Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীল আলোর ফুল – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প591 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভাইরাস

    রত্না গাড়ির চাবিটা আঙুলের ডগায় নিয়ে বনবন করে ঘোরাচ্ছে।

    এর মানে রত্না ভেতরে ভেতরে ছটফট করছে। ভেতরে ভেতরে ছটফট করলেই রত্না আঙুলে গাড়ির চাবি ঘোরায়। সে অবশ্য গাড়ি চালায় না। চালাতে জানেও না। গাড়ি চালায় ড্রাইভার। কিন্তু চাবি নিজের কাছে রাখে।

    চন্দ্রনাথ অনেকক্ষণ ধরে ঘুরন্ত চাবির দিকে তাকিয়ে রয়েছে। মনে মনে রত্নার ব্যালান্স প্রতিভার তারিফ করছে সে। আহা! যেমন রূপে তেমন গুণে! একটু এদিক-ওদিক হলে চাবি মিলেনিয়াম পার্কের রেলিং টপকে গঙ্গায় গিয়ে পড়বে। রত্নার প্রতিভার জন্যই পড়ছে না।

    ‘কী হাঁদার মতো তাকিয়ে আছ? কী করবে কিছু ভাবলে? আমি আজ ফাইনাল কথা শুনতে চাই।’

    ‘আজ ফাইনাল কথাই বলব রত্না।’

    ‘বলব বলব তা অনেকদিন ধরে শুনছি। দু’মাসে তিনটে পার্টি বাবার সঙ্গে কথা বলে গেছে। একটা ছেলে আবার এয়াললাইন্সের অফিসার। বছরে একবার করে সিঙ্গাপুর যাওয়া আসার টিকিট ফ্রি! বাবা তো খুব ইন্টারেস্টেড। সত্যি কথা বলতে কী ছেলেটি দেখতে ভাল। বিশেষ করে হাইট। তোমার মতো বাঁটকুলচন্দ্র নয়।’

    বাঁটুল বলায় চন্দ্রনাথ অন্যদিন হলে দুঃখ পেত। আজ হাসিহাসি মুখে বলল. ’তুমি তোমার বাবাকে বলো রত্না।’

    রত্না চাবি ঘোরানো বন্ধ করে চন্দ্রনাথের দিকে ঘুরে বসল। বলল, ‘কী বলব? বাবা, আমি একজন রাজপুত্রকে বিয়ে করতে চলেছি। তাদের ছেঁচকি না চাটনির বড় ব্যাবসা আছে। ময়ূরপঙ্খী নৌকোতে সেই ছেঁচকি আর চাটনি নিয়ে তারা মাঝে মাঝে বাণিজ্যে বের হয়। এই কথাটা বাবাকে বলতে বলছ তুমি? তার থেকে একটা কাজ করো না চন্দ্রনাথ। আমি ওই রেলিঙের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছি, তুমি আমাকে ধাক্কা মেরে গঙ্গায় ফেলে দাও। তারপর এই চাবিটা আমার ড্রাইভারকে দিয়ে বাড়ি চলে যেতে বলো। ইচ্ছে করলে তুমি শিয়ালদা স্টেশন পর্যন্ত লিফটও নিতে পারো।’

    উত্তেজনায় চন্দ্রনাথ উঠে দাড়াল। বলল, ‘ছেঁচকি নয় রত্না। আমি অন্য ব্যাবসা করব।’

    রত্না চোখ সরু করে বলল, ‘কীসের বিজনেস?’ চন্দ্রনাথ রত্নার হাত ধরে বলল, ‘উহু, এখন তো বলব না সোনা। একেবারে উদ্বোধনের দিন গিয়ে জানতে পারবে। সেদিন তোমার বাবাকে নিয়ে যেতে হবে। আশাকরি এতক্ষণে তোমার চিন্তা কমল।’

    রত্না উলটোদিকে মুখ ফিরিয়ে বলল ‘না, চিন্তা বাড়ল।’

    ২

    কর্মচারীরা সকলেই কাজ করছে, কিন্তু একটা চাপা টেনশন রয়েছে।

    বিশ্বনাথ সামন্তের মাথার পেছনে কালো বোর্ড। এই বোর্ডে রোজকার ‘স্পেশাল আইটেম’ লেখা হয়। বোর্ডে লেখা অনুযায়ী আজকের ‘স্পেশাল আইটেম’ হল— কুমড়ো ফুলের বড়া! এই জিনিস তৈরি করা কোনও কঠিন ব্যাপার নয়। আগেও বহুবার হয়েছে। কিন্তু আজ আটটা বাজতে চলেছে, রান্নাঘরে বড়ার কাজ কিছুই এগোয়নি। তার কারণ বিশ্বনাথবাবু কুমড়ো ফুল আনেননি। মালিককে সবকিছু বলা যায় কিন্তু বাজারে যেতে বলা যায় না।

    বিশ্বনাথ সামন্তের ঠাকুরদা জগন্নাথ সামন্ত এই ছোট্ট মফস্‌সল শহরে খাবার হোটেল শুরু করেছিলেন। তখন ছিল মোটে দুটো টেবিল। হোটেলের নাম ছিল, ‘ভাতের হোটেল’। রমরমা চলতে লাগল। ঠাকুরদার মৃত্যুর পর বাবা তারকনাথ সামন্ত এসে বসলেন। তখন টেবিল বেড়ে হল ছয়। নামে সামান্য বদল আনলেন তারকনাথ। একটা ঘরোয়া টাচ। শুধু ভাতের বদলে ‘ভাত-ডালের হোটেল’। ভিড় আরও বাড়ল। লাভের টাকায় স্টেশন রোডের পাশে জমি কিনলেন তারকনাথ। একতলা বাড়ি হল। বাড়ির সামনে বাগান হল। বাগানে গোলাপ, গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকা। তারকনাথ মাসকাবারি সাইকেল রিকশর ব্যবস্থা করলেন। পরে সেই সাইকেল রিকশ কিনেও নিলেন। আজও সেই রিকশর একটা চাকা আর এয়ার হর্ন বাড়ির গুদামে রাখা আছে।

    ছেলে বিশ্বনাথের হাতে বারো টেবিল সাজানো ভাত-ডালের হোটেল তুলে দিয়ে তারকনাথ গত হয়েছেন আজ বিশ বছর। তারপর শহর বড় হয়েছে। হোটেলের গায়ে বাসস্ট্যান্ড হয়েছে। সেখান থেকে ঘণ্টায় ঘণ্টায় কলকাতা যাওয়ার এক্সপ্রেস বাস ছাড়ে। এসবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হোটেল বড় হয়েছে। বিশ্বনাথ সামন্তের বাড়িও একতলা থেকে বেড়ে হল দোতলা। ছাদে ঠাকুরঘর। ঠাকুরঘরের মেঝেতে মার্বেল। বসার ঘরে সোফা, রঙিন টিভি। টিভিতে কেবল লাইন লেগেছে।

    বিশ্বনাথ সামন্ত আজ যে কুমড়ো ফুল কিনতে ভুলে গেছেন তা এমনি এমনি নয়।

    কাল রাতে বিশ্বনাথবাবু বাড়ি ফিরেছিলেন তাড়াতাড়ি। স্বামীকে দেখে সুরমা বিরক্ত হলেন। আজকাল সন্ধেগুলো তিনি একধরনের ঘোরের মধ্যে কাটান। টিভিতে এখন পরপর তিনটে মারকাটারি সিরিয়াল চলছে। একটা হাসির, একটা দুঃখের, আর তিন নম্বরটা ভয়ের। মনের ওপর তিনরকম চাপ সামলে থাকতে হচ্ছে। এই অবস্থায় টিভির মানুষদের পছন্দ হয়, জ্যান্ত মানুষদের অসহ্য লাগে। সে মানুষ স্বামী হলেও লাগে! তবু কিছু বলা যায় না।

    বিশ্বনাথ জামাকাপড় বদলে ফতুয়া আর লুঙ্গি পরে সোফায় এসে বসলেন। বললেন, ‘সুরমা, একটা জরুরি আলোচনা ছিল। সুরমা, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, চন্দ্রনাথকে এবার হোটেলের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেব। আমি ওর থেকেও কম বয়েসে ব্যাবসায় বসেছিলাম। আজ আমার ফিফটি সিক্স। কাল থেকে তুমি ছেলেকে আমার সঙ্গে হোটেলে যেতে বলবে’।

    সুরমা হাই তুললেন। টিভি সিরিয়ালগুলোর সঙ্গে মনে হয় হাইয়ের ওষুধ মেশানো থাকে। নইলে শেষ হলেই ঘনঘন হাই পায় কেন? সুরমা আবার হাই তুলতে তুলতে বললেন, ‘খোকা হোটেলে বসবে না’।

    বিশ্বনাথ অবাক হয়ে বললেন, ‘মানে?বসবে না মানে’?

    সুরমা বিরক্ত গলায় বললেন, ‘সবাই যে চচ্চড়ি আর মাছের ঝোল নিয়ে কারবার করবে ভাবছ কেন? পাঁচজনকে বলতে লজ্জা হয় এমন কাজ’। সে করবে কেন? একদমই করবে না’।

    বিশ্বনাথ রাতে দুটো ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে ঘুমোতে গেলেন। ঘুম হল ছেঁড়াছেঁড়া। সেই ছেঁড়া ঘুমের মধ্যেই তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, ছেলের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তাকে বোঝাতে হবে।

    ৩

    বিশ্বনাথবাবু ছেলের দিকে তাকিয়ে আছেন। ছেলের দিকে ঠিক নয়, ছেলের চোখের মণির দিকে। তিনি শুনেছেন, পাগলদের চোখের মণি নাকি অন্যরকম হয়। চন্দ্রনাথের মণি কি অন্যরকম হয়ে গেছে?

    তিনি শান্ত গলায় বললেন, ‘হোটেলটা তুলে দেব বলছিস চন্দ্রনাথ?এত বড় একটা লাভের জিনিস—।’

    ‘হ্যাঁ, তুলে দেবে। আজকাল কেউ ভাতের হোটেল নিয়ে পড়ে থাকে নাকি? এই ব্যাবসার কথা কাউকে বলা যায়।’

    ‘কেন? বলা যাবে না কেন ? ভাত খাওয়া যায় আর ভাতের কথা বলা যায় না! বাপ ঠাকুরদার এমন চালু ব্যবসা বন্ধ করে তুই অন্য ব্যাবসা করবি! তুই বরং আর একটা জায়গা খোঁজ খোকা। আমি বলি কী, দুটোই থাকুক।’

    চন্দ্রনাথ বলল, ‘তুমি কি পাগল হলে? এই পজিশনের দামই তো কোটি টাকা। জায়গা দেখিয়েই তো টাকা আসছে।’ সে নিজের চেয়ার ছেড়ে উঠে বাবার পাশে এসে বসল। তারপর ঠান্ডা গলায় বলল, বাবা, তোমার কি আমার নতুন বিজনেস প্রজেক্টটা শুনতে ইচ্ছে করছে? না ইচ্ছে করলেও শোনো। বাবা, আমি একটা সাইবার কাফে করছি। সাইবার কাফে কী জিনিস জানো? জানো না। সহজ কথায় জিনিসটা হল একটা কম্পিউটার সেন্টার। অনেকগুলো কম্পিউটার থাকবে, তাতে নানারকম কাজ করা যাবে। আমার এক বন্ধু রতনের মেজমামা বালিগঞ্জে খুলেছে। রতনকে ধরে একদিন সেই মেজমামার কাছে গেলাম। বাপ রে! কী কাণ্ড! বিজনেস চলছে ঝমঝম করে। আমার কথা শুনে মেজমামা বললেন, ভেরি গুড। এখন ইন থিঙ্ক হল কম্পিউটার। ইন থিঙ্ক কী জানো? জানো না। ইন থিঙ্ক হল চালু জিনিস। সেই চালু জিনিসের কথা বলতে বলতে মেজমামা পেস্ট্রি খাওয়াল। বলল, বাঙালি আজ কম্পিউটারেই এগিয়ে চলার পথ খুঁজে পাবে। তারপর মেজমামা নিজেই খসখস করে প্রজেক্ট লিখে ফেললেন। সোজা চলে গেলাম মিস্টার গাঙ্গুরিয়ার কাছে।’

    ‘গাঙ্গুরিয়া! গাঙ্গুরিয়া কে?’

    চন্দ্রনাথ হেসে বলল, ‘গাঙ্গুরিয়া একজন ভেরি নাইস ম্যান। ভেরি বললে কম বলা হবে। বলা উচিত ভেরি ভেরি নাইস ম্যান। তিন বছর হল রাজস্থান থেকে এসেছেন। বাংলা বলতে পাগল। সব শুনে তিনি লাফিয়ে উঠলেন। বললেন, চান্দো, যত টাকা লাগে লাগুক। গো অ্যাহেড। কদম কদম বাড়ায়ে যা। মফসস্‌ল শহরে এ জিনিস কলকাতার থেকেও ভাল চলবে। একদিকে কম্পিউটার ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা। অন্যদিকে করবে ইন্টারনেট, ই-মেল, ওয়েবসাইট সার্কিং। এক কোণে কম্পিউটার গেমস রাখলে স্কুল স্টুডেন্টস পাবে। ছাত্রদের আজকাল এই খেলাতেই বেশি মন। বাবা, তুমি শুনলে খুশি হবে, ইতিমধ্যে বাঙ্গালোরে কম্পিউটারের অর্ডার দেওয়া হয়ে গেছে। জাপানি সফটওয়ার নিচ্ছি।মেজমামা বললেন, আমেরিকান সফটওয়ারের থেকে জাপানি সফটওয়ারই এখন ভাল।’

    ‘মেজমামাটা কে?’

    ‘উফ বাবা, ঘ্যাঁট আর আলুভাজা নিয়ে ভেবে ভেবে তোমার মাথাটা একদম গেছে। মা ঠিকই বলে। তোমায় বললাম না রতনের মেজমামা? বলিনি?’

    ‘হ্যাঁ বলেছিস। কিন্তু তাকে তুইও যে মেজমামা ডাকছিস এটা বলিসনি’।

    ৪

    চন্দ্রনাথের খুব ইচ্ছে ছিল নাম হোক রত্না সাইবার কাফে। লজ্জায় সেই নাম দেওয়া গেল না। এ পোড়ার দেশে প্রেমিকার নামে ব্যাবসার নাম হয় না। তা ছাড়া মিস্টার গাঙ্গুরিয়াকে নাম থেকে বাদ দেওয়াটা ঠিক হবে না। অনেক ভাবনাচিন্তার পর নাম হল ‘চন্দ্ররিয়া কম্পিউটার’। চন্দ্রনাথের ‘চন্দ্র’ আর গাঙ্গুরিয়ার ‘রিয়া’।

    কয়েকদিনের মধ্যে ভাত-ডালের সাইনবোর্ড খুলে ফেলা হল। বসল নীল গ্লোসাইন। কাঠের চেয়ার বদলে এল গদির হালকা চেয়ার। বসে বসেই যেদিকে খুশি ঘোরা যায়। নতুন টেবিলগুলোও সুন্দর। হালকা নীল কার্পেট। মেজমামার চেনা ইন্টিরিয়র ডেকরেটর শাহনীলা ভট্ট একদিন কলকাতা থেকে এসে সাজসজ্জায় ফাইনাল টাচ দিয়ে গেলেন। মহিলার কাজ দারুণ, তবে বড় সিগারেট খান। দেয়ালে ছবি। একটা বিরাট বড় মাউস। কম্পিউটারের মাউস। সেই মাউসের মধ্যে শিশুর মাথা, মাথার মধ্যে আবার মাউস, মাউসের মধ্যে আবার মাথা…! ঢোকার কাঠের দরজা ফেলে লাগল কাচের স্লাইডিং ডোর। সাতদিনে ভাত-ডালের হোটেলের ভোল একেবারে পালটে গেল। এরমধ্যে একদিন বাঙ্গালোর থেকে ভায়া কলকাতা হয়ে চলে এল কম্পিউটার মেশিন।

    ইঞ্জিনিয়ারা এলেন তিনদিন পরে, মাঝরাতে। রাতে ছাড়া তাদের হাতে সময় নেই। এখানে কাজ সেরেই ছুটতে হবে। অনেক সাধাসাধিতেও সলিড কিছু মুখে তুলল না ওরা। ভাগ্যিস চন্দ্রনাথ বুদ্ধি করে কয়েকটা ক্যান বিয়ার এনে লুকিয়ে রেখেছিল। তবে লোকগুলো কাজ জানে বটে। উদ্বোধনের জন্য একটা দারুণ ব্যবস্থা করে দিল। সেই ব্যবস্থায় বোতাম টিপলেই সারি সারি বন্ধ কম্পিউটার চালু হয়ে যাচ্ছে। পরদায় ফুটে উঠছে কয়েকশো হাউই আর তুবড়ি ফাটার দৃশ্য। আলো আর রঙে ভরে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে শোনা যাচ্ছে হাজার হাজার করতালির আওয়াজ। এই জিনিস দেখে চন্দ্রনাথ মুগ্ধ। এরকমও হয়! তার ওপর ইঞ্জিনিয়াররা জানাল, এই ‘উদ্বোধন সফটওয়ার’-এর চাহিদা এই মুহূর্তে সব থেকে বেশি নাকি ব্রাজিল আর মেক্সিকোতে। ভাবা যায়? কোথাকার জিনিস কোথায়!

    গাঙ্গুরিয়া চান সাইবার কাফের উদ্বোধন তোক পয়লা বৈশাখ। তিনি বললেন, ‘দ্যাখো চান্দো, ডোন্ট ফরগেট বাংলা, ডোন্ট ফরগেট বেঙ্গলি। কবিগুরু বলেছেন কী মোদের গরোব, মোদের আশা…’

    সেইমতো পয়লা বৈশাখ আয়োজন হয়েছে।

    চন্দ্ররিয়া কাফের সামনে রজনীগন্ধার ঝালর। মাঝে মাঝে লাল গোলাপ। হালকা করে সানাই বাজছে। দরজার মুখেই সারি সারি চেয়ার পাতা। সামনে লাল সোফা সেখানে বসে আছেন মিউনিসিপালিটির চেয়ারম্যান হরিশ মুখার্জি। তিনি এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। হরিশবাবু অল্প অল্প ঘামছেন। নার্ভাস বোধ করছেন। কম্পিউটার জিনিসটা সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণাই নেই। প্রথমটায় ভেবেছিলেন আসবেন না, কাটান দেবেন। সবাই বলল, ‘খেপেছেন মশাই? এখন আর কম্পিউটার ছাড়া ভোট পাবেন?’ ভোটের ভয়ে হরিশবাবু রাজি হয়েছেন। কিন্তু ভয় কমছে না। সেক্রেটারির লিখে দেওয়া ভাষণ মুখস্থ করে এসেছেন ঠিকই, তবু খালি মনে হচ্ছে ভুলে যাচ্ছি, ভুলে যাচ্ছি। উফ, হতচ্ছাড়া জিনিসটা যে কখন শেষ হবে। পাশেই মিস্টার গাঙ্গুরিয়া। তিনি আজ ধুতি পরে বাঙালি সেজেছেন। পাঞ্জাবিতে চন্দন কাঠের বোতাম। ঠোঁটের ফাঁকে হাসি। গাঙ্গুরিয়া ঠিক করেছেন আজ সারাক্ষণ এই হাসিটা ধরে রাখবেন। না, চন্দ্রনাথ ছোকরার ব্যবস্থা ভাল। টাকাগুলো জলে যায়নি। গাঙ্গুরিয়ার পাশে রত্না বসেছে বাবাকে নিয়ে। সে ডান হাতের আঙুলে গাড়ির চাবি ঘোরাচ্ছে এবং চোখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সব দেখছে। আয়োজনে সে খুশি কিন্তু তার ধারণা শেষপর্যন্ত কিছুই ঠিকমতো হবে না। না হলে চন্দ্রনাথের কপালে দুঃখ আছে। খুব বড় দুঃখ। কলকাতা থেকে এত দূরে বাবাকে নিয়ে আসতে অনেক ঝামেলা করতে হয়েছে তাকে। তখনই সে ঠিক করেছে বাঁটুলচন্দ্রের ব্যাপারটা আজই ফাইনাল করে ফিরবে। হয় এসপার, নয় ওসপার। হয় তরী ডোবাবে, নয় তরী ভাসাবে।

    চন্দ্রনাথকে রত্ন যতটা বেঁটে ভাবে আজ তার থেকেও তাকে বেশি বেঁটে দেখাচ্ছে। সম্ভবত সুট পরার কারণেই এমন হচ্ছে। সে হাসিহাসি মুখে ঘুরছে ঠিকই, কিন্তু টেনশনে সেই হাসিকে দেখাচ্ছে কান্নার মতো। যদিও কান্নার কোনও কারণ নেই। প্রথম দিনেই একুশ জন ছাত্রছাত্রী নগদ টাকা দিয়ে ভরতি হয়ে গেছে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পরেই তারা এক একটা কম্পিউটার নিয়ে বসে যাবে। চন্দ্রনাথ নিশ্চিত, কাচের দরজার বাইরে থেকে সেই দৃশ্য দেখলে আজ বিকেলেই আরও একুশজন পাওয়া যাবে। তবু তার টেনশন হচ্ছে। বাবা এলে ভাল হত। টেনশনটা কমত।

    চন্দ্রনাথ খবর পায়নি, বিশ্বনাথ সামন্ত এসেছেন। সুরমাদেবী তাকে নিয়ে সামনে বসতে চেয়েছিলেন। তিনি রাজি হননি। পেছনে ভিড়ের মধ্যে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন। যতটা সম্ভব নিজেকে আড়াল করে রেখেছেন।

    উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সমবেত শঙ্খ বাদনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হল ঠিক দশটায়। অতিথিরা উঠে দাঁড়ালেন। ব্যবস্থামতো চেয়ারম্যান সাহেব এগিয়ে গিয়ে কম্পিউটারের বোতাম টিপলেন। সবাই হাততালির জন্য তৈরি। দু’জন ক্যামেরা বাগিয়ে আছে। এদের মধ্যে একজন চন্দ্রনাথের ভাড়া করা। অন্যজন স্থানীয় পত্রিকা ‘গাঁ-গঞ্জ’ থেকে এসেছে। এদের ঠিক মুহুর্তটা ধরতে হবে। দুনিয়া কাঁপানো বাজি ফাটানোর মুহূর্ত।

    কিন্তু ঠিক মুহূর্ত আসছে না। বোতাম টেপার পরও কম্পিউটার চালু হল না। চেয়ারম্যান আবার বোতাম টিপলেন। এবার জোর দিয়ে টিপলেন। কিছুই হল না। এবার চারপাশে চেয়ে চেয়ারম্যান হাসলেন। নার্ভাস হাসি। আবার বোতাম টিপলেন। তারপর কঠিন গলায় বললেন,’চন্দ্রনাথ কোথায়? কোথায় চন্দ্রনাথ হারামজাদা?’

    রতনের মেজমামা ততক্ষণে সবাইকে ঠেলে এগিয়ে এসেছেন। বললেন, ‘দেখি দেখি, মনে হচ্ছে হার্ডওয়ারের প্রবলেম। দেখি একটু সরুন তো ভাই।’

    কম্পিউটার কোম্পানির যে-লোকটা চন্দ্রনাথের টেলিফোন ধরল সে সম্ভবত টিফিন করছিল। প্রতি কথায় একটা করে টোস্ট কামড়ানোর মতো কুড়মুড়ে আওয়াজ। তবে লোকটা খারাপ নয়। সবটাই বলে দিল।

    ‘কী বললেন স্যার, এখন যাব ? অসম্ভব, ইমপসিবল। আজ তো দূরের কথা, গোটা সপ্তাহ আমাদের ইঞ্জিনিয়াররা সব ফরেনে। নেক্সট উইকে চেষ্টা করব। তাও মনে হচ্ছে না হবে। আপনার প্রবলেম শুনে মনে হচ্ছে, ভাইরাস ঢুকেছে। ক্লিন করতে হবে। প্রথমে কোন ভাইরাস ঢুকেছে দেখতে হবে। কাজটা গোলমেলে স্যার। সাউথ আমেরিকা থেকে জাপান হয়ে এক ধরনের ভাইরাস ইন্ডিয়াতে ঢুকে পড়েছে। সেটা যদি হয় তো আপনি গেছেন। আর তা যদি না হয়ে ইউরোপিয়ান কোনও ভাইরাস হয় তা হলে কাজ কিছুটা সহজ হবে। সেরকম হলে জাপান কনসুলেটের সঙ্গে কথা বলে সরাসরি টোকিওতে ফ্যাক্স পাঠাতে হবে। মাস দুই-তিন লেগে যাবে মনে হচ্ছে। কম্পিউটার নিয়ে কাজ করছেন স্যার, ভাইরাসে ঘাবড়ে গেলে চলবে? মাথা ঠান্ডা রাখুন। চিন্তার কিছু নেই।’

    রাত অনেক হল। একা একা বাড়ি ফিরছে চন্দ্রনাথ। ক্লান্ত, বিধ্বস্ত। রত্না একটা কথাও না বলে চলে গেছে। মিস্টার গাঙ্গুরিয়ার সন্দেহ মেশিন কেনা-বেচায় বড় কোনও গোলমাল হয়েছে। নইলে প্রথমদিনেই কেন বিগড়োবে? তিনি চন্দ্রনাথের কাছে হিসেব বুঝে নিতে চান।

    এত রাতেও বিশ্বনাথবাবু বারান্দায় বসে। তিনি ছেলের জন্যে অপেক্ষা করছেন। চন্দ্রনাথ ফিরলে তাকে একটা জরুরি কথা বলতে হবে।বলতে হবে—‘ভাবিস না খোকা। হোটেলের সাইনবোর্ড ছাদে তোলা আছে। কাল ভোরে অন্ধকার থাকতে থাকতে দু’জনে মিলে গিয়ে লাগিয়ে দেব। তুই ববং কালকের জন্যে ঠান্ডা মাথায় একটা স্পেশাল আইটেম ভেবে ফেল দেখি। আচ্ছা বড়ি দিয়ে সুক্তো করলে কেমন হবে? ভালই হবে মনে হচ্ছে। তুই অবশ্য অন্য কিছুও ভাবতে পারিস। ঠিক আছে, তোকে আধঘণ্টা সময় দিলাম।ওনলি হাফ অ্যান আওয়ার।’

    বিশ্বনাথ সামন্ত অপেক্ষা করছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }