Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী

    সৌভিক চক্রবর্তী এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লাপিস লাজুলি – ১২

    ॥ বারো ॥

    ফেব্রুয়ারি, বর্তমান কাল

    অবশেষে আট দিন পরে আজ আসল ভিসা এসে পৌঁছেছে। পল্লবকে নিয়ে প্রবল দুশ্চিন্তার মাঝেও নিজের কাজটা ভোলেননি সমীরণ। ঠিক ভিসা পাঠিয়ে দিয়েছেন। পল্লবের ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে বিশদে কথা হয়েছে অপালার। সমীরণের আশঙ্কাই ঠিক। জাওয়াসামিরা আইসিস-দের খাবার পাঠানোর জন্যই জাহাজ লুঠ করেছিল। পল্লব আর রোশনি কোনও একটি আইসিস ক্যাম্পে আটকে পড়েছে। কিন্তু সেটা কোথায় এখনও জানা যায়নি। ভাদুড়িমশায় তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন অনবরত।

    পল্লবের খবরটা শোনার পর থেকেই প্রচণ্ড ভেঙে পড়েছিল সঞ্জয়। ভাদুড়ি মশায় নিজে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। মশায় বলেছেন, ‘আমি তো গোড়াতেই তোমাদের বলেছিলাম এই পথের পদে পদে বিপদ। কিন্তু আমার গুরু বলতেন, ‘বিপদ যখন খুব বেশি করে ঘনিয়ে ওঠে তখন তার মধ্যে থেকেই উঁকি দেন বিপত্তারণ।’ বিপদ যখন হয়েছে তার থেকে ত্রাণও হবে। আমার অনুমান, পল্লব আর রোশনি দু’জনেই এখনও বেঁচে আছে আর তোমরা জানো আমার অনুমান অভ্রান্ত। আমি বুঝতে পারছি সঞ্জয়, তোমার ঠিক কতটা মন খারাপ। কিন্তু আমাদের তো থেমে গেলে চলবে না বাবা। গীতায় কী বলেছে জানো? চক্রবৎ পরিবর্তন্তে সুখানি চ দুঃখানি চ। সুখ আর দুঃখ একটা সাইক্লিক্যাল অর্ডারে চলে। আজ তুমি দুঃখ পাচ্ছ, তোমার দুঃসময় যাচ্ছে মানে সুখের দিন সমাগত। তবে বাবা, ‘এসো, সুসংবাদ এসো’ বলে হাপিত্যেশ করে বসে থাকলে কোনও লাভ হয় না। সুসংবাদ যাতে আসে তার চেষ্টা করে যেতে হয় অবিরত। আমরা সবাই খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আর সেই জন্যই আমার মন বলছে আমাদের সব ভালো হবে। পল্লবদের ফিরে তো পাবই তার সঙ্গে খুঁজে পাব দেবী ইনান্নার দণ্ড। তিতাসকেও আমরা উদ্ধার করতে পারব। তোমরা যে কাজে গেছ সেই কাজে লেগে-পড়ে থাকো। লেগে-পড়ে থাকলেই অলৌকিক হবে।’

    ভাদুড়িমশায়ের পেপটকে কাজ দিয়েছে। সকাল হতেই সঞ্জয় আর অপালা বেরিয়ে পড়েছে ইরাক মিউজিয়মের উদ্দেশে। ব্যাবিলন রোটানার সামনে গুলি চলার ঘটনার কারণ যদিও এখনও জানা যায়নি তবু সমীরণ ইরাকের ইন্ডিয়ান এমব্যাসির অনুমতি নিয়ে ওদের সঙ্গে একজন সশস্ত্র প্রহরী দিয়েছেন। গাড়িটাও এসেছে এমব্যাসি থেকে। ওরা দু’জন এই মুহূর্তে এমব্যাসির ডেলিগেট। মিউজিয়মের ডিরেক্টর জেনারেল রিচার্ড বেকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া হয়েছে আগে থেকেই। ভাদুড়িমশায় নিজেও কথা বলেছেন বেক সাহেবের সঙ্গে। বেক সাহেব আর্কিওলজির জগতে খুব নামকরা লোক। একটা দীর্ঘ সময় কলকাতার ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তখনই কোচবিহার থেকে উদ্ধার হওয়া একটা দুর্গা মূর্তির সময়কাল নির্ণয় প্রসঙ্গে ভাদুড়িমশায়ের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়েছিল। মশায় আর্কিওলজির লোক নন কিন্তু ভারতীয় দেব-দেবীর বিবর্তনে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য সেই সময় সকলের সংশয় নিরসন করেছিল। সেই থেকেই বেক সাহেব ভাদুড়িমশায়ের গুণগ্রাহী। তিতাসের ওপরে লোকনাথ কোন তন্ত্র প্রয়োগ করেছে বুঝতে পারার পর সেই রাতে ভাদুড়িমশায় প্রথম ফোনটা করেছিলেন বেক সাহেবকে। দ্বিতীয়টা সমীরণকে। কারণ বেক সাহেব বলেছিলেন, ‘দেবী ইনান্নাকে নিয়ে যাবতীয় যা গবেষণা এবং মিথ তার সর্বোত্তম ব্যাখ্যা দিতে পারবেন এক জনই আর তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলে ইরাকে আসতে হবে।’

    রিচার্ড বেকের বয়স ষাট থেকে সত্তরের মাঝখানে। লম্বা দোহারা চেহারা। মাথার চুল সব সাদা। পরিষ্কার করে দাড়ি-গোঁফ কামানো। চোখে রিমলেস চশমা। বাগদাদের বিখ্যাত ব্রেকফাস্ট ডিশ ‘মুখাল্লামাহ’ আর ইরাকি চা সহযোগে উষ্ণ অভ্যর্থনা করলেন বেক সাহেব। অপালার কাছ থেকে ভাদুড়িমশায়ের খবরাখবর নিলেন। তার পরে বললেন, ‘তোমরা দেবী ইনান্নার ব্যাপারে জানতে চাও সে আমি শুনেছি। কিন্তু প্রাচীন মেসোপটেমিয়া নিয়ে আমার জ্ঞান খুব বেশি নয়। বাকি গবেষকেরা যা জানেন আমিও তাই জানি। এই ব্যাপারে যিনি মাস্টার আমি তাঁর সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেব। তাকি আল তুসি। আমাদের মিউজিয়মের কিউরেটর। প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার ব্যাপারে উনি একটি চলমান এনসাইক্লোপিডিয়া আর তার থেকেও বড়ো কথা হি ইজ আ মিথ কালেক্টর। ওঁর নিজের গবেষণা মেসোপটেমিয়ান মিথ নিয়েই। দশটা বাজতে পাঁচ তো? ভদ্রলোক আর পাঁচ মিনিটে চলে আসবেন। ভেরি মাচ পাংচুয়াল।’

    বলতে বলতেই দরজায় টকটক শব্দ হল। বেক সাহেব বললেন, ‘প্লিজ কাম ইন।’

    দরজা খুলে মুখ বাড়ালেন ছিমছাম চেহারার এক প্রৌঢ়। পরনে কালো স্যুট। মাথায় ‘শেহমাগ’, এক ধরনের স্কার্ফ। সযত্নে লালিত লম্বা সাদা দাড়ি। চোখে ভারী পাওয়ারের চশমা। ঘাড় নুইয়ে বললেন, ‘গুড মর্নিং স্যার।’

    বেক সাহেব উঠে দাঁড়ালেন, ‘ভেরি গুড মর্নিং স্যার’, সঞ্জয়দের বললেন, ‘ইনিই তাকি আল তুসি।’

    সঞ্জয়রা উঠে দাঁড়িয়ে সুপ্রভাত জানাল। প্রত্যুত্তরে তিনিও অভিবাদন জানালেন ঘাড় নুইয়ে। বেক সাহেব বললেন, ‘এদের কথাই বলছিলাম আপনাকে। ওরা আপনার সঙ্গে কথা বলতে চায়।’

    একটু অবাক হয়েই সঞ্জয় আর অপালাকে দেখলেন প্রৌঢ়। তারপরে হেসে চোস্ত ইংরেজিতে বললেন, ‘দে আর ভেরি ইয়াং। এত কমবয়সি কারও মেসোপটেমিয়া নিয়ে আগ্রহ থাকতে পারে আমি ভাবতে পারিনি। এসো এসো। স্যার, আমি ওদের আমার ঘরে নিয়ে যাচ্ছি?’

    ‘শিওর,’ ঘাড় নাড়লেন বেক সাহেব।

    ইরাক মিউজিয়ামের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিল্ডিং-এর লম্বা করিডোর ধরে তাকি আল তুসির পিছু পিছু ওঁর চেম্বারে এসে ঢুকল অপালা আর সঞ্জয়। বিরাট বড়ো চেম্বার। এক প্রান্তে বিশাল এক টেবিল। অন্য প্রান্তে সোফা, সেন্টার টেবিল। ঘরের দু’দিকের তাকেই থরে থরে বই। দেওয়ালে টাঙানো প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার ম্যাপ। সোফায় বসে তাকি সাহেব বললেন, ‘বোসো। বলো কী জানতে চাও।’

    অপালা ভাদুড়িমশায়কে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘আমরা কোথা থেকে খোঁজ শুরু করব দাদু?’

    ভাদুড়ি মশায় বলেছিলেন, ‘এর উত্তর সঠিক ভাবে আমার কাছেও নেই। কে যে আমাদের দিশা দেখাতে পারবে আমি জানি না। তবে আমি যেহেতু অ্যাকাডেমিকসের লোক আমার ভরসাও তাঁদের ওপর। মিস্টার বেক যাঁর সঙ্গে কথা বলতে বলবেন তাঁকে তোমাদের উদ্দেশ্য খুলে বলবে।’

    অপালা অবাক হয়েছিল, ‘বলে দেব যে আমরা দেবীর দণ্ড খুঁজতে এসেছি?’

    ‘হ্যাঁ বলে দেবে। কী এসে যাবে বললে?’

    ‘না, ব্যাপারটা কনফিডেন্সিয়াল তো!’

    স্মিত হেসেছিলেন ভাদুড়িমশায়, ‘পাঁচ হাজার বছর ধরে যে জিনিস খুঁজে পাওয়া যায়নি তার চেয়ে বড়ো কনফিডেন্সিয়াল আর কী আছে দিদিভাই? আগে তো সন্ধানের অভিমুখ ঠিক করতে হবে। ইনান্না আর ইনান্নার দণ্ড বিষয়ক যা যা তথ্য পাচ্ছ আগে সংগ্রহ করে ফেলো। তার পরে সেই তথ্যের বিটুইন দ্য লাইনসে খোঁজ করতে থাকো। সেখান থেকেই মিথকে ডিকোড করতে হবে। তোমরা কী ভাবে খুঁজছ সেটা অবশ্যই কাউকে বলবে না। কিন্তু কী খুঁজতে চাইছ সেটা নির্দিষ্ট করে না বললে আসল তথ্যের মধ্যে যে অনেক বেনোজল ঢুকে পড়বে।’

    তাকি সাহেবের চোখে চোখ রেখে অপালা বলল, ‘স্যার, আমরা দেবী ইনান্নার দণ্ড খুঁজতে এসেছি।’

    কয়েক মুহূর্ত ওদের দিকে অপলকে তাকিয়ে রইলেন তাকি সাহেব তার পরে হো-হো করে হেসে উঠলেন, ‘ইন্ডিয়া থেকে এত দূরে এসেছ দেবী ইনান্নার মিথিক্যাল দণ্ড খুঁজতে? লোকে এক-দেড়শো বছর আগেই হাল ছেড়ে দিয়েছে। নতুন নতুন মেসোপটেমিয়ার ইতিহাস পড়ছ বুঝি?’

    পল্লবের মতে, মেয়েদের ঝাঁট সহজদাহ্য। ছেলেদের তুলনায় অনেক তাড়াতাড়ি জ্বলে। ঝাঁট একটি অপশব্দ। তাই ভদ্র ভাবে বললে, মেয়ে মাত্রই অতিমাত্রায় সংবেদনশীল। কথা ওরা মাটিতে পড়তে দেয় না। তার আগেই জন্টি রোডসের মতো ঝাঁপিয়ে লুফে নিয়ে গায়ে মেখে ফেলে। অপালাও এর বাইরে নয়। তাই ‘নতুন নতুন ইতিহাস পড়ছ’ কথাটা সে গায়ে মেখে নিল। কয়েক সেকেন্ড গুম হয়ে থেকে দুম করে বলল, ‘তা হলে তো স্যার যখন এল ডোরাডো বা আলেকজান্দ্রিয়ার কথা পড়েছিলাম সেগুলোও আমাদের খুঁজতে যাওয়ার কথা ছিল। তাই না? আমরা কিন্তু যাইনি স্যার।’

    অপালার শেষটা ধরতে পারলেন প্রৌঢ়। মুখটা গম্ভীর হয়ে গেল। সঞ্জয় ভাবল, এ বার একটা ঝামেলা লাগবে। আলোচনাটা শুরুর আগেই শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু সে কিছু বলার আগেই অপালা বলে উঠল, ‘আমার ঔদ্ধত্য মাফ করবেন স্যার। আসলে আমরা খুব বিপদের মধ্যে আছি। আমাদের এই খোঁজটা অ্যাকাডেমিক নয়। খুব পার্সোনাল।’

    অবাক হলেন তাকি সাহেব, ‘পার্সোনাল?’

    ‘ইয়েস স্যার।’

    ‘কী রকম জানতে পারি?’

    একটু ইতস্তত করে অপালা বলল, ‘স্যার, আপনি অলৌকিকে বিশ্বাস করেন?’

    উলটে প্রশ্ন করলেন প্রৌঢ়, ‘কেন?’

    থমথমে মুখে অপালা বলল, ‘আমরা একটা অলৌকিক ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছি স্যার। আমাদের এক বন্ধু তাতে ভীষণ ভাবে এফেক্টেড হয়েছে। তার ওপরে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার এক তন্ত্র প্রয়োগ করা হয়েছে। সে নরকে চলে গেছে। তাকে বাঁচাতে গেলে এই মেসোপটেমিয়ান তন্ত্রমতেই তাকে ফিরিয়ে আনতে হবে আর মেসোপটেমিয়ান মিথ বলছে, নরকের দরজা দেবী ইনান্নার দণ্ড ছাড়া খোলা যায় না।’

    একবিংশ শতাব্দীতে ইলেকট্রিকের আলো জ্বলা, এসি চলতে থাকা একটা ঘরে বসে কথাগুলো বলতে অপালারই কেমন অস্বস্তি হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, কেউ শুনলে তাকে পাগল বলবে। হেসে উড়িয়ে দেবে। কিন্তু তারা জানে এটাই সত্যি। তবে তাকি সাহেব হাসলেন না। সোজা হয়ে বসলেন, ‘আর ইউ সিরিয়াস?’

    ‘ভেরি মাচ স্যার।’

    ‘এটা তো খুব প্রাচীন একটা তন্ত্র। যার ওপরে প্রয়োগ করা হয় সে নিজেকে দেবী ইনান্না ভাবতে শুরু করে এবং পাপের ঘড়া পূর্ণ হলে তার নরকগমন হয়। তাকে উদ্ধার করতে গেলে খুলতে হয় নরকের দরজা!’

    অবাক হয়ে সঞ্জয় বলে বসল, ‘স্যার, আপনি জানেন!

    হাতের ওপর মৃদু চাপ দিল অপালা, ‘আহ! কী হচ্ছে! উনি জানবেন না? হি ইজ দ্য মিথ কালেক্টর।’

    মনে মনে জিভ কাটল সঞ্জয়। বলল, ‘ঠিকই তো। ঠিকই তো।’

    কিন্তু ওদের এই কথোপকথনে মন নেই তাকি সাহেবের। তাঁর মুখে বিস্ময় লেগে আছে ঘামে লেপটে যাওয়া পাউডারের মতো। বললেন, ‘এই সব তন্ত্রের কথা তো সাধারণ মানুষের জানার কথা নয়! ইন্ডিয়ায় বসে কেউ এই তন্ত্র প্রয়োগ করছে! আর তোমরা এত কিছু জানলে কোথা থেকে?’

    অপালা বলল, ‘আমার দাদু বলেছেন। মিস্টার বেক ওঁকে চেনেন। বিভিন্ন দেশের তন্ত্রের ব্যাপারে উনি একজন অথরিটি। যাই হোক, স্যার, আপনার কাছে আমার আরনেস্ট রিকোয়েস্ট, প্লিজ হেল্প আস। যে করে হোক ওই দণ্ড আমাদের খুঁজে বার করতেই হবে কিন্তু আমরা জানি না কোথা থেকে খোঁজ শুরু করব!’

    টেবিলের ওপর রাখা কাচের গ্লাস থেকে জল খেলেন তাকি সাহেব। বললেন, ‘আসলে আমিও তো এ ভাবে ভাবিনি কখনো। পাঁচ হাজার বছর ধরে যে জিনিস খুঁজে পাওয়া যায়নি সেটা যে সত্যি থাকতে পারে আমার মাথায় আসেনি। মানে এখনও আমি কনভিন্সড নই। প্রাচীনতম সভ্যতার প্রাচীনতম মিথ। কোথা থেকে ডিকোড করা শুরু করব? সত্যি জানি না। আমাকে একটু ভাবার সময় দাও। আমি মিস্টার বেককে বলব তোমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।

    ওরা বুঝতে পারল, ভদ্রলোক এখন আর কথা বাড়াতে চাইছেন না। বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে এল দু’জনে। গাড়ি ছুটল হোটেলের দিকে। তাকি সাহেবের সঙ্গে কী কথা হয়েছে অপালা সেটা ফোনে জানিয়ে দিল ভাদুড়িমশায়কে। সঞ্জয় ফোন করল সমীরণ বসাককে। পল্লবদের খবর নিতে। নতুন কোনও খবর পাওয়া গেল না।

    এখন ওরা যে হোটেলে আছে সেখান থেকে মিউজিয়াম ঘণ্টা দেড়েকের রাস্তা। সিটে মাথা হেলিয়ে সঞ্জয় বলল, ‘কাজের কাজ তো কিছু হল না।’

    অপালা বলল, ‘এত সহজে তো সেটা হওয়ারও নয়।’

    ‘সে জানি। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে তাকি সাহেব আমাদের খুব একটা সাহায্য করতে পারবেন না। শেষকালে দেখলে কেমন যেন মিইয়ে গেলেন?’

    ‘হুম। আমারও তাই মনে হচ্ছে। লেটস সি,’ অপালার গলাতেও ক্লান্তি। দু’জনেই চুপ করে বসে রইল। সামনে যখন নিঃসীম শূন্যতা থাকে, দূরদূরান্তেও আশার আলো দেখা যায় না তখন চুপ করে যাওয়া ছাড়া কোনও উপায় থাকে না। সঞ্জয় যত বেশি করে মনটাকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করতে লাগল তত বেশি করে পল্লবের চিন্তা মাথায় ভিড় করে এল। এক সময় আর থাকতে না পেরে বলল, ‘এ ভাবে চুপ করে থাকলে খুব অস্বস্তি হচ্ছে। কথা বলো অপালা।’

    অপালা অবাক, ‘কী কথা বলব?’

    একটু ভেবে সঞ্জয় বলল, ‘দেবী ইনান্নার গল্পটা তো অর্ধেক বলেছিলে। ওটা শেষ করো।’

    ‘এখন?’

    ‘হ্যাঁ, দু’জনেরই মনটা ডাইভার্ট করা দরকার। সময়টাও কেটে যাবে। ‘হুম। কোথায় শেষ করেছিলাম তোমার মনে আছে?’

    ‘আছে। দুমুজির সঙ্গে ইনান্নার বিয়ে হল আর তার পরেই গন্ডগোল শুরু হল। কী গন্ডগোল হল বলো এ বার।’

    গল্প বলার সুযোগ পেয়ে অপালার মনের মেঘটাও যেন কাটছে। সিটের ওপরে পা তুলে বসে সঞ্জয়ের দিকে ঘুরে সে বলল, ‘রাইট। দেখো ইনান্নাকে নিয়ে নানা মিথ সে তোমাকে আগেও বলেছি। বেশ কিছু জায়গায় ক্রোনোলজির গন্ডগোল আছে। সেগুলোকে আমি নিজের মতো করে সাজিয়ে বলছি। তা দুমুজির সঙ্গে বিয়ের পরে ভালোবাসার ব্যাপারটা মোটামুটি সর্টেড হল।’

    ‘মোটামুটি কেন,’ প্রশ্ন করল সঞ্জয়।

    ‘আরে বাবা সুমেরীয় ভাষায় ইনান্না মানে স্বর্গের রানি। ইনান্না যৌনতার দেবী। তিনি কি আলুনি নাকি যে চিরকাল এক পুরুষে আসক্ত থাকবেন?’

    সঞ্জয়ের আজন্মলালিত পৌরুষের সংস্কার একটা ধাক্কা খেল। একটু-একটু ভয়ও লাগল আচমকা। নীচু গলায় বলল, ‘এক পুরুষে আসক্ত থাকাটাকে আলুনি মনে করো?’

    সঞ্জয়ের মনের কথাটা পড়ে ফেলল অপালা। দুষ্টু হাসি ফুটে উঠল ঠোঁটের কোণে, ‘কাম অন সঞ্জয়। প্রেম আর সেক্স দুটো আলাদা এনটিটি। এটা জানো তো?’

    ‘জানি। কিন্তু…’

    ‘মানতে পারো না তাই তো,’ কথা কেটে প্রশ্ন করল অপালা।

    ‘হুম। আমি এত মডার্ন নই।’

    ‘জানি। আর তোমার আমাকে নিয়ে এত চিন্তার কিছু নেই। আমি যা যা বিশ্বাস করি সব যে নিজের জীবনে অ্যাপ্লাই করি এমন নয়। বুঝেছ?’

    অপালা তার মনের কথা পড়ে ফেলেছে। আবার লজ্জা পেয়ে গেল সঞ্জয়। প্রতিবাদের সুরে বলল, ‘আমি মোটেই ব্যাপারটা ও ভাবে…’

    তাকে থামিয়ে দিয়ে অপালা বলল, ‘তুমি হাঁ করলে আমি হাওড়া বুঝি হ্যাঁ? আমাকে বেশি বোঝাতে এসো না। গল্পটা কি কন্টিনিউ করব?’

    তার প্রতি অপালার প্রেমটা মায়ের হাতে বোনা সোয়েটারের মতো জাপটে বসল সঞ্জয়ের গায়ে। সেই ওমটা উপভোগ করতে করতে মাথা নাড়ল সঞ্জয়, ‘করো করো। আর ইন্টারাপ্ট করব না।’

    অপালা বলল, ‘গুড। তা ভালোবাসার ব্যাপারটা সর্টেড হওয়ার পরে ইনান্নার মনে হল তিনি দেবরাজ আনুর মেয়ে কিন্তু তাঁর তেমন খাতির নেই। চললেন উরুক নগরে। আনুর অধিষ্ঠান যেখানে। আনুকে গিয়ে বললেন, তাঁরও একটা মন্দির চাই। আনু তো মেয়ের খামখেয়ালিপনার ব্যাপারে অবহিত। তাঁর খুব একটা ইচ্ছে ছিল না কিন্তু ইনান্না এমন কান্নাকাটি করলেন পিতৃহৃদয় গলে গেল। মেয়ের আবদার ফেলা কি আর মুখের কথা? কতকটা বাধ্য হয়েই অনুমতি দিলেন আনু। উরুক নগরেই তাঁর মন্দিরের পাশে ইনান্নার মন্দির তৈরি হল। দারুণ সুন্দর বাগান তৈরি হল। সেই বাগানে ‘হুলুপ্পু’ গাছের চারা লাগালেন ইনান্না। তাঁর ইচ্ছে, গাছ যখন বড়ো হবে তখন সেই গাছের কাঠ দিয়ে একটা দারুণ সিংহাসন আর একটা খাট বানাবেন। কিন্তু গাছ বড়ো হতে তো দেরি আছে। তত দিন? ইনান্না তো থিতু হতে জানেন না। কেওস ছাড়া থাকতে পারেন না। অতএব নতুন খেয়াল চাপল মাথায়।’

    ‘কী খেয়াল?’

    দেবরাজ আনুর মেয়ে হলেও, বাবার মন্দিরের পাশে মন্দির তৈরি হলেও এখনও তিনি প্রধান দেবতাদের মধ্যে পড়েন না। তিনি এখনও সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন। তাঁর ইচ্ছে হল ফার্স্ট ক্লাসে উঠতে হবে আর তার জন্য দরকার একটা জিনিস।’

    ‘কী?’

    ‘মে।’

    ‘হোয়াট?’

    মে। মে। হড়বড় কোরো না। বুঝিয়ে বলছি। এই যে বিশাল জগৎ সেটা তো আর হাওয়ায় চলে না। সেটা সুষ্ঠু ভাবে চালানোর জন্য নানা ধরনের স্কিল লাগে। এই যে নানারকম স্কিল এগুলো এক-একজন প্রধান দেবতার অধিকারে ছিল। এই স্কিলগুলোকেই সুমেরীয় ভাষায় বলা হত মে। যেমন কারও কাছে ছিল শিল্পের মে, কারও কাছে লেখাপড়ার মে, কারও কাছে কৃষিকাজের মে, কারও কাছে কামার-কুমোরের মে, কারও কাছে চিকিৎসার মে। বুঝেছ?’

    ‘হুম। মানে এখন যেমন এক-একজন মন্ত্রীর আন্ডারে এক-একটা ডিপার্টমেন্ট?’

    ‘রাইট। আর সমস্ত মে-র কেন্দ্রীয় অধিকার ছিল আনুর কাছে। যেমন মুখ্যমন্ত্রী। কে কোন দফতর পাবে তিনিই ঠিক করেন। তা ইনান্না আনুকে বললেন তাঁরও একটা মে চাই। এ বার আর আনু রাজি হলেন না। বললেন, সবাইকে মে দেওয়া যায় না। মে ব্যবহার করতে গেলে সবার আগে কম্পোজড হতে হয়। সেটা তো ইনান্নার ধাতেই নেই। তাই বিগ নো।’

    ‘ইনান্না নিশ্চয়ই কিছু একটা কাণ্ড ঘটালেন?’

    ‘এই তো তুমি দেবীকে বুঝতে শুরু করেছ। একদমই তাই। কিছু দিন তিনি চুপচাপ রইলেন আর সুযোগ খুঁজতে লাগলেন। এ দিকে আনুর বয়স হচ্ছিল বলে তিনি রিটায়ার করবেন ঠিক করলেন আর মে-র কেন্দ্রীয় দায়িত্ব তুলে দিলেন জলের দেবতা এনকির কাছে। ব্যস, প্ল্যান সাজিয়ে ফেললেন ইনান্না। এনকির সঙ্গে দেখা করে মদ খেতে বসলেন।’

    ‘কী! দেবী মদ খেতে বসলেন?’

    ‘শোনো সঞ্জয়, প্রাচীন দুনিয়াটা আজকের থেকে অনেক বেশি আধুনিক ছিল। তখন কেউ কথায় কথায় মেয়েদের জাজ করত না,’ খ্যাঁক করে উঠল অপালা, ‘সময় যত গড়িয়েছে মানুষ শুধু বাইরেই স্মার্ট হয়েছে। আসল স্মার্টনেসটা থাকে চেতনায়। চেতনার উন্নতি তো দূর, অবনতি হয়েছে। যাই হোক যেটা বলছিলাম শোনো, মদ খাইয়ে এনকিকে একেবারে পেড়ে ফেললেন ইনান্না। একে পেটে মদ পড়েছে তার ওপরে সামনে অমন আগুনের খাপরার মতো মেয়েমানুষ, এনকি একেবারে কল্পতরু হয়ে গেলেন। এক-এক করে ইনান্নাকে সবক’টা মে দিয়ে দিলেন।’

    ‘বলো কী!’

    ‘ইয়েস মাই বয়। পুরুষেরা চিরকালই কাছাখোলা। আপ্তবাক্য আছে জানো না? পুরুষ দেহে একসঙ্গে দু’জায়গায় রক্ত থাকে না?’

    ‘মানে?’

    ‘রক্তজালিকা দিয়ে তৈরি একটা অরগ্যানে ব্লাড ফ্লো বেশি হলে ব্রেনটা খালি হয়ে যায়। যাক গে, এনকির থেকে সবক’টা মে নিয়ে ইনান্না পালিয়ে গেলেন পাতালে। নরকে। বোন এরেশকিগাল-এর কাছে। দুনিয়া জুড়ে হাহাকার পড়ে গেল। সব কাজ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হল। আর এই সব কিছুর সঙ্গে মোরালিটি মানে নীতিজ্ঞানের মে-ও তো ছিল। দুনিয়ার সবাই নীতিহীন হয়ে পড়ল। যা-তা হতে লাগল। দেবতাদের মাথায় হাত পড়ে গেল।’

    ‘তার পরে?’

    ‘দেবতারা গিয়ে আনুর কাছে ইনান্নার নামে কমপ্লেন করলেন। লজ্জায় মাথা কাটা গেল আনুর। খুব রেগে গিয়ে তিনি এরেশকিগালকে নির্দেশ দিলেন, এক্ষুনি ইনান্নাকে ফেরত পাঠাও। কিন্তু ফেরত পাঠাও বললেই তো আর হল না। নরক গমন সোজা কিন্তু সেখান থেকে বেরোনো সোজা কথা নয়। কেউ যদি নরক থেকে ফিরে আসতে চায় তা হলে মর্ত্যলোক বা স্বর্গলোক থেকে কাউকে একটা যেতে হবে তার বিনিময়ে। একের বদলে এক। এ দিকে ইনান্নারও আর ভালো লাগছিল না নরকে। সেখানে তো মর্ত্য বা স্বর্গের মতো মজা নেই। সারাক্ষণ ডিপ্রেসিং অন্ধকার। তাই তিনি এরেশকিগালকে কথা দিলেন ওপরে উঠে এসে একজনকে নীচে পাঠিয়ে দেবেন। আর কাকে পাঠালেন জানো?’

    ‘কাকে?’

    ‘বাড়ি ফিরে ইনান্না দেখলেন তাঁর অনুপস্থিতিতে স্বামী দুমুজি অন্য একটা মেয়ের সঙ্গে ফস্টিনস্টি করছেন। ব্যস তার কেটে গেল। দুমুজিকে পাঠিয়ে দিলেন নরকে।’

    ‘হোয়াট দ্য…!’

    ‘হুম। ইনান্না এ-রকমই। দ্য মোস্ট পাওয়ারফুল উওম্যান ইন মেসোপটেমিয়ান মিথ। সব মেয়ের ভেতরেই একটা দেবী ইনান্না থাকে। বেশি ঘাঁটিয়েছ কী মরেছ!’

    ‘আমাকে কি কখনো ঘাঁটাতে দেখেছ?’

    ‘তুমি তো লক্ষ্মী ছেলে,’ সঞ্জয়ের গাল টিপে দিল অপালা। গল্প বলতে বলতে মনটা হালকা হয়েছে তার।

    সঞ্জয় দেখল, ড্রাইভার আড়চোখে তাদের দেখছে। দ্রুত বলে উঠল, ‘ইনান্নার গল্প কি এখানেই শেষ?’

    ‘হুম। নরক গমনের গল্পটা এখানেই মোটামুটি শেষ। তবে এর পরে আরও একটা ইন্টারেস্টিং কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন দেবীসাহেবা। রাজা ‘গিলগামেশ’কে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এমন ঝামেলায় ফেলেছিলেন গিলগামেশকে যে অমরত্বের জন্য তাঁকে যেতে হয়েছিল ‘উত নাপিশতিম’-এর কাছে।’

    ‘বাবা! কী খটোমটো সব নাম। গিলগামেশ মানে কিউনিফর্ম লিপিতে লেখা মহাকাব্য ‘এপিক অব গিলগামেশ’-এর রাজা?’

    ‘রাইট।’

    ‘কিন্তু উত নাপিশতিম! সে কে?’

    ‘বলব পরে। এখন বললে আর মাথায় রাখতে পারবে না। আর কতক্ষণ গো?’

    ঘড়ি দেখে সঞ্জয় বলল, ‘আর মিনিট পাঁচেকের মধ্যে তো পৌঁছে যাওয়ার কথা। হোটেলে কি লাঞ্চ বলে দেব?’

    ‘নাহ, পেট ভরতি। আজ দুপুরে কিছু খাব না। একটু ঘুমোব। খুব ক্লান্ত লাগছে।’

    অপালার হাতের ওপরে হাত রাখল সঞ্জয়। আচমকাই একটা অদ্ভুত প্রশ্ন জাগল তার মনে। বলল, ‘আচ্ছা অপালা একটা কথা বলো। স্যারের কথা অনুসারে তিতাস এখন দেবী ইনান্না। তাই তার নরকগমন হয়েছে। তা হলে কি তিতাসকে নরক থেকে ফিরিয়ে আনতে কাউকে একটা ওখানে যেতে হবে? ইনান্নার বদলে নরকে গিয়েছিলেন তাঁর স্বামী দুমুজি। তা হলে এ ক্ষেত্রে কে? পল্লব!’

    চমকে উঠল অপালা। এই প্রশ্নের উত্তর সে জানে না কিন্তু অজানা এক আশঙ্কায় দু’জনেরই হাড় হিম হয়ে গেল আর তখনই পেছনের গলি থেকে বেরিয়ে একটা কালো গাড়ি ওদের পিছু নিল। গাড়িটায় এক জন ড্রাইভার। এক জন সওয়ারি। সওয়ারির হাতে একটা অত্যাধুনিক লাইট মেশিনগান। সেকেন্ডে কুড়ি রাউন্ড গুলি চালাতে সক্ষম। কম রেঞ্জে একাধিক লোককে মারতে অসম্ভব কার্যকরী। তার ওপরে নির্দেশ আছে, র-এর এজেন্ট দু’জন গাড়ি থেকে নামা মাত্রই গুলিবৃষ্টি করতে হবে। তাতে যদি আর কেউ মরে তো মরবে।

    বন্দুকটায় একবার হাত বুলিয়ে নিল ঘাতক। আর মিনিট তিনেকের মধ্যে সামনের গাড়িটা হোটেলের কাছে পৌঁছে যাবে। স্নায়ুগুলোকে টান টান করে নিল সে। তখনই তার কাছে একটা ফোন এল। ফোনের ওপার থেকে একটা কণ্ঠ নির্দেশ দিল, ‘এখুনি জাজিরা ক্যাম্পে যাও। কমান্ডার ওমর হাসান শহিদ হয়েছেন।’

    চমকে উঠল ঘাতক, ‘কী?’

    ‘ইয়েস। যা বললাম করো।’

    ‘আর অপারেশনটা?’

    ‘অ্যাবৰ্ট।’

    পেছনের কালো গাড়িটার ওপরে সন্দেহ জাগল গার্ডের। সঞ্জয় আর অপালার উদ্দেশ্যে সে বলল, ‘কেউ আমাদের ফলো করছে।’

    চমকে পেছনে তাকাল দু’জনে আর তখনই গাড়িটা বাঁ-দিকের একটা গলিতে ঢুকে গেল। নিশ্চিন্ত হল গার্ড। অস্বস্তির হাসি হেসে বলল, আমি একটু বেশিই ভেবে ফেলেছিলাম।’

    ‘সরি।

    অপালাদের গাড়িটা এসে দাঁড়াল হোটেলের সামনে। গার্ডকে বিদায় জানিয়ে রিসেপশনে আসতেই রিসেপশনিস্ট সঞ্জয় আর অপালাকে বলল, ‘তাকি আল তুসি বলে একজন ফোন করেছিলেন। আপনাদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাইছিলেন। কখন দেব?’

    এক বার চোখাচোখি হল দু’জনের। অপালা বলল, ‘এসাপ। উনি যদি এক্ষুনি আসতে পারেন তো এক্ষুনি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ধুন্ধুমার – তমোঘ্ন নস্কর
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }