Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীল আলোর ফুল – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প591 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দূরে বাজে

    গায়ে হাত দিতে হল না। আলো জ্বেলে মুখ দেখেই বুঝলাম, মা মারা গেছে। ঠোঁট অল্প ফাঁক। সেখানে সামান্য হাসি। এই মুহূর্তে নিজের মৃত্যু ছাড়া এমন কোনও ঘটনা নেই যার জন্য মা হাসতে পারে।

    চাদরটা মায়ের গলা পর্যন্ত টেনে দিয়ে ঘর থেকে বেরোলাম বারান্দায় সারারাত বাতি জ্বলে। মাকে বাড়িতে আনার পর থেকে এমনই ব্যবস্থা। এখনও জ্বলছে। হলুদ আলোয় টানা-বারান্দায় হলুদ রঙের অন্ধকার।

    এখন রাত কত! বলা শক্ত। আলো দেখে সময় বলা যায়, অন্ধকার দেখে বলা যায় না। আমার ঘড়ি নেই, বিক্রি করে দিয়েছি। আমার ধারণা ছোড়দাও ওরটা বেচেছে। থাক, সময় দেখে কী হবে? ভোর হলে প্রথমে সুমিদের পাঁচিলে রোদ পড়বে। কাঁচা রোদ। খানিক পরে সেই রোদ আসবে আমাদের বারান্দায়। অন্ধকারেই বাবা বারান্দার কোনায় চৌকির ওপর বসে আছে। রাত থেকেই রোদের জন্য অপেক্ষা করছে। অপেক্ষা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছে। চাদরটা গা থেকে খসে পড়েছে পাশে। গেঞ্জির ওপর সাদা হাফহাতা সোয়েটার। নামেই সোয়েটার। সেদিন গুনে দেখলাম, সাতাশ জায়গায় ছেঁড়া। বাবার এই সোয়েটার দেখলে মনে হয়, ছেঁড়াটাই বুঝি ডিজাইন। দুটো সোজা, তিনটে উলটোর মতো কোনও সহজ অঙ্কে কেউ মন দিয়ে ছেঁড়া বুয়েছে। ডিজাইন হিসেবে ছেঁড়া কিন্তু মন্দ নয়। ঠান্ডায় মানুষটা গুটিয়ে আছে। মাথাটা দেয়ালে ঠেকানো। নোনা দেয়ালে মাথা রাখলে ঠান্ডা বেশি লাগারই কথা। বাবারও নিশ্চয় লাগছে। চিমসে মার্কা বুকটা উঠছে নামছে। আহা, ঘুমোচ্ছে ঘুমোক। বুড়ো মানুষটা নিশ্চয় রাতে ঘুমোয়নি। এত রাতে লোকটাকে ঘুম থেকে তুলে মায়ের মৃত্যুর খবর দেওয়ার কিছু নেই। মরা বাসি হয়, মরার খবর বাসি হয় না।

    বাবার ইদানীং টাইম ডাইলিউশনের মতো হয়েছে। সময় গুলিয়ে যাওয়ার অসুখ। মাঝরাতে দরজা খুলে দেখে বারান্দায় রোদ পড়েছে কিনা। বিকেলেই বলে, ‘ফুলি, খেতে দিবি না? রাত অনেক হয়েছে।’ প্রথম প্রথম বিরক্ত হতাম। এখন আর হই না। দুটো রুটি এনে দিই। বলি, ‘এসো বাবা, খেয়ে নাও।’ বাবা পরম আগ্রহে খায়। খেতে খেতে বলে, ‘বিছানা পেতে দে। তমাল ফেরেনি? ছেলেটা এত রাত করে কেন? দিনকাল ভাল নয়।’ বড় মায়া লাগে। আমি বলি, ‘চিন্তা কোরো না বাবা। রাত তো এমন কিছু হয়নি! ছোড়দা ঠিক ফিরবে। ব্যাবসা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। নাও হাতটা সরাও, একটু তরকারি দিই।’

    ছোড়দাকে ডেকে তুলি। কী দরকার তোলার? এই মাঝরাতে কী করবে সে? মরমর হলে একটা কথা ছিল। ডাক্তার, অক্সিজেন, ডেকাড্রন ইঞ্জেকশনের জন্য ছুটতে হত। গরিববাড়িতে ‘মরমর’ ব্যাপারটা মৃত্যুর থেকেও অনেক শোকাবহ। আমি যত দূর জানি, এই মুহূর্তে বাড়িতে কুড়িয়ে বাড়িয়ে তিরিশ-বত্রিশ টাকার মতো আছে। বত্রিশ টাকায় ‘মরমর’ স্টেজ সামলানো যায় না। মনে হচ্ছে, টাকার অ্যামাউন্টটা মা-ও জেনে ফেলেছিল। সেই জন্যই এই স্টেজ মা গোপনে পার করে দিল। কখন মারা গেল জানতেও পারলাম না। ছোড়দাকে আস্তে ধীরে ডাকলেই হবে। আলো ফুটুক, একেবারে চা করে নিয়ে যাই। চা ছাড়া ছোড়দার ঘুম ভাঙে না। একেবারে নবাব চা-দৌল্লা! চা করে বাবাকেও তুলব। তুলে কী বলব? যাক, সময় তো আছে একটা কিছু ভেবে নেওয়া যাবে।

    বড়লোকের বাড়ির মৃত্যু হল একটা বড় দুঃখের ব্যাপার, তাড়াহুড়ো তাদের সাজে। সেসব বাড়িতে শ্বাস উঠলেই হইচই শুরু করতে হয়। টেলিফোন নম্বরের ডায়েরি নিয়ে একজন বসে যাবে। এক ঘণ্টার মধ্যে সবাইকে খবর। গাড়ি চেপে আত্মীয়রা ছুটে আসবে। যাদের গাড়ি নেই তারা ট্যাক্সি করে আসবে। বাড়ির সামনে কাঁদতে কাঁদতে নামবে। নেমে মিটারের কারচুপি বিষয়ে ট্যাক্সি-ড্রাইভারের সঙ্গে সিরিয়াস ধরনের ঝগড়া শুরু করবে। কান্না আর ঝগড়ার জয়েন্ট ভেঞ্চারে পাড়াসুদ্ধ মানুষ মৃত্যুর খবর জেনে ফেলবে। দুপুরের মধ্যে একশো কাপের ওপর চা। কাঁকিনাড়ার মেজমামাকে খবর দেওয়া হবে। কিন্তু তিনি আসতে দেরি করবেন। অপেক্ষা করতে করতে বেলা গড়িয়ে বিকেল হবে। মাঝখানে ছোটদের জন্য ডালসেদ্ধ, ভাত, অল্প কার ঘি। বড়দের জন্য লুচি আলুরদম, একটা করে সন্দেশ। ‘খাব না, খাব না’ বলে মৃতদেহের চোখের আড়ালে গিয়ে প্রত্যেকেই খাবে। গাড়ির ড্রাইভারকে পর্যন্ত খাওয়াবে। খেতে খেতে গম্ভীর মুখে জিজ্ঞেস করবে, ‘কখন হল রে?’ যেন সময়ের একটু এদিক-ওদিক হলে শোকের পরিমাণ কিছু কম হত।

    এ-বাড়িতে এসব বালাই নেই। আত্মীয়স্বজনকে খবর দিয়ে লাভ হবে না। খুব কেউ আসবে না। তা ছাড়া গরিবের বাড়িতে তিন বছরের অসুস্থ মানুষের মৃত্যু কোনও বড় দুঃখের ঘটনা নয়। ছোট দুঃখেরও কি? জানি না। তবে আমাদেরটা জানি। আমরা ঝামেলা মুক্ত হলাম। ধারবাকিতে কিছুদিনের জন্য চাল-ডাল হয়, কিন্তু একদিনের জন্য ও চিকিৎসা না। ফলে হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই আমরা অপেক্ষা করেছি। আমি যদি এখন সবাইকে ঘুম থেকে তুলে একটা হইচই বাধিয়ে কাঁদতে বসি, সেটা হবে লোক দেখানো। আমাদের দেখার মতো কোনও লোক নেই।

    আমি চা করতে রান্নাঘরে ঢুকলাম। রান্নাঘরে অনেকদিন হল আলো নেই। সুইচ খারাপ। অসুবিধে হয় না। সুইচ কিনে লাগাতে হলে অসুবিধে হত। আজকাল সুইচফুইচের অনেক দাম। রান্নাবান্না দিনের আলো থাকতেই সেরে ফেলি। নইলে বারান্দার আলোই রান্নাঘরের আলো। হাতড়ে কৌটো নামালাম। চা-পাতা নেই, কৌটোয় তলানিতে সামান্য গুঁড়ো পড়ে। থাক, ছোড়দা উঠুক, কেটলিটা নিয়ে মোডের দোকান থেকে চা নিয়ে আসবে।

    মাকে হাসপাতাল থেকে জবাব দিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছে মাসখানেক হল। আর একটু বেশিও হতে পারে। ওষুধ চিকিৎসা যখন ফেল করে তখন রোগীকে হাসপাতাল থেকে শান্তি চিকিৎসার জন্য বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরিবারের সকলের মাঝখানে শান্তিতে মানুষ মারা যায়। মৃত্যুর মুহূর্তে সে ভাবে, ‘আমি চলে যাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু এই চমৎকার পৃথিবীতে এরা রয়ে গেল। এদের মধ্যে দিয়ে আমিও রয়ে গেলাম।’ শুনেছি, এই চিকিৎসায় অসুস্থ মানুষ তার মস্ত রোগ ছুড়ে ফেলে দিতে পারে এবং পুরোপুরি সুস্থ হয়। তখন পরম নিশ্চিন্তে মৃত্যুর পথে সে হাঁটা লাগায়। মায়ের ক্ষেত্রে শান্তি চিকিৎসা কাজে লাগে না। মৃত্যুর মূহূর্তে মা তার পরিবারকে পুরো পাশে পেল না।

    বড়দার ঘরে তালা, বাড়ি ছাড়ার সময়ই বউদি চাবি নিয়ে চলে গেল। ওদের পাওয়ার প্রশ্ন নেই। রোজকার মতো কাল রাতেও ছোড়দা আর বাবা পাশের ঘরে শুল। আমি মায়ের ঘরে মাটিতে বিছানা পেতে শুলাম। কালও ছিলাম। কিন্তু আসল সময়টা কেউ জানতে পারলাম না।

    বেকার হওয়ার ফলে ছোড়দা ভয়ংকর ব্যস্ত। গত সাত বছর ধরে ও নানাবিধ ব্যাবসার প্রজেক্ট তৈরি করেছে। ডটপেনের রিফিল থেকে সাইবার কাফে। গোড়ার দিকে এসব প্রজেক্ট হত তিন পর্যায়ে। প্রথম পর্যায় অনেক কাটাকুটি সহযোগে পেনসিল দিয়ে রাফ। দ্বিতীয় পর্যায়ে পেন দিয়ে। তিন নম্বর পর্যায় হল চূড়ান্ত পর্যায়। দামি কাগজে শ্যামবাজার মোড় থেকে টাইপ করানোর পর্যায়। যত দিন যাচ্ছে পর্যায় কম। টাইপ, কাগজ এবং কালির খরচ বেড়ে গেলে আমার কাছে ছোড়দার ধার বাড়ছে। টিউশনি করা বোন আর কতটা টানবে? টাইপের অংশটা বাদ পড়েছে বছর তিন হয়ে গেল। পেন দিয়ে লেখাটাও দেখলাম এখন আর নেই। পেনসিলের রাফই এখন ফাইনাল। রাফ প্রজেক্ট নিয়েই সে কার খোঁজে ছোটাছুটি করে।

    বউদি নিয়ম করে দিয়েছে একদিন, বড়দা বউদিকে লুকিয়ে সপ্তাহে দু’দিন এ বাড়িতে আসে। কোনওদিন অফিস ফেরত, কোনওদিন অফিস যাওয়ার আগে দেখা করে ঘুরে যায়। রোজই কিছু-না-কিছু বাজার করে আনে। থলি রেখে দেয় রান্নাঘরে। আমাকে বলে, ‘ফুলি, হরলিক্সটা রাখ। মাকে দিবি। গরম গরম দিবি। এনিথিং হট ইজ গুড ফর হেল্‌থ। নার্ভাস সিস্টেম একটা স্টিমুলেন্ট পায়। দেখবি মা ঝিমুনি ভাবটা রিকভার করবে।’ যাওয়ার পর দেখি, বড়দা টেবিলের ওপর ভুল করে পঞ্চাশ-একশো টাকা ফেলে গেছে। সেই টাকায় আমি চাল আনিয়ে নিই। মায়ের ওষুধ কিনি। বেশি দিনের নয়, দু’দিনের। পয়সা শর্ট পড়লে একদিনের। তারপরও পয়সা বাঁচলে চায়ের পাতা, গুঁড়ো দুধ কিনি।

    কাল রাতে ছোড়দা ফিরল এগারোটারও পর। বাথরুমে জল তোলা ছিল। হাত-মুখ ধুয়ে বলল, ‘আজ আর রাতে খাব না ফুলি। তুই খেয়ে নে।’

    আমি কড়া গলায় বললাম, ‘ছোড়দা, খেয়ে নে।’

    ‘বললাম তো খাব না। কালা হয়ে গেলি নাকি?’

    ‘না হইনি। মনে হচ্ছে খুব শিগগিরই হব। এ বাড়িতে বেশিদিন থাকলে কালা হওয়া ছাড়া উপায় নেই। টানাটানির সংসারে কালা হওয়াটাই বেস্ট।’

    ‘ভেরি গুড। হলেই খবর দিস। আমার এক পরিচিত ভদ্রলোক কালা বউ খুঁজছে। বলিস তো কথা বলি। তবে এর সঙ্গে যদি বোবা হয়ে যেতিস খুব ভাল হত। কালার সঙ্গে বোবা হলে মেয়েদের বিয়ের বাজার দারুণ চড়ে।’

    ‘বাজে কথা বলিস না। কেন, খাবি না কেন?’ গলা আরও গম্ভীর করলাম।

    ছোড়দা হেসে বলল, ‘ধমকাচ্ছিস যে, ভয় করছে।’ ছোড়দার চেহারাটা বেশ খারাপ হয়েছে। এরকম হাফ খেয়ে ক’টা দিন চালালে বিছানা নিতে হবে। আমি বাজি ফেলে বলতে পারি, একবেলা খেয়ে ছোড়দা ফ্যামিলি বাজেট কমাতে চাইছে।

    ‘বেশ করছি, ধমকাচ্ছি। তোরা ভেবেছিসটা কী বল তো? বাড়িসুদ্ধ সবাই অসুখে পড়বি আর আমি তোদর সেবা করব?’

    ‘ভালই তো। সেবা করতে করতে তুই একদিন সেবা-বিশারদ খেতাব পাবি। রাজ্যপালের হাত থেকে খেতাব নিবি। কাগজে ছবি, টিভিতে খবর। তখন দেখবি তোর বিয়ের বাজার একেবারে হইহই করে চড়ে গেছে। শেয়ারের মতো। শ্বশুর-শাশুড়ির দল সেবা-বিশারদ পুত্রবধূ পাওয়ার জন্য লাইন দিয়ে বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে পড়েছে। আমি তাদের ইন্টারভিউ নেব। জিজ্ঞেস করব চাঁদের তাপমাত্রা কত? চিনের খাদ্যমন্ত্রীর নাম কী?’

    ছোড়দার অনেক বদ অভ্যেসের মধ্যে এটাও একটা। ভয়ংকর ভয়ংকর জিনিস নিয়ে মজা করতে পারে। আমি গম্ভীর হয়েই বললাম, ‘সব ব্যাপার নিয়ে রসিকতা চলে না ছোড়দা।’

    ‘একেবারেই চলে না। তা হলে তোকে সিরিয়াস কথাটা এবার বলে ফেলি। আমার এবারের প্রজেক্ট ব্যাঙ্কের দারুণ পছন্দ হয়েছে। ওরা ফাইনান্স করতে রাজি। সামান্য এদিক-ওদিক করলেই চলবে। এই ধর রানিং ক্যাপিটালটা একটু কমাব। ডেপ্রিসিয়েশন কস্টটা অ্যাডজাস্ট করতে হবে। আজ ছিল তোর ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা। ফাইনাল কথা বলব না, বললে মিথ্যে বলা হবে। অন্যদের মিথ্যে বলা যায়, বোনকে বলা যায় না। তবে সেমিফাইনাল বলতে পারিস। সামনের সপ্তাহে ফাইনাল কথা হয়ে যাবে। অ্যান্ড দেন আই কান স্টার্ট মাই বিজনেস ডিয়ার সিস্টার। আজ ওদের সঙ্গে ডিনার করলাম। চাইনিজ ডিনার। আরে গাধার বোন গাধানি, পৃথিবীর সব বড় বড় ব্যাবসা ডিনার টেবিলেই ফাইনাল হয়েছে। শুনলি তো সিরিয়াস কথা?’

    আমি শক্ত গলায় বললাম, ‘না শুনলাম না। তোর ব্যাবসার কথা হল শ্রেষ্ঠ রসিকতার কথা। আসলে তুই এসব বলে বাড়ি থেকে সারাদিন পালিয়ে বেড়াচ্ছিস। এখন রাতে খাচ্ছিস না, এরপর দিনেও খাবি না।’

    ছোড়দা অবাক হয়ে বলল, ‘মানে?’

    ‘মানে কী তুই জানিস না? আয় খেতে আয়, তারপর মানে বলছি। ঝুরো ডিমের তরকারি করেছি। তোর চিনা রেস্তোরাঁর থেকে ঢের ভাল।’

    ডিম ভেজে কুচি কুচি করে কেটে ঝুরো ডিম। হোড়দার হট ফেবারিট। ছোড়দা কথা না বাড়িয়ে খেতে বসল।

    ঝুরো ডিমের তরকারি করতে পারলাম বড়দা দুপুরে এসেছিল বলে। নইলে রোজকার মতো সেই আলুরদমই হত। দুপুরে আমি সবে খেয়ে উঠেছি। দরজায় ধাক্কা। খুলে দেখি একেবারে কেলেঙ্কারি কাণ্ড। আমার অফিসার বড়দা দাঁড়িয়ে আছে। এক হাতে ব্রিফকেস। এক হাতে ঠোঙা। নীল জামা থেকে হলুদ রঙের ডিমের কুসুম গড়াচ্ছে। হাতের ঠোঙা ভিজে গেছে। বোকার মতো হেসে বড়দা বলল, ‘ডিম মনে হচ্ছে ফেটে গেছে। তাড়াতাড়ি ধর। স্নান করতে হবে। ইস কী ঝামেলা। হ্যাঁরে জল আছে তো?’

    ঝামেলা তো সত্যিই। কিন্তু বড়দা মহা আনন্দে সেই ঝামেলার মধ্যে ঢুকে পড়ল। উঠোনের টিউবওয়েল নিজেই টিপে জল তুলল। কত দিন যে সে এই বাড়িতে স্নান করেনি। বিয়ের এক মাসের মধ্যেই তো চলে গেল। আজ মনে হয় বড়দা হাফ ছুটি নিয়েছে। বউদিকে লুকিয়ে আসতে হলে হাফ ছুটি ছাড়া উপায় নেই।

    স্নানের পর বড়দাকে ছোড়দার পাজামা-পাঞ্জাবি এনে দিলাম। সেগুলো মহা আনন্দে পরতে পরতে বড়দা বলল, ‘ইস, তমালের এগুলো তো দেখছি ভিখিরি পরারও অযোগ্য হয়ে গেছে রে ফুলি। নিজেকে কেমন ভিখিরির মতো লাগছে। ভিখিরিটার জন্য নতুন একসেট এনে দিতে হবে।’ তারপর ছোড়দার আরও ভিখিরি মার্কা একচিলতে আয়নাটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে যত্ন করে চুল আঁচড়াল। বললাম, ‘এসো বড়দা, ভাত খাবে এসো।’

    ‘না না, সকালে ভাত খেয়ে অফিসে বেরিয়েছি। একটু ফাঁক পেলাম, ভাবলাম, যাই মাকে দেখে যাই। ভাতটাত কিছু লাগবে না। মা কেমন আছে?’

    ‘মনে হচ্ছে, আজ একটু ভাল। সকালে হাফ কাপের মতো হরলিক্স খেয়েছে।’

    ‘ভেরি গুড। তুই দ্যাখ যদি একটু চা করে দিতে পারিস। চা খেয়েই পালাব।’

    বড়দা পালাল না। আমি ভাত বসালাম। বড়দার আনা ডিম দিয়ে ডালনা করলাম। ঝুড়িতে তিনটে আলু ছিল, বড় বড় করে কেটে দিলাম। গরম ভাত আর ডিমের ডালনা দিয়ে বড়দা ভাত খেল। বলল, ‘জঘন্য বানিয়েছিস ফুলি! মুখে তোলা যাচ্ছে না। তোর হাতের রান্নাটা একেবারে গেছে। দে আর একটু ঝোল দে।’ দু’বার ভাত চেয়ে সেই ‘জঘন্য’ রান্না চেটেপুটে খেল বড়দা। বড়দা ঠিক করেছিল খাওয়ার পরই চলে যাবে। যাওয়া হল না। হবে কী করে? জামা কাচতে হবে না? ওই জামা পরে গেলে বউদির কাছে ক্যাচ এক্কেবারে কট। একে তো অফিসে ছুটি নিয়ে এ-বাড়িতে আসার অপরাধ। তার ওপর আবার ডিম নিয়ে ভাই-বোনের বাসায় আসা। আদিখ্যেতার চরম। বাপ রে! ছোড়দার খাটে শুয়ে বড়দা ঘুমোল, আমি জামা কেচে ছাদে মেলে দিয়ে এলাম। ঘুম থেকে উঠতে চা দিলাম। বড়দা খাটে বসে দুধ ছাড়া সেই চা খেল। মায়ের কাছে গেল। বিকেলে যাওয়ার সময় বলল, ‘বুঝলি ফুলি, মাঝেমধ্যে এইভাবে চলে আসব ভাবছি।’ আমি চুপ করে রইলাম। এখানে এলে বাবাকে এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করে বড়দা। কাল বারান্দায় বাবার মুখোমুখি হয়ে গেল। বাবা বলল, ‘কী রে এত ভোরবেলা কোথা থেকে এলি? তাড়াতাড়ি যা, অফিসের দেরি হয়ে যাবে।’

    বাবা আর ছোড়দাকেও ভেবেছিলাম ডালনা করে দেব। হল না। তেলের পজিশন শর্ট। আলুও মাত্র একটা পড়ে ছিল। অগত্যা ঝুরো ডিমের তরকারি। তেল কম লাগল। একটা আলুই চিরে দিলাম।

    ছোড়দার সঙ্গে আমিও থালা নিয়ে বসলাম।

    ‘ডিম কে দিয়েছে বল তো ছোড়দা?’

    ছোড়দা গম্ভীর মুখে বলল, ‘মনে হচ্ছে মুরগি।’

    ‘মুরগি ডিম দিলেও এ-বাড়ি পর্যন্ত বয়ে আনবে না। দুপুরে অফিস পালিয়ে বড়দা এসেছিল। ভিম নিয়ে এসেছিল। ঠোঙার ভিতর ডিম ফেটে বড়দার জামায় লেগে কেলেঙ্কারির একশেষ। মা খানিকটা ভাল আছে দেখে স্নানটান করে ভাত খেল। অনেক দিন পরে বড়দা এ-বাড়িতে ভাত খেল। খুব ভাল লাগছিল। তুই থাকলে পারতিস। সবাই মিলে বেশ খেতাম।’

    ‘আর একটু তরকারি দে। তোর ভাল হলেও বড়দার মনে হচ্ছে খুব খারাপ হল।’

    ‘কেন?’

    ‘বড়দা এখানে চাল ডিম নিয়ে আসছে ভাল করছে না। মনে হচ্ছে, খুব শিগগিরই বউদির হাতে ধরা পড়বে। স্বামীরা আটআনা পয়সা লুকিয়ে খরচ করলেও বউয়েরা টের পেয়ে যায়। স্বামীর টাকাপয়সার প্রতি স্ত্রীদের একটা অসীম শ্রদ্ধাভক্তি তৈরি হয়। একে বলে পয়সাব্রতা। ভেরি কমন জিনিস। যে স্ত্রী যত বেশি পতিব্রতা হবে, সে তত পয়সাব্রতা হয়। চিন্তা করিস না ফুলি, তোর বিয়ে হোক তুইও হবি। তবে এইসব ডিমফিম বড়দাকে আনতে বারণ করে দিস। দরিদ্র এবং অসুস্থ বাবা, বেকার ভাই, বিবাহযোগ্যা বোন পর্যন্ত বউদি সহ্য করেছে। শুধু শ্বশুরগৃহ ত্যাগ করেছে। ডিমের খবর শুনলে নির্ঘাত ডিমোর্স করে বসবে। তার জন্য দায়ী থাকব আমরা। আর একটা রুটি দে। রুটি আছে না খতম?’

    আমি ছোড়দাকে রুটি দিয়ে বললাম, ‘ডিমোর্সটা কী জিনিস?’

    ‘ডিমোর্স হল ডিমের জন্য ডিভোর্স।’

    ‘বড়দাকে আনতে বারণ করলে আমাদের চলবে কী করে? খাবি কী একবার ভেবে দেখেছিস? বাবার পেনশন আর আমার ক’টা টিউশনি। তাও পড়ার টিউশনি নয়, গানের টিউশনি। এতে কতটা চলে? অর্ধেকের বেশিটাই তো মায়ের জন্য লাগছে। এর মধ্যে তুই যদি না খেয়ে অসুখ বাধিয়ে শুয়ে পড়িস, তখন কী হবে?’

    ছোড়দা এ প্রসঙ্গে না ঢুকে বলল, ‘ভাল মনে করিয়েছিস ফুলি। ব্যাঙ্কের ম্যানেজারকে কথায় কথায় সেদিন গানের কথা বলছিলাম। বললাম, আমার মা ফ্যান্টাস্টিক গাইত। সন্ধেবেলায় হারমোনিয়াম বাজিয়ে মা আমাদের তিন ভাইবোনকে গান শেখাত। নূপুরও বেজে যায় রিনি ঝিনি, আমার মন বলে চিনি চিনি। বড়দা ‘বেজে যায়’-তেই আউট হয়ে গেল, আর আমি ফেল মারলাম ‘চিনি চিনি’-তে। তবে আমাদের বোন এখনও লড়ছে। গানটান শেখায়ও। ভদ্রলোক তো লাফিয়ে উঠল। বলল, বলেন কী মশাই? আমার মেয়েদুটোর গলা একদম হাঁড়াচাচার মতো। গানের এক টিচার রেখেছিলাম, সাতদিনের মধ্যে পালাল। আপনার বোনকে প্লিজ একটু বলুন। কী রে ফুলি বলব? নরেন্দ্রপুরের কাছে থাকে। শেখাবি?’

    ‘না— শেখাব না। মায়ের যা অবস্থা তাতে অত দূর এখন যাওয়া যাবে না। বাবাও তো ভাল নেই। সেদিন বারান্দায় পড়ে যাচ্ছিল। তার ওপর তুইও বাড়িতে থাকিস না।’

    ‘বাড়িতে আসতে বলব? ওদের গাড়িফাড়ি আছে। ঘণ্টাখানেক সা গা মা করবি। চারশো ক্যাশ নিয়ে নিবি।’

    ‘লাভ নেই। বাড়িতে গান শেখানো যাবে না।’

    ‘কেন? শেখানো যাবে না কেন?’

    ‘হারমোনিয়াম নেই।’

    ‘কেন হারমোনিয়ামের কী হল? সেদিনও তো দেখলাম প্যাঁ প্যাঁ করছিস। গেল কোথায়?’

    ‘বিক্রি করে দিয়েছি।’

    ‘কেন?’

    আমি ছোড়দার চোখের দিকে সরাসরি তাকালাম। বললাম, ‘শনিবার ডলি বন্দনারা এসে খুব ধরল। বলল, চল ফুলি সিনেমায় যাব। সিনেমা দেখে বাইরে কোথাও খাব। আমি বললাম, চল, অনেকদিন সিনেমাও দেখিনি, বাইরেও খাইনি। কিন্তু টাকা কোথায়? ব্যস, হারমোনিয়ামটা বেচে দিলাম। ভাল দামেই বেচেছি। সাড়ে তিনশো। খারাপ করেছি ছোড়দা? ডলি বন্দনাদের চিনিস তো? এমা, চিনিস না? আমার সঙ্গে কলেজে পড়ত। দুটোরই ভারী সুন্দর বিয়ে হয়েছে। বন্দনার ছেলেটা নাকি এখন এত্ত বড়।’

    ছোড়দা অবাক। আমি হাসলাম। বললাম, ‘কী বিশ্বাস হচ্ছে না তো? জানতাম হবে না। দ্যাখ ছোড়দা, সবাইকে মিথ্যে বলা যায়, দাদাকে বলা যায় না। যা রাত হয়েছে শুতে যা।’

    হারমোনিয়ামের কথা উঠতেই গানের কথা মনে আসা উচিত। আমার আসছে না। আমার মনে আসছে টাকার কথা। সন্ধ্যার বাড়ি থেকে একবার ঘুরে এলে কেমন হয়? সন্ধ্যা আমার গানের ছাত্রী। সপ্তাহে দু’দিন যাই। একদিন নজরুল, একদিন অতুলপ্রসাদ। একশো টাকা মাইনে। মাইনের এখনও অনেকদিন বাকি আছে। গিয়ে যদি বলি, ‘একটু আগে আমার মা মারা গেছে। এ-মাসের টাকাটা আজ দিয়ে দিলে বড় সুবিধে হত। কিছু খরচ তো হবেই?’ দেবে না? মনে হয় না দেবে। এর আগে একবার চেয়েছিলাম, অর্ধেক দিয়ে বলেছিল, ‘দিদিমণি, এভাবে হুটহাট টাকা চাইলে বড় অসুবিধে হয়।’

    অনেকটা সময় গেল, যাই ছোড়দাকে ঘুম থেকে তুলি। রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে বারান্দায় এসে দাঁড়ালাম। বাবা একইভাবে বসে ঘুমোচ্ছে। ঘুম মনে হচ্ছে আরও গাঢ় হয়েছে। আমি মুখের দিকে তাকালাম। কতদিন ভাল করে যে বাবার মুখের দিকে ভাল করে দেখি না! ঘুমন্ত মানুষের মুখ হল সুখী মুখ। বাঃ বাবাকে খুব সুন্দর লাগছে তো! আলো ফুটতে আর বোধহয় দেরি নেই। অন্ধকার ঝাপসা হয়ে আসছে। কোথাও কি কাক ডাকল? মনে হয় ডাকল। ডাকুক, কাক ডাকতে শুরু করুক। বাড়িটা বড় চুপচাপ মনে হচ্ছে। একটা হাওয়া দিচ্ছে। শেষ রাতের এই হাওয়া হল অসময়ের হওয়া। অসময়ের হাওয়া ভাল হয় না। এই হাওয়ায় নানারকম শব্দ শোনা যায়। পাতার শব্দ, জলের শব্দ। সব শব্দ সত্যি নয়। কিছু মিথ্যে শব্দও থাকে। যেমন এখন শোনা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে দূরে কোথায় হারমোনিয়াম যেন বাজছে। অনেক দূরে।

    একী! আমার চোখে জল নাকি? আঁচল দিয়ে তাড়াতাড়ি মুছতে গেলাম। কী কাণ্ড? ছোড়দা যদি হঠাৎ দরজা খুলে বেরিয়ে আসে? এসে দেখবে আমার চোখে জল। ইস! কী বিচ্ছিরি যে হবে তখন। অথচ আমি একটা মজার কথা ভেবে রেখেছি! ও যেমন সিরিয়াস জিনিস নিয়ে রসিকতা করতে পারে, তেমনই আজ প্রমাণ করব, আমিও কম যাই না। প্রতিদিনের মতো আজ সকালেও নিশ্চয় চোখ খুলে ছোড়দা আমাকে জিজ্ঞেস করবে, ‘মা কেমন আছে রে ফুলি?’ তখন আমি হাসিমুখে বলব, ‘মা ভাল আছে। একটু আগে মারা গেছে।’

    চোখে জল নিয়ে এ-কথা আমি বলব কেমন করে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }