Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী

    সৌভিক চক্রবর্তী এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লাপিস লাজুলি – ২২

    ॥ বাইশ ॥

    ফেব্রুয়ারি, বর্তমান কাল

    ছ’দিন হয়ে গেছে কিন্তু এখনও সংকেতটা উদ্ধার করা যায়নি। সঞ্জয়কে দেখতে পাগলের মতো লাগছে। চুল উশকোখুশকো। গালে দাড়ি। চোখ লাল। কাগজ পেন ছেড়ে সে হোটেল রুমের দেওয়ালে অবধি নানা রকমের আঁক কষেছে। হোটেল অথরিটি জানিয়ে দিয়েছে, এর জন্য বেশ মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তাকি সাহেব তাতেও রাজি। যত দিন যাচ্ছে তাকি সাহেবের অস্থিরতা তত বাড়ছে। ভদ্রলোকের অসহায়তাটা বুঝতে পারছে অপালা। সে তো নিজেও একই রকম অসহায় বোধ করছে। দলের এক জন প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে কিন্তু ইচ্ছে থাকলেও তারা কোনও সাহায্য করতে পারছে না। ভাদুড়িমশায়কেও সূত্রটা পাঠানো হয়েছে কিন্তু তিনিও বলেছেন, ‘এ আমার সাধ্যের বাইরে।’

    অমিয় আর সমীরণও চেষ্টা করেছেন কিন্তু তাঁরাও কিছু উদ্ধার করে উঠতে পারেননি।

    এত কাছে এসেও কি তবে অধরা থেকে যাবে দেবীর দণ্ড? এক একটা সময় তো রীতিমতো হতাশ লাগছে। তবে তার থেকেও বেশি মায়া লাগছে সঞ্জয়ের জন্য। যত সময় গড়াচ্ছে সঞ্জয় তত খিটখিটে হয়ে উঠছে। মাঝে তিন দিন তো এমন জ্বর হল বিছানা থেকে মাথা তুলতে পারছিল না। গত দু’দিন একটু ভালো আছে। হোটেলের রেস্তরাঁ থেকে সঞ্জয়ের জন্য একটা কাস্টার্ড নিয়ে এসে অপালা দেখল, সঞ্জয় মাটিতে উবু হয়ে বসে আছে। সামনে একগাদা কাগজ ছড়ানো। অপালা ডাকল, ‘ওঠো। রাত দশটা বাজে। ডিনার তো করলে না। এটুকু খেয়ে নাও।’

    উঠতে চাইছিল না সঞ্জয়। তার হাত ধরে টেনে এনে বিছানায় বসাল অপালা। একটু কাস্টার্ড চামচে কেটে বলল, ‘হাঁ করো।’

    বাধ্য ছেলের মতো গোটা কাস্টার্ডটা খেয়ে নিল সঞ্জয়। প্রায় এক বোতল জল খেয়ে হাতের উলটো পিঠ দিয়ে মুখ মুছে বলল, ‘তুমি শুয়ে পড়ো। আমি আর একটু জাগব।’

    মাথায় হাত বুলিয়ে অপালা বলল, ‘না। তুমিও শুয়ে পড়বে।’

    রেগে গেল সঞ্জয়, ‘শুয়ে পড়ব? মাঝের চারটে নম্বর ‘ফিবোনাচি সিরিজ’, তাও কমপ্লিট নয়, এ ছাড়া আর কিচ্ছু বুঝতে পারিনি, এখন শুয়ে পড়ব?’

    ‘দাদু কী বলেছেন ভুলে গেলে? তুমি প্রচণ্ড বেশি রকম একসাইটেড হয়ে আছ। এই অবস্থায় তোমার মাথা কাজ করবে না। এত চাপ নিয়ো না প্লিজ। আজ রেস্ট নাও। কাল সকালে ঠান্ডা মাথায় ভাবো। ঠিক সলভ করে ফেলবে। এসো। মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিই। দু’দিনও হয়নি জ্বর ছেড়েছে। এখন রাত জাগলে জ্বরটা কিন্তু ফিরে আসতে পারে। তখন কিন্তু আরও ফ্রাস্টেটেড হয়ে যাবে।’

    সঞ্জয়কে আর কথা বাড়াতে না দিয়ে টেনে এনে বিছানায় শুইয়ে দিল অপালা। এখানে রাতের দিকে বেশ শীত লাগে। গায়ে একটা চাদর চাপা দিয়ে দিল। এতটাই ক্লান্ত ছিল সঞ্জয়, অপালা চুলে বিলি কাটতে-না-কাটতেই ঘুমে তলিয়ে গেল।

    ঘুমিয়ে-ঘুমিয়ে অদ্ভুত একটা স্বপ্ন দেখল সঞ্জয়। পল্লব আর সে মরুভূমির মাঝখানে একটা জিপে বসে আছে। জিপের গায়ে আবার জংলি লতা গজিয়েছে। জিপটাকে চিনতে পারল সঞ্জয়। এ তো প্রেসিডেন্সি কলেজের জিওলজি ডিপার্টমেন্টের সেই জিপটা। যেটা মেইন বিল্ডিং-এর সামনে দাঁড়িয়ে থাকত। বহু দিন না চলে চলে জিপটার চাকা মাটিতে বসে গেছিল। জিপের গা বেয়ে গজিয়েছিল বুনো লতা আর বোগেনভিলিয়া। এই জিপে উঠতে গিয়েই অমিয় এক বার বোলতার কামড় খেয়েছিল। সেই নিয়ে কী হাসাহাসি! সেই জিপটার মধ্যে বসেই গল্প করছে সে আর পল্লব। পল্লব বলছে, ‘বৈষ্ণব পদাবলির ওপরে এমন একটা বই লিখব যেটা রিকশাওলাও পড়ে বুঝতে পারবে।’

    সঞ্জয় বলছে, ‘বৈষ্ণব পদাবলি রিকশাওলার কী কাজে লাগবে?’

    পল্লব মাথা চুলকোচ্ছে। হঠাৎ খুব রেগে গিয়ে বলল, ‘অ্যাকাডেমিকসটা একটা বদ্ধ জলা। এখানে শুধু ভোঁদড়ের চাষ হয়। থাকবই না এখানে।’

    এমন সময় অমিয় এল। বলল, ‘সরে বোস।’

    পল্লব আর সে সরে গিয়ে অমিয়কে বসতে দিল। বসতে বসতেই অমিয় বলল, ‘এখন যদি প্রতিম চলে আসে ও কোথায় বসবে? সিট তো তিনটে।’

    পল্লব বলল, ‘ঠিকই তো। আচ্ছা সঞ্জয়, তুই তো এত জানিস, তিন নম্বরটার এত খাতির কেন বল দেখি? তিনটে ভুবন, তিনটে দেবতা, তিনটে নয়ন, তিনটে সত্যি, ম্যাকবেথের তিনটে উইচ এমনকী ট্রেনে-বাসে-গাড়িতে তিনটে করে সিট! কেসটা কী?’

    সঞ্জয় বলল, ‘তিন সংখ্যাটাই তো খুব স্পেশাল। দুনিয়ার সব ধর্মে, সব সংস্কৃতিতেই তিনকে খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। আসলে তিনের মধ্যে একটা পূর্ণতার ধারণা রয়েছে। আদি, মধ্য আর অন্ত।’

    পল্লব বলল, ‘সে তো বুঝলাম। কিন্তু কেন?

    সঞ্জয় বলল, ‘অন্য কনটেক্সটগুলো আমি অত ভালো জানি না কিন্তু গণিত শাস্ত্রে তিন সম্ভবত সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং নম্বর।’

    ‘কেন? বুঝিয়ে বল,’ বলল অমিয়।

    একটু ভেবে নিয়ে সঞ্জয় বলল, ‘পিথাগোরাসের নাম শুনেছিস তো? গ্রিসের বিখ্যাত গণিতবিদ। তিন ছিল পিথাগোরাসের সবচেয়ে প্রিয় নম্বর। এক এক করে বলি, তিন হল প্রথম মৌলিক সংখ্যা যার নীচের সংখ্যাগুলোর যোগফল সে নিজে। মানে ১ + ২ ৩। এটা কিন্তু অন্যগুলোর ক্ষেত্রে হবে না। মানে ধর পরের মৌলিক সংখ্যা ৫। তার নীচের সংখ্যাগুলোর যোগফল কিন্তু ৫ নয়। ১ + ২ + ৩ + ৪ = ১০। তার পরে আরও একটা মজা আছে ৩ আর তার নীচের সংখ্যাগুলো যোগ করলে যা হয়, গুণ করলেও তাই হয়। ১ + ২ + ৩ ৬, আবার ১ × ২ × ৩ = ৬। এটাও কিন্তু অন্য কোনও সংখ্যার বেলায় হবে না।’

    লাফিয়ে উঠল পল্লব, ‘হেবি ব্যাপার তো। আর কী কোয়ালিটি আছে তিনের?’

    সঞ্জয় বলতে গেল কিন্তু তার আগেই দেখল, অপালা গিয়াসুদ্দিনের সূত্র লেখা কাগজটা ধরে দাঁড়িয়ে আছে তার সামনে আর প্রেসিডেন্সি কলেজের বদলে সে দাঁড়িয়ে আছে একটা বিস্তীর্ণ মরুভূমির মাঝখানে। সেখানে বালির ওপর ফুটে উঠেছে দুটো সংখ্যা, ৩ আর ৪। ধীরে ধীরে ৩ মুছে গিয়ে শুধু জেগে রইল ৪। ক্রমশ সেটা বড়ো হতে লাগল।’

    স্বপ্নটা ভেঙে গেল। ধড়মড় করে বিছানায় উঠে বসল সঞ্জয়। অপালা ঘুমোচ্ছিল। এক ধাক্কায় তাকে তুলে দিয়ে বলল, ‘সমাধান করে ফেলেছি। উত্তরটা তিন।’

    কয়েক সেকেন্ড হাঁ করে তাকিয়ে রইল অপালা তার পরে বাঘিনির মতো সঞ্জয়ের ঠোঁট কামড়ে ধরল। ধাক্কা মেরে ফের শুইয়ে দিয়ে চেপে বসল তার ওপরে। কয়েক মূহূর্তের মধ্যে জেগে উঠল সঞ্জয়ও। ওপরে থেকেই তাকে নিজের ভেতরে নিয়ে নিল অপালা। সব ভুলে আদিম প্রেমের জোয়ারে ভেসে গেল দুই নর-নারী।

    কিছুক্ষণ পরে ধাতস্থ হয়ে সঞ্জয় বলল, ‘এটা কী হল?’

    জামা পরতে-পরতে অপালা বলল, ‘তিতাস হারিয়ে যাওয়ার পরে এত দিনে এই প্রথম বার হল। টেনশনও তো রিলিজ করতে হয় না কি? নাও এবার বলো কী সমাধান করেছ।’

    নিজেকে গুছিয়ে নিতে একটু সময় লাগল সঞ্জয়ের। তার পরে বলল, ‘উত্তরটা চোখের সামনেই ছিল কিন্তু দেখতে পাচ্ছিলাম না। উত্তরটা হল, তিন। হালাকু খাঁ সম্পর্কে গিয়াসুদ্দিন ন’টা বিশেষণ লিখেছিলেন। পালমাইরার ইশতার মন্দিরে ন’টা থাম। আমার মন বলছে, মন্দিরের তিন নম্বর থামটায় কিছু একটা আছে। ওখানেই দেবীর দণ্ডের হদিশ লুকিয়ে রেখেছেন গিয়াসুদ্দিন। তাকি সাহেবের কাছে চলো।’

    অপালা বলল, ‘যাব। তার আগে আমাকে বোঝাও কী করে সংকেতটা ভাঙলে?’

    ‘তোমাকে আর তাকি সাহেবকে একসঙ্গে বোঝাই?’

    ‘অবভিয়াসলি না’, খর গলায় বলল অপালা, ‘আমার প্রেমিক দ্য গ্রেট গিয়াসুদ্দিন আল তুসির সংকেত উদ্ধার করেছে আর সেটা আমি তাকি সাহেবের সঙ্গে বসে শুনব? নেভার। আমি আগে একা শুনব। দরকারে তাকি সাহেবকে আবার বলবে। কেন? দু’বার বলতে তোমার কষ্ট হবে?’

    অপালার চোখ দেখে সঞ্জয়ের অন্তরাত্মা শুকিয়ে গেল। ‘প্রেমিকা বা বউকে যে পুরুষ ভয় পায় না সে পুরুষই নয়।’ পল্লবের এই সূত্র মেনে সঞ্জয় বিছানায় বসেই হাত বাড়িয়ে একটা কাগজ আর কলম টেনে নিয়ে খসখস করে গিয়াসুদ্দিনের সূত্রটা লিখে ফেলল।

    ‘*, 8, ৬

    ৬, ১০, ১৫

    ২, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫

    ৫, ৭, ১১, ১৭’

    তার পরে কোনও ভণিতা না করে সোজা বিষয়টায় ঢুকে গেল, ‘এই গোটা সিরিজটায় আমাকে সবচেয়ে ঝামেলায় ফেলেছিল এই ৪ সংখ্যাটা আর সিরিজের তিন নম্বর ধাপের সিকোয়েন্সটা, ‘২, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫’। ৪ নিয়ে পরে বলছি। তার আগে সিকোয়েন্সটা নিয়ে বলি। সিকোয়েন্সটা দেখে আমি বুঝতে পারছিলাম, এটা একটা আধখ্যাচড়া ফিবোনাচি সিরিজ। ফিবোনাচি সিরিজ কাকে বলে জানো তো?’

    ‘না।’

    ‘ওকে। ফিবোনাচির আসল নাম লিওনার্দো বোনাচি। ইতালির মানুষ ১২০২ সালে তাঁর বিখ্যাত বই ‘লাইবার অ্যাবাচি’-তে তিনি এই সিরিজের উল্লেখ করেন। এটা এমন একটা সিরিজ যেখানে প্রতিটি উপাদান তার পূর্ববর্তী দুটো উপাদানের যোগফল। যেমন ০ + ১ = ১, ১ + ২ = ৩, ২ + ৩ = ৫,  ৩ + ৫ = ৮, ৫ + ৮ = ১৩, ৮ + ১৩ = ২১, ১৩ + ২১ = ৩৪। বুঝলে?’

    ‘মোটামুটি।’

    ‘এটা অঙ্কের একটা খুব সেলিব্রেটেড সিরিজ। কেন সেলিব্রেটেড সে জটিলতায় আর যাচ্ছি না। কিন্তু মুশকিল হল, গিয়াসুদ্দিনের সূত্রে এই সিরিজে চারটে সংখ্যা মিসিং। ০, ১, ৩ আর ৫। আমি বাকি সিকোয়েন্সগুলোর সঙ্গে ৩-এর যোগাযোগ খুঁজে পাচ্ছিলাম। প্রথম থেকেই মনে হচ্ছিল হারানো সংখ্যাটা ৩, কিন্তু ওই ৪ আমাকে ঘেঁটে দিচ্ছিল বার বার।’

    ‘এক মিনিট দাঁড়াও, তুমি বললে ১২০২ সালে ফিবোনাচি প্রথম এই সিরিজের কথা বললেন। আমি ভাবছি, গিয়াসুদ্দিন ১২৬৫-র পরে এই সংকেত তৈরি করছেন। তত দিনে কি ফিবোনাচি সিরিজ তিনি জেনে গিয়েছেন?

    ‘এখানেই গিয়াসুদ্দিনের শ্রেষ্ঠত্ব অপালা। ফিবোনাচি না জানলেও তিনি ‘পিঙ্গলসূত্র’ নিশ্চিত জানতেন।’

    ‘পিঙ্গলসূত্র?’

    ‘হ্যাঁ, আচার্য পিঙ্গল। প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত গণিতবিদ ও কবি। অনেকে মনে করেন এই পিঙ্গল বৈয়াকরণ পাণিনি-র ভাই। খ্রিস্টের জন্মের তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শতকের মধ্যে তিনি সংস্কৃত ছন্দের ওপর একটি বই লিখেছিলেন যেটার আর এক নাম ‘পিঙ্গলসূত্র’। পরে হলায়ুধ-এর টীকা লেখেন। সেই বইতে কিন্তু পক্ষান্তরে এই ফিবোনাচি সিরিজের উল্লেখ করেছিলেন পিঙ্গল। ফলে গিয়াসুদ্দিনের লাইবার অ্যাবাচি পড়া না থাকলেও পিঙ্গলসূত্র পড়া ছিল এটা নিশ্চিত।’

    ‘কী অদ্ভুত মেধা তাই না সঞ্জয়,’ অপালার কণ্ঠ দ্রব হয়ে এল শ্রদ্ধায়।

    সঞ্জয় বলল, ‘সত্যিই তাই। এতগুলো ভাষা তার সঙ্গে জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত, দর্শন আর কী কী জানত লোকটা কে জানে!’

    অপালা বলল, ‘যাই হোক, এবার ৪ নিয়ে বলো।’

    ‘বলছি। তার আগে ৩ আর ৫-এর মধ্যে বাকি সিকোয়েন্সগুলো ৩ কেন নির্দেশ করছে সেটা আগে বলে নিই?’

    ‘বলো।’

    ‘সিরিজের দ্বিতীয় ধাপের সিকোয়েন্সটা দেখি এ বার। ৬, ১০, ১৫। এই তিনটেই ট্রায়াঙ্গুলার নাম্বার। অর্থাৎ এই প্রত্যেকটা সংখ্যাকে বিন্দুতে সাজালে ত্রিভুজ বানানো সম্ভব,’ সঞ্জয় এঁকে ফেলল,

    ৬ দিয়ে ত্রিভুজ।

    ১০ দিয়ে ত্রিভুজ।

    বলল, ‘এই ভাবেই ৩ দিয়ে সবচেয়ে ছোটো ত্রিভুজ বানানো সম্ভব। আর ৩ একমাত্র মৌলিক সংখ্যা যেটা ট্রায়াঙ্গুলার নাম্বার। ৬, ১০ বা ১৫ কোনওটাই মৌলিক সংখ্যা নয়। এর পরে শেষ সিকোয়েন্সটাই আসি। ৫, ৭, ১১, ১৭। এরা প্রত্যেকে প্রাইম নাম্বার মানে মৌলিক সংখ্যা। ৫ আর ৭ হল টুইন প্রাইম, দুইয়ের গ্যাপ। ৭ আর ১১ কাজিন প্রাইম, চারের গ্যাপ। ১১ আর ১৭ সেক্সি প্রাইম, ছয়ের গ্যাপ।

    ‘কী প্রাইম?’

    ‘সেক্সি প্রাইম,’ হেসে বলল সঞ্জয়, ‘লাতিন শব্দ সেক্স মানে সিক্স। সেখান থেকে সেক্সি। তো এই সিরিজে ৫-এর আগের টুইন প্রাইম নম্বর ৩। সেইটা এই সিরিজে মিসিং। এর পরে আসি প্রথম সিকোয়েন্সে। *, ৪, ৬। ৬ কিন্তু সেই ৩-কেই ইঙ্গিত করছে। ৩-এর আগের দুটো সংখ্যার সঙ্গে ৩ যোগ বা গুণ যাই করো না কেন ফলাফল ৬। এটাই তিনের ম্যাজিক। এই প্রপার্টিটা ৩ ছাড়া অন্য কারও নেই। কিন্তু এত কিছুর পরেও বাদ সাধছিল ৪। ৩ আর ৪-এর কী সম্পর্ক আমি কিছুতেই ধরতে পারছিলাম না। অবশেষে স্বপ্ন দেখলাম। ৩ আর ৪ মিলেমিশে গিয়ে জেগে রইল ৪। আমিও উত্তর খুঁজে পেলাম। ৩ হল কোনও সংখ্যার বর্গের আগে বসা একমাত্র মৌলিক সংখ্যা। ২-এর বর্গ ৪। ৪-এর আগে ৩। আর কোনও সংখ্যার বর্গের আগে মৌলিক সংখ্যা বসে না। ৩ থেকে দেখি। ৩-এর বর্গ ৯। ৯-এর আগে ৮ মৌলিক সংখ্যা নয়। তেমনই ৪-এর বর্গ ১৬, ৫-এর বর্গ ২৫, ৬-এর বর্গ ৩৬, ৭-এর বর্গ ৪৯। এদের আগে বসা সংখ্যাগুলো যথাক্রমে ১৫, ২৪, ৩৫, ৪৮ কোনওটাই মৌলিক সংখ্যা নয়। গিয়াসুদ্দিন আসলে ৪ আর ৬-কে এক সিরিজে বসিয়ে আমাকে ঘেঁটে দিয়েছিলেন।’

    ‘বুঝলাম। কিন্তু ফিবোনাচি সিরিজটা যদি ২ থেকেই শুরু ধরি ৩ আর ৫ উহ্য রাখলেন কেন? সব সিরিজে তো একটা করে সংখ্যা মিসিং। তা হলে?’

    ‘ওটাও ভেবেছি। আর আসলে ৫৫-তে দুটো ৫ আছে তো, তাই ইচ্ছে করেই হয়তো ৫ রাখেননি। আরও রাখেননি কনফিউজ করে দেওয়ার জন্য। যেটায় তিনি খুব ভালো করেই সফল হয়েছিলেন।’

    ‘আমি যেটা বুঝলাম গিয়াসুদ্দিন এই তিন সংখ্যাটা নিয়ে অবসেসড ছিলেন।’

    ‘হওয়ারই কথা। তুমিই তো বলেছিলে উনি গ্রিক থেকে পিথাগোরাস আরবিতে অনুবাদ করেছিলেন। তিন তো পিথাগোরাসেরও প্রিয় সংখ্যা ছিল। ছোটোবেলায় পড়েছ পাইয়ের মান ২২/৭ সে তো তিনের খুব কাছাকাছি। আমি হদ্দ বোকা যে এই ব্যাপারটা আমার মাথা থেকে বেরিয়ে গেছিল। নয়তো তিনের কান ধরতে এত সময় লাগত না।’

    সঞ্জয়ের বলা শেষ। দু’জনেই কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। দুজনেই যেন মনে মনে প্রণাম জানাতে লাগল মহাজ্ঞানী গিয়াসুদ্দিনকে। অবশেষে নীরবতা ভেঙে সঞ্জয়ই বলে উঠল, ‘চলো, এবার তাকি সাহেবের কাছে যাওয়া যাক। উনিও খুব টেনশনে আছেন।’

    অপালা বলল, ‘যাচ্ছি তার আগে এই কাগজটার ছবি দাদুকে পাঠিয়ে দিই। এখন এখানে সাড়ে এগারোটা মানে দেশে রাত দুটো। দাদু ঘুমিয়ে পড়েছে। জেগে থাকলে ফোন করতাম। হোয়াটসঅ্যাপ করে রাখি, দাদু ভোরে উঠে দেখে নেবে।’

    সঞ্জয়ের আঁক কষা কাগজটা আর আগের দিন তাকি সাহেবের সঙ্গে তোলা সেলফিটা ভাদুড়িমশায়কে হোয়াটসঅ্যাপ করে দিল অপালা। এই ছবিটা পাঠাব-পাঠাব করেও পাঠানো হয়নি। লিখল, ‘দাদু আমরা পেরেছি। ধাঁধার উত্তর ৩।’

    এক বার টোকা মারতেই দরজা খুলে দিলেন তাকি সাহেব আর দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা দু’জনের উজ্জ্বল মুখ দেখে নিমেষে ব্যাপারটা আন্দাজ করে নিলেন। টান মেরে দু’জনকে ভেতরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে বললেন, ‘পেয়েছ?’

    উত্তেজনায় কাঁপছে প্রৌঢ়ের গলা। সঞ্জয় বলল, ‘পেয়েছি স্যার। উত্তরটা তিন। খুব যদি ভুল না হই তা হলে মন্দিরের তিন নম্বর থামের মধ্যে পরবর্তী পদক্ষেপের হদিশ দেওয়া আছে।’

    দমাস করে টেবিলের ওপর একটা ঘুসি মারলেন তাকি সাহেব। চিৎকার করে বললেন, ‘আমি জানতাম তোমরা পারবে। আমি ভুল লোককে দায়িত্ব দিইনি। পাঁচ হাজার বছর ধরে যে জিনিস মানুষের অধরা আজ তার খুব কাছে চলে এসেছি আমরা। সেটা শুধু তোমাদের জন্য। আহ! আমার এত দিনের স্বপ্ন!’

    দু’হাতে মুখ ঢেকে চেয়ারে বসে পড়লেন তাকি সাহেব। একটু পরে ধাতস্থ হতেই সঞ্জয় উৎসাহী গলায় বলল, ‘কী ভাবে সংকেতের উত্তর বার করলাম দেখবেন স্যার?’

    মাথা নাড়লেন তাকি সাহেব, ‘সে আর দেখার দরকার নেই। তোমার বিবেচনার ওপর আমার আস্থা আছে।’

    কথাটা শুনে সঞ্জয় একটু মিইয়ে গেল। মিইয়ে যাওয়ারই কথা। এত বড়ো একটা কাজ করেছে সে, তার তো ইচ্ছে করবেই তাকি সাহেবের মতো বিদগ্ধ মানুষকে নিজের কেরামতিটা দেখায়। কিন্তু তার পরেই তাকি সাহেব যে কথাটা বললেন তাতে সঞ্জয় আর অপালা দু’জনেই চমকে উঠল। প্রৌঢ় বললেন, ‘চলো। আমাদের বেরোতে হবে।’

    অপালা বলল, ‘এখন!’

    তাকি সাহেব বললেন, ‘হ্যাঁ এখনই।’

    অপালা বলল, ‘এত বছর অপেক্ষা করেছেন স্যার, রাতটুকু অপেক্ষা করলে হয় না? কাল ভোর-ভোর বেরিয়ে যাব।’

    স্নেহের হাসি ফুটল প্রৌঢ়ের মুখে। অপালার হাতটা ধরে বললেন, ‘এত বছর ধরে অপেক্ষা করে আছি বলেই তো তর সইছে না মা। ওই মন্দিরে বেশি ট্যুরিস্ট আসে না মানে যে কাল সকালে কেউ আসবে না তার তো গ্যারান্টি নেই তাই না? তার থেকে এখন অনেক নিশ্চিন্তে আমরা কাজ করতে পারব। আমার তো স্পেশাল পারমিশন করানো আছে। আমাদের কেউ আটকাবে না। ইলেকট্রিক মশাল আছে। অন্ধকারে কাজ করতেও অসুবিধে হবে না। তবে তোমাদের আমি জোর করব না। তোমরা চাইলে বিশ্রাম নিতে পারো। সকালে এসে আমাকে জয়েন কোরো।’

    অপালা সঞ্জয়ের দিকে তাকাল। সঞ্জয় বুঝল, অপালার চিন্তা তার শরীর নিয়ে। সে বলল, ‘আমি একদম ফিট। স্যার ঠিক বলেছেন। চলো বেরিয়ে পড়ি।’

    চল্লিশ মিনিট পরে ওদের জিপ এসে থামল ইনান্না মন্দিরের সামনে। আগের দিন হেঁটে এলেও আজ গেট থেকেই গাড়িটা ভেতরে আনার অনুমতি নিয়ে নিয়েছেন তাকি সাহেব। গাড়ি থেকে নেমে মন্দিরটার দিকে তাকাতেই আবার আগের দিনের মতো গা ছমছম করে উঠল সঞ্জয়ের। বড়ো বড়ো দুটো আলোর স্ট্যান্ড তাক করা আছে মন্দিরটার দিকে। সে আলোয় ঝলমল করছে মন্দিরটা তবু দিনের আলো আর কৃত্রিম আলোর মধ্যে তফাত আছে। দিনের আলোর মধ্যে যে প্রাণ আছে সেটা অনেক বেশি অন্ধকার দূর করে কিন্তু কৃত্রিম আলো যত তেজিই হোক না কেন তার একটা সীমাবদ্ধতা আছে। সঞ্জয় অনুভব করল, ওই ‘লিমিটেশন’-টার ফাঁক গলেই অন্ধকার যেন ইমারতটার ভেতরে ঢুকে এসেছে আর কোনায় কোনায় ঘাপটি মেরে বসে আছে পোষা সিংহের মতো। যেন প্রভুর শিসের অপেক্ষা। তার পরেই ঝাঁপিয়ে পড়বে অনধিকার প্রবেশকারীর ঘাড়ে।

    অন্ধকারের সঙ্গে সঞ্জয়ের আবাল্য পরিচিতি। সঞ্জয় জানে, অন্ধকার আসলে অর্ধতরল পদার্থ। তার চরিত্র অনেকটা আঠালো চটচটে পিচের মতো। দিনের আলোয় অন্ধকার জমাট বাঁধতে পারে না। তখন তারা গুঁড়ো গুঁড়ো রেণু হয়ে উড়ে বেড়ায়। তাই ছায়াও ফিকে লাগে দিনের আলোয়। কিন্তু দিনের আলো নিভলেই ওরা একজোট হয়। একটু একটু করে জমাট বাঁধতে শুরু করে। সব অন্ধকার আবার এক রকমের নয়। শ্মশানের অন্ধকার আর দীর্ঘকাল ধরে মনুষ্যবর্জিত পোড়ো বাড়ির অন্ধকারে তফাত আছে। তফাত আছে আচমকা লোডশেডিং-এর অন্ধকার আর মন্দিরের গর্ভগৃহের অন্ধকারে। কিছু অন্ধকারের মধ্যে মায়া থাকে। তার মধ্যে ভেজাল হয়ে মিশে থাকে দিনের আলোর প্রাণ, মানুষ-পশুপাখির নিশ্বাসের প্রাণ। আর কিছু অন্ধকার একেবারে নির্ভেজাল। সেই অন্ধকারেরই ঘাতক হয়ে ওঠার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। আর যেখানে অন্ধকারের সঙ্গে মিশে যায় ইতিহাসের ভার সেখানের অন্ধকার এড়িয়ে চলাই ভালো। অপালা এগোতে যেতেই তার হাত টেনে ধরল সঞ্জয়। অবাক হয়ে তাকাল অপালা। চোখের ইশারায় জানতে চাইল, ‘কী হল?’

    বলতে গিয়েও কথাটা গিলে নিল সঞ্জয়। তাকি সাহেব ততক্ষণে মন্দিরের সিঁড়ির কাছে চলে গেছেন। ঘাড় ঘুরিয়ে তিনি ডাক দিয়েছেন, ‘কাম অন। ‘কিছু না। চলো’, বলে অপালার হাত ধরে ভেতরের দিকে এগিয়ে গেল সঞ্জয়।

    আজও আগের দিনের মতো ভেতরে ঢোকার আগে জুতো খুলে নিল দু’জনেই। তাকি সাহেব ততক্ষণে ভেতরে ঢুকে ইলেকট্রিক মশাল জ্বালিয়ে দিয়েছেন। ব্যাগ ভরতি করে ইলেকট্রিক মশাল নিয়ে এসেছেন তিনি। এগুলো মূলত ম্যাগনেশিয়ামের তার পুড়িয়ে আলো তৈরি করে। এক-একটা মশাল পনেরো মিনিট ধরে জ্বলে। আট-দশটা মশাল জ্বালিয়ে এ দিক-ও দিক মেঝেতে ছুড়ে দিলেন তাকি সাহেব। বললেন, ‘দেখেছ কেমন আলো হচ্ছে? এই আলোয় স্পষ্ট দেখতে পাব আমরা। তা ছাড়া হেলমেটের টর্চ তো আছেই।’

    হাসি পেল সঞ্জয়ের। এই প্রাচীন অন্ধকার দূর করতে পারে শুধু সূর্যের আলো। এ ছাড়া আর যে কোনও আলোই এই অন্ধকার আরও বেশি ঘনিয়ে তোলা ছাড়া কিচ্ছু করতে পারে না। তাকি সাহেব বুঝতে পারছেন না, আলো দেখে শুধুমাত্র পিছু হটেছে অন্ধকার। আলোর বৃত্তের বাইরে এখন ওরা দলবেঁধে ফুঁসছে, অতিকায় বাইসনের মতো। সঞ্জয়ের আবারও মনে হল, এই অন্ধকারকে ঘাঁটানো ঠিক হল না। কিন্তু কী আর করা যাবে! যত তাড়াতাড়ি কাজ সেরে বেরোনো যায় ততই মঙ্গল। অপালা আর তাকি সাহেবের পিছু পিছু সেও এগিয়ে গেল তিন নম্বর স্তম্ভটার দিকে।

    ***

    লাইব্রেরি ঘরে অস্থির হয়ে ছটফট করছেন ভাদুড়িমশায়। সমীরণ বলেছিলেন, ‘কাল সকালের মধ্যে ডিটেইলস দিয়ে দেব স্যার। আসলে লোক দিয়ে কাজটা করাতে হচ্ছে তো। ওরা টাইম নিচ্ছে।’

    ‘না না। কাল সকাল অবধি অপেক্ষা করতে পারব না সমীরণ। আজ যত রাতই হোক তুমি আমাকে খবর দেবে। আমি জেগে থাকব তোমার ফোনের অপেক্ষায়।’

    তিন দিন আগে পল্লবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছিলেন তিনি আজও বিকেলে চেষ্টা করেছেন কিন্তু রোশনির সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। পল্লব জানিয়েছিল, সে এখন আগের চেয়ে ভালো আছে। জঙ্গিরা আর মারধর করছে না বরং ভালো ব্যবহার করছে। আশ্বস্ত হয়েছিলেন ভাদুড়িমশায়। বলেছিলেন, ‘তোমার এখন একটাই কাজ পল্লব। ওদের সঙ্গে সহযোগিতা করা আর কৌশলে ক্যাম্পের লোকেশন জেনে নেওয়া। ক্যাম্পের লোকেশন জানতে পারা মাত্রই আমায় মনে করবে। আমি রোজ প্রতি ছয় ঘণ্টা অন্তর তোমার সঙ্গে যোগাযোগ করব।’

    আজও রাতে এক বার যোগাযোগ হয়েছিল পল্লবের সঙ্গে কিন্তু ক্যাম্পের লোকেশন সে বলতে পারেনি। তখনই সমীরণকে ফোন করে তাড়া দিয়েছেন তিনি। পল্লব সুস্থ আছে জানবার পরেই তিন দিন আগে তিনি সমীরণকে একটা কাজের দায়িত্ব দিয়ে দিল্লি ফিরে যেতে বলেছিলেন। বলেছিলেন, ‘কাজটা অতীব গুরুত্বপূর্ণ।’

    সমীরণ অনেকটাই এগিয়েছেন কিন্তু এখনও নিশ্চিত প্রমাণ হাতে পাননি।

    ওই প্রমাণটা দরকার। ওটার ওপরে অনেক কিছু নির্ভর করছে। ঘড়ি দেখলেন ভাদুড়িমশায়, রাত প্রায় তিনটে। এমন সময় ফোন বেজে উঠল। সমীরণ ফোন করেছেন। দ্রুত হাতে ফোন ধরলেন ভাদুড়িমশায়। উলটো দিক থেকে সমীরণের কথা শুনে তাঁর চোয়াল শক্ত হয়ে গেল। সমীরণ বললেন, ‘আপনাকে কয়েকটা ডকুমেন্ট হোয়াটসঅ্যাপ করেছি দেখুন।’

    ফোন রেখে ডকুমেন্টসগুলো দেখতে দেখতে ভুরু কুঁচকে যাচ্ছিল ভাদুড়িমশায়ের। তাঁর সন্দেহ ঠিক। তখনই তাঁর চোখ পড়ল অপালার মেসেজগুলোয়। রাত দুটোয় মেসেজ করেছে অপালা। মানে সিরিয়ায় তখন সাড়ে এগারোটা। অস্থিরতায় নোটিফিকেশনের ছোট্ট শব্দ কান এড়িয়ে গেছে। মেসেজগুলো খুললেন ভাদুড়িমশায়। অপালা লিখেছে, ‘দাদু আমরা পেরেছি। ধাঁধার উত্তর ৩।’

    তার পরে একটা কাগজে ধাঁধার সমাধান আর একটা ছবি। ছবিতে অপালা আর সঞ্জয়ের সঙ্গে একজন প্রৌঢ়। নীচে লেখা ‘উইথ তাকি আল তুসি, সাকসেসর অব দ্য গ্রেট গিয়াসুদ্দিন।’

    বুকটা কেঁপে উঠল ভাদুড়িমশায়ের। ধীরে ধীরে ছবিটা বড়ো করলেন তিনি আর আতঙ্কে পাথর হয়ে গেলেন। তাঁর সন্দেহ যে এমন ভয়ানক আকার নেবে তা তিনি কল্পনাও করেননি। তিনি বুঝতে পারলেন, খুব বড়ো বিপদ আসতে চলেছে। খুব বড়ো বিপদ।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ধুন্ধুমার – তমোঘ্ন নস্কর
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }