Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীল আলোর ফুল – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প591 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছোট মামা

    শুরুতে হালকা ছিল, কিছুক্ষণ হল ঘটনা গুরুতর দিকে মোড় নিয়েছে।

    লোকটা ধরা পড়েছে ছ’নম্বর ব্যাচে। এরপর লাস্ট ব্যাচ। ধরা পড়েছে ছ’নম্বর ব্যাচে। এরপর লাস্ট ব্যাচ। লাস্ট ব্যাচে বর-কনেকে নিয়ে বাড়ির লোকরা বসবে। খাওয়া সবে শুরু হয়েছে। রাধাবল্লভির রিপিট চলছে। পরের আইটেম ফিশ ফিঙ্গার। কেটারার কোম্পানির ম্যানেজার মিস্টার দত্ত বেশ চিন্তিত। চিন্তায় ভুল করে রুমালের বদলে তিনি দু’বার টাই দিয়ে কপালের ঘাম মুছে ফেলেছেন। মিস্টার দত্তের চিন্তিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। অনেক মালেই শর্ট পড়ছে। ফিশ ফিঙ্গার যা পড়ে আছে তাতে টেনেটুনে এই ব্যাচ পর্যন্ত চলতে পারে। লাস্ট ব্যাচে হওয়া অসম্ভব। চিকেনের পজিশনও ভাল নয়। এক্ষুনি জানা গেল, ইলিশ মাছের পাতুরি তিরিশটাও পড়ে নেই। গোড়া থেকেই কুড়িটা প্লেটের হিসেবে জল মারা রয়েছে। বোঝা যাচ্ছে, পরিবেশনের সময় ছেলেরা মাল সরাতে গিয়ে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে। এখন সিচ্যুয়েশন ম্যানেজ করা দরকার। ম্যানেজারের কাজই হল ম্যানেজ করা।

    এমন সময় লোকটার দিকে চোখ পড়ল।

    ছোটখাটো মানুষ। বছর পঞ্চাশেক বয়স। চুল ব্যাকব্রাশ করা। সম্ভবত তেল দেওয়ার কারণে চকচক করছে। দাড়ি গোঁফ নিখুঁত করে কামানো। গায়ের পাঞ্জাবিটা ইস্ত্রি করা হলেও বহু ব্যবহারে সাদা রং খানিকটা ফ্যাকাশে মেরে গেছে। এসব চোখে পড়ার মতো জিনিস নয়। ম্যানেজারের চোখে পড়ল অন্য জিনিস। লোকটা সাতখানা শেষ করার পরও আট নম্বর রাধাবল্লভি নিয়েছে এবং প্লেটের অবশিষ্ট ডালটুকু তাতে এমন যত্ন করে মাখাচ্ছে যে মনে হচ্ছে, একটু আগে টিভিতে ঘোষণা করা হয়েছে, আজ রাতেই ডাল বস্তুটি দেশে নিষিদ্ধ হল। আজই দেশবাসীর শেষ ডাল খাওয়া।

    দশ বছরের কেটারিং অভিজ্ঞতার চোখ ম্যানেজার দত্তকে বলে দিল, লোকটা ফালতু। কাজের বাড়িতে এ ধরনের ‘ফালতু’-দের হামেশাই দেখা যায়। এরা বিনা নেমন্তন্নে গম্ভীর মুখে ঢোকে এবং ভয়ংকর বিরক্ত মুখে খেতে বসে। খেতে বসে বারবার হাতঘড়ি দেখে। ভাবটা এমন যেন, ইচ্ছে ছিল না তবু তাকে জোর করে খেতে বসানো হয়েছে। খাওয়ার মতো একটা সামান্য কাজ করতে গিয়ে লাস্ট ট্রেন মিস হয়ে যাবে।

    তবে এই লোকটার হাতে ঘড়ি নেই। আর মুখও বিরও নয়। বরং এক ধরনের হাসিহাসি ভাব রয়েছে। মানুষটা চেটেপুটে ডাল খাচ্ছে।

    ‘ফালতু’দের নিয়ে কেটারিং ম্যানেজার কখনও মাথা ঘামায় না। খাওয়াদাওয়ার বাড়িতে ওরকম দু’-চারটে প্লেট কোনও ব্যাপার নয়। কিন্তু আজ মাথা ঘামানোর প্রয়োজন আছে। লোকটাকে ধরিয়ে দিতে হবে। লোকটাকে নিয়ে একটা হইচই শুরু হবে। খাওয়া ছেড়ে লোকটার দিকে বাড়ির লোকের মন চলে যাবে। খাবার কম পড়ে যাওয়ার ঘটনাটা আর সামনে আসবে না। ম্যানেজার পকেট থেকে রুমাল বের করে ঘাম মুছলেন এবং একতলায় নেমে এলেন।

    একতলায় গেটের মুখে অনেকে দাঁড়িয়ে। এইমাত্র মেয়ের বাড়ির লোকেরা পান চিবোতে চিবোতে বাসে উঠল। বাস ছেড়ে দিয়েছে। স্বপনও এখানে রয়েছে। আজ স্বপনেরই বউভাত। বউভাতের দিন বরের মেজাজে একটা ফুরফুরে ব্যাপার থাকে। স্বপনের মেজাজ বিগড়ে আছে। বিগড়ানোর কারণ দুটো। একনম্বর কারণ হল, তার পাঞ্জাবিতে কোথা থেকে যেন মাংসের ঝোল লেগেছে! জল দেওয়ার পরও সে দাগ ওঠেনি। উলটে জলেরও একটা বিচ্ছিরি ধরনের দাগ হয়ে গেছে। এখন মনে হচ্ছে, এই জলের দাগের তুলনায় ঝোলের দাগ অনেক ভাল ছিল।

    দু’নম্বর কারণ হল, গোলাপ ফুল। বিয়েবাড়িতে প্রবেশপথেই অভিথিদের হাতে একটা করে গোলাপ ফুল ধরিয়ে দেওয়া হয়। সেই ফুল বিয়েবাড়িতেই ফেলে তারা চলে যায়। স্বপন এই নিয়ম বদলানোর জন্য অন্য পরিকল্পনা করেছিল। ঠিক হয়েছিল, ফুল দেওয়া হবে, তবে ঢোকবার সময় নয়, অতিথিরা যখন খাওয়া সেরে বেরিয়ে যাবে তখন। এতে গোলাপ অতিথিদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছোবে। বেশ একটা নতুন জিনিস হবে। কিন্তু নতুন শ্বশুরবাড়ির লোকেরা যখন বেরোচ্ছে তখন দেখা গেল, গোলাপ কম পড়ছে। যারা পেল না তাদের ভুরু কুঁচকে গেল। সামান্য গোলাপ ফুলের জন্য এমন ভাবে চোখ সুরু করে তারা তাকাতে লাগল যেন এই বাড়িতে মেয়েকে রেখে যাওয়ার ব্যাপারে তাদের মনে গভীর সংশয় দেখা দিয়েছে।

    এর পরেও স্বপনের মেজাজ ফুরফুরে থাকার কোনও কারণ নেই। এরকম সময় ম্যানেজার দত্ত গম্ভীর মুখে স্বপনের কাছে আসে এবং কানের কাছে মুখ নামিয়ে কিছু বলে। স্বপন প্রথমটায় অবাক হয়ে তাকায়। সে তার ভাই তপনকে কাছে ডেকে ঘটনা বলে। তপন শিবপুরে সিভিল পড়ছে। ফাইনাল ইয়ার। সে আজ খয়েরি রঙের ধুতি পরেছে। তপনের গায়ের রং ময়লা। খয়েরি ধুতিতে তাকে মোটেই মানাচ্ছে না। কিন্তু এই ধুতি তাকে পছন্দ করে দিয়েছে নন্দিতা। নন্দিতার পছন্দ করা ধুতি পরে তপনের হাবভাব বদলে গেছে। তার ধারণা, আজ তাকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রুপবান পুরুষের মতো দেখাচ্ছে। সেই তপন দাদার কাছে ঘটনা শুনে দুটো করে সিঁড়ি টপকাতে থাকে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে তিনতলায় পৌঁছে যায়।

    তিন নম্বর রোয়ের বাঁদিকের চেয়ার থেকে ফ্যাকাশে পাঞ্জাবি পরা লোকটাকে কার্যত ঘাড় ধরে তুলে ফেলা হল।

    লোকটা বাধা দেওয়ার কোনও চেষ্টা করেনি। তবু তপনের টানাহেঁচড়ায় একটা গেলাস উলটেছে এবং টেবিলের ওপর জল পড়ে প্লেট ভাসিয়েছে।

    লোকটাকে এনে বসানো হল ছাদের ঘরে। পেছনে ভিড়। এমনকী খাওয়া ফেলেও কেউ কেউ উঠে এসেছে। সেটাই স্বাভাবিক। নেমন্তন্ন বাড়ির কোনও মজাই ছাড়তে নেই। তপন বলল, ‘মেজকা, তুমি দরজায় বাইরে দাঁড়াও। দেখবে কেউ যেন ভেতরে না ঢোকে। লোকটাকে জেরা করতে হবে। আর বাবলুকে খবর দাও।’

    বাবলু তপনের বন্ধু। একই সঙ্গে জয়েন্ট এন্ট্রান্স দিয়েছিল। চান্স হয়নি। তাতে অবশ্য অসুবিধে নেই। সে এখন তার বাবার স্টেশনারি দোকানে বসে। দোকান ছোট কিন্তু চালু। বাবলুর একটা সেলুলার ফোন আছে এবং শনিবার করে জিমে যায়। বাবলু একতলায় প্যান্ডেলের কোণের দিকে বসে নবনীতাকে হাতে ধরে সেলুলারে ভিডিও গেম খেলা শেখাচ্ছিল। ‘ডাকাত’ ধরা পড়েছে শুনে জামার হাতা গোটাতে গোটাতে সে ছুটল।

    কমলাদেবী খবর পেলেন রতনের মায়ের কাছ থেকে। একটু আগে পর্যন্ত রতনের মায়ের মেজাজ খুবই খারাপ ছিল। বিয়েবাড়িতে খাটনি বেশি। কিন্তু এখন তার মনটা খুশিতে ভরে আছে। অনেকক্ষণ টার্গেট করার পর কিছুক্ষণ হল সে একটা গিফটের প্যাকেট সরাতে পেরেছে। বড় প্যাকেটে লোভ ছিল, কিন্তু লুকিয়ে নিয়ে যাওয়া শক্ত হবে বলে ছোটই নিয়েছে। প্যাকেট খুলে দেখে ঘড়ি। লেডিস ঘড়ি। রতনের মা এতটা ভাবতে পারেনি। সে কাগজ এবং বাক্স ফেলে দিয়েছে। ঘড়ি এখন তার কোমরে। তার খুবই ইচ্ছে করছে কোমর থেকে বের করে বারবার জিনিসটা দেখে, সত্যি ঘড়িই তো? সাহস পাচ্ছে না। সে হাসিমুখে দোতলায় কমলাদেবীর কাছে এল। কানের কাছে মুখ নিয়ে বলল, ‘বউদি, শুনসেন? খাবার জায়গায় একটা ডাকাইত ধরা পড়সে? ছোড়দায় ছাদের ঘরে এখন পিটান দিতাসে।’

    রতনের মায়ের কথা শুনে কমলাদেবী খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেন। স্বপনের বাবাকে দোতলায় খুঁজে বের করলেন। গলা নামিয়ে বললেন, ‘হ্যাঁগো, বউয়ের গয়নাগুলো গা থেকে খুলে আলমারিতে ঢুকিয়ে দেব নাকি?’

    রাধানাথবাবু বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘খেপেছ নাকি? তোমার সবটাতে বাড়াবাড়ি। কে একটা বাজে লোক ঢুকে পড়ে খেয়ে নিয়েছে তাই নিয়ে হইচই করছ ?’

    কমলাদেবী রিস্ক নিলেন না। নতুন বউয়ের কাছে গিয়ে বললেন, ‘গলার হারটা খুলে দাও তো মা, তুলে রাখি। রাত অনেক হয়েছে। হারটা হল গিয়ে খোকার ঠাকুমার। ভাল মন্দ কিছু হলে এসব জিনিস আর করানো যাবে না। যাবে, বলো?’

    নতুন বউ মন্দিরা শাশুড়িকে হার খুলে দিয়ে দেয়।

    বারান্দার কোণে দাঁড়িয়ে আছে শ্যামলী। এদিকটা একটু আলো অন্ধকার। হঠাৎ করে চোখে পড়ে না। শ্যামলী এখন চাইছে না সে কারও চোখে পড়ুক। রাগে তার মাথা ঝিমঝিম করছে। করাটা স্বাভাবিক। আজ সারাসন্ধে তার স্বামী অপূর্ব যে কাণ্ড করে বেড়িয়েছে তাতে স্ত্রী হিসেবে তার মাথা ঝিমঝিম করা দোষের কিছু নয়। একটু আগের ঘটনা তো মারাত্মক। তাতে শুধু মাথা কেন শ্যামলীর সারাশরীর ঝিমঝিম করার কথা। সে স্পষ্ট দেখেছে, অপূর্ব মধুমিতার কাঁধে হাত রেখে কথা বলছে। ছি ছি। বাড়ি-ভরতি লোকের সামনে এ কী কাণ্ড। সারাসন্ধে মধুমিতার গায়ে লেপটে লেপটে ঘুরলি। এখন একেবারে কাঁধে হাত! উফ। ব্যাটাছেলেগুলো যে কতদূর নামতে পারে। শ্যামলী বুম্বাকে পাঠিয়েছে তার বাবাকে ডেকে আনতে। এখনই বাড়ি চলে যাবে সে। একটু পরেই বুম্বা ছুটতে ছুটতে এসে বলল, ‘মা, ছাদে খুব মজা হচ্ছে। ছাদে ডাকাতটার গায়ে বাবা লেডিকেনির এক হাঁড়ি রস ঢেলে দিয়েছে। এরপর বলছে পিঁপড়ে ছেড়ে দেবে। বাবলুমামা বাগানে পিঁপড়ে খুঁজছে। দারুণ হবে! বাবা এখন আসতে পারবে না। আমিও ওপরে চললাম।’

    মুকুল একটা ঝামেলার মধ্যে পড়েছে। বড় ঝামেলা নয়, ছোট ঝামেলা। কিন্তু বেরোনোর পথ পাচ্ছে না। ঘটনা এরকম— মুকুল আজ তার হ্যান্ডক্যামটা নিয়ে এসেছে। কেউ আনতে বলেনি। সে নিজে থেকেই এনেছে। ক্যামেরা খুবই দামি। হাতের তালুর মধ্যে ধরে যায়। বিস্তর কাঠখড় পুড়িয়ে সিঙ্গাপুর থেকে চোরাই পথে আনাতে হয়েছে। ক্যামেরা আনার উদ্দেশ্য ছিল দুটো। এক নম্বর হল, বউভাতের ছবি তোলা। তবে দু’নম্বরটাই হল আসল। তার যে এরকম একটা দামি বস্তু আছে তা সবাইকে দেখানো। দুটো উদ্দেশ্যই সফলভাবে এগোচ্ছিল। কায়দা মেরে বর কনে খাওয়াদাওয়ার কয়েকটা ছবি নিয়েছে সে। অল্পবয়সি মেয়েরা ক্যামেরা দেখলে পুরুষদের কোনও দোষ দ্যাখে না। আর এই জিনিস দেখে তো তারা ‘মুকুলদা, মুকুলদা’ করে একদম পাগল। সঙ্গ ছাড়তেই চাইছে না। ফরসা, টানাটানা চোখের একজন ইতিমধ্যে মুকুলকে তার বাড়ির টেলিফোন নম্বর পর্যন্ত দিয়ে দিয়েছে। ক্যামেরা ছাড়া এ জিনিস অসম্ভব হত। কিন্তু সমস্যা হয়েছে, কিছুক্ষণ হল মেয়ের দল দাবি তুলেছে, এই ক্যামেরা নিয়ে আজ রাতে মুকুলকে নাকি ফুলশয্যার খাটের তলায় লুকিয়ে থাকতে হবে। থাকতেই হবে। কাল ব্রেকফাস্টের সময় ভিসিআর ভাড়া করে সেই ছবি দেখা হবে। মেয়েরা প্রায় ঝুলোঝুলির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। দামি ক্যামেরা দেখিয়ে সুন্দরীদের কাছে যাওয়া যত সহজ, সারারাত খাটের তলায় শুয়ে থাকা মোটেও তত সহজ নয়। কিন্তু এই ঝামেলা থেকে বেরোনোর পথ কী ?

    পথ নিয়ে এল অর্ঘ্যদা। ঘরে ঢুকেই বলল, ‘এই যে মুকুল, তুমি এতক্ষণ ছিলে কোথায় ? এখানে বসে আছ। ইস, ওপরে ডাকাত ধরা পড়েছে তুমি খবর পাওনি? দুর্দান্ত মজা হচ্ছে। মাথায় রসে ঢালা হয়েছে। এবার লঙ্কাগুঁড়ো দিয়ে ফিশচপ খাওয়ানো হবে। রান্নাঘরে স্পেশাল চপ বানানো হচ্ছে। হা হা। বাপ রে, তপনটার মাথায় সব আসেও বটে। যাও যাও ক্যামেরা নিয়ে ছোটো। ডাকাতের চপ খাওয়া— এমন ইন্টারেস্টিং ছবি পাবে না।’ মুকুল ডাকাতকে ধন্যবাদ দিতে দিতে ক্যামেরা নিয়ে ছুটল। অর্ঘ্যদা মেয়েদের দিকে ফিরে হাসিহাসি মুখে বলল, ‘কী হে সুন্দরীরা, তোমরা হাত দেখাবে নাকি? আমি কিন্তু ভীষণ ভাল হাত দেখতে পারি। যে দেখাবে চটপট হাত বাড়াও। সময় কম।’

    টানা চোখের মেয়েটা উঠে দাড়াল এবং বলল, ‘না, আমরা কেউ হাত দেখাব না। আমরাও ডাকাত দেখব। অ্যাই চল তো সবাই।’

    চিলেকোঠার ঘরের সামনে ভিড়। সামলানোর দায়িত্বে রয়েছেন মেজকাকা নিজে। একটু আগে পর্যন্ত দলবেঁধে ঘরে ঢোকা যাচ্ছিল। ভিড় বাড়ার ফলে মেজকাকা ব্যবস্থা বদলাতে বাধ্য হয়েছেন। এখন একসঙ্গে দু’জনের বেশি অ্যালাউ নেই। ঘরের ভেতরে ঢোকাও বন্ধ। দরজা থেকে উঁকি মেরে চলে যেতে হবে।

    এই ব্যবস্থায় অনেকেই বিরক্ত। বিশেষ করে দূর সম্পর্কের আত্মীয়রা ব্যাপারটাকে মোটেই ভাল চোখে দেখছে না। দূর সম্পর্কের আত্মীয়রা যে-কোনও বিষয়কে অপমানের চোখে দেখতে পছন্দ করে। একেও তাই করছে। তারা নাকি রস ঢালার দৃশ্য থেকেও বঞ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চয় কোনও পক্ষপাতিত্ব চলছে। তবে সকলেই অপেক্ষা করছে, কঠিন জেরার মুখে আসামি কখন তার দোষ কবুল করে।

    এমন সময় ঘর থেকে স্বপন বেরিয়ে এল। চিন্তিত মুখে বলল, ‘বাবা কোথায়?’

    রাধানাথবাবু একতলায়। বাড়ি প্রায় ফাঁকা হয়ে এসেছে। তিনি বসে আছেন কনেযাত্রীর জন্য আনা লাল সোফায়। এগুলো ভাড়া বেশি। নরম গদিতে বসতে আরাম লাগে। কিন্তু রাধানাথবাবুর নরম লাগছে না। জ্বালাজ্বালা লাগছে। কারণ আছে। স্বপনের শুরমশাই মারাত্মক ধরনের একটা কথার খেলাপ করেছে। ছেলের বাবা হয়ে সেকথা কাউকে বলা যাচ্ছে না। সবাই ভাববে পণের ব্যাপার ফলে জ্বালা বেশি। বিয়ের আগেরদিন পর্যন্ত মেয়ের বাবা টেলিফোনে তাঁকে জানিয়েছিল, বালিগঞ্জের জমিটা মাসখানেকের মধ্যেই মেয়ে-জামাইয়ের নামে করে দেবে। তারপর স্বপন তাতে যা ইচ্ছে করবে। বাড়ি বানাবে না ফেলে রাখবে তা জামাইয়ের ব্যাপার। হারামজাদা আজ বলে গেল, দলিল খুলে দেখা গেছে, জমিতে নাকি ডিসপিউট আছে। এখন নাম ট্রান্সফার অসম্ভব। এতদিন বিষয়টা জানা যায়নি? ঠিক আজই চোখে পড়ল।

    এমন একটা বিরক্তির সময় স্বপন এসে দাঁড়াল। বলল, ‘বাবা, একটা প্রবলেম হয়েছে।’

    রাধানাথবাবু মুখ না তুলে বললেন, ‘জানি প্রবলেম হবে। কী, পিটিয়ে লোকটাকে মেরে ফেলেছ তো? বেশ করে। এবার পাঁজাকোলা করে লাশটাকে নামিয়ে আনে।’

    ‘বাবা, তুমি খামোখা রেগে যাচ্ছ। আজকাল আর শুধু খাওয়ার জন্য কেউ নেমন্তন্ন বাড়িতে ঢোকে না। সেসব তোমাদের আমলে হত। এদের পেছনে বড় কোনও মোটিভ থাকে। সেটাই দেখছিলাম। যাক, লোকটা এখন চড় থাপ্পড় খেয়ে বলছে সে নাকি সম্পর্কে মন্দিরার মামা হয়।’

    ‘মন্দিরা কে?’

    স্বপন মাথা নামিয়ে বলল, ‘উফ বাবা! যার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছে। লোকটা নাকি ওদের ডিসটান্ট রিলেশন। দূর সম্পর্কের আত্মীয়। মামা ধরনের কিছু। ছোট মামা না কী যেন বলছে, ঠিক নেমন্তন্নের ব্যাপার নয়। হঠাৎ বিয়ের খবর পেয়ে, ঠিকানা খুঁজে ভাগনির বউভাতে চলে এসেছে। ভেবেছিল, না বলে এসে সবাইকে চমকে দেবে। কিন্তু এসে দেখে মেয়ের বাড়ির লোক চলে গেছে। বলছে বউ-মেয়েরাও নাকি আসতে চেয়েছিল। রাত হয়ে যাবে বলে আনেনি।’

    ‘বলিস কী রে! এতক্ষণ শ্বশুরবাড়ির লোককে ধরে পেটাচ্ছিলি!’

    ‘আস্তে বাবা। উত্তেজিত হয়ো না। গোটাটা গল্প। ঘটনা সত্যি হলে অনেক আগেই বলে ফেলত। মাথায় রস ঢালার পরেও তো চুপচাপ ছিল। আরও মারের ভয়ে এখন বানিয়ে বানিয়ে বলছে। আমি শুনলাম, এরকম লোক নাকি আছে। অনুষ্ঠানের বাড়িতে ঢোকে। বাড়িঘর, গয়নাগাঁটি সব দেখে নেয়। তারপর ডাকাতির জন্য টিপ অফ করে। খবর দেয়। বাইরে আসল গ্যাং অপেক্ষা করে। বাবলু বলছিল, লাস্ট মান্থে নাকি সন্তোষপুরে সেম কেস হয়েছে। যাই হোক, আমি বাবলুকে গাড়ি দিয়ে থানায় পাঠাচ্ছি। পুলিশ এসে লোকটাকে নিয়ে যাক। আর আজ রাতে সবাইকে একটু অ্যালার্ট থাকতে বলো।’

    রাধানাথবাবু কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থাকলেন। তারপর বললেন, ‘লোকটা মন্দিরার নাম বলতে পারল?’

    স্বপন ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে হাসল। বলল, ‘না। আর তাতেই তো ধরে ফেললাম। বলছে, সে নাকি মন্দিরাকে ডাক নামে চেনে। ফিসফিস করে রুনু না কী একটা বলল যেন। অনেক বছর আগে ফ্রক পরা অবস্থায় দেখেছে বলে একটা গল্প ফাঁদতে গিয়েছিল। আমি আর বাড়াতে দিইনি।’

    ‘মন্দিরার ডাক নাম কী?’

    ‘উফ বাবা। ইটস টু মাচ! আমি কি খবর না নিয়ে বলছি? মন্দিরার ডাক নাম রুনু নয়। ইনফ্যাক্ট এর কোনও ডাক নামই নেই। অনেকের হয় না, ছোটবেলায় এক-এক জন এক-এক নামে ডাকে? সেরকম আর কী।’

    রাধানাথবাবু গম্ভীর হয়ে বললেন, ‘ও, তা হলে পুলিশকে ডাকাই ভাল।’

    ডাকাত পালিয়ে গেছে শুনলে পুলিশের আসতে দেরি হয়। কিন্তু ডাকাত ধরা পড়ে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে শুনলে পুলিশ দেরি করে না। আজও করল না। জিপে খাবারের চারটে প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়েছে। ওরা আরও দুটো প্যাকেট দিতে বলল। থানায় নাইট ডিউটিতে আজকাল ফোর্স বেশি থাকে। তাই অতিরিক্ত প্যাকেট।

    কোমরে দড়ি পরিয়ে লোকটাকে নামানো হচ্ছে। লোকটা কি খানিকটা ঘাবড়ে গেছে? বোঝা মুশকিল। চোর-ডাকাতদের এটাই স্বভাব। ধরা পড়ার আগে পর্যন্ত স্মার্ট দেখায়। ধরা পড়লে মনে হয়, ঘাবড়ে গেছে।

    সিঁড়ির মুখটাতে ভিড়। নতুন বউও এসেছে। এরকম ক্যাবলা ধরনের পামশু পরা একটা লোক যে ডাকাত হতে পারে তা ভাবতেও পারছে না মন্দিরা। রস লেগে লোকটার পাঞ্জাবি গায়ের সঙ্গে লেপটে গেছে। ঘাড়ের কাছে অনেকটা মাটি লেগে। ওরা বলছিল, পিঁপড়ের বাসা না কী যেন দিয়েছে। পিঁপড়ের বদলে মাটি? বেশ করেছে। বদমাইশ কোথাকার। একদিকের চোখটা ফুলে আছে না? ভাগ্যিস ধরা পড়ল! সত্যি সত্যি যদি ডাকাতি হত? বাড়ি-ভরতি এত গয়নাগাঁটি, জিনিসপত্র। শাশুড়ি তো তাল বুঝে হারটা নিজের আলমারিতে ঢুকিয়ে নিল। শাশুড়ি মহিলা পাজি কম নয় তো! নতুন বউয়ের গলা থেকে হার কাড়তে হাত কাঁপল না? শুধু ওই হারেরই দাম আছে? আর সে যে বাপের বাড়ি থেকে বিশ ভরি এনেছে সেটা কি মাগনায়?

    স্বপন বউয়ের কানের কাছে মুখ এনে ফিসফিস করে বলল, ‘ছোট মামাকে চিনতে পারছ নাকি?’

    মন্দিরা লজ্জা পেয়ে সরে যায়। ওমা কী অসভ্য! এত লোকের মাঝখানে একেবারে ঘাড়ের ওপর উঠে এসেছে যে!

    কোমরে দড়ি বাঁধা থাকলেও পুলিশরা খারাপ কোনও ব্যবহার করছে না। সম্ভবত ডাকাতদের সঙ্গে পুলিশের খারাপ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আছে। বরং জিপে ওঠবার সময় ভেতর থেকে একজন হাত বাড়িয়ে দিল।

    ‘ডাকাত’ পেছন ফিরে তাকায়।

    ফ্যালফ্যালে, নার্ভাস সেই চোখ কি ভিড়ের মধ্যে রুনু নামে কোনও মেয়েকে খুঁজছে? সেই মেয়ে কি ছোটমামা বলে ডেকে উঠবে এখনই?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }