Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীল আলোর ফুল – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প591 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মণি

    মণি আসছে।

    ঠিক সাত বছর তিন মাস পর মণি তার ছেলে কাজলকে নিয়ে বিদেশ থেকে আজ আসছে। স্বামীর ব্যাবসা, ছেলের স্কুল, নিজের গবেষণার মতো নানা ধরনের ব্যস্ততায় সে অনেকদিন দেশে ঘুরে যাওয়ার সময় পায়নি। এতদিন পর পেল। অর্জুন অবশ্য এখনই আসতে পারছে না। তবে সেও আসবে! একমাস পর এসে সে ক’দিন থাকবে, তারপর স্ত্রী এবং ছেলেকে নিয়ে ফিরে যাবে। পাঁচ বছরের কাজল এই প্রথম তার মামার বাড়ি দেখতে পাবে।

    স্বাভাবিকভাবেই আজ একটা আনন্দের দিন। ছোটখাটো আনন্দ নয়, বড় আনন্দ।

    বড় আনন্দের সময় যে-কোনও বাড়িতেই হইচই হয়। পাশে বসে থাকলেও একে অন্যের সঙ্গে কথা বলে গলা তুলে। চিৎকার করে ডাকাডাকি হয়। ছোটরা দুড়দাড় করে সিঁড়ি দিয়ে একবার ওঠে, একবার নামে। তাদের মায়েরা গলা ফাটিয়ে ছেলেমেয়েদের বকতে থাকে। অবধারিতভাবে এইসময় কোনও একজন পা পিছলে পড়ে যায় এবং ব্যথা না লাগলেও কাঁদতে শুরু করে ভয়াবহ জোরে। আশপাশের বাড়ি থেকে সেই কান্না শোনা যায়। শুধু কান্না নয়, এ ধরনের আনন্দের সময় হাসাহাসিও হয় পাড়া-প্রতিবেশীকে জানিয়ে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেইসব হাসির কোনও কারণ থাকে না। তবু সবাই হাসে। যে-কোনও আনন্দঘন মুহূর্তে মানুষ কারণের থেকে অকারণে হাসতে বেশি ভালবাসে। হইচই যখন বেশ কান চালাপালার পর্যায়ে পৌঁছে যায়, বাড়ির অল্পবয়সিরা তখন প্রবল উৎসাহ অনুভব করে এবং বেদম জোরে ক্যাসেট বা সিড়ি চালিয়ে দেয়। হট্টগোলের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে তারস্বরে সেই গানবাজনা চলতে থাকে। কেউ কেউ সেই আওয়াজ কমানোর জন্য অনুরোধ করে বটে কিন্তু গানের দাপটে সেই অনুরোধ খুব সহজেই চাপা পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পরেই দেখা যায়, যে ভুরু কুঁচকে আপত্তি তুলেছিল, সে মহানন্দে বাজনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে মাথা নাড়ছে।

    এ-বাড়িতে আজ কিন্তু উলটো ঘটনা ঘটছে।

    আত্মীয়স্বজনে বাড়ি ভরতি। কিন্তু কোনও হইহট্টগোল নেই। বড়রা গলা নামিয়ে কথা বলছে। ছোটরা পা টিপে হাঁটছে। খুব জোর হাসি পেলে মেয়েরা মুখে হাত চাপা দিচ্ছে। হাত চাপা দিয়ে হাসতে গিয়ে দু’-একজন বিষম খেয়েছে। কিন্তু কিছু করার নেই।

    সকালে চায়ের টেবিলে রমাকান্তবাবু ঘোষণা করেছেন, ‘আনন্দ হোক, উৎসব হোক, খুব ভাল কথা। কিন্তু হইচই চিৎকার চেঁচামেচি করা চলবে না।’ রমাকান্ত চৌধুরি মণির বাবা। আটষট্টি বছর বয়স। শক্ত সবল প্রধানত রাগী এই মানুষটি এ-বাড়ির কর্তা। হেড অব দ্য ফ্যামিলি। ফলে তাঁর কথা না মেনে কোনও উপায় নেই।

    মণির দূর সম্পর্কের দাদা কল্যাণ কাল রাতেই বউ সুতপা মেয়ে চন্দনাকে নিয়ে আসানসোল থেকে চলে এসেছে। খুবই ফুর্তিবাজ মানুষ। কমপক্ষে এক হাজার জোকস্ সবসময় তার স্টকে থাকে। মণির বড় ভাই বাবলু, বাবলুর স্ত্রী কাকলি এবং বড়দি কণি কল্যাণকে খবর পাঠিয়ে প্রায় জোর করে নিয়ে এসেছে। তাদের মনে হয়েছে, মণির আসা উপলক্ষে বাড়িতে এরকম একটা মানুষের খুব দরকার। এই মানুষ হাসাহাসিতে নতুন একটা মাত্রা যোগ করতে পারবে। কাল রাতে পৌঁছেই কল্যাণ কাজ শুরু করে দিয়েছে। মোট দেড়শো মতো জোকস্‌ ইতিমধ্যে সে বলে ফেলেছে। গভীর রাত পর্যন্ত সেই জোকস্ কাণ্ড চলে। সুতপা বুদ্ধির রসিকতাগুলো তেমন ধরতে না পারলেও মোটা দাগেরগুলোতে খুবই হাসে। আজ সকালেও চায়ের টেবিলে ডিম নিয়ে সে একটা জোকস্ শুরু করেছিল। জোকসের বিষয়, বিদেশি ডিম এবং দেশি ওমলেট। মাঝপথেই রমাকান্তবাবু তাকে থামিয়ে দেন এবং গম্ভীর গলায় বললেন, ‘ভেবেছিলাম তোমাদের নতুন করে মনে করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। ভুল ভেবেছিলাম। এখন দেখছি খুবই দরকার আছে। তোমরা দেখছি ভুলে গেছ যে, ছোটবেলা থেকেই মণি একটু বেশিরকমের শান্তশিষ্ট। আমার মতোই সে চেঁচামেচি বা হট্টগোল পছন্দ করে না। এমনকী সে কখনও জোরে কথাও বলেনি। আশা করি তার ছেলেও সেরকম হয়েছে। সুতরাং তোমরা এমন কিছু করবে না যাতে তারা বিরক্ত হয় অথবা তাদের অসুবিধে হয়।’ কল্যাণ বলল, ‘মামা, এটা আপনি কী বলছেন? মণি যে আগের মতোই আছে সে সম্পর্কে কি আপনি নিশ্চিত? আপনি বোধহয় জানেন না যে, দীর্ঘদিন বাইরে থাকলে মানুষ পালটে যায়। অন্যরকম জলহাওয়া, অন্যরকম ফুড-হ্যাভিটির জন্যই এরকম হয়। আমার এক বুদ্ধিমান কাকা তেইশ বছর জাপানে থাকার পর ভীষণ বোকা হয়ে ফিরেছিলেন। হয়তো দেখবেন মণিও আর শান্ত নেই। খুব দুরন্ত হয়ে গেছে। বলা যায় না, বিল্টু মিন্টু তিতলির সঙ্গে বেডরুমেই হয়তো ব্যাডমিন্টন খেলতে শুরু করে দেবে।’ হাসি চেপে মণির পিসিমা বললেন, ‘তুমি ঠিকই বলেছ কল্যাণ। খাবারদাবারের জন্য এরকম হতে পারে। শুনেছি, জাপানিরা আরশোলা খায়। হয়তো তোমার কাকাও খেয়েছিলেন। তাই এরকম হয়েছিল। তবে আমাদের মণি তো আর আরশোলা খায় না। তার স্বভাব কেন পালটাবে?’ পিসিমার কথায় মণির ছোটমাসি কোনওরকমে হাসি সামলে বললেন, ‘পালটে না যাক, উলটোও তো হতে পারে। দেখবে মণি হয়তো আরও শান্ত হয়ে গেছে। সকাল বিকেল নিয়ম করে ধ্যান করছে।’ তিতলি খিকখিক করে হেসে বলল, ‘ওমা ধ্যান করবে কেন? মণিদিদি কি সন্ন্যাসী হয়ে গেছে নাকি? ছবিতে যে দেখলাম প্যান্ট শার্ট পরে গাড়ি চালাচ্ছে! সন্ন্যাসীরা পান্ট শার্ট পরে গাড়ি চালায় নাকি মা?’ মিন্টুর বাবা পরিতোষ সম্পর্কে এবাড়ির জামাই হয়। কিছু জামাইয়ের স্বভাব হল ট্যাঁক ট্যাঁক ধরনের কথা বলা। পরিতোষও সে রকম একজন জামাই। সে বাটার টোস্টে কামড় দিয়ে রমাকান্তবাবুকে বলল, ‘সে আপনি যাই বলুন মেসোমশাই, মেয়ে আসছে, নাতি আসছে, আপনার খানিক হইচই করা উচিত। কান্না যেমন চেপে থাকতে নেই, তেমনই আনন্দও শরীরের ভেতর থেকে বের করে দিতে হয়। নইলে বদ হজম হয়ে যায়। কী বলো কল্যাণ, কথাটা ঠিক কিনা?’ কল্যাণ কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল। তার আগেই রমাকান্তবাবু টেবিল ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন। গলা আরও গম্ভীর করে বললেন, ‘এটা কোনও বিতর্কের আসর নয়। মানুষ শান্তির জন্য ঘরে আসে। মণিও নিশ্চয় সে কারণে আসছে। আমি চাই তোমরা সেটা মনে রাখবে। এটাকে আমার নির্দেশ বলেই ধরতে পারো।’

    ফলে যেটা এখন চলছে সেটা হল চাপা আনন্দ। চাপা আনন্দের মজা হল, এই সময় যে-কারও চোখ খুব উজ্জ্বল হয়ে যায়। এ-বাড়িতে এখন সেটাই হয়েছে। সকলে উজ্জ্বল চোখ নিয়ে চলাফেরা করছে। রমাকান্তবাবুর চোখদুটো সবথেকে বেশি। উজ্জ্বল।

    প্রথমে ঠিক হয়েছিল মণি আর কাজল থাকবে দোতলায়। সেইমতো দোতলার পুবের ঘর রং করা হল। নীল রঙের সঙ্গে মিলিয়ে কণি নীল পরদা কিনে আনল। কাকলি অনেক খুঁজে নিয়ে এল নীল রঙের ফুলদানি। তিতলি তার স্কুলের বন্ধুদের কাছ থেকে নীল ফুলের নাম জেনে একটা তালিকা বানিয়ে ফেলল। সে ঠিক করেছে পিসি এলে নীল রঙের ফুলদানিতে নীল ফুল সাজাবে।

    বাবলুও একটা কাণ্ড করে বসল। একদিন সন্ধেবেলা একটা এসি মেশিন ভাড়া করে এনে হাজির। সঙ্গে জনা তিন মুশকো ধরনের মিস্ত্রি। রমাকান্তবাবু বললেন, ‘এসব কী করেছিস! তোর বোন তো এখানে এসিতে থাকত না।’ বাবলু লজ্জা পেয়ে বলল, ‘না না, এটা মণির জন্য নয়। কাজলের গরম লাগতে পারে। সে তো কখনও এসি ছাড়া থাকে না। ওদের বাড়ি গাড়ি সবই তো হয় ঠান্ডা, নয় গরম৷ থাক, ওরা চলে গেলে খুলে ফেললেই হবে।’ সন্ধেবেলাতেই মিস্ত্রিরা ঘ্যাসর ঘ্যাসর করে জানলা কেটে সেই মেশিন বসিয়ে ফেলল। রমাকান্তবাবু মনে মনে খুব খুশি হলেও, মুখে বললেন, ‘উফ তোরা যা বাড়াবাড়ি করতে পারিস।’

    ঠিক এক সপ্তাহের মাথায় গোটা পরিকল্পনা বদলে গেল। এক রবিবারের দুপুরে রমলাদেবী মেয়ের পাঠানো ছবির অ্যালবাম খুলে বললেন, ‘অসম্ভব, দোতলার ঘরে মণিরা থাকতে পারবে না। বাবলু, তোর কি একবারও মাথায় এল না যে মণির অ্যালবামটা একবার দেখি! আশ্চর্য, সবকিছু আমাকে ভাবতে হবে!’ বাবলু অবাক হয়ে বলল, ‘কী হয়েছে। অ্যালবাম কেন দেখব? অনেকবারই তো দেখেছি!’ রমলাদেবী বললেন, ‘ঘোড়ার মাথা দেখেছিস। মণির বেডরুমটা দেখেছিস একবার? নে দ্যাখ। জানলাটার দিকে একবার তাকা। দ্যাখ কী সুন্দর একটা গাছ। একেবারে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়েছে মনে হচ্ছে। এবার আমাদের দোতলার জানলাটার সামনে গিয়ে দাঁড়া। ছিঃ, খুললেই পেছনের বাড়ির তেলচিটচিটে দেয়াল। দেয়ালের গায়ে জানলা। রান্নাঘরের জানলা। সারাক্ষণ পাঁচফোড়নের গন্ধ। ইস মাগো! মণি ও ঘরে কিছুতেই ঘুমোতে পারবে না।’ কণি বলল, ‘সে আর কী করা যাবে, আমরা তো আর একটা গাছ এনে পুঁতে দিতে পারি না। তা ছাড়া ছবিতে গাছটা দেখে মনে হচ্ছে রডোড্রেনডন। এই ভবানীপুরে রডোড্রেনডন কোথায় পাব মা? তবে পাশের বাড়ির রান্নাঘর এড়াতে হলে একতলায় ব্যবস্থা করা যেতে পারে। দাদা-বউদি কদিনের জন্য উঠে গেল—।’ রমলাদেবী বললেন, ‘না, আমি সব দেখে রেখেছি। ব্যবস্থা হবে তিনতলায়। ছাদের ঘরে। আমি আর তোর বাবা ক’দিনের জন্য নীচে চলে আসছি। তিনতলার দক্ষিণের জানলাটা খুললেই একটা আমগাছ চোখে পড়ে। গাছটা অবশ্য একটু দূরে, রাস্তার ওপাশে। কিন্তু গাছ তো বটে।’

    তিনতলায় ঘর বদল হল। এতে তিতলি খুব মুশকিলে পড়ছে। কারণ এবার ঘরের রং হয়েছে সবুজ৷ এখন সে সবুজ ফুল কোথায় পায়? সবুজ রঙের ফুল কি আদৌ হয়? তার জানা নেই।

    মণির ছোটমাসি কাঁটা-চামচের দায়িত্ব নিয়েছেন। নিজে থেকেই নিয়েছেন। যে-কোনও ধরনের দোকানবাজার করার দায়িত্ব পেলে এই মহিলা, ভারী খুশি হন। প্রথমে তিনি বইপত্র ঘেঁটে কাঁচা-চামচ বিষয়ে একটি দীর্ঘ তালিকা তৈরি করেছেন। এই জিনিস যে এত বৈচিত্র্যপূর্ণ তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। মহা উৎসাহে তিনি বেরিয়ে পড়েন। দোকান-বাজার প্রিয় মহিলারা কঠিন ধরনের জিনিস কেনার অর্ডার পেলে বেশি খুশি হন। ইনিও হলেন। নিউমার্কেট, এসি মার্কেট, বর্ধন মার্কেট চষে তিনি নানা ধরনের কাঁটা-চামচ কিনে ফেলেছেন কয়েকদিনের মধ্যেই। আইসড টি স্পুন, ডেমিটাস স্পুন, ভিনার ফর্ক, গ্রিল ফর্ক, ডেসার্ট ফর্ক, সালাড ফর্ক, টেবল স্পুন, পিয়ার্সড শুনা রমলাদেবী এরকমের কাঁটা-চামচ দেখে খুবই ঘাবড়ে গেলেন। বললেন, ‘হ্যাঁরে কমলা, এগুলোর কোনটা কী কাজে লাগে জানা আছে তোর?’ কমলাদেবী বিরক্তমুখে বললেন, ‘বোকার মতো কথা বলিস না দিদি, আমার জানা থাকার দরকার নেই। আমি তো কাঁটা-চামচ দিয়ে খাচ্ছি না। মণিরা খাচ্ছে। তারা জানে কিনা সেটাই বড় কথা। মনে রাখবি বিদেশে থাকার সবথেকে বড় অভ্যেস হল কাঁটা-চামচ দিয়ে খাওয়া। সব অভ্যেস ছাড়া যায় কিন্তু এই অভ্যেস ছাড়া যায় না।

    মণির ছোটমামা কলেজে পড়তে পড়তেই নানারকম ব্যবস্থা করে বিলেত চলে যান। যাওয়ার সময় সবাইকে বললেন, ‘এ-দেশে আর যাই হোক পড়াশোনা হবে না। পড়তে হলে অক্সফোর্ড-কেমব্রিজের দেশে চলে যাওয়াটাই ভাল। সেখানেই আমি চললাম। তবে তোমরা চিন্তা কোরো না, তিন বছর পরে ফিরে আসছি। এসে এখানে কোনও ইউনিভার্সিটিতে জয়েন করে যাব। মাইনেটা একটু কম হবে ঠিকই, কিন্তু তা হোক। নিজের দেশের জন্য কিছু স্যাক্রিফাইস তো করতে হবে।’ সবাইকে চমকে দিয়ে মাত্র তিনমাস পরে ছোটমামা ফিরে আসেন। বন্ধুরা অবাক হয়ে বলল, ‘কী হল রে! চলে এলি!’ মামা গম্ভীর হয়ে বললেন, ‘বড্ড ঠান্ডা। আমার আবার সর্দির ধাত কিনা।’ বন্ধুরা মুখ টিপে হাসল। তবে বিলেতযাত্রা একেবারে বিফলে গেল না। বিলিতি শিক্ষা তেমন না আনতে পারলেও, বিদেশ থেকে ছোটমামা বেশ কিছু আদবকায়দা নিয়ে এলেন। যেমন সুট-টাই (গরমেও পরেন), কথায় কথায় ইংরেজি (একেবারে অকারণে এবং কোনও কোনও সময় ভুলও), রাতে খাওয়ার আগে স্যুপ (বদহজম হলেও), ইংরেজি গান (না বুঝে)—এইসব আর কী! এই বয়সেও সেইসব কায়দাকানুন তিনি রক্ষা করেছেন, এবং অন্যের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। রবিবার বাড়িতে এসে বললেন, বড়দি, মণি-কাজলের মেনু কিছু ভাবলি?’ রমলাদেবী অবাক হয়ে বললেন, ‘মেনু! মেনু আবার কী? মণি কি নেমন্তন্ন বাড়িতে আসছে যে ওর জন্য আলাদা মেনু ঠিক করতে হবে? কী যে যা তা বলিস। আমরা যা খাই তাই খাবে।’ সুতপা বলল, ‘মামা, আমি কিন্তু একটা স্পেশাল আইটেম করে রেখেছি।’ ছোটমামা ভুরু কুঁচকে বললেন, ‘কী সেটা জানাতে পারি?’ সুতপা হাসিমুখে বলল, ‘তেঁতুলের আচার।’ মণির পিসিমা পাশেই ছিলেন। বললেন, ‘মেয়েটার জন্য বড়ি দিয়ে শুক্তো করব। আহা, ওখানে পায় না।’ বাবলু বলল, ‘আমি তো বাজারে বলে রেখেছি, রোজ ছোট মাছ চাই। আহা, মণিটা যে কতদিন তেলাপিয়ার ঝোল খায়নি। আচ্ছা মা, কাজল মাছটাছ খেতে পারবে তো? টেলিফোন করলে একবার জেনে নিয়ো তো।’ পিসিমা চোখ তুলে বললেন, ওমা, এ আবার কী বলছিস? কাজল কি বাঙালি নয়? তা ছাড়া মণি তো নিজেও রান্নাবান্না করে। মাছ কি ওদেশে পাওয়া যায় না?’ ছোটমামা অনেকক্ষণ সহ্য করেছেন। আর পারলেন না। টাইয়ের নট ঠিক করতে করতে বললেন, ‘উফ তোমাদের এসব আদিখ্যেতাগুলো যে কবে বন্ধ হবে! বাইরে থেকে কেউ এলেই তাকে জোর করে শুক্তো, পোস্ত, পুঁইশাকের চচ্চড়ি, শিঙিমাছ খাইয়ে মেরে ফেলার জোগাড় করো। ন্যাকামির চূড়ান্ত।’ কমলাদেবী বললেন, ‘ওমা জোর করব কেন? মণি তো নিজেই কুচো চিংড়ি দিয়ে লাল শাক ভালবাসে।’ ছোটমামা বলল, বাজে কথা বলিস না। ভালবাসে না, বল, ভালবাসত। এখন মুখে কিছু বলতে পারবে না। মা, বাবা, পিসি, কাকিমারা দুঃখ পাবেন বলে গদগদ মুখে খাবে। বমি পাবে তাও খাবে। খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়বে। এগুলো টর্চার ছড়া আর কিছুই নয়। তোরা তো আর কখনও বাইরেটাইরে যাসনি, গেলেও ম্যাক্সিমাম পুরী। তোরা এ জিনিসের কী বুঝবি। এবার সাত বছর পর এসেছে, তোমাদের আদিখ্যেতা মার্কা খাবারের আতঙ্কে এরপর সাতাশ বছর পর আসবে। আমার কথাটা মিলিয়ে নিয়ো৷’ কমলাদেবী এবং রমলাদেবী দু’বোনই ভাইয়ের কথায় খানিকটা থমকে গেলেন। সত্যি তো অল্পদিনের জন্য হলেও সেও তো একবার বিদেশে গিয়েছিল। বিদেশ ফেরত মানুষের সুবিধে অসুবিধে সে ছাড়া আর কে বুঝবে? কমলাদেবী বললেন, ‘তা হলে কী হবে? কী খাবে ওরা?’ ছোটমামা মুচকি হেসে উঠে দাঁড়ালেন। বললেন, ‘ভাগনিদের ফুডের বিষয়টা দয়া করে আমার হাতে ছেড়ে দাও। দ্যাখো কী করি।’

    ছোটমামা করেছেন। বেশ গুছিয়েই করেছেন। নানা ধরনের পিৎসা, স্যান্ডুইচ, পেস্ট্রি, বার্গার, বেকন, মেয়নিজ, চিজে ফ্রিজ বোঝাই হয়ে গেছে। রেডিমেড কোল্ড কফি, ফ্রুট জুস, সসও এসেছে। তবে মণির মা কাকিমারা একেবারে পুরোটা ছেড়ে দিতে পারেননি। তাঁরা নিজেদের মতো ব্যবস্থা করে রেখেছেন। সেই ব্যবস্থায় মোচার ঘন্ট এবং ক্ষীরের পায়েস মূল আইটেম।

    কাল সকালে মণির কাকা বিজয়কাস্তবাবু গুলটুকে নিয়ে গিয়ে গোপনে একটা কাজ করে এসেছেন। পাড়ার গাড়ি ভাড়ার এজেন্সিতে গিয়ে দিনসাতেকের জন্য একটা মারুতি গাড়ি ঠিক করে এসেছেন। ভাইঝিকে এসে তো বেরোতে হবে। আত্মীয়স্বজনের নেমন্তন্ন আছে, স্কুল কলেজের বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আছে, হুস বলতে এ-শহরে ট্যাক্সি পাওয়া যায় না। ট্যাঙস ট্যাঙস করে তো আর বাসে ট্রামে ঘুরতে পারবে না মেয়েটা। নিজে যদি বা পারে, কাজল বেচারির তো একেবারে অভ্যেসই নেই। গাড়িটা থাকলে সুবিধে। গুলটুর সঙ্গে কথা হয়েছিল, বিষয়টা কাউকে জানানো হবে না। সেইমতো গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। তবু আর পাঁচটা গোপন জিনিসের মতো ঘটনা দ্রুত জানাজানি হয়ে গেল। বিজয়কান্তবাবু লজ্জা লজ্জা মুখ করে ঘুরছেন আর ভাবছেন—না কাজটা মোটেই ঠিক হয়নি। মণি তো আর কচি খুকি নেই। ধেড়ে ভাইঝিকে এত ভালবাসার কী আছে?

    এয়ারপোর্টে সবাই যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল না। ঠিক ছিল দাদা, কাকা, আর ছোটমামা যাবে। তিতলি-গুলটু সকাল থেকে বায়না ধরেছিল। বাবলু বলল, ‘অত রাতে তোরা গিয়ে কী করবি? গাড়িতেই তো ঘুমিয়ে পড়বি। তা ছাড়া ঘুম-চোখে কাজল তোদের ভাল করে চিনতেও পারবে না। উলটে গুলিয়ে ফেলে বিচ্ছিরি একটা কাণ্ড হবে।’ পিসিমার একটু যাই যাই ইচ্ছে হয়েছিল। রমাকান্তবাবু বললেন, ‘বয়েস হয়েছে বয়েসের মতো ব্যবহার করো।’

    রাত দশটায় বিরাট একটা গাড়ি নিয়ে তমালিকা এসে হাজির। তমালিকা মণির কলেজ-বন্ধু। তমালিকা বহু বছর এ বাড়িতে আসেনি। তবে ই-মেলে মণির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখে। সেও আজ এয়ারপোর্টে মণিকে রিসিভ করতে যাচ্ছে। যাওয়ার পথে এখানে একবার ঢুঁ মেরে গেল। এসেই লাফালাফি শুরু করে দিল তমালিকা। বলল, ‘এয়ারপোর্টে কম করে সাতজনের যাওয়া চাই।’ রমাকান্তবাবু লাফালাফি পছন্দ করছিলেন না। যে-কোনও যাওয়া-আসার সময়টা ধীর স্থির থাকতে হয়। এই মেয়েটিকে তিনি আগেও বাড়িতে আসতে দেখেছেন। হালকা মনে পড়ছে, তখনও যেন লাফাত। তবে বয়স কম ছিল, মানাত। এখন কেন লাফাবে? তিনি বিরক্ত মুখে তমালিকার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘কেন দশ নয় কেন?’ তমালিকা হাসতে হাসতে বলল, ‘এমা এটাও বুঝলেন না? সাত বছর পর বলে সাতজন। যাক দেরি করবেন না, রেডি হন। ছোটরাও চলুক। একজন ছোট ছেলে আসছে তাকে রিসিভ করতে ছোটদেরই যাওয়া উচিত। নইলে তাকে অপমান করা হয়। তাই না মাসিমা?’ তিতলি, গুলটু, মিন্টু দাদুর নিষেধ ভেঙে আনন্দে চিৎকার করে উঠল।

    দুটোর সময় প্লেন নামবে। রাত এগারোটায় হইহই করে গাড়ি বোঝাই লোক রওনা দিল। কল্যাণ এত রাতে কোথা থেকে যেন গাদাখানেক গ্যাসবেলুন জোগাড় করেছে। এটা নাকি তার একটা নতুন আইডিয়া। মালার বদলে রঙিন বেলুন দিয়ে মণিদের স্বাগত জানানো হবে। সবাই হাসতে হাসতে হাততালি দিয়ে উঠল। বেলুনগুলো গাড়ির জানলা দিয়ে বেরিয়ে এসে পতাকার মতো উড়ছে। মনে হচ্ছে তারাও যেন হাসছে। বড় সুন্দর লাগছে।

    রমাকান্তবাবু বারান্দায় একটা চেয়ার টেনে এনে বসেছেন। একটু ঠান্ডা ঠান্ডা লাগছে। অল্প তাড়াতেই রমাকান্তবাবুর আজাল কাশি হয়। তাঁর উচিত ভেতরে চলে যাওয়া। কিন্তু তিনি ঠিক করেছেন মণিরা আসা পর্যন্ত তিনি বারান্দাতেই বসে থাকবেন। তাতে যদি একটু কাশি টাশি হয় হবে।

    ২

    মণি এসেছে।

    সাত বছর তিন মাস পর মেয়ে বিদেশ থেকে আসার পর কী হচ্ছে তা দেখবার জন্য বাইরের কারও নাক গলানো উচিত নয়। আমরাও গলাচ্ছি না। তা ছাড়া সবটা তেমন জানাও যায়নি। তবে সামান্য কয়েকটা সমসার কথা শোনা যাচ্ছে। যেমন, মণি তিনতলার বদলে দোতলার হলঘরে মা, দিদি, বউদি এবং পিসিমার সঙ্গে মাটিতে টানা বিছানা করে শুচ্ছে। সে চেঁচিয়ে ছাড়া কোনও কথা শুরু করতে পারছে না এবং উচ্চস্বরে হাসি ছাড়া সেই কথা শেষ করতে পারছে না। পুঁইশাক, ডাঁটা চচ্চড়ি মৌরলা মাছ এবং আমের টক ছাড়া মা ও ছেলে ভাত মুখে তুলতে চাইছে না। ট্রামে এবং হাতে-টানা রিকশ চেপে তারা সারাদুপুর টইটই করে ঘুরছে। বিকেল হলেই কাজল গুলটু মিন্টুদের সঙ্গে ছাদে ফুটবল খেলতে ছুটছে। গোল হলে এত জোর লাফাচ্ছে যে ভয় হচ্ছে, ছাদ ভেঙে না যায়। সন্ধে হলে তিনতলার খোলা বারান্দায় প্রতিদিনই মুড়ি এবং তেলেভাজা সহযোগে গল্পের আসর বসছে। মণিই এই আসরের উদ্যোক্তা। তবে সমস্যা হল, এই আসরে সবথেকে জোরে হাসছেন যে-মানুষটা, তাঁর নাম রমাকান্ত চৌধুরী। এবাড়ির হেড অব দ্য ফ্যামিলি।

    শোনা যাচ্ছে, তিনি নাকি এত হাসছেন যে, প্রায়ই তাঁর চোখে জল চলে আসছে। তিনি সবাইকে লুকিয়ে সেই জল মুছছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }