Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীল আলোর ফুল – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প591 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বৃষ্টির গান

    ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রাবণ মাস নিয়ে ক’টা গান লিখেছেন বল তো?’

    নন্দিতার এই একটা স্বভাব। সুযোগ পেলেই বন্ধুদের অদ্ভুত অদ্ভুত সব প্রশ্ন করে। আর প্রশ্ন করবার সময় মুখটাকে এমন গম্ভীর করে রাখে যে, মনে হয় কেমিস্ট্রির স্যার ক্যান্টিনে এসে বসেছেন, তারপর চায়ের কাপ হাতে তিনি ছাত্রছাত্রীদের প্রশ্ন করছেন। নন্দিতা তার এই স্বভাবের জন্য বন্ধুদের কাছ থেকে ‘শ্রীমতী প্রশ্নময়ী’ খেতাব পেয়েছে। তবে প্রশ্নময়ীর প্রশ্নপর্বের সঙ্গে একটা দারুণ ব্যাপার থাকে। সে প্রতিবারই প্রশ্ন করার পর বন্ধুদের জন্য একটা-না-একটা উপহারের ব্যবস্থা রাখবে। উত্তর পারলেও উপহার, না পারলেও উপহার। আরও মজার কাণ্ড হল, উপহারগুলো সব কোনও-না-কোনও ভাবে প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়। যেমন নন্দিতা যেদিন প্রশ্ন করে— চকোলেটের আবিষ্কর্তার নাম কী? সেদিন বুঝতে হবে ওর ব্যাগে ক্যাডবেরি আছে। একবার নন্দিতার প্রশ্ন ছিল, স্পিলবার্গের ‘জুরাসিক পার্ক’ ছবির সংগীতপরিচালক কে ছিলেন? সকলে তো একেবারে অথই জলে পড়ল। সেদিন নন্দিতা ছুটির পর সবাইকে জোর করে নন্দনে ধরে নিয়ে গেল। সেখানে তখন স্পিলবার্গেরই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ ছবিটা চলছে। টিকিট কেটে সিনেমা দেখাল, চিকেন পকোড়া খাওয়াল, তারপর ছাড়ল। সেবার খুব মজার ব্যাপার হয়েছিল। টিফিনের সময় নন্দিত জিজ্ঞেস করে বসল, ‘আচ্ছা, বল তো রেড পান্ডা দিনে কত ঘণ্টা ঘুমোয়?’

    সকলের দারুণ চিন্তা। প্রশ্নময়ী কি তবে আজ ওর গাড়িতে চাপিয়ে কয়েকটা রেড পান্ডা নিয়ে এসেছে? সেদিন সবাই উপহার পেয়েছিল ওয়ার্ল্ড লাইফ সোসাইটির একটা করে ব্যাচ। সেই ব্যাচগুলোতে রেড পান্ডার চমৎকার ছবি আঁকা। নন্দিতার উপহারের মজা হল, জিনিসের দামের চেয়ে ভাবনাটা অনেক বেশি দামি। সবাই বুঝে গেছে, নন্দিতা আসলে প্রশ্ন করে বন্ধুদের মোটেও অপদস্থ করতে চায় না। উপহার দেওয়াটাই তার আসল উদ্দেশ্য। আজ কী উপহার হবে? শ্রাবণ মাস নিয়ে আবার কোনও উপহার হয় নাকি?

    গত বছর থেকে ক্লাস ইলেভেন -টুয়েলভের ছাত্রছাত্রীদের জন্য আলাদা ক্যান্টিনের ব্যবস্থা হয়েছে স্কুলে। প্রিন্সিপ্যাল মনে করেন, স্কুলে পড়লেও এই বয়সের ছেলেমেয়েরা আর ছোট থাকে না। এদের একটু আলাদা জায়গা দরকার। ক্যান্টিনে যাবারটাবার সব একই, শুধু চা আর কফির অতিরিক্ত অনুমতি আছে। ছেলেমেয়েরা টিফিনের সময়, অফ পিরিয়ডে বা ছুটির পর ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে বসে এখানে আড্ডা দেয়। গান করে। কবিতা পড়াও চলে। কেউ কেউ আবার চুপচাপ কফির মগ নিয়ে এক কোনায় বসে ক্লাসের নোটস টোকে।

    আজ বাইরে টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছে আর ভিতরে জোর আড্ডা চলছে।

    প্রদীপ স্যান্ডুইচে কামড় দিয়ে বলল, ‘ইস, এত সহজ প্রশ্ন করলি নন্দিতা। তোর হাতে আজ শক্ত কোনও স্টক নেই? এ তো সবাই পারবে।’

    ক’দিন হল যিশু একটা গিটার কিনেছে। সেই গিটার সে স্কুলেও নিয়ে আসছে। ক্যান্টিনে গিটার জমা থাকে। প্রথমদিকে দু’-একদিন যিশু ক্যান্টিনে বসে নিজের তৈরি গান শুনিয়েছিল। সে খুবই ভয়ংকর ব্যাপার। গানের যেমন কথা তেমনই সুর। দীপালি নিয়ম করে দিয়েছে, যিশু গিটার আনতে পারে, তবে তার গান গাওয়া চলবে না। বাকিরা দীপালিকে সমর্থন করেছে। শুধু সমর্থন নয়, কেউ কেউ বলেছে নিয়ম আরও কঠিন হলে ভাল হয়। গ্রুপ থেকে যিশুকে বহিষ্কারের একটা প্রভিশন থাকা উচিত। যিশু অবশ্য এতে অপমানিত হয়েছে বলে মনে হয় না। তারপরও সে নিয়মিত গিটার নিয়ে বসে এবং পিড়িং পিড়িং করে। আজও করছে। এই চর্চা করতে করতেই বলল, ‘প্রদীপের বেশি পাকা কথা। সহজ প্রশ্ন তো উত্তর দে না।

    গত মাসে সুচন্দনা জন্ডিস থেকে উঠেছে। ঝাল-মশলা খাওয়া তার একেবারে বারণ। তার উপর তার বাবাবা দু’জনেই ডাক্তার। ফলে ডবল কড়া নজর। গত সোমবার সুচনার মা রেটিনোপ্যাথির উপর পেপার পড়তে ভিয়েনায় গেছেন। যাওয়ার আগে পইপই করে বলে গেছেন, খাওয়ার ব্যাপারে সুচন্দনা যেন সতর্ক থাকে। সুচন্দনা সতর্কই আছে। আজ সে এক প্লেট ঘুগনি নিয়েছে। স্কুল ক্যান্টিনের ঘুগনি যথেষ্ট স্বাস্থ্যকর। তবে বড়দের ক্যান্টিনে একটা গোপন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। সেই ব্যবস্থায় ঘুগনির উপর ঘন করে গুঁড়ো লঙ্কা এবং তেঁতুলজল ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ঘুগনির নাম হল ঝাল-ঘুগনি। সুচন্দনা নানারকম আদবকায়দা মেনে এবং সতর্কতার সঙ্গে মন দিয়ে সেই ঝাল-ঘুগনি খাচ্ছে। কোলের উপর ফুল-কাটা ন্যাপকিন। বাড়ি থেকে আনা ঝকঝকে চামচ গরম জলে ধুয়ে নিয়েছে। টেবিলে রাখা ফোটানো জলের বোতল। গুঁড়ো লঙ্কার ঝালের চোটে সুচন্দনার চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে এসেছে। বাটিকের কাজ করা রুমাল দিয়ে সেই জল মুছে বলল, ‘নন্দিতা, আমি ভাই প্রথমেই হার মেনে নিচ্ছি। আমি এসব গানবাজনার কিছু জানি না। উফ, কী ঝাল রে বাবা! ও ভোলাদা, আর একটু লঙ্কাগুঁড়ো পাঠাও।’ আবার সবাই হেসে উঠল।

    কিঞ্জল শুধু হাসল না। আজ এমন একটা ঘটনা ঘটেছে যে, তার পক্ষে হুটহাট হেসে ফেলাটা ঠিক নয়। ঘটনাটা কাউকে বলাও যাচ্ছে না। স্কুলে আসবার পথে কলেজ স্ট্রিটের ফুটপাত থেকে কিঞ্জল একটা বই কিনেছে। বইয়ের নাম ‘ফান উইথ ক্ৰশওয়ার্ড পাজ্‌ল’। তিনশো টাকার বই মাত্র একশো টাকায় পাওয়া যাচ্ছে দেখে, কিঞ্জল আর লোভ সামলাতে পারেনি। চট করে কিনে নিয়েছে। কিন্তু আসল ঘটনা জানা গেল স্কুলে এসে। বই খোলার পর দেখা যাচ্ছে, ভিতরের অনেকগুলো পাজ্‌ল পেন দিয়ে করা রয়েছে। এর থেকে মারাত্মক ফান আর কী হতে পারে? এর পর হাসাহাসি করা বেশ কঠিন। কিঞ্জল তাই গম্ভীর মুখে বলল, ‘আমার মনে হয় প্রদীপেরও পরাজয় স্বীকার করা উচিত। লজ্জার কিছু নেই। আঁখি তো কোনও প্রশ্নের উত্তরই জানে না। ও কি কখনও লজ্জা পায়? মাস্টার জিরো, তুই কী বলিস?’

    মাস্টার জিরো হল অর্ণবের নাম। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে এই ছেলে পরীক্ষায় মারাত্মক ফল করে। ঝুলি-ভরতি শূন্য না থাকলে ‘মাস্টার জিরো’র মতো খেতাব পাওয়া যায় না। তবে অর্ণবের ক্ষেত্রে ব্যাপার একদম উলটো। লেখাপড়ায় সে দুর্দান্ত। অঙ্কে তার মাথা দেখবার মতো। কোনওদিন নব্বইয়ের কম পায়নি। ক্লাস ইলেভেন থেকে টুয়েলভে ওঠার সময় তো কেলেঙ্কারি কাণ্ড। সেকেন্ড পেপারে পেয়েছে একেবারে একশো। বন্ধুরা বলেছে, নম্বরে যার এতগুলো শূন্য, তাকে ‘মাস্টার জিরো’ নামে ডাকা উচিত। অর্ণবও বিষয়টা উপভোগ করে। গোল গোল চশমার ভিতর দিয়ে বোকাৰোকা করে হাসে। সে বলল, ‘আঁখি, এটা তোর ঠিক হচ্ছে না। আজ বাদে কাল তুই মিস ইন্ডিয়া কনটেস্টে যাবি। আজকাল সুন্দরী প্রতিযোগিতায় খুব কঠিন কঠিন প্রশ্ন করে। শুধু দাঁত বের করে হাসলেই হয়? দাঁতের সঙ্গে বুদ্ধিও দেখাতে হয়।’

    আঁখিকে সত্যিই সুন্দর দেখতে। তার চোখদুটো বড় বড়। চুল কোঁকড়ানো। সহপাঠিনীরা তাকে হিংসে করে। কিন্তু মজার কথা হল, আঁখি তার নিজের সৌন্দর্যকে একদম গুরুত্ব দেয় না। বরং তাকে কেউ সুন্দর বললে খুব বিরক্ত হয়। তার বক্তব্য হল, শুধুমাত্র বাইরের সৌন্দর্য দিয়ে যে সুন্দর হওয়া যায়, সেরকম সুন্দর সে হতে চায় না। সত্যিকারের সুন্দর হওয়ার জন্য ভিতরটাও সুন্দর করতে হয়। এই স্বভাবের জন্য বন্ধুরা ওকে গোপনে শ্রদ্ধার চোখে দেখে, কিন্তু সামনে খেপায়। অর্ণবের কথায় আঁখি রেগে গিয়ে বলল, ‘ঠিকই বলেছিস। শুধু ক্যালকুলাস করলেই হবে না। মানুষ হতে গেলে একটু-আধটু রবীন্দ্রনাথও জানতে হয়।’

    বকুল খুব চিন্তায় আছে। চিন্তায় থাকারই কথা। টিউশনির বাড়ি থেকে এখনও মাইনে দেয়নি। টাকার পরিমাণ এমন কিছু নয়। সামান্যই। ক্লাস সেভেনের ছেলে পড়ালে কত টাকাই বা পাওয়া যায়? কিন্তু কলকাতায় কাকার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করতে হলে এই সামান্য টাকাই মাসের শেষে অসামান্য হয়ে ওঠে। আজ টাকাটা সরাসরি চাইলে কেমন হয়? এমন সময় দীপালি বকুলের পিঠে একটা হালকা চড় মেরে বলল, ‘কী রে বকুল, ধ্যান করছিস নাকি?’

    বকুল হেসে বলল, হ্যাঁ, ধ্যানে কবিগুরুকে বলছি, গুরুদেব, প্লিজ আপনি একবার এসে প্রদীপকে উত্তরটা বলে দিয়ে যান।’

    প্রদীপ রেগে গিয়ে তেড়েফুঁড়ে বলল, ‘তোরা আমাকে কী ভাবছিস? গানবাজনার কিছু জানি না? তোরা র্যাভেলের বোলেরো শুনেছিস? ভিভালডির ফোর সিজন সম্পর্কে কোনও আইডিয়া আছে? ভোরাকের নিউ ওয়ার্ল্ড কী জিনিস জানিস? আলডি মেওলা, ইয়ানি, ন্যাটকিং কোলের নাম শুনেছিস জীবনে?’

    অল্প বয়সে প্রত্যেক দলেই একজন করে মোটা বন্ধু থাকে। অনেকদিন এই দলে সেরকম কেউ ছিল না। অনেক ভেবেচিন্তে ক্লাস ইলেভেনের মাঝামাঝি আর্টসের মোটা সুতপাকে দলে নেওয়া হল। প্রথমদিকে মেয়েটা খুব নাক কুঁচকেছিল। আজকাল বন্ধুদের সঙ্গে দেখা না হলে হাঁসফাঁস করে। ছুটির দিন টেলিফোনে জ্বালিয়ে মারে। তবে সমস্যা হয়েছে একটাই। গত এক বছর ধরে সুতপা ডায়েট শুরু করেছে এবং চটপট রোগা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তাকে বেশ ছিপছিপে দেখায়। রোগা হওয়ার অপরাধে যেহেতু কাউকে দল থেকে বহিষ্কার করা যায় না, সেহেতু সুতপা রয়ে গেছে। তবে তাকে এখনও ‘মোটা’ বলেই ডাকা হয়। সুতপা বলল, ‘প্রদীপ, আমরা স্বীকার করছি আমরা কিছুই জানি না এবং তুই সব জানিস। এবার তুই নন্দিতার প্রশ্নের উত্তরটা দে।’

    প্রদীপ গলাখাঁকারি দিয়ে বলল, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রাবণ মাস নিয়ে আটখানা গান লিখেছেন। ওনলি এইট।’

    নন্দিতা বলল, ‘হয়নি।’

    প্রদীপ বলল, ‘আলবাত হয়েছে। তুই গীতবিতান আনা।’

    নন্দিতা চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। বলল, কিছুই আনাতে হবে না। বন্ধুগণ, প্রশ্নোত্তরের পালা শেষ, এবার গিফট-টাইম। উপহারের সময়। তোমরা নিশ্চয়ই অধীর আগ্রহে ভাবছ, শ্রাবণ মাসের প্রশ্নের সঙ্গে মানানসই উপহার কী হতে পারে? আমি এমন একটা উপহার আজ তোমাদের জন্য ভেবেছি যা তোমরা কল্পনাও করতে পারবে না। আগামীকাল শ্রাবণ মাসের ২৫ তারিখ, রবিবার। কাল আমরা পিকনিকে যাব। সবাই শীতকালে পিকনিক করে, আমরা পিকনিক করব বর্ষাতে। যাবতীয় ব্যবস্থা আমার।’

    যিশু গিটার সরিয়ে রেখে বলল, ‘শ্রাবণ মাসে পিকনিক!’ কিঞ্জল বলল, ‘আইডিয়া ইউনিক, তবে ভয়ংকর। ছাতা নিয়ে পিকনিকে যাচ্ছি শুনলে বাড়িতে হাসবে যে!’ সুচন্দনা বলল, ‘খেপেছিস? এই সময়ে বৃষ্টিতে ভিজলে নিউমোনিয়া মাস্ট। জন্ডিসের উপর নিউমোনিয়া হলে ভয়ংকর। মা ভিয়েনা থেকে ফিরে এসেই ত্যাজ্য কন্যা করে দেবে?’ দীপালি বলল, ‘আমি যাব না। ভিজলো আমার অ্যালার্জি হয়।’ বকুল বলল, নন্দিতা তুই প্রশ্ন বদলে দে। শ্রাবণের বদলে পোষ করলে কোনও ক্ষতি নেই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পৌষ মাস নিয়েও গান লিখেছেন। ওই তো, পৌষ তোদের ডাক দিয়েছে আয় রে চলে আয়। আমরা পৌষ মাসেই না হয় পিকনিকে যাব।’ অর্ণব চশমা খুলে চিন্তিত মুখে বলল, ‘ওয়েদার ফোরকাস্টটা জেনে নিয়ে যদি রওনা দেওয়া যায়….।’ সুতপা ধমকে উঠে বলল, ‘রাখ তোর ফোরকাস্ট। আমি কোনও পাগলামিতে নেই।’

    আঁখি বলল, ‘আমার কিন্তু ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে। বৃষ্টিতে ভিজে পিকনিকে মনে হচ্ছে মজাই হবে। সমস্যা শুধু রান্নার। উনুনে ধরানো হবে কী করে? জলে তো ভিজে যাবে।’ প্রদীপ রেগে আছে। সে বিরক্ত গলায় বলল, ‘শ্রীমতী প্রশ্নময়ী, আপনার উপহারের বদভ্যাসটা এবার মনে হচ্ছে ছাড়ার সময় এসেছে। আপনি কি বুঝতে পারছেন যে, আপনি সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন?’

    নন্দিতা হাত তুলে সবাইকে থামাল। বলল, ‘উফ! তোরা সবটা না শুনেই লাফাচ্ছিস? আমাদের স্পট হল কোলাঘাট। রূপনারায়ণ নদীর ধার। নদীতে ঝুপঝুপ করে বৃষ্টি পড়বে। মেনু হবে খিচুড়ি আর ইলিশমাছ ভাজা। নদীতে বৃষ্টি দেখতে দেখতে খাব।’

    সুচন্দনা বলল, ‘নদীর ধারে বসে খাব কী রে? বৃষ্টির জলে ইলিশমাছ ভাজা কি আর ভাজা থাকবে। ঝোল হয়ে যাবে। লোকে খায় সর্ষে-ইলিশ, আমাদের খেতে হবে বৃষ্টি-ইলিশ।’

    নন্দিতা বলল, ‘তোরা এত ভিজব ভিজব করছিস কেন বল তো? আমরা কি খোলা আকাশের তলায় বসে থাকব? বাবার বন্ধু ঘোষকাকু কোলাঘাটে একটা ফ্যানটাস্টিক বাংলো কিনেছেন। একেবারে নদীর গায়ে। বাংলার স্পেশালিটি কী জানিস? সব ঘর থেকে নদী দেখা যায়। আর বারান্দায় বসার জায়গাগুলো কেমন, শুনলে তোদের চোখ কপালে উঠে যাবে। অর্ডার দিয়ে বেতের চেয়ারগুলো সব নৌকোর মতো বানানো। বসলে মনে হবে নৌকোয় চেপেছিস। ঘোষকাকুর সঙ্গে আজ সকালেই আমার ফাইনাল কথা হয়ে গেছে। কুক কেয়ারটেকার সব ব্যবস্থা করে রাখবেন। এভরিথিং। এবার বল, কে কে যাবি না? কেউ না গেলে কোনও অসুবিধে নেই। আমি একাই যাব। শীতকালের পিকনিকে অনেক লোক লাগে। বর্ষার পিকনিক একা-একাই করা যায়, কেউ না হলেও চলে। কারণ, সঙ্গে বৃষ্টি থাকে। আঁখি, কাগজ বের করে নামগুলো লিখে ফেল। তুই হলি আমাদের বর্ষা-পিকনিকের ম্যানেজার। সুতরাং যা করবার এখনই করতে হবে।’

    যিশু লাফিয়ে উঠে বলল, ‘আমার নাম প্রথমে লিখবি আঁখি।’

    দীপালি একটু আগেই অ্যালার্জির কথা বলছিল। এখন দেখা গেল তার উৎসাহ সবচেয়ে বেশি। বলল, ‘আমার প্রস্তাব হল, সবাইকে কিন্তু চাঁদা দিতে হবে। একশো টাকা পার হেড। নন্দিতা বর্ষা-পিকনিকের প্ল্যান দিয়েছে, জায়গা ঠিক করে দিয়েছে, বাংলো দিয়েছে। এটাই ওর দুর্দান্ত উপহার। তা ছাড়া চাঁদা ছাড়া পিকনিক হয় না, নেমন্তন্ন নেমন্তন্ন লাগে। তোদের কারও আপত্তি আছে?’

    সুচন্দনা বলল, ‘আমার আপত্তি আছে। আমি চাঁদা দেব না। আমি দেব গাড়ি। আমাদের নতুন বোলেরোতে সবাইকে ধরে যাবে।’

    সুতপা কাঁদোকাঁদো গলায় বলল, ‘নন্দিতা, তোর ঘোষকাকুর বাংলোর কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল। বাড়ির জন্য মন কেমন করছে। কেননা, এই মুহূর্তে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম— প্রয়োজনে আমি বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে পিকনিকে জয়েন করব।’ সবাই হো হো করে হেসে উঠল।

    প্রদীপ এবং বকুল ছাড়া সকলেই নাম লিখিয়েছে। প্রদীপ গম্ভীরভাবে বলল, ‘আমি যাব না। কাল আমার কাজ আছে।’ বকুল কেন যাবে না সে-কথা পরিষ্কার করে বলতে পারল না। খানিকটা আমতা আমতা করে বলল, ‘আমায় এবার ছেড়ে দে।’

    সম্প্রতি একটা ব্যাপার হয়েছে। আঁখি বকুলের সঙ্গে কথাবার্তা একদম কমিয়ে দিয়েছে। বিষয়টা এখনও অন্যদের চোখে পড়েনি। শুধু কথা নয়, বকুলের মুখের দিকেও আজকাল আঁখি কম তাকাচ্ছে। মনে হয়, দু’জনের মধ্যে বড় ধরনের কোনও ঝগড়া হয়েছে। তবে ঠিক কী হয়েছে বলা যাচ্ছে না।

    বকুলের কথা শুনে আঁখি অন্যদিকে তাকিয়ে বলল, ‘ছেড়ে দেওয়ার কী আছে। আমরা কাউকে পা ধরে সাধিনি।’ বকুল খানিকটা থতমত খেয়ে বলল, ‘ঠিকই।’

    স্কুল ছুটির পর সুচন্দনা বলল, ‘ম্যানেজার হওয়ার পর থেকে আঁখি কেমন গম্ভীর হয়ে গেছে, না?’ দীপালি বলল, ‘এই যে গম্ভীর-সুন্দরী, একবার লিস্টটা দেখতে পারি? হাঁটতে হাঁটতে একবার চোখ বুলিয়ে নিতাম।’

    আঁখি বলল, ‘না, দেখতে পারো না। এটা তোমার ক্লাস নোটস নয় যে, বারবার চোখ বোলাতে হবে।’

    তালিকা না দেখিয়ে আঁখি ভালই করেছে। সেখানে বকুলের নাম দেখে নিশ্চয় দীপালি খুব অবাক হয়ে যেত। যে যাবে না বলল, আঁখি তার নাম লিখল কোন আক্কেলে?

    রাতে অনেকগুলো গোলমাল হল। প্রথম গোলমাল হল, আটটা নাগাদ মুষলধারে বৃষ্টি নামল। এক ঘণ্টার মধ্যে বালিগঞ্জ ফাঁড়িতে জল জমে গেছে। সুতপার বাবা জুতো হাতে করে বাড়িতে এলেন। এসেই ঘোষণা করলেন, সবচেয়ে খারাপ ঋতুর নাম হল বর্ষা ঋতু। কাল আর বাড়ির বাইরে কারও পা দেওয়ার দরকার নেই। দ্বিতীয় গোলমাল সুচন্দনার। সে বাড়ি এসে ই-মেল খুলে দেখল মায়ের চিঠি এসেছে। কয়েক লাইনের চিঠি: চন্দনা, কনফারেন্স থেকে ফিরে এসে তোমাকে লিখছি। খুব পরিশ্রম যাচ্ছে। একটার পর একটা সেশন। তবে সারা পৃথিবীর সেরা চিকিৎসকদের সান্নিধ্যে পরিশ্রমের কথা মনেই থাকে না। এখনও জায়গাটা ঘুরে দেখা সম্ভব হয়নি। শুনেছি, এখানে একটা ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট আছে। সেখানে নাকি ইলিশমাছের পাতুরি পাওয়া যায়। ভিয়েনায় ইলিশমাছের পাতুরি। তবু তুমি কিন্তু এই সিজনে ভুলেও ইলিশমাছ খাবে না। আদর নিয়ে। ইতি—মা। তিন নম্বর গোলমাল হয়েছে দীপালির। তার জ্বর এসেছে। হালকা জ্বর, সঙ্গে সর্দি। যিশুর গোলমাল অবশ্য তেমন সিরিয়াস নয়। তার টিউটর আজ যাওয়ার সময় বলে গেছেন, সোমবার তিনি অর্গানিক কেমিস্ট্রির উপর একটা টেস্ট নেবেন। পরীক্ষা যিশুর কাছে তেমন বিষয় নয়। আজ রাত জেগে পড়ে ফেলবে। সমস্যা হল, রাত জাগার পরদিন পিকনিক কেমন হবে? রাত জেগে পরীক্ষা হয়, পিকনিক কি হয়?

    এদিকে সুতপার গোলমাল সিরিয়াস গোলমাল। পিকনিকের কথা শুনে তার মা ভয়ংকর চেঁচামেচি শুরু করেছে। যে-বরা বর্ষাকালে পিকনিক করার প্ল্যান করে, তাদের সংস্পর্শে থাকাটা যে কত বড় বিপদে, বারবার সে-কথা বলছেন। সুতপা অবশ্য দেরি করেনি, অনশন শুরু করে দিয়েছে। বিকেলের টিফিন খায়নি, রাতেও কিছু খাবে না। অনশনে কাজ না হলে ভোররাতের দিকে বাড়ি থেকে পালাবে বলে মন শক্ত করছে। কিঞ্জলের গোলমাল হয়েছে ক্রশওয়ার্ডের বই নিয়ে। বই কিনে ঠকে যাওয়ার ঘটনা বাড়িতে জানাজানি হয়ে গেছে। লাল গম্ভীর হয়ে বলেছেন, যে-ছেলে এরকম ঠকতে পারে, তার পড়াশোনা হবে না। কিছুই হবে না। তাকে গাধারাও দলে নেবে না। এর পর পিকনিকের প্রসঙ্গ তোলা যায় না। রাত দশটা পর্যন্ত তোলাও যায়নি। বকুল পিকনিকের মধ্যে নেই। তবু এমন একটা ব্যাপার, যার মাথামুণ্ডু কিছুই সে বুঝতে পারছে না। স্কুল থেকে ফিরে ব্যাগ খোলার সময় দেখেছে চেনের ফাঁক দিয়ে একটা খাম ঢোকানো। খামের মধ্যে একশো টাকার একটা নোট। উপরে লেখা ‘পিকনিকের চাঁদা’। হাতের লেখা দেখে মনে হচ্ছে, মেয়ের। সম্ভবত প্রদীপের কাণ্ড। ওর হাতের লেখাটা মেয়েদের মতো ছোট ছোট। বকুলের বাড়িতে ফোন নেই। বাইরে গিয়ে প্রদীপকে যে একটা ফোন করবে তার উপায় নেই। বৃষ্টি পড়ছে। খুবই গোলমেলে ব্যাপার। বকুল বেশ চিন্তায় পড়েছে। তবে সবচেয়ে বড় গোলমালের ঘটনাটা ঘটল রাত দশটায়। প্রদীপ আঁখিকে ফোন করে বলল, ‘আঁখি, কাল পিকনিকে গীতবিতানটা নিয়ে যাস। গাধাদের একবার সূচিপত্রটা খুলে দেখতে বলিস। দেখবি, শ্রাবণ দিয়ে শুরু এমন গান আছে ঠিক আটটাই। ওনলি এইট। হুঁ, আমাকে গান শেখাচ্ছে। তুই ম্যানেজার বলেই তোকে ফোন করলাম। গুড নাইট। আর হ্যাঁ, খবরদার আমাকে তোদের সঙ্গে যাওয়ার জন্য সাধাসাধি করবি না।’

    বোম্বে রোড ধরে যখন হালকা হলুদ রঙের বোলেরো জি-এল-এক্স ছুটছে, আকাশ তখন ঝকঝকে। ধোয়া নীল আকাশে টুকরো টুকরো সাদা মেঘ। শ্রাবণ কোথায়? মনে হচ্ছে আশ্বিন মাস। বড় একটা ধাবার সামনে গাড়ি এসে দাঁড়াল। টি ব্রেক।

    চারপাশটা ভারী চমৎকার। ঠান্ডা ঠান্ডা একটা হাওয়া। রোদেও একটা নরম ভাব। তবু সকলের মুখটা কেমন যেন শুকনো শুকনো।

    নন্দিতা একটা অফ হোয়াইট জিনসের উপর নীল টি-শার্ট পরেছে। ভাঁড়ে চুমুক দিয়ে বলল, ‘তোরা ঘাবড়ে যাস না। দেখবি ঠিক বৃষ্টি হবে। আরে বাবা, বর্ষাকালে এরকম হয়।’

    অর্ণব একটা অদ্ভুত কাণ্ড করেছে। সাদা চুড়িদার পাজামার উপর বাদামি রঙের লম্বা ঝুলের একটা পাঞ্জাবি পরেছে। পাজামা-পাঞ্জাবি পিকনিকের পোশাক নয়, বিয়েবাড়ির পোশাক। তবু অর্ণব এটা পরেছে তার কারণ, পাঞ্জাবির উপর ফেব্রিক করে কবিতার কয়েকটা লাইন লেখা আছে। কবিতাটা বৃষ্টি নিয়ে: ‘এই মেঘ, এই জল/কোথায় যাবি বল?/কোথায় তোর ভালবাসার ছল?’ এর পরে আজ এই পাঞ্জাবি না পরে উপায় আছে। কিন্তু কোথায় বৃষ্টি? কোথায় জল? অর্ণব ক্ষীণস্বরে বলল, ‘কাল রাতে আমি কিন্তু বি বি সি-র ফোরকাস্ট শুনলাম। ওয়েস্টার্ন কোস্টের ওপর হেভি ক্লাউড…।’ দীপালি বলল, ‘রাখ তোর বি বি সি।’ দীপালি পরেছে সবুজ রঙের শাড়ি। মেঘলা দিনে সবুজ শাড়ি নাকি জঙ্গল জঙ্গল এফেক্ট তৈরি করে। দীপালির ক্ষেত্রে কিন্তু সেরকম কোনও এফেক্ট তৈরি করছে না। কারণ তার গলায় একটা ক্যাটক্যাটে বেগুনি রঙের মাফলার। ঠান্ডা লাগার জন্য তাকে বাধ্য হয়ে এই মাফলার নিতে হয়েছে। যিশু আজ তার পেপে-জিনসটা পরেছে। এই রংটা যিশুর পছন্দের রং নয়। কিন্তু প্যান্টে অনেকগুলো পকেট আছে। সেখানে যিশু গিটারের তার, ফিংগার রাখতে পেরেছে। গিটারটাকেও সে এনেছে খুব যত্ন করে। কালো রেক্সিনের কভার গাড়িতে ওঠার সময় সুচন্দনা বলেছিল, ‘গিটারটাকে তুই গাড়ির মাথায় দিয়ে দে।’ যিশু গাড়ি থেকে নেমে বলল, ‘তা হলে তোরা রওনা দে। আমি বাসে যাব।’ সুতরাং তাকে কোলে গিটার নিয়ে বসার অনুমতি দিতে হয়েছে। চা খেতে নামার সময়ও যিশুর কাঁধে গিটার। মনমরা মুখ করে বলল, ‘কী হবে নন্দিতা? আমি যে কাল রাত জেগে দু’খানা বর্ষার গান তৈরি করে ফেললাম। এই রোদে কি সেই ঝড়-বৃষ্টির গান মানাবে?’ সুতপা আজ পোশাক পরেছে বটে! মেরুন রঙের র‍্যাপ অ্যারাউন্ড স্কার্টে তাকে দুর্দান্ত লাগছে। কে বলবে ক’দিন আগেও তাকে মোটা হিসেবেই এই দলে ঠাঁই দেওয়া হয়েছিল। সুতপা বলল, ‘সেকী রে, তুই নাকি কাল রাত জেগে অর্গানিক পড়েছিস? গান লিখলি কখন?’ যিশু রেগে গিয়ে বলল, ‘চুপ কর মোটা।’ সুতপা হেসে বলল, ‘আহা, রাগ করছিস কেন, কলা খাবি? জানিস তো, কলা খেলে গলা খোলে।’

    গতকাল রাতে অনশন করায় আজ গাড়িতে ওঠার পর থেকে সুতপা খাইখাই করছে। এখন যেমন সে চায়ের সঙ্গে কলা খাচ্ছে। সুচন্দনা মুখ বেজার করে ধাবার খাটিয়ার উপর পা গুটিয়ে বসে আছে। সে পরেছে একটা ক্যাপরি আর টি-শার্ট। অ্যানেবেলের টি-শার্টে এমব্রয়ডারির উপর চুমকি বসানো। রং ঘন নীল। সুচন্দনা খুব বাছাই করে এই জামা পরেছে। সে ভেবেছিল, চুমকিগুলোতে মেঘের ছায়া এসে পড়বে। মনে হবে সে গায়ে খানিকটা মেঘ মেখে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এখন চুমকিতে এমন রোদ ঝলসাচ্ছে যে, বেশিক্ষণ তার দিকে তাকানোই যাচ্ছে না। বেচারা এতে মুখ বেজার করবে না তো কীসে করবে? আঁখি আজ একদম ধবধবে সাদা সালোয়ার কামিজ পরেছে। শুধু ওড়নাটা লাল। প্রত্যেকদিনের মতো আজও তাকে ভারী সুন্দর দেখাচ্ছে। শুধু চোখের তলাটা কেমন যেন ফোলাফোলা। অনেক সময় বেশি কান্নাকাটি করলে এরকম হয়। অর্ণব বলল, ‘যথা আজ্ঞা ম্যানেজার সাহেব। ইস, বকুল আর প্রদীপ খুব মিস করল। ওরা এলেই পারত! প্রদীপটার না হয় কাজ আছে, বকুল কেন এল না রে?’ আঁখি অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে বলল, ‘কে জানে! মনে হয় চাঁদার পয়সা নেই। না এসেছে ভালই হয়েছে। গোমড়ামুখোদের নিয়ে পিকনিক হয় না।’

    গাড়ি ছাড়ার ঠিক আগে একটা বাস এসে দাঁড়াল ধাবার সামনে। একটা লম্বা ছেলে হাত নাড়তে নাড়তে দৌড়ে এল। হলদে টি-শার্ট পরা ছেলেটার জামা রোদে ঝকমক করছে। কাঁধে এটা কী? প্রদীপ যে সত্যি সত্যি ছাতা নিয়ে এসেছে। হাঁফাতে হাঁফাতে সে যখন গাড়ির দরজা খুলল, তখন দেখা গেল শুধু ছাতা নয়, তার হাতে একটা গীতবিতান রয়েছে। গাড়িতে উঠে বলল, ‘পথেই তোদের দেখতে পেয়েছি। নে চল। আঁখি, ফান্ড থেকে আমার বাসভাড়া দিয়ে দিবি।’

    নদীর কাছে এলে মানুষ শান্ত হয়ে যায়। অস্থির ভাব দূর হয়ে যায়। এদের ক্ষেত্রে উলটো হল। এরা নদী দেখামাত্রই ভয়ানক অস্থির হয়ে পড়েছে এবং লাফালাফি শুরু করছে। এই দলের প্রায় প্রত্যেকে কোনও-না-কোনও সময় নদী দেখেছে। কেউ কেউ বহুবার দেখেছে। তবু মনে হচ্ছে, এরা আজ এই প্রথম নদী দেখছে। ভবিষ্যতেও দেখার চান্স কম। সকলেই নদীর দিকে দৌড়ে গেল। দৌড়োতে গিয়ে দীপালি হুমড়ি খেয়ে পড়ল এবং তার কনুই ছড়ে গেল। প্রদীপ তাকে টেনে তুলেছে ঠিকই, কিন্তু নিজে উলটে পড়েছে। দীপালি বালি ঝেড়ে হাততালি দিতে দিতে আবার ছুট লাগল।

    বর্ষার সময় নদীতীরে বালির চর থাকে না। সব চরই জলে ডুবে যায়। আশ্চর্যভাবে এখানে একটা চর জেগে রয়েছে। ভিড় থেকে সরে গিয়ে এই চর নদীপার ধরে চলে গেছে, বেশ অনেকটা। পারে বড় বড় গাছে কেমন একটা জঙ্গলমতো। তারা ঝুঁকে আছে চরের উপর। তাকিয়ে আছে নদীর দিকে। খানকতক কালো রঙের বোল্ডার ছুঁয়ে জল চলে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে, রূপনারায়ণ জানত আজ এরা আসবে। ওদের জন্যই সে এই চর সাজিয়ে রেখেছে। গাড়ি সেই চরের পাশে দাঁড়ানোমাত্র সবাই একেবারে পড়িমরি করে নেমে ছিটকে ছড়িয়ে পড়েছে। এই সময় একবার এরা যদি মাথা তুলে তাকাত তা হলে দেখতে পেত, মেঘ আসছে। শ্রাবণের জল-ভরা কালো মেঘ।

    অর্ণবের অঙ্কের নেশা আছে, কিন্তু তার যে ছবি আঁকার শখ আছে সে-কথা কারও জানা ছিল না। ব্যাগ থেকে রংটং বের করে সে একদিকে বসে পড়েছে। স্কেচ হয়ে গেছে। কয়েকটা নৌকো, তার মধ্যে একটা আবার পালতোলা। দূরে কোলাঘাট থার্মাল পাওয়ারের চিমনি দেখা যাচ্ছে। ছবি বেশ খারাপ হয়েছে। কিন্তু অর্ণবের মুখ দেখে মনে হচ্ছে, পৃথিবীর সেরা নিসর্গ চিত্রগুলির একটি আজ সৃষ্টি হতে চলেছে। জলে মেঘের ছায়া। অর্ণব প্যালেটে বেশি করে কালো রং গুলল। সুচন্দনা আর সুতপা বালির উপর পা ছড়িয়ে বসে লুডো খেলা শুরু করেছিল। বর্ষাকালের পিকনিক বলে ইন্ডোর গেম্‌স। কিন্তু খেলা শুরু হতে-না-হতেই ভেস্তে গেল। ঝোড়ো হাওয়ায় দুটো হলুদ আর একটা সবুজ গুটি হারিয়ে গেল। সুচন্দনা বলল, ‘দুর, লুডো খেলে সময় নষ্ট করার কোনও মানেই হয় না।’

    সুতপা বলল, ‘আমার খিদে পেয়েছে। ঘোষকাকুর বাংলো কোথায় রে?’ সুচন্দনা নাক কুঁচকে বলল, ‘কাছাকাছিই হবে নিশ্চয়। বাংলো তো আর নদীর মধ্যে হবে না। তবে এখন আমি কিছুতেই বাংলোফাংলোতে যাব না। এই জায়গা ছেড়ে আমি নড়ছি না।’

    প্রদীপ লুকিয়ে দল থেকে অনেকটা সরে এসেছে। একটা গাছ বেছে নিয়ে তলায় বসেছে। এই গাছটার নাম কী? না, চেনা যাচ্ছে না। না জানলে ক্ষতি কী? গাছ নিশ্চয় চোখ পাকিয়ে বলবে না ‘এই যে মশাই, আপনি আমাকে চেনেন না, আমার তলায় এসে বসেছেন কেন?’ প্রদীপ নিজের মনেই হাসল। এই জায়গাটা মনে হয় কোলাঘাটের বিখ্যাত পিকনিক স্পটগুলোর মধ্যে একটা। না, বর্ষাকালে পিকনিকের প্ল্যানটা খারাপ নয়। পরিকল্পনার মধ্যে একটা পাগল পাগল ব্যাপার আছে ঠিকই। কিন্তু রাগ করে না এলে চমৎকার একটা মজা মিস হয়ে যেত। তবে শ্রীমতী প্রশ্নময়ীকে আজ জব্দ করতে হবে। আর সেজন্য সে গীতবিতান এনেছে। একেবারে শ্রাবণ মাস নিয়ে লেখা আটখানা গানের প্রথম কলি লিখে সে নন্দিতার সামনে নিয়ে গিয়ে ফেলবে। গুনগুন করতে করতে প্রদীপ গীতবিতানটা খুলল।

    দীপালি একটা কালো বোল্ডারের উপর চিত হয়ে শুয়ে আছে। আকাশ-ভরা মেঘ। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলে মনে হচ্ছে, নদী উপরে উঠে এসেছে। মেঘের নদী। একটু আগে সে নদীর কাছে পর্যন্ত গিয়ে ফিরে এসেছে। জলে পা ভেজায়নি। অ্যালার্জির ভয় আছে। কিন্তু এখন মেঘের নদী দেখতে দেখতে সে একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। ঠিক করেছে, সবাই বাংলোতে চলে গেলে সে আজ গোপনে নদীতে স্নান করবে। একটা তোয়ালে চাই।

    গাড়ি থেকে নেমে অল্প সময়ের মধ্যেই যিশু গিটার বের করেছে। অনেক সময় ধরে কান মুচড়ে মুচড়ে গিটারের তার বাঁধছে। সুচন্দনা বলল, ‘কী রে, গাইবি না?’ সুতপা বলল, ‘চট করে গেয়ে ফেল যিশু। কিছু গান শুনলে ঘুম পায়, কিছু গান শুনলে কান্না পায়, তোর গান শুনলে মনে হচ্ছে খিদে। নে শুরু কর, তোর গান শুনে খিদেটা বাড়িয়ে নিই।’ যিশু বলল, আমি গাইলে তো তেড়ে মারতে আসিস। আজ এতবার বলছিস কেন?’ সুতপা বলল, ‘সামনেই নদী তো, সেজন্য বলছি।’ সুচন্দনা অবাক হয়ে বলল, ‘মানে? নদীর সঙ্গে গানের কী সম্পর্ক?’ সুতপা বলল, ‘নদী জঙ্গল সমুদ্র পাহাড়ের গুণ কী জানিস? এরা নিজেরা অনেকটা সুর সাপ্লাই করতে পারে। মহা বেসুরো লোককেও দেখবি বেড়াতে বেরিয়ে গলা খুলে গান করে।’

    যে-যিশু গাইবার জন্য সবসময় পাগল হয়ে থাকে সে গম্ভীর হয়ে বলল, ‘না, গাইব না। বৃষ্টি না নামলে আজ আমি গাইব না।’

    অনেকটা গোটানো সত্ত্বেও ঢেউ চলকে উঠে প্যান্ট ভিজিয়ে দিচ্ছে। কিঞ্জল নদীর জলে পা ডুবিয়ে ক্রশওয়ার্ড পাজ্‌লের ঠকে যাওয়া বইটা খুলে বসেছে। মজার কথা হল, আজ দেখা যাচ্ছে পেন দিয়ে করে রাখা পাজ্‌লগুলোর প্রায় সবকটাই ভুল। টুথলেসের মতো সহজ বানানে পর্যন্ত একটা এস! সামান্য একটা পেনসিল দিয়ে এক-একটা ভুল বের করার পর তার আনন্দে লাফিয়ে লাফিয়ে উঠতে ইচ্ছে করছে। নদীর জলে পা দেওয়া আছে বলে লাফানো যাচ্ছে না। নদীর নিয়ম হল, একবার পা ডুবিয়ে বসলে চট করে সেই পা তুলতে নেই। নদী রাগ করে।

    আঁখি একেবারে নদীর ধারে এসে দাঁড়িয়েছে। ঠিক এই পর্যন্ত এসে বালির চর শেষ হয়েছে। জল ছলকে উঠে আসছে এখানে। আঁখি সাদামাটা সাজলে কী হবে, তাকে এখন জলপরির মতো দেখাচ্ছে। মনে হচ্ছে, মেয়েটা এই বুঝি জল থেকে উঠে এল। এই জায়গাটা থেকে রূপনারায়ণের একটা বাঁক দেখা যায়। নদীর বাঁক যে-কোনও মানুষের মন ভাল করে দেয়। মনে হয়, এখান থেকে আর ফিরব না। বাঁক দেখতে পেলেও আঁখির মন একটুও ভাল লাগছে না। তার কলকাতায় ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে। কী মুশকিল, আঁখির হল কী? আসলে খুব সুন্দর দৃশ্যের সামনে দাঁড়ালে অনেক সময় প্রিয়জনের জন্য মন কেমন করে। কে জানে আঁখিরও হয়তো সেরকম কিছু হচ্ছে।

    নন্দিত চর ধরে হাঁটছে। তার একপাশে নদী, অন্যপাশে পার বরাবর গাছ। হঠাৎ দেখলে মনে হবে জঙ্গল। আসলে জঙ্গল নয়, কোনও পুরনো বাড়ির বাগান। এতক্ষণ নদীর জল ছিল সোনালি, এখন কেমন একটা ছাই ছাই রং নিয়েছে। একটু আগে পর্যন্ত নদী থেকে ঝুপ ঝুপ শব্দ শোনা যাচ্ছিল। ঢেউয়ের শব্দ। সেই শব্দ হঠাৎ করে যেন খানিকটা বেড়ে গেছে। ঢেউগুলো খানিকটা উঁচু হয়েছে। জলের এই একটা মজা। বৃষ্টির খবর ওরা অনেক আগে পেয়ে যায়। তারপর লাফালাফি শুরু করে দেয়, নাচতে থাকে। নন্দিতা দাঁড়িয়ে পড়ল। অদ্ভুত লাগছে। গায়ের ভিতরটা কেমন যেন শিরশির করছে। তার ইচ্ছে করছে, লাফাই, চিৎকার করি। মনে হচ্ছে কেউ কোথাও নেই। শুধু নদী আর সে।

    না, শুধু নদী আর সে নয়। ওই যে প্রদীপ আসছে। গাছের আড়াল থেকে প্রদীপ বেরিয়ে এসেছে। হন্তদন্ত হয়ে আসছে। কাছে আসতে নন্দিতা বলল, ‘কী হল রে, হাঁফাচ্ছিস কেন?’

    প্রদীপ কাঁচুমাচু মুখে একটা কাগজ এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘সরি নন্দিতা, আটটা নয়। আসলে আমি ভুল বুঝেছিলাম। শ্রাবণ মাস দিয়ে শুরু হয়েছে এমন গান আটখানা ঠিকই। কিন্তু শ্রাবণ নিয়ে রবীন্দ্রনাথ গান লিখেছেন অনেক বেশি। এখন পর্যন্ত আটত্রিশটা পেয়েছি। লিস্টটা দেখবি?’ নন্দিতা হেসে বলল, ‘নিশ্চয়ই শুনব। তবে এখানে নয়। চল, একেবারে বাংলোতে গিয়ে সবাই মিলে শুনব। খিদেও পেয়ে গেছে। চল, রাস্তাটা পেরোলেই ঘোষকাকুর বাংলো। তাড়াতাড়ি পা চালা, নইলে, বৃষ্টি এসে গেলে ভিজতে হবে।’

    প্ৰদীপ আর নন্দিতা বাকিদের ডাকতে এসে দেখল, সকলে নদীর ধারে ভিড় করে দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে একটা নৌকো। নৌকোটাকে খানিকটা চরের উপর তোলা। একটা লোকের সঙ্গে দীপালি আর কিঞ্জল হাত-পা নেড়ে কী যেন বলছে। লোকটার খালি গা, চিবুকে দাড়ি, কাঁধে গামছা। মনে হয় মাঝি হবে।

    নন্দিতাদের দেখে কিঞ্জল হাত তুলে চিৎকার করে বলল, ‘চলে আয়, ভাড়া ঠিক হয়ে গেছে। একপিঠ স্টুডেন্টস কনসেশন পেয়েছি। মাঝিভাই বলেছে, নদীর ভিতর যাওয়াটা ফ্রি। কোনও পয়সা লাগবে না। ফেরার জন্য শুধু পয়সা নেবে। যে ফিরবে না তার পয়সা লাগবে না। আমি তো ফিরব না। দেরি করিস না, উঠে আয়।’ নন্দিতারা দৌড় দিল। এদিকে নৌকোর উপর সুতপা আর অর্ণব তখন তুমুল ঝগড়া করছে। সুতপা বলছে, ‘অ্যাই জিরো, আমি সাঁতার জানি না, আমি মাঝখানে বসব। তুই সরে যা।’ অর্ণব বলছে, ‘আমি মাঝখানে বসব। আমি স্কেচ করতে করতে যাব।’

    যিশু নৌকোর একদিকের মাথায় বসে গান শুরু করে দিয়েছে। আশ্চর্যের ঘটনা হল, সে নিজের তৈরি গান না গেয়ে একটা রবীন্দ্রসংগীত গাইছে।…আমার যে দিন ভেসে গেছে…। বাঃ, ভারী চমৎকার গাইছে তো!

    দীপালি ঠিক করেছে সে দাঁড়িয়ে যাবে। প্রদীপ জামাপ্যান্টে কাদা মাখিয়ে ফেলে হাসতে লাগল। বলল, ‘হ্যাঁরে, নৌকোবিহারটা বিকেলে করলে হত না?’ কিঞ্জল ধমক দিল, ‘বিকেলে এই মাঝিভাইকে পাব কোথায়?’ নন্দিতা শক্ত করে ধরে বসেছে। বলল, ‘দীপালি, মাঝনদীতে বৃষ্টি নামে যদি!’ দীপালি উদাসীনভাবে অন্যদিকে তাকিয়ে বলল, ‘নামবে না। আমার সঙ্গে কথা হয়ে গেছে।’ দীপালির কথায় সবাই হেসে গড়িয়ে পড়ল।

    আঁখি পারে দাঁড়িয়ে আছে। সে নৌকোয় ওঠেনি। মাঝি তার কাছে এসে দাঁত বের করে হাসল। বিড়িতে টান দিয়ে বলল, ‘দিদিভাই, উঠে পড়েন। নৌকো ছেড়ে দিই।’

    আঁখি বলল, ‘আমি উঠব না।’

    লোকটা হলুদ দাঁত বের করে আবার হাসল। যেন আঁখি খুব মজার কথা বলেছে। বলল, ‘কেন দিদিভাই, ভয় লাগে?’

    আঁখি বলল, ‘না, ভয় না। আপনি যান। আমার ভাল লাগছে না।’

    মাঝি গলা নামিয়ে বলল, ‘ওঠেন, ওঠেন। নৌকো চড়ার ওইটেই মজা। একবার উঠলে দেখবেন সব ভাল লাগে। ভাল জিনিসও ভাল লাগে, মন্দ জিনিসও ভাল লাগে। হা হা। আসেন দিদিভাই, আমার হাত ধরেন।’

    নৌকো ভাসানোর সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টি নামল। নদীর জলে বৃষ্টির শব্দ খুব সুন্দর। ঠিক যেন বৃষ্টির গান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }