Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী

    সৌভিক চক্রবর্তী এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লাপিস লাজুলি – ১৩

    ॥ তেরো ॥

    ফেব্রুয়ারি, ১২৫৮ খ্রিস্টাব্দ

    আল রুসাফা কবরস্থানে একটা বড়ো রাবার গাছের গুঁড়িতে বাঁধা হয়েছে গিয়াসুদ্দিন, আবদুল আর মনসুরকে। মনসুরের কপালে গভীর ক্ষত। গাল, গলা বেয়ে গড়িয়ে নেমেছে রক্ত। ভিজিয়ে দিয়েছে গায়ের জামা। পাশেই একটা ডুমুর গাছের নীচে বসিয়ে রাখা হয়েছে মনসুরের মা আর বোনকে। তারা থরথর করে কাঁপছে। সবাইকে গোল করে ঘিরে আছে অন্তত পঞ্চাশ জন মোঙ্গোল সেনা। একটু দূরেই হালাকু খাঁ তার অনুচরদের সঙ্গে নীচু গলায় কী যেন বলছেন। তাদের মধ্যে ইবন আলকামিও আছে। মনসুর বিড়বিড় করে একটা কথাই বলে চলেছে, ‘আমাকে ক্ষমা করুন আলমুহাল্লিম। আমার কিছু করার ছিল না। কিচ্ছু করার ছিল না।’

    চোখে জল এল গিয়াসুদ্দিনের। মনসুর তাঁর সন্তানসম। তিনি বুঝতে পারছেন, অপরাধবোধে ফালা ফালা হয়ে যাচ্ছে মনসুরের ভেতরটা। ইচ্ছে করল, মনসুরের মাথায় হাত রেখে বলেন, ‘জানি রে মনসুর। তোর কিছু করার ছিল না। কষ্ট পাস না বাবা। আমরা তোকে ভুল বুঝিনি।’

    কিন্তু উপায় নেই। দুটো হাতই বাঁধা।

    সত্যিই কিছু করার ছিল না মনসুরের। মা আর বোনকে সঙ্গে নিয়ে আর যাই হোক লড়াই করা যায় না। তবু বিশ্বাসঘাতক আলকামিটাকে দেখে নিজেকে ঠিক রাখতে পারেনি সে। গিয়াসুদ্দিন প্রথম থেকেই এই লোকটাকে সন্দেহ করতেন। বলতেন, ‘আলকামি শেয়ালের মতো ধূর্ত। কুকুরের ভেক ধরে আছে কিন্তু আসলে ও শেয়াল আর শেয়াল কোনও দিন পোষ মানে না। ওকে বিশ্বাস করার দাম দিতে হবে খলিফাকে।’

    আচমকা লাফিয়ে উঠে ঘোড়ার ওপর থেকে টেনে আলকামিকে মাটিতে ফেলে দিয়েছিল মনসুর। তখনই তার কপালে তলোয়ারের বাঁট বসিয়ে দিয়েছিল একটা মোঙ্গোল। হালাকু খাঁ বসেছিলেন ঘোড়ার ওপরেই। তাঁর এক অনুচর এসে মনসুরের গলায় পা চাপিয়ে দিয়েছিল। ততক্ষণে মা আর বোনকে তলোয়ারের ডগায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে অন্য দু’জন। মনসুর চিৎকার করে উঠেছিল, ‘আমার মা আর বোনের গায়ে হাত দেবে না। খবরদার।’

    যে মনসুরের গলায় পা চাপিয়ে দিয়েছিল তাকে উদ্দেশ্য করে হালাকু খাঁ বলেছিলেন, ‘সুলচুক, ওকে বলে দাও আমরা ওর মা, বোনের কোনও ক্ষতি করব না। কিন্তু তার বিনিময়ে ওকে বলতে হবে গিয়াসুদ্দিন আল তুসি আর আবদুল রহমান কোথায় লুকিয়ে আছে।’

    গলায় পায়ের চাপ বাড়িয়েছিল সুলচুক নামের মোঙ্গোলটা, ‘বল। কোথায় আছে গিয়াসুদ্দিন আর আবদুল। বল।’

    দম আটকে আসছিল। তবু চিৎকার করে মনসুর বলেছিল, ‘বলব না। কিছুতেই বলব না।’

    কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে হালাকু খাঁ বলেছিলেন, ‘বেশ। ওকে কিছু বলতে হবে না। সুলচুক, ওকে বেঁধে ফেলো। চোখের পাতা দুটো আটকে দাও ভুরুর সঙ্গে। যাতে চোখ বন্ধ করতে না পারে। তার পরে ওর সামনে তোমরা একে একে ওর মা আর বোনকে ধর্ষণ করো। এই রাস্তার ওপরেই করো। যারা বেঁচে আছে তারা দেখুক হালাকু খাঁ-র বিরুদ্ধাচরণ করলে কী শাস্তি হয়।’

    কথাটা শুনেই উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল আলকামির চোখ মুখ। বলেছিল, ‘খাঁ, আমি ওই বাচ্চা মেয়েটাকে চাই। এই বয়সেই কেমন ডাগর হয়ে উঠেছে দেখুন। আমি আগে যাব?’

    ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানিয়েছিলেন হালাকু। হায়েনার মতো হাসতে হাসতে বোনের দিকে এগোচ্ছিল নরকের পিশাচটা। মায়ের হাত চেপে ধরে রাস্তার দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল অন্য একটা মোঙ্গোল। মা চিৎকার করছিল, ‘আমার মেয়েটাকে ছেড়ে দাও। আমার ছেলেটাকে মেরো না তোমরা। ওরা খুব ছোটো। দোহাই তোমাদের। তোমরা আমার সঙ্গে যা ইচ্ছে করো কিন্তু ওদের ছেড়ে দাও। দয়া করো।’

    মায়ের হাহাকারে মন গলেনি ওদের। আলকামি এসে বোনের চুলের মুঠি ধরে ফেলে দিয়েছিল মাটিতে। ব্যথায় ককিয়ে উঠেছিল দশ বছরের বাচ্চা মেয়েটা। আর থাকতে পারেনি মনসুর। অসহায়তা, ঘেন্না, যন্ত্রণা, কান্না সবটা গিলে নিয়ে বলেছিল, ‘ওদের ছেড়ে দাও। আমি বলছি। আমি বলছি।’

    হাত তুলে অনুচরদের বিরত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন হালাকু। বোনকে ছেড়ে এগিয়ে এসে মনসুরের মুখে এক লাথি বসিয়ে দিয়েছিল আলকামি। গরগর করে বলেছিল, ‘অপদার্থ একটা। তোদের মতো ছেলেদের জন্য বাগদাদের বদনাম হয়। একটুও মনের জোর নেই। আর একটু পরে বললেই তো আমার কাজটা মিটে যেত। ভীতু কোথাকার।’

    মনসুর জানে, বলে দিলেও যে ওরা মা আর বোনকে রেয়াত করবে তার নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু আল্লা তো এটুকু জানবেন, সে তার মা আর বোনকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল। আল্লা অন্তর্যামী। তিনি এটাও জানবেন, সে যা করেছে নিরুপায় হয়েই করেছে।

    গিয়াসুদ্দিন শুনতে পেলেন মনসুর এখনও বলে চলেছে, ‘আমাকে ক্ষমা করুন আলমুহাল্লিম। আমার কিছু করার ছিল না। কিচ্ছু করার ছিল না।

    মনসুরের চিত্তবিকারের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। ওর সঙ্গে কথা বলা দরকার। কষ্ট করে ঘাড় ঘুরিয়ে মনসুরকে ডাকতে যাবেন তার আগেই দেখলেন হালাকু খাঁ ঘোড়া থেকে নেমে পড়েছেন। এ দিকেই এগিয়ে আসছেন। চোয়াল শক্ত হল গিয়াসুদ্দিনের। যাই হয়ে যাক, ওরা যদি চোখের সামনে আবদুল আর মনসুরকে খুনও করে, তাও তিনি মুখ খুলবেন না। আবদুলকেও এটা বলে দেওয়া দরকার। অস্ফুটে বললেন, ‘আবদুল শুনতে পাচ্ছ?’

    আবদুলও অস্ফুটে সাড়া দিলেন, ‘বলুন।’

    ‘কান খুলে একটা কথা শুনে নাও। ওরা যদি তোমার সামনে আমাকে বা মনসুরকে প্রবল যন্ত্রণা দিতে দিতে মেরেও ফেলে তাও মুখ খুলবে না। দেবী ইনান্নার দণ্ড এই পাষণ্ডের হাতে কিছুতেই পড়তে দেওয়া যাবে না। বুঝেছ?’

    ‘হুম,’ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন আবদুল।

    তাঁর কথা শেষ হতে না হতেই গিয়াসুদ্দিনের সামনে এসে দাঁড়ালেন হালাকু খাঁ। একটু মেপে নিলেন গিয়াসুদ্দিনকে। বললেন, ‘আপনিই তা হলে সেই গিয়াসুদ্দিন!’

    ধরা যখন পড়েই গিয়েছেন, মৃত্যু এলেও মুখ খুলবেন না বলে ঠিক করে নিয়েছেন তখন আর ভয় কীসের? বললেন, ‘হ্যাঁ, আমিই সেই গিয়াসুদ্দিন আল তুসি। আর আপনি বোধ হয় চেঙ্গিজ খাঁ-র কুলাঙ্গার দৌহিত্র হালাকু খাঁ?’

    শরীরের সমস্ত রক্ত হালাকু খাঁ-র মুখে এসে জমা হল। পাত্তা না দিয়ে গিয়াসুদ্দিন বললেন, ‘ওই পরভোজী কৃমিকীট আলকামিটা নিশ্চয়ই আপনাকে আমার ব্যাপারে সব বলেছে? ঠিকই ধরেছেন, খিলাফতের পাঞ্জা আপনার রক্তাক্ত হাতে শোভা পায় না বলে আমিই ওটা আপনার শিবির থেকে নিয়ে এসেছি।’

    ‘কোথায় সেটা,’ গর্জন করে উঠলেন হালাকু খাঁ।

    ততোধিক শান্ত স্বরে গিয়াসুদ্দিন বললেন, ‘ওটা আর কোনও কাজে লাগবে না। তাই টাইগ্রিসের জলে ফেলে দিয়েছি।’

    হালাকু খাঁ-র সংযমের বাঁধ ভেঙে গেল। প্রচণ্ড এক ঘুসি বসিয়ে দিলেন গিয়াসুদ্দিনের মুখে। ঠোঁট ফেটে গলগল করে রক্ত বেরিয়ে এল। গিয়াসুদ্দিনের কামিজের গলার কাছটা খামচে ধরে চিৎকার করে উঠলেন হালাকু, ‘কেন ফেলেছিস? কী ওটা? কোন কাজে লাগে ওটা? বল।’

    হাসলেন গিয়াসুদ্দিন। তিনি বিদ্বান মানুষ। চট করে কাউকে অপমান করতে বাধে। কিন্তু হালাকু খাঁ যখন তুইতোকারি শুরু করেছে তাঁর আর বাধা কীসে? বললেন, ‘ওটা একটা চাবি। অনেক দুষ্প্রাপ্য পুঁথি আমি বায়তুল হিকমাহ-র একটা গোপন প্রকোষ্ঠে রেখে দিয়েছিলাম। ওটা ছিল সেই প্রকোষ্ঠের চাবি। কিন্তু গোটা গ্রন্থাগারটাই তো তুই জ্বালিয়ে দিয়েছিস। অবশ্য ওই পুঁথিগুলো পেলেও ওর মর্ম বুঝতিস না মূর্খ। শোন রে যুদ্ধবাজ, রক্তলোলুপ উন্মাদ তোর উপস্থিতিটাই আমার বিবমিষা জাগাচ্ছে। আমাদের তো তুই মেরে ফেলবি? তাড়াতাড়ি মেরে ফেলে চলে যা। দূর হয়ে যা এই পবিত্র গোরস্থান থেকে।’

    হালাকু কিছু বলার আগেই আলকামি চেঁচিয়ে বলল, ‘খাঁ, একদম বিশ্বাস করবেন না এই বুড়োটাকে। চাবির কথাটা হয়তো ঠিক কিন্তু বাকিটা ও আপনাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছে। শুধু বই থাকলে ও মোটেই অত ঝুঁকি নিয়ে আপনার শিবির থেকে পাঞ্জাটা চুরি করাত না। নিশ্চয়ই ওখানে খুব দামি কিছু ছিল, মনে হয় কোনও গুপ্তধন আর ও সেটা বায়তুল হিকমাহ থেকে সরিয়ে ফেলেছে।’

    রাজার পাপে রাজ্য নষ্ট হয় ঠিকই কিন্তু ধ্বংসের সলতেয় আগুন লাগায় এই আলকামির মতো কিছু বিশ্বাসঘাতক। ঘেন্নায় রি-রি করে উঠল গিয়াসুদ্দিনের সারা শরীর। আর একইসঙ্গে চিন্তাও শুরু হল। আলকামি হালাকু খাঁ-কে উসকাচ্ছে। দুশ্চিন্তার শেকড়টা মাথার মধ্যে ভালো করে জাঁকিয়ে বসার আগেই আলকামি এমন একটা কথা বলে বসল ভয়ে শিউরে উঠলেন গিয়াসুদ্দিন। আলকামি বলল, ‘খাঁ, আমার মন বলছে বুড়ো যা লুকোনোর এই কবরখানাতেই লুকিয়েছে। কথাটা কেন বলছি বুঝুন। আমরা যখন এলাম ওরা কবরখানা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। যদি ওরা লুকিয়ে থাকতেই আসে তা হলে বেরোচ্ছিল কেন? আসলে যেখানে গুপ্তধন রেখেছে সেখান থেকে সরে যেতে চাইছিল। আমাদের ভাগ্য ভালো যে ঠিক সময় পৌঁছোতে পেরেছি। আর কিছু লুকোনোর জন্য কবরখানা তো সবচেয়ে ভালো জায়গা। বুড়ো জানত, আপনারা আর যেখানেই খুঁজুন সমাধিগুলো খুঁড়ে দেখবেন না। আমার মন বলছে, এই কবরখানা ওলটপালট করে খুঁজলে আমরা গুপ্তধন পাবই পাব।’

    প্রশংসার চোখে আলকামির দিকে তাকালেন হালাকু, ‘তোমার তো বেশ বুদ্ধি আছে আলকামি।’

    গদগদ হয়ে আলকামি বলল, ‘খাঁ, খলিফা তো একটা জঘন্য লোক ছিল। ইন্দ্রিয়সুখ ছাড়া কিচ্ছু বুঝত না। এত বড়ো খিলাফত তো বকলমে আমিই চালাতাম। আপনি হুকুম দিলে সমাধিগুলো খোঁড়াই?’

    ‘নীচ, পাষণ্ড, মৃত মাংসভোজী শকুন! এখানে মহান খলিফাদের সমাধি মুসলমান হয়ে তুই তাঁদের সমাধি খুঁড়তে বলছিস বিদেশিদের! তোর নরকেও ঠাঁই হবে না। প্রাচীন অভিশাপে পোকামাকড়ের মতো মরবি,’ গর্জে উঠলেন গিয়াসুদ্দিন। চিৎকার করতে গিয়ে তাঁর গলা ধরে এল।

    হো-হো করে হেসে উঠল আলকামি, ‘দেখলেন খাঁ? কবর খোঁড়ার কথা উঠতেই বুড়ো কেমন ছটফটিয়ে উঠল! এ বার আর সন্দেহ নয়, আমি নিশ্চিত এই গোরস্থানেই কোনও একটা সমাধির নীচে গুপ্তধন লুকিয়েছে এরা।

    প্রচুর গাছ জায়গাটায়। বেশির ভাগই প্রাচীন সব মহাবৃক্ষ। তাদের গায়ে সহস্র বছরের শ্যাওলা। আলো ঢোকে না তেমন। দিনের বেলাতেও কেমন একটা ঘুম-ঘুম ভাব। কোথাও কোনও শব্দ নেই। মাঝে মাঝে শুধু একটা নাম না-জানা পাখি ডাকছে। নদীর দিক থেকে একটা জোলো হাওয়া বয়ে আসছে ক্রমাগত। অনেক ডালপালা পেরিয়ে আসতে হচ্ছে বলে হাওয়ার গায়েও পাতার গন্ধ। সে হাওয়া যেন ফিসফিস করে বলছে, ‘ইতিহাস এখানে ঘুমোচ্ছে। তাকে জাগিয়ো না। জাগিয়ো না তাকে।

    হালাকু খাঁ-র কেমন যেন একটা অস্বস্তি হল। কাঁধের ক্ষতটা টাটিয়ে উঠল আচমকাই। মনে হল, এই প্রাচীন সমাধিতে যারা শুয়ে আছে তাদের জাগানো ঠিক না। তারা জেগে উঠলে অনর্থ হতে পারে তবু গিয়াসুদ্দিন কী লুকিয়েছেন সেটা জানার কৌতূহল সামলাতে পারলেন না। বললেন, ‘কবরগুলো খোঁড়ো।’

    * * *

    প্রাচীন এক সমাধির নীচ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটা লম্বাটে কাঠের বাক্স। তার মধ্যে রয়েছে একটা অপূর্ব সুন্দর গালিচা। কোনও এক অজানা ধাতুতে তৈরি একটা জালিদার জামা। জামাটা এতই সূক্ষ্ম যে একটা কৌটোর মধ্যে রাখা ছিল। একটা স্ফটিকের গোলক। একটা তলোয়ার। অন্য একটা কৌটোয় কিছু শুকনো শেকড়বাকড়। একটা আবলুস কাঠের খেলনা ঘোড়া আর কিছু মাটির ফলক। প্রত্যেকটা জিনিসই কেমন যেন অদ্ভুত। যেন প্রত্যেকটা জিনিসের মধ্যেই একটা রহস্য লুকিয়ে আছে। কিন্তু আরও একটা জিনিস আছে যেটা সবচেয়ে আশ্চর্যজনক। কাপড়ে মোড়া ছিল জিনিসটা। তামার তৈরি একটা সুদৃশ্য দণ্ড। দণ্ডের মাথায় বসানো একটা অত্যুজ্জ্বল নীলকান্ত মণি। এমন অদ্ভুত উজ্জ্বল রত্ন আগে কখনও দেখেননি হালাকু খাঁ। নীলকান্ত মণিটা যেন জ্যান্ত। তার মধ্যে যেন একটা স্পন্দন রয়েছে। মণিটা স্পর্শ করা যাচ্ছে না। মণির কাছাকাছি হাত নিয়ে গেলেই অদৃশ্য সুচের মতো কী যেন হাতে বিঁধছে।

    হালাকু অনেকবার গিয়াসুদ্দিনকে জিজ্ঞেস করেছেন, এগুলো কী? বিশেষ করে দণ্ডটার বিশেষত্ব কী? গিয়াসুদ্দিন স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, মনসুর বাচ্চা ছেলে তাই তাকে দিয়ে তাঁদের হদিশ বলিয়ে নেওয়া গেছে কিন্তু কোনও ভাবেই তাঁর মুখ খোলানো যাবে না। তিনি বলবেন না এগুলো কী এবং কোন কাজে লাগে।

    আলকামি বলেছিল, ‘একটা একটা করে নখ উপড়ে নিলে ও বাধ্য হবে মুখ খুলতে। নয়তো ওর চোখের সামনে বাকিদের জ্যান্ত জ্বালিয়ে দিন খাঁ। ও বলবে না ওর ঘাড় বলবে।’

    তাকে নিরস্ত করেছিলেন হালাকু। বলে উঠেছিলেন, ‘তুমি রাজ্য শাসন করেছ আলকামি। কোনও দিন যুদ্ধ করোনি। গিয়াসুদ্দিন এক জন প্রকৃত যোদ্ধা। প্রকৃত দেশপ্রেমিক। ও ঠিকই বলছে, কোনও অবস্থাতেই ও আমাদের কিছু বলবে না। ঠিক আছে, দুনিয়ায় ওই একমাত্র পণ্ডিত এমন তো নয়। আমি অন্য কারও কাছ থেকে জেনে নেব। তবে হ্যাঁ, গিয়াসুদ্দিনের এই জেদ আমার ভালো লেগেছে। আমি ওকে তলোয়ার দিয়ে খুঁচিয়ে মারব না। ওকে এমন মৃত্যু উপহার দেব যে মৃত্যুর আগের মুহূর্ত অবধি ও যেন মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগ করে।’

    এখন সেই ব্যবস্থাই চলছে। মাটিতে পাশাপাশি তিনটে গভীর গর্ত করে হাত-পা বেঁধে গিয়াসুদ্দিন, আবদুল আর মনসুরকে গলা অবধি পুঁতে দেওয়া হয়েছে। বাকি দেহটা মাটির নীচে। মাথাটা ওপরে।

    গিয়াসুদ্দিনের সামনে এসে দুই পা ফাঁক করে কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়ালেন হালাকু খাঁ। বললেন, ‘তোমার জেদ তোমার দুই সহচরের মৃত্যুর কারণ হবে। আমি এখানে পাহারা বসিয়ে যাব যাতে কেউ তোমাদের উদ্ধার করতে না পারে। একটা দিন যেতে-না-যেতেই তোমরা খিদে, তেষ্টায় অবসন্ন হয়ে পড়বে। মুখ দিয়ে শব্দ করার শক্তি থাকবে না। তখনই এসে হাজির হবে কীটপতঙ্গরা। নাক দিয়ে, কান দিয়ে ওরা ভেতরে ঢুকে খেতে শুরু করবে তোমাদের চোখ, ঠোঁট, মগজ। তার একটু পরে আসবে বন্য শেয়ালের দল আর সব শেষে আকাশ থেকে নেমে আসবে শকুনেরা। তারা ঠুকরে ঠুকরে খাবে তোমাদের ঘিলু।’

    গিয়াসুদ্দিন কোনও উত্তর দিলেন না। হালাকু খাঁ পেছন ফিরলেন। সুলচুককে বললেন, ‘এখানে রক্ষী বসাও। ওই মহিলা আর ওর মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে চলো।’

    আগের বার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। আলকামি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। এগিয়ে এসে বলল, ‘খাঁ, ওই বাচ্চা মেয়েটাকে আমি…’

    ‘আহ আলকামি,’ তাকে থামিয়ে দিয়ে হালাকু বললেন, ‘তোমার নজর বড্ড ছোটো। তুমি এত বড়ো বিশ্বাসঘাতক, তোমাকে এত ছোটো উপহার দিলে চলে?’

    আনন্দে গলে গেল আলকামি। হাত কচলে বলল, ‘বলুন খাঁ, আমাকে কী উপহার দিতে চান? আপনি যা দেবেন আমি মাথা পেতে নেব।’

    গমগমে গলায় হালাকু খাঁ বললেন, ‘মৃত্যুদণ্ড। তোমার মতো বিশ্বাসঘাতকের যোগ্য উপহার একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।’

    আলকামি কিছু বলার আগেই চার জন মোঙ্গোল এসে তাকে চেপে ধরল। বিস্ময়ে হাঁ হয়ে গেছিল আলকামি। বোকা তেমুর এসে তার হাঁ মুখে একটা কাপড়ের টুকরো গুঁজে দিল। গলা কাটার সময় হালাকু চ্যাঁচামেচি পছন্দ করেন না। আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে বাঁশ পাতার মতো কাঁপতে লাগল আলকামি। প্রস্রাব করে ফেলল পরনের কাপড়ে। এতক্ষণে সে বুঝতে পারল, ‘হালাকু খাঁ-কে বাগদাদে ঢুকিয়ে সে কত বড়ো ভুল করে ফেলেছে।’

    হালাকু হাত বাড়ালেন। বাইজু নয়ান তার হাতে একটা ভারী তলোয়ার ধরিয়ে দিল। হালাকু বললেন, ‘যে এক বার বিশ্বাসঘাতকতা করে সে, বার বার করে। আজ যদি তোমাকে আমি আমার দলে জায়গা দিই কাল তুমি আমার পিঠে ছুরি মারবেই। বিশ্বাসঘাতকতা একটা রোগ আর এই রোগ ভয়ানক ছোঁয়াচে। বিশ্বাসঘাতকের কোনও ক্ষমা নেই।’

    হালাকুর ইশারায় চার-পাঁচ জন মিলে আলকামিকে মাটিতে শুইয়ে চেপে ধরল। তার আর ছটফট করারও অবকাশ রইল না। এক জন চুলের মুঠি ধরে টেনে গলাটাকে আলগা করে দিল। এক কোপে হালাকু তার ধড় থেকে মুন্ডুটা আলাদা করে দিলেন। গলা কাটা দেহটা ধড়ফড় করতে লাগল আচমকা খসে যাওয়া টিকটিকির ল্যাজের মতো। কাটা মুণ্ডুটায় এক লাথি মারলেন হালাকু। মাথাটা গড়াতে গড়াতে এসে গিয়াসুদ্দিনের সামনেই স্থির হল। গিয়াসুদ্দিনের মনে হল, আলকামির খোলা চোখে ভিড় করে এসেছে রাজ্যের অপরাধবোধ।

    মনসুরের হাহাকারে কর্ণপাত না করে তার মা আর বোনকে নিয়ে মোঙ্গোল বাহিনী চলে গেল। মাটির ওপরে চারটে মাথা জেগে রইল আল রুসাফার গোরস্থানে। নিদারুণ বর্তমান আর ভয়াবহ এক আসন্ন ভবিষ্যতের কথা ভেবে চোখ বুজে এল গিয়াসুদ্দিন, আবদুল আর মনসুরের। শুধু তাকিয়ে রইল ইবন আলকামি। চাইলেও সে আর কোনও দিন চোখ বুজতে পারবে না।

    ***

    জ্ঞান ফিরতেই মাথার ভেতরে তীব্র একটা যন্ত্রণা অনুভব করলেন গিয়াসুদ্দিন। চোখের পাতা দুটো পাথরের মতো ভারী হয়ে আছে। অতি কষ্টে সে দুটোকে টেনে খুললেন তিনি। চারদিকে ঝমঝমে অন্ধকার। ঝিঁঝি ডাকছে প্রচণ্ড জোরে। কোনও কোনও গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে চাঁদের আলো এসে পড়েছে। চাঁদের আলো ভালোবাসেন তিনি। কিন্তু এমন ফ্যাকাসে চাঁদের আলো আগে কখনো দেখেননি গিয়াসুদ্দিন। অবশ্য মৃত্যু শিয়রে এসে দাঁড়ালে সব কিছুকেই বুঝি এমন ফ্যাকাসে, নিষ্প্রাণ লাগে। হালাকু খাঁ ঠিক বলেছিল, একটা দিন কাটতে-না-কাটতে খিদে-তেষ্টায় প্রাণটা কণ্ঠার কাছে এসে যাবে। ঘাড় নাড়ানোর বা মুখ দিয়ে শব্দ করার শক্তিটুকু অবশিষ্ট থাকবে না। তখনই আসবে কীটপতঙ্গের দল।

    ওরা আসছে। দলে দলে আসছে। আলকামির মাথাটায় আর আলাদা করে চোখ-মুখ বোঝার উপায় নেই। লাল পিঁপড়ের দল এমন ভাবে ওটাকে ছেঁকে ধরেছে যে দূর থেকে দেখলে ওটাকে একটা লাল রঙের বল মনে হবে। আলকামিকে ছেড়ে এবার ওদের নজর পড়েছে বাকি তিন জনের দিকে। সার বেঁধে ওরা এগিয়ে আসছে। কষ্ট করে দু’বার ডাকলেন মনসুর আর আবদুলকে। কেউ সাড়া দিল না। দু’জনেই অচেতন হয়ে আছে। পিঁপড়েগুলো একেবারে কাছে চলে এসেছে। থুতনি দিয়ে সামনের দিকে থাকা পিঁপড়েগুলোকে পিষে দেওয়ার চেষ্টা করলেন গিয়াসুদ্দিন। দু’একটা পিঁপড়ে মরল কিন্তু লাভ হল না। গতিপথ বদলে ওরা একটু পাশে চলে গেল। ঘাড়ের দিক থেকে উঠতে শুরু করল। অন্ধকার না থাকলে গিয়াসুদ্দিন দেখতে পেতেন কয়েকটা অদ্ভুতদর্শন পোকাও চলে এসেছে।

    কানের লতিতে একটা পিঁপড়ে কামড়ে দিল। ওরা কানের মধ্যে দিয়ে ভেতরে ঢুকতে শুরু করেছে। এতক্ষণ ধরে চলতে থাকা একটা যন্ত্রণার স্রোতের মধ্যে যেন আর একটা যন্ত্রণার ধারা এসে মিশতে শুরু করল। বড়ো অসহায় লাগল গিয়াসুদ্দিনের। শেষকালে এই ভাবে মরতে হচ্ছে! শরীরে যে সামান্য শক্তিটুকু অবশিষ্ট ছিল এক জায়গায় করে চিৎকার করে উঠলেন তিনি। সেই চিৎকারের প্রত্যুত্তর দিতে কি না কে জানে ডেকে উঠল এক পাল শেয়াল। জান্তব সেই কোলাহলে চেতনা ফিরে এল আবদুল আর মনসুরের। তিন জন একসঙ্গেই দেখলেন, গাছের আড়াল থেকে বেরিয়ে আসছে জোড়া জোড়া উজ্জ্বল সবজেটে বিন্দু।

    গোরস্থানের প্রবেশপথে তাঁবুতে বসে মদ্যপান করছিল তিন জন মোঙ্গোল সেনা। কেউ যাতে গিয়াসুদ্দিনদের সাহায্য করতে না পারে তার জন্য এই ব্যবস্থা। গিয়াসুদ্দিনের চিৎকার আর শেয়ালের ডাক তাদের কানেও এসে পৌঁছোল। খুব হাসতে লাগল তারা, নিশ্চয়ই শেয়ালের দল কামড়ে ধরেছে। এমন সময় বিশাল এক ছায়ামূর্তি ঢুকে এল তাঁবুর মধ্যে আর কেউ কিছু বোঝার আগেই হাতের ভারী কুঠার দিয়ে তিন মোঙ্গোলকে কুপিয়ে দিল।

    গিয়াসুদ্দিনদের গর্ত থেকে তুলে তিন মোঙ্গোলকে সেখানে পুঁততে প্রায় ভোর হয়ে এল। অচেতন গিয়াসুদ্দিনদের কাঁধে করে নিয়ে গিয়ে নৌকার পাটাতনে শুইয়ে দিল সেই বিশালদেহী। তার পরে নৌকা ভাসিয়ে দিল পারস্যের উদ্দেশে।

    সবে একটা শেয়াল মনসুরের মাথায় কামড় বসাতে যাবে তখনই দেবদূতের মতো এসে উপস্থিত হয়েছিল ওই বিশাল ছায়ামূর্তি। পালিয়েছিল শেয়ালের দল। ছায়ামূর্তি বলেছিল, ‘ভয় নেই। আমি তোমাদের বন্ধু।

    কথাটা শুনে নিশ্চিন্তে জ্ঞান হারিয়েছিলেন তিন জন।

    চোখ খুলে গিয়াসুদ্দিন দেখলেন, নৌকা মাঝনদীতে। আবদুল আর মনসুর তাঁর পাশেই ঘুমোচ্ছে। নৌকা বাইছে এক বিশালদেহী মোঙ্গোল। ঝলমলে রোদ্দুর আর সুবাতাসে কেটে যাচ্ছে দুঃস্বপ্নের স্মৃতি। অবাক হয়ে তিনি বিশালদেহীকে বললেন, ‘কে তুমি? কেন নতুন জীবন দিলে আমাদের?’

    বিশালদেহী বলল, ‘অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম হালাকু খাঁ-র দলে আর থাকব না। কিন্তু বেরিয়ে আসতে পারছিলাম না। তার পরে দু’দিন আগে একটা বাচ্চা মেয়ে আর তার মাকে বন্দি করেছিল হালাকু খাঁ। পরে জানতে পারি, ওরা ওই ঘুমিয়ে থাকা বাচ্চা ছেলেটার মা আর বোন। আমার এক বন্ধু তাদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে বলে সেই বন্ধুকে খুন করেছে হালাকুর অনুচরেরা। তাই ওদের তিন জনকে আমি মেরে দিলাম আর এত দিন ধরে যা পাপ করেছি তোমাদের বাঁচিয়ে সেই পাপ ধোয়ার চেষ্টা করলাম।’ ঘুমন্ত মনসুরের দিকে তাকিয়ে চোখে জল এল গিয়াসুদ্দিনের। বললেন, ‘ওর মা আর বোন পালাতে পেরেছে?’

    বিশালদেহী বলল, ‘পেরেছে।’

    গিয়াসুদ্দিন বললেন, ‘তোমার বন্ধুর নাম বলো। ওর জন্য আমি আল্লার কাছে দোয়া করব।’

    ‘ও তো শুধু আমার বন্ধু ছিল না। আমার ভাই ছিল। ওর নাম জুলুক নয়ান।’

    ‘আর তুমি?’

    ‘আমার নাম তোগো বেগ।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ধুন্ধুমার – তমোঘ্ন নস্কর
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }