Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীল আলোর ফুল – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প591 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সুধা

    জিনিস যখন ভাঙে সবাইকে জানিয়ে, জোরে শব্দ করে ভাঙে। সুধার হাত থেকে ফুলদানিটা পড়ে নিঃশব্দে ভেঙে গেল। পিসি গুনগুন করতে করতে ঘরে ঢুকছে। নার্ভাস থাকলেই পিসি এটা করে। বেসুরো গলায় গুনগুন করে গান গায়। পিসি এসেছে কাল বিকেলে। আসার পর থেকেই গুনগুন শুরু হয়েছে। কাল সন্ধে পর্যন্ত গানের কথা কিছু কিছু বোঝা যাচ্ছিল। রাতের দিকে অবশ্য কথা জড়িয়ে গেল। আজ সকাল থেকে অবস্থা আরও খারাপ। গলা থেকে শুধু বিনবিন ধরনের আওয়াজ বের হচ্ছে। সেই বিনবিন আওয়াজ থামিয়ে পিসি চোখ বড় বড় করে বলল, ‘কী হল রে সুধা? হাতে ঝাঁটা কেন? আজ কি তোর ঝাঁটা নিয়ে ঘোরার দিন?’

    সুধার খুব বিচ্ছিরি লাগছে। এই চমৎকার ফুলদানিটা পিসি এনেছে। আজ বিকেলে এতে ফুল সাজানোর কথা ছিল। সে কাঁদোকাঁদো গলায় বলল, “ইস, ফুলদানিটা ভেঙে ফেললাম।’

    পিসি একমুখ হেসে বলল, ‘ফুলদানি ভেঙেছিস! খুব ভাল করেছিস, বেশ করেছিস। কীভাবে ভাঙলি?’ পিসির আনন্দে সুধা ভীষণ অবাক হল। সে বলল, ‘কীভাবে ভাঙলাম মানে? হাত থেকে পড়ে ভেঙে গেল। পিসি আরও বড় করে হেসে বলল, ‘সোনা মেয়ে, লক্ষ্মী মেয়ে আমার। ছেলের বাড়ি থেকে দেখতে আসার দিন মেয়ের হাত থেকে ফুলদানি পড়ে ভাঙা খুব ভাল লক্ষণ। আমার দিদিমা বলত, এর মানে হল, মেয়ে পছন্দ হবে। এই বিয়ে তোর কেউ ঠেকাতে পারবে না। আচ্ছা সুধা, ফুলদানিটা কোন হাত থেকে পড়েছে মনে আছে? যদি বাঁ হাত থেকে পড়ে থাকে তা হলে বুঝবি বেশি ভাল। দেখতিস আজই ওরা বরযাত্রীর সংখ্যা, কতজন আমিষ খাবে, কতজন নিরামিষ খাবে— সব বলে দিয়ে যেত। কিন্তু ফুলদানি না হয়ে যদি কাচের কাপ ভাঙত, তা হলে সমস্যা ছিল। বুঝতে হত, সব ঠিকঠাক হলেও ছেলেপক্ষের একটা ‘কিন্তু কিন্তু’ রয়ে গেছে। আর পাথরের যদি কিছু ভাঙত তা হলে ধরে নিতে হত, কোনও চান্স নেই। তোর পিসেমশাই যেদিন আমায় দেখতে যাবে, সেদিন বাড়ির সব পাথরের জিনিস সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। যাক, বড় ফাঁড়া কাটল। নে সর দেখি, কাচগুলো পরিষ্কার করি। তোর পিসেমশাইকে একটা ফোন করব। সে বেচারাও চিন্তায় আছে। বলব, আর চিন্তা কোরো না। সুধার বিয়ে ফাইনাল। তুমি কেটারারের সঙ্গে কথা বলো।’

    সুধা মুগ্ধ হয়ে পিসির দিকে তাকিয়ে আছে। তার খুব খারাপ লাগছে। চোখ ফেটে জল আসছে। ইচ্ছে করছে, ছুটে গিয়ে এই বোকাসোকা ভালমানুষটাকে জড়িয়ে ধরে।

    শোবার ঘরে ফোন বাজছে। সুধা গিয়ে ফোন ধরল।

    ‘বি কেয়ারফুল সুধা, বাড়িতে যেন কেউ সন্দেহ না করে। লাস্ট মোমেন্টে সন্দেহ করলে বিরাট কেলেঙ্কারি। সব প্ল্যান ভেস্তে যাবে। বিকেল পর্যন্ত হাসিখুশি থাকবে। কাউকে কিছু বুঝতে দেবে না। লোকগুলো আসবে কখন?’

    সুধা চাপা গলায় বলল, ‘কতবার বলব? বলছি তো পাচটা বাজবে। কলকাতা থেকে এতটা পথ আসবে, দেরি তো হবেই।’

    ‘ভেরি গুড। যত দেরি হয় তত ভাল। তা হলে যেরকম ঠিক করা আছে সেভাবেই হবে।’

    ‘তুমি ফোন করেছ কেন? বাড়িতে ফোন করতে তোমায় মানা করেছি না? আমার ভয় করছে।’

    ‘ভয় করারই কথা। এতবড় একটা ভয়ের কাজ করছ, ভয় হবে না তো কী হবে?’

    ‘কাল থেকে পিসি এসে আছে। বাবা ছুটি নিয়েছে। এত কিছু হবে আমি জানতাম না। বাড়িতে খুব হইচই হচ্ছে।’

    ‘তুমিও হইচই করো।’

    ‘ওভাবে বলছ কেন? একটু আগে পিসির আনা একটা ফুলদানি ভেঙে ফেলেছি। রেয়ার জিনিস। বিদেশ থেকে কেনা। হংকং না সিঙ্গাপুর। পিসি কী বলল জানো?’

    ‘কী আর বলবে? বড়লোক আত্মীয়স্বজনরা গরিব কন্যাদায়গ্রস্ত পরিবারকে যা বলতে পারে তাই বলবে। বেশ করেছিস ভাল করেছিস তো আর বলবে না। এসব মানুষদের আমার খুব ভাল করেই জানা আছে।’

    ‘না, তোমার জানা নেই। পিসি বলল, বেশ করেছিস, ভাল করেছিল। আমার খুব খারাপ লাগছে।’

    ‘বারবার খারাপ লাগছে খারাপ লাগছে কোরো না তো। সম্বন্ধটা তোমার পিসি এনেছে তাই এত আদিখ্যেতা। সামান্য একটা স্কুলমাস্টার পাত্রের জন্য একটু বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে না কি? সিঙ্গাপুরের ফুলদানি, জাপানের চায়ের কাপ, হল্যান্ডের পাপোশ। মিষ্টি কোথা থেকে আসছে? নাইজেরিয়া থেকে নিশ্চয়ই। ওখানে শুনেছি শিঙাড়া নিমকি খুব ভাল পাওয়া যায়।

    ‘তুমি এমন করে বলছ কেন? আমার বাড়ির লোকেরা তো কোনও দোষ করেনি। তারা তো কিছুই জানে না। যাই শোনো, আমি এখন বাড়িতে সব বলে দেব?’

    ‘এখন বলে দেবে! খেপেছ নাকি? তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেল সুধা? তুমি এখন বলবে আর তোমার বাবা-মা কী করবে? মেনে নেবে? বলবে, বেকার ছেলেটাকে খবর দে, ধুতি পাঞ্জাবি পরে রেডি হতে বল, আমরা পালকি পাঠিয়ে দিচ্ছি? অল রাবিশ। শেষ মুহূর্তে সবটা গোলমাল করে দিতে চাও নাকি? একদম মুখ বন্ধ করে থাকে। স্টেশনে কোথায় দাঁড়িয়ে থাকবে মনে আছে তো? ভেরি গুড, তাও আর একবার বলছি, মন দিয়ে শোনো। স্টেশনে ঢুকেই ওভারব্রিজের তলায় আসবে। আমি থাকল বুক স্টলের কাছে। তুমি আমাকে দেখতে পাবে না। তাতে কিছু এসে যায় না। আমি তোমাকে ঠিক দেখে নেব। খামোকা ছটফট করবে না। ছটফট করলে লোকের সন্দেহ হবে। সেরকম হলে স্টল থেকে একটা পত্রিকা তলে ওলটাবে। ট্রেন আসার আগেই আমি দ্যাখা দেব। চিন্তা কোরো না, কলকাতায় সব ব্যবস্থা করা আছে।’

    পিসি কলকাতা থেকেই সব ব্যবস্থা করে এনেছে। শুধু ফুলদানি নয়, আরও অনেক কিছু এনেছে। বোন চায়নার কাপ ডিশ, রং মিলিয়ে ট্রে, এমনকী টেবিল ক্লথ পর্যন্ত। জিনিসপত্র গোছাতে গোছাতে পিসি বলল, ‘হ্যাঁরে রমলা, সুধার আঁকা ছবিটবি কিছু আছে নাকি?’

    রমলা অবাক হয়ে বলল, ‘ছবি! ছবি দিয়ে কী হবে দিদি? দেয়ালে টাঙাবে নাকি?’

    বোকার মতো কথা বলিস না। বোকার মতো কথা বলিস বলেই আজ তোর এই হাল। এত সুন্দর মেয়েটার এখনও বিয়ে দিতে পারলি না। ছেলের বাড়ির লোকদের শুধু মেয়ে দেখালেই চলবে?মেয়ের হাতের কাজ দেখাতে হবে না? আজকাল ছবি আঁকিয়ে মেয়েদের কীরকম ডিমান্ড জানিস? জানবি কী করে? থাকিস তো এই ধ্যাড়ধেড়ে গোবিন্দপুরে। কলকাতায় আর্টিস্ট পাত্রীদের নিয়ে টানাহেঁচড়া ব্যাপার। ইস, অ্যাকাডেমিতে যদি সুধার একটা এগজিবিশনের ব্যাকগ্রাউন্ড থাকত তা হলে একেবারে মার কাটারি করে দিতাম। ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার এসে লাইন লাগাত। তবে এ-ছেলেও ভাল। স্কুলমাস্টার তো এখনকার দিনে ফেলনা কিছু নয়।’

    রমলা বলল, ‘দিদি, সুধা ছবি আঁকতে পারে না, কিন্তু গাইতে পারে।’

    আবার বোকার মতো কথা। ওসব ছিল আমাদের সময়কার ব্যাপার। এক দঙ্গল মিলে দেখতে এল। পাত্রের দাদু বলল, রামপ্রসাদি জানো মা? মেয়ে গাইল, মায়ের পায়ের জন্য হয়ে। ছেলের বাবা বলল, ডি এল রায়। মেয়ে গাইল, বসিয়া বিজনে। ছেলের আবদার হল রবীন্দ্রসংগীত শুনবে। তখন শোনাতে হল, কী রাগিনী বাজালে হৃদয়ে। মেয়ে দেখা তো নয় যেন গানের জলসা বসেছে। ভাবটা এমন যেন শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে কোনও কাজই থাকবে না, শুধু উঠতে গান আর বসতে গান। সেসব ভণ্ডামির দিন গেছে। এখন গানে মাইনাস পয়েন্ট। খবরদার সুধা, গান জানো কিনা জিজ্ঞেস করলে সোজা বলে দিবি, জানি না।’

    যত সময় যাচ্ছে সুধার খারাপ লাগাটা বাড়ছে। কেন এমন হচ্ছে? সে তো জেনে বুঝেই ‘হ্যাঁ’ বলেছিল। তা হলে কেন খারাপ লাগবে?

    ‘কী রে সুধা, মুখটা ব্যাজার কেন? মন খারাপ? তা তো হবেই। ছেলে দেখতে আসা মানেই শ্বশুরবাড়ির দিকে এক পা। পাকা দেখার দিন তো আমি কেঁদেকেটে একসা করেছিলাম। তোর যদি ইচ্ছে হয়, তুইও একটু কেঁদে নে।’

    সুধা চমকে উঠল। ধরা পড়ে যাচ্ছে নাকি? হাসিমুখে বলল, ওমা, কাঁদব কেন? কী যে বলো। পিসি, আমি একটা দারুণ হাতের কাজ জানি।’

    পিসি ভুরু কুঁচকে বলল, ‘কী কাজ?’

    ‘কাপড় কাচা। তুমি যদি বলো, ছেলের বাড়ির লোকদের আজ একটা ডেমনস্ট্রেশন দিয়ে দিতে পারি। ধরো, এক বালতি সাবান জল নিয়ে গিয়ে ওদের একটা বেকভার কেচে দেখালাম।’

    ‘ফাজলামি করছিস? আর শোন, এখন আর একদম হাসাহাসি করবি না। বেশি হাসলে মাসলে ব্যথা হয়ে যাবে, বিকেলে ঠিক সময় আর হাসতে পারবি না। গালে লাগবে।’

    সুধা অবাক হওয়ার ভঙ্গিতে বলে, ‘আমি কি বিকেলে সারাক্ষণ হাসিহাসি মুখে বসে থাকব?’

    ‘সারাক্ষণ হাসবি কেন? সবাই যখন হাসবে তখন একদম হাসবি না। ফাজিল ভাববে। মনে রাখবি সুধা, ছেলে হল গিয়ে অঙ্কের মাস্টার। অঙ্কের মাসটাররা সব বরদাস্ত করে, ফাজলামি বরদাস্ত করে না। ভাল পাত্র এনে দেব বলেছিলাম, এনে দিলাম। এবার তোমরা মা-মেয়ে মিলে ঠিক করো, হাসবে না কাঁদবে। রমলা, ব্রজ গেল কোথায়? সামান্য মিষ্টি কিনতে এত সময় লাগে? উফ, তোদের হাতে যেটা ছাড়ব সেটাই গোলমাল করে ফেলবি।’

    কথাটা ভুল নয়। গোলমাল হয়েছে। ব্রজেশ্বর কোথাও জল-ভরা তালশাঁস সন্দেশ পায়নি। স্টেশনের কাছে একটা দোকানে এই ধরনের সন্দেশ ছিল ঠিকই, কিন্তু ভেঙে দ্যাখা গেল, তাতে জল নেই। শুকনো খটখট করছে। ব্রজেশ্বর কাঁচুমাচু মুখে বলল, ‘বিকেলের মধ্যে কিছু ব্যবস্থা হয় না?’ দোকানদার বিরক্ত মুখে বলল, ‘না, হয় না। সন্দেশে জল ভরে দেওয়ার কোনও সিস্টেম আমাদের নেই। এইটা লাগলে নেন, নইলে ছেড়ে দেন।’ ব্রজেশ্বর খুবই চিন্তিত। দিদি তাকে যে লিস্ট দিয়েছে, তাতে জলভরা রয়েছে এক নম্বরে। সেই লিস্ট গোলমাল হয়ে যাচ্ছে। এটা ঠিক হচ্ছে না। দিদির উদ্যোগেই সুপার গতি হতে চলেছে। সামান্য সন্দেশে সেই গতিপথ রুদ্ধ হলে খুব খারাপ হবে। প্রথম দিন বিয়ের প্রস্তাব শুনে বলেছিল, ‘সেকী, এখন বিয়ে কীসের? সুধার বয়সই বা কত? সবে লে কলেজে ঢুকল। তা ছাড়া হাতে টাকাপয়সা নেই।’ রমলা কড়া গলায় বলল, ‘না, এখনই হবে। টাকাপয়সা কোনও দিনই তোমার হবে না। দিদি ঠিকই বলেছে, অভালের ঘরে সুন্দরী মেয়েকে বেশিদিন রাতে নেই। ছেলের বাবার সঙ্গে দিদিকে এই কথা বলতে বলো।’

    মিষ্টির বাক্স, দইয়ের হাঁড়ি হাতে ব্রজেশ্বর যখন বাড়ি ফিরল, সবার চোখে জল। সুধা, সুধার পিসি, সুধার মা তিনজন যেন কান্নাকাটির কম্পিটিশন লাগিয়েছে। এমনকী রতনের মা-ও বারবার চোখে আঁচল চাপা দিচ্ছে। ঘর-ভরতি ধোঁয়া। মাটির হাঁড়িতে নারকেলের ছোবড়া জ্বালানো হয়েছে। তার মধ্যে আবার একগাদা ধুনো।

    ব্রজেশ্বর চোখে রুমাল দিয়ে বলল, ‘ব্যাপার কী রে সুধা?’ সুধা নাক টেনে বলল, ‘মশা তাড়ানো হচ্ছে না। পিসি বলেছে, সন্ধেবেলা যেন একটা মশাও ওদের ধারেকাছে আসতে না পারে।’

    ‘সেকী রে! সন্ধা পর্যন্ত এই ধোঁয়াকান্ড চলবে নাকি?’

    বলা যাচ্ছে না, চলতেও পারে। চললে ভালই হয়। মেয়ে পছন্দ করে শ্বশুরবাড়ির সবাই কাঁদতে কাঁদতে ফিরে যাবে। শুধু কি মশা বাবা? এতক্ষণ পিসি ধুলো তাড়িয়েছে। রতনের মাকে দিয়ে ঘর ঝাড়িয়েছে। রতনকে দিয়ে বালতি বালতি জল ঢেলে বারান্দা ধুইয়েছে। এরপর বলছে বাড়িওলার পারমিশন নিয়ে ছাদ সাফাই অভিযানে নামবে?’

    ‘ছাদ! ছাদ কেন?’

    ‘তোমার হবু বেয়ান যদি ছাদে পায়চারি করতে চান। পিসি কোনও রিস্কের মধ্যে যেতে রাজি নয়।’

    ‘বলিস কী রে! দিদি তো বিয়ের আগেই বিয়েবাড়ির খাটনি খাটছে! হা হা।’

    ‘দাঁড়াও এখনই হেসো না। খাটনি আরও আছে। তুমি মিষ্টি কিনেছ নাকি? কিনলে সব নর্দমায় ফেলে দিয়ে এসো। পরিকল্পনা বদল হয়েছে। মায়ের পরিকল্পনায় পিসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নো দোকান বিজনেস। জলখাবার সব বাড়িতেই বানানো হবে। সেই কর্মকাণ্ড শুরু হবে দুপুরে। মা বানাবে, পিসি হেল্‌প করবে, আর আমি বিশ্রাম নেব। পরিবেশনের সময় অবশ্য আমার নামেই সবটা চালানো হবে। আমি ঘরে গিয়ে দরজা দিলাম বাবা। আর ধোঁয়ায় থাকলে দমবন্ধ হয়ে মারা যাব।’

    ব্রজেশ্বর এগিয়ে এসে মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে বলল, ‘যা, তুই ঘরে যা।’ তারপর অনেকক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। তার এত ভাল লাগছে যে নড়াচড়া করতেও ইচ্ছে করছে না। মেয়ের বিয়েতে এত ভাল লাগে! এত ভাল!

    সুধার ঘরে দরজা বন্ধ থাকায় ধোঁয়া নেই। তবু তার চোখ দিয়ে হু হু করে জল পড়ছে। তার সামনে খাতা। কাঁদতে কাঁদতেই সে কোনওরকমে লিখল, ‘মা বাবা পিসি আমায় তোমরা ক্ষমা কোরো।’ লেখার ওপর টপ টুপ করে চোখের জল পড়ছে। সুধা কেটে দিয়ে লিখল, ‘আমায় তোমরা মা ক্ষমা কোরো না।’ তারপর পাতাটা ছিঁড়ে দলা পাকিয়ে ফেলল। এইসময় আবার ফোন বাজল।

    ‘সব ঠিক আছে সুধা? নাক টানছু কেন? সর্দি হয়েছে?’

    “হ্যাঁ হয়েছে। এতবার যেন করছ কেন?’

    ‘এতবার কোথায়? মাত্র তো দু’বার করলাম। দেখছি, কতটা দুর্বল হয়ে পড়েছ। কাউকে কিছু বলছ নাকি?’

    ‘না, এখনও বলিনি, তবে বলতে পারলে ভাল হত। ইস, পিসি নিজের হাতে ছাদে জল ঢালছে।’

    ‘ছাদে জল ঢালছে! কেন, ছাদে জল ঢালছে কেন? ওই মাস্টারটা ছাদে সাঁতার দেবে নাকি?’

    ‘ওনার নামে বলছ কেন? উনি কী করেছেন?’

    ‘সরি, টেনশনে মাথা ঠিক নেই। ও শোনো, শাড়িটাড়ি কিছু নিতে হবে না। ওরা সব কিনে রাখবে। এতক্ষণে নিশ্চয় কেনা হয়ে গেছে। তুমি শুধু ঠিক সময় চলে আসবে। ছাড়লাম। যাও এখন আনন্দ করো।’

    ‘মানে?’

    ‘মানে কিছু নয়। নিজের বিয়েতে আনন্দ করবে না তো কার বিয়েতে করবে? বিয়ে তো তোমার হচ্ছেই, কোথায় হচ্ছে সেটা অন্য কথা।’

    ‘আমি রাখছি। কেউ মনে হয় দরজা ধাক্কাছে। আর ফোন কোরো না।’

    দুপুরে খাওয়ার পর ঠিক পর পর তুলকালাম কাণ্ড হল। পিসেমশাই গাড়ি চালিয়ে চলে এসেছে। একা আসেনি, পাইকপাড়া থেকে জেঠুমণি জেঠিমাকে নিয়ে এসেছে। সোদপুর থেকে তুলেছে মেজমাসি, মেজমাসির মেয়ে আর তাদের রাঁধুনি মহিলাকে। এই মহিলা নাকি পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সবথেকে ভাল মাছের কচুরি বানাতে পারে। এখানেই শেষ নয়, গাড়ির পেছনে পেছনে একটা ট্যাক্সিও এসেছে। তাতে গম্ভীরমুখে বসে আছে অনন্তকাকা রত্নাকাকিমা। তারা কিছুতেই ট্যাক্সি থেকে নামতে চাইছে না। খুব রেগে আছে। কেন তাদের আগে বলা হয়নি।

    পিসেমশাইকে একদিকে টেনে নিয়ে গিয়ে পিসি চোখ বড় করে বলল, ‘কী সর্বনেশে কাণ্ড! এ কী করেছ? সবাইকে নিয়ে এসেছ কেন? আমি তো বলেছিলাম ফাইনাল হলে সবাইকে খবর দেওয়া হবে।’ পিসেমশাই তার মোটা বউকে এক হাতে জড়িয়ে ধরে হাসতে হাসতে বলল, ‘এতক্ষণে একটা বিয়েবাড়ি বিয়েবাড়ি চেহারা হয়েছে। ন্যাড়া বাড়িতে আনন্দের কাজ হয় নাকি? চিৎকার চেঁচামেচি হবে, হইচই হবে, তবেই না। এই যে সুধা, তোর পাগলা পিসিকে বুঝিয়ে বল দেখি। অত ঢাক ঢাক গুড় গুড়ের কী হয়েছে? এমন তো নয়, যে তুই বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করছিস। ঠিক কিনা? হ্যাঁরে, তোর বন্ধু টন্ধু কাউকে দেখছি না কেন সুধা? কাউকে ডাকিসনি? এটা একটা বড় ভুল করেছিস রে। পাত্রের সব খবর মেয়েরা পেয়ে যায়। কিন্তু ব্যাঁকা গোঁফ, বোকা জুলফি আর লুকোনো টাকের খবর কিছুতেই পায় না। সেটা একমাত্র মেয়ের বন্ধুরাই দিতে পারে। যা যা বন্ধুদের ডেকে আন। পরদার আড়াল থেকে তারা নোট করবে। তারপর তাকে গোপন রিপোর্ট দেবে।’ মা হেসে বলল, ‘যা, চট করে বাবলিকে একটা খবর দিয়ে আয়।’

    সুধা মাথা নিচু করে শাড়ি পরছে। হালকা নীল ডুরের একটা সাধারণ শাড়ি। এরপর সে মুখে একটু পাউডার দেবে। ছোট্ট একটা টিপ পরবে কি? না থাক। বেশি সাজগোজ করলে অন্যের চোখে পড়ে যেতে পারে। ভালবাসার মানুষকে বিয়ে করবার দিনটা সব মেয়ের জীবনেই সবথেকে ভাল দিন। সেদিক থেকে আজকের দিনটাও সুধার জীবনে সবথেকে ভাল দিন। কিন্তু সুধার ভাল লাগছে না। বারবার মনে হচ্ছে, কেন সে এমন একটা দিনে রাজি হল? শাড়ি পরা শেষ হতেই আবার টেলিফোনের আওয়াজ।

    ‘কী হল আবার ফোন করছ কেন?’

    ‘সব ঠিক আছে?’

    ‘হ্যাঁ। আমি এখনই বেরোচ্ছি।’

    ‘তোমাকে কেউ ফলোটলো করবে না তো?’

    ‘ফলো! কী বলছ, আমি কিছু বুঝতে পারছি না! ফলো করবে কে?’

    ‘তোমাদের বাড়িতে অতি লোকজন চলে এসেছে বলেই কথাটা বলছি। আত্মীয়স্বজনগুলো মহা হারামি হয়। সরি, আসলে ভোম্বলের কেসে এরকম হয়েছিল কিনা। মেয়ের মামা পুলিশ নিয়ে গিয়ে ভোম্বলকে ক্যাচ করেছিল। যাই হোক, অ্যালার্ট থাকবে। সেরকম বুঝলে রিকশা দু’-চার পাক ফালতু ঘুরিয়ে স্টেশনে ঢুকবে।’

    ‘তুমি কি ভয় পাচ্ছ?’

    ‘ভয় পাব কেন? না, না, ভয় পাইনি।’

    এই দুপুরেই বাড়ি গন্ধে ম ম করছে। মালপোয়া ভাজার গন্ধ। এটা পিসির লিস্টে ছিল না। রত্নাকাকিমা এসে স্পেশাল আইটেম হিসেবে ঢুকিয়েছে। মেজমাসি সুধাকে দেখে মুখ টিপে হাসল। বলল, ‘দরজা এঁটে এতক্ষণ কার তপস্যা করছিলি? তোর মা ডাকতে বলল। আমি বললাম, থাক দিদিভাই, মাস্টারমশাইয়ের সঙ্গে বোধহয় টেলিপ্যাথিতে ক্লাস চলছে। অঙ্ক ক্লাস। ছাত্রীকে বিরক্ত করা ঠিক হবে না।’ সুধা শুকনো হাসি হেসে বারান্দায় এল। পিসি আবার রতনের মাকে দিয়ে বারান্দা মোছাচ্ছে। মেজমাসির মেয়ে বাগান থেকে কাদা পায়ে উঠেছিল। সেই পায়ের ছাপ তোলা হচ্ছে। সুধাকে দেখে পিসি অবাক হয়ে বলল, ‘ওমা, তুই ভরদুপুরে কোথায় বেরোচ্ছিস?’ সুধা বলল, ‘কোথায় বেরোব আবার, তোমরাই তো বললে বাবলিকে ডেকে আনতে।’ পিসি হেসে বলল, ‘যা চট করে ঘুরে আয়। তোর পিসেমশাইয়ের কাণ্ডটা দেখা হইচই লাগিয়ে দিয়ে এখন তোর বাবার সঙ্গে নাক ডাকিয়ে ঘুমোচ্ছে। আমার হয়েছে যত ঝামেলা।’

    বাড়ি ছেড়ে কয়েক পা যেতে রিকশ পাওয়া গেল। রিকশর হুড তুলে দিয়ে হাউহাউ করে কেঁদে ফেলল সুধা। রিকশওলা মুখ ঘুরিয়ে বলল, ‘কী হল দিদি? গাড়ি থামাব?’ সুধা কাঁদতে কাঁদতে বলল, ‘না, থামাবে না। তুমি স্টেশন চলে।’

    দুটো যোগ, দুটো বিয়োগ। মোট চারটে অঙ্ক। চারটে অঙ্কই ভুল করেছে প্রথমা। ভুল করে সে নাচতে নাচতে পাশের ঘরে উঠে গেছে এবং মহা উৎসাহে ড্রইং খাতায় ছবি আঁকতে শুরু করেছে। ছবির বিষয় হল, মাঠে গোরু চরছে। আকাশে মেঘ।

    বসার ঘরে সুধা তার চার বছরের মেয়ের অঙ্ক খাতা হাতে নিয়ে হতাশ ভঙ্গিতে বসে আছে। বিশ্বনাথ চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বলল, ‘অত চিন্তা কোরো না সুধা। অঙ্ক মাস্টারের ছেলেমেয়েরা সবসময়ই অঙ্কে গাধা হয়। তবে তোমার মেয়ে আঁকায় মনে হয় দারুণ করবে। তোমার পিসিমাকে বলে রাখো, উনি খুশি হবেন। ভাল পাত্র পাওয়া যাবে। সামান্য স্কুলমাস্টারের গলায় ঝুলতে হবে না।’

    সুধা তার স্বামীর দিকে তাকিয়ে চোখ বড় করে বলল, ‘এরকম ঠাট্টা করতে তোমাকে কতবার বারণ করেছি। বলছি তো, এসব শুনলে আমার মাথায় আগুন জ্বলে।’ বিশ্বনাথ স্ত্রীর কাছে সরে এল। গলা নামিয়ে বলল, ‘তাই ভাবি, রেগে গেলে তোমাকে এত সুন্দর লাগে কেন। আসলে মাথার আগুনের কিছুটা তখন তোমার মুখেও চলে আসে।’ সুধা মনে হয় একটু লজ্জা পেল। নইলে তার গাল লালচে হবে কেন। মুখ নামিয়ে বলল, ‘আহা, ঢঙ! বুড়ো বয়সে আদিখ্যেতা।’ বিশ্বনাথ আরও সরে এসে সুধার একটা হাত ধৰল। বলল, ‘সুধা, একটা জিনিস কিন্তু আমি ধরে ফেলেছি।’

    ‘কী ধরে ফেলেছ?’

    ‘ধরে ফেলেছি, তুমি এতদিন যেটা বলে, সেটা সত্যি নয়। সত্যিটা হল, মোটেই সেদিন তুমি নিজে থেকে চলে আসোনি। স্টেশনে ছেলেটির জন্য অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেছিলে। কিন্তু ছেলেটি আসেনি। হয় সে ভয় পেয়েছিল, অথবা অন্য কোনও কারণও থাকতে পারে। আমি ঠিক জানি না। জানতে চাইও না। তবে এটা আমি বুঝতে পেরেছি, তোমার মতো ভাল মেয়ে কোনও ভালবাসাকেই দুঃখ দিতে পারে না। আমি কি ভুল বলছি সুধা?’

    সুধা অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নিল। তারপর ধীরে ধীরে বলল, ‘আমি জানি না। হাতটা ছাড়ো, আমার কাজ আছে।’ বিশ্বনাথ হাত ছাড়ল না। দু’জনে অনেকক্ষণ এভাবে বসে রইল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }