Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী

    সৌভিক চক্রবর্তী এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লাপিস লাজুলি – ১৮

    ॥ আঠেরো ॥

    ফেব্রুয়ারি, বর্তমান কাল

    কাগজটা হাতে নিয়ে বসে আছেন ভাদুড়িমশায় কিন্তু মন দিতে পারছেন না। গিয়াসুদ্দিন আল তুসির সূত্র। অপালা ছবি তুলে পাঠিয়েছে। বলেছে, ‘আমরা আমাদের মতো চেষ্টা করছি। তুমিও একটু দেখো দাদু।’

    মনটা ভালো নেই ভাদুড়িমশায়ের। রোশনির সঙ্গে তো যোগাযোগ করতে পারছেনই না, অতি কষ্টে পল্লবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছিলেন আজ ভোররাতের দিকে। পল্লব কাঁদছিল। ওরা খুব মেরেছে পল্লবকে। উঠে দাঁড়ানোর শক্তিটুকুও অবশিষ্ট নেই তার। সমীরণ বার বার বলেছিলেন, ‘ও কোথায় আছে একবার শুধু জেনে নিন স্যার, তার পরে যে করে হোক আমি ওকে বার করে আনব।’

    কিন্তু পল্লব কিছু বলতে পারেনি। প্রথমত জঙ্গিদের লোকাল ডায়লেক্ট সে বোঝে না, আর ওরা যতটুকু ইংরেজিতে কথা বলে সেখানে ক্যাম্পটা কোথায় সেটা উল্লেখ করে না। কাঁদতে কাঁদতে পল্লব বলছিল, ‘আমাকে ক্ষমা করবেন স্যার। আপনার কথা না শুনে আমি ভুল করেছি। তিতাসকে উদ্ধারে কোনও সাহায্য তো করতে পারলামই না, উলটে আপনার বোঝা হয়ে গেলাম। ওরা আমার এক বন্ধুকে মেরে ফেলেছে। বাকি যারা সঙ্গে ছিল তাদের সঙ্গে কী করেছে আমি জানি না। আমি শুধু পড়ে আছি একটা তাঁবুর মধ্যে। আমি আর বাঁচব না স্যার। আপনি তিতাসকে ফিরিয়ে আনবেন কথা দিন।’

    চোখে জল এসে গেছিল ভাদুড়িমশায়ের। তিতাসের প্রতি পল্লবের ভালোবাসার গভীরতা অনুভব করে তলতলে হয়ে গিয়েছিল তাঁর মনটাও। নিজেকে সামলে নিয়ে বলেছিলেন, ‘যতক্ষণ না তুমি ক্যাম্পের অবস্থান জানতে পারছ ততক্ষণ অবধি আমরা তোমায় কোনও সাহায্য করতে পারব না পল্লব। তবে আমার পরামর্শ, তুমি আপাতত ওদের সঙ্গে সহযোগিতা করো। ওরা তোমায় যা বলছে, তা যদি তোমার এথিকস বিরুদ্ধ হয়, তাও করো। কারণ তোমার বেঁচে থাকাটা দরকার। তিতাসকে ফিরিয়ে আনার জন্য তোমার বেঁচে থাকাটা দরকার। বুঝতে পেরেছ? আর কোনও হঠকারিতা করবে না তুমি। আমি তোমার সঙ্গে যোগাযোগে থাকব। ভয় নেই পল্লব। কিচ্ছু হবে না তোমার।’

    সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছিল। সমীরণ বলেছিলেন, ‘স্যার আপনি একটু ঘুমিয়ে নিন।

    চেষ্টা করেছিলেন ঘুমোনোর। কিন্তু ঘুম আসেনি। কিছুক্ষণ বিছানায় ছটফট করে উঠে পড়েছেন ভাদুড়িমশায়। মুখে-চোখে জল দিয়ে এসে বসেছেন লাইব্রেরি ঘরের জানলাটার পাশে। এই জানলা দিয়ে বাগানটা দেখা যায়। যখন বারাসাতের এই জমিটা কিনেছিলেন তখনই কয়েকটা আম, কাঁঠাল, কৃষ্ণচূড়া, ছাতিমের চারা বসিয়েছিল স্ত্রী নিবেদিতা। নিবেদিতা আজ নেই কিন্তু তার লাগানো গাছ আর গাছের ছায়া রয়ে গিয়েছে। আজ এই অস্থির সময়ে বার বার নিবেদিতার কথা মনে পড়ছে। গুরু রামদাস ঠাকুরের পরে ওই একটা মানুষ ছিল, যার কাছে আশ্রয় পেতেন ভাদুড়িমশায়। রামদাস ঠাকুর চলে যাওয়ার পরে তো নিবেদিতার প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন তিনি। কত কঠিন সময়ে নিবেদিতার কোলে শুয়ে পড়েছেন। প্রশ্ন করেছেন, ‘এ বার কী করব নিবেদিতা?’

    মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে ভরসা দিয়েছে নিবেদিতা। হারিয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দিয়েছে ভালোবাসায়। আজ যেন আবারও সেই ভালোবাসাটুকুর অভাব বোধ করলেন ভাদুড়িমশায়। তাঁর চারপাশে কি মানুষ কম? মোটেই না। সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করে। ভালোবাসে। কিন্তু সেই আশ্চর্য রঙিন প্রজাপতির মতো, সকালবেলার নরম রোদের মতো, হেমন্তের সন্ধ্যার হিম হিম কুয়াশার মতো, শীতের নির্মেঘ আকাশে চাঁদের আলোর মতো, বন্যার সর্বগ্রাসী জলস্রোতের মতো ভালোবাসাটা আর নেই। ভালোবাসার হাজার রকমফের। কিন্তু তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ নর-নারীর প্রেমজ ভালোবাসা। তার মতো উদ্দাম আবার তার মতো গভীর আর কিচ্ছু হয় না। আর নর-নারীর প্রেম যখন প্রতিদিনের ছোটো ছোটো চাওয়া পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে যায়, শরীরের টানকে অতিক্রম করে চিরকালীন হয়ে যায় তখন তাকে বলে লীলা। লীলা সবাই করতে পারে না। শ্রী শ্রী চৈতন্যচরিতামৃতে বলা আছে, লীলা সাধারণ মানুষের কম্ম নয়। প্রেম লীলার পর্যায়ে উপনীত হতে চাইলে তাকে তিনটে শর্ত পালন করতে হয়। অনায়াস, অকারণ আর অপূর্ব। যে প্রেম এই তিন শর্ত পালন করে সেই প্রেমই লীলা। যেমন রাধা আর কৃষ্ণের প্রেম।

    এই বুড়ো বয়সে এসে ভাবলে একটু লজ্জা করে ঠিকই কিন্তু তাঁর মনে হত তাঁর আর নিবেদিতার প্রেমটা লীলার থেকে কম কিছু ছিল না। একটা সময় তো ভেবেছিলেন বিয়েই করবেন না। রামদাস ঠাকুরের নাম প্রচার করেই জীবন কাটিয়ে দেবেন। ঠাকুরকে বলেছিলেন সে কথা। শুনেই হাঁ-হাঁ করে উঠেছিলেন ঠাকুর, ‘খবরদার না নীরেন। ওইসব পাগলামি বুদ্ধি একদম মাথায় আনবি না। সন্ন্যিসির জীবন তোর জন্য নয়। তোরে সংসারে থাকতে হবে বাপ। অনেক দায়দায়িত্ব নিতি হবে। তুই হলি অবধূত। যে সংসারে থেকেও বৈরাগী। অবশ্য তোরে যে-সে মেয়ের সঙ্গে বে দিলি হবে না। তোরে সবাই বুজতে পারবে না। তোর জন্য মেয়ে আমি খুঁজে দোব ঠিক।’

    সত্যি কথা বলতে পরোক্ষে তাঁর বিয়ের ঘটকালি করেছিলেন রামদাস ঠাকুরই। ঘটনাটা ঘটার পরে ভাদুড়িমশায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘আপনি ইচ্ছে করেই আমায় ওখানে পাঠিয়েছিলেন তাই না?’

    উত্তরে শুধু ফিক ফিক করে হেসেছিলেন ঠাকুর।

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন ভাদুড়িমশায়। মন অশান্ত থাকলেই পুরোনো কথা মনে পড়ে। পল্লবের কান্নাটা আসলে তাঁকে খুব দুর্বল করে ফেলেছে। মাথাটা এক বার ঝাড়া দিলেন তিনি। নাহ, এখন এ সব ভাবলে হবে না। অপালা যে কাজটা দিয়েছে সেটা করতে হবে। দেখা যাক ওদের কোনও সাহায্য করতে পারেন কি না। এত দ্রুত যে দেবীর দণ্ড সম্পর্কে এত বড়ো একটা সূত্র পাওয়া যাবে এ তিনিও ভাবেননি। এটা তো যথেষ্ট ইতিবাচক একটা সংকেত। বিপদের মধ্যে থেকেই বিপত্তারণ উঁকি দেবেন। শুধু লেগে-পড়ে থাকতে হবে। তা হলেই অলৌকিক হবে। কাগজটায় মন দিলেন তিনি। তিনি আরবি অল্পবিস্তর জানেন তাও অপালা অনুবাদ করে লিখে পাঠিয়েছে।

    ‘একদম ওপরে লেখা আছে হালাকু খাঁ। তার পরে এক-এক করে হালাকু খাঁ সম্পর্কে ন’টা শব্দ। প্রথমে ‘হিরচুন’ অর্থাৎ লোভী। দু’নম্বরে ‘গোনাহগার ‘ অর্থাৎ পাপী। তিন নম্বরে ‘ঘেইউর’ অর্থাৎ ঈর্ষাকাতর। চার নম্বরে ‘মুতাতিশুন লিলদিমা’ অর্থাৎ রক্তপিপাসু। পাঁচ নম্বরে ‘আশয়তানু’ অর্থাৎ শয়তান। ছয় নম্বরে আবার ‘ঘেইউর’। সাতে ‘আলকুইয়ামা’ অর্থাৎ সর্বনাশা। আটে ‘তামসিক’ অর্থাৎ তামসিক আর নয়ে ‘মুমিত’ অর্থাৎ মারাত্মক।’

    বেশ কয়েক বার লেখাটা পড়লেন ভাদুড়িমশায়। তাকি আল তুসির বক্তব্য অনুযায়ী সমস্ত তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে তিনি নিশ্চিত যে এর থেকেই পাওয়া যাবে পরের সূত্র। এটা অবশ্যই একটা কোড ল্যাঙ্গুয়েজ, সাংকেতিক ভাষা, কিন্তু কোন পথে গেলে সংকেতের মাথাটা ধরা যাবে? একটা ছিদ্র দরকার যেখান দিয়ে ঢুকতে হবে সংকেতের অন্দরে। নাহ, এ ভাবে হবে না। কাগজ, কলম নিয়ে বসতে হবে।

    হালাকু খাঁ শব্দটা ছাড়া আরও ন’টা শব্দ আছে। ভাদুড়িমশায় সেগুলো ক্রমানুযায়ী লিখে ফেললেন একটা কাগজে। প্রত্যেকটায় নম্বর বসালেন:

    ১) ‘হিরচুন’ অর্থাৎ লোভী।

    ২) ‘গোনাহগার’ অর্থাৎ পাপী।

    ৩) ‘ঘেইউর’ অর্থাৎ ঈর্ষাকাতর।

    ৪) ‘মুতাতিশুন লিলদিমা’ অর্থাৎ রক্তপিপাসু।

    ৫) ‘আশয়তানু’ অর্থাৎ শয়তান।

    ৬) ‘ঘেইউর’ অর্থাৎ ঈর্ষাকাতর।

    ৭) ‘আলকুইয়ামা’ অর্থাৎ সর্বনাশা।

    ৮) ‘তামসিক’ অর্থাৎ তামসিক।

    ৯) ‘মুমিত’ অর্থাৎ মারাত্মক।

    বেশ কয়েক বার শব্দগুলোকে এদিক-ওদিক, ওপর-নীচ করলেন কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হল না। কিছুই বোঝা গেল না। নাহ! এমন হুড়োহুড়ি করে হবে না। গিয়াসুদ্দিন বার বার লিখে গেছেন, এই সংকেত উদ্ধারের একমাত্র চাবিকাঠি ‘বুদ্ধিমত্তা’।

    বুদ্ধিমত্তা জিনিসটা কিছুটা ঈশ্বরপ্রদত্ত আর বেশিরভাগটাই আয়াসসাধ্য। নিয়মিত অভ্যাসে মানুষ তার বুদ্ধিতে শান দিতে পারে। আরও ধারাল করে তুলতে পারে ঈশ্বরপ্রদত্ত শক্তিকে। ভাদুড়িমশায় নিজেও তো বিশ্বাস করেন, ‘এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো অলৌকিক হল মানুষের বুদ্ধিমত্তা, ইনটেলিজেন্স।’ এই একটি ক্ষমতা দিয়েই ঈশ্বর মানুষকে বাকি প্রাণীজগতের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী করে তুলেছেন। বুদ্ধিমত্তা দিয়েই মানুষ একের পরে এক অলৌকিক ঘটিয়েছে এবং সভ্যতাকে এক বিন্দু থেকে উন্নততর আর এক বিন্দুতে এগিয়ে নিয়ে গেছে। আগুনকে বেঁধে ফেলেছে, চাকা আবিষ্কার করেছে, ফসল ফলাতে শিখেছে। প্রকৃতির বুকের ভেতরে লুকিয়ে থাকা রহস্যকে ভেদ করেছে। তার মন্ত্রগুপ্তিকে আপন করেছে। ভাদুড়িমশায় মনে করেন, গ্যালিলিও থেকে শুরু করে আইনস্টাইন, জগদীশ বোস অবধি প্রত্যেকে অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। তাঁরা প্রত্যেকে এক-এক জন মহাতান্ত্রিক। মন্ত্রের প্রায়োগিক দিক যদি তন্ত্র হয় তা হলে এই প্রকৃতির অন্তরে লুকিয়ে থাকা গূঢ় গোপন মন্ত্রগুলোকে তো তাঁরাই মানুষের উন্নতিকল্পে প্ৰয়োগ করেছেন। আর শুধু বিজ্ঞানীরাই নন, ভাদুড়িমশায় মনে করেন, এক জন প্রকৃত শিল্পীও আসলে এক জন তান্ত্রিক। সেখানেও প্রকৃতির খেলা। ঈশ্বর মানুষের মধ্যে দিয়েছেন নয়টি ‘ভাব’। রতি, শোক, হাস, ক্রোধ, উৎসাহ, ভয়, জুগুপ্সা, বিস্ময় ও শম। আর প্রকৃতির মধ্যে ছড়িয়ে রেখেছেন তার নানা উদ্দীপক। পণ্ডিতেরা যাকে বলেন ‘বিভাব’। মানুষের মনে এমন আরও অজস্র ভাব রয়েছে। এগুলোই মানব অনুভূতির আদিমন্ত্র। শিল্পী এই মন্ত্রগুলোকেই নিজের অন্তরে ধারণ করে তার পরে সর্বজনের অনুভববেদ্য করে সঞ্চারিত করে তার শিল্পে। তখন রস নিষ্পন্ন হয়। রতি হয় শৃঙ্গার রস, শোক হয় করুণ রস, হাস হয় হাস্য, তার পরে রৌদ্র, বীর, ভয়ানক, বীভৎস, অদ্ভুত আর শান্ত রস। মন্ত্রের প্রয়োগ সংঘটিত হয় কাব্যে, উপন্যাসে, নাটকে, চিত্রে, নৃত্যে, গীতে, বাদ্যে। সেই শিল্প যে আস্বাদন করে তার অন্তরে বেজে ওঠে অনুভূতিমালার মূর্ছনা। সৃষ্টি হয় নতুন নতুন দর্শন, নতুন নতুন বোধ। তন্ত্র শব্দটি তো ‘তন্’ ধাতু নিষ্পন্ন যার অর্থ বিস্তার। সূক্ষ্ম অনুভূতিকে বিস্তারিত করেন শিল্পী। সেই হিসেবে রবীন্দ্রনাথ, বিভূতিভূষণ বা সলিল চৌধুরীও মহাতান্ত্ৰিক।

    একমাত্র তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তার অধিকারী মানুষই যথার্থ শিল্পী, বিজ্ঞানী কিংবা দার্শনিক হতে পারে। গিয়াসুদ্দিনও সেই অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। এই ক্ষমতাধর মানুষগুলো কৌতুকপ্রিয় হন। সাধারণের সাধারণ বুদ্ধিমত্তাকে তাঁরা ‘টিজ’ করতে ভালোবাসেন। শব্দগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ভাদুড়িমশায় অনুভব করলেন, গিয়াসুদ্দিন তাঁকেও টিজ করেছেন। যেন বলছেন, ‘ওহে নীরেন ভাদুড়ি, তুমি নাকি বিরাট পণ্ডিত! তোমার চোখের সামনে সমাধান বসে রয়েছে আর তুমি তাকে চিহ্নিত করতে পারছ না! দুয়ো। দুয়ো।’

    কেমন একটা রোখ চেপে গেল ভাদুড়িমশায়ের। ছেলেমানুষি জেদ। গিয়াসুদ্দিনের এই সংকেত উদ্ধার করতেই হবে আর সেটা এখনই করতে হবে। যত নষ্টের গোড়া এই মনটা। কিছুতেই শান্ত থাকছে না। নানা চিন্তা এসে ভিড় করছে। চোখ বুজে কিছুক্ষণ বসে রইলেন তিনি। মনটাকে একটা বিন্দুতে সংহত করে ফের কাগজটা তুলে নিলেন হাতে।

    ১) ‘হিরচুন’ অর্থাৎ লোভী।

    ২) ‘গোনাহগার’ অর্থাৎ পাপী।

    ৩) ‘ঘেইউর’ অর্থাৎ ঈর্ষাকাতর।

    ৪) ‘মুতাতিশুন লিলদিমা’ অর্থাৎ রক্তপিপাসু

    ৫) ‘আশয়তানু’ অর্থাৎ শয়তান।

    ৬) ‘ঘেইউর’ অর্থাৎ ঈর্ষাকাতর।

    ৭) ‘আলকুইয়ামা’ অর্থাৎ সর্বনাশা।

    ৮) ‘তামসিক’ অর্থাৎ তামসিক।

    ৯) ‘মুমিত’ অর্থাৎ মারাত্মক।

    হালাকু খাঁ সম্পর্কে নয়টি বিশেষণ। আরবি শব্দগুলোর প্রথম অক্ষর, শেষ অক্ষর, মাঝের অক্ষর এগুলো নিয়ে যাবতীয় পারমুটেশন-কম্বিনেশন অপালা আর সঞ্জয় আগেই করে ফেলেছে। সেই পথে কোনও দিশা পাওয়া যায়নি। অন্য কোনও পথ আছে। অন্য ভাবে ভাবতে হবে। আরবি শব্দগুলোর বাংলা অনুবাদগুলোকে বার বার পড়তে লাগলেন ভাদুড়ি মশায়। দেখা যাক, এখান থেকে কোনও রাস্তা বেরোয় কি না। আচমকাই একটা শব্দে তাঁর চোখ আটকে গেল আর ঠিক তখনই বেজে উঠল ফোন। ফোন ধরতেই উত্তেজিত গলায় অপালা বলল, ‘দাদু, মনে হচ্ছে একটা দিশা পেয়েছি। গোটা সিরিজটায় একটা অড শব্দ আছে।’

    প্রশান্তিতে ভরে গেল ভাদুড়িমশায়ের মনটা। তাঁর এই নাতনিটিও অতীব বুদ্ধিমতী। তিনি হেসে বললেন, ‘তুমি ফোন করার ঠিক আগের মুহূর্তে আমিও সেটাকে চিহ্নিত করতে পেরেছি। তামসিক তাই তো?’

    ‘রাইট রাইট। অপালার গলা কাঁপছে উত্তেজনায়, একমাত্র তামসিক শব্দটার অরিজিন আরবি নয়। সত্ত্ব, তমঃ, রজোঃ এগুলো পিওর সংস্কৃত শব্দ। তাই না?’

    ‘ঠিক। সব ক’টা আরবির মধ্যে ওই একটাই সংস্কৃত শব্দ আছে।’

    ‘দাদু, ফোন ধরে থাকো। একটা পসিবিলিটি আমার মাথায় উঁকি দিচ্ছে। লেটস সলভ ইট টুগেদার।’

    ‘বেশ। বলো।’

    ‘দাদু, আমার মনে হচ্ছে গিয়াসুদ্দিন আরবিতে লিখে আসলে কনফিউজ করতে চেয়েছেন। তিনি ভেবেছেন, সূত্র খুঁজে পেলেও সবাই আরবি শব্দগুলো নিয়েই মারামারি করে মরবে কিন্তু ওর থেকে কোনও রাস্তা পাওয়া যাবে না। উনি আসলে ইঙ্গিত করছেন শব্দগুলোর সংস্কৃত অর্থের দিকে।’

    অবাক গলায় সঞ্জয় বলল, ‘গিয়াসুদ্দিন সংস্কৃতও জানতেন?’

    অপালা বলল, ‘সঞ্জয়, লোকটা গ্রিক থেকে পিথাগোরাস অনুবাদ করেছিল আরবিতে। লোকটা বহু ভাষাবিদ ছিল।’

    ‘ঠিক। গিয়াসুদ্দিন মহাপণ্ডিত,’ বললেন ভাদুড়িমশায়, ‘আরও একটা জিনিস লক্ষ করো তোমরা, তামসিক আট নম্বর বিশেষণ। আর আট কিন্তু হালাকুর মৃত্যুদিনও।’

    ‘তাই তো! এটা তো আমাদের চোখে পড়েনি। গিয়াসুদ্দিন এখানেও একটা হিন্ট দিয়ে গিয়েছেন। লেটস ডু ওয়ান থিং দাদু। সংস্কৃত শব্দগুলো আমরা ক্রোনোলজিক্যালি লিখে নিই।’

    ‘চলো।’

    দ্রুত লিখে ফেললেন ভাদুড়িমশায়। ব্যাপারটা দাঁড়াল এ-রকম:

    ১) লোভী।

    ২) পাপী।

    ৩) ঈর্ষাকাতর।

    ৪) রক্তপিপাসু।

    ৫) শয়তান।

    ৬) ঈর্ষাকাতর।

    ৭) সর্বনাশা।

    ৮) তামসিক।

    ৯) মারাত্মক।

    অপালা বলল, ‘দাদু আমার কেন জানি না মনে হচ্ছে আমরা সমাধানের খুব কাছে এসে পড়েছি। ট্রাস্ট মি দাদু এটা পাওয়ার পর থেকে আমি আর সঞ্জয় দু’চোখের পাতা এক করিনি। আই অ্যাম সুপার একসাইটেড।’

    ভাদুড়িমশায় বললেন, ‘সেই জন্যই তুমি সমাধানের কাছে এসে পড়েছ। তিতাসের হারিয়ে যাওয়ার পর থেকে আমরা সবাই বিষয়টা নিয়ে লেগে-পড়ে ছিলাম। তাই আমাদের সঙ্গে অলৌকিক হচ্ছে। যে আয়ুধ পাঁচ হাজার বছর ধরে অধরা আমরা মাত্র কয়েক দিনে তার খুব কাছে চলে এসেছি। আর একটা কথা জানবে দিদিভাই, তুমি আর সঞ্জয় যে পরিশ্রমটা করেছ তার ফল পাচ্ছি আমরা সবাই। শনিদেব হচ্ছেন কর্ম আর কর্মফলের দেবতা। তিনি কঠোর বিচারক। পরিশ্রমীকে তিনি বিমুখ করেন না।’

    সঞ্জয় বলল, ‘স্যার একদম বেসিক থেকে শুরু করছি। শব্দের আদ্যাক্ষরগুলোকে পরপর সাজাচ্ছি।’

    ভাদুড়িমশায় বললেন, ‘বেশ। আমিও লিখছি।’

    ১) লোভী… লো

    ২) পাপী… পা

    ৩) ঈর্ষাকাতর… ঈ

    ৪) রক্তপিপাসু… র

    ৫) শয়তান… শ

    ৬) ঈর্ষাকাতর… ঈ

    ৭) সর্বনাশা… স

    ৮) তামসিক… তা

    ৯) মারাত্মক… মা

    পাশাপাশি লিখলে দাঁড়াচ্ছে, ‘লো পা ঈ র শ ঈ স তা মা।’

    অপালা বলল, ‘এটা বেসিক পাজল। প্রথমে এটাকেই পারমুটেশন -কম্বিনেশন করে দেখতে হবে। সঞ্জয় করে ফেলো।’

    সঞ্জয় বলল, ‘দাঁড়াও দাঁড়াও। অত সোজা নাকি? ন’টা অক্ষর। এই দিয়ে কতগুলো কম্বিনেশন হতে পারে আইডিয়া আছে? তিন লক্ষেরও বেশি। এ ভাবে হবে না। একটা না একটা প্যাটার্ন তো থাকবে। সেটা ক্র্যাক করতে হবে।’

    ভাদুড়িমশায় বললেন, ‘আমার মাথায় একটা সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। বলব? ‘ ‘বলো, বলো,’ অপালা চেঁচিয়ে উঠল।

    ‘দেখো, আট হালাকুর মৃত্যুদিন। সেটা দিয়ে গিয়াসুদ্দিন একটা নিৰ্দেশ দিয়েছেন। এবার পরের নির্দেশটা কি জন্মমাস হতে পারে? ফেব্রুয়ারি মানে দুই? দুই নম্বর অক্ষরটা শুরুতে বসিয়ে দেখবে?

    ‘চলো চলো। আমরা করছি। তুমিও করো।’

    আবার নতুন করে পুরোটা লিখলেন ভাদুড়িমশায়। দুই নম্বর অক্ষর ‘পা’-কে তুলে এনে শুরুতে বসালেন। তাতে ব্যাপারটা দাঁড়াল এরকম: ‘পা লো ঈ র শ ঈ স তা মা।’

    আর লেখা শেষ হতে না হতেই অপালা চিৎকার করে উঠল,

    ‘দাদু আই গেট ইট। পেয়েছি, পেয়েছি। আমরা ক্র্যাক করে ফেলেছি। দাদু, ছয়, সাত আর আট নম্বর লেটার দেখো। দীর্ঘ ঈ, দন্ত্য স আর তা। চতুর্থ লেটার র। ঈসতার। (ইশতার) দেবী ইনান্নার পরবর্তী কালের নাম। আক্কাদিয়ানরা ইনান্নাকে এই নামেই ডাকত। তা হলে বাকি পাঁচটা লেটার কী কী পড়ে রইল আমাদের হাতে? ১) পা, ২) লো, ৩) ঈ, ৫) শ, ৯) মা। পা লো ঈ শ মা। যাহ! এটা আবার কী বলতে চাইল?’

    ফোনের এ পার থেকে ভাদুড়িমশায় বললেন, ‘দিদিভাই, দিদিভাই। শান্ত হও। তুমি অতিরিক্ত উত্তেজিত হয়ে পড়েছ। আমি কিন্তু দেখতে পেয়ে গেছি।’

    ‘কী? দেখতে পেয়ে গেছ? বলো দাদু, প্লিজ বলো। আমি সত্যি আর একসাইটমেন্ট চেপে রাখতে পারছি না। মনে হচ্ছে অজ্ঞান হয়ে যাব।’

    ‘বলছি, বলছি,’ হাসলেন ভাদুড়িমশায়, আমরা একটা গণ্ডগোল করেছি। পাঁচ নম্বর শব্দ ‘আশয়তানু’-র অনুবাদ করেছি শয়তান। কিন্তু শয়তান তো সংস্কৃত শব্দ নয়। সংস্কৃতে শয়তানের প্রতিশব্দ কী হতে পারে? রাক্ষস হতে পারে তো?’

    ‘পারে।’

    ‘তা হলে শয়তানের বদলে রাক্ষসের ‘রা’ বসিয়ে দেখো পাঁচ নম্বরে। আমার মন বলছে তুমিও দেখতে পাবে।’

    দ্রুত হাতে লিখল অপালা, ১) পা, ২) লো, ৩) ঈ, ৫) রা, ৯) মা। আর অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল কাগজটার দিকে। দাদু ঠিক বলেছে। এই তো অক্ষরগুলো নড়াচড়া করে তার চোখের মধ্যে দিয়ে মাথায় বসিয়ে দিচ্ছে একটা জায়গার নাম। ১ ২ ৯ ৩ ৫। পা লো মা ঈ রা। পালমাইরা! সিরিয়ায় অবস্থিত এক প্রাচীন শহর। মেসোপটেমিয়া অতীত গৌরবের সাক্ষ্য বহনকারী এক শহর। সে বলল, ‘তার মানে গিয়াসুদ্দিন পালমাইরার কোনও ইশতার মন্দিরের কথা বলছেন?’

    থেমে থেমে ভাদুড়িমশায় বললেন, ‘আমারও তাই মনে হচ্ছে দিদি। সত্যি সত্যি প্রথম সূত্র ভেঙে দ্বিতীয় সূত্র অবধি পৌঁছে গেছি আমরা। তুমি এক্ষুনি তাকি সাহেবকে খবর দাও। আমি আপাতত রাখছি।’

    ফোন রেখে দিলেন ভাদুড়িমশায়। এতক্ষণ মনের মধ্যে যে ভারটা ছিল সেটা অনেকটা হালকা হয়ে গেছে। এত দ্রুত প্রথম সূত্রটার সমাধান করা যাবে তিনিও ভাবেননি। এগোচ্ছেন, তাঁরা একটু একটু করে তিতাসকে উদ্ধারের দিকে এগোচ্ছেন। তাঁর মন বলছে, পরের সূত্রটার সমাধানও হয়ে যাবে, শুধু মাঝে কাঁটার মতো আটকে আছে পল্লব আর রোশনি। যত দ্রুত সম্ভব ওদেরও খুঁজে বার করতে হবে। এই সব ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ অন্য একটা বিষয় মাথায় আসতেই থমকে গেলেন ভাদুড়িমশায়। মস্তিষ্ক অদ্ভুত এক যন্ত্র। নানা তথ্যের মধ্যে কখন যেন সে বিসদৃশ তথ্যটিকে আলাদা করে ফেলে এবং অস্বস্তির কারণ তৈরি করে। এই মুহূর্তে ঠিক সেটাই হচ্ছে। ব্যাপারটা যত ভাবছেন তাঁর অস্বস্তি হচ্ছে। খুব খুব আবছা, প্রায় অদৃশ্য এবং অজানা কোনও এক বিপদের উপস্থিতি টের পাচ্ছে তাঁর ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়।

    ভুরুটা কুঁচকে গেল ভাদুড়িমশায়ের।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ধুন্ধুমার – তমোঘ্ন নস্কর
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }