Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী

    সৌভিক চক্রবর্তী এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶

    লাপিস লাজুলি – ২৭

    ॥ সাতাশ ॥

    মার্চ, বর্তমান কাল

    কোল্ড ড্রিংকসের গেলাসে চুমুক দিয়ে দীপক পাল বললেন, ‘একটা ব্যাপার কিন্তু এখনও আমার কাছে পরিষ্কার না স্যার।’

    আড্ডা জমেছে শ্রীরঞ্জনী বাড়ির বারান্দায়। আজ অনেক লোক। অপালা, সঞ্জয়, পল্লব, রোশনি ফিরে এসেছে। তারা তো আছেই। রয়েছেন দীপক পাল, অমিয়। দিল্লি থেকে এসেছেন সমীরণ। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন সহদেব মাহাতোকে আর মালদা থেকে এসেছেন রঘু ঠাকুর। আইসিস চিফকে গ্রেফতার করার জন্য সহদেবের প্রোমোশন হয়েছে। তারিকের কাগজটাও দারুণ কাজে লেগেছে। সেখানে সে লিখে গেছে, আবু বকর, ফারুক সহ আরও রিক্রুটারদের নাম। বিশদে লিখে গেছে, কী ভাবে ব্রেনওয়াশ করা হয় তাদের মতো ছেলেদের। তার লেখার সূত্র ধরেই ভারত থেকে আরও চার জন রিক্রুটার গ্রেফতার হয়েছে। আইসিসের গোটা সিস্টেমটাই ভেঙে পড়েছে। আগামী পাঁচ-সাত বছরের জন্য এখন নিশ্চিন্ত। মধ্যপ্রাচ্যের সবক’টি দেশ অভিনন্দন জানিয়েছে ভারত সরকারকে। সেই আনন্দে সমীরণ আজ সকলকে ভোজ খাইয়েছেন। পল্লব ভেবেছিল, ভাদুড়িমশায় তাকে খুব বকবেন। কিন্তু তিনি একেবারেই বকাবকি করেননি। বরং মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে দিয়েছেন। আসলে পল্লব আর রোশনিকে নিয়ে ভাদুড়িমশায় এতটাই চিন্তায় ছিলেন যে তাদের ফিরে পেয়ে তাদের অবাধ্যতার কথা ভুলে গেছেন। খাওয়া-দাওয়ার পর আড্ডা বসেছে। সবাই সবার অভিজ্ঞতার কথা বলেছে এবং বাকিরা চোখ গোল-গোল করে শুনেছে। শুধু রোশনি কিছু বলেনি। সকলের আড়ালে ভাদুড়িমশায় তাঁকে ডেকে বলেছেন, ‘তোমার কথা আমি পরে আলাদা করে শুনব। তোমায় আমি এক দিন ডাকব। আসবে তো?’

    আসবে না মানে? অবশ্যই আসবে। এই মানুষটা ডাকলে না এসে পারা যায়! রোশনিকেও তো জানতে হবে সে কোন রূপকথার দেশে গিয়ে পড়েছিল? কেনই বা পড়েছিল? গোটা ঘটনাটার সঙ্গে তার এই হারিয়ে যাওয়ার তো কোনও যোগাযোগ নেই! তা হলে? উত নাপিশতিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ কোন কাজে আসবে তার? এগুলো একমাত্র ভাদুড়ি স্যারই বলতে পারবেন।

    বেচারা রোশনি! সে জানে না তার নিয়তি তাকে পাঠিয়েছিল উত নাপিশতিমের দেশে। না চাইতেও সে হয়ে উঠছে মৃত্যুঞ্জয়ী। তিন-তিন বার সাক্ষাৎ মৃত্যু খুব কাছে এসেও তাকে ছুঁতে পারবে না। ইতিমধ্যে মৃত্যু এক বার কাছে এসে ফিরেও গেছে। বালিয়াড়ির ওপর থেকে সে যখন সামনের দিকে ঝাঁপ দিয়েছিল জঙ্গিদের ছোড়া গুলি বেরিয়ে গেছিল তার মাথার ঠিক আধ ইঞ্চি ওপর দিয়ে। রোশনি ভেবেছিল, ঠিক সময় মতো ঝাঁপ দিয়েছিল সে। আসলে তা নয়, যদি খুব সূক্ষ্ম জিনিস কেউ দেখতে পেত সে দেখত, রোশনির দিকে ছুটে আসা গুলিটাকে কেউ যেন নিপুণ হাতে একটু ওপরে তুলে দিয়েছিল। আরও দু’বার সুযোগ আছে মৃত্যুকে জয় করার। তার অজান্তেই সে হয়ে উঠেছে, তিতাস উদ্ধারের অন্যতম হাতিয়ার। আসলে সবটাই পূর্বনির্ধারিত।

    ঘটনার ক্লাইম্যাক্সটা বলছিল অমিয়। তার বলা শেষ হতেই দীপক পাল তাঁর সংশয়ের কথা বলে উঠলেন। ভাদুড়িমশায় বললেন, ‘কোন ব্যাপারটা দীপক?’

    দীপক পাল বললেন, ‘আপনি তো সহদেব স্যারকে মন্দিরে যেতে বারণ করে এসেছিলেন। তা হলে তিনি এলেন কখন? কেনই-বা এলেন?’

    পল্লব বলল, ‘এটা বুঝলেন না পালদা? স্যার নিশ্চয়ই মনে মনে ডেকে নিয়েছিলেন। তাই না?’

    ভাদুড়িমশায় ঘাড় নাড়লেন। অপালা বলল, ‘না এ ভাবে ছাড়া-ছাড়া ভাবে বললে হবে না। আমি দাদুর মুখ থেকেই শুনতে চাই।’

    মশায় বললেন, ‘শুনলে তো দিদিভাই। অমিয় তো বলল।’

    অপালা বলল, ‘হ্যাঁ অমিয় ঘটনাটা বলল। কিন্তু তুমি যে এই অবিশ্বাস্য ঘটনাটা ঘটালে, কী করে ঘটালে তার ব্যাখ্যাটা তো পেলাম না। শুনতে যতটা সহজ লাগল আমি তো হাড়ে-হাড়ে জানি ব্যাপারটা ততটা সহজ ছিল না। তুমিই বলেছ, দেবীর দণ্ড যার হাতে থাকবে এবং সে যদি সেটা ব্যবহারের অধিকারী হয় তা হলে সে হবে দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ। সেই মুহূর্তে হুদুদ বেগও ছিল দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ। তার ওপরে তো কোনও তন্ত্র কাজ করার কথা নয়। তা হলে? কী করে পারলে তুমি? পল্লব তো এই গল্পটা লিখবে কোনও-না-কোনও দিন। তখন তো পাঠক বলবে, শেষবেলায় আর একটু অ্যাকশন ডিমান্ড করছিল। কত কাণ্ড হল আর শেষে কিনা দড়ির ফাঁস দিয়ে ইনান্নার দণ্ড কেড়ে নেওয়া হল? বলো, পাঠক বলবে না?’

    ভাদুড়ি মশায় স্মিত হাসলেন। অপালা আবার বলল, ‘হাসলে হবে না দাদু। কেড়ে নেওয়াটুকু হিমশৈলের চূড়া, তার তলদেশের ব্যাখ্যাটা দাও প্লিজ।’ আধশোয়া অবস্থা থেকে ইজিচেয়ারে সোজা হয়ে বসলেন ভাদুড়িমশায়। বাকিরাও তাঁর দেখাদেখি অ্যাটেনশন হয়ে বসল। মশায় বললেন, ‘দেখো দিদিভাই, মন্দিরের কাছে পৌঁছেই আমি বুঝতে পেরেছিলাম হুদুদ বেগ দেবীর দণ্ড হাতে পেয়ে গেছে এবং সেটিকে জাগিয়ে তুলেছে। বিপুল এক শক্তি যে শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছে তার সুস্পষ্ট আভাস পাচ্ছিলাম প্রকৃতির মধ্যেই। সেই মুহূর্তে আমি এও বুঝতে পেরে গেছিলাম যে আমার কোনও শক্তিই হুদুদ বেগের ওপরে কাজ করবে না। কোনও মন্ত্র, কোনও তন্ত্র কাজ করবে না। কিন্তু দেবীর দণ্ড তো ওর হাত থেকে ছিনিয়ে নিতেই হবে। নয়তো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। তা হলে উপায় কী? উপায় একটাই, কৌশল। একমাত্র কৌশল করেই ওকে আটকাতে হবে। আমার মন বলল, আমি পারব। আর ঈশ্বরও তাই চান। নয়তো দণ্ড হাতে পেয়েও আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য হুদুদ বেগ থেকে যাবে কেন? তোমাদের ভাষায় ওর এই ‘মুভ’টাই আমাকে প্রত্যয়ী করে তুলল। আমি বুঝতে পারলাম, অবচেতনে ও আমাকে ওর সমকক্ষ ভাবতে শুরু করেছে। ও যে হালাকু খাঁ-র পুনর্জন্ম, ওকে সামনে থেকে না দেখেই আমি বলে দিয়েছিলাম, সেইটাই আসলে ওকে অবাক করেছিল। ও আমাকে দেখাতে চাইছিল যে দেখো, তুমি আমাকে আটকাতে পারলে না। ওর এই অহংই ওর কাল হল। আমি সেই অহংটাতেই খোঁচা দিলাম। প্রথম থেকেই ওকে অপমান করতে শুরু করলাম। বারে বারে বুঝিয়ে দিতে লাগলাম তুমি কেউ নও। কিচ্ছু নও। আমি তোমার থেকে অনেক শক্তিশালী। ঠিক তখনই রঘুনাথ দাদা দুর্গামন্ত্র গেয়ে উঠলেন। অমিয় আর দীপক জয় মা বলে চিৎকার করে উঠল আর আমাদের ওই সম্মিলিত বিশ্বাসের জোর ফাটল ধরিয়ে দিল ওর প্রত্যয়ে। এক লহমার জন্য হলেও ও ভাবল, আমি ঠিক বলছি। হয়তো সত্যিই শক্তি হারিয়েছে দেবীর দণ্ড। সেটা পরখ করতেই ও নরকের দরজা খুলতে উদ্যত হল। আমি ঠিক এই মুহূর্তটারই অপেক্ষা করছিলাম। কারণ ওই প্রক্রিয়াতে চূড়ান্ত মনঃসংযোগের দরকার হয়। তখন সাধকের সমস্ত শক্তি ওখানে ঘনীভূত হয়। সাধকের স্থানজ্ঞান, কালজ্ঞান লোপ পায়। কিছুক্ষণের জন্য পারিপার্শ্বিকের ওপর থেকে তার নিয়ন্ত্রণ চলে যায়। সেই জন্যই তখন সহচরদের ওপর থেকে হুদুদ বেগের মায়া কেটে গিয়েছিল। ওরা সিংহ থেকে মানুষে পরিণত হয়েছিল। সবাইকে শুনিয়ে সহদেবকে কড়া কথা বললেও আমি তার মনে মনে বলেছিলাম, আমার ওপর রাগ কোরো না। তোমাকে আমার লাগবে। ঠিক সময়ে তোমাকে আমি ডেকে নেব। মনে মনে কথা বলতে হয়েছিল কারণ গর্ভগৃহে বসেও হুদুদ বেগ আমার প্রতিটি পদক্ষেপের ওপরে নজর রাখছিল। কিন্তু আমার মন সে পড়তে পারেনি। ওইটুকু আমার সাধনা। আমার গুরুর কৃপা। এই মন পড়তে না পারার ব্যাপারটাই ওকে ভেতরে-ভেতরে একটু দুর্বল করে তুলেছিল। যাই হোক, যেখানে ছিলাম, হুদুদ বেগ নরকের দরজা খুলতে গিয়ে যেই না ব্যস্ত হয়ে পড়ল আমি রঘুনাথ দাদা আর সহদেবকে সংকেত দিলাম। রঘুনাথ দাদা দুর্গাস্তব করতে শুরু করলেন। হুদুদ বেগের মনঃসংযোগ ব্যাহত হল, ওর বেশি সময় লাগতে শুরু করল আর সেই মুহূর্তে সহদেব এল বেড়ালের মতো নিঃশব্দে। খুবই সোজা এবং খুবই তুচ্ছ একটি পদ্ধতিতে দেবীর দণ্ড ছিনিয়ে নিল। বিরাট, বিপুল শক্তির এই একটিই দুর্বলতা। সে ভাবে আঘাত আসবে বিপুল, বিরাট আকার নিয়েই। এই ভাবেই তো যুগে যুগে, দেশে দেশে বিপ্লব সংঘটিত হয়। রাষ্ট্রযন্ত্র ক্ষুদ্র মানুষের অসন্তোষকে ধর্তব্যের মধ্যেই আনে না আর সেই স্ফুলিঙ্গই একদিন দাবানলের জন্ম দেয়। হুদুদ বেগ ভাবতেই পারেনি এমনটাও হতে পারে। ব্যস এটুকুই। পেলে ব্যাখ্যা? এ বার পল্লবের পাঠকেরা খুশি হবে তো?’

    অপালা হাসল, ‘আলবাত খুশি হবে দাদু।’

    সমীরণ বললেন, ‘তবে তাদের একটা আফশোস কিন্তু থেকেই যাবে। তারা বলতে পারে, এমন অলৌকিক একটা অস্ত্র হুদুদ বেগের হাত থেকে ছিনিয়ে নিতে স্যার যদি কিছু অলৌকিক উপায় অবলম্বন করতেন ভাল হতো। এ তো বড্ড সেরিব্রাল হয়ে গেল।’

    ‘কে বলল অলৌকিক হয়নি? অলৌকিক হয়েছে স্যার।’

    ‘কী ভাবে?’

    ‘ওই সেরিব্রাল মুভটাই তো অলৌকিক। ওই কঠিন সময়ে শুধুমাত্র মাথা ঠান্ডা রেখে হুদুদ বেগকে ভুল পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করাটাই তো আশ্চর্য এবং অলৌকিক। অলৌকিক এক নার্ভের লড়াই। যেখানে তন্ত্র, মন্ত্র কিচ্ছু কাজ করে না, সেখানে কাজ করে একমাত্র বুদ্ধিমত্তা। মানুষের এই বুদ্ধির বিকাশটাই তো সবচেয়ে অলৌকিক। দাদুই তো বলেন, এ পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো অলৌকিক হল মানুষের বুদ্ধিমত্তা, ইনটেলিজেন্স।

    মিটিমিটি হাসতে লাগলেন ভাদুড়িমশায়। এতগুলো বুদ্ধিমান মানুষের মাঝে বসে থাকতে তাঁর ভালো লাগছে। আরাম লাগছে।

    বিকেলের দিকে বিদায় নিয়ে চলে গেলেন সমীরণ, সহদেব আর রঘু ঠাকুর। ওরা যেতে বাকিরা এসে বসল লাইব্রেরি ঘরে। দেবীর দণ্ড রাখা আছে এই লাইব্রেরি ঘরেরই একটা আলমারিতে। সে দিকে তাকিয়ে পল্লব বলল, ‘স্যার, দণ্ড তো পাওয়া গেল। এ বার? কী ভাবে ফিরিয়ে আনবেন তিতাসকে?’

    ঠিক এইখানটায় এসেই বার বার আটকে যাচ্ছেন ভাদুড়িমশায়। তিতাসকে ফিরিয়ে আনার জন্যই এত কিছু কিন্তু তিতাসকে ফেরাতে গেলে যে পল্লবকে হারাতে হবে। সেটা কী ভাবে সহ্য করবেন তিনি? কিন্তু আর কোনও রাস্তাও খুঁজে পাচ্ছেন না। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, ‘পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করার জন্য আমাকে একটু সময় দাও। একটু ভেবে নিতে দাও। নরকের দরজা খুলে হয়তো ফেলতে পারব কিন্তু তার পরে? তিতাসকে কী ভাবে পাব? কী ভাবেই বা ফিরিয়ে আনব তার জন্য আমাকে একটু পড়াশোনাও করতে হবে। দেখে নিতে হবে মেসোপটেমিয়ান তন্ত্রের প্রক্রিয়াগুলো। আমি জানি পল্লব তুমি কতটা অস্থির হয়ে আছ। দুটো দিন দাও। তার বেশি সময় আমি নেব না।’

    ভাদুড়িমশায়ের পায়ের কাছে বসে পড়ল পল্লব, ‘এ ভাবে বলবেন না স্যার। আমি লজ্জিত আমি আপনাকে দোষারোপ করেছিলাম। তখন আসলে আমার মাথার ঠিক ছিল না। কিন্তু আমি জানি, পারলে আপনিই পারবেন তিতাসকে উদ্ধার করে আনতে। দু’দিন কেন, আপনার যত দিন সময় লাগে আপনি নিন। এত দিন অপেক্ষা করছি, আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে পারব।’

    পল্লবের মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন ভাদুড়ি মশায়। না চাইতেও গলার কাছটা টনটন করে উঠল রোশনির। মনে হল, পল্লব কি কোনও দিন তার জন্যেও এমন আকুল হয়ে অপেক্ষা করবে? কেউ এমন ভাবে অপেক্ষা করে আছে জানলে তো হারিয়ে গিয়েও সুখ।

    এক এক করে লাইব্রেরি ঘর থেকে বেরিয়ে এল ওরা। ভাদুড়ি মশায় একা বসে রইলেন তাঁর প্রিয় ইজি চেয়ারটায়। ভাবতে লাগলেন, কী অদ্ভুত জিনিস এই ঘৃণা! ঘৃণা থেকে যে প্রতিশোধের সৃষ্টি হয় এক জন্মে তার শেষ হয় না। প্রজন্মান্তরে বাহিত হয় সেই অন্ধকার। এই ঘৃণা থেকে আরোগ্যের উপায় কী? মুক্তির উপায় কী?

    শ্রীরঞ্জনী বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে পল্লব বলল, ‘চলো রোশনি। বেরোতে হবে। চল সঞ্জয়।’

    সঞ্জয় আজ পল্লবের বাড়ি যাবে। রোশনিকে গলফ ক্লাব রোডে নামিয়ে ওরা যাবে বাঁশদ্রোণী। কাল সকাল থেকে রোজকার কাজ শুরু করতে হবে। অপালার গবেষণার কাজ আছে। সঞ্জয়কে পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি করতে হবে। অফিসে যেতে হবে রোশনিকে। অনেক দিন সে অফিস যায়নি। লিখতে হবে পল্লবকে। একটা সিরিজের চিত্রনাট্য অর্ধেক লেখা হয়ে পড়ে আছে। প্রযোজক তাড়া দিচ্ছেন। আর যেতে হবে বনগাঁ। তারিকের আম্মিকে বলতে হবে, ‘আপনার ছেলেটা বড়ো ভালোমানুষ ছিল।’

    তিতাস নেই বলে জীবনের গতি স্লথ হয়েছে বটে কিন্তু থেমে তো থাকবে না। জীবন কারও জন্য থেমে থাকে না। অমিয়ও জানে সে কথা। রোজের কাজ তো সেও দিব্যি করে চলেছে। কিন্তু মনে মনে জানে, সে আসলে একটা ভাঙা মানুষ। মিতুল আর তার সঙ্গে কথা বলে না। মিতুল কি আর কোনও দিন কথা বলবে? কোনও দিন ক্ষমা করবে তাকে? মিতুল কি আদৌ বুঝবে সে রাতে অমিয়র কিছু করার ছিল না!

    সন্ধে হয়েছে। পল্লবের গাড়িটা ভাদুড়িমশায়ের বাড়ির গেট পেরিয়ে বড়ো রাস্তায় পড়ল। কিছুক্ষণ আগেই বৃষ্টি হয়েছে। রাস্তাঘাট ভেজা। তাতে প্রতিফলিত হতে লাগল ব্যাকলাইটের লাল আলো। গাড়িটা যতক্ষণ না চোখের আড়াল হয় দাঁড়িয়ে রইল অপালা। তার পরে গেট লাগিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল। অমিয় আর দীপক পালও চলে গেছেন অনেকক্ষণ। রাস্তার ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলোয় ছায়াময় হয়ে রইল শ্রীরঞ্জনী বাড়ির গেটের বোগেনভিলিয়ার ঝাড়। তখনই খোঁড়াতে-খোঁড়াতে গেটের সোজাসুজি রাস্তার উলটো পাড়ে এসে দাঁড়াল একটা লোক। একদৃষ্টে সে তাকিয়ে রইল গেটের নাম ফলকটার দিকে। সেখানে লেখা আছে, শ্রী নীরেন্দ্রনাথ ভাদুড়ি। বুকের কাছে হাতজড়ো করে সে অস্ফুটে বলল, ‘পেন্নাম গুরুদেব। আপনার শিষ্য লোকনাথ চক্কোতি হাজির। দণ্ডটা যে আপনি খুঁজে বার করবেন এ আমি জানতাম। অনেক দিন ধরে আপনার ওপরে নজর রেখে বসেছিলাম। অবশেষে পাওয়া গেল দণ্ডটা। অপরাধ নেবেন না গুরুদেব, ওইটে আমার লাগবে। চাইলে তো আপনি দেবেন না। তাই চুরি করতে হবে। নরকে যেতে হবে আমায়। তেরোটার মধ্যে আর একটা মাত্র বাচ্চারে মারা বাকি। তারে জ্যান্ত উপহার দিতে হবে নরকের পাহারাদারদের। তবেই তো তারা আমার আর্জি শুনবে। মরে যাওয়া একটা মানুষরে আমি বাঁচিয়ে তুলতে পারব। ওইটেই তো আমার সাধনা। এই বারে আমার সিদ্ধি হবে। কৃপা করবেন গুরুদেব আপনার শিষ্য যেন কৃতকার্য হয়। সবই গুরুকৃপা। সবই গুরুকৃপা।’

    (মধ্যপর্ব সমাপ্ত)

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ধুন্ধুমার – তমোঘ্ন নস্কর
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }