Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী

    সৌভিক চক্রবর্তী এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লাপিস লাজুলি – ২১

    ॥ একুশ ॥

    ফেব্রুয়ারি, বর্তমান কাল

    কতক্ষণ ধরে বাইক ছোটাচ্ছে খেয়াল নেই রোশনির। বিছে-মানুষের দল রণে ভঙ্গ দিয়েছে অনেক আগেই। তবু সে থামেনি। গতির মধ্যে একটা মাদকতা আছে। সেই নেশার টানেই যেন অনির্দেশ্যের দিকে ছুটে চলেছে সে। কোথায় যাবে, কী হবে কিছুই আর ভাবতে ইচ্ছে করছে না। স্নায়ুগুলো কেমন যেন স্থবির হয়ে গেছে। তবু থামতে হল রোশনিকে। ডার্ট বাইকটা তেল রিজার্ভে পড়ে যাওয়ার সিগন্যাল দিতে শুরু করল। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল রোশনি। এই অদ্ভুত, ভয়ানক রূপকথার দেশে এই বাইকটা আর বন্দুকটা তার দুইমাত্র সম্বল। তার একটাও কিছুক্ষণে দেহ রাখবে। বোঝা হয়ে উঠবে। তার পরে? আর ভাবতে ইচ্ছে করল না রোশনির। সে ঠিক করল, যতক্ষণ না তেল পুরোপুরি ফুরিয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ চালিয়ে যাবে বাইকটা তার পরে যা হবে দেখা যাবে। যদি কোনও ভাবে এখান থেকে বেরোতে না পারে বন্দুকটা তো আছে। ওতে কয়েকটা গুলিও আছে। সোজা নিজের কপালে ঠেকিয়ে ট্রিগার টেনে দেবে। এখানকার বকচ্ছপ প্রাণীগুলোর হাতে বা ওই ভয়ানক ঘাস বা অ্যাসিড-জলে প্রাণ দেবে না কিছুতেই।

    সামনে তাকাল রোশনি। কিছু দূরেই একটা সবুজ ঘাসে ছাওয়া টিলা। তার পাশ দিয়েই নদীটা ডান দিকে বেঁকে গিয়ে দৃষ্টিসীমার আড়ালে চলে গিয়েছে। ডান দিকে এগিয়ে যাওয়া ছাড়া গতি নেই। আবার বাইক ছোটাল রোশনি আর ডান দিকে বাঁক নিতেই সে থমকে গেল। এতক্ষণ ধরে যে জায়গাগুলো সে পার করে এল, এই জায়গার চরিত্র তার চেয়ে একেবারেই আলাদা। এতক্ষণ ধরে দেখা ছবির বইয়ের মতো নয় বরং অনেকটা তার চেনা পৃথিবীর মতো। ভেলভেটের মতো সবুজ ঘাস নয়, বরং কোথাও ঘাস, কোথাও মাটি। ঘাসগুলোও অত ঝকঝকে নয়, স্বাভাবিক। নদীর জলটাও অমন কাকচক্ষু নয়, একটু ঘোলাটে। পথের ধারে অযত্নে বেড়ে ওঠা বুনো ফুলের ঝোপ। তার ওপরে প্রজাপতি ওড়াউড়ি করছে আর সবচেয়ে বড়ো কথা নদীর ধারে গাছের ছায়ায় একটা ছোট্ট কুটির। সামনেটা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। দাওয়ায় শুকোচ্ছে কাপড়। দেখেই বোঝা যাচ্ছে এখানে মানুষ থাকে। এক লহমায় মনটা ভালো হয়ে গেল রোশনির কিন্তু পরক্ষণেই চোখে ভেসে উঠল, স্বচ্ছ অ্যাসিডে বিছে-মানুষের গলে মিশে যাওয়ার দৃশ্যটা। কানে বেজে উঠল তার হাহাকার। দ্রুত গাছের আড়ালে বাইকটা লুকিয়ে নিজেও লুকিয়ে পড়ল সে। জায়গাটাই যখন এমন ফালতু তখন এই কুটিরে মানুষ থাকে এটা নিয়ে এতটা নিশ্চিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। এখুনি হয়তো দেখা যাবে কুটির থেকে কোনও এক ভয়াবহ প্রাণী আর মানুষের একটা বকচ্ছপ বেরিয়ে এল! কিন্তু না, রোশনিকে অবাক করে কুটিরের ভেতর থেকে বেরিয়ে এল একটা মানুষ! আরও নির্দিষ্ট করে বললে এক জন বৃদ্ধা মানুষ।

    দাওয়ায় দাঁড়িয়ে বৃদ্ধা চারপাশটা একটু দেখলেন। শুকোতে দেওয়া কাপড়টা তুলে কুটিরের দাওয়ায় রাখলেন তার পরে একটা কাঠের বালতি মতো পাত্র নিয়ে নদীর পাড়ে উবু হয়ে বসে জল তুললেন। রোশনি অবাক হয়ে দেখল, এই জল আসলেই জল। বালতিটা কুটিরের বাইরে রেখে বৃদ্ধা কুটিরের ভেতরে ঢোকা মাত্র রোশনি গাছের আড়াল থেকে বেরিয়ে এল। সে নিশ্চিত হয়ে গেছে, এই কুটিরে যারা থাকে তারাই এই রূপকথার দেশ থেকে বাইরে বেরোনোর রাস্তা বলতে পারবে। প্রথমে সে ভালো করে বলবে, অনুরোধ করবে। না শুনলে বল প্রয়োগ করবে। বন্দুকটা হাতে নিয়ে সে পা বাড়াল কুটিরের উদ্দেশে।

    যতটা উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে এসেছিল দাওয়ায় উঠে ততটাই নিরুৎসাহ হয়ে পড়ল রোশনি। চলে তো এল কিন্তু কী বলে ডাকবে ওই বৃদ্ধাকে? কোন ভাষায় কথা বলেন ওই বৃদ্ধা? মধ্যপ্রাচ্যে আসার পর যাদের সঙ্গেই মোলাকাত হয়েছে তারা হয় আরবি নয়তো কুর্দ বলে। সে ভাষার এক বর্ণও বোঝে না রোশনি। তা হলে? একটু চুপ থেকে গা ঝাড়া দিয়ে উঠল রোশনি, দরকার হলে ইশারায় বোঝাবে। যা আছে কপালে! যে তিনটে ভাষা সে জানে সেগুলো মিলিয়ে মিশিয়েই জোরে হাঁক দিল, ‘হেল্লো… হেল্লো… ক্যান ইউ হিয়ার মি? শুনছেন? আপ শুন রহে হো না? হেল্লো…’

    বেশিক্ষণ ডাকতে হল না। ভেতর থেকে হন্তদন্ত হয়ে বেরিয়ে এলেন সেই বৃদ্ধা আর তার পিছু পিছু এক বৃদ্ধ। রোশনিকে দেখেই তাঁরা স্তব্ধ হয়ে গেলেন। একদম পাথরের মূর্তির মতো। নির্জীব, নির্বাক, চলচ্ছক্তিহীন। শুধু অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন রোশনির দিকে। কাউকে কোনও দিন এত অবাক হতে দেখেনি রোশনি। পৃথিবীর সমস্ত বিস্ময় এসে যেন জড়ো হয়েছে তাঁদের দু’জনের দৃষ্টিতে। এ ভাবেই অনেকটা সময় কেটে গেল, তার পরে ধীরে ধীরে নড়ে উঠল বৃদ্ধের ঠোঁট। ঠিক যেমন ভাবে ভাদুড়ি স্যারের গলা মাথার ভেতরে বেজে উঠেছিল, সে ভাবেই রোশনির মাথার মধ্যে অনুরণিত হল বৃদ্ধের কণ্ঠ। কণ্ঠ বলা ভুল, বার্তা। দুর্বোধ্য ভাষায় বিড়বিড় করে বৃদ্ধ যা বলছেন তা রোশনির নিজের বুদ্ধিগ্রাহ্য ভাষায় অনূদিত হয়ে যাচ্ছে মাথার ভেতরে। বৃদ্ধ বলছেন, ‘তুমি কি মানুষ?’

    রোশনি মাথা নাড়ল। বৃদ্ধ বললেন, ‘তুমি পৃথিবী থেকে এসেছ?’

    আবার মাথা নাড়ল রোশনি। ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে এলেন বৃদ্ধ একদম সামনে এসে দাঁড়ালেন। এতটাই কাছে যে তাঁর নিশ্বাসের উষ্ণতা টের পাচ্ছে রোশনি। কিন্তু এ বার আর সে ভয় পেল না। তার ষষ্ঠেন্দ্রিয় বলল, এখানে কোনও বিপদ নেই। কয়েক মুহূর্ত রোশনির চোখের দিকে তাকিয়ে রইলেন বৃদ্ধ তার পরে স্পর্শ করলেন রোশনির হাত। রোশনির সারা শরীরে যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল। কারেন্টে শক রোশনি ছোটো বেলায় বেশ কয়েক বার খেয়েছে কিন্তু এই অনুভূতি তেমনটা নয়। এ যেন বিশাল বিপুলায়তন এক চুম্বক তুলনায় অতিক্ষুদ্র এক চুম্বককে আকর্ষণ করছে। সেই টান এমন অমোঘ এক আত্মীয়তার যা খুব সহজেই নুনজলে গুলে ফেলে আস্ত হৃদয়। আচমকাই রোশনির চোখে জল এসে গেল। খুব নরম স্বরে বৃদ্ধ বললেন, ‘কেঁদো না মা।’

    দুর্বোধ্য ভাষায় বৃদ্ধাকে কিছু একটা নির্দেশ দিলেন বৃদ্ধ। বৃদ্ধা দ্রুত গিয়ে কুটিরের ভেতর থেকে খেজুর পাতায় বোনা চাটাই এনে বিছিয়ে দিলেন দাওয়ায়। রোশনির হাত ধরে বৃদ্ধ নিয়ে গেলেন সে দিকে, ‘এসো। বোসো।’ রোশনি বসল। বৃদ্ধ বসলেন তার সামনে। বৃদ্ধা এগিয়ে দিলেন তামার গেলাসে সুশীতল জল আর কাঠের বাটিতে কয়েকটা খেজুর। খুব খিদে পেয়েছিল রোশনির। তেষ্টাও পেয়েছিল তেমন জোরে। সবক’টা খেজুর খেয়ে এক নিশ্বাসে জলটা শেষ করে সে বলল, ‘ধন্যবাদ।’

    দু’জনেই স্মিত হাসলেন। এবার ঠোঁট নড়ল বৃদ্ধার। রোশনি শুনতে পেল তিনি বলছেন, ‘আর একটু জল খাবে?’

    রোশনি এতক্ষণে বুঝতে পেরেছে, ভাষা আলাদা হলেও ভাব প্রকাশে সমস্যা নেই। মনে মনে কিছু ভাবলেই এই বৃদ্ধ আর বৃদ্ধা সেটা শুনতে পাচ্ছেন। ওঁদের কথাও বুঝতে পারছে সে। এখানে কথা বলার দরকার নেই। মনে মনে ভাবলেই চলে। সে মাথা নাড়ল, ‘নাহ। আর না।’

    ‘বেশ,’ এবার বৃদ্ধাও বসে পড়লেন রোশনির পাশে। বৃদ্ধ বললেন, ‘তোমার নাম কী মা?’

    ‘রোশনি।’

    ‘কী ভাবে এখানে এলে তুমি?’

    আইসিস জঙ্গিদের তাড়া খাওয়া থেকে শুরু করে সবটা খুলে বলল রোশনি। গাছের আড়ালে লুকিয়ে রাখা বাইকটাও আঙুল দিয়ে দেখাল সে। শুনতে শুনতে আবার অবাক হয়ে গেলেন দু’জনে। বাইকটা নিয়ে বেশ কৌতূহল প্রকাশ করলেন বৃদ্ধ তারপর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বৃদ্ধার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘দুনিয়াটা কত বদলে গেছে তাই না? সেই গিলগামেশ এসেছিল, তার পরে এই রোশনি। কত বছর হল বলো তো?’

    রোশনি ভাবল, এঁরাও তার মতো কোনও ভাবে এখানে এসে পড়েছিল তার পরে এখানেই থেকে গেছে। মাঝে গিলগামেশ বলে কেউ একটা এসেছিল। কিন্তু সে কোথায়? তাকে তো দেখতে পাচ্ছে না। তবে কি সে এখান থেকে বাইরে যেতে পেরেছে? গিলগামেশ যদি যেতে পারে সেও পারবে। কিন্তু এঁরা কেন বলছেন দুনিয়া অনেক বদলে গেছে? কত দিন আগে এসেছিল লোকটা? বিশ বছর? তিরিশ বছর?

    কর গুনছিলেন বৃদ্ধা। বৃদ্ধ তাড়া দিলেন, ‘কী গো বলো কত বছর হল?’

    কর গোনা শেষ করে বৃদ্ধা মুখ তুললেন। থেমে থেমে বললেন, ‘সাড়ে চার হাজারের বেশি বই তো কম নয়।’

    ছিটকে সোজা হয়ে দাঁড়াল রোশনি, ‘কত? কত বললেন?’

    বৃদ্ধ বললেন, ‘সাড়ে চার হাজার বছরের বেশি। সে কি আজকের কথা!’ ভুল হয়েছে। এই শয়তানের রাজত্বে কাউকে বিশ্বাস করাই ভুল হয়েছে। এই বুড়ো-বুড়ি তাকে মিথ্যে কথা বলছে। তার বিরুদ্ধে কোনও একটা ষড়যন্ত্র করছে। আর যদি এরা সত্যি বলে থাকে তা হলে তো এরা আরও মারাত্মক। গিলগামেশ যদি সাড়ে চার হাজার বছর আগে এখানে এসে থাকে তা হলে

    এদের বয়স কত? এরা মানুষ নয়। মানুষ হতে পারে না এরা। এরা হয় ভগবান নয় শয়তান। না, নিশ্চিত শয়তান। কয়েক সেকেন্ড দু’জনের দিকে তাকিয়ে রইল রোশনি তার পরে বন্দুক ধরল বৃদ্ধের কপালে।

    ভয় পাওয়া তো দূরস্থান, দু’জনের কেউ চমকালও না। দু’জনের শরীরী ভাষাতেই অদ্ভুত একটা বৈরাগ্য আছে। নির্লিপ্তি আছে। বিস্ময়ের ভাবটা থিতিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাদের মধ্যে মূলত উদাসীনতাই লক্ষ করেছে রোশনি। আর একটা জিনিস লক্ষ করেছে, এরা দু’জনেই খুব ধীর। সামান্য তাড়াটুকুও যেন এদের নেই। অবশ্য পাঁচ হাজার বছর ধরে যদি এরা বেঁচে থাকে তা হলে তাড়া না থাকারই কথা। এদের কাছে আক্ষরিক অর্থেই ‘সময়ের দাম নেই’। নিরুত্তাপ কণ্ঠে বৃদ্ধ বললেন, ‘কী এটা? কোনও অস্ত্র?’

    কঠিন গলায় রোশনি বলল, ‘আমার সঙ্গে চালাকি করার চেষ্টা করবেন না। আপনাদের সঙ্গে আমার কোনও শত্রুতা নেই। আমাকে বলে দিন এখান থেকে কী ভাবে বেরোব? আমি চলে যাচ্ছি।’

    রোশনির কথার উত্তর না দিয়ে বৃদ্ধ বললেন, ‘এটা কোন ধাতু? তামা বা ব্রোঞ্জ তো নয়।’

    রোশনি বলল, ‘যে ধাতুই হোক, এর একটা গুলি কিন্তু আপনার মাথাটা ছাতু করে দেবে। তাড়াতাড়ি বলুন, কী ভাবে বেরোব এখান থেকে?’

    বৃদ্ধ একটু হাসলেন। সে হাসিতে অপার করুণা। বললেন, ‘তুমি আমায় মারতে পারবে না মা। আমার মৃত্যু নেই। দেব এনলিলের বরে আমরা দু’জনেই অমর। চাইলে তুমি অস্ত্রচালনা করে দেখতে পারো।’

    এক জন অশীতিপর বৃদ্ধের ওপর গুলি চালিয়ে দেবে এতটাও কসাই রোশনি নয়। কিছুক্ষণ আগের বলপ্রয়োগ করার ভাবনাটা যে ভুল হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছিল সে। জঙ্গি শিবিরে গুলি চালিয়েছে প্রাণের দায়ে। এখানেও প্রাণের দায় আছে কিন্তু অমোঘ আত্মীয়তার টানটাও বড্ড প্রকট। এ বারে সে অনুভব করছে, এই বৃদ্ধ মিথ্যে বলছেন না। এত বিশ্বাসের সঙ্গে মিথ্যে বলা যায় না। বন্দুক ফেলে দিয়ে দু’হাতে মুখ ঢেকে বসে পড়ল রোশনি। অস্ফুটে বলল, ‘আমায় মাফ করুন। আপনারা কারা আমি জানি না কিন্তু দয়া করে আমাকে এখান থেকে বেরোনোর রাস্তা বলে দিন।’

    রোশনির পিঠে হাত রেখে বৃদ্ধ বললেন, ‘নিশ্চয়ই বলব। আমরা চাই না কেউ এখানে থেকে যাক। আমরা ছাড়া কোনও জীবিত মানুষের এখানে থাকার কথাও নয়। এ যে জীবন আর মৃত্যুর মাঝের এক টুকরো ধূসর জায়গা। আমরা অমর কিন্তু এই দীর্ঘ জীবন আসলে অভিশাপ। এত দিন ধরে বেঁচে থাকায় কোনও সুখ নেই। আনন্দ নেই।’

    রোশনি বলল, ‘আপনারা কারা?’

    বৃদ্ধ বললেন, ‘আমি শুরুপ্পক নগরের রাজা উত নাপিশতিম আর ও আমার স্ত্রী। আজ থেকে পাঁচ হাজার বছর আগে পৃথিবীতে ভয়াবহ এক বন্যার সৃষ্টি করেছিলেন দেবতারা। মানুষের সভ্যতাকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। তখন দেব এনকির নির্দেশে মানুষের সৃষ্টি করা বিজ্ঞান, শিল্প, কৃষি, ধাতুবিদ্যার নানা নিদর্শন, এক জোড়া করে সব পশুপাখি আর আমার কিছু লোকজন নিয়ে আমি নৌকা করে ভেসে পড়ি। ছয় দিন, ছয় রাত পরে বন্যার জল নামলে ডাঙা খুঁজে পাই। নতুন করে মানবসভ্যতার বীজ রোপণ করি। তাতেই দেব এনলিল খুশি হয়ে আমাকে আর ওকে অমরত্বের বর দেন। নতুন করে মানবসভ্যতা তৈরি করার পরে আমি আর ও এখানে চলে এসেছিলাম। তখন থেকেই আমাদের জীবনে অখণ্ড সময়, অপার শান্তি।’

    অবাক হয়ে রোশনি ভাবল, ‘এ তো বাইবেলের নোয়ার গল্প। নোয়ার নৌকা। উত নাপিশতিম তবে সুমেরীয়দের নোয়া!

    বৃদ্ধ বললেন, ‘সাড়ে চার হাজার বছর আগে গিলগামেশ এসেছিল। তার পরে তুমি এলে। এর মাঝে আর কেউ আসেনি। আমি তোমাকেও এখান থেকে বেরোনোর রাস্তা বলে দেব তবে তার আগে তোমাকে আমার গল্প শুনতে হবে।’

    আশার আলো জ্বলে উঠল রোশনির মুখে, ‘গল্প শুনলেই বেরোনোর রাস্তা বলে দেবেন?’

    ‘দেব। আমরা মিথ্যে বলি না। কিন্তু একটা শর্ত আছে মা।’

    ভুরু কুঁচকে গেল রোশনির, ‘কী শর্ত?’

    ‘গল্পটা শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়া চলবে না।’

    ‘ঘুমোব কেন?’

    ‘কারণ আমার গল্পটা বেশ লম্বা আর মোটেই খুব একটা উত্তেজনাপূর্ণ নয়। ওই ছয় দিন, ছয় রাত ধরে আমরা যে নৌকা চালিয়েছিলাম তার গল্প। সেই যাত্রাপথের বিবরণ।’

    ‘বুঝেছি। আপনি শুরু করুন।’

    বৃদ্ধার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলেন বৃদ্ধ। বৃদ্ধা ঘরের ভেতর থেকে রুটি বানানোর সরঞ্জাম বার করে দাওয়াতেই রুটি বানাতে বসে গেলেন। রোশনি ভাবল, গল্প শোনা হয়ে গেলে খাওয়া-দাওয়া হবে। কিন্তু বৃদ্ধের মুচকি হাসির অর্থটা সে ধরতে পারল না।

    বৃদ্ধ গল্প বলা শুরু করলেন। শুরুপ্পক নগরে কী ভাবে রাজ্য শাসন করতেন সেই দিয়ে গল্প শুরু হয়েছে। গল্প বলার ধরনটা খুব একঘেয়ে আর বলেই চলেছেন তিনি। এত বোরিং কথক জীবনে দেখেনি রোশনি। ওদের কলেজে একজন অধ্যাপক ছিলেন এসকেডি, তাঁকে ওরা ‘বোরিংসম্রাট’ আখ্যা দিয়েছিল। ওরা মজা করে বলত, যারা অ্যাকিউট ইনসমনিয়ায় ভুগছে তারা যদি এসকেডি-র ক্লাসে আসে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। রোশনি ভাবল, ওর বন্ধুরা কেউ এই বৃদ্ধের গল্প শোনেনি। ইনি এসকেডি-র চেয়েও ভয়াবহ। এই জন্যই শুরুতে ঘুম পাওয়ায় ব্যাপারটা বলে দিয়েছিলেন বৃদ্ধ। যদিও ঘুম পায়নি কিন্তু একটানা বসে থেকে রোশনির কোমর ধরে গেল। এখানে তো ছাতা সময়ের হিসেবটাও বোঝা যায় না। উঠে দাঁড়িয়ে আড়মোড়া ভেঙে সে আবার বসল। বলল, ‘আচ্ছা, কতক্ষণ লাগবে এই গল্পটা শেষ হতে?’

    বৃদ্ধ বললেন, ‘বাইরের পৃথিবীর হিসেবে ছয় দিন, ছয় রাত।’

    শিউরে উঠল রোশনি। সে টের পেল, ভয় নামের অনুভূতিটা আবার আরশোলার মতো তার পিঠ বাইছে। সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে সেই অস্বস্তি। কাঁপা গলায় সে বলল, ‘ছ’দিন? ওহ মাই গড! ছ’দিন একটানা জেগে থাকব কী করে? আচ্ছা যদি আমি ঘুমিয়ে পড়ি কী হবে?’

    বৃদ্ধ বললেন, ‘বলছি। তার আগে ওই রুটিটা দেখো।’

    রোশনি দেখল, বৃদ্ধা একটা ফুলকো গোল রুটি বানিয়ে একটা তামার পাত্রে রাখলেন। বৃদ্ধ বললেন, ‘ওই রুটিটা হল গিয়ে তোমার চেতনা। যেই তোমার ঘুম পাবে ওমনি রুটিটার গায়ে ছাতা পড়তে শুরু করবে। ফলে তুমি আমাদের বলতে পারবে না যে তুমি ঘুমোওনি বা তোমার ঘুম পায়নি।’ অস্থির হয়ে রোশনি বলল, ‘বুঝেছি। আপনারা আটঘাট বেঁধে নেমেছেন। এবার বলুন ঘুমিয়ে পড়লে কী হবে?’

    থেমে থেমে বৃদ্ধ বললেন, ‘রুটিটায় পোকা লেগে যাবে আর তুমি কোনও দিন তোমার পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারবে না। আমাদের সঙ্গেই তোমায় থেকে যেতে হবে অনন্তকাল।’

    পিঠ বাইতে বাইতে ভয়টা এবার রোশনির ঘাড় কামড়ে ধরল। এত ভয় সে জীবনে কোনও দিন পায়নি। গেনু নামের ছেলেটা যখন তাকে মারতে এসেছিল বা জঙ্গিরা যখন তাকে ধর্ষণ করার কথা বলছিল তখনও না। এমনকী বিছে-মানুষের মুখোমুখি হয়েও না। রোশনি বুঝতে পারল, সে একটা মাকড়সার জালের ঠিক মাঝখানে আটকে পড়েছে। যত বেরোনোর চেষ্টা করছে ততই জড়িয়ে যাচ্ছে। গলাটা শুকিয়ে কাঠ। কাঁপা গলায় সে বলল, ‘জল।’

    রোশনির প্রতিক্রিয়ায় কোনও হেলদোল হল না বৃদ্ধের। জলের গেলাস এগিয়ে দিয়ে তিনি ফের তাঁর সেই একঘেয়ে গল্প বলতে শুরু করলেন। ঘুম নামের অদৃশ্য এক লোমশ ভল্লুক ঘুরে বেড়াতে শুরু করল রোশনির চারপাশে। তার নিশ্বাসের শব্দ পেতে লাগল রোশনি। কিছুক্ষণ পাথরের মতো বসে রইল সে তার পরে আচমকাই ঠিক করে নিল, যাই হয়ে যাক সে ঘুমোবে না। সে কথা দিয়ে এসেছে, পল্লবকে ওই নরক থেকে বার করবে। তাকে ঘুমোলে চলবে না। উত নাপিশতিম জানেন না, জীবন আর মৃত্যুর মাঝে ধূসর জগতে রোশনি এই প্রথম বার আসছে না। একটা সময় সে জীবত হয়েই কাটিয়েছে। বাবার অপমানে রোজ মরে যেতে ইচ্ছে করত আর মায়ের মুখ চেয়ে বেঁচে থাকতে হতো। মায়ের মৃত্যুর পরে তো জীবনটা মরুভূমির চেয়েও শুকনো হয়ে গেছিল। সেই রুক্ষতায় অভ্যস্তও হয়ে গেছিল সে। মাঝখান থেকে আষাঢ় মাসের প্রথম দিনের ভারী ব্যাপক বৃষ্টির মতো পল্লব তার জীবনে এসে পড়ল। এসে পড়ল বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল হয়ে। মরুভূমিতে জলাভূমির সৃষ্টি হল। তাতে জন্ম নিল প্রাণ। ধীরে ধীরে তৈরি হল আস্ত একটা বাস্তুতন্ত্র। ভালোবাসার খেলনাবাড়ি। হলই বা খেলনা তবু বাড়ি তো! মানুষ তো সারাজীবন ধরে নিজের একটা বাড়ি বানাতে চায়। পল্লব জানে না, কোনও এক দিন, এক দিনের জন্যও সে রোশনির কাছে এসে থাকতে পারে এই আশায় রোশনি তার দুই কামরার ফ্ল্যাটটাকে বাড়ি বানিয়ে তুলেছে। পল্লবের জন্য কিনে রেখেছে নতুন ব্রাশ। ঘরে পরার হাওয়াই চটি। দুটো নতুন বারমুডা। দুটো টি-শার্ট। পল্লবের পছন্দের পারফিউম। বাথরুমের শাওয়ারটা খারাপ হয়ে গেছিল। রোশনির অসুবিধে হতো না বালতিতে চান করতে। কিন্তু শাওয়ারটা ঠিক করিয়েছে সে। বাথরুমে বসিয়েছে নতুন গিজার। লাগিয়েছে আয়না। আয়নার সঙ্গে একটা তাকও আছে। সেখানে রেখে দিয়েছে শেভিং জেল, রেজর আর আফটার শেভ লোশন। পল্লব যদিও দাড়ি রাখে কিন্তু রোশনির কাছে এসে দাড়ি কামাতে চাইতেও তো পারে। তখন? বালিশগুলোয় নতুন তুলো ভরেছে রোশনি। শিমুল তুলো। শিমুল তুলো ব্যাপারটাই ভারি রোম্যান্টিক। যেন তুলোর নরম আর শিমুল ফুলের উজ্জ্বল লাল রং মিলেমিশে যায়। সে রক্তিম পেলবতায় মাথা রেখেও সুখ। রোশনির খুব ইচ্ছে করে পল্লবের কোলে মাথা রেখে শুতে। লজ্জায় চমকে ওঠে সে। না না, সে কিছুতেই বেশিক্ষণ পল্লবদার কোলে শুয়ে থাকতে পারবে না। তার ভেতরের রাক্ষুসিটা জেগে উঠবে। পল্লবদাকে গিলে নেবে সবটা তার পর গেঁথে নেবে নিজের মধ্যে। গলিত লাভায় পুড়ে খাক হয়ে যাবে ভেতরটা। আহ! কী আকাঙ্ক্ষিত এই দহন। রোশনি কোনও দিন এ কথা মুখ ফুটে পল্লবকে বলতে পারবে না। কিন্তু ভাবতে তো পারবে। বাস্তবে হলই বা পল্লব অন্য কারও কিন্তু তার মনের গহনে, তার স্বপ্নকল্পনায় পল্লব পুরোপুরি তার। যাই হয়ে যাক, পল্লবকে দেওয়া কথা রাখতেই হবে। এই মৃত্যুপুরী থেকে বাইরে বেরোতেই হবে। দাঁতে দাঁত চেপে সোজা হয়ে বসল রোশনি। বুড়ো তাকে ছয় দিন, ছয় রাত ধরে বোরিং নৌকাযাত্রার গল্প শোনাবে তো? শোনাতে থাক। সে ডুব দেবে নিজের কল্পনায়। সে এই মুহূর্ত থেকে মনে মনে পল্লবের সঙ্গে আন্দামানে রওনা দেবে। যাত্রাপথের প্রতিটা মিনিট মনে মনে ভাববে। সেও দেখবে কেমন করে ঘুম আসে!

    বৃদ্ধ বলে চললেন। রোশনির কানে ঢুকল না সে সব। সে ভাবতে শুরু করল একদম গোড়া থেকে। যেন তার বাড়ির দরজায় কলিং বেল বেজে উঠল। দরজা খুলেই সে দেখল, ট্রলি ব্যাগ হাতে পল্লব দাঁড়িয়ে আছে। পল্লব বলল, ‘রেডি?’

    সে মাথা নাড়ল। তার পরে দরজায় তালা দিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নেমে এল নীচে। উঠে পড়ল ট্যাক্সিতে। বাইপাস ধরে ট্যাক্সি ছুটল এয়ারপোর্টের দিকে।

    ***

    ছয় দিন, ছয় রাত পরে উত নাপিশতিম যখন তাঁর গল্প বলা শেষ করলেন, রোশনি তখন সবে হ্যাভলকে তিন দিন কাটিয়ে নীল আইল্যান্ডে পৌঁছেছে। পল্লব তার হাত ধরে তাকে ক্রুজ থেকে নামাচ্ছে। নীলের নিবিড় নীল জলরাশি তাদের স্বাগত জানাচ্ছে।

    বিপুল বিস্ময়ে স্তব্ধ হয়ে বসে রইলেন উত নাপিশতিম আর তাঁর স্ত্রী। গিলগামেশও যা পারেনি এই মেয়েটি পেরেছে। অসাধ্যসাধন করেছে। ছয় দিন, ছয় রাত ধরে একটানা জেগে থেকেছে। ঘুমকে ধারেকাছে আসতে দেয়নি। কী করে পারল মেয়েটি? মেয়েটির মনের গহনে ডুব দিলেন মহাবৃদ্ধ আর দিতেই স্তম্ভিত হয়ে গেলেন। ভালোবাসার এমন বিশুদ্ধতম প্রকাশ তিনি গত পাঁচ হাজার বছরে দেখেননি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ধুন্ধুমার – তমোঘ্ন নস্কর
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }