Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প69 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. কলকব্জার যুক্তিতর্ক

    ৩. কলকব্জার যুক্তিতর্ক

    মানুষের জীবনে অনেক অ মানুষেরও অংশ থাকে। যেমন, গাছপালা, জন্তু-জানোয়ার, পাখি, পোকা, ব্যাকটিরিয়া, ভাইরাস। এগুলো প্রত্যক্ষ। সম্পর্ক নির্ণয় করা সহজ। গাছপালা ছায়া দেয়, ভূমি সংরক্ষণ করে, ফল ফুল শস্য দেয়। প্রধান প্রধান খাদ্যবস্তু উদ্ভিদ থেকেই মেলে। গৃহপালিত জন্তু থেকে দুধ মাংস পরিবহণ পাওয়া যায়। বনের জন্তু-জানোয়ার মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে এক খাদ্য পিরামিড তৈরি করে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করছে। পাখি পোকাপুকি খেয়ে দেয়ে সাফ করে সব, জমাদার পাখিরা জঞ্জালও খায়, কেউ কেউ মাংস এবং ডিম দেয় আমাদের আহারের জন্যে। ব্যাকটিরিয়া ভাল আছে, মন্দ আছে। ভাইরাসও তাই। আসলে, মানুষের ভাল-মন্দ সূত্রে তাদের কথা আমরা ভাবি, পড়ি। কিন্তু মানুষের জন্যেই তারা সৃষ্টি হয়েছে এ কথা বোধহয় সত্যি না। সে যাই হোক। কিন্তু যন্ত্রপাতি? তারাও তো আমাদের জীবনের অপরিহার্য অঙ্গ? আমরাই তৈরি করেছি, ধাতু ব্যবহার করে।

    একটা তালা ধরুন। কী চমৎকার তার কেজো চেহারাটা। গোল হাতল, চৌকো কিম্বা গোল বডি, ভেতরে একটি কল আছে। হাতলের সঙ্গে খাপে খাপে বসে যায়। হয় এমনি লক হয়ে গেল। তা নয়তো চাবি দেওয়া হবে। বহু দিন আগে উদ্ভাবিত হয়েছে, কিন্তু ছোট্ট হলে কী হবে সামান্য নয়। আজ তার ব্যবহার এমন ছড়িয়ে পড়েছে যে, তালা তৈরি করেই এক জন কোটিপতি হতে পারে। যে দিকে চাও তালা ঝুলছে। এ বাড়িতে কেউ থাকে না— তালা। এ বাড়ির লোক বেড়াতে গেছে ডবল তালা। স্যুটকেশ, ট্রাঙ্ক, আলমারি, সিন্দুক, কোল্যাপসিব্‌ল গেট। সর্বত্র তালা ঝুলছে। অফিস টাইম শেষ হল। চলল দারোয়ান ঘরে ঘরে তালা মারতে মারতে। দোকান বাজার অফিস বসতবাড়ি বাক্স দরজা লিফট, সব জায়গায় তালা তালা তালা। ছোটখাটোগুলো আবার হারায়, খুব। আবার কেনো-ও সুতরাং।

    ঠিক এমনি মোটর বাইকও একটা যন্ত্র। তার পার্টস আসতে পারে নানান খুচরো কারখানা থেকে। তার পর খুটখাট সব ফিট করে ধাপে ধাপে গড়ে উঠতে থাকে মোটরবাইক। রং হয়। চকচকে ঝকঝকে। তার পর সব আসে ঝিঙ-চ্যাক্‌ শো-রুমে। একটু হেলিয়ে ২৫০ ডিগ্রি মতো কোণ করে তাকে তাদের সাজিয়ে রাখা হয়। সেজেগুজে পোজ নিয়ে যেন একদল যূথবদ্ধ নর্তক। চমৎকার কোরিওগ্রাফি রেডি। শিগ্‌গিরই শুরু হবে তালে তালে নাচ। এইটুকু আমরা সবাই জানি। টেকনিক্যাল ডিটেল, খুঁটিনাটি জানবার মতো যন্ত্রোৎসুক আমরা নই। কিন্তু মোটরবাইক জানে। তাকে জানতে হয়। তার টায়ার, তার টিউব, সিট, পিলিয়ন, ব্রেক, স্টার্ট প্রত্যেকটি যন্ত্রাংশকে চালু রাখতে শুধু ডিজেল নয়, তাতে সামগ্রিক ইচ্ছাশক্তি লাগে। ছোট ছোট নাট, বল্টু, স্ক্রু, স্প্রিং, ফোম, ইস্পাত, প্লাস্টিক, চামড়া সমস্ত অজৈব বস্তুর মিলিত এক অন্ধ ইচ্ছাশক্তি। বস্তুপুঞ্জের একটা ভারও তো আছে। আর ভেঙে ভেঙে ফেললে তো সেই একই অ্যাটম কণা, যা পাখির, জন্তুর, গাছপালার, মানুষের শরীরেরও আদি বস্তু। তা হলে কী করে বলি তার ইচ্ছাশক্তি নেই! দেখতে পাচ্ছি না, বুঝতে পারছি না এই পর্যন্ত।

    এবং কারখানা। সে-ও তো এক গৃহ। সেখানে বাস করে কল-কব্‌জা, বড় বড় মেশিন। সারা দিনের কাজের পর মানুষ ফিরে গেলে তালা পড়ে গেটে। তখন কারখানার ভেতর দিকে তাকালে দেখা যাবে অন্ধকারে ভুতুড়ে সব আকার। মেশিনপত্তর সব যে যার জায়গায় স্থাণু। কিন্তু যেন কিছু চালাচালি করছে তারা। কথা নয়, তাদের নিজের জগতের কোনও ধরনের কমিউনিকেশন। কত কারখানা পড়ে আছে বড় ছোট। সেগুলো পোড়ো। যন্ত্রে জং ধরছে। নাম কা ওয়াস্তে এক দারোয়ান আছে। সে নিজের দারোয়ানগিরিটাকে খুব গুরুত্ব দেয় না। দেশোয়ালিদের সঙ্গে ফুর্তি করতে যায়।

    ছোট কারখানা। কারও একক প্রচেষ্টায় হয়তো গড়ে উঠেছিল। ক্রমবর্ধমান মার্কেটের বিলিয়ন ডলারের সঙ্গে, আন্তর্জাতিক রাজনীতি-বাণিজ্য-বিপণন চক্রের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া তার কম্মো নয়। ভাল কণ্ডিশন-এর যন্ত্রপাতি সে বেচে দিয়েছে। পুরনো মডেলের মাল কিছু রয়ে গেছে। আছে শেডটা। আর জমি। এইটুকু বেচে দিতে পারলে উদ্যোগপতি নিজেকে ধন্য মনে করবে। কী কুক্ষণেই বেচারা ক্ষীয়মাণ চাকরির দুনিয়ায় সেল্‌ফ-এমপ্লয়মেন্টের হুজুগে কান দিয়েছিল। কুড়ি-পঁচিশ বছরের শ্রম, মগজ খাটানো। তিল তিল করে জমানো পয়সা, ব্যাঙ্ক লোন। তার সুদ কষা, টেনশন, সব শেষে উদ্যোগপতি এখন ফ্রি মার্কেটের, বিশ্বায়নের বলি। ঘরে বসে আছে। রক্ষা এই যে, খুব বেশি লেবর ছিল না। এক এক করে বিদায় দিতে পেরেছে। লোকসান স্বীকার করে কোনও মতে বেঁচে থাকা সম্ভব হচ্ছে। কার চাকর হবে এখন, উদ্যোগী ভাবছে মনে মনে। ডিগ্রির চেয়ে কারিগরি বুদ্ধি ছিল বেশি। তাই।

    ইতিমধ্যে বন্ধ কারখানাই কি ভাবছে না? কী প্রয়োজন ছিল এ সবের, যদি এই ব্যর্থতাই কপালে লেখা ছিল! কারখানা মনে করতে পারে, এক পয়লা বৈশাখ তার মহরতের কথা। কলাগাছ, নতুন কলসিতে আম্রপল্লব, আর ডাব। গণেশ পুজো। লুচি-মণ্ডার প্রসাদ। পার্টস আসত নানান জায়গা থেকে। সে সব অ্যাসেম্বল করে ওয়াশিং মেশিন। তখন জিনিসটার এত রমরমা ছিল না। ধনী লোকের বাড়িতে, বড় বড় হোটেলে, হাসপাতাল-নার্সিংহোমে সাপ্লাই যেত ‘পালসার’। আজও সেগুলো বিনা আয়াসে চলছে। বড় বড় ব্র্যাণ্ড যেই বাজারে এসে গেল, তারা চতুর্দিক ছেয়ে দিল বিজ্ঞাপনে। বড় বড় শো-রুমে ক্রেডিটে পাঠিয়ে দিল মাল। চতুর্দিক তাদের মহার্ঘ প্রতিশ্রুতিতে ভরে গেল। পালসার তার শপথ ভাঙেনি। কিন্তু তার বিজ্ঞাপন কই? হোর্ডিং? নামী দোকানে তার ঝাঁ-চকচকে শো! ব্র্যাণ্ড নেম কই? একটা পণ্যের পেছনে একটা বড় বিজনেস হাউজের নিরাপদ উপস্থিতির নাম ব্র্যাণ্ড নেম। পালসার-এর কি তা ছিল? তা হলে কেন সেল্‌ফ এমপ্লয়মেন্টের ঢাকটি বাজালে?— শূন্য কারখানার বাঁ দিকের ফাঁকা বাতাস প্রশ্ন করে ডান দিকের ফাঁকা বাতাসকে। ফিস ফিস করে কে বলে— ইকন্‌মিক্‌স— ম্যাক্রো, মাইক্রো, চক্কর-বক্কর, জি ডি পি, ম্যালথাস, কেইনস, গ্রামীণ, শহরীণ ঝক্কড়-মক্কড় গ্যাট ম্যাট ক্যাট।

    ইংরেজি নববর্ষের আগের দিন। খবরের কাগজের আপিসে বাসর জাগিয়ে বসে আছে কম্পিউটার আর ফ্যাক্স যন্ত্র, টেবিলে টেবিলে দিন কি রাত বোঝা যায় না এমন আলোয় নির্ঘুম সাংবাদিক নিউজ ডেস্কে।

    শশাঙ্ক আজ পেয়েছে অতুল বণিক ফটোগ্রাফারকে। শশাঙ্ক-অতুলের যুগলবন্দির সুনাম আছে। পার্ক ষ্ট্রিট কভার করে কানেক্টর দিয়ে ছুটছে প্রেসের গাড়ি। সামনে প্রচুর গাড়ি বাইকের গাঁদি। অতুল টুকটাক ছবি তুলে নিচ্ছে। নতুন গজিয়ে ওঠা হোটেলগুলো আপাদমস্তক আলোকসজ্জায় সেজেছে। বাইরে গাছপালা ঝোপঝাড় সব কিছুতে আলো। আলোর তাল গাছ। আলোর ঝাউ।

    —যে কোনও উৎসবই এখন বিজ্ঞাপন হয়ে যাচ্ছে, খেয়াল করেছিস, শশাঙ্ক?

    —হুঁ।

    —ক’বছর ধরে বিজ্ঞাপনের হাত পাকড়ে উঠে আসছে পয়লা বৈশাখ। আচ্ছা বলতো, পয়লা বৈশাখে হালখাতা ছাড়া আর কী কী ছিল!

    —আমার তো কিছুই ছিল না।

    —সে তুই মফস্‌সলি বলে। কয়লা-টাউনে ছোটবেলা কাটিয়েছিস। আমরা পয়লা বৈশাখ দেখেছি কিছু কিছু। ধর, ছুটি তো নিশ্চয়ই। আরে এই গরমের দেশে মানুষ কাঁহাতক গা ঘামাবে? বাবার হাত ধরে দোকানে দোকানে নেমন্তন্ন রক্ষা করতে যেতুম। মিষ্টির বাক্‌সো, কিংবা মাটির প্লেটে করে গুচ্ছের মিষ্টি। ছোটবেলায় দারুণ লাগত কিন্তু। নতুন কাপড় হত, বিশেষ বাড়ির মেয়েদের। তখন তো সারা বছর ধরে এমন লাগাতার মার্কেটিং ছিল না। বাল্ক কেনাকাটা পুজো আর পয়লা বৈশাখ। দুুটোতেই ডাহা সেল। বচ্ছরকার জিনিস কেনো। এখন সব পুঁচকে পুঁচকে ছেলেমেয়ের ওয়ার্ডরোব নিয়ে কভার স্টোরি করতে হচ্ছে। হেসে আর বাঁচি না।

    শশাঙ্ক বলল—হুঁ।

    —আচ্ছা এরা কি বাংলার নববর্ষটাকে বাংলার, বাঙালির প্রতি বিগলিত প্রেমে রিভাইভ করতে চাইছে?

    —না।

    —আরে ঝেড়ে কাশো না বাবা। কী তখন থেকে সুন্দরবাবুর মতো হুম হাম করছ।

    —কে সুন্দরবাবু?

    —সে তুমি চিনবে না। একজন পুলিশ ইন্সপেক্টর। আমার কথাটার জবাব দে।

    —জবাব তো তুমিই একটু আগে বলে দিলে। বিক্রি, আরও বিক্রির যে কোনও সুযোগ এরা প্রোমোট করবে।

    —ধর মে-ডে’র সেলিব্রেশন লাল পতাকা, লাল কার্ড, লাল মিষ্টি, লালমোহনবাবু, লাল দই…কিংবা ধর, বিশ্বকাপ পরাজয়ের পোস্টার, স্ট্যাচু মানে পুতুল-টুতুল। সচিন ‘থিংকার’-এর পোজে, রাহুল ক্রুসে ঝুলছে। সৌরভ অ্যাপলোর মতো মাসকুল ফুলিয়ে এইসা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    শশাঙ্ক বলল— সুনামি নিয়েও করতে পারে। সুনামি-ডে। আসুন অ্যাকোয়া ওয়র্ল্ড, এসেল ওয়ার্ল্ড, সুনামি উপভোগ করুন, টোয়েন্টি মিটার ঢেউ, ঝড়ের গতি টু হানড্রেড কিলোমিটার্স পার আওয়ার। বিধ্বস্ত হয়ে যান। তার পর তার পর ফিউশন ডিনার। কেন বলো তো? সুনামির পর তো তোমাকে যা পাচ্ছ সাপ-ব্যাঙ তাই-ই খেতে হবে। সুনামি রেসিপির কম্পিটিশন হায়াত কী তাজ বেঙ্গলে।

    —ব্রেনগুলো গুরু পেল কোত্থেকে বল তো!

    —সব কিছুরই কোর্স হয়েছে আজকাল অতুলদা। ভর্তি হয়ে যাও।

    —সামনে একটা গোলমাল পাকাচ্ছে মনে হচ্ছে?— অতুল বণিক মন্তব্য করল।

    একটা ব্লু সিয়েলো মেন রাস্তা থেকে বাঁ দিকে নেমে যাচ্ছে। পেছনে কতকগুলো মোটরবাইকও।

    —রাস্তা ছোড়ো ইয়ার— আপন মনেই বলল অতুল। তার খুব ফুর্তি আজ।

    একটি বিখ্যাত ফাইভ-স্টার হোটেলের নিউ-ইয়ার ধামাকার খুঁটিনাটি কভার করে মনের সাধে পাইন-অ্যাপল অ্যাণ্ড পিসতাশিও চিকেন, পায়েস ক্যারামেল, বেকড ফ্রুটস বেগমবাহার, মোগলাই ক্যাসর্টো ইত্যাদির ছবি-টবি তুলে সেই জায়গাটাতে দু’জনে যখন ফিরল তখনও সিয়েলো গাড়িটা দাঁড়িয়ে, গলির মোড়ে কেমন সন্দেহজনক ভাবে বেঁকে। কাছে গিয়ে দেখল পরিত্যক্ত। দরজা হাতল ঘোরাতেই খুলে গেল। নামো অতুলদা— শশাঙ্কর গলায় যেন আদেশের সুর।

    —আরে ছোড় না ইয়ার। সিয়েলোকো কোই ছোড় সাকতা নহি ক্যা?

    কিন্তু শশাঙ্কর সেই বিখ্যাত নাক, তাকে দিয়ে প্রেসের গাড়ি থামায়। অতুলকে নামতে বাধ্য করে। খোলা গাড়ির ড্যাশবোর্ডে কোনও চাবি নেই এবং সামনের সিট দুটোয় চটচটে গাঢ় রঙের কী একটা পদার্থ, টর্চের আলো পড়তেই বোঝা গেল রক্তই। অতুল বণিক বলল— ইউ উইন ম্যান। চলো এক্সপ্লোর করা যাক।

    শশাঙ্ক প্রথমেই তার সেলফোনে লালবাজারে খবর দিল। তার পর গাড়িটা গলির মুখে আড়াআড়ি থামিয়ে ঢুকল। এবং তখনই মাটি কাঁপছে বুঝতে পারল। না বোমাটোমা নয়। মাটি তাকে দ্রুত বুঝিয়ে দিল গরগর করতে করতে কিছু মোটরবাইক আসছে। অচিরেই খ্যাপা মোষের মতো ছুটে এল তিনখানা। চার সওয়ারি নিয়ে। উল্টো দিক থেকে এমন জোরে যেন পৃথিবীর শেষ প্রান্তে পৌঁছবার তাড়া তাদের। শশাঙ্ক তার হাতের শক্তিশালী টর্চটা তাক করল সোজা সামনের বাইক সওয়ারির চোখে। গোঁত্তা খেয়ে উল্টে গেল গাড়িটা। পেছনের দুটোও স্পিডে আসছিল, প্রায় এ ওর ঘাড়ে পড়তে গিয়ে সামলে নিল। বাইকরা সমস্বরে বলল— ডিগবাজি খেলাম মালিক, খেতে হল, মনে কিছু কোরো না।

    অকথ্য গালাগাল ভেসে এল ও দিক থেকে— শুয়োরের বাচ্চা, সান অব আ বিচ এবং চলতি চার অক্ষর। এই সময়ে অদূরে গাড়ির ‘প্রেস’ লেখাটার ওপর অতুল বণিকের টর্চের আলো পড়ল। দু’জন দুদ্দাড় করে এ দিক ও দিক পালিয়ে গেল। মোটর বাইক নিয়েই, আশপাশের এবড়ো খেবড়ো ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে। গোঁত্তা খাওয়া বাইকটা ফেলে রেখে প্রথম জন পায়দল ভাগতে থাকল। বাইক গোঁ গোঁ করে বলল— আমি প্রাণহীন যন্ত্রমাত্র। আমার কাজ আমি করেছি। এ বার তোমরা বুঝে নাও। ড্রাইভারের হাতে বাইকটা জিম্মা রেখে দু’জনে এগোচ্ছে।

    অতুল বলল— গাড়ি ছিল, লোকটাকে চেজ করা উচিত ছিল কিন্তু।

    —বাইকটা তো আছে। পুলিশ বুঝবে।— শশাঙ্ক আর সময় নষ্ট করতে চায় না। কেন সিয়েলো গাড়ি পরিত্যক্ত খোলা পড়ে থাকে। মোটরবাইক আরোহী চার জন এ দিকে কোথায় গিয়েছিল, কেনই বা খ্যাপা মোষের মতো ছুটে আসছিল, পালালই বা কেন? তাকে জানতে হবে। সে কিছু একটা টের পাচ্ছে।

    সামনে একটা কারখানা। মস্ত গেট বন্ধ, কোথাও কেউ নেই। অতুল বলল— হল তো?

    শশাঙ্ক এগিয়ে গিয়ে দরজার তালাটা ধরতেই সেটা শব্দ করে পড়ে গেল। কল বই তো নই। যা করেছি খুব করেছি— তালাটা খুব নিচু ডেসিবেলে বলল। শশাঙ্কর রগের শিরা প্রচণ্ড লাফাচ্ছে। সে ঠ্যালা দিতেই কারখানার পুরনো দরজা কব্‌জাগুলোর ওপর দুলতে লাগল। যেন তাকে পথ করে দিল। ক্ষীণ গোঙানি ভেসে আসছে না!

    দৃশ্যটা এই রকম: একটি সদ্য চল্লিশোর্ধ্ব মহিলা এবং বছর চোদ্দো মেয়ের ছিন্নভিন্ন পোশাক, প্রায় নগ্ন পড়ে আছে, হতচেতন। মেয়েটির মুখ দিয়ে অস্ফুট গোঙানির শব্দ উঠছে। দু’জনেরই কান রক্তারক্তি, ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে গয়না। ভদ্রমহিলার হাতও ক্ষতবিক্ষত। সেখানেও কিছু ছিল। স্টিলেটো পরা এক পায়ে। মেয়েটির রিবক রক্তে ভিজে চুপচুপে।

    কাছাকাছি ঝোপে এক ভদ্রলোকের অর্ধমৃত দেহ পুলিশই আবিষ্কার করে। তিন জনকেই কাছাকাছি নার্সিং হোমে পাঠানো হয়। ভদ্রলোক রাত্তিরেই কোমায় চলে গেলেন। তাঁর মাথার পেছনে মারাত্মক আঘাত। ভদ্রমহিলা তিন দিন যুঝে লড়াই শেষ করলেন। মেয়েটি বেঁচে গেল। তবে, সে কাউকে চিনতে পারছে না। হঠাৎ হঠাৎ চিৎকার করে উঠছে।

    কাগজপত্র থেকে আবিষ্কার হল ভদ্রলোক এক নামী কোম্পানির উচ্চপদস্থ মানুষ। শৈবালসাধন গুপ্ত। স্ত্রী সাহানা গুপ্ত ডাক্তার। ইনিও বেশ কয়েকটি সংস্থার নিজস্ব ডাক্তার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। মেয়েটির নাম মিলি। সে একটি নামী স্কুলে ক্লাস নাইনে পড়ত। কিন্তু এঁদের কোনও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজনকে কলকাতা শহরে পাওয়া গেল না। খবর সংগ্রহ হল, সাহানার দুই ভাই অষ্ট্রেলিয়ায় সেটল্‌ড। শৈবালসাধন একমাত্র সন্তান। বাবা-মা গত। বাবাও খুবই উচ্চপদস্থ ছিলেন। মাসতুতো-পিসতুতো ডিরেক্ট কেউ নেই। এক থার্ড কাজিন দম্পতি অনেক সাধ্যসাধনার পর পুলিশের গুঁতোয় এলেন। আমতা আমতা করে যা বললেন বোঝা গেল, গুপ্ত দম্পতিটি একটু হাই-ব্রাও গোছের ছিলেন। মধ্যবিত্ত আত্মীয়দের সঙ্গে তেমন আসা-যাওয়া ছিল না।

    কাগজে দীর্ঘ দিন এই খুন ও ধর্ষণের বিবরণ ও সেই নিয়ে চিঠিপত্র চলতে থাকল। কিন্তু দিনের শেষে দেখা গেল মিলি নামের মেয়েটির দায়িত্ব নিতে কেউ নেই। স্কুল হস্টেলে রাখার কথা হয়েছিল। প্রিন্সিপ্যাল বললেন— একটি রেপ-ভিকটিমকে হস্টেলে জায়গা দিয়ে অন্য বোর্ডারদের মানসিক স্থৈর্য নষ্ট করার ঝুঁকি তিনি নিতে পারবেন না, অধিকারও তাঁর নেই। অভিভাবকদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। তিনি দুঃখিত।

    —তা হলে আর কী? আপাতত সরকারি হোম।

    শশাঙ্ক বলল— না।

    চেষ্টা চরিত্র করে নার্সিং হোমের মেয়াদটা বাড়ানো হল। কিন্তু সারা কলকাতা ঢুঁড়ে এ রকম মেয়ের জন্য কোনও আশ্রয় ও চিকিৎসার কেন্দ্র পাওয়া গেল না। বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের বন্ধ বাড়ির চাবি খুলল। এক জন সর্ব সময়ের নার্স নিযুক্ত হল। ব্যস এর বেশি আর কী? মেয়েটির কাউন্সেলিং-এর ব্যবস্থা অবশ্যই শশাঙ্কর। সে নানা কাজে ব্যস্ত। মোটরবাইকের সূত্র ধরে চার মস্তানের খোঁজে পুলিশ কতটা এগোল, আর এক দিকে আইনি পরামর্শ। মেয়েটি মাইনর। তার কোথায় কী আছে, বাবা-মা’র ইনসিওরেন্স, তাঁদের টাকাপয়সা, সাকসেশন সার্টিফিকেট। নানান ঝামেলা। একটা নিজস্ব অ্যাকাউন্ট আছে তার। তাতে দেড় লাখের ওপর টাকা জমা রয়েছে ওইটুকু মেয়ের নামে। কী করত ও এত টাকা? বাবা-মাই রাখতেন নিশ্চয়। ইনকাম-ট্যাক্স ফাঁকি? না শুধুই আদর? যাই হোক এটাই আপাতত তার একমাত্র ভরসা।

    ব্যস্ততা আর বিপন্নতা যখন ক্রমশই বেড়ে চলেছে, নাওয়া-খাওয়া মাথায় উঠেছে, সেই সময়ে জামসেদপুর সাকচি থেকে ফোন এল।— চিনচিন আমাকে মা বলে ডাকছে দাদা, ও ভাবছে আমিই ওর মা। ছেলেটা যে কী মায়াবী, কী মিশুকে ভাবতে পারবেন না। আমাদের এখানে সবাই ওকে নিয়ে মুগ্ধ। আমি কি ওকে কোনও ভাবে দত্তক নিতে পারি?

    কঙ্কণা চিনচিনকে দত্তক নিতে পারে কি না সে কথা শশাঙ্ক কী করে বলবে? বলতে পারে লোটন। কঙ্কণা কেন তার স্বামীকে একটা লং ডিসট্যান্স কল-এ ডেকে জিজ্ঞেস করছে না? এই পরামর্শ ছাড়া আর কী বলতে পারে সে কঙ্কণাকে? এরই মধ্যে চিঠি এসেছে, মোটা পার্সেল ক্যুরিয়ারে কার্তিক সামন্তর কাছ থেকে।

    —বহু কষ্টে গোপনে এই পত্র পাঠাইলাম। বাবাজি, স্বহস্তে লিখিত এই ইচ্ছাপত্রও সঙ্গে দিলাম। স্থাবর-অস্থাবর যাবতীয় সম্পত্তি যা আমার নামে আছে তা অতঃপর চিনুর হইবে। ইহারা এখনই নিজেদের নামে ট্রান্সফার করাইতে চাহিতেছে। পুত্রটি ছিল আমার বয়সের, অনেক সাধ্য-সাধনার, দোকানগুলিতে কর্মচারী রাখিয়াছি। ইহাদের তাহা পছন্দ নয়। সোজাসুজি কিছু করিতে পারিতেছে না। দেহে মনে ভাঙিয়া গিয়াছি। কিন্তু যাহারা আমার পুত্র-পুত্রবধূকে খুন করিল, আমার নাতিকে আমার কাছ হইতে কাড়িয়া লইল, হরে-দরে তাহাদের কোনও না কোনও সময়ে শাস্তি দেখিয়া যাইব। আমি থাকিয়া থাকিয়া গর্জিয়া উঠি, খুনের কিনারা করো, বলাই নিতাই তোমাদের দাদা বউদির, আদরের ভাইপোটির খুনের কিনারা করো। উহারা কুঁকড়িয়া যায়। তোমাকে সহি করা চেকবই, পাসবই পাঠাইলাম। ইনভেস্টমেন্ট শেয়ার সকলই লকারে আছে। চেকে টাকাগুলি তুলিয়া লইও। যাহা লকারে আছে কোনও সুযোগে বাহির হইয়া হস্তান্তর করিব। ফোনে চিনুর খবর পাইয়াছি। তুমি এ-ধার মাড়াইও না। বড় ভাল হয় তোমার ভ্রাতৃজায়াটি যদি চিনুকে আপন সন্তানের সহিত মানুষ করে। আমি তাহাকে রক্ষা করিতে পারি নাই। তাহার উপর আমার কোনও দাবি নাই। ভাবিও না বুড়া নিজের দায় তোমার উপর চাপাইতেছে। আর্থিক ভার সকলই আমার। শুধু শপথ করো চিনুর স্বার্থ নিঃস্বার্থ ভাবে দেখিবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছোটোগল্প – বাণী বসু
    Next Article কৃত্তিবাস রহস্য – বিনোদ ঘোষাল

    Related Articles

    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Our Picks

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }