Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প246 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অষ্টম পর্ব— দেখা গেল পথ আছে

    অফিসার ঠিক এই প্রশ্নটা আশা করেননি। খানিক আমার দিকে তাকিয়ে ধীরে ধীরে বললেন, “এ কথা তোমার মনে হল কেন?”

    “দেখুন, সত্যি বলতে কেসটা শুরুতে আমি ধরতেই পারছিলাম না। তারিণী, প্রিয়নাথ, গণপতি, তৈমুর সব মিলিয়ে মিশিয়ে এমন জট পাকিয়েছে যে ছাড়ানো অসম্ভব। যখন আমি এক এক করে ছাড়াতে শুরু করলাম, তখনই একটা অদ্ভুত জিনিস খেয়াল হল।”

    “কী সেটা?”

    “গতকাল রাত থেকে আমি ঘুমাইনি। প্রায় সারারাত ভেবেছি কেসটা নিয়ে। দেবাশিসদার খুন। বিশ্বজিতের খুন। রমণপাষ্টি। হিলি। রামানুজ। সবাইকে নিয়ে। আর তাতেই খেয়াল করলাম কেসের বেশ কয়েকটা আসল দিক আমার চোখ এড়িয়ে গেছে। ম্যাজিকে কী হয় জানেন তো? আসল ম্যাজিক চলে অন্য জায়গায়। দর্শকদের ধোঁকা দিয়ে অন্যদিকে মনোযোগ দিতে বলা হয়। এটাও সেরকম।”

    “তাই নাকি? কীরকম?”

    “একেবারে শুরু থেকে শুরু করি। না হলে বোঝানো যাবে না। বছর তিনেক আগে আমি যখন প্রথম ডিটেকটিভের অফিসটা খুলে বসি, তখন বিজ্ঞাপন দেখে দেবাশিসদা আমায় ডাকেন। এমন একটা কেস দেন, যার কোনও মেরিট নেই। তাঁর যে স্ত্রী এমনিতেই তাঁর সঙ্গে থাকছিলেন না, তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড়ের। সেটা একেবারেই ধোঁকার টাঁটি। আসল উদ্দেশ্য উনি কথায় কথায় বলে ফেলেছিলেন। “আমি তারিণীচরণের প্রপৌত্র।” মজার ব্যাপার, গতকালই আমি জানতে পেরেছি, উনি আমার বাবাকে ও চিনতেন। শুধু চিনতেন না, বাবা মারা যাবার পর ওঁর বাড়িতে এক স্মরণসভাও হয়েছিল, যা আমি জানতামই না। তাহলে বাবাকে না ধরে সোজা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া কেন? কারণ একটাই হতে পারে। দেবাশিসদার কোনও উদ্দেশ্য ছিল, যেটা বাবা জানতেন। ফলে বাবার থেকে সাহায্য পাবার আশা ছিল না। উনি বারবার আমাকে তারিণীর ডায়রির কথা জিজ্ঞাসা করতেন, জানতে চাইতেন সেটা কোথায় আছে? আমি বলতে পারিনি। কী ছিল তারিণীর ডায়রিতে? জানা নেই। এদিকে সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ না করে ক্লায়েন্ট হিসেবে যোগাযোগ করার আর-একটা কারণ দেখতে পাই। উনি বোধহয় বুঝেছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং করার পরেও আমার এই গোয়েন্দাগিরি বাড়ির লোকে ভালোভাবে নেয়নি। ফলে বাড়িতে ক্লায়েন্ট নিয়ে আলোচনার সুযোগ কম। এইভাবেই চলতে পারত, যদি না একদিন আচমকা দেবাশিসদা খুন হতেন। খুন হবার আগে উনি ঠিক কী করলেন? পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেন না, নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেন না, শুধু আমায় একটা হোয়াটসঅ্যাপ করলেন। তাও চার লাইন কবিতা লিখে। এটা আপনার লজিক্যাল মনে হয়?”

    “হয় না, তবে মানুষ ভয় পেয়ে গেলে প্যানিকে কী করে তার কোনও ঠিক নেই।”

    “তা বটে।”

    “প্যানিকে মানুষ চিৎকার করে, পাগলামো করে, মাথা ঠোকে। ডায়রি পেন নিয়ে বসে কবিতা লেখে না।”

    “তারপর এল কাটা অণ্ডকোশ। যেটা আপনার বাড়ি ফেলে আসা হয়েছিল। যেটা দেখে আপনি ভয় পেয়ে তাকেই লাইব্রেরি নিয়ে গেলেন।”

    “হ্যাঁ, সেটা কী হয়েছে?”

    “দেবাশিসদার বুকের কাটা দাগ আর সারা গায়ে ক্ষতচিহ্ন দেখে আমিই প্রথম আপনাকে লিং চি-র কথা বলি। দেবাশিসদা চিনেপাড়ায় যেতেন, তাই আমাদের সন্দেহ আরও প্রবল হয়। এমনকি কোনও চিনা দল গংসি- এর পিছনে আছে, সে বিশ্বাস আমাদের জন্মে যায়। এই গোটাটাই আমার ভুল। আমার ভাবনার ভুল। আমি নিজেও ভুল ভেবেছি, আপনাকেও ভাবিয়েছি। ফ্রিম্যাসনদের নিয়ে এত কিছু তো পড়েছেন। রমণপাষ্টি মানে জানেন?”

    “আরে! এটাই তো ছিল সেই বিশ্বজিতের কাছে দেওয়া চিরকুটে।”

    “হ্যাঁ। আমি অনেক খুঁজলাম কাল। প্রথমে পাইনি। তারপর ‘সংবাদপত্রে সেকালের কথা’-র একটা ডিজিটাল ভার্সন খুঁজতে গিয়ে এটা পেলাম। পড়ে দেখুন। ছোট্ট ছোট্ট টীকায় কী লেখা আছে-

    ‘রমণগাষ্টি – ম্যাসনদিগের বর্গক্ষেত্র। বৃহৎ কোনও কার্যে লিপ্ত হইবার পূর্বে ম্যাসনগণ এই ছকক্রীড়ার মাধ্যমে আত্মবলিদান করিয়া থাকেন।” মানে পরিষ্কার। দেবাশিসদা নিজেই নিজের মৃত্যুকে স্টেজ করেছেন। ঠিক যেভাবে একজন সফল নাট্যকার করেন। আমরা সবাই তাঁর দেখানো পথে চলছি, তাঁর পাতা ফাঁদে পা দিচ্ছি, তাঁর সাজানো ব্লু খুঁজে পেয়ে আনন্দে নেচে উঠছি। সোজা কথায় দেবাশিসদা আমাদের নিজের উদ্দেশ্যে ইউজ করছেন। এমনকি মৃত্যুর পরেও। শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি। প্রায় তিন বছর ধরে উনি জাল বিছিয়েছেন। প্রমাণ চান? এই দেখুন”, বলে রামানুজের কাছ থেকে পাওয়া কাগজটা বাড়িয়ে ধরলাম অফিসারের সামনে।

    “হ্যাঁ, এটা দেখেছি তো।”

    “কাগজটা খেয়াল করুন। ঠিক যে কাগজে আমায় কবিতা লেখা হয়েছিল, সেই কাগজ। তবে আমায় লেখা কাগজের মতো এটা তাড়াহুড়ো করে ছেঁড়া না। একেবারে নিপুণভাবে ধৈর্য ধরে গোড়া থেকে কেটে নেওয়া, যাতে দেখেও না বোঝা যায় এই পাতা কোনও খাতা থেকে বের করে নেওয়া হয়েছে।”

    “তাতে কী হল?”

    “এবার ভালো করে দেখুন, এই কাগজের ঠিক উপরের কাগজে কিছু একটা লেখা হয়েছিল। এটায় তার ছাপ পড়েছে।”

    এই ম্যাজিকটা আমি অফিসারের সামনেই দেখাব বলে ঠিক করেছিলাম। পকেট থেকে একটা কাঠপেনসিল বার করে খুব হালকা হাতে সেই ছাপের ওপরে বোলাতেই খুব চেনা চারটে লাইন সামনে এল—

    “প্রিয়নাথের শেষ হাড় /তমুরের কাব্যগাথা/ গণপতির ভূতের বাক্স/তারিণীর ছেঁড়া খাতা”

    “এর মানে কী?”

    “মানে একটাই। যা ভাবছি, তাই ঠিক। এই কবিতা অনেক ভেবেই পাঠানো। তাড়াহুড়োতে না। এটা লিখে এমনভাবে ছেঁড়া হয়েছে যাতে মনে হয় দেবাশিসদার তাড়া ছিল। এটা লেখার বেরিয়েছে বললেন?”

    পরেই তিনি বিশ্বজিতের নির্দেশটা লেখেন। ভালো কথা, বিশ্বজিতের পোস্টমর্টেমে কী যেন “ও হ্যাঁ। দিন পনেরো আগে মারা হয়েছে। কিন্তু ওখানে ফেলা হয়েছে সেদিন বা আগের দিন। বড়ি খুব সম্ভব কোনও বরফের চাঁইতে বা মর্গে রেখে দেওয়া হয়েছিল। ডিটেইল পরে পাব। তবে যেটা ইন্টারেস্টিং, ছুরি দিয়ে NO লেখা ছিল না। একটা ত্রিভুজ আর গোল। চারদিকে লেখা ছিল JAHBOULON আমরা ওই অন-টা উলটে নো দেখেছিলাম।”

    .

    ২।

    অনেক সময় মানুষ উটপাখি হয়ে যায়। চোখের সামনে প্রমাণ থাকলেও দেখতে চায় না। আমরাও জাবুলনকে যেন দেখেও দেখতে পাচ্ছিলাম না। বিশ্বজিতের এই খুনটা যেন চোখে আঙুল দিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব দেখানো কেন এমন করছে এরা? নিজের উপরেই রাগ ধরছে। বেশ জোরেই বলে ফেললাম, “আপনি এবার সত্যিটা বলুন দেখি।”

    “মিথ্যে কথা কী বলেছি তোমায়?”

    “মিথ্যে বলেননি। সত্য গোপন করেছেন। ঠিক একশো বছর আগে কলকাতায় যে ঘটনা ঘটেছিল, তার তিনজন সাক্ষী ছিল। তারিণীচরণ রায়, গণপতি চক্রবর্তী আর প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়। গণপতি বিয়ে করেননি। লিভ টুগেদার করতেন সার্কাসের হিঙ্গনবালা ওরফে হরিমতীর সঙ্গে। সুতরাং গণপতির যা কিছু জানা ছিল সব তাঁর সঙ্গেই শেষ হয়ে গেছে। তাঁর কোনও উত্তরাধিকারীও নেই যার কাছে কোনও সূত্র থাকতে পারে। তারিণীর উত্তরাধিকারী আমি। দেবাশিসদা আমায় খুঁজে বার করেছেন ঠিক। আর থাকেন আপনি। যাকে দেবাশিসদা বিনে পয়সায় পড়াতেন, চ্যালা বলে ডাকতেন, বিয়েতে সাক্ষী করেছিলেন। আপনার পদবি মুখোপাধ্যায়… আর কিছু বলব?”

    অমিতাভ মুখার্জির মুখে অদ্ভুত হাসি।

    “কিছু জিনিস স্বীকার করতে নেই। বুঝে নিতে হয়। তুমি তো গোয়েন্দা। আমি সব বলে দেব কেন? তবে তোমার এটা বুঝতে এত সময় লাগল দেখে অবাক হচ্ছি।”

    “আর হ্যাঁ, আপনি আরও একটা মিথ্যে বলেছেন আমায়। আপনি আদৌ প্রিয়নাথের শেষ লেখাটা দেখেননি। যতটুকু শুনেছেন, দেবাশিসদার মুখে শুনেছেন। ভুল বললাম?”

    “এটা কেন বলছ?”

    “আমি খুব স্পেসিফিক্যালি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আপনি ওই পাণ্ডুলিপি দেখেছেন কি না। আপনি বলেছিলেন দেখেছেন। তাতে কলকাতার এক জাদুকরের খুন নিয়ে কথা আছে। এদিকে ‘নীবারসপ্তক’ নামের ২০৬ নম্বর লেখা, যেটা প্রিয়নাথ লিখছিলেন, তার বেশ কিছু নোটস, কাটিং অরুণবাবুর ফাইলে আছে। সেখানে দেখি সম্পূর্ণ অন্য খবর। অন্য নোটস। বিশেষ করে অদ্ভুত কিছু দাঙ্গার, জাতিগত হানাহানির কথা আছে এতে। আমি নেটে চেক করেছি। কলকাতায় এই ধরনের দাঙ্গার সেই শুরু। প্রিয়নাথ এসব নিয়ে লেখেননি এটা হতেই পারে না। আমিও অবাক হচ্ছি, আপনাকে দেবাশিসদা কীভাবে বোকা বানিয়েছেন তা দেখে।”

    “মানে?”

    “প্রিয়নাথের একটা লেখা চুরি করে আনেন দেবাশিসদা। ওতেই যদি সব থাকে তাহলে আপনাকে প্রয়োজন কোথায়? কোন জিনিস একমাত্র উত্তরাধীকারীর কাছেই থাকতে পারে? যার জন্য দেবাশিসদা আপনার খোঁজ করেছিলেন?”

    “তাহলে খুলেই বলি। আমি এসব কিচ্ছু জানতাম না। বাবা ছোটোবেলায় মারা গেছেন। মামাবাড়িতে মানুষ। পৈতৃক বাড়িতে শরিকি সমস্যা। ঢুকতে পারি না। দেবাশিসদা আমায় পড়াতেন। আগেই তো বলেছি। ২০১২-তে গোপালচন্দ্রের ফাইলটা পেয়ে উনি উত্তেজিত হয়ে যান। বলেন যে করেই হোক, আমাকে শরিকি বাড়ির পজেশন নিতে হবে। মায়ের মুখে শুনেছিলাম প্রিয়নাথ দারোগা নাকি আমার কী সম্পর্কে প্রপিতামহ হন। একবার কথায় কথায় ওঁকে এটা বলেওছিলাম। তারপরেই উনি উঠে পড়ে লাগলেন। বললেন আর্কাইভে নাকি পুরোনো সব দলিল দস্তাবেজ থাকে। সেখান থেকে উনি আমার হক আদায় করে দেবেন। ওই পাণ্ডুলিপিতে নাকি প্রমাণ আছে।”

    “সে প্রমাণ আপনি নিজের চোখে দেখেছেন?”

    “না। এটা উনি দেখাতেন না। বলতেন সময় হয়নি। হলে সব আমাকেই দিয়ে দেবেন। আমিও ঘাঁটাতাম না।”

    “বুঝতে পারছেন, কেন উনি চাইতেন আপনি ওই বাড়ির পজেশন নিন?”

    “বুঝেছি। ভূতের বাক্স। দেবাশিসদা বলেছিলেন, লেখার একদম শেষে ছিল গণপতির ভূতের বাক্সের ভূতকে নাকি আয়ত্তে আনা গেছে। সেটার ধড় নাকি প্রিয়নাথের কবজায় রয়েছে।”

    “আর মুন্ডু?”

    “তারিণীর কাছে।”

    “বাহ। আর এটা আপনি এতদিন বলেননি? এই কি সেই গুপ্তধন, যার কথা দেবাশিসদা বলতেন?”

    “তাই হবে হয়তো। আমি আসলে ব্যাপারটাকে খুব একটা পাত্তা দিইনি। অ্যাকাডেমিক খেয়াল ভাবতাম। উনি তো এটাও বলতেন, যদি সেটা খুঁজে পাওয়া যায় তাহলে সারা বিশ্বকে হাতের মুঠোয় আনা যাবে।”

    “প্রিয়নাথ ভূত নিয়ে ঠিক কী লিখেছেন? কোনও আইডিয়া আছে?”

    “স্পষ্ট কিছু না। তবে শুনেছি শুরুর দিকে প্রিয়নাথের লেখা যেমন অসামান্য বর্ণনাময়, শেষের দিকে কেমন যেন গুটিয়ে গেছে। অলংকারের ব্যবহার বেশি, সোজা কথাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে লেখা, অনর্থক বাগাড়ম্বর। তবে ভূতের কাণ্ড নিয়ে নানা গল্প আছে। দেবাশিসদা সিরিয়াসলি বলতেন। আমার বিশ্বাস হত না। রূপকথার গল্পের মতো।”

    “কীরকম?”

    “সেই সময় কলকাতায় নাকি হঠাৎ হঠাৎ লোকজন পাগলের মতো আচরণ করতে আরম্ভ করেছিল। কোনও কারণ ছাড়াই কেউ ছাগল কাটতে গিয়ে ভাইয়ের গলা রামদা দিয়ে কেটে দিচ্ছে, খিদিরপুরে মুসলমান শ্রমিক হাসতে হাসতে হিন্দুর গলা টিপছে, বিদ্যুতের তার লাগাতে গিয়ে ইচ্ছে করে কাউকে মেরে ফেলা হচ্ছে— এমন সব। দুটো ব্যাপার অবশ্য খুব ইন্টারেস্টিং। এক, ঘটনার পরে কারও সে কথা মনে নেই আর দুই হাতের ছাপ নাকি বদলে যাচ্ছিল। তবে এসবের একটারও কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। হয়তো তাই এগুলো প্রিয়নাথ ছাপেননি। আষাঢ়ে গপ্পো আর কাকে বলে!”

    আমি একটু চমকে উঠলাম। “আপনি আনন্দবাজারে কিছুদিন আগে এই খবরটা দেখেছেন? খিদিরপুরে হিজড়াদের খোলায় হয়েছিল? দেখুন, আমি মোবাইলে সেভ করে রেখেছি। বেশ ইন্টারেস্টিং।”

    অফিসার “কই দেখি” বলে আমার হাত থেকে নিয়েই গম্ভীর হয়ে গেলেন। “এমনিতে তো ওপেন অ্যান্ড শার্ট কেস। কিন্তু…”

    “আপনি যে আষাঢ়ে গপ্পোগুলো বললেন তার সঙ্গে মিল পাচ্ছেন?” অফিসার উত্তর দিলেন না। শুধু উপরে নিচে মাথা নাড়লেন।

    “আর-একটা তথ্য দিই? সেদিন জবানবন্দি নেবার সময় রামানুজ বলে ফেলেছিল, বিশ্বজিৎ নাকি এই খিদিরপুরের খোলাতেই যেত। তারিখটা দেখুন। রামানুজের সঙ্গে দেখা হবার কয়েকদিন আগে। মিলছে? রামানুজ যা বলছে, আমার ধারণা ও তার থেকে অনেক বেশি জানে। আমার তো সন্দেহ হচ্ছে দেবাশিসদার ওই কাগজটা ও ইচ্ছে করেই আমাদের দিল। হয়তো দেবাশিসদার এমনই নির্দেশ ছিল। কে সত্যি কে মিথ্যে বলছে, আর কে সত্য গোপন করছে, কিছুই তো বুঝতে পারছি না। জাল কোথায় কীভাবে পাতা আছে জানে? ওকে জেরা করতে হবে। ছাড়লে চলবে না।”

    “বুঝলাম। তবে এত কাণ্ড কীসের জন্য সেটাই তো বুঝছি না। আঁটুনি ফসকা গেরো হবে না তো?”

    আমি জানতাম ঠিক এই প্রশ্নটাই আসবে। ব্যাগ থেকে টেমারলেনে মোড়া পালার বইটা বার করলাম। মলাট দেখে মুখার্জির চক্ষু চড়কগাছ। হেসে বললাম, “যা ভাবছেন তা নেই। তবে যা আছে দেবাশিসদা সেটারই খোঁজ করছিলেন সম্ভবত।”

    পাতা ওলটাতে বাংলা পালা-টা দেখতে পেলেন মুখার্জি। মুখে একটু হতাশ ভাব। “ওহহ এটা। দেখেছি তো আগে।”

    “হ্যাঁ দেখেছেন। আমিও দেখেছি। কিন্তু লক্ষ করিনি। শৈলচরণের লেখা শেষ রচনা। খুব সম্ভব এটার জন্যেই মরতে হয়েছিল তাঁকে। আপাতদৃষ্টিতে একেবারেই যৌনগন্ধী এক পালা। রূপকথার। কিন্তু প্রথমবার লক্ষ করিনি। কাল দেখতে গিয়ে বইয়ের একেবারে শুরুতে এই বিজ্ঞাপন অংশে চোখ পড়ল। প্রায় দেখাই যায় না, কে যেন খুব হালকা হাতে পেনসিলে কিছু শব্দে দাগ দিয়েছে। শুধু শব্দগুলো পড়ুন”।

    “সাবধান-ষড়-হত্যার-রাণী-জুবিলিতে। এর মানে কী?”

    “উঁহুঁ! রিভার্স রিড। এগুলো উলটো করে পড়তে হয়। নাইট লিখেছেন।”

    “জুবিলিতে রাণী হত্যার ষড়। সাবধান! জুবিলি কী?”

    “সেটা আমিও জানতাম না। নেটে কাল খোঁজ করে পেলাম। মহারানি ভিক্টোরিয়ার সিংহাসন আরোহণের ডায়মন্ড জুবিলি উপলক্ষ্যে ১৮৯৭ সালে বিরাট এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একটা ইংল্যান্ডে, অন্যটা এই দেশে। এমনকি সেই উপলক্ষ্যে স্বয়ং মহারানি ভিক্টোরিয়ার নাকি ভারতে আসার কথা ছিল। সেই প্রথমবার। শেষ অবধি কিছু একটা হয়। কী হয়, জানা নেই। আচমকা রানির ভারতে আসার প্ল্যান বাতিল হল। যদি এই লেখা সত্যি হয়, তবে তো বলতে হয় রানিকে খুনের এমন কোনও ষড়যন্ত্র হয়েছিল যা শেষ মুহূর্তে ধরা পড়ে যায়। কারণ এই লেখার সাল দেখুন। ঠিক তার আগের বছর।”

    “সেটা কি সেই ভূত দিয়ে?”

    “হতেই পারে। আর সেই ভূত এমন একটা কিছু, যা সাধারণের ধারণার বাইরে। যা মানুষকে নিমেষে পাগল করে দেয়। হাতের ছাপ বদলে দেয়। জন এফ কেনেডিকে যে মেরেছিল, সেই লি হার্ভে অসওয়াল্ড, বারবার বলেছিল তার খুনের ঘটনার কিচ্ছু মনে নেই। তার গত চব্বিশ ঘণ্টার স্মৃতি কে যেন মুছে দিয়েছে। ভুলে গেছেন? বিচারসভায় নিয়ে যাবার সময়ই তাকে খুন করা হয়। পাছে আরও কিছু সত্য বেরিয়ে আসে।”

    “তুমি বলতে চাও এবারও তেমন কিছু হচ্ছে?” আমি গতকাল উর্ণার থেকে পাওয়া কাগজটা অফিসারের হাতে দিলাম। “এ কী! এ তো…”

    “একদম তাই। আপনার চেনা চিহ্ন। কিন্তু তাড়াহুড়ো করা যাবে না। এরা অত্যন্ত হুঁশিয়ার জানান দিচ্ছে। আমাদের চেনাশোনার মধ্যে একমাত্র উর্ণার বাবা আছেন, যিনি হয়তো এদের আর বিপদজনক। এরা কিছু করতে চাইছে। রিচুয়ালিস্টিক খুনের মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব সঙ্গে জড়িত এবং ভাগ্যক্রমে এখনও জীবিত। কিন্তু বাকি কারা আছে? তাদের কী কাজ? কিচ্ছু জানি না। আপাতদৃষ্টিতে এটা আর দশটা এনজিও-র মতোই। আইনি পথে এগোনো যাবে না। একেবারে গোপনে কাজ করতে হবে।”

    “কিন্তু আমি এখনও বুঝতে পারছি না। এখন তো রানি নেই। এখন এদের উদ্দেশ্য কী?”

    “একটু আগে স্টিফেন নাইটের বইয়ের কথা বলছিলাম তো আপনাকে। ইংল্যান্ডের আসল চালক নাকি এখন এই ফ্রিম্যাসনরাই। ধরে নিন এই নতুন করে উঠে আসা জাবুলনরা ঠিক সেটাই চাইছে। প্রথমেই গোটা দেশে ঝামেলা বাধিয়ে দেবে। মানুষ মানুষকে মারবে পাগলের মতো। জাতিদাঙ্গা বাধবে। ভূতের প্রভাবে মানুষ আর মানুষ থাকবে না। তাদের চিন্তা করার ক্ষমতা লোপ পাবে। এসব আসলে ডেমো। নিজেদের জানান দেওয়া। মানুষের মনে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া। ভক্ত তৈরি করা। যারা দুর্বল তাদের অনেকেই কেউ ভয়ে, কেউ ভক্তিতে তাদের সমর্থন করবে। তার চেয়েও বড় ব্যাপার, ভূতের পরাক্রমের কথা জানতে পারলে দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দল এঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। আর সেই সুযোগে চলবে দরদাম। টাকার। ক্ষমতার দেশের আসল নিয়ন্ত্রণ এসে যাবে এদের হাতে। কিং না হয়েও কিং মেকার।”

    “কী সাংঘাতিক! যা বলছ, তা যদি সত্যি হয়, তবে তো ভয়ানক ব্যাপার! কিন্তু এতদিন চুপ থেকে ঠিক এখনই কেন জেগে উঠল এঁরা?” অফিসারের মুখে কেমন একটা হতভম্ব ভাব।

    আমিও কাল রাত জেগে ঠিক এটাই ভাবছিলাম। ভাবতে ভাবতে হঠাৎ কফি হাউসের সামনে গোপালের বলা কথাগুলো মনে পড়ল। আর এক মুহূর্তে সব কুয়াশা যেন সরে গেল চোখের সামনে থেকে। এডা তো সেমিফাইনাল। ফাইনাল হইব নেস্ট ইয়ার”

    একটু হেসে বললাম, “এই বছরটা ভুলে গেলেন অফিসার মুখার্জি? ২০১৮। সবে পঞ্চায়েত ভোট শেষ হল। সামনের বছর ভারতের সবচেয়ে বড়ো উৎসব। লোকসভা নির্বাচন। সেই একশো বছর আগের জুবিলির মতো। এরা এতদিন শুধু চুপচাপ অপেক্ষা করছিল। এখনই তো এদের জেগে ওঠার পালা। উঠছেও হিলির ভূত কী জিনিস জানি না, কীভাবে তাকে জব্দ করব তাও জানা নেই। তবু আমি আমার মত এগোচ্ছি। আপনি বরং একটা কাজ করুন। আপনার দপ্তরে খোঁজ নিন আর কোথায় কোথায় এই ধরনের অদ্ভুত খুনোখুনি হচ্ছে। সব খবর পেপারে আসে না। দরকার হলে সেখানে গিয়ে সরজমিনে জিজ্ঞাসাবাদ করুন। আমি নিশ্চিত, কিছু না কিছু ক্লু পাওয়া যাবেই। তবে আবার বলছি। যা করবেন, গোপনে করবেন। আপনার দপ্তরেও যে এঁদের লোক বসে তার গ্যারান্টি কোথায়? দেরি করা যাবে না। হাতে একদম সময় নেই।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার
    Next Article আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    January 3, 2026
    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }