Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীল পাহাড় – ওবায়েদ হক

    ওবায়েদ হক এক পাতা গল্প166 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নীল পাহাড় – ১১

    এগার

    অন্ধকার ঘরে হাত-পা বাঁধা মানিক মৃত্যুর অপেক্ষা করতে করতে তাঁর জীবনটা কল্পনা করে নিল। বাঁশের সিঁড়িতে পদধ্বনি শুনে মানিক চোখ বন্ধ করে রেখে প্রিয়জনদের মুখ মনে করার চেষ্টা করল, কিন্তু হায় কারো চেহারাই মনে ভাসল না। হন্তারকদের আক্রোশ ভরা কণ্ঠের জন্য অপেক্ষা করতে লাগল সে। আংসাই এখনো ঘুমাচ্ছে, তার নাকডাকায় কোনো বিরতি নেই, ক্লান্তিহীনভাবে ডেকেই যাচ্ছে। তার জাগার সময় হয়েছে। কিন্তু যারা এলো তারা আংসাইকে জাগাল না।

    ডাক্তার বাবু।

    ক্রাসিমার গলা শুনে চমকে উঠল, চোখ খুলে আরো চমকে উঠল, ক্রাসিমার সাথে মংতো আর খায়াচিং। ক্রাসিমা বলল—

    আমরা আপনাকে মারতে আসিনি, বাঁচাতেও আসিনি, আরো একটা উপকার চাইতে এসেছি। এর আগে আপনার উপকার চেয়েছি দাবি নিয়ে, এবার কোনো দাবি নেই।

    মানিক হতবিহ্বল হয়ে বলল—

    আমি মৃত্যুপথযাত্রী, আমি তোমাদের জন্য কী করতে পারি গলাটা বাড়িয়ে দেয়া ছাড়া?

    আপনি জীবন বাঁচাতে পারেন, উমের সন্তান হচ্ছে, সে বোধহয় মারা যাচ্ছে।

    .

    আংসাইকে নির্বিঘ্নে ঘুমাতে দিয়ে তারা সবাই চলে এলো। মন্দিরের পেছনে একটা কুঁড়েঘরে প্রসবের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই গ্রামে এখানেই সব শিশু জন্ম নেয়। এখানে তিন দিন কাটিয়ে মায়ের কোলে শিশু নিয়ে ঘরে ফেরে। সেই ঘরে ফেরা নিয়েও উৎসব হয়, মন্দিরে পুজো দেয়া হয়, ঢাক বাজানো হয়। উমের কপালে সেই ঢাকের শব্দ নেই, তাকে বরণ করা হবে নিঃশব্দে ঝরা কিছু অশ্রু দিয়ে।

    এখনো ভোর হতে কিছু সময় বাকি আছে। কিন্তু অনেকেই এই কুঁড়েঘরের সামনে উদ্বিগ্ন মুখে বসে আছে। তারা উমের জন্য উদ্বিগ্ন, তার সন্তানের জন্য নয়। মানিককে দেখে একটা গুঞ্জন হলো, ফিসফাসও হলো। একজন মহিলা এসে কাঁদো কাঁদো গলায় বলল—

    কপাল পোড়া মাইয়া, তারে বাঁচান। অবস্থা খুব খারাপ।

    মানিক ভেতরে ঢুকে গেল, হরিকেন জ্বালানো আছে, নিচে খড় পেতে বিছানা করা হয়েছে। উমে শুয়ে আছে আর হাঁপাচ্ছে। কিন্তু বৃদ্ধা উমের মাথার কাছে বসে আছে। মানিক প্রথমেই মাথায় হাত রাখল, প্রচণ্ড জ্বর। মানিকের হাতের স্পর্শেই উমে চোখ খুলল।

    মানিককে দেখেই তার মুখে একটু হসি ফুটে উঠল, তারপর বলে উঠল—

    আমার বাচ্চাটারে বাঁচান বাবু।

    মধ্যরাত থেকেই প্রসব বেদনায় ভুগছে উমে। প্রচুর রক্ত ঝরেছে, ক্লান্ত হয়ে পড়েছে সে। তবুও হল ছাড়েনি। এখন মানিককে দেখে একটু স্বস্তি পেল সাথে সাথে অনুতপ্ত হলো। এই মানিককেই কাপুরুষ বলেছিল, আজ সে মানিক নিজের মৃত্যুকে সামনে রেখে তাকে বাঁচাতে এসেছে।

    মানিক দেখল উমের অবস্থা আসলেই অনেক খারাপ, কোনো রকম ঔষধ ছাড়া তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়। উমের দিকে একটু করুণায় তাকাল, উমে যেন সব বুঝে নিল, শ্বাস টেনে বলল—

    দোহাই লাগে ডাক্তার বাবু, আমার জন্য চিন্তা করবেন না, আমার বাচ্চাটার যাতে কিছু না হয়।

    মানিক শার্টের হাতা গুটিয়ে কাজে নেমে পড়ল। এরই মধ্যে উমে কয়েকবার মূর্ছা গিয়েছে। সকালের সূর্যের প্রথম কিরণ বাঁশের বেড়ার ফাঁক দিয়ে ঢুকার সাথে সাথেই নবজাতক শিশুর চিৎকার শোনা গেল। মানিক দুই হাতে শিশুটিকে জাপটে ধরে উমের কাছে এনে বলল—

    তোমার ছেলে হয়েছে।

    উমের মুখটা ক্লান্তিতে ফ্যাকাসে হয়ে গেছে, ঠোঁট দুটি নেড়ে দুর্বলভাবে একটু হাসল। রাজ্যের শান্তি নিয়ে সে চোখ বন্ধ করল সাথে নিঃশাসও। তার সদ্য জন্মানে স্বল্পায়ু পুত্রকে অনাথ করে দিয়ে উমে মারা গেল।

    যার প্রাণের জন্য সবাই প্রার্থনা করেছে সেই মরল আর যার প্রাণ কেউ চায়নি সেই বেঁচে রইল। তবুও মানিকের কোলে থাকা ফুটফুটে শিশুটিকে সবাই কাঁথা সরিয়ে দেখছে। কী সুন্দর হয়েছে দেখতে সাথেই সাথেই এই অনাথের জন্য মনে ব্যথা অনুভবও করল সবাই। এই শিশুটিকে হত্যা করা হবে ভাবতেই বুক কেঁপে উঠল। কেউ না আবার মনে করিয়ে দেয় এই ভয়ে সবাই তটস্থ হয়ে রইল।

    গম্ভীর সে মায়া ভরা সকালে এই শিশুটির ভাগ্যে কী হবে তাই নিয়ে মনে তোলপাড় হচ্ছিল সবার। ঠিক তখন গ্রামের মধ্য থেকে মেয়েলি গলায় একটা ভয়ার্ত চিৎকার শোনা গেল। খায়াচিং আতঙ্কে বলে উঠল—

    উথাই।

    বলেই সে গ্রামের দিকে বিদ্যুৎবেগে ছুটে গেল, তার পেছনে বাকি সবাই। মানিকও চলল, তার কোলে উমের ছেলে।

    থুইনুপ্রুর মাঁচাং ঘরের সামনে জটলা লেগে আছে। কেউ কেউ কাঁদছে, সবাই ভেতরে ঢুকার চেষ্টা করছে কিন্তু মংতো কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না। হাহাকার-আর্তনাদে বাতাস ভারী হয়ে উঠল। খায়াচিং বারান্দায় উথাইকে জড়িয়ে ধরে আছে, ক্রাসিমাও বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে, তার মুখটা ভাবলেশহীন। মংতো মানিককে আটকাল না। মানিক ঘরের ভেতর উঁকি দিয়ে দেখল, থুইনুপ্রু শুয়ে আছে, তার চোখগুলো স্থির, সেখানে বিস্ময় ফুটে আছে। তার বুকের বাম দিকে একটি ছোরা গেঁথে আছে, বুক থেকে একটা করে ধারা বিছানা থেকে মেঝেতে নেমে এসেছে।

    পাহাড়িরা খুব ক্ষমাপ্রবণ। উথাইকে শাস্তি দেয়ার কথা কেউ ভাবতেই পারল না, কেউ এসে চোখ রাখল না, ধিক্কার, অভিশাপ দিল না। তাকে মহিলারা ঘিরে আছে। দূরে পুরুষেরা দাঁড়িয়ে শুধু আফসোস করছে আর দীর্ঘশ্বাস ছাড়ছে।

    উমে আর থুইনুপ্রুর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার প্রস্ততি চলছে। মংতো সব দেখাশুনা করছে। সেই এখন তাদের নেতা, কাউকে বলে দিতে হয়নি সবাই মেনে নিয়েছে।

    ক্রাসিমা এখনো ভাবলেশহীনভাবে দাঁড়িয়ে আছে, এতগুলো ঘটনা একসাথে মেনে নেয়া তার পক্ষে কঠিন। সে মানিককে দেখে এগিয়ে এলো, বলল—

    উথাই যদি এই কাজটা না করত আমিই করতাম। একটা রাক্ষসকে দেবতা মেনে পূজা করেছি আমরা। আমাদের সরলতার সাথে কত বড় ছলনা করা হয়েছে।

    মানিক ক্রাসিমার দিকে তাকিয়ে বলল—

    শিক্ষার অভাব ছিল তাই পেরেছে, শিক্ষা না থাকলে আবার সুযোগ পেলে অন্য কেউ এদের ব্যবহার করবে।

    একটু থেমে সে আবার বলল—

    সবাই দেখি আমাদের দুজনের কথা ভুলে গেল, আমাদের আয়ু আর কতক্ষণ আছে?

    আপনি ঠিকই বলেছিলেন, দেখেন সত্যি সত্যি একজন পাহাড়ির সন্তানকে নদীতে ভাসানোর কথা সবাই ভুলে গেছে।

    আর আমাকে?

    ক্রাসিমা চুপ করে গেল, মুখের মলিন হাসিটাও মিলিয়ে গেল।

    “আপনারে ঠিকি সাঙ্গুত ভাসাইয়া দিবো, তয় নৌকায়” মংতোর কথা শুনে দুজনেই অবাক হয়ে গেল। মংতো কাছে এসে আবার বলল—

    আপনের লগে আমাগো কোনো শত্রুতা নাই, আপনেরে কতা দিছিলাম ফিরাইয়া দিয়া আসুম। মংতো নিজের কতা রাকতে জানে।

    ক্রাসিমা মংতোর দিকে তাকিয়ে বলল—

    মংতোদা আমারও যাবার ব্যবস্থা করে দাও। আমিও চলে যাব।

    মংতোর মুখে যেন মেঘ ভর করল। সে শুধু শান্তস্বরে বলল—

    ঠিক আছে।

    মানিকের কোলের বাচ্চাটা নিজের উপস্থিতি জানানোর জন্যই বোধহয় গলা ছেড়ে কেঁদে উঠল। ক্রাসিমা মানিকের কোলের দিকে তাকিয়ে বলল,

    উমের জন্য খুব খারাপ লাগছে, কিন্তু তার বাচ্চাটার কী হবে? আমাকে দিন, আমি এই সন্তানকে পরিচয় দিব, বাঙালিও বানাব না, পাহাড়িও বানাব না। মানুষ বানাব।

    মানিক কিছুক্ষণ বাচ্চাটাকে চুপ করানোর চেষ্টা করল, তারপর কিছুক্ষণ চুপ করে কী যেন ভাবল। ক্রাসিমার দিকে তাকিয়ে বলল—

    তোমার চেয়ে ভালো আর কোনো মা পাবে না উমের বাচ্চাটি। কিন্তু তার ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গেছে। তোমার চেয়ে অন্য কারো বেশি প্রয়োজন আছে তার।

    মানিক বাচ্চাটাকে নিয়ে মহিলাদের দুর্গ ভেদ করে উথাইয়ের কাছে চলে এলো। উথাইয়ের দিকে বাচ্চাটাকে এগিয়ে দিয়ে বলল—

    তোমার ছেলে।

    উথাই বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে অবাক হয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল। ক্রন্দনরত বাচ্চাটাকে বুকের সাথে চেপে ধরে বলল—

    আমার বু, আমার বু।

    তার চোখ দিয়ে ঝরঝর করে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। বহু দিনের জমানো অশ্রু। অলৌকিকভাবে বাচ্চাটার কান্না থেমে গেল। বৃদ্ধরা হাসিমুখে এই মা ছেলেকে আশীর্বাদ করতে লাগল। ক্রাসিমা ছুটে এলো মা ছেলের মিলন দেখতে। এই দৃশ্য দেখে খায়াচিং নিজের কাঠিন্যের খোলস ভুলে ভেউ ভেউ করে কেঁদে ফেলল। সেও উথাইয়ের গলার সাথে সুর মিলিয়ে বলল—

    আমার বু, আমার বু।

    উমের সন্তানাটি তার অনাথ জীবনের সমাপ্তি ঘটাল। সবাই ভুলে গেল বাঙালি ধর্ষকের বীর্যে হয়েছে এই সন্তান। উথাই ক্রাসিমার দিকে তাকিয়ে বলল—

    দি, একটা নাম দেও আমার ছেলের।

    ক্রাসিমা একবিন্দু চিন্তা না করে বলল—

    তোমার ছেলের নাম মানিক। বড় ভাগ্যবান তোমার ছেলে, খুব মহান এক মানুষের নাম পেয়েছে।

    উথাই ছেলেটাকে আবার বুকে চেপে ধরল আর বলতে লাগল—

    মানিক, আমার মানিক।

    পৃথিবীর সব সম্মান যেন আজ মানিকের পায়ে অর্পণ করল ক্রসিমা। আবেগে চোখ ভিজে উঠল মানিকের। সে চোখ মুছে একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা মংতোর দিকে এগিয়ে গেল। কাছে গিয়ে বলল—

    শুধু কথা রাখার জন্যই এই কাজ করলে নাকি উমের সন্তানকে বাঁচাতে?

    মংতো হকচকিয়ে বলল—

    মানে?

    মানিক বলল—

    উথাই কখনো থুইনুপ্রুকে মারার সাহস করতে পারত না। যদি পারতও তবে থুইনুপ্রুর বুকে এলোমেলোভাবে পা দিয়ে কোপ দিত। কখনো ছুরি দিয়ে একেবারে হৃৎপিণ্ড বরাবর বসিয়ে দিত না। উথাইয়ের কাছে ছুরিও ছিল না, দা-টা তার পায়ের কাছেই দেখেছি আমি। আমরা কেউই থুইনুপ্রুর আর্তনাদ শুনিনি। ঘুমের ভেতর মুখ চেপে ধরে তার বুকে ছুরি বসিয়ে দেয়া হয়েছে, উথাই তা পারত না। উথাই এমনিতে দা নিয়ে দৌড়ে এসেছিল, প্রতিদিনের মতো। এই দৃশ্য দেখে আঁতকে উঠছে। বাকি সবাই মন্দিরের পেছনের ঘরের সামনে ছিল, শুধু তুমি ছিলে না। কেন করলে এ কাজ?

    মংতো চোয়াল শক্ত করে দৃঢ় কণ্ঠে বলল—

    আপনারে বাঁচানের জন্য করি নাই, উমের ছেলের জন্যিও না। নিজেগো লাইগা করছি। লোভ ঢুকাইছেন তিনি পাহাড়িগো মইদ্যে, নিজেরও লোভ কম ছিল না। বাঙালিরা আমাগো ধ্বংস করতে পারবে কি না জানি না, লোভ আমাগো ঠিক শেষ করত। এই লোকগুলিরে শেষ হইতে দিতাম না আমি।

    মানিক কিছু বলল না, তার মনটা শ্রদ্ধায় ভরে গেল এই স্বল্প শিক্ষিত পাহাড়ির জন্য।

    .

    ঢাকঢোল বাজিয়েই উমে গ্রামে ফিরল, সাথে কিছু অশ্রুও ছিল। তাকে বহন করা একটা কাঁধ মানিকেরও ছিল। ফুল দিয়ে ঢাকা আর নির্জীব দেহটি, চিতায় শোয়ানো হলো। আগুন জ্বলল চিতায়, আগুনের কুণ্ডলী ধোয়া হয়ে আকাশে মিলিয়ে যাবার আগেই মানিক আর ক্রাসিমা তাদের ফেরার যাত্রা শুরু করল।

    কাজাচাই বৈঠা হাতে তাদের সাথে চলল। আরো দুজন সাথে গেল নদী পর্যন্ত এগিয়ে দিতে। অনেক খুঁজেও মংতোকে খুঁজে পাওয়া গেল না। ক্রাসিমাকে বিদায় দেয়ার সাহস তার নেই, হয়তো তার চোখ ভিজে উঠবে এই ভয়ে সে পালিয়ে ছিল। গ্রামের সবাই চিতা দুটো ঘিরে দাড়িয়ে ছিল, ক্রাসিমা আর মানিক অনাড়ম্বসবেই সবার অলক্ষ্যে বিদায় দিল গ্রামকে। আংসাই একটা জারুল গাছে ঠেস দিয়ে আক্ষেপের সাথে মানিককে দেখছে, তার শিকার এভাবে হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে ভাবতেই আফসোস হলো তার। কিন্তু মংতোর বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস তার নেই। সেই তার নেতা এখন।

    সন্ধ্যা পর্যন্ত হাঁটতেই নদীর কলব কানে আসল; মানিক খুব অবাক হয়ে গেল, এত কাছে ছিল নদীটি অথচ সে কত ভুল পথেই না হেটে গিয়েছে। তারপর ভাবল, মাঝে মাঝে ভুল পথও সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যায়।

    ছোট ডিঙিতে চড়ে বসল মানিক আর ক্রাসিমা। বৈঠা হাতে গলুইয়ের উপর বসল কাজাচাই। তার বৈঠা খুব একটা কাজে লাগছে না, স্রোতের টানেই ডিঙিটি হেলেদুলে চলতে লাগল। ক্রাসিমা মানিকের দিকে তাকিয়ে বলল—

    আপনি কোথায় যাবেন?

    মায়ের কাছে যাব। তুমি?

    আমাকে মানুষ পাহাড়ের মেয়ে বলে, আমিও আমার মায়ের কাছেই যাব। আমার নিজের ঘরে ফিরে যাব। পাহাড় ছেড়ে আমি কোথাও যেতে পারব না। আমার বাবার মতো পাহাড়েই মরতে চাই আমি।

    তারপর অনেক্ষণ নীরবতা, শুধু নৌকার পাটাতনে সাঙ্গুর আলতো ঠেস আর কলকল শব্দ শোনা গেল। তারা নীরবে বসে আছে, যেন এটা কোনো স্বপ্ন, কথা বললেই ভেঙে যাবে। কাজাচাইয়ের অবশ্য কোনো স্বপ্ন মনে হলো না, সে নিজের অক্ষমতার কারণেই নীরব। আকাশে অর্ধেক ক্ষয়ে যাওয়া চাঁদ উঠেছে। নৌকার মাঝি ছাড়া দুজন যাত্রীর একই স্মৃতি মনে পড়ে যায়, পাহাড়ে জোছনা বৃষ্টির স্মৃতি। ক্রাসিমা চাঁদের দিকে তাকিয়েই বলল—

    মায়া লাগানো চাঁদ, সব ভাসিয়ে দেয় মায়াবী আলোয় আবার ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়।

    আবার তো ফিরে আসে।

    চাঁদ ফিরে আসে কিন্তু কিছু জোছনা আর কখনোই ফিরে আসে না।

    মনের গভীরে কোথায় যেন হু হু করে উঠল দুজনের। সাঙ্গুর পেটে ভেসে চলল দুটি নীরব মানুষ, যাদের মনে উথাল-পাথাল ঢেউ, একজন বোবা মাঝি আর অর্ধেক চাঁদ।

    ভোরবেলা থানচি ঘাটে ডিঙি ভেড়াল কাজাচাই। নদীর পাড়ে নৌকার গলুইয়ের ধাক্কায় স্বপ্নভঙ্গ হলো ক্রাসিমা আর মানিকের। রাতটা যেন খুব দ্রুত কেটে গেল। বিদায়ের সময় হয়েছে। কাজাচাই ডিঙিটা বেঁধে মানিকের পেছনে এসে দাঁড়াল। তার ভাবভঙ্গিতে প্রকাশ পাচ্ছে সে মানিকের পিছু ছাড়ছে না। মানিক তাকে ইশারায় বলল, সে অনেক দূরে যাবে। কাজাচইও ইশারায় বুঝাল, সেও যাবে। যদিও কাজাচাই কানে শোনে না, তবুও মানিক শব্দ করেই বলল—

    সেই শহরে তুই টিকবি না রে।

    তুই পাহাড়েই থাক।

    ক্রাসিমার দিকে ইশারা করে আবার বলল—

    তোর দিদির সাথে যা, সে তোকে ফেলবে না।

    বোবা কাজাচাই মানিকের চোখের ভাষা বুঝে নিল, সে ক্রাসিমার পেছনে গিয়ে দাঁড়াল। মানিক ক্রাসিমাকে কী বলবে ভেবে পায় না। দাঁড়িয়ে থাকে চুপচাপ, অনেক কথা এসে আটকে গেছে ঠোঁটে. অনেক ভার জমেছে যেন তার পায়ে। ক্রাসিমা একটা কথাও বলেনি, মানিকের পায়ের কাছে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করে তারপর উঠে মুখ ঘুরিয়ে হনহন করে হেঁটে চলে যায়। পথের বাঁকে হারিয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত মানিক ঘোলাটে দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকল।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleও হেনরি রচনাসমগ্র
    Next Article তেইল্যা চোরা – ওবায়েদ হক

    Related Articles

    ওবায়েদ হক

    তেইল্যা চোরা – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }