Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প246 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সপ্তম পরিচ্ছেদ— হামচুপামুহাফ

    অধীশদার বাড়িতে কফি, শিঙাড়া খেয়ে বেরোতে বেরোতে দেরি হয়ে গেল। অধীশদা

    প্রথমে বইটা রেখে দিতে চাইছিলেন, পরে কী যেন ভেবে বললেন “বাদ দাও। মোবাইলে ছবি

    তুলে নিচ্ছি।” বেরিয়েই উর্ণার একগাল হাসি। বাংলায় যাকে বলে ‘হাইক্লাস’। “দেখলে তো? একদম খোদ জায়গায় নিয়ে এসেছি। ঘামি আগেই জানতাম, যদি কেউ পারে তো অধীশদাই পারবেন।”

    “সে তো ঠিকই, কিন্তু আসল খটকাটা রয়ে গেল। এই নাটক পো-র বইয়ের ভিতরে গেল কীভাবে? আসল বইটাই বা কোথায়? শৈলচরণের সঙ্গে তারিণীর সম্পর্ক কী? শৈলচরণের খুনের যা বর্ণনা শুনলাম তা প্রায় পুরোটাই দেবাশিসদার খুনের মতো। একশো বছরের ব্যবধানে দুজন

    মানুষ একইভাবে খুন হয় কীভাবে? এটা কি কাকতালীয়? না ইচ্ছে করে এমন কেউ করছে, যে আগের খুনটা বিষয়ে সব জানে?” উর্ণা গম্ভীর মুখে আমার কথা শুনতে শুনতেই হাতঘড়ির দিকে তাকিয়ে আঁতকে উঠল, “এই রে, সাড়ে আটটা বেজে গেছে! শিগগির বাড়ি যাই। টিউশানে যাব বলে বেরিয়েছি। আর দেরি হলে বাবা আমার পিঠের ছাল ছাড়াবে। তুমি গঙ্গার ধারে বসে বসে এসব ভাবো। এক ঘণ্টার আগে বাড়ি ঢুকো না।”

    “তুমি বাড়ি ফিরবে কীসে?”

    “চাপ নেই, ট্যাক্সি পেয়ে যাব।”

    “পৌঁছে ফোন করবে?”

    “না না। ইমপসিবল। “

    মুচকি হেসে বললাম, “বাইকে করে একটা লিফট দিয়ে দিই?”

    “আগে তো একটা সিট তো লাগাও বাইকের পিছনে, তারপর বড়বড় কথা বলবে” বলে উর্ণা ভুরু কুঁচকে এমন রাগি রাগি লুক দিল যে আর কিছু বলা সাহস পেলাম না। আমি বাইক ঘুরিয়ে সোজা গঙ্গার দিকে। অধীশদার বাড়ির একটু দূরেই ছোটেলাল ঘাট। আসল নাম নাকি ছোট্টলাল দুর্গাপ্রসাদ ঘাট। সামনে সরু রাস্তা, ঘিঞ্জি দোকান পেরিয়ে ঘাটের লাল বাড়ি। এখন ঘাটের ভিড় অনেকটা কম। কিছু মানুষ এদিক ওদিক বসে আছেন। জলে তিন-চারটে নৌকা উলটো দিকেই হাওড়া স্টেশন। হাঁটতে হাঁটতে সোজা চলে গেলাম। জেটির ধারে। এখানে জল বেশ গভীর। কেউ পড়ে গেলে আর দেখতে হবে না। জেটিতে পা ঝুলিয়ে বসে থাকতে থাকতে একটা কথা মনে হল। একশো বছর আগে তারিণীর বন্ধু শৈলচরণের খুন আর আমার বন্ধু দেবাশিসদার খুনে অদ্ভুত মিল। শৈল থাকতেন চুঁচুড়া, দেবাশিসদা চন্দননগর। দুজনেই সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত, পড়াশুনো করা মানুষ। এদিকে আমি আর তারিণীচরণ দুজনেই প্রাইভেট ডিটেকটিভ। অবাস্তব শুনতে লাগলেও মনে হচ্ছে কেউ একজন সেই খুন সম্পর্কে জেনে আবার সেটাকে রিক্রিয়েট করছে। আমাকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে সেটা সমাধানের। কিন্তু তারিণী কি শৈলবাবুর মৃত্যুরহস্য সমাধান করেছিল? জানার উপায় তখনকার পত্রপত্রিকা। অধীশদাই তো বললেন বেশ হইচই হয়েছিল সেসব নিয়ে। আর কোথায় পেতে পারি? ভাবতেই চমকে উঠলাম। আরে! ব্লু তো দেবাশিসদাই আমায় দিয়ে গেছেন। মারা যাবার ঠিক আগে। “প্রিয়নাথের শেষ হাড়” আর “তারিণীর ছেঁড়া খাতা।”

    এই হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই দুজনের যোগ ছিল। আমি নিশ্চিত। দুজনেই লিখতে ভালোবাসতেন। এত বড়ো ঘটনার কথা লিখে যাবেন না তা হতেই পারে না। কিন্তু দুটোকেই কেউ হাপিস করে দিয়েছে। প্রিয়নাথের লেখাটা আর্কাইভ থেকে দেবাশিসদা চুরি করে নিয়ে এসেছিলেন, যদিও অফিসার মুখার্জি জানিয়েছেন তিনি দেবাশিসদার ঘরে সেটা পাননি। তবে কি প্রিয়নাথের লেখাতে তারিণীর কথা ছিল? সেখান থেকেই তিনি ক্লাইভ স্ট্রিটের অফিসের  খোঁজ পেয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন? আমাকে দেবাশিসদা বারবার বলতেন আমার জন্যেই তিনি অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু কেন? শৈলর মৃত্যুর ডিটেইলস খুব সম্ভব তাঁর জানা ছিল। তার পরেও ঠিক একইভাবে তিনি নিজেই খুন হয়ে গেলেন। এই ব্যাপারটা কিছুতেই আমার মাথায় ঢুকছিল না। এদিকে শুনছি অফিসার মুখার্জিও দারুণ ভয়ে আছেন। দেবাশিসদার মৃত্যুর পরে আমাদের দুইজনের কাছে দুটো জিনিস আসে। আমার কাছে সেই ছড়া আর ওঁর কাছে কাটা অণ্ডকোশ। এই ঘটনা দুটো কি বিচ্ছিন্ন? না পরস্পরের সঙ্গে জড়িত? উনি বলছেন কারা নাকি তাঁকে ভয় দেখাচ্ছে। বাড়িতে চৈনিক চিহ্নযুক্ত চিঠি আসছে। যে বা যারাই এই খেলাটা খেলুক না কেন, খেলার দুই বোড়ে আমরা দুইজন। ভাবতে ভাবতে মাথা গরম হয়ে গেল। রাত বাড়ছে। একঘণ্টার অনেক বেশি হয়ে গেছে। এবার বাড়ি ফেরা যাক। গলিতে ঢোকার মুখেই পুলিশের গাড়িটা দেখে কেমন একটা সন্দেহ হল। উর্ণাদের বাড়ির একটু দূরে দাঁড়ানো সাদা এসইউভি-টার নম্বর আমার চেনা। দিন পনেরো আগে এতে চড়েই চন্দননগরে দেবাশিসদার বাড়ি যেতে হয়েছিল। কিন্তু এ গাড়ি আবার এখানে কেন? আবার কী হল? গাড়ির পাশেই অমিতাভ মুখার্জি দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমায় দেখে হাত নেড়ে দাঁড়াতে বললেন।

    “একঘণ্টা ধরে ফোন করছি। ধরছ না কেন?”

    এই রে! অধীশদার বাড়ি ঢুকে মোবাইল সাইলেন্ট করেছিলাম। আর অন করা হয়নি।

    মিথ্যে বললাম, “চাপ পড়ে সাইলেন্ট হয়ে গেছে। খেয়াল করিনি।”

    “সে কী! অ্যান্ড্রয়েড ফোনও আজকাল চাপ পড়ে সাইলেন্ট হয়ে যাচ্ছে! যাই হোক, তোমার বাড়ির মালিক বলল যাবে আর কোথায়, রাতে তো বাড়িতেই ফিরবে, তাই দাঁড়িয়ে আছি। তোমার অফিসেও গেছিলাম। তালাবন্ধ।”

    “আমি আর নতুন কোনও খবর পাইনি স্যার। পেলে আপনাকে অবশ্যই জানাব।”

    “আমি তোমায় নতুন খবর দিচ্ছি। অন্য একটা কেসে আবার তোমার নাম উঠে এসেছে। এখন এসেছি সেটার এনকোয়ারি করতেই।”

    “কী কেস?” আমি তো অবাক।

    “বিশ্বজিৎ দে নামে কাউকে চেনো?”

    “বিশ্বজিৎ দে? না তো… মনে পড়ছে না। কে বলুন তো?”

    “বড়বাজারে শাড়ির দোকানে কাজ করে। চেনো?”

    “ওহহ, বিশ্বজিৎ? হ্যাঁ হ্যাঁ, চিনি। চিনি মানে ও আমার কিছু কাজ করে দেয় আর কি।”

    “কী ধরনের কাজ?”

    “জানেনই তো স্যার, কীভাবে পেট চালাই। এক ক্লায়েন্টের বর তার গোপন প্রেমিকাকে নিয়ে প্রায়ই ওর দোকানে আসে শুনেছি। তাই ওকে কিছু টাকা দিয়ে ফিট করেছিলাম ওদের দুজনের একসঙ্গে ভিডিও তোলার জন্য।”

    “সে ভিডিও পেয়েছিলে?”

    “কোথায় আর পেলাম? সেদিনই তো পুলিশ আমায় ধরল দেবাশিসদার কেসে। তারপর এমন ঘেঁটে গেছিলাম, ওই ব্যাপারটা মাথাতেই নেই।”

    “আচ্ছা। তুমি বুঝি একটার বেশি দুটো কেস একসঙ্গে মাথায় রাখতে পারো না?”

    আমি খোঁচাটা ধরতে পারলেও না বোঝার ভান করলাম।

    “বিশ্বজিতের কী হয়েছে স্যার?”

    “সেদিনের পর থেকে বিশ্বজিৎ নিখোঁজ।”

    “সে কী!”

    “পুলিশ যখন কাউকে কাজে লাগায় তখন তার সেফটির ব্যবস্থাও করে। তোমরা সাধারণ মানুষদের ব্যবহার করো, কিন্তু ভাবো না সে ধরা পড়লে কী হবে। এবার কী করব বলো। কল রেকর্ডে দেখাচ্ছে লাস্ট কল তোমার সঙ্গেই হয়েছিল।”

    “পনেরো দিন ধরে যে নিখোঁজ, তার এতদিন পরে খোঁজখবর? আর তাও চন্দননগর পুলিশে?”

    “ভালো প্রশ্ন। আগে দ্বিতীয়টার উত্তর দিই। বিশ্বজিতের বাড়ি চন্দননগরের বোড় পঞ্চাননতলায়। তাই কেস আমাদের কাছে এসেছে। আর প্রথম প্রশ্নের জবাব ঠিকঠাক এখনও পাইনি। বিশ্বজিতের বাবা নেই। মা পাগল। এক বন্ধু থাকে বিশ্বজিতের সঙ্গে। এতদিন সেই ওর মায়ের খেয়াল রেখেছিল। কিন্তু বিশ্বজিতের গায়েবের খবর এতদিন সে কেন পুলিশে জানায়নি তার কোনও সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি এখনও।”

    “তাহলে পুলিশে রিপোর্ট করল কে?”

    “ওদের বাড়ির সামনে একটা বইয়ের দোকান আছে। তার মালিক বিশ্বজিতের বন্ধু। একসঙ্গে আড্ডা দেয়। বিশ্বজিৎকে ফোনে পাচ্ছে না, বাড়িতেও ঢুকতে বেরোতে দেখছে না। সেই বন্ধুও কিছু বলতে পারছে না দেখে দোকানদার ছেলেটাই গতকাল পুলিশে জানিয়েছে।”

    “বিশ্বজিতের ফোন ট্র্যাক করা যাচ্ছে না?”

    “নাহ। সিম খোলা। এখন একমাত্র কোনও নেটওয়ার্ক এরিয়াতে এসে ফোনে ওয়াই-ফাই কানেক্ট করলেই ট্র্যাক করা যাবে। তাও তো করছে না। কোম্পানি থেকে কললিস্ট চেক করে দেখি লাস্ট কল তোমাকেই। দোকানদার জানাল সেদিন একটু তাড়াতাড়িই দোকান থেকে ছুটি নিয়ে বেরিয়েছিল বিশ্বজিৎ। বলছিল শরীর খারাপ লাগছে। বেশ কবার চোখে মুখে জল ছিটিয়েওছিল। দেখে মনে হয়েছিল আচমকা কিছুতে একটা ভয় পেয়েছে। এমনকি সামনের দরজা দিয়ে না বেরিয়ে পিছনের দরজা দিয়ে চোরের মতো পালিয়েছিল। পরদিন থেকে আর দেখা নেই। একটা ফোন এসেছিল পরের দিন মালিকের কাছে। মোবাইল নম্বর থেকে। বিশ্বজিতের। সে বলে সে নাকি নতুন কাজ পেয়ে গেছে। আর এই কাজ করবে না। মালিক বলে পাওনা বুঝে নিতে। সেও বলে সময়মতো আসবে। ব্যস! সেই শেষ।”

    “সেই নম্বরটা পেয়েছেন?”

    “পেয়েছি।”

    “ট্র্যাক করেছেন?”

    “দরকার নেই। চেনা নম্বর।”

    “কার?”

    “তোমার। এই দ্যাখো”, বলে অফিসার নিজের মোবাইলে একটা স্ক্রিনশট দেখালেন।

    সেখানে জ্বলজ্বল করছে আমার মোবাইল নম্বর।

    আমার হতভম্ব অবস্থা দেখে হেসে ফেললেন অফিসার। “আরে ভয় পেয়ো না। এটা ফেক নম্বর। কোনও পাইরেটেড অ্যাপ দিয়ে নম্বর জেনারেট

    করে কল করেছে। আমরা তোমার কললিস্ট চেক করেছি। তোমার নম্বর থেকে এমন কোনও ফোন যায়নি। কিন্তু মুশকিল হল কেউ তোমাকে ফাঁসাতে চাইছে। জড়াতে চাইছে। কেন?”

    “সে তো আমিও বুঝতে পারছি না। শুধু আমি কেন, আপনিও তো আছেন আচ্ছা, আমি

    একবার বিশ্বজিৎকে ফোন করে দেখব?” জিজ্ঞাসা করলাম। “করতে পারো। লাভ নেই বিশেষ। আমরা অনেকবার ট্রাই কমিশনারেটে টিম বসে আছে।

    সিগন্যাল পেলেই ট্র্যাক করবে”।

    আমি পকেট থেকে মোবাইলটা বার করে এমনিই বিশ্বজিতের নম্বরটা ডায়াল করলাম। আমাকে আর অফিসারকে চমকে দিয়ে বিশ্বজিতের কলার টিউন বেজে উঠল, “ইয়ে দিল তনহা কিউ রহে!” বাজতে বাজতে থেমে গেল। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই একটা হোয়াটসঅ্যাপ ঢুকল বিশ্বজিতের নম্বর থেকে। বাংলা অক্ষর। কিন্তু ভাষা আমার অজানা। লেখা “হামচুপামুহাফ।”

    অফিসারকে দেখাতে উনিও আমার মতোই অবাক। এর মানে কী রে বাবা!!

    “আবার ফোন করো তো”, অফিসার বললেন।

    করলাম। আবার ফোন বেজে গেল।

    প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ফোন বেজে উঠল অফিসারের।

    “হ্যাঁ হ্যাঁ। ট্র্যাক করতে পেরেছেন? বাহ। কোথায়? বিধান সরণি? আচ্ছা। আপনারা স্পেসিফিক লোকেশান জানান, আমি যাচ্ছি।” বলেই আমার দিকে ফিরে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমিও যাবে নাকি হে?”

    “আপত্তি নেই। তাহলে বাইকটা এখানেই রেখে যাই?”

    “হ্যাঁ হ্যাঁ। আমাদের গাড়িতে চলো।”

    সামনের সিটে ড্রাইভারের পাশে মুখার্জি নিজে বসলেন। আমি পিছনে। সেই সেদিনের মতো। আমার কী মনে হল, খানিক গুগল খুলে ঘাঁটাঘাঁটি করলাম। অফিসার বলেই যাচ্ছিলেন, “কী মুশকিল বলো দেখি। বিধান সরণি কি আর একটুখানি জায়গা? আর ওই শব্দটারই বা মানে কী? তোমাকে আচমকা পাঠালই বা কেন?”

    আমি ততক্ষণে একটা আলোর রেখা দেখতে পেয়েছি।

    “স্যার, আমি বোধহয় জানি আমাদের কোথায় যেতে হবে।

    “কোথায়?”

    “১৩/১ বিধান সরণী। সাধারণ ব্রাহ্ম সমাজের উলটো দিকের বাড়ি।”

    “কীভাবে বুঝলে?”

    “বিশ্বজিতের পাঠানো মেসেজ। হামচুপামুহাফ।”

    “মানে কী এর?”

    “দেখুন স্যার, গুগলের এই আর্টিকেলটায় ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা লেখার উল্লেখ করে বলা হচ্ছে, জ্যোতিরিন্দ্রনাথের জীবনে আরও একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল ‘সঞ্জীবনী সভা’ স্থাপন। সভার বিবরণ জ্যোতিবাবুর বানানো এক সাংকেতিক ভাষায় লেখা হত। সেই সাংকেতিক ভাষায় সেই সভার নামটির উচ্চারণ ছিল ‘হামচুপামুহাফ’। কলকাতার ঠনঠনিয়ায় এক পোড়ো বাড়িতে এই গুপ্ত সভা বসত। কিশোর রবীন্দ্রনাথও সভ্যদের একজন ছিলেন। এই সভা যখন বসত, টেবিলে একটি মড়ার খুলি রাখা থাকত। খুলিটির চোখের কোটরে বসানো হত দুটি মোমবাতি। খুলিটি মৃত ভারতবর্ষ ও মোমবাতি দুটি ছিল ভারতের প্রাণসঞ্চার ও জ্ঞানচক্ষু ফুটিয়ে তোলার সংকেত! সভা আরম্ভ হত বেদমন্ত্র পাঠ করে।”

    “স্ট্রেঞ্জ! এ তো পুরো ফ্রিম্যাসনদের সভার মতো! বাংলায় এমন সভার কথা আগে শুনিনি তো!”

    “ফ্রিম্যাসন কারা?”

    “ও বাবা! সে অনেক গল্প। দেবাশিসদার থেকে গল্প শুনতাম। আমাদের পার্ক স্ট্রিটেও এঁদের অফিস যাই হোক। আসল কথায় এসো। এ থেকে কী বোঝা গেল?”

    “হ্যাঁ স্যার, সেই কথাতেই আসছি। এই বাড়িটার ঠিকানা কেউ কোনও দিন জানায়নি। এতটুকু জানা গেছে, সেটা ছিল এক পোড়োবাড়ি, উপর নিচ ভিতর সমস্তটা খালি ছিল। ‘কলিকাতা দর্পণ’ বইতে রাধারমণ মিত্র প্রমাণ করছেন, এই বাড়ি ছিল ১৩ নম্বর কর্ণওয়ালিস স্ট্রিটের বাড়ি। ১৮৮০ সালের পর থেকে এখানে লোক বাস করতে শুরু করে। আরও পরে এটি সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের ব্যারাকবাড়ি হয়। দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়, রাজনারায়ণ বসু থেকে উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী সবাই এই বাড়িতে থেকে গেছেন।”

    “সে বাড়ির এখন কী দশা?”

    “আবার পোড়োবাড়ি হয়ে গেছে। নতুন ঠিকানা ১৩/১ বিধান সরণি। হেরিটেজ বিল্ডিং-এর তকমা নেই। যে-কোনো দিন ভেঙে দিয়ে মাল্টিস্টোরিড বিল্ডিং উঠল বলে।”

    মুখ দিয়ে চিকচিক করে একটা আওয়াজ করলেন অফিসার, “কিন্তু এই বাড়িতে বিশ্বজিৎ কী করছে? তার চেয়েও বড়ো কথা, একটা সামান্য কাপড়ের দোকানের কর্মচারী এতসব ইতিহাস ভূগোল জানল কীভাবে?”

    “এক্ষুনি জেনে যাব স্যার। প্রায় এসেই গেছি।”

    ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি পেরিয়ে গাড়ি এসে থামল বিরাট একটা পোড়ো বাড়ির সামনে। ড্রাইভার গাড়িতেই রইল। আমরা দুজন নামলাম। রাত প্রায় সাড়ে দশটা। রাস্তার ভিড় পাতলা হতে শুরু করেছে। গেট বলে কিছু আর অবশিষ্ট নেই। দোতলা বাড়ি। কিছু জানলায় এখনও কিছু খড়খড়ি আছে। দেওয়াল জায়গায় জায়গায় ভাঙা। চুন সুরকির পলেস্তারা খসে ইট বেরিয়ে গেছে। ভিতরে জঙ্গল। প্রাচীর বেয়ে বট অশ্বত্থের চারা শিকড় চারিয়েছে। কর্পোরেশনের বুলডোজার না ভাঙলেও অবহেলাই একে একদিন মেরে ফেলবে নিশ্চিত। কিন্তু বিশ্বজিৎ কোথায়? “আর-একবার ফোন করো তো”, অফিসার বললেন।

    “ফোন বেজে চলেছে। ধরছে না কেউ”, বলতে না বলতেই বাড়ির ভিতর থেকে একটা ক্ষীণ শব্দ ভেসে এল। যান্ত্রিক শব্দ। রিংটোনের। কোথাও একটা ফোন বাজছে। আমি কেটে দিতেই আওয়াজটা বন্ধ হয়ে গেল।

    অফিসার মুখার্জি আমার দিকে তাকালেন। দুজনেই এক কথাই ভাবছি।

    “আবার করো”। ফোন অন রেখেই রিংটোনের শব্দ অনুসরণ করে বাড়ির ভিতরে ঢুকলাম। এটা আগে পোর্টিকো ছিল। ভেঙে পড়েছে। সেটা পেরিয়ে একটা বড়ো হলঘর মতো। তার এককোণে অপেক্ষাকৃত ছোটো একটা ঘর। হয়তো এখানেই বসত সেই সভা। এখন সেই ঘরের দিকেই আমরা যাচ্ছি। সেখান থেকেই মোবাইলের রিংটোনের আওয়াজ ভেসে আসছে। অফিসারের এক হাতে হাই পাওয়ারের টর্চ। অন্য হাত কোমরের বেল্টে আটকানো সার্ভিস রিভলভারে। আগে থেকেই কেমন একটা লাগছিল আমার, সেটা আরও স্পষ্ট হচ্ছিল। একটা গন্ধ। পচা গন্ধ। পচা মাংসের। ওই পোড়োবাড়িতে কোনও হাওয়া ঢোকে না। তাই গন্ধটা থমকে আছে। আমার কেমন যেন ভয় ভয় করতে লাগল। আর তারপরই দেখতে পেলাম। ঘরের ঠিক মাঝখানে শুয়ে আছে। গোটা দেহটা পচে ফুলে উঠেছে। চারিদিকে ডাঁশ মাছি উড়ছে ভনভন করে। পরনে একটুকরো সুতো নেই। ঠিক দেবাশিসদার মতো। পা দুটো দুপাশে ছড়িয়ে ত্রিভুজের দুটো বাহু তৈরি করেছে। দুই পায়ের ফাঁকে যে অঙ্গটা থাকার কথা সে জায়গাটাও কেউ নিপুণ হাতে কেটে নিয়েছে। বাঁ হাত পাশে ছড়িয়ে আছে। ডান হাত ভাঁজ করে বুকের উপরে রাখা, যেখানে হৃৎপিণ্ড থাকে। ঠিক তার নিচেই ছুরি দিয়ে চিরে কে যেন একটা ত্রিভুজ এঁকে তলায় লিখেছে, NO। অফিসারের টর্চের আলো গিয়ে পড়ল বিশ্বজিতের মুখে। যে জায়গায় চোখ থাকার কথা ছিল, সেই জায়গায় দুটো অন্ধকার গর্ত। মুখ হাঁ করা। কিন্তু মুখ থেকে কী যেন একটা বেরিয়ে আছে। দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসছিল। তাও একটু ঠাহর করতে বুঝলাম কে যেন বিশ্বজিতের কাটা অঙ্গটা জোর করে পুরে দিয়েছে ওরই হাঁ করা মুখে।

    শৈলচরণ সান্যাল। দেবাশিস গুহর পর এবার বিশ্বজিৎ দে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার
    Next Article আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    January 3, 2026
    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }