য ধরুন ভদ্র। আমার ব্যাখ্যা শেষ হয়নি এখনও। বিপর্যয়ের এই সবে শুরু।

    – এর চেয়েও ভয়ানক!

    – শুনুন। বিচার করুন। এরপর গোধূলির মলিন আলোয় দেখা গেল কিছু জোনাকির ফুটকি। বৃহৎ জ্ঞানের আলো সব নিভে যাবে। তার পরিবর্তে সীমিত নগণ্য স্ফুরণের শূন্য আস্ফালনে আরও বেশি অন্তঃসারশূন্য হয়ে পড়বে সমাজ। সপ্তম স্বপ্নে শুষ্ক হ্রদ জুড়ে ছটফট করছে মাছ। অধর্ম, পাপাচারের কাদা ছড়িয়ে পড়বে চতুর্দিকে। ভক্তির শেষ আর তার সঙ্গেই শুরু অপশক্তির আবির্ভাব।

    বিল্বভদ্র কান পাতলেন। কান্নার শব্দ থেমে গেছে। হিংস্র শ্বাপদের চাপা গরগর শব্দ শোনা যাচ্ছে। ঘোমটা খুলে গেছে ষোলোটি মেয়ের। টকটকে লাল চোখ। গলার শির ফুলে উঠেছে।

    বিল্বভদ্র লাফিয়ে ওঠার উপক্রম করতেই তাঁর হাত চেপে ধরলেন সন্ন্যাসী।

    – খবরদার, এ স্থান ছেড়ে উঠবেন না। স্বপ্নের ব্যাখ্যা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই মঙ্গলামঙ্গলের এক অচ্ছেদ্য বাঁধনে আপনি আবদ্ধ হয়েছেন। স্থানত্যাগ করলে মৃত্যু অনিবার্য। ধী রাখুন।

    বিল্বভদ্র বসে পড়লেন আবার। চতুর্দিকে ঘুরতে লাগল তাঁর ভয়ার্ত দৃষ্টি।

    – অষ্টম স্বপ্নে শুধু ধোঁয়া। নিভে যাওয়া প্রদীপের মতো ধোঁয়া। অপশক্তি নিজের রূপ উন্মোচিত করল। নবম, সিংহাসনে উপবিষ্ট বানর। যোগ্য রক্ষকের পতন। তার পরিবর্তে অযোগ্য শাসকের অভ্যুত্থান। দশমে, সোনার পাত্র থেকে কুকুর পায়েস খেয়ে যাবে।

    বিল্বভদ্র চিৎকার করে উঠলেন,

    – তাই তো হচ্ছে, তাই-ই হচ্ছে। চাষি, শিল্পী, কারিগর, স্থপতির উন্নয়নের পরিকল্পনা না করে, চাষবাসে সহযোগিতা না করে রাজকোশ পরিপূর্ণ হচ্ছে অতিরিক্ত কর আদায়ের মাধ্যমে। শুষে নিয়ে যাচ্ছে আমাদের রক্তের শেষ বিন্দুটুকু। আর ভয় নেই, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, আর ভয় পাই না, বলুন ঋষিবর। আমি আর উঠব না এ আসন ছেড়ে।

    – একাদশ স্বপ্ন। শিশু ষাঁড়ের দল উদ্দেশ্যহীনভাবে ছুটোছুটি করছে। অস্যার্থ, সঠিক প্রশিক্ষণহীন অজ্ঞান যুবক সন্ন্যাসীরা ধর্মের ভার অযোগ্য কাঁধে তুলে নেবে। তবে, কিছুদূর গিয়েই তাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটবে। ধর্মের পথ ছেড়ে আবার গতানুগতিক জীবনে তারা ফিরে যাবে। পথের ধুলোয় লুটোপুটি খাবে চক্র, পদ্ম, নাম, জপ। দ্বাদশ স্বপ্নে রাজপুরুষ গাধার পিঠে চড়ে ভ্রমণ করছেন। উচ্চবর্গীয় জ্ঞানীরা সাধারণ, অর্বাচীনের জীবন যাপন করবেন। তারপর, বানরযূথ ভঙ্গ করছে রাজহংসের সুখযাপন। অশিক্ষা, কুশিক্ষা নিয়ন্ত্রণ করবে পণ্ডিতসমাজ… চতুর্দশ ও পঞ্চদশে যথাক্রমে গো-শাবক সাগর লঙ্ঘন করছে ও শেয়ালের দল বৃদ্ধ ষাঁড়ের সঙ্গে বচসায় লিপ্ত হচ্ছে। এক অশেষ অন্ধকারের সূত্রপাত। জ্ঞানী, অজ্ঞানী, রাজা, লুণ্ঠনকারী, পাপাচারী, ধার্মিক নির্বিচারে এক ও অভিন্ন জীবন যাপন করবে।

    পরনের বস্ত্র খুলে গেছে ষোলোটি নারীমূর্তির। শ্বদন্ত বেরিয়ে এসেছে ঠোঁটের দুপাশ থেকে। গলগল করে ধোঁয়া বেরিয়ে আসছে তাদের নাক থেকে।

    .

    হতাশ কণ্ঠে বিল্বভদ্র বললেন,

    – ষোড়শ স্বপ্নের ব্যাখ্যা আমি জানি। সে অতি ভয়ানক। দিকে দিকে লুঠতরাজ। রক্তস্রোত। মহামারি। খরা। ভূমিক্ষয়। বছরের বারোটি মাসই নিরন্ন উপবাস। মৃত্যু… মৃত্যু… মৃত্যু… শুধু মৃত্যু।

    – হ্যাঁ ভদ্র, তাই। বারোটি মাথাঅলা সাপ গ্রাস করছে পৃথিবীকে। তবে ভদ্র, এতে একটি আশার বাণীও রয়েছে। এবং সেখানেই আপনার সার্থকতা।

    – আশা? এখনও আশা আছে? কীভাবে ঋষি?

    – সর্বাঙ্গীণ ধ্বংসের পরই শুরু হয় সৃষ্টি। ছাইয়ের রাশি থেকেই উঠে আসেন শিব-সুন্দর। আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে সেই পরাক্রমশালী সম্রাটের, যিনি ছয়শত যোজন জুড়ে তাঁর সাম্রাজ্য স্থাপন করবেন। দক্ষিণে কর্ণাট থেকে উত্তরে কপিলাবত্থ, পশ্চিমে পুষ্কলাবতী থেকে পূর্বে জয়ন্তীয়া শৈলমালা পর্যন্ত সকল মনুষ্য, দানব, কিন্নর, যক্ষ তাঁর পদানত হবে। ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত তাঁর গাথা রচিত হবে ভিন্ন ভিন্ন লিপিতে। প্রাকৃত থেকে হেলেনিক সকল লেখ-তে তিনি হবেন বন্দিত, গীত।

    এ দেশের নাব্য নদীকূল শেষে সমুদ্রের তীরে তাঁর বিজয়রথ পৌঁছোলে দেবভাষায় রচিত হবে,

    “পৌরস্ত্যান্ এবম্ আক্রামংস তাংস্ তানজনপদান্ জয়ী।
    প্রাপ তালীবনশ্যামম্ উপকণ্ঠং মহোদধেঃ।।”

    অর্থ,

    “প্রাচ্যদেশগুলি এইভাবে আক্রমণ ও জয় করতে করতে বিজয়ী তালগাছপূর্ণ মহাসমুদ্রের উপকূলে পৌঁছোবেন।”

    “অনম্রাণাং সমুদ্ধর্তুসতস্মাৎ সিন্ধুরয়াদ্ ইব।
    আত্মা সংরক্ষিতঃ সুম্হৈর বৃত্তিম্ আশ্রিত্য বৈতসীম্।।”

    “যারা নম্র নয় তাদের উৎপাটনকারী বিজয়ীর কাছ থেকে— যেমন সমুদ্রের বেগ থেকে— সুমহেরা নিজেদের রক্ষা করবেন বেতগাছের ধর্ম অর্থাৎ অবনতি অবলম্বন করে।”

    আপনাকে এই বোধিবৃক্ষের নিচে অনির্বাণ প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখতে হবে তাঁর আগমন পর্যন্ত।

    বিল্বভদ্রের ঠোঁট দুটি নড়ে উঠল। করজোড়ে তিনি বললেন,

    – ততদিন যদি আমি না থাকি প্রভু?

    – তবে আপনার বংশজাতক জ্বালিয়ে রাখবে। তার অনুপস্থিতিতে আরও অন্য আতুর, অন্ধকারাচ্ছন্ন দুর্বল মানুষের দল রক্ষা করবে এই দীপালোক।

    আভূমি আনত হয়ে বিল্বভদ্র বললেন,

    – যথা আজ্ঞা প্রভু।

    ষোড়শ নারীমূর্তির হাতের প্রদীপগুলি একত্রিত হয়ে এক নিবাত নিষ্কম্প শিখা হয়ে জ্বলে রইল বোধিবৃক্ষের পদমূলে।

    দুটি হাত দিয়ে তার শিখা আড়াল করলেন বিল্বভদ্র।

    ***

    সন্ন্যাসী ভদ্রবাহু চললেন দেশান্তরে।

    অন্ধকারময় পথে তাঁর পিছনে চলল চৌদ্দটি আলোর বিন্দু।

    দুটি আলোর বিন্দু মিশে গেল ঋষির চোখের তারায়।

    …বিল্বভদ্রের আসন্নপ্রসবা গাভীটি প্রসব করল একটি ঘন কালো রঙের বাছুর।

    বোধিবৃক্ষের প্রদীপটির পাশে বসে বিল্বভদ্র যেন কার নূপুরের শব্দ শুনতে পেলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগোলাপ সুন্দরী – কমলকুমার মজুমদার
    Next Article ইন্দুবালা ভাতের হোটেল – কল্লোল লাহিড়ী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }