Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীল পাহাড় – ওবায়েদ হক

    ওবায়েদ হক এক পাতা গল্প166 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নীল পাহাড় – ৩

    তিন

    ঢাকায় মানিকের আপন কেউ নেই, কিন্তু যতই বাসটি শহর ছেড়ে দূরে নিয়ে যাচ্ছিল তাকে ততই মনে হচ্ছে পুরো শহরটাই তার আপন। ধুলো ওড়ানো রাস্তা, খোলা ম্যানহেল, ডাস্টবিন উপচে পড়া ময়লা, লোকজনে ঠাসা লোকাল বাসে ঘামের গন্ধ সবই মনোহর হয়ে উঠছিল। মানিকের মনটা উদাস হয়ে যায়, কী যেন ফেলে চলে এসেছে মনে হয়। দূরে গ্রামগুলো সাঁই সাঁই করে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে, তার খুব জানতে ইচ্ছা করে ঐ দূর গ্রামে কারা থাকে। তারাও কি হাসে, কাঁদে? তাদেরও নিশ্চয়ই অনেক আক্ষেপ, অনেক না পাওয়া। কিন্তু দূর থেকে দেখে মনে হয় সবুজ সে গ্রামে কোনো দুঃখ নেই। গ্রামগুলো ধীরে ধীরে ক্ষয়ে গেল বাসের জানালা থেকে। সবুজ ক্ষেতের প্রান্তে উঁচু সবুজ পাহাড় দেখা গেল। নিঃশ্বাস বন্ধ করে দেখছে মানিক। ছোটখাটো টিলা সে দেখেছে কিন্তু পাহাড় বুঝি একেই বলে। পাহাড়গুলো জানালাতে আরো বড় হতে লাগল। একেবারে পাড়ের ধার ঘেঁষে ধীর লয়ে চলছে বাস। মানিক জানালা খুলে ঘাড় বাঁকিয়ে দেখছে যতক্ষণ পাহাড়ের মাথাটা রাস্তার বাঁকে হারিয়ে না যাচ্ছে। একটু পরেই বুঝল সে পাহাড়ের দেশে চলে এসেছে, পাহাড়ের পাশে আঁকাবাকা, উঁচু-নিচু রাস্তা। রাস্তার পাশে তাকালে দেখা যায় অনেক নিচে ঘন গাছের সবুজ সমুদ্র। কিছু কিছু পাহাড় খুব বিশাল কিন্তু একা, আশেপাশে টিলাও নেই। সেই পাহাড়ের ঠিক চূড়াতে একটি ছোট্ট কুঁড়েঘর।

    একা পাহাড়ের মাঝে কে থাকে একা একা? মানিকের মনে হলো তার চোখ ক্লান্ত হবে না কখনো পাহাড় দেখতে দেখতে। বাসের জানালায় বসেই বুঝি জীবন পার করে দিতে পারবে। একটু পরেই মনে হলো, না, পাহাড় দেখলেই সেই পাহাড়ে যেতে ইচ্ছে করে।

    ছোট্ট কুঁড়েঘরে কে থাকে জানতে ইচ্ছা করে।

    বাস থেকে নেমে মানিক তার একমাত্র ব্যাগটি বাম কাঁধে ঝোলাল। ডান কাঁধটিতে ব্যথা করছে। সেইটি তার পাশের যাত্রীরা নিজেদের নিদ্রাকার্যে ব্যবহার করেছে। ঢাকা থেকে এত দূরে এসেও মানিক নিজের কাঁধের স্বত্ব ফিরে পেল না।

    বান্দরবান শহরটি ছিমছাম। অতিরিক্ত সাজানো নয় আবার একেবারে অগোছালোও নয়। মানিক ভেবেছিল এখানে শুধুমাত্র পাহাড়ি মানুষরাই থাকে কিন্তু শহরে নেমে তার মনে হলো বাঙালিই বেশি। দুই-একটা রিকশা মাঝে মাঝে দেখা যায়। দোকানপাট কিছু বন্ধ কিছু খোলা। অধিকাংশ দোকানিই বাঙালি। দোকানের নাম দেখলেই বুঝা যায়, সেলিম ভ্যারাইটিজ স্টোর, কুলসুম বিউটি স্টোর, লোকমান দাওয়াইখানা। লোকমান দাওয়াইখানাতে বেশ ভিড়, লোকজন আশা এবং উৎকণ্ঠা নিয়ে বসে আছে, সেখানে বাঙালির পাশাপাশি কিছু পাহাড়িও আছে। একজন পাহাড়ি খামি পরা মহিলা আর একজন ঘোমটা দেয়া বাঙালি মহিলা হাত ধরাধরি করে গল্প করছে, হয়তো সংসারের গল্প। পাহাড়ে যেই ঘৃণা আর হিংসার কথা শুনেছিল এই দৃশ্য দেখলে তা বানানোই মনে হয়।

    থানচি বাস স্ট্যান্ডে যে বাসটি দাঁড়িয়ে আছে সেটা দেখে ঢাকার লোকাল বাসের কথা মনে পড়ে গেল। মানিক জানালার পাশে একটা সিটে গিয়ে বসলো। বাসে পাহাড়ি যাত্রীর সংখ্যাই বেশি, তারা নিজেদের ভাষায় কথা বলছে, মানিকের শুনতে বেশ ভালো লাগছে যদিও কিছু বুঝতে পারছে না। মানিকের পাশে এক বাঙালি এসে বসল, গায়ে জর্দার গন্ধ। লোকটি তখনো পান চিবাচ্ছিল। লোকটিকে দেখেই বুঝা যায় এই লোক বাসে ঘুমাবে এবং মানিকের শার্টে তার মুখ থেকে পানের লাল-রস গড়িয়ে পড়বে। একটু পরেই মানিকের ভুল ভাঙল। লোকটি ঘুমাল না, কথা বলা শুরু করল, বুঝলেন ভাই, আল্লায় অসুখ-বিসুখ দিয়া বান্দাগো টেস্ট করে। তার টেস্টে পাস করলে আবার নিজেই রোগ সারায়ে দেন। ডাক্তার কবিরাজ তো সব উছিলা। লোকমান কবিরাজও উছিলা, কিন্তু আল্লাহর নেক নজর আছে তার উপর। ডাক্তর-ফাক্তর যেই রোগ সারাইতে পারে না, হে পারে। যার পাপ বেশি তারে ডাক্তারের বাপেও বাঁচাইতে পারব না। তবুও এই বিধর্মী গো মুল্লুকে কিছু বালা মানুষ আছে, যার উছিলায় এখনো মানুষের অসুখ-বিসুখ সারে। আপনে কী বলেন?

    মানিকের অভিমত চাওয়া হলো বোধহয়। মানিক একই ‘হুঁ’ করে শব্দ করল। লোকটির জন্য তাই যথেষ্ট। সে আবার শুরু করল, আসলে দেশে রোগবালাই বাড়ছে এই মালাউন আর এই পাহাড়ি শয়তানগুলার জন্য। পর্দা নাই, কিছু নাই, মাইয়া মানুষ লুঙ্গি পইরা ঘুইরা বেড়ায়। বুকে কাপড় নাই, পাছাত কাপড় নাই, ছিঃ ছিঃ। মালাউনগুলার লগে এই পাহাড়িগুলাতেও গণ্ডগোলের বছর দেশ থেইক্যা ভাগানোর দরকার আছিল।

    বাস চিকন রাস্তা ধরে এগুচ্ছে। চারিদিকে পাহাড়ের সমারোহ। মাঝে মাঝে মানুষের দেখা পাওয়া যায়। মাথায় ঝুড়ি নিয়ে হেঁটে যাচ্ছে কোনো এক পাহাড়ি মহিলা। লোকটি ঘাড় বাড়িয়ে যতক্ষণ দেখা যায় মহিলাটিকে দেখল। তারপর আবার শুরু করল, আাল্লাহর গজব পড়ব পর্দা ছাড়া চললে। তারার আছে খালি নাইচ আর গান। মানুষ মরলেও নাচে, কেমুন পাষাণ মাগীগুলা। মালাউনরাও পূজা করে খালি নাচতে আর মদ খাইতে। পর্দা নাই, কিছু নাই।

    এমন সময় বাসে পাহাড়ি একটি মেয়ে উঠল, লোকটি কথা বন্ধ করে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে রইল। মেয়েটি পেছনের সিটে গিয়ে বসল। লোভী দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল যতক্ষণ মেয়েটিকে দেখা যায়। সে কাপড়ভেদী দৃষ্টির অভাব বোধ করছিল বোধহয়।

    এবার মানিক লোকটির দিকে তাকিয়ে বলল, চোখের পর্দা বলতে কিছু নাই?

    লোকটিকে একটু ক্ষুব্ধ দেখাল। সে এতক্ষণ পাশের ভদ্রলোককে নিজের দলের মনে করেছিল। তার মুখে এই ধরনের প্রশ্ন শুনে একটু অবাকও হলো। মানিক এবার লোকটিকে হতভম্ব করে বলল, লুঙ্গি পরা মেয়ে দেখতে আপনার এত খারাপ লাগে যে আপনি চোখ ফেরাতে পারেন না, তাই না?

    লোকটি অবাক হলো, ক্ষুব্ধ হলো কিন্তু একটু লজ্জাও পেল না, ইতর প্রকৃতির লোকের লজ্জা থাকে না। সে সন্দিগ্ধ দৃষ্টিতে প্রশ্ন করল, আপনার নাম কী?

    মানিক উদ্ধতভাবেই বলল—

    আমার নাম মানিক মিত্র, জি মিত্র। আমি মালাউন।

    লোকটি যেন সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেল। মালাউন শালায় আর কী বুঝবে! একটু পরে উঠে অন্য সিটে চলে গেল।

    মানিক এতক্ষণে জানালা দিয়ে বাহিরে তাকানোর ফুরসত পেল। রাস্তাটা বড় এক অজগর সাপের মতো বয়ে আছে পাহাড়ের গা বেয়ে। নিচে তাকালে রীতিমতো কলিজা কেঁপে ওঠ, বাস একটু এদিক-সেদিক হলেই কয়েক হাজার ফুট নিচে গিয়ে পড়বে। পাহাড়ের গায়ে লেগে থাকা মেঘের অপরূপ দৃশ্যও মানিকের মন থেকে উচ্চতাভীতি দূর করতে পারল না। সে বারবার ড্রাইভারের দিকে তাকাচ্ছে, যেন সে না তাকালে ড্রাইভার অমনোযোগী হয়ে যাবে। মাঝে মাঝেই ড্রাইভার কন্ডাক্টরের দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে কথা বলছে। সে মুহুর্তেই হয়তো সামনে বিশাল বাঁক। মানিক ভাবছে এই বুঝি গেল বাস খাদে। অস্ফুটে চিৎকার দিয়ে উঠল কিন্তু ড্রাইভার ঘাড় ঘুরিয়ে রেখেই বাঁক ঘুরিয়ে ফেলল। এই রাস্তা তাদের মুখস্থ। চোখ বন্ধ করেও হয়তো চালাতে পারবে।

    থানচিতে যখন পৌঁছাল তখন সূর্যটা দুপুরের অহংকার ছেড়ে বেশ বিনয়ী হয়ে গেছে। একটু লাল রং ধরেছে লজ্জায়। ঘাটের কাছে সারি সারি অনেকগুলো ডিঙ্গি বাঁধা। নদীর ওপারে থানচি বাজার। এই বাজারেই একসময় নৌকার যাত্রীরা এসে বিশ্রাম করত।

    মারমা ভাষায় থান চৈ মানে বিশ্রামের স্থান। থান চৈ থেকেই বিবর্তিত থানচি হয়ে গেছে। বাজারে এখনো কোলাহল আছে, বিরাট গাছের নিচে কিছু বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা দোকানপাট এই পার থেকেও দেখা যাচ্ছে। এই পার সেই তুলনায় নিস্তদ্ধ। মানিক বদরুল আলম সাহেবের বন্ধু শফিক সাহেবের কাছে যাবে, বাকি ব্যবস্থা কাল হবে। ঘাটের কাছে এক মারমা মাঝি গায়ে হেলান দিয়ে বিড়ি ফুঁকছিল, তার গায়ে শার্ট ছিল কিন্তু শার্টে কোনো বোতাম নেই। দুই পাশে শার্টের দুই কোনা বাতাসে উড়ছে। মানিককে দেখেই হাতে বিড়ি ফেলে দিয়ে বলল—

    বাজারে যাইবেন?

    মানিক ঘাড় নাড়িয়ে বলল, না, আমি শফিক সাহেবের কাছে যাব। উনি কোথায় থাকেন?

    মাঝিটি মাটি থেকে বিড়িটি আবার তুলে নিল, তারপর আবার মনের আয়েশে ধোয়া ছাড়তে লাগল কিন্তু আর কোনো কথা বলল না। মানিক একটু বিব্রত হলো, বাজারে না গেলে কি মাঝিদের কথা বলা নিষেধ নাকি? এমন সময় পাশে থাকা একজন বাঙালি যুবক ছেলে এসে জিজ্ঞাসা করল—

    আপনি কি ঢাকা থেইক্যা আইছেন?

    মানিক বলল—

    হ্যাঁ, আমি শফিক সাহেবের কাছে যাব। তুমি কি একটু দেখিয়ে দিতে পারবে?

    ছেলেটি বলল—

    চলেন, স্যারে আমারে পাঠাইছে। আমার নাম হাশেম।

    মানিক বলল—

    হাশেম ঐ লোকটি আমার সাথে পরে কথা বলল না কেন?

    হাশেম বলল—

    স্যারের নাম কইছেন যে এই জন্য। কিছু পাহাড়ি স্যারেরে দেখতে পারে না। স্যারের স্কুল জ্বালাইয়া দিছে। স্যারে নাকি তাগো পোলাপাইনের মাথা নষ্ট করতাছে। এইখানে কেউ কাউরে বিশ্বাস করে না। কত মানুষ মরল অবিশ্বাসের কারণে।

    মানিক কিছু বলল না, হাশেম তার ব্যাগটি নিজের কাঁধে নিয়ে সামনে হাঁটতে লাগল। তারা লালচে মাটির পথ দিয়ে যাচ্ছে। মাঝে মাঝেই একসাথে কয়েকটা ঘর দেখা যাচ্ছে। সূর্য ডুবে গেছে, মাঁচার উপরে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা ঘরে ফেরার আয়োজন চলছে।

    নিচে হাঁস-মুরগির খোঁয়াড়ে গৃহ প্রবেশের চাঞ্চল্য। মারমা মহিলাটি ‘তিড় তিড়’ শব্দ করে তাদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছিল। উপরে দাওয়ায় বসে শুকনো লোকটি লম্বা বাঁশের চোঙায় তামাক ফুঁকে যাচ্ছে। তার পায়ের লালচে ধুলো জানিয়ে দেয় সারাদিন পাহাড়ে ছিল সে। ছোট ছেলেমেয়েগুলোকে হাঁস-মুরগির মতো সহজে ঘরে ঢুকানো যাচ্ছে না। আদুল গায়ে নতুন হাঁটতে শেখা ছেলেটি দৌড়ে পাশের বাঁশঝাড়ের কাছে চলে যাচ্ছিল কিন্তু তাদের দেখে দৌড়ে আবার মায়ের কাছে ফিরে গেল। কয়েকটি ঘরে তারার মতো কুপি জ্বলে উঠল, কুপির চারপাশে বসে তারা স্বপ্নের কথা বলে। রাতের বেলা পাহাড়ের সারিগুলোকে বড় বিষন্ন দেখায়। মানিক হাঁটতে থাকে বিষণ্ণ পাহাড় আর স্বপ্নঘেরা জীবন দেখতে দেখতে।

    শফিক সাহেবের বাড়িটি এখানকার অন্য বাড়িগুলোর চেয়ে আলাদা। কাঠ দিয়ে বানানো ঘর, উপরে ছনের বদলে টালি। নিচে বেশ কয়েকটা ঘর। অন্য ঘরগুলোতে নিচে গরু, ছাগল, মুরগি থাকে। শফিক সাহেব নিচে তার কর্মচারীদের থাকার ব্যবস্থা করেছেন। তিনি থাকেন উপরে, একটি ঘর আছে বারান্দার পাশে, সেখানে দুজন পালোয়ান থাকে। শফিক সাহেবের উপর যেকোনো সময় হামলা হতে পারে এই আশঙ্কায় দুজন পালোয়ান এনে রেখেছেন, তাদের কাজ সারাদিন ঘুমানো আর সারারাত জেগে পাহারা দেয়া। শফিক সাহেবের ঘরে ঢুকেই মানিক একটু চমকে উঠল, এই আঁধারের মাঝে যেন এখানে একটু বেশিই আলো। জেনারেটরের মৃদু শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। ঘর থেকে দূরে লাগানো হয়েছে যেন শব্দ বেশি পাওয়া না যায়। বেশ গুছানো বসার ঘরটি। পায়ের নিচে মখমলের কার্পেট, বসার জন্য সোফা, দেয়ালে বেশ কিছু ছবি। একটা ছবি চেনা মনে হলো, হ্যাঁ, সাঙ্গু নদীর ঘাট।

    শফিক সাহেব ঘরে ঢুকলেন, বদরুল আলমের চেয়ে ওনাকে দেখতে অনেক কম বয়সী মনে হয়। শফিক সাহেব হাত বাড়িয়ে হ্যান্ডশেক করে বললেন—

    বদি আমাকে টেলিগ্রাম করে বলেছিল তোমার কথা। তুমি করে বলছি, কিছু মনে করলে না তো?

    মানিক হেসে বলল—

    তুমি করে না বললেই বরং মনে করতাম।

    শফিক আহমেদ বললেন—

    গুড, কোনো সমস্যা হয়নি তো আসতে?

    না, আচ্ছা এই পেইন্টিংটা নদীর ঘাট না?

    হ্যাঁ, আমিই এঁকেছি। ছবি আঁকতে ভালো লাগে আমার। যখন বয়স ছিল তখন নেশা ছিল পয়সা কামানোর। কামিয়েছিও প্রচুর। একসময় মনে হলো আর না, ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে পাহাড়ে চলে এলাম। ছেলেমেয়ে বিদেশে থাকে, আমি দেশে একা। একা মানুষদের পাহাড়েই থাকা উচিত। কোলাহলের ভেতর একা মানুষদের একাকিত্ব বেশি ধরা পড়ে। এখানে অগ্রযাত্রা নামে একটা এনজিও চালাই নিজের পয়সায়। গরিব মানুষদের সাহায্য করে এগিয়ে নিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা এগুতেই চায় না, আমার অগ্রযাত্রাও থেমে আছে।

    একটু থেমেই আবার বললেন—

    এখানে বাইরে থেকে যেমন অনেক সুন্দর ভেতরে তেমনি কদর্য রূপ। উগ্রপন্থী সংগঠনগুলো খুব তেতে আছে। বড় সংগঠনগুলোকে সামলানো যাচ্ছে না, এরই মধ্যে আরো অনেক গ্রুপ গজিয়ে উঠছে। এরা অস্ত্র জোগাড় করছে, টাকা-পয়সার জন্য চাঁদাবাজি, অপহরণ শুরু করেছে। তাদেরই বা দোষ দেই কীভাবে! নিজের ঘর বাঁচানোর জন্য সবটাই দিয়ে দিবে তারা। এরশাদ সাহেব ঠেলে বাঙালিদের পাহাড়ে পাঠাচ্ছে, পরিকল্পিত বনায়নের নামে তাদের জঙ্গল কেটে সাফ করে দেয়া হচ্ছে, তারা তো রিয়েক্ট করবেই।

    বাঙালিদের উপর আক্রমণ করছে, বাঙালিরাও তাদের উপর পাল্টা হামলা করছে। সব মিলিয়ে এখানে ম্যাসাকার অবস্থা।

    তারপর মানিকের দিকে তাকিয়ে বললেন—

    ওহ, তোমাকে তো মনে হয় প্রথমেই ভয় পাইয়ে দিলাম। সাবধান হওয়ার জন্যই বললাম। কিছু মনে করো না। বদি, মানে তোমাদের বদরুল স্যার অবশ্য তোমার ট্রান্সফারের ব্যাপারে চেষ্টা করছে বলল কিন্তু আশা কম। তা তোমার পোস্টিং কি থানচিতেই? হলে ভালো হয়, আমার সাথেই থাকতে পারবে।

    মানিক বলল—

    না আমাকে বোধহয় বলিপাড়া ইউনিয়ন সাবসেন্টারে পাঠাবে, একেবারে সর্বোচ্চ শাস্তি যাকে বলে।

    শফিক সাহেবের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে গেল, বললেন—

    বলিপাড়া জায়গাটা সুবিধার নয়। ওখানে আমার একটা স্কুল ছিল, জ্বালিয়ে দিয়েছে। তবে আমার একটা ঘর আছে সেখানে। বাঙালি থাকে আশেপাশে কয়েকজন। ওখানে তোমার ব্যবস্থা হয়ে যাবে। তবুও এখান থেকে পালানোর ব্যবস্থা করো। আমি দুজন পালোয়ান নিয়ে থেকেও নিশ্চিন্ত থাকতে পারি না।

    মানিক বলল—

    আমার জন্য ভালোই হলো, আপনিই তো বললেন একা মানুষদের পাহাড়েই থাকা উচিত।

    শফিক সাহেব একটু হাসলেন। তারপর হাশেমকে ডাকলেন। হাশেম ঘরে ঢুকতেই বললেন—

    বরকত আলী এসেছে?

    জ্বি স্যার।

    ঠিক আছে, তাকে পাঠিয়ে দাও।

    বরকত আলী ঢুকতেই, কড়া জর্দার গন্ধ নাকে এসে ঠেকল। মানিক ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল বাসের সেই ইতর লোকটি। বরকত আলীও মালাউনটার চেহারা দ্বিতীয়বার দেখার আশা করেনি। এই দ্বিতীয় সাক্ষাতে তার উদ্বেলিত হওয়ার কোনো কারণ ছিল না,

    হলোও না কিন্তু মুখে একটা বিগলিত হাসি টেনে শফিক সাহেবের দিকে তাকিয়ে বলল—

    স্যার আমারে বুলাইছেন?

    শফিক সাহেব বললেন—

    হ্যাঁ তোমাকে বুলিয়েছি, এত দেরি হলো কেনো? তোমার না আজ দুপুরে ফেরার কথা?

    বরকত আলী মুখে হাসিটা ধরেই রেখেছে। শফিক সাহেব মানিক মিত্রকে দেখিয়ে বললেন—

    উনি এখানকার নতুন ডাক্তার। বলিপাড়াতে আমার ঘরটাতে সে থাকবে এখন থেকে, তুমি ব্যবস্থা করে দাও। আর আজ রাতে ভালো কিছু আয়োজন করো।

    বরকত আলী একটু মুচকি হেসে বলল—

    গরু রাঁধতে বলব স্যার?

    শফিক সাহেব বিরক্ত হয়ে বললেন—

    গরু ছাড়া যা আছে সব করো।

    মানিক এবার বলল—

    গরুতেও আমার কোনো সমস্যা নেই।

    বরকত আলী একটু হতাশই হলো, মালাউনটাকে জব্দ করতে না পেরে। সে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতেই শফিক সাহেব বললেন, বরকত আমায় ম্যানেজার। একটু বেশি কথা বলে।

    মানিক বলল—

    আমি জানি। বাসে কিছু সময় সে আমার সহযাত্রী ছিল।

    শফিক সাহেব বললেন—

    বেশ। তাহলে তো হলোই। চলো তোমাকে আমার স্টুডিও দেখাই। একটা নতুন ছবি আঁকছি, সেটা দেখবে।

    স্টুডিওটি বেশ ছিমছাম, একটা টুল, কাঠের ফ্রেম, রঙতুলি রাখার জন্য একটা টেবিল আর বেশ কিছু ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ক্যানভাস ছাড়া আর কিছুই নেই। কাঠের ইজেলে আটকানো একটা অসম্পূর্ণ ছবি। একটা নীল রঙের পাহাড়ের চূড়ায় ডালপালা ছড়িয়ে আছে একটা গাছ। গাছটা এতই বিশাল যে মনে হচ্ছে পুরো পাহাড়টিকে নিজের পাতার আঁচলে ঢেকে দিবে। মানিক ছবিটাতে তাকিয়েই জিজ্ঞাসা করল—

    এটা কোন জায়গা? পাহাড়ের রঙ নীল কেন?

    শফিক সাহেব বললেন—

    জানি না। কল্পনা করে এঁকেছি। মানিক, আমার স্টুডিওতে আমি সবাইকে আসতে দেই না। যাদের আমি পছন্দ করি তাদের ঢুকতে দেই। আমার স্ত্রী যখন জীবিত ছিল তাকেও কখনো আমার স্টুডিওতে ঢুকতে দেইনি। আর যারা আমার স্টুডিওতে আসে তাদের আমি আমার আঁকা ছবি উপহার দেই, তুমি বলো তোমার কোন ছবি চাই?

    মানিক এক মুহুর্ত না ভেবে বলল—

    সাঙ্গু নদীর ঘাট চাই আমার।

    .

    বরকত আলী পরপর তিনটা পান মুখে পুরে নিজের রাগ কমাতে পারছে না। ঐ মালাউনটার মেহমানদারি করতে হবে? তার থাকার জায়গা ঠিক করে দিতে হবে? কি জমানা আসল মোসলমান হইয়া মালাউনের সেবা করতে হয়। বরকত আলী অবশ্য তার জীবনের অর্ধেকই মালাউনদের নুন খেয়ে কাটিয়েছে।

    নোয়াখালীর শান্তিবাবুরা ছিলেন জমিদারদের উত্তরসূরি। জমিদারি না থাকলেও তাদের ছিল বিশাল কারবার। তাদের খামারে প্রায় আড়াইশ গরু ছিল, মাছ চাষের জন্য প্রায় পঁয়ত্রিশটি পুকুর ছিল, তাদের জমি মাপা হতো দৃষ্টিসীমায়, যতদূর চোখ যায়। শান্তিবাবুদের খামারগুলোর হিসাব-নিকাশ করত বরকত আলী। প্রায় এগারো বছর এক টানা কাজ করেছে সেখানে। শান্তিবাবু তার জন্য আলাদা ঘর তুলে দিয়েছিলেন উঠানের একপাশে।

    কুলসুম শান্তিবাবুর স্ত্রীর ফুট-ফরমায়েশ খাটত। সে যখন উঠান ঝাঁট দিত, তখন বরকত আলী তার ঘর থেকে জানালা দিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে তার বুকের দিকে তাকিয়ে থাকত। মাঝে মাঝেই সে সবার অলক্ষ্যে কুলসুমকে এটা-সেটা কিনে দিত। কুলসুম উঠান ঝাট দেয়ার পাশাপাশি বরকতের ঘরও ঝাট দিত। অনেক সময় লেগে যেত বরকতের ছোট ঘর ঝাঁট দিতে। কয়েক মাস পর কুলসুম তার ঝাঁট দেয়া উঠানে বমি করল। শান্তিবাবুর মা কুলসুমের হাত-পা দেখে বলল—

    কি সর্বনাশ করছস লো। কার লগে পেট বান্ধছস?

    নিতান্ত বাধ্য হয়ে চাকরি বাঁচানোর জন্য কুলসুমকে বিয়ে করে বরকত। কিন্তু তার অত্যাচারে দুই বছরের বেশি টিকতে পারেনি কুলসুম। একদিন সকালে তার নিথর দেহটা পাওয়া গেল মেঝেতে। নিন্দুকেরা বলে, বরকতই মেরেছে বউকে কিন্তু বরকত সেদিন খুব কাঁদল, তার কান্না দেখে নিন্দুকদের মনেও মায়া জেগে উঠল। কতজনের বউই তো মরে, কই কেউ তো এভাবে কাঁদে না! কুলসুমের দুই বছরের কন্যাটিও বেশি দিন বাঁচেনি, নিউমোনিয়া হয়ে সেও মরল।

    শান্তি বাবুর মেয়ে সুলেখা বারোতে পা দিয়েছে। বরকতকে ডাকত কাকা। সুলেখার ফর্সা উন্মুক্ত ত্বকের দিকে লোভাতুর দৃষ্টিতে তাকাত বরকত। মনে মনে বলত, মালাউন মাগীগুলা এত সুন্দর হয় কেন?

    আদর করার ছলে বরকত অনেকবার সুলেখার গা ছুঁয়ে দিয়েছে। নিজেকে সামলাতে খুব কষ্ট হতো তার। একদিন নিজেকে দমন করতে পারেনি, আদরের হাত সুলেখার শরীরে পশুর মতো হাতড়ে বেড়াচ্ছিল কামনা। সুলেখা পাথরের মতো শক্ত হয়ে গিয়েছিল, সে ছুটে বের হয়ে গিয়েছিল, নিজের ঘরে বসে কাঁদছিল অঝোরে, অনেক চেষ্টা করেও কান্না থামাতে পারেনি, প্রচণ্ড ঘৃণায় ডুকরে কেঁদেছিল সে। শান্তি বাবুর স্ত্রী সুলেখাকে জিজ্ঞাসা করল, কী হয়েছে?

    সুলেখা কিছু বলতে পারেনি, কান্নার দমকে কেঁপে উঠছিল সে। শুধু অস্ফুটে বলেছিল, কাকা।

    পরদিন বরকতকে বের করে দেয়া হয়। বরকত আলী প্রচণ্ড ক্ষোভে প্রতিশোধের নেশায় উন্মাতাল হয়ে ওঠে। প্রতিশোধের সুযোগ সে খুব তাড়াতাড়ি পেয়ে যায়, দেশে শুরু হলো যুদ্ধ। বৱকত আলী দেশ রাজনীতি ধর্ম কিছু বুঝে না। তার কাছে এই যুদ্ধ অবদমিত কামনা নিবারণের যুদ্ধ, মালাউনদের দেশ ছাড়া করার যুদ্ধ। রাজাকার বাহিনীতে যোগ দিল সে। প্রথমেই সে হামলা করল শান্তি বাবুর বিশাল বাড়িতে। শান্তি বাবু ইন্ডিয়া যাওয়ার প্রস্ততি নিচ্ছিলেন।

    বরকত আলী শান্তি বাবুর গলায় ছুরি বসিয়েছিল নিজ হাতে। শান্তি বাবু যতক্ষণ কথা বলতে পেরেছিল, ততক্ষণ শুধু একটা অনুরোধই করেছিল, বরকত, আমার মেয়েটাকে ছেড়ে দিও। সিন্দুকে সোনার গহনা আছে, সব নিয়ে যাও, আমার মেয়েটাকে ছেড়ে দাও।

    সুলেখাকে ক্যাম্পে ধরে নিয়ে এসেছিল বরকত। এমন রূপসী ছোট মেয়ে পেয়ে পাঞ্জাবিরা বেশ খুশি হয়েছিল তার উপর। সুলেখার জন্য অনেক অপেক্ষা করতে হয়েছে বরকতের, সব অফিসাররা সুলেখাকে ভোগ করার পর সে সুযোগ পেয়েছিল। শুধুমাত্র একটা লুঙ্গি কোনোরকমে গায়ে জড়িয়ে রেখেছিল সুলেখা, একেবারে বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল তাকে, আগের সেই মোহনীয় ভাবটা ছিল না। কিন্তু তাতে বরকতের কামনা এক বিন্দুও কমেনি। সুলেখা গায়ের লুঙ্গিটি খামচে ধরে শুধু অস্ফুটে বলেছিল—

    আপনি আমার বাবার মতো।

    বরকত আলী বিকৃত হাসি টেনে বলেছিল—

    ধুর মাগী, মালাউনগো আবার বাপ ভাই আছেনি।

    সুলেখা আর কিছু বলেনি, সে পড়ে ছিল একটা লাশের মতো। সেই লাশটা পশুর মতো খাবলে খেয়েছে বরকত আলী। তিন মাস পরে সুলেখা সত্যি সত্যি লাশ হয়ে গিয়েছিল। পাশের মেয়েগুলো হিংসায় তাকিয়ে ছিল তার লাশের দিকে। তাদের ভাগ্যে যে মরণও জুটে না।

    যুদ্ধ শেষে বরকত আলী মুক্তিদের কাছ থেকে পালিয়ে এই পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছিল। পাহাড় কাউকে ফেরায় না, নিজের উদরে স্থান করে দেয় সবার। সব পাপ লুকিয়ে রাখে।

    কাঠের পাটাতনে বসে পানের পিক ফেলে বরকত আলী, মালাউন ডাক্তারটার একটা বিহিত সে করেই ছাড়বে। মনে মনে এই প্রতিজ্ঞা করে নিজের গায়ের জ্বালা কমায় সে।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleও হেনরি রচনাসমগ্র
    Next Article তেইল্যা চোরা – ওবায়েদ হক

    Related Articles

    ওবায়েদ হক

    তেইল্যা চোরা – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }