Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীল আলোর ফুল – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প591 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাদল সাঁঝে

    কিছুই ঘটেনি, তবু প্রবালের মনে হচ্ছে আজ একটা অন্য রকম দিন। ঘুম থেকে উঠে মনে হচ্ছে অন্য রকম সকাল। দাঁত মাজতে গিয়ে মনে হল পেস্টের স্বাদটা অন্য রকম। বাড়ির লোকেদের সঙ্গে কথা বলার সময় মনে হল, তারা অন্য রকম ব্যবহার করছে। গাড়ি চালিয়ে অফিসে আসতে খেয়াল হল, ট্রাফিক পুলিশ তার দিকে অবাক হয়ে তাকাচ্ছে এবং দ্রুত গাড়ি ছেড়ে দিচ্ছে। অফিসেও একই কাণ্ড। বেয়ারা, পিয়োন, ক্যাশিয়ার, পারচেজ ম্যানেজার তার সঙ্গে অন্য রকম ভাবে কথা বলছে। গম্ভীর কথার মধ্যেও একটা হাসিহাসি ভাব।

    এরকম হওয়ারই কথা। যে-যুবকের বিয়ের সাত দিন বাকি থাকে তার সবকিছুই অন্য রকম লাগে। এর জন্য আলাদা ঘটনা ঘটার প্রয়োজন হয় না।

    প্রবাল মনে মনে ঠিক করল, তার সবকিছু অন্য রকম লাগলেও সে একই রকম থাকবে। মন দিয়ে কাজ করবে। সেলস রিপোর্ট দেখবে, পারচেজ ম্যানেজারকে ডেকে ধমকাবে। লাঞ্চের পর সবাইকে নিয়ে মিটিং করবে। আজেবাজে কাউকে ঘরে ঢুকতে দিলে পিয়োনের ওপর রাগ দেখাবে। কোনও ফালতু টেলিফোন ধরবে না। সময় পেলে চারটে নাগাদ একবার মধ্যমগ্রামের সাইটে যাবে। বিয়ে এমন কোনও ঘটনা নয় যে সাত দিন আগে থেকেই লাফাতে হবে। এসব মেয়েদের মানায়। বাড়িতে মা, বড়দিদি, ছোটকাকিমা হইচই বাধিয়ে দিয়েছে। কাল সকালের ফ্লাইটে জয়পুর থেকে পিসি আসছেন। নেমন্তন্ন পর্ব অনেকদিন শেষ। তবু মা আজ সকালেও কষ্ট করে আরও তিন জনের নাম মনে করেছে এবং তাদের নেমন্তন্ন করতে বেরিয়েছে। বিয়ের বাজার পর্ব শেষ। শুধু কাল, পরশু, তরশু ‘ফিনিশিং টাচ বাজার’ হবে। পিসির জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। তিনি নাকি ‘ফিনিশিং টাচ বাজার’ বিষয়ে বিশেষ রকম হাত পাকিয়েছেন। জয়পুর থেকে তাঁকে আনা হচ্ছে।

    প্রবাল মনকে শক্ত করল।

    মন শক্ত হল না। কাগজপত্রে হাত দেওয়ার পরই তার মনে হল, অনসূয়াকে একবার টেলিফোন করলে কেমন হয়? ভাল হয় না। বিয়ের আলাপ-আলোচনা চূড়ান্ত হওয়ার পর যে কয়েকবার সে অনসূয়াকে টেলিফোন করেছে কোনওবারই কথাবার্তা বিশেষ এগোয়নি। অনসূয়া এগোতে চায়, পারে না প্রবাল। হবু বউয়ের সঙ্গে আলাপ জমানোর ব্যাপারটা কিছুতেই রপ্ত করতে পারছে না। এ বিষয়ে কোনও শর্ট কোর্স থাকলে ভাল হত। অনসূয়া সেদিন টেলিফোনেই বলল, ‘চলুন না প্রবালবাবু, শনিবার আমরা দু’জনে বাইরে কোথাও খাই। সন্ধের পর একটু মিলেনিয়াম পার্কে ঘুরলাম। তারপর পার্ক স্ট্রিটে কোথাও খেলাম। যাবেন?’ সুন্দরী, শিক্ষিতা, স্মার্ট হবু বউয়ের এই প্রস্তাব লাফিয়ে গ্রহণ করার মতো প্রস্তাব। প্রবাল সিঁটিয়ে গেল। বলল, ‘শনিবার? না না শনিবার কী করে হবে? শনিবার আমাদের বোর্ড মিটিং।’

    এরকম হওয়ার কথা নয়। আজকাল সম্বন্ধ-প্রেম খুব চালু জিনিস।

    নিজের ওপর প্রবালের খুব রাগ হল এবং অফিসের কাগজপত্র সরিয়ে সে টেলিফোন তুলল। না, আজ সে অনসূয়াকে নিয়ে বেরোবেই বেরোবে। নিউমার্কেট গেলে কেমন হয়? মেয়েটা পছন্দমতো কিছু কিনতে পারে।

    প্রথমবারেই লাইন পাওয়া গেল। শুধু পাওয়া গেল না, ফোন ধরল অনসূয়া নিজে। অনসূয়ার গলা শুনেই প্রবাল ঘাবড়ে গেল, কথাও আটকে গেল। সে ফোন নামিয়ে রাখে।

    ফোন নামিয়ে জল খেতে খেতে প্রবালের মনে হল নিজের গালে একটা চড় মারে। আস্তে চড় নয়, জোরে চড়। বিয়ের সাত দিন আগে যে-পুরুষ হবু বউয়ের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কথা আটকে ফেলে তার আস্তে চড়ে কিছু হয় না।

    কথা ছিল, আজ বাইরের কোনও ফালতু লোকের সঙ্গে দেখা করবে না। রিসেপশন থেকে ইন্টারকমে খবর এল, একটি ছেলে দেখা করতে চায়। নাম বলছে হরি।

    ‘কী দরকার জেনে নিয়ে চলে যেতে বলুন। আজ কারও সঙ্গে দেখা হবে না।’

    ‘ছেলেটা বলছে, দরকার নাকি ওর নয়। দরকার স্যার আপনার।’

    ‘হোয়াট। আমার দরকার?’ প্রবাল অবাক হল।

    ও-পাশ থেকে এবার আমতা আমতা করে জবাব এল, ‘স্যার, হরিবাবু বলছেন, উনি অনসূয়া ম্যাডামকে চেনেন।’

    প্রবাল থমকে গেল। বলল, ‘তাই নাকি? লোকটাকে ভেতরে আসতে বলুন।’

    দরজা ঠেলে যে-যুবক ঢুকল তার বয়স খুব বেশি হলে পঁচিশ-ছাব্বিশ। মুখ-ভরতি দাড়ি। ম্যানেজমেন্টে দুর্দান্ত রেজাল্ট করা প্রবাল এক মুহূর্ত খুঁটিয়ে অনেক কিছু দেখে নিল। ছেলেটা পরেছে নীল প্যান্ট, লাল চেক শার্ট। শার্ট ফুলহাতা, কিন্তু হাতা আটকানো নয়, আবার গোটানোও নয়। ঝ্যালঝ্যাল করছে। শেষ বোতামটা নেই। গলার কাছ থেকে সবুজ রঙের একটা চাদর ঝলছে বুক পর্যন্ত। খুব সম্ভবত মেয়েদের চাদর। সবকিছুই যথেষ্ট মলিন! কাঁধে ব্যাগ। কোনও এক কালে ব্যাগটার হলুদ রং ছিল। অনেকদিন হল সেই রংকে বিদায় দিয়ে ব্যাগ এখন তার নিজের পছন্দমতো রং নিয়েছে। সেই রঙের নাম ধুলো রং।

    হাসিমুখে ছেলেটা বলল, ‘স্যার, ভাল আছেন?’

    প্রবাল খুব বিরক্ত। বিরক্ত হওয়ারই কথা। এরকম একটা লোককে অনসূয়া চেনে? স্ট্রেঞ্জ! লোকটা এসে আবার সে-কথা জাহির করে বলছে? ছি ছি! অফিসের সবাই নিশ্চয়ই এতক্ষণে আলোচনা শুরু করে দিয়েছে, ‘স্যারের শ্বশুরবাড়ির লোক এসেছে।’ রাবিশ!

    প্রবাল গম্ভীর হয়ে বলল, ‘বসুন।’

    লোকটা বসল। কাঁধের নোংরা ব্যাগটা নামিয়ে রাখার আগে হাতের তালু দিয়ে চকচকে টেবিলের ওপর থেকে অদৃশ্য ধুলো সরাল। এখনও সে মুখ নর্মাল করেনি। হাসিমুখই আছে। হাসির কী ঘটল? অসহ্য।

    ‘স্যার, আপনার ঘরটা মনে হচ্ছে বেশিমাত্রায় ঠান্ডা। ঠান্ডাটা খানিকটা কমাননা যাবে নাকি? আমার আবার জ্বরজ্বর হয়েছে। কাল রাতে বৃষ্টিতে ভিজে গোলমাল করে ফেলেছি। বৃষ্টিতে ভিজলেই স্যার আমার গোলমাল হয়। অথচ না-ভিজেও পারি না। কী মুশকিল বলুন দেখি।’

    আধুনিক ম্যানেজমেন্টের একটা নিয়ম হল, অপ্রয়োজনীয় কথা বেশিক্ষণ চলার আগেই আলোচনার বিষয় নিজের হাতে নিয়ে নিতে হয়। প্রবালও নিল। সে বলল, ‘কেন, পারেন না কেন? আপনার ছাতা নেই বুঝি?’

    ‘আছে স্যার, কালও ছিল। আসলে রাতের বৃষ্টি হল প্রকৃতির একটা অতি আশ্চর্য জিনিস। অন্ধকার থেকে লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি জলের ফোঁটা এসে পড়ছে। কোথা থেকে তারা আসছে, কোথায় যাচ্ছে, বোঝা যায় না। তখন গায়ে মেখে দেখতে হয় সত্যি কিনা! এই গায়ে মাখতে গিয়েই মাঝে মাঝে ঠান্ডা লাগিয়ে ফেলি। আপনি স্যার এয়ার কন্ডিশনটা একটু কমিয়ে দিন।’

    না, এ-লোকের সঙ্গে ভদ্র ব্যবহার হবে বলে মনে হচ্ছে না। প্রবালের ইচ্ছে করছে, লোকটাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে। করা যাবে না। হবু বউকে যে চেনে তাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া যায় না। সে উঠে এসে মেশিনের সুইচ বন্ধ করে এল।

    ঠান্ডা গলায় বলল, ‘হরিবাবু, বলুন আপনার কী দরকার?’

    লোকটা হাসল। বলল, ‘তাড়ার কী আছে? সাত দিন বাদে আপনার বিয়ে। আজ নিশ্চয়ই ফাইল খুলে বসবেন না? তা ছাড়া দরকার স্যার আমার নয়, আপনার। আপনি এক কাপ চা দিতে বলুন। গলাটা উসখুস করছে। চা আছে তো? কফি কিন্তু চলবে না স্যার। বৃষ্টি-ভেজা উসখুস গলায় কফি কোনও কাজ দেয় না। চা দেয়। বেস্ট মেডিসিন হল ভাঁড়ের চা। স্যার ভাঁড়ের ব্যবস্থা হবে? সামনের ফুটপাথের দোকানটা থেকে যদি এক ভাঁড় চা আনাননা যেত।’

    হয় লোকটার স্পর্ধা আকাশছোঁয়া, নয় পাগল। পাগল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আচ্ছা ঝামেলা হল।

    প্রবাল ইন্টারকমে চায়ের অর্ডার দিল। এমন সময় টেলিফোন বাজল। ফোন। ধরতেই বুকটা ধক করে উঠল প্রবালের। ভয়ের ধক নয়, আনন্দের ধক। ও-পাশে অনসূয়া।

    ‘হ্যালো, প্রবালবাবু বলছেন?’

    ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ বলুন, বলছি।’

    ‘দেখুন না ফোনটা মনে হয় ডিসটার্ব করছে। কতক্ষণ ধরে আপনাকে ট্রাই করছি। একটু আগে একটা ফোন এসে কেটেও গেল।’

    ‘তাই বুঝি? টেলিফোন অফিসে একটা কমপ্লেইন করতে হবে।’

    ‘প্রবালবাবু, বিকালে আপনার একটু সময় হবে? ভাবছিলাম একবার নিউমার্কেট যাব। ক’টা কেনাকাটা ছিল। মা বলছিল, আপনি থাকলে ভাল হয়। দু’জনে পছন্দ করে নিতে পারি। এই ধরুন পরদার কাপড়, একটা জুট কার্পেট।’

    ‘মনে হচ্ছে পারব। আপনাকে একটু পরেই ফোন করে ফাইনাল করছি।’

    ফোন নামিয়ে প্রবাল বলল, ‘হরিবাবু, এবার আপনার কথাটা বলুন।’

    লোকটা চেয়ার টেনে এগিয়ে এল। গলা নামিয়ে ফিসফিস করে বলল, ‘এখন এঘরে কেউ ঢুকবে না তো?’

    ‘না, ঢুকবে না। দয়া করে আপনি একটু তাড়াতাড়ি করুন। আমার জরুরি কাজ আছে।’

    ‘ঠিক আছে স্যার, আমি তাড়াঁতাড়িই করছি। অনসূয়া নামের যে-মেয়েটিকে আপনি ক’দিন বাদে বিয়ে করছেন তাকে আমি ভালবাসি। অনেকদিন থেকেই ভালবাসি। কলেজে প্রথম যেদিন ওর সঙ্গে আলাপ হল, বলতে পারেন প্রেমে পড়েছি সেদিন থেকেই। অনসূয়া একেবারে অন্য রকম মেয়ে স্যার। দারুণ মেয়ে। এই মেয়ের প্রেমে না-পড়াটাই অন্যায়। আমি সেই অন্যায় কাজ করতে পারিনি। আমি তার প্রেমে পড়ে গেলাম। পাগলের মতো প্রেম। যাকে বলে ম্যাড-প্রেম। হা হা।’

    চেয়ারটা কি দুলে উঠল? প্রবাল টেবিলে হাত রাখল। খুব রাগ হলে মনে হয় মাঝেমধ্যে মাটি কাঁপছে। এটা অসম্ভব কোনও ব্যাপার নয়। রাগ হল এক ধরনের হরমোন প্রতিক্রিয়া। সেই প্রতিক্রিয়া সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে মুহূর্তের জন্য এলোমেলো করে দিতে পারে। এই দোলাচলের মধ্যেই প্রবাল ভেবে ফেলল, তার সামনে দুটো পথ। এক, লোকটাকে মারতে মারতে ঘর থেকে বের করে দেওয়া। এটা হল হবু স্বামীর পথ। দু’নম্বর পথ হল, মাথা ঠান্ডা রেখে বিষয়টা এখানেই শেষ করে ফেলা। প্রথম পথ হল কেলেঙ্কারির পথ। কেচ্ছার পথ। দ্বিতীয় পথ হল দক্ষ ম্যানেজারের পথ।

    বেয়ারা চা নিয়ে ঢুকল। লোকটা হাসিমুখে বলল, ‘ভাই, শুধু চা আনলে? বিস্কুট নেই? খালি পেটে চায়ে আবার অ্যাসিড হয়। থাক শুধু চা-ই দাও। এরপর থেকে যখনই কাউকে চা দেবে দুটো করে বিস্কুট দেবে, কেমন?’

    প্রবালের হাতের ইশারায় হতভম্ব বেয়ারা চলে গেল। সে দু’নম্বর পথটাই নিল। দক্ষ ম্যানেজারের পথ। অল্প হাসল এবং বলল, ‘হরিবাবু, এই তা হলে আপনার কথা? এটা জানাই আমার দরকার ছিল বলছেন?’

    চায়ে লম্বা চুমুক দিয়ে লোকটা বলল, না স্যার, এটা জানা আপনার দরকার ছিল না। এটা অনেকেই জানে। হরি যে অনসূয়ার প্রেমে পাগল ছিল, তার পেছনে ঘুরঘুর করত, চিঠি দিত, এসব ভবিষ্যতে লোকমুখে নিশ্চয়ই শুনতে পেতেন। বাঃ, চা-টা তো চমৎকার! অনেকে চা ভাল করতে কাগে এলাচ ফেলে। সেটা আর তখন চা থাকে না, হয়ে যায় এলাচা। এলাচা মোটেই ভাল চা নয়, খারাপ চা। তাতে চায়ের স্বাদ হাকে না, মনে হয় এলাচ গাছের পাতা খাচ্ছি। এটা সেরকম নয়। আর এক কাপ পেলে ভাল হত। জ্বর ভাবটা বোধহয় বাড়ছে। যাক, স্যার যেটা আপনার জানা দরকার সেটা হল, আমি অনসূয়ার প্রেমে পড়লেও অনসূয়া মোটেও আমার প্রেমে পড়েনি। একেবারেই পড়েনি। সত্যি কথা বলতে কী সে আমাকে খানিকটা ঘেন্নাই করত।’

    ‘কেন, ঘেন্না করত কেন?’

    ‘কী যে বলেন স্যার, ঘেন্না করবে না। আপনার উড বি স্ত্রী ফোর ইন ওয়ান। সুন্দরী, শিক্ষিতা, ধনী, বুদ্ধিমতী। আর আমি হলাম ভিখারি পাগলা গোছের একটা মানুষ। সে কোন দুঃখে আমার প্রেমে পড়তে যাবে? আপনি কি খেপেছেন? অনসূয়া আড়ালে কী বলত জানেন? বলত, হরিপাগলা। সামনেও বলত। হা হা।’

    এতক্ষণে প্রবালের খানিকটা নিশ্চিন্ত লাগতে শুরু করেছে, ইন্টারেস্টিংও। হবু বউয়ের প্রেমে পড়ে কোনও তরুণের পাগল হয়ে যাওয়ার গল্প মনের মধ্যে একটা ‘গর্ব গর্ব’ ব্যাপার আনে দেখা যাচ্ছে।

    মন হালকা করে প্রবাল চেয়ারে হেলান দিল। বলল, ‘তারপর কী হল হরিবাবু?’

    ‘কিছুই হল না। কলেজের পালা চুকেবুকে গেল। ভাবলাম, চাকরিবাকরি পেলে লাস্ট একটা ট্রাই নেব। চাকরি স্যার এখনও হয়নি। আর হবে বলে মনে হয় না। কলেজের এক পুরনো বন্ধুর সঙ্গে গতকাল হঠাৎ দেখা কলেজ স্ট্রিটে। বলল, তোর সেই অনসূয়ার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে রে। ভেবে দেখলাম বিয়েটা ভাল কিন্তু কথাটা ভাল নয়। অনসূয়া আমার কেন হতে যাবে? আমি বাজি রেখে বলছি, আমার নামও অনসূয়ার এখন আর মনে নেই। বিশ্বাস না হলে আপনি নিজে জিজ্ঞেস করে দেখবেন স্যার। দেখলে চিনতেও পারবে কিনা সন্দেহ। বিয়ের মুখে এ ধরনের কথা ছড়ালে গোলমাল পাকায়। স্ত্রীর সম্পর্কে স্বামীর মানে মিথ্যে সন্দেহ জাগে। তাই খোঁজখবর নিয়ে সোজা আপনার কাছে চলে এলাম। খোলাখুলি সব জানিয়ে গেলাম। ব্যস, আর কোনও গোলমালের চান্স রইল না। স্যার, আপনার কাছে জ্বরের কোনও ট্যাবলেট আছে? জ্বরটা জমিয়ে এসেছে মনে হয়।’

    যে-কাজ করা উচিত নয় প্রবাল সেই কাজ করল। সে উঠে দাঁড়িয়ে হরির কপাল স্পর্শ করল।

    ‘একী! বেশ জ্বর তো! গা পুড়ে যাচ্ছে। দাঁড়ান ওষুধ আনিয়ে দিচ্ছি। ডাক্তার দেখাবেন? সামনেই একটা ডিসপেনসারি আছে। রাস্তাটা পেরোলেই। বসুন আপনি, বেয়ারাকে ডাকি। সে নিয়ে যাক আপনাকে।’

    হরি হাসল। বেশি জ্বরের একটা ক্ষমতা আছে। সে মানুষকে যেমন কষ্ট দেয় তেমনি একটা মায়া-ভরা হাসিও দেয়। সেই হাসি দেখলে সুস্থ মানুষেরও হিংসে হয়। মনে হয়, এই সুন্দর হাসি আমার নেই কেন? প্রবালের হল।

    ‘থাক স্যার। আসবার সময় দেখলাম আকাশ বড় সুন্দর কালো করে এসেছে। ফেরার পথে যদি বৃষ্টি নামে তখন ভিজব। ভিজলে আর জ্বরের কথা মনে থাকবে না। আমি বরং উঠি। সাধারণত আপনার মতো পজিশনের মানুষরা খুব নিচুর দিকের মানুষ হয়। আপনি একজন চমৎকার মানুষ। সাধারণ চমৎকার নয়, অসাধারণ চমৎকার।’

    ফুলশয্যার রাতে বৃষ্টি নামল। তুমুল বৃষ্টি। প্রবালের তিনতলার ঘরের সঙ্গে বিরাট বারান্দা। জাপানি কায়দার আকাশ-খোলা বারান্দা। বৃষ্টির ফোঁটা সেখানে দারুণ হইচই বাধিয়ে দিয়েছে।

    অনসূয়া ফিসফিস করে বলল, ‘চলো গিয়ে ভিজি।’

    ‘সেকী! এত রাতে ভিজবে!’

    ‘ক্ষতি কী? সবাই তো ঘুমিয়ে পড়েছে। কেউ দেখবে না। অন্ধকারের বৃষ্টি হল একটা আশ্চর্য ব্যাপার। লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি জলের ফোঁটা কোথা থেকে আসছে, কোথায় যাচ্ছে বুঝতেই পারবে না। এই বৃষ্টি গায়ে নিতে হয়। প্লিজ, চলো।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }