Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীল আলোর ফুল – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প591 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রমলা টু

    অবাক করা বা সন্দেহজনক টেলিফোন এলে বিশেষ এক ধরনের আচরণ করতে হয়। কথা শেষ হয়ে যাওয়ার পর ভুরু কুঁচকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকতে হয় টেলিফোনের দিকে। ভাবটা এমন, যেন এই সন্দেহজনক কাজের জন্য টেলিফোন যন্ত্রটাই দায়ী। টেলিফোনের ভুরু নেই। থাকলে হয়তো সেও পালটা ভুরু কোঁচকাত। বলত, ‘এই যে, ওভাবে তাকাচ্ছেন কেন? আমার কী দোষ?’

    এক্ষুনি রমলার কাছে ভীষণ ‘অবাক করা’ একটা টেলিফোন এসেছিল। তবে রিসিভার নামিয়ে রমলা ভুরু, চোখ, নাক কিছুই কোঁচকাল না, কড়া চোখে টেলিফোনের দিকে তাকালও না। উলটে হাসল। সেই হাসির মধ্যে দারুণ একটা তৃপ্তির ভাব আছে।

    হাসি নিয়েই সোফা ছেড়ে উঠে পড়ল রমলা। টেবিলের ওপর রাখা ফুলদানির ফুলদুটো সামান্য এদিক ওদিক করল। বছর পাঁচেক আগে হো চি মিন সরণিতে পুষ্পসজ্জার ওপর একটা শর্ট কোর্স করেছিল সে। প্রথমদিনই তারা বলেছিল, ফুল সাজানোর আসল রহস্য ফুলে নয়। রহস্য ফুলের পজিশনে। একই ফুল নড়িয়ে চড়িয়ে রাখলে এক-এক সময় এক-এক রকম দেখায়।

    ফুল ছেড়ে রমলা শোকেসের সামনে এসে দাঁড়াল। ভারী সুন্দর জিনিসটা। দেয়ালে ঝুলছে একটা কাচের বাক্স। কোথাও এক টুকরো কাঠ নেই। মনে হয়, পেরেক নাট বল্টুগুলোও সব কাচ দিয়ে তৈরি। কাচের হাতুড়ি, কাচের করাত দিয়ে জিনিসটা তৈরি হয়েছে। গঁত্যিয়ের ক্যাটালগ ঘেঁটে এই জিনিস যখন রমলার পছন্দ হয়েছিল, তখন এক সমস্যা হল। বানাবার লোক পাওয়া যায় না। মনে আছে, অনেক হ্যাপা হয়েছিল। তবে জিনিস একটা হয়েছে বটে, চোখ ফেরানো যায় না। ভেতরের কিউরিগুলোও তেমনি। এদেশের একটাও নয়। সুনন্দ যখনই কাজে বাইরে যায়, তখনই সে তিনজনের জন্য কিছু-না-কিছু আনবে। এই তিনজন হল স্ত্রী, পুত্র আর শোকেস। গতবছর হংকংয়ের চিমসাচই মার্কেট থেকে অদ্ভুত একটা পুতুল এনেছে সুনন্দ। দু’ইঞ্চির একটা প্যান্ট-কোট পরা বুড়ো সাহেব। সাহেবের মাথায় টুপি। জাপানিদের মতো খুদে খুদে চোখ। মজা হল, দিনের আলোর সঙ্গে সঙ্গে বুড়ো সাহেবের উচ্চতা বদলাতে থাকে। সকালে বেঁটে দেখায়। বেলা যত বাড়তে থাকে বুড়ো লম্বা হয়ে যায়! রাতে মনে হয়, মনে হয় এই বুঝি শোকেস ভেঙে মাথা তুলে দাঁড়াবে! আসলে সবটাই চোখের ভুল। আলোর প্রতিফলন প্রতিসরণের তত্ত্ব মেপে এই পুতুল তৈরি হয়েছে।

    রমলা শাড়ির আঁচল শোকেসের ওপর দিয়ে ঝুলিয়ে নিল। তকতকে কাচে তার মুখের ছায়া পড়ল। সে এখনও হাসছে।

    আসলে রমলা খুব তৃপ্তি বোধ করছে। গত উনিশ বছর ধরে রমলা এই টেলিফোনের জন্য অপেক্ষা করে ছিল। দীর্ঘ উনিশ বছর। স্বামীর রমরমা ব্যাবসা সল্ট লেকে ডুপলেক্স ফ্ল্যাট, গ্যারাজে কমলা রঙের পালিও, ছেলের দার্জিলিং কনভেন্ট, ক্যামাক স্ট্রিটে নিজের ফুলের বুটিক, মধ্যমগ্রামে নার্সারির পরও কোথাও যেন একটা অস্বস্তি ছিল। কাঁটা বেঁধার মতো অস্বস্তি। সবসময় নয়, মাঝেমধ্যে, হঠাৎ হঠাৎ সেই কাঁটা খচখচ করে উঠত।

    উনিশ বছরে মানুষের সবকিছু বদলে যায়। তবু টেলিফোন ধরেই রমলা ওপাশের গলা চিনতে পারল। সেই চেনা গলা বলল, ‘হ্যালো, হ্যালো রমলা আছে? ও রমলাই বলছিস? চিনতে পারছিস? পারছিস না? আমি রমলা। আমি তোদের সেই রমলা টু রে। সেই যে ক্লাস এইটে ভরতি হলাম। মনে পড়েছে? বাবাঃ মনে পড়েছে তা হলে। বাঁচালি ভাই, আমি তো ভেবেছিলুম…। রমলা, খুব বিপদে পড়েছি ভাই, ভীষণ বিপদে। তুই যদি সাহায্য না করিস দুই মেয়ে নিয়ে সুইসাইড করতে হবে। বিষ কেনার মতো পয়সাও এই মুহূর্তে আমার হাতে নেই। অনেক কষ্টে তোর টেলিফোন নম্বর জোগাড় করেছি। তুই আমার শেষ ভরসা। আমি জানি, তুই একমাত্র আমায় বিশ্বাস করবি। কিছু টাকা তোকে ধার দিতে হবে ভাই। আজই দিতে হবে। আমায় বাঁচা তুই।’

    স্কুলজীবনে এরকম হামেশাই ঘটে। এক ক্লাসে একই নামে অনেকগুলো ছেলেমেয়ে। তিনখানা সুমন, দু’জন অঞ্জনা, চারটে দেবাশিস। রমলার জীবনেও ঘটল। তখন ক্লাস এইট। একদিন ভূগোলের পিরিয়ড চলছে। হঠাৎ বড়দি ক্লাসে ঢুকলেন। পেছন পেছন একটা মেয়ে। মিষ্টি দেখতে। গায়ের রং খুব ফরসা আর চোখগুলো বড় বড়। বড়দি বললেন, ‘গালর্স, আজ থেকে এই মেয়েটি তোমাদের ক্লাসে পড়বে। এর বাবার বদলির চাকরি, দিল্লি থেকে হঠাৎ ট্রান্সফার হয়ে এসেছেন। তোমরা সবাই মিলে দেখবে এই মেয়ের যেন কোনও অসুবিধে না হয়।’

    বড়দি বেরিয়ে যেতেই মেয়েরা মুখ নামিয়ে হাসল। গা টেপাটেপি করল। ফিসফিস করে নন্দিতা বলল, ‘হাঁদা’। তপতী এল, ‘সাদা হাঁদা’। রমলা বলল, ‘সাদা হাঁদা গাধা’।

    টিফিনের আগেই নতুন মেয়েটি সম্পর্কে দুটি ভয়ংকর ঘটনা জানা গেল। আর তিন নম্বর ভয়ংকর ঘটনা জানা গেল টিফিনের সময়। প্রথম ঘটনা যেটা জানা গেল তা হল, নতুন মেয়েটি দারুণ বুদ্ধিমতী। অঙ্ক ক্লাসে সবার আগে খাতা জমা দিল এবং সব অঙ্ক ঠিক করল। দ্বিতীয় ভয়ংকর ঘটনা হল, এই মেয়েটির নামও রমলা। আর তিন নম্বর যা জানা গেল, তা হল, এ-মেয়ে দারুণ ঝগড়া করতে পারে। এ-ব্যাপারে ছোট বড় কোনও ইস্যু সে ছাড়তে রাজি নয়। বেঞ্চে বসা থেকে উত্তর মেরুর তাপমাত্রা— সব ব্যাপারেই সে ঝগড়া করতে পারে।

    প্রথমদিনই কী করে যেন নতুন রমলার নাম হয়ে গেছে, ‘রমলা টু’। দু’নম্বর রমলা।

    রমলা টু ভুরু কুঁচকে বলল, ‘টু কেন?’

    অনিন্দিতা আমতা আমতা করে বলল, ‘তুমি পরে এসেছ তাই টু। এরপরে রমলা নামে যারা আসবে তারা হবে থ্রি, ফোর, ফাইভ।’

    ‘তোমাদের ক্লাসে কি আরও রমলা আসবে বলে মনে হয়?’

    চন্দনা সাবধানে বলল, ‘কে জানে আসতেও তো পারে। ক্লাস এইটে তো চারজন ছন্দা আছে। বেঁকা ছন্দা, সোজা ছন্দা, হাসি ছন্দা আর কান্না ছন্দা।’

    রমলা টু ঠোঁট বেঁকিয়ে বলল, ‘তোমাদের স্কুলের মেয়েরা তো খুব অসভ্য দেখছি। বিচ্ছিরি নাম দাও।’

    মনীষা সাহস করে বলল, ‘সেদিক থেকে তোমার নাম তো ভালই হয়েছে। ওয়ান, টু, থ্রি তো বিচ্ছিরি কিছু নয়।’

    রমলা টু তার মাথা-ভরতি চুল ঝাঁকিয়ে বলল, ‘বিচ্ছিরি নয়। তবে অপমানজনক। আমি সেকেন্ড পছন্দ করি না। আগের স্কুলে কোনও কিছুতে কখনও আমি সেকেন্ড হইনি। লেখাপড়া, খেলাধুলা, গানবাজনা, সবকিছুতেই আমি ফার্স্ট হতাম। একবার অ্যানুয়াল ফাংশনে ড্রেস কম্পিটিশন হয়েছিল। আমি খুব সিম্পল সেজেও ফার্স্ট হয়েছিলাম। মাথায় শুধু একটা লাল রিবন লাগিয়েছিলাম, ব্যস। চিন্তা কোরো না, এখানেও সবকিছুতে ফার্স্ট হব। সেই কারণেই নামের পেছনে টু আমি মেনে নিতে পারছি না। তা ছাড়া সমস্যা হল, বাবা শুনলে রাগ করতে পারে। বাবা রাগ করে এমন কোনও কাজ আমি কখনও করি না।’

    রমলা অবাক হয়ে বলল, ‘এর মধ্যে ফার্স্ট সেকেন্ডের কী আছে? এ তো আর পরীক্ষার রেজাল্ট নয়। আমাদের দু’জনকে আলাদা করার জন্যে একটা ব্যবস্থা। কেউ যদি শুধু রমলা বলে তা হলে হয়তো অনেকেই বুঝতে পারবে না। ভাববে আমার কথা বলছে। তাই রমলা টু।’

    রমলা টু কঠিন চোখে রমলার দিকে তাকাল। তারপর চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, ‘জীবনে কখনও কোনও কিছুতে ফার্স্ট হয়েছ? মনে হচ্ছে না হয়েছ। হলে আর এ কথাটা বলতে না।’

    অপমানে রমলার চোখ মুখ লাল হয়ে গেল। জ্বালা জ্বালা করতে লাগল। সে বলল, ‘ঠিক আছে। তুমি যেমন রমলা আছ তেমন থাকো।’

    ‘কেন? তুমি কি দয়া দেখাচ্ছ? দুঃখিত, আমি কারও দয়া নিই না ভাই। যাক, তোমাদের সঙ্গে এই বিষয়ে তর্ক করা বৃথা। আমি তোমাদের দেওয়া নাম মেনে নিলাম কিন্তু একটা শর্ত আছে।’

    এষা বলল, ‘শর্ত! শর্ত আবার কী?’

    রমলা টু ঠোঁটের ফাঁকে বিদ্রূপের হাসি এনে বলল, ‘ফাইনাল পরীক্ষায় আমি যখন ফার্স্ট হব তখন কিন্তু আমার নামের সঙ্গে আর টু বলা যাবে না। তখন তোমাদের পুরনো রমলাকেই টু বলে ডাকতে হবে। আর আমি হব শুধু রমলা। তখন যদি কেউ আমাকে টু বলে ডাকো আমি কমপ্লেইন করব, বাবার চিঠি নিয়ে আসব।’

    স্কুলে কান্না সামলালেও বাড়িতে এসে দরজা আটকে রমলা খুব খানিকটা কাঁদল। ঠিক কারণেই কাঁদল। এতদিন সে-ই ছিল ক্লাস এইটের একমাত্র রমলা। এবার তার থেকে অনেক সুন্দরী, পড়াশোনায় অনেক ভাল, একটা মেয়ে কোথা থেকে উড়ে এসে সেই নাম কেড়ে নিল! তাকে সবার সামনে অপমান করতেও ছাড়ল না।

    অপমানের এখানেই শেষ নয়। বলা যেতে পারে শুরু। যত দিন যেতে লাগল সেই অপমানের পরিমাণ বাড়তে লাগল। এক মাসের মধ্যে রমলা টু রমলাকে অনেক পেছনে ফেলে এগিয়ে গেল। ক্লাসের মেয়েরা পর্যন্ত তার ভক্ত। আর কথাটা মিথ্যে নয়, মেয়েটা শুধু দেখতে সুন্দর নয়, সবকিছুতেই চৌখস। গান, বাজনা, পড়াশোনাতেও তো বটেই, স্পোটর্সের সময় একশো মিটার দৌড়েও সে সবাইকে হারিয়ে দিল! দিদিমণিরা রমলা টু বলতে অজ্ঞান। নিজেরা বলাবলি করেন, ‘এই মেয়ে মাধ্যমিকে স্ট্যান্ড করতে পারে। এর ওপর বিশেষ নজর দেওয়া দরকার।’

    অনিন্দিতা একদিন রমলাকে ফিসফিস করে বলল, ‘অ্যাই জানিস, রমলা টুয়ের নাকি এর মধ্যেই বর ঠিক হয়ে আছে। ছেলে সিডনিতে পড়াশোনা করে।’

    রমলা নামের একটা মেয়ে চোখের সামনে এভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেখে রমলা কী করবে বুঝে উঠতে পারছে না। শুধু নামটা এক, বাকি সবটাই আলাদা, অনেক আলাদা। রমলা অনেক কিছু ভেবেছে। কখনও ভেবেছে, নিজের নামটা বদলে ফেলবে। রমলা এমন কিছু নাম নয় যে আঁকড়ে বসে থাকতে হবে। একবার মনে হল, আজ থেকে ঠেসে অঙ্ক করবে। সবাইকে দেখিয়ে দেবে, এই রমলাও কম যায় না। সেও বুদ্ধিমতী। সেও অঙ্ক পারে। কিন্তু হল না। এক মাসের মাথায় ক্লাস টেস্টে পঁচিশে ছাব্বিশ পেয়ে রমলা টু সবাইকে চমকে দিল! সব অঙ্ক পারার জন্য পুরো নম্বর আর পরিচ্ছন্নতায় মুগ্ধ হয়ে অতিরিক্ত এক নম্বর। সেখানে রমলার তিনটে ভুল। টিফিনের সময় পেট ব্যথা করছে বলে বাকি সময়টা বেঞ্চে মাথা নামিয়ে বসে রইল রমলা।

    এরপর আরও এক অদ্ভুত কাণ্ড শুরু করল রমলা। সকাল বিকেল স্নানের সময় ঘষে ঘষে সাবান মাখতে লাগল। সাবান কোনও কাজ দিল না। গায়ের রং সেই একইরকম রয়ে গেল। চাপা আর শ্যামলা। উলটে বেশি সাবানে কনুইয়ের কাছে অ্যালার্জির র‍্যাশ বেরোল।

    পরিস্থিতি ভয়ংকর হল, ক্লাসের বন্ধুরা তখন রমলার এই অবস্থার কথা জেনে ফেলল। শুধু নিজের ক্লাসে নয়, ঘটনা ছড়িয়ে পড়ল গোটা স্কুলে। দিদিমণিরা পর্যন্ত জেনে গেল। রমলার একসময় মনে হতে লাগল, সবাই তাকে নিয়ে হাসাহাসি করছে। আলোচনা করছে। সায়েন্স টিচার একদিন টিচারস রুমে ডেকে পাঠালেন। পিঠে হাত দিয়ে বললেন, ‘রমলা, কম্পিটিশন ভাল। কিন্তু জেলাসি ভাল নয়। তোমার সমস্যাটা যে আমরা বুঝতে পারছি না তা নয়। কিন্তু আইনস্টাইন বলেছিলেন…।’

    একটা সময় রমলার মনে হতে লাগল, সে বোধহয় পাগল হয়ে যাচ্ছে। নিজের নাম শুনলে চমকে উঠত। সারাদিন ভেতরে একটা ছটফট ভাব। রাতে ভাল করে ঘুম হয় না। ঘুম হলেও মাঝরাতে ভেঙে যায়। চোখের কোনায় কালি। স্কুল যাওয়া তার কাছে বিষের মতো মনে হচ্ছে। বেঁচে থাকাটাই যেন একটা দুঃস্বপ্ন।

    মা বলল, ‘কী হয়েছে তোর? অ্যাঁ কী হয়েছে?’

    রমলা চুপ করে থাকে। কী বলবে সে? আমি রমলা টু’র মতো হতে চাই মা। ওর মতো সুন্দর, ওর মতো লেখাপড়ায় সেরা, ওর মতো দৌড়ে প্রথম। আমি চাই, আমার হবু বর টোকিও বা নিউইয়র্কে বড় হোক। মা, আমি রমলা টু হতে চাই।

    দার্জিলিঙে একবার ফোন করলে কেমন হয়? রনির সঙ্গে কাল রাতেই কথা হয়েছে। হোক কথা। ছেলের সঙ্গে কথা বলতে গেলে মেপে কথা বলতে হয় নাকি? তা ছাড়া ওদের এখন এক্সাম লিভ চলছে।

    একেবারেই হস্টেলে ফোন পাওয়া গেল।

    ‘কী হল মা, এনিথিং প্রবলেম?’

    ‘না না, এমনি ফোন করলাম।’

    ‘এমনি করলে মানে? কাল রাতেই তো কথা হল।’

    ‘তাতে কী হয়েছে? কাল রাতে করেছি বলে কি আজ সকালে করতে পারি না?’

    ‘উফ, ডোন্ট টক সিলি মা। বাবা কোথায়? বাবাকে বলবে, কতগুলো রেফারেন্স লাগবে। আমি কাল ই-মেলে লিস্ট পাঠিয়ে দেব।’

    ‘সে হবেখন। জানিস রনি, আজ একটা মজার কাণ্ড হয়েছে।’

    ‘ওরে বাবা, মজার কাণ্ড শোনাতে তুমি এই সময় ফোন করলে? আমি এখন হিস্ট্রি পড়ছি। ক্লাস নাইনের হিস্ট্রি যে কী হরিবল জিনিস। এর মধ্যে মজার কাণ্ড শোনাবে?’

    ‘আহা শোন না। আজ আমার এক স্কুলের বন্ধু আমাকে ফোন করেছিল।’

    ‘এটাই তোমার মজার কাণ্ড! এর মধ্যে মজা কোথায়!’

    ‘মজা হল, সেই বন্ধুটার নামও রমলা। সবাই বলত রমলা টু। রমলা টু আমাকে সবকিছুতে হারিয়ে দিত। সবকিছুতে। হ্যালো, হ্যালো রনি…হ্যালো, হ্যালো।’ ফোন কেটে গেছে।

    রমলা এবার সুনন্দর মোবাইলের নম্বর টিপল।

    ভয়ংকর একটা মানসিক ঝড়ের মধ্যে ক্লাস এইটের অ্যানুয়েল পরীক্ষা শেষ হয়েছিল। খুব খারাপ পরীক্ষা দিল রমলা। শেষ দিন ছিল ভূগোল। পরীক্ষা দিতেই দিতেই বাথরুমে গিয়ে একবার বমি করে এল। সে নিশ্চিত, রমলা টু এবার ফার্স্ট হবে। শুধু সে কেন, সবাই জানে। তারপর? তারপরটা সে আর ভাবতেও পারছে না। ক’টা মাস নিজেকে রমলা টুয়ের মতো করে গড়ে তোলবার জন্য কতরকম চেষ্টাই না করছে। একটা কিছুতে তাকে ফার্স্ট হতে হবে। যে-কোনও একটা কিছুতে। সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। সে রমলা টু হয়ে যাচ্ছে। জিতে থাকা রমলা টু নয়, হেরে যাওয়া রমলা টু। কী হবে? সে কি আত্মহত্যা করবে?

    সুনন্দর মোবাইলে চোস্ত ইংরেজিতে ভয়েস রেকর্ডার বেজে বলল— ‘নমস্কার, আমি সুনন্দ চ্যাটার্জি বলছি। আমি এখন ব্যস্ত। আপনি দয়া করে আপনার মেসেজ জানিয়ে রাখুন। কিছু পরেই আমি আপনাকে ফোন করছি।’

    রমলা ফিসফিস করে ‘মেসেজ’ জানাতে লাগল। দীর্ঘ ‘মেসেজ’।

    ‘জানো সুনন্দ, আজ আমাকে আমার এক ছেলেবেলার বন্ধু ফোন করেছিল। অনেক ছেলেবেলার। সেই স্কুলের। তার নাম শুনলে তুমি অবাক হয়ে যাবে। তার নামও ছিল রমলা। রমলা টু। কেউ রমলা বলে ডাকলে যাতে আমার সঙ্গে গুলিয়ে না যায় সেই জন্য রমলা টু। উনিশ বছর আগে এই রমলার কাছে এই রমলা সব বাপারে হেরে ভূত হয়ে গিয়েছিল। সেই সময় নিজেকে রমলা টুয়ের মতো করে বানাবার জন্য কত পাগলামিই না করেছি। সবসময় ভাবতাম ওকে হারাতে হবে। একটা না একটা কিছুতে ওকে হারাতেই হবে। জানো সুনন্দ, লজ্জায়, অপমানে আমি একসময় সুইসাইডের কথাও ভেবেছিলাম। আর আজ কী মজা দ্যাখো, রমলা টু আজ আমার কাছে সাহায্য চাইছে। বলছে, রমলা আমায় বাঁচা। প্লিজ আমাকে বাঁচা। তুই না বাঁচালে দুই মেয়ে নিয়ে পথে ভিক্ষে করতে হবে। আমি সুইসাইড করব। মজার না? আমার তো খুব মজা লাগছে। যে-রমলার জন্য একদিন আমি সুইসাইড করতে যাচ্ছিলাম তাকে আজ আমিই বাঁচাব! ওকে আজই আসতে বলেছি। বিকেল চারটেতে আসবে। তাকে আমি সাহায্য করব। এতদিন পর আজ আমি তাকে হারিয়ে দেব। কী, দেব না?’

    অ্যানুয়্যাল পরীক্ষার রেজাল্ট বেরোনোর আগে রমলার জ্বর এল। ধুম জ্বর। জ্বরের সঙ্গে তীব্র ডিলিরিয়াম। বিড়বিড় করে ভুল বকা— ‘না না, আমি রমলা, আমি রমলা টু, না না আমি রমলা টু নই, আমি রমলা টু, আমি রমলা…।’

    আবছা মনে পড়ে, অনেক রাতে ডাক্তার ঘোষ এসে ইঞ্জেকশন দিলেন। বাবাকে গলা নামিয়ে বলে গেলেন, ‘আপনারা একজন সাইক্রিয়াটিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।’

    ক্লাস এইট থেকে নাইনে উঠতে গিয়ে রমলা টু ফার্স্ট হল। শুধু ফার্স্ট নয়, অন্তত তিনটে সাবজেক্টে রেকর্ড নম্বর পেল সে। ক্লাসে হইচই পড়ে গেল। কিন্তু রমলা টু স্কুলে এল না। সে আর কোনওদিনই এল না। খবর এল, তার বাবার আবার বদলি হয়েছে। এবার নাকি আরও দূরের কোন শহরে।

    ক্লাসে আবার একজনই রমলা।

    রমলা প্রথমে ভেবেছিল বিউটি পার্লারে যাবে, ফেশিয়াল করিয়ে আসবে। তারপর মনে পড়ে গেল, গত সোমবারই ফেশিয়াল করিয়েছে। তাই নিজেই ড্রেসিং টেবিলের সামনে সাজতে বসল। মেকআপের পর অনেক বাছাই করে একটা টিয়াপাখি রঙের ব্যোমকাই সিঙ্ক বের করে পরল। এই শাড়ি কেউ বাড়িতে পারে না। রমলা পরল। কুকিজারে ফোন করে কেক, পেস্ট্রি, প্যাটিসের অর্ডার দিল। প্রথমে তিন রকমের অর্ডার দিয়েছিল। আবার ফোন করে দুটো আইটেম বাড়িয়ে নিল। চিকেন অ্যাসপারাগস্‌ আর প্রন কাটলেট। তিনটের সময় রতনের মাকে ডেকে বলল, ‘ড্রইং রুমের দুটো এসিই চালিয়ে রাখো। আর শোনো রতনের মা, চারটের সময় আমার যে গেস্ট আসবে তাকে বলবে, আপনাকে বসতে হবে। বউদি ঘুমোচ্ছেন। উনি উঠলে খবর দেব।’

    রমলা ঘুমোতে গেল না। সাজ শেষ করে সে ড্রয়ার হাতড়ে গাদাগুচ্ছের পুরনো ডায়েরি নোটবুক বের করল। উনিশ বছর পরেও স্কুলের বন্ধুদের ফোন নম্বর কোথাও লেখা থাকবে ভাবাটা অদ্ভুত। রমলা সেই অদ্ভুত কাজটাই করছে। অনিন্দিতা, এষা, মণীষা কারও নম্বর নেই তপতী পাণ্ডে বলে একজনের নাম পাওয়া গেল। কে তপতী পাণ্ডে? রমলার মনে পড়ছে না। তবু সে ডায়াল করল। কর্কশ গলায় একজন বলে উঠল, ‘বলুন, শিয়ালদা নর্থ পুলিশ স্টেশন বলছি।’

    রতনের মা ঘরে ঢুকে থমকে দাঁড়াল। মানুষটা করে কী ? ভরদুপুরে মুখে রংচং মেখে মেঝের ওপর উপুড় হয়ে বসে আছে! ঘরময় ছেঁড়া খাতাবই, ধুলো, আর ঝুল। রতনের মা চোখ সরু করে তাকাল। বলল, ‘বউদি, সাজগোজা করে নোংরা ঘাঁটেন ক্যান?’

    বসার ঘরে পা দিয়েই রমলা চমকে উঠল। এ কে? কে এ? একজন রোগা ফ্যাকাশে মহিলা বসে আছে। গায়ে একটা নীল শাড়ি। সবুজও হতে পারে। রং উঠে যাওয়ায় ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। শাড়ি টেনে ভাল করে গায়ে জড়ানো। চোখে চশমা! ফ্রেম বারবার ঝুলে পড়ছে। মাথা নামিয়ে বসে আছে সে। এসির ঠান্ডায় অল্প অল্প কাঁপছে কি? মহিলার দু’পাশে দুটি মেয়ে। সোফার কোনায় বসে আছে গুটিসুটি মেরে। তবে তারা মায়ের মতো মাথা নামিয়ে বসে নেই। দু’জনের চোখেই ভয়ভয় একটা ভাব। সস্তার ফ্রক পরেছে। বুকের কাছে জরি বসানো। ছোট জন ঠান্ডার চোটে হাঁটু মুড়ে প্রায় সোফার তলায় ঢুকিয়ে ফেলেছে। বড় মেয়েটাকে দেখে মনে হচ্ছে, ভয়ে সে ঠান্ডা গরমও আলাদা করতে পারছে না।

    পায়ের শব্দে ফ্যাকাশে মহিলা ধড়মড়িয়ে উঠে দাঁড়াল। মেয়েদের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘অ্যাই, তোরা হাঁ করে দেখছিস কী? অ্যাঁ, দেখছিস কী? ওঠ, উঠে মাসিকে প্রণাম কর। ওঠ, ওঠ। বলছি না, এই মাসিটার নামও তোদের মায়ের মতো রমলা। হা হা। কেমন মজা, না?’

    দুই রুগ্‌ণ মেয়ে যন্ত্রের মতো উঠে দাঁড়াল। রমলা বিড়বিড় করে বলল, ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে।’ এ কোন রমলা টু? কোথায় সেই টানাটানা চোখ? একমাথা চুল ? চোয়াল বসে গেছে। গায়ের রং রোদে পোড়া কালো।

    রমলা অনেক কিছু ভেবে রেখেছিল। পরপর অনেককিছু। ঠিক করেছিল, প্রথমে রমলা টু’কে নিজের সুখের কথা সব গুছিয়ে বলবে। বরের ইনকাম ট্যাক্স, ছেলের টেনিস খেলা, তার ফুলের বুটিক— সব। তারপর তার দুঃখের কাহিনী শুনবে। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জিজ্ঞেস করবে, বর কেন ফেলে পালাল, এখন চলে কী করে, একলা পেয়ে কেউ খারাপ ইঙ্গিত টিঙ্গিত করে কিনা— এইসব। সেই কাহিনী শুনতে শুনতেই গোটা ফ্ল্যাট ঘুরিয়ে দেখানো হবে। এমনকী, বাথরুম রান্নাঘর পর্যন্ত। খেতে দেওয়ার পর রতনের মা অ্যালবাম নিয়ে আসবে। রমলার বিদেশ ভ্রমণের ছবি দেখবে রমলা টু। হংকং ভ্রমণ দেখা হবে টিভিতে হ্যান্ড ক্যামেরার তার লাগিয়ে। সবশেষে সাহায্য পর্ব। টাকার খাম তুলে দেওয়ার সময় রমলা কী বলবে তাও রিহার্সাল দেওয়া আছে। বলবে, ‘দরকার হলে আবার ফোন করিস। লজ্জা পাস না একদম।’ টাকা ভরে খাম রেডি করা আছে।

    রমলা এসব কিছুই করতে পারল না। সে ভাল করে কথাই বলতে পারছে না। শুধু হুঁ হাঁ করছে।

    খাবারের প্লেট আসার পর মেয়েদের ওপর তাদের মা একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়ল। বলল, ‘অ্যাই, একদম নষ্ট করবি না। একদম না, নো ওয়েসটেজ। জিনিস নষ্ট করা কিন্তু তোমাদের রমলা মাসি একদম পছন্দ করে না। তাই না রমলা? ঠিক আছে যতটুকু পারবে খাও, বাকিটা তুলে রাখো। এঁটো করবে না। ঠিক আছে, রমলা মাসিকে বল একটা কৌটো দিতে। কাল তোদের স্কুলের টিফিন দিয়ে দেব। রমলা, ইস তুই কী যে করিস না। এত কিছু কেন আনালি রমলা? দ্যাখ, আমার স্কুলের বন্ধু আমাকে কত ভালবাসে দ্যাখ একবার। রমলা, আমি কিন্তু শুধু এই সন্দেশটা খাচ্ছি, বাকিটা নিয়ে যাব। তোর মনে আছে রমলা, অনিন্দিতাটা কী পেটুক ছিল। টিফিন বাক্স খুললেই ঝাঁপিয়ে পড়ত। মনে আছে তোর? একটা কৌটো দিতে বল না ভাই। ভাবিস না, আমি তোর কৌটো ফেরত দিয়ে যাব।’

    ও এতবার রমলা রমলা করছে কেন? রমলার ভাল লাগছে না। অথচ কথা ছিল, তার ভাল লাগবে, খুব ভাল লাগবে।

    অনেকক্ষণ হল ওরা চলে গেছে। ঘর অন্ধকার করে শুয়ে আছে রমলা। টেলিফোনটা বাজছে। বেজেই চলেছে। রমলা ধরছে না। তার মনে হচ্ছে, রিসিভার কানে নিলেই কেউ ওপাশ থেকে বলে উঠবে, ‘হ্যালো, হ্যালো, রমলা টু বলছেন? রমলা টু?’

    রমলার ভয় করছে। খুব ভয় করছে। বারবার সে দরজার দিকে তাকাচ্ছে। মনে হচ্ছে, এখুনি দরজা ঠেলে দুটো রোগা রুগ্‌ণ মেয়ে ঘরে ঢুকে পড়বে। অন্ধকারে তাদের মুখ ভাল করে দেখা যাবে না। শুধু ফ্রকের জরিগুলো জ্বলজ্বল করবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }