Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীল আলোর ফুল – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প591 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চাঁদ পরীক্ষা

    কার্টুন চ্যানেলে টম এন্ড জেরি দেখানো হচ্ছে। টম এন্ড জেরি খুব মজার কাটুন। এত মজার যে দ্যাখার সময় মুখ টিপে হাসা যায় না, শব্দ করে হাসতে হয়। এখন যেটা দেখানো হচ্ছে, সেটা যেন বেশি মজার। জেরি একটা কার্পেটের তলায় লুকিয়ে আছে, টম বালিশ ভেবে তার গায়ে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়েছে। তারপর জেরিও গড়াচ্ছে, টমও গড়াচ্ছে। যে দেখবে সেও হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়বে।

    চার বছরের বিন্দু সোফায় বসে কার্টুন দেখছে। তবে সে হাসছে না, উলটে তার চোখ দিয়ে টসটস করে জল পড়ছে। বিল্টু কাঁদছে।

    বিল্টু প্রতিদিন সকালে এই সময়টা কাঁদে। কারণ, এই সময় তাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে হয়। বিল্টুকে তৈরি করছে তার মা। ছেলে এবং মা দু’জনের কাছেই এটা একটা ঘটনা। এই ঘটনার বিভিন্ন পর্ব রয়েছে। সকাল ছ’টায় ঘুম থেকে টেনে হেঁচড়ে তোলা দিয়ে সেই পর্বের শুরু। তারপর মুখ ধোওয়া, দুধ খাওয়া, জামাপ্যান্ট পরা, জুতোর ফিতে বাঁধা এবং সবশেষে টাইয়ের নট ঠিক করা দিয়ে এর শেষ। গোটাটাই বিল্টুর কাছে ভয়ংকর অত্যাচার মতো। সম্প্রতি সেই অত্যাচারে নতুন একটা মাত্রা যোগ হয়েছে। সাজগোজের প্রতিটি পর্বে যূথিকা ছেলেকে ইংরেজিতে কথা বলা শেখাচ্ছে। সে নিয়ম করেছে, এই সাতসকালে ছেলেকে সব কথাই ইংরেজিতে বলতে হবে। যেমন, আজ কিছুতেই স্কুল যাব না, আমার ভীষণ ঘুম। পাচ্ছে, দুধ খেলে বমি করে ফেলব– কিছুই বাংলায় বলা চলবে না। এমনকী টম। এন্ড জেরি কার্টুন দেখার সময়ও হো হো করে হাসা বারণ, হাসির দমকে দমকে বলতে হবে ইয়া ইয়া, আউচ আউচ।

    এরপর বিল্টুর কাঁদা ছাড়া আর কী উপায় আছে?

    স্বাভাবিক কারণেই ছেলেকে ইংরেজি কথোপকথন শেখানোর সময় যূথিকাও বাংলা পরিত্যাগ করেছে। ইংরেজিতে বেশি জটিল বাক্য সে বলতে পারে না ঠিকই, তবে সেটা এমন কিছু ব্যাপার নয়। গুড মর্নিং, কাম, সিটডাউন, টেক ইয়োর মিল্ক ধরনের কথায় আর তার জড়তা লাগে না। বরং বেশ গর্বই হয়। নিজেকে মেমসাহেব মেমসাহেব লাগে। গতসপ্তাহে সে গোপনে নিউমার্কেট থেকে একটা হাউজকোট কিনে এনেছে। রংটা একটু চড়ার দিকে। গাঢ় হলুদ, কবজি আর গলার কাছটায় নীল। তা হোক। হাউজকোট পরে তো আর সে বিয়েবাড়ি যাচ্ছে না, বাড়িতেই থাকছে। শাড়ি ম্যাক্সি পরে আর যাই হোক ইংরেজি হয় না। ভোরবেলা উঠেই হাউজকোট পরে ফেলছে। প্রথমদিন ঘুম ভেঙে মাকে ওই কিম্ভূত পোশাকে দেখে বিল্টু আঁতকে উঠেছিল। এখন অভ্যেস হয়ে গেছে। যূথিকার খুব ইচ্ছে কয়েক জোড়া কাঁটা-চামচ কেনে। ব্রেকফাস্টটা বিল্টুর কাঁটা-চামচেই করা উচিত। চিন্তা একটাই, পাউরুটি আর দুধ কি বিন্দু কাঁটা-চামচে ম্যানেজ করতে পারবে? কেন পারবে না? চিনারা যদি কাঠি দিয়ে ভাত খেতে পারে, চামচে পাউরুটি দুধ হবে না কেন?

    সব মিলিয়ে যূথিকা আজকাল সকালটা ‘ইংরেজি ইংরেজি’র মধ্যে কাটাচ্ছিল। গলার স্বরটাই অনেক নেমে গিয়েছিল। কিন্তু আজ যে কেন অন্যরকম হচ্ছে! মাঝেমধ্যেই ছেলের ওপর খেঁকিয়ে উঠছে। ইংরেজি তো দূরের কথা, রাগের মধ্যে যে-ভাষা সে ব্যবহার করছে তাকে বিশুদ্ধ বাংলা বলাও কঠিন। যেমন, ‘কান্না না থামালে থাবড়ে গলি ফাটিয়ে দেব’ অথবা ‘লাই পেয়ে পেয়ে মাথায় উঠেছ’।

    চন্দন একটু দূরে বসে আছে। বসে পা দোলাচ্ছে। তার পাশে খবরের কাগজ ভাঁজ করা। সেই ভাজ এখনও খোলা হয়নি। পাশে পড়ে থাকা সত্ত্বেও চন্দন খবরের কাগজ খুলে পড়ছে না মানে বড় কোনও গোলমাল হয়েছে। তার মুখ গম্ভীর। স্ত্রীর চিৎকার, ছেলের কান্না, কোনওদিকেই তার মন নেই। সে উঠে দাঁড়িয়ে পায়ে চটি গলাল। যূথিকাকে বলল, ‘তাড়াতাড়ি করো। স্কুলের বাস বেরিয়ে গেলে কিন্তু আমি ট্যাক্সি ধরতে পারব না।’

    যূথিকা ঝাঁঝিয়ে বলল, ‘আমাকে ট্যাক্সির কথা শোনাচ্ছ কেন? আমি কি স্কুলে যাচ্ছি? তোমার ছেলে, ইচ্ছে হলে স্কুলে পাঠাবে, ইচ্ছে হলে পাঠাবে না।’

    বিল্টু তার ছোট্ট জুতোটা পরতে পরতে চোখের জল মুছল। বলল, বাবা, আমি স্কুল বাসে যাব না, আমি ট্যাক্সি করে যাব। আমার ঘুম পাচ্ছে, আমি ট্যাক্সিতে ঘুমোব।’

    যুথিকা এবার সত্যি সত্যি ছেলের গালে একটা চড় মারল। চন্দন ছেলের হাত ধরে বলল, ‘চল, বাসে উঠে কাঁদবি।’

    এ-বাড়িতে আজ কী হল? সকাল হতেনা-হতে কান্নাকাটি ঝগড়া মুখ ব্যাজার কেন? তিনজনের এই ছোট্ট পরিবারের তো এখন হাসিখুশি থাকা উচিত। মাত্র। কয়েকমাস হল তারা বাগুইআটির ভাড়া বাসা ছেড়ে দিয়ে সন্তোষপুরের এই নতুন ফ্ল্যাটে এসে উঠে। নিজেদের নতুন ফ্ল্যাটের তো মজাই আলাদা। কলকাতা যত হাত পা ছড়াচ্ছে জমি তত হাত পা গুটোচ্ছে। বাড়ির জন্য একা জমি পাওয়া অসম্ভব। পথ একটাই। সরকার নিয়ম করে দিয়েছে, আগে অনেকে মিলে কোঅপারেটিভ তৈরি। করো। সরকারকে বিস্তর ধরাধরি করো, তারপর এক টুকরো ঠাঁই মিললেও মিলতে পারে।

    চন্দনদের অবশ্য বিস্তর ধরাধরি করতে হয়নি। অ্যাকাউন্টসের ভুবদুলাল হালদারকে বলা হল। ভবদুলালের ভায়রাভাইয়ের মামা ক্ষুদ্র ও মাঝারি স্বাস্থমন্ত্রী। মানুষটা ভাল। একটু যা জ্ঞানগর্ভ কথা বলেন। সে তো বলবেনই। মন্ত্রী জ্ঞানগর্ভ কথা বলবে না তো কে বলবে? জমি চাই শুনে তিনি বললেন, ‘বাঙালি একসঙ্গে থাকার কনসেপ্টটাই ভুলে গেছে। আমরা সেটাই সরকার থেকে ফিরিয়ে দিতে চাই। মনে। রাখবে ভবদুলাল, দশে মিলে করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ। তোমরা অফিসের সহকর্মীরা মিলে কোঅপারেটিভ করে একসঙ্গে থাকার পরিকল্পনা করেছ, কর্মক্ষেত্রের বাইরেও হাত হাতে, পায়ে পা, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে চাইছ— এ তো খুশির খবর, এ তো আনন্দের কথা। যাও হে, চিন্তা কোরো না, তোমাদের ইচ্ছা পূরণ হবে। তোমরা জমি পাবে। কদম কদম বাড়ায়ে যা।’

    বেশি কদম বাড়াতে হল না। অল্প আঁটাহাঁটি করে কাজ হল। কোঅপারেটিভের নাম হল, একসাথে। সস্তায় জমি পাওয়া গেল সন্তোষপুরে। অফিসের লোন নিয়ে ফ্ল্যাট হল। ফ্ল্যাটের নাম— একসাথে আবাসন।

    ফ্ল্যাটে ঢোকার সময় এলাহি কাণ্ড। ছাদে প্যান্ডেল বেঁধে ফ্ল্যাটপ্রবেশের খাওয়াদাওয়া হল। কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অনুষ্ঠানে আসবেন বললেও শেষ মুহূর্তে আসতে পারেননি। তবে বার্তা পাঠালেন— আমি গর্বিত। আমি মুগ্ধ। আমি অভিভূত। খুবই গা ছমছমে বার্তা।

    সেই ফ্লাটে ঢোকার বেশিদিন হয়নি। তবু কেন আজ চন্দনের মুখ ব্যাজার? যূথিকা রেগে আছে বলে?

    ছেলেকে বাসে তুলে দিয়ে চন্দন যখন ফিরল তখন তাকে ক্লান্ত দেখাচ্ছে। সে সোজা শোবার ঘরে ঢুকল। এখনও ঘর পুরোপুরি সাজানো হয়নি। জিনিসপত্র। এলোমেলোভাবে পড়ে আছে। যূথিকা চা নিয়ে এসে পাশে বসল। মুখই বোঝা যাচ্ছে, তার মেজাজ খুব খারাপ। ঘরের এক কোণে ডাঁই করে পড়ে থাকা জিনিসগুলো দেখে তার ভুরু আরও কুঁচকে গেল। খুব বিরক্তির সঙ্গে সে বলল, ‘এগুলো দেখলেই আমার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। আমি এসব গোছগাছ করতে পারব না।’

    চন্দন হাই তুলে বলল, ‘তুমি পারবে না তো কে পারবে? তোমার ফ্ল্যাটের জিনিস। তুমি গোছাবে না তো কে গোছাবে?’

    যূথিকা আড়মোড়া ভেঙে বলল, কেন তুমি? তুমি অফিস ছুটি নাও। জিনিস তো আমার একার নয়, তোমারও।’

    চদন বলল, ‘আমি কিছুই করব না। আমি ঘুমোব। কাল রাতে গরমে একটু ঘুমোতে পারিনি।’

    যূথিকা বলল, ‘পারবে কী করে? পশিচমমুখো ফ্ল্যাটে ছিটেফোঁটাও হাওয়া ঢোকে না। ফ্ল্যাট ফ্ল্যাট করে তো মরেছিল। এবার গরমে রাত জেগে ফ্ল্যাটের শোভা। দ্যাখো।’

    চন্দন এবার উঠে বসল। গম্ভীরমুখে বলল, ‘গরমের শুরুতেই এই অবস্থা, আসল গরম পড়লে কী হবে তাই ভাবছি। শুধু রাত কে? দিনেরবেলাতে চাঁদি ফেটে যাবে। চারতলায় ছাদের তলায় ঘর। রোদটা পুরো পড়ছে। আজই প্রভাসকে কথাটা বলব ঠিক করেছি। প্রভাস কোঅপারেটিভের সেক্রেটারি। এমনি এমনি তো আর সেক্রেটারি হয়নি।’

    যূথিকা চায়ে চুমুক দিয়ে বলল, ‘কী বলবে? রোদটা একটু সরিয়ে নিন? প্লিজ, আপনি কোঅপারেটিভের সেক্রেটারি, আপনি বললেই রোদ সরে যাবে।’

    এই বিদ্রূপে আরও রেগে গেল চন্দন। উঠে দাঁড়িয়ে বলল, “দেখতেই পাবে কী বলি। তুমি বাজারের থলি দাও।’

    যূথিকা রান্নাঘরের দিকে যেতে যেতে বলল, ‘বুঝতেই পারছ সবাই মিলে তোমাকে বেছে বেছে চারতলাটা দিয়েছে। অফিস অফিস করে জীবনটা হেদিয়ে মরলে, এখন বোঝো অফিস কী জিনিস।’

    চন্দন গজগজ করতে করতে নেমে এল। ফ্ল্যাটের সামনে কেয়ারটেকারকে দিয়ে অমূল্য সেন তার মারুতি গাড়িটা যত্ন করে ধোয়াচ্ছে। অমূল্যর গাড়ি ধোওয়ানো দেখে চন্দনের মেজাজ গেল আরও বিগড়ে। অমূল্য তার সঙ্গেই অফিসে ঢুকেছিল। পদমর্যাদাতেও সে কাছাকাছি। ব্যাটা গাড়ি কিনল কী করে? সে কাছে গিয়ে বলল, ‘এটা কী অমূল্য? যে যার মতো পজিশন বুঝে নিলে। আমাকে দিলে চারতলার পশ্চিমমুখো ঘর? এটা কি ঠিক হল?’

    অমূল্য চন্দনের দিকে না তাকিয়ে কেয়ারটেকারকে বলল, ‘রতন, সিটগুলো একটু ভাল করে ঝেড়ে দে বাবা। এ তো আর হারেমের পয়সার গাড়ি নয়, রক্ত জল করে কেনা। সাবধানে কাজ কর! হ্যাঁ, চন্দন কী বলছিলে।

    চন্দন বলল, ‘কী আর বলব, বলছিলাম, আমায় চারতলায় দিলে কেন?’

    ‘আমরা তো দিইনি। লটারি দিয়েছে। তুমি বোধহয় ভুলে গেছ, লটারি করে ফ্ল্যাটের পজিশন ঠিক হয়েছে। আর এতদিন পরে বলছ কেন?’

    ‘এতদিন গরম পড়েনি তাই বুঝতে পারিনি। তা ছাড়া তুমি এমন একটা ভান করছ যেন লটারিতে দুর্নীতি হয় না?’

    ‘এসব কথা তুমি সেক্রেটারিকে বলো। অ্যাই রতন, কী হচ্ছেটা কী? জানলার কাচগুলো কে মুছবে? সব ব্যাপারে ফাঁকি।’

    ‘ঠিক আছে, তাই বলব। সেক্রেটারিকেই বলব।’

    গটগট করে বাজারের দিকে হাঁটা দিল চন্দন।

    বাজারে গিয়েও মনটা খারাপ হয়ে গেল চন্দনের। বিঘত সাইজের ট্যাংরা মাছ এসেছে। দাম ভয়ংকর। ফ্ল্যাটের লোন মেটাতেই জেরবার অবস্থা। এই সময় বিঘত সাইজের ট্যাংরা কেনা চলে না, কড়ে আঙুলের মতো পুঁটি হলে সবথেকে ভাল হয়। ট্যাংরা থেকে সরে গেল চন্দন। আড়চোখে দেখল, পল্লব ট্যাংরা মাছ বাছছে। পল্লব গাঙ্গুলি। তিনতলায় অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে বসে। ‘একসাথে’ বাড়িরই বাসিন্দা। পল্লব ট্যাংরার পেট টিপে ডিম দেখছে দেখে চন্দনের মেজাজ আরও খারাপ হয়ে গেল। দু’তরফের খারাপ। এক, ট্যাংরা মাছ কিনছে বলে হিংসের খারাপ, আর দু’নম্বর খারাপ হল, এই পল্লবের কপালেই লটারিতে দোতলায় পুব খোলা ফ্ল্যাট জুটেছে।

    বাজারের বাইরে চায়ের দোকানে পল্লব-চন্দন দু’জনে বসে চা খাচ্ছে। পায়ের কাছে বাজারের থলি। চন্দন ভাঁড়ে চুমুক দিয়ে বলল, “অমূল্যর গাড়িটার দাম কিছু জানো নাকি পল্লব?’

    পল্লব বলল, ‘সেকেন্ড হ্যান্ড শুনলাম।’

    চন্দন বলল, ‘সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি বুঝি আজকাল বিনিপয়সায় পাওয়া যাচ্ছে? একসঙ্গে গাড়ি-ফ্ল্যাট তো, তাই চোখে লাগল। অবশ্য লোন ডিপার্টমেন্টে কাজ করলে কত কিছুই হয়।’

    পল্লব জিভ কেটে বলল, ‘না না, অমূল্যদা সেরকম নন।’

    চন্দন বলল, ‘না হলেই ভালো, তবে গরমে ট্যাংরা মাছ শরীরের পক্ষে মোটেই ভাল না পল্লব। মাছের যত অসুখবিসুখ তো গরমেই। সাবধান থাকাই ভাল।’ কথাটা কেটে কেটে বলল চন্দন যাতে পল্লবের বুঝতে অসুবিধে না হয়।

    পল্লব হেসে বলল, ‘চিন্তা করবেন না, বড় মাছ আমাদের অভ্যেস আছে।’

    বিদ্রূপ হজম করে তেতো মনে বাড়ি ফিরল চন্দন।

    অফিস বেরোনোর আগে বড় রকম দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেল।

    গত সপ্তাহে দক্ষিণ কলকাতার নামডাকওলা বড় স্কুলে ভরতির ইন্টারভিউ দিয়েছিল বিল্টু। বিল্টুর সঙ্গে ইন্টারভিউ দিয়েছে একতলার প্রতুলের মেয়ে। চন্দন প্রতুল বোসের থেকে তিন ধাপ উঁচু পদে কাজ করে। সেদিক দিয়ে তাকে প্রতুলের ‘বস’ বলাই উচিত। সকালে রেজাল্ট বেরিয়েছে। যূথিকা গিয়েছিল। ফিরে এল থমথমে মুখে। বিল্টর হয়নি এবং প্রতুলের মেয়ের নাম রয়েছে।

    চন্দন খেতে বসে খবরটা শুনল। বলল, ‘সেকী, এত করেও হল না! নিউমার্কেট থেকে হাউজকোট কিনলে যে!’

    ‘নিজের বউকে নিয়ে রসিকতা করতে ভাল লাগলে করো। তবে মনে রেখো অফিসে গিয়ে তোমাকে নিয়েও ঠাট্টা শুনতে হবে। অজন্তাও গিয়েছিল। আমার শুকনো মুখ দেখে ন্যাকা ন্যাকা গলায় বলল, ‘চিন্তা কোরো না ভাই, পরেরবার নিশ্চয় হবে।’

    অ্যাকাউন্টসের প্রতুল অফিসে গিয়ে কী বলবে কে জানে। আজ আর তিনতলায় যাওয়া নেই। ভাত নাড়াচাড়া করে উঠে পড়ল চন্দন। বিল্টু পায়নি ঠিক আছে। মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু প্রতুলের মেয়ের পাওয়াটা কিছুতেই সহ্য হচ্ছে না। এরপর ভাত গলা দিয়ে নামার কথা নয়।

    অফিসে গিয়ে চন্দন খবর পেল বিভূতির প্রোমোশন ফাইল রেডি। শুধু ম্যানেজিং ডিরেক্টরের সই বাকি। বিভূতি বিশ্বাস একসাথে আবাসনের তিনতলার বাসিন্দা। কাজটাজ ফেলে এম. ডি-র প্রাইভেট সেক্রেটারির ঘরে ছুটল চন্দন। প্রোমোশন ঠেকাতে হবে। ফাইল যেন না যায়। বিভূতির প্রোমোশন মানে কেলেঙ্কারি। বাড়িতে মুখ দেখানো যাবে না।

    এম. ডি-র প্রাইভেট সেক্রেটারি চন্দনের কথা শুনে অবাক! বলল, ‘সেকী!’ আপনারা একসঙ্গে বাড়িটাড়ি বানালেন যে! এর মধ্যে আবার কী হল? ফাইলটা তো আর আটকানো যাবে না। সব রেডি। তা ছাড়া বিভূতিবাবুর প্রোমোশন হলে আপনার ক্ষতি কী? আপনি পরের বছর পাবেন। ডিভিশনও তো আলাদা।’

    চন্দন গম্ভীর মুখে বলে ‘ক্ষতি আছে। বুঝবেন না।’ মেজাজ অসম্ভব খারাপ নিয়েই নিজের টেবিলে ফিরে এল চন্দন। তার কাজ করতে ইচ্ছে করছে না। পরের পর গোলমাল। গরম ফ্ল্যাট, অমূল্যর গাড়ি, পল্লবের ট্যাংরা মাছ, প্রতুলের মেয়ের ভরতি, বিভূতির প্রোমোশন—।

    এমন সময় এল সমর। সমর ছোট শালার বন্ধু! সে পারচেজে মাল সাপ্লাই করতে চায়। বড় কিছু নয়, ছোটখাটো অফিস গুডস। প্যাড খাম আলপিনের মতো এটা সেটা। ছেলেটাকে নিয়ে পরশু ফ্ল্যাটে এসেছিল শালা। যূথিকা বলেছে, ‘দ্যাখো না, যদি পারো। শ্বশুরবাড়ির জন্য তো কিছুই করতে হয় না।’

    সেটাই এখন দেবে চন্দন।

    পারচেজ ম্যানেজার গোকুলবাবু বয়স্ক মানুষ। সব শুনে বললেন, ‘সরি চন্দনবাবু। আপনার শালাকে সাহায্য করতে পারলাম না।’

    ‘শালা নয়, শালার বন্ধু? আর পারবেন না কেন?’

    ‘এখনও এক শালাই সাপ্লায়ার। আপনার ডিপার্টমেন্টের অশোক পালের শালা। তাকে বাদ দেব কী করে? আপনি বরং অশোক পালের সঙ্গে কথা বলে নেবেন। আপনারা এক বাড়িতেই তো থাকেন। শুনেছি আপনার উলটোদিকের ফ্ল্যাটটাই ওঁর। সকাল বিকেল দ্যাখা হচ্ছে। বলে দেখুন, উনি যদি কিছুটা ছাড়েন। আমার আর আপত্তি কীসের? এক শালার ভাগ নেবে আর এক শালা।’

    চন্দনের মেজাজ এক চরমে উঠল। নিজের টেবিলে ফিরে অশোকের দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে বসল সে। সমরাকে বলল, ‘আজ যাও পরে দেখব।’

    পিয়োন নিয়ে এল রসগোল্লার হাঁড়ি। প্রতুলের মেয়ের স্কুলে ভরতির মিষ্টি। চন্দন প্রত্যাখ্যান করল। তার নাকি সম্প্রতি ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে। প্রতুল সবার সামনেই খোঁচাটা দিল। বলল, ‘ডায়াবেটিস থাকলে খেয়ো না, পরের বছর কিন্তু ডায়াবেটিস থাকলেও আমরা খাব চন্দন। তোমার ছেলে ভরতি হবে কিনা।’ চন্দন পাশে বসে থাকা লোকনাথাকে গলা নামিয়ে বলল, ‘স্ত্রী সুন্দরী হলে অনেক সুবিধে মশাই। মেয়ে স্কুলেও ভরতি হয়ে যায়।’

    লোকনাথ বোকাসোকা মানুষ। চোখ বড় করে বলল, ‘তাই নাকি!’

    বাড়ি ফেরার সময় চন্দনকে দেখে অফিসের গেটে গাড়ি থামাল অমূল্য।

    ‘উঠে পড়ুন।’

    চন্দন উঠল না। বলল, ‘শালার বাড়িতে ঘুরে যাব।’ অমূল্যর গাড়ি বেরিয়ে যেতেই সোজা বাস স্ট্যান্ড। মিনিবাস ধরে বাড়ি ফিরল। বাড়িতে যূথিকা নেই। বিল্টুকে নিয়ে বিভূতিলের ফ্ল্যাটে নাচ গানের রিহার্সাল দিতে গেছে। চন্দন মনে মনে চটল। ছেলে ভরতি হতে পারেনি, তবু যে কীসের এত ফুর্তি কে জানে।

    আটটা নাগাদ যূথিকা ফিরল হাসিমুখে। চন্দনকে বলল, ‘রাগ করতে পারবে না কিন্তু। চা খেয়েছ ? ফ্লাস্ক ভরতি করে রেখে গিয়েছিলাম। অ্যাই জানো, তপতীর চালাটা না ভারী মিষ্টি। ও পাঁচটা সোলো করছে। প্রথম বছরই একসাথে আবাসনের রবীন্দ্রজয়ন্তী আমরা জমিয়ে দেব।’

    ‘আর তুমি ক’টা গান করছ?’

    ‘আমি দুটো। তার মধ্যে একটা সোলো, একটা সবার সঙ্গে। অ্যাই শুনবে?’

    চন্দন চেঁচিয়ে বলে, ‘একদম এসব করবে না। লজ্জা করছে না, তপতী পাঁচটা আর তুমি একটা— বলতে লজ্জা করল না? তপতী কীসের গায়িকা হে?”

    রাতে মনোজদের তিনতলার ফ্লাটে নেমন্তন্ন। মনোজ-কৃষ্ণার বিবাহবার্ষিকী। চন্দন যূথিকাকে নিয়ে একটু আগেই পৌঁছে গেল। দারুণ সাজানো ফ্ল্যাট। দেখে চন্দনের মুখ গম্ভীর হল। কৃষ্ণার হাত ধরে ঘুরে ঘুরে যুথিকা যত ঘরদোর দেখছে, চন্দনের মুখ তত গম্ভীর হচ্ছে। শেষপর্যন্ত না পেরে স্ত্রীকে ফিসফিস করে বলে বসল, ‘কী হ্যাংলামো করছ? চুপ করে বসো তো?’

    ‘হ্যাংলামো কেন? কী সুন্দর সাজিয়েছে, দেখব না চোখ বুজে থাকব? তোমার হিংসে হলে দেখো না।’

    ‘মনোজের মতো শ্বশুরের পয়সায় ফ্ল্যাট বানালে আমিও সাজাতে পারতাম।’

    যূথিকা গলা নামিয়ে হিসহিসিয়ে বলল, ‘পয়সাওলা শশুর দেখে বিয়ে করলেই পারতে। ফ্ল্যাট সাজিয়ে দিত।’

    ছেলেরা একঘরে, মেয়েরা আলাদা। ছোটরা ছোটাছুটি করে খেলছে। গৃহকর্তা আহারের আগে সামান্য ‘পান’-এর ব্যবস্থা রেখেছে। খাব না খাব না করেও চন্দন একটু বেশিই খেল। তিন পেগ। বেশিরভাগ সময়ই অফিস নিয়ে আলোচনা। এমন সময় আধো নেশায় চন্দন দেখল, যূথিকা হ্যান্ডসাম বিভূতির সঙ্গে একটু যেন বেশি কথা বলছে! কাছে ঘেঁষে ঘেঁষে যাচ্ছে না? সত্যি না চোখের ভুল? না, চোখের ভুল হওয়ার মতো বেশি তো সে খায়নি। মোটে চার। ঠিক আছে গেলে যাক। যার যেখানে ভাল লাগে যাবে। তার কী? সে বলার কে? না, বিভূতি হারামজাদাটাকে কোঅপারেটিভে নেওয়াটাই ঠিক হয়নি মনে হচ্ছে? হ্যান্ডসাম লোকগুলো চরিত্রহীন হয়।

    নেশার ঘোরে চন্দন নিজেকে বিভূতির জায়গায় দেখতে পায়।

    ইতিমধ্যে চন্দনের সঙ্গে ফ্ল্যাটের পজিশন নিয়ে প্রভাসের অল্প কথা কাটাকাটি হয়ে গেছে। প্রভাস বলল, ‘এটা আপনি কী বলছেন চন্দনদা! কে কোনদিকে ফ্ল্যাট পাবে তা নিয়ে সেক্রেটারির কী করার আছে?’ চন্দন গলা চড়িয়ে বলল, ‘আলবাত আছে। কোঅপারেটিভ সেক্রেটারির অনেক পাওয়ার। ফ্ল্যাটের রোদ বৃষ্টি সবকিছুই সে কন্ট্রোল করতে পারে। তুমি আইনটা ভাল করে পড়েনি।’ প্রভাস বলল, ‘আপনি এখন প্রপার সেলে নেই চন্দনদা। আজ থাক, কাল বরং এ বিষয়ে কথা বলা যাবে। সেরকম হলে রবিবার মিটিং ডাকা যেতে পারে।’ পাশে বসে অজয় মৌলিক দু’জনের ঝগড়া শুনছিল। সে বলল, ‘চন্দনদা, আপনি চাইলে ফ্ল্যাটটা আপনার সঙ্গে বদল, করতে পারি। আসলে বাবার মনটা খুব খারাপ হয়ে গেছে। উনি বাস্তুতত্বে ভয়ানক বিশ্বাসী। বোঝেনই তো, সেকেলে মানুষ। উনি দক্ষিণের বদলে পশ্চিমদিকে ফেভার করছেন।’

    চন্দন গম্ভীর হয়ে বলল, ‘কেন দক্ষিণ খারাপ কীসের?’ অজয় লজ্জা লজ্জা মুখ করে বলল, ‘দুর, আমি এসব মানি না। বাবা বলছিলেন, বাসস্থান পশ্চিমমুখো হলে নাকি কর্মক্ষেত্রে উন্নতি অবধারিত। জানেনই তো অফিসে আমি একদম কোণঠাসা হয়ে আছি, সবাই টপাটপ টপকে যাচ্ছে। দেখা যাক বাবার বাস্তুতত্বে যদি কিছু হয়!’ একটু থেমে অজয় বলল, ‘চন্দনদা, আমি কি বাবার সঙ্গে কথা বলব?’

    চন্দন গ্লাসে একটা লম্বা চুমুক দিয়ে বলল, ‘ঠিক আছে, ভেবে বলব। একী অজয়! তোমার গ্লাস তো ফাঁকা, নাও আর একটা পেগ নাও।’

    রাতে বিছানায় আধশোয়া হয়ে সিগারেট খাচ্ছে চন্দন। সে ক্লান্ত, খানিকটা যেন বিধ্বস্ত। যূথিকা ড্রেসিংটেবিলের সামনে টুলে বসে চুল আঁচড়াচ্ছে। বিল্টু বিছানার এককোণে ঘুমিয়ে কাদা। যূথিকা বলল, ‘অজয়বাবুদের সঙ্গে তা হলে ফ্ল্যাট বদলাবে?’

    ‘না।’

    ‘না! কেন? এই তো সকালে লাফাচ্ছিলে? এখন না বলছ কেন?’

    ‘পশ্চিম দিকটা নাকি ভাল। ভাল দিকটা অজয় শালাকে দেব কেন? আমি অন্য কথা ভাবছি।’

    ‘কী কথা?’

    ‘ফ্ল্যাটটা বেচে বাগুইহাটি ফিরে যাব।’

    ‘গরমের জন্য ফ্ল্যাটটা বেচে দেবে!’

    ‘না, শুধু গরমের জন্য নয়, অন্য কারণ আছে।’

    ‘অন্য কারণ! কী কারণ?’

    ‘এদের সঙ্গে থাকাটাই অসম্ভব। রোজ মুখ দেখা ইমপসিবল।’

    যূথিকা ঘাড় ঘুরিয়ে স্বামীর দিকে তাকিয়ে হাসল। উঠে পড়ল। জানলার কাছে গিয়ে পাল্লা খুলে দিল। রাতের আকাশে বিরাট চাঁদ। এক ঝলক রুপোলি আলো ঘরে ঢুকল। পৃর্ণিমার বুঝি দেরি নেই।

    যূথিকা নিজের মনেই বলল, ‘অপূর্ব।’

    চন্দন উঠে বসল। যূথিকা তা হলে রাজি। সে বলল, ‘তুমি তা হলে রাজি তো? ফ্ল্যাটটা বেচে দেব?’

    যূথিকা মাথা না ঘুরিয়ে বলল, ‘এসো, এসে একবার দ্যাখে কেমন চমৎকার চাঁদ উঠেছে।’

    চন্দন বিরক্ত হয়ে বলল, ‘এ আর এমন কী? চাঁদ তো রোজই ওঠে।’

    যূথিকা কাছে ঘেঁষে চন্দনের হাত ধরল। গাঢ় স্বরে বলল, ‘অ্যাই, চলো না ছাদে যাই। যারে গো?’

    ‘ছাদে! তুমি কি পাগল হলে? এত রাতে ছাদে!’

    ‘প্লিজ চলো। একটু চাঁদের আলোয় থেকেই দেখে চলে আসব। এটাই দারুণ সময়, কেউ কোথায় নেই। চুপি চুপি চালো। প্লিজ।’

    অনিচ্ছা নিয়েই চন্দন উঠে দাঁড়ায়। পাঞ্জাবি গলাতে গলাতে ভাবে, ফ্ল্যাট বিক্রি করতে হলে যূথিকার কিছু আবদার শুনতে হবে। ইচ্ছে না থাকলেও।

    ছাদে গিয়ে দু’জনেই অবাক।

    বাপ রে, কে নেই? অমুল্য, প্রতুল, প্রভাস, অজয়, দিব্যেন্দু সকলেই! ওদের বউরাও এসেছে। দিব্যেন্দু বিয়ে করেনি, ফলে ও বউ আনতে পারেনি, সে এনেছে একটা মাধুর। কেউ কেউ তাতে বসেও আছে যে! |

    প্রভাস হেসে বলল, ‘আসুন আসুন বউদি, এসো চন্দনদা। আজ রাত জেগে চাঁদ দেখা হবে।’

    যূথিকা অভিমানহত গলায় বলল, ‘বাঃ, আপনারা নিজেরা চলে এলেন, আমাদের একবার ডাকলেন না।’

    অজয় গম্ভীরভাবে বলল, ‘আসলে আজ একটা পরীক্ষা হচ্ছে। পরীক্ষার নাম চাঁদ পরীক্ষা। চাঁদ দেখতে কে কে বিছানা ছেড়ে ছাদে উঠে আসে সেটাই আজ দেখা হচ্ছে। যাক বাবা, একসাথে আবাসনের সকলেই এই পরীক্ষায় পাশ করে গেছে। বোঝা যাচ্ছে, সত্যি সত্যি আমরা একসাথে থাকতে পারব। বড় দুশ্চিন্তায় ছিলাম।’

    অজন্তা ছাদের এক কোণে দেয়ালে কনুই রেখে দাঁড়িয়ে ছিল। বলল, ‘প্লিজ, আপনারা সবাই একটু চুপ করবেন? এত কথা বললে জ্যোৎস্না এনজয় করা যায় না।’

    সবাই চুপ করল, শুধু তপতী ছড়া।

    তপতী খুব নিচু গলায় গান ধরেছে…শুক্ল রাতে চাঁদের তরণী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }