Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নেকড়েমানবী – অনীশ দাস অপু

    লেখক এক পাতা গল্প251 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পিশাচের দ্বীপ

    ইতিহাসের ছাত্র এলিয়টের প্রাচীন ইউরোপীয় সভ্যতার পীঠস্থান রোম ও গ্রিস সম্বন্ধে জানার আগ্রহ ছিল। তাই সে ফ্রান্সের মার্সাই থেকে প্রথমে রোমে এবং তারপর ইতালি হয়ে গ্রীসের রাজধানী এথেন্সে এসে পৌঁছাল। সেখান থেকে ঈজিয়ান সাগরের দ্বীপপুঞ্জে যাতায়াত করা একটি যাত্রীবাহী জাহাজে চড়ে বসল। তারপর ঘুরে বেড়াতে লাগল দ্বীপ থেকে দ্বীপান্তরে। সংগ্রহ করতে লাগল প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।

    ইকারিয়া থেকে জাহাজ ছাড়বার পর সমুদ্রে ঝড় উঠল। ক্যাপ্টেনের নির্দেশে জাহাজের ইঞ্জিনগুলি বন্ধ করে দেয়া হলো। ঝড়ের সঙ্গে যুদ্ধ করে জাহাজ শেষ পর্যন্ত রক্ষা পায়। ঝড় থামলে আবার চলতে আরম্ভ করে। গন্তব্যস্থল তাইকলাডিস দ্বীপমালা।

    সুনীল জলরাশি ভেদ করে বেশ স্বাভাবিক গতিতেই জাহাজ চলছিল। হঠাৎ অদূরে একটা ছোট্ট দ্বীপ চোখে পড়ল এলিয়টের।

    চোখে বিইনোকুলার লাগিয়ে সেদিকে নজর দিল এলিয়ট। চোখের সামনে ভেসে উঠল উঁচু পাঁচিল দিয়ে ঘেরা একটি দ্বীপ। কিন্তু এ কোন দ্বীপ? সে যদুর জানে এদিকে কোনো দ্বীপ নেই।

    ক্যাপ্টেনকে ডেকে দ্বীপটির কথা বলতে ক্যাপ্টেন বললেন, হ্যাঁ, আমিও দেখছি দ্বীপটি। ওটা একটা ছোটো দ্বীপ।

    ওখানে কারা থাকে?

    তাচ্ছিল্যের স্বরে ক্যাপ্টেন বললেন, থাকে কয়েক ঘর গরিব প্রজা।

    কিন্তু ঐ দ্বীপটির চারপাশে যে উঁচু প্রাচীরের বেস্টনী আছে তা লক্ষ্য করেছেন কি?

    ঈজিয়ান সভ্যতার নিদর্শন ওটা। এখানে প্রায় সব দ্বীপেই এটা দেখা যায়।

    এলিয়ট বলল, আচ্ছা, ওখানে কি একবার যাওয়া যায় না?

    যাওয়া যাবে না কেননা? কিন্তু ঐ ভগ্নদ্বীপে গিয়ে আপনার কী লাভ? ওখানে না পাবেন থাকার জায়গা, না পাবেন ভালো খাবার।

    দেখুন, তা আমি জানি। কিন্তু আমি যে উদ্দেশ্য নিয়ে বেরিয়েছি ওখানে না গেলে তা সফল হবে না।

    আপনি কী উদ্দেশ্য নিয়ে বেরিয়েছেন বলুন তো? ক্যাপ্টেনের কণ্ঠে বিরক্তি।

    আমি প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনগুলি দেখতে চাই, জানতে চাই, পরিচিত হতে চাই সেই সভ্যতার সঙ্গে।

    কিন্তু ওখানে তেমন কোনো নিদর্শন নেই দূর থেকে যে প্রাচীরটি দেখছেন, হয়তো ওটাই একমাত্র নিদর্শন।

    আমি প্রাচীরটিই দেখতে চাই।

    কিন্তু আমাদের জাহাজ ঐ দ্বীপে যাবে না।

    বেশ তো, আপনার জাহাজ না যাক, জাহাজ থেকে আমাকে একটা নৌকা দিন আমি তাতে চেপে ওখানে যাব। এলিয়টের স্বরে দৃঢ়তা ফুটে উঠে।

    দেখুন, দ্বীপটি এখান থেকে অনেক দূরে। আপনি যদি নৌকায় করে সেখানে গিয়ে এই জাহাজে আবার ফিরে আসতে চান, তাহলে অনেকটা সময় লাগবে। আর জাহাজ কতক্ষণ আপনার জন্য অপেক্ষা করবে?

    দেখুন, আমি হাওয়া খেতে বের হইনি। বেরিয়েছি ঈজিয়ানের দ্বীপগুলি দেখতে। তা যদি না পারি, তবে আর এত কষ্ট করে জাহাজে চাপা কেনো? আপনি একটি নৌকা ও আপনার জাহাজের একজন কর্মীকে দিন–আমি তাকে নিয়েই ঐ দ্বীপে যাব।

    আপনার সঙ্গে যদি আমি তোক দিই, সে কিন্তু ঐ নির্জন অজানা দ্বীপে নামতে চাইবে না, বা আপনার সঙ্গে রাতে থাকতেও রাজি হবে না।

    তার কোনো দরকার নেই।

    তা হলে আপনি ফিরবেন কী করে?

    সে জন্য আপনাকে ভাবতে হবে না। ওখানে একবার পৌঁছাতে পারলে আমি ঠিক ফিরতে পারব।

    এলিয়টকে কিছুতেই ঐ অজানা দ্বীপে যাওয়া থেকে নিবৃত্ত করতে না পেরে ক্যাপ্টেন একবার শেষ চেষ্টা করলেন–এবার তার স্বরে মিনতি ঝরে পড়ল–আপনার কি বিপদের ঝুঁকি নিয়ে ঐ দ্বীপে না গেলেই নয়?

    আমার বিপদ হবে ভাবছেন কেনো?

    তাহলে আপনি যাবেনই।

    হ্যাঁ, তবে আপনি আমাকে নৌকা ও মাঝি না দিলে সে ইচ্ছা পূরণ হবে কী করে?

    শেষ পর্যন্ত ক্যাপ্টেন অনিচ্ছা সত্ত্বেও এলিয়টকে একটি নৌকা দিতে বাধ্য হলেন।

    নৌকার মাঝি এলিয়টকে সেই অজানা নির্জন দ্বীপে পৌঁছে দিয়েই দ্রুত জাহাজে ফিরে এল।

    দ্বীপে পৌঁছেই একটি গ্রাম্য মেঠো পথ ধরে এলিয়ট এগিয়ে চলল।

    পথ জনহীন। সমুদ্রের তীরে অবশ্য কয়েকখানা নৌকা দেখা গেল। তাতে লোকজন আছে কি না বোঝা গেল না।

    কিছুদূর এগোতেই একটি সরাইখানা চোখে পড়ল। সরাইখানার পাশে একটি পাহাড়। তার নিচে ছাগল চরে বেড়াচ্ছে।

    গোটা দ্বীপ ঘিরে রেখেছে যে প্রাচীর তা এলিয়টের কাছে এক পরম বিস্ময়ের ব্যাপার। কবে কারা এমন উন্নত ধরনের প্রাচীর তৈরি করেছিল?

    ঐ দ্বীপের একমাত্র সরাইখানায় ঢুকে এককাপ ছাগলের দুধ পান করে আবার চলতে শুরু করল এলিয়ট। তবে তখনও মসৃণ উঁচু পাঁচিলের বাইরেই সে। প্রাচীর যখন আছে তখন তার গেটও আছে–এটা অনুমান করে সে প্রাচীরের পাশ দিয়ে হাঁটতে লাগলো। উদ্দেশ্য প্রাচীরের ভিতরে ঢোকার গেটটি খুঁজে বের করা।

    প্রাচীরের চারদিকে কোনো গেট খুঁজে পেল না এলিয়ট। প্রাচীরটি প্রাচীন হলেও তা ভেঙে ভিতরে ঢোকার উপায় নেই–কারণ সেটি বেশ মজবুত। আর টপকানোরও কোন উপায় নেই কারণ সেটি মসৃণও। প্রাচীরের যে মুখটি খোলা সেটি আবার সমুদ্রের দিকে, আর সেখানেই কয়েকটি নৌকা বাঁধা আছে। এতএব একমাত্র নৌকা ছাড়া প্রাচীরের ভিতরে ঢোকা অসম্ভব।

    কীভাবে প্রাচীরের ভিতর ঢুকবে ভাবতে ভাবতে এলিয়ট মৃদুপায়ে এগোচ্ছিলো, হঠাৎ একটি কলতান কানে এল। মনে হলো কোনো জায়গা থেকে পানি বের হচ্ছে বা প্রবেশ করছে।

    শব্দটা যেন দেওয়ালের গা থেকেই আসছে। দেওয়ালে কান পাততেই বুঝতে পারলো শব্দটা দেওয়ালের ভিতর থেকে আসছে। খুব ভালোভাবে দেওয়ালের দিকে নজর দিতেই একটি ফাটল চোখে পড়ল।

    দূরবিন চোখে দিয়ে সেই ফাটলে চোখ রাখতেই এলিয়টের চোখ দুটি স্থির হয়ে গেল।

    প্রাচীরের ভিতরে একটি ছোটো ঝরণা দিয়ে ঝিরঝির করে জল ঝরে পড়ছে। ঝরণার পাশে মা ও ছেলের মর্মর মূর্তি। ছেলেটা মায়ের কোলে ওঠার চেষ্টায় তার হাঁটু দুটি জড়িয়ে ধরেছে।

    কী অপূর্ব সৌন্দর্যময়ী ঐ মর্মর নারী মূর্তিটি আর তার সন্তানের চোখে মায়ের কোলে ওঠার জন্য কী গভীর আকুলতা। দুটি মূর্তিই যেন জীবন্ত। মা একটু নীচু হয়ে আছে ছেলেটিকে কোলে তুলে নেওয়ার আগ্রহ নিয়ে।

    কোন যুগে কোন ভাস্কর এমন মূর্তি তৈরি করেছিল কে জানে? কোন বইতে বা প্রত্নতত্ত্ববিদের আবিষ্কারে তো এই দ্বীপ ও তার ভাস্কর্যের কথা লেখা হয়নি।

    এই দ্বীপে আসা তাহলে ব্যর্থ হয়নি। এখানকার এই ভাস্কর্যের কথা এলিয়ট সমগ্র বিশ্ববাসীর দরবারে পৌঁছে দেবে। এই আবিষ্কারের একমাত্র সাক্ষী সে। সেই হবে এই আবিষ্কারের কর্ণধার। কিন্তু এই মূর্তি দুটিকে এখান থেকে নিজের দেশে না নিয়ে গেলে তো আর কেউ বিশ্বাস করবে না।

    এই মূর্তি দুটি তার দেশের মিউজিয়ামের শোভা যেমন বৃদ্ধি করবে, তেমনি তার পাশে তার নামও থাকবে। এই বাগানের মালিককে খুঁজে বের করবে সিদ্ধান্ত নিয়ে সে আবার ফিরে এল সেই সরাইখানায়।

    .

    সরাইখানার যে কামরায় তার থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল সেখানে নিজের জুতা পরিষ্কার করার জন্য এলিয়ট ব্যাগ থেকে ব্রাশ আর কালি বের করে জুতায় কালি করতে যাবে, হঠাৎ শুনতে পেলো কে যেন বলছে–দিন আমি করে দিচ্ছি।

    পেছন ফিরে এলিয়ট দেখল বছর পনেরোর একটি ছেলে দরজার কাছে। দাঁড়িয়ে আছে। সে এলিয়টের হাত থেকে জুতাটা নিয়ে তাতে কালি দিতে লাগল আর এলিয়ট সেদিকে বিস্ময়ে চেয়ে রইল। এলিয়ট ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করল–প্রাচীর দিয়ে ঘেরা ঐ বাগানটার মালিক কে বলতে পার?

    না, আমি জন্ম থেকেই ওটাকে অমন দেখছি।

    তুমি না জানতে পার, কিন্তু তোমার বাবা-মা নিশ্চয়ই জানেন।

    আমার বাবা মা কেউ নেই। তবে যতদূর জানি গরডন নামে একজন ঐ বাগানের মালিক।

    তুমি আমাকে তার সঙ্গে দেখা করিয়ে দিতে পার?

    কী করে পারব, ঐ পাঁচিলের ভিতরে ঢোকার তো কোনো পথ নেই।

    কিন্তু সমুদ্রের দিকের পথ তো ভোলা। ছেলেটি একথা শুনে কোনো জবাব দিল না। এলিয়ট তাকে তার পারিশ্রমিক দিতে সে মৃদু হেসে চলে গেল।

    এলিয়টের ঘরের সামনে তখন কয়েকজন কৌতূহলী লোক দাঁড়িয়ে জটলা করছিল।

    এলিয়ট তাদের ভিতর একজনকে ডেকে জিজ্ঞাসা করল–আমি ঐ পাঁচিল দিয়ে ঘেরা বাগানের মালিকের সঙ্গে একটু আলাপ করতে চাই। আপনাদের মধ্যে কেউ কি আমাকে সে সুযোগ করে দিতে পারেন?

    এলিয়টের কথা শুনে আঁতকে উঠে সকলে দ্রুত স্থান ত্যাগ করল।

    এলিয়ট জানত এই লোকগুলো খুব গরিব তাই এদের টাকার লোভ। দেখালে এরা তাকে তার কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছে দিতে দ্বিধা করবে না, তাই সে অনেকগুলো টাকা বের করে বলল–দেখ, তোমাদের মধ্যে আমাকে ঐ পাঁচিল ঘেরা বাগানের ভিতর যে নিয়ে যাবে তাকে আমি একশো ড্রাকমা দেবো।

    কিন্তু এলিয়টের প্রস্তাবে কেউ সাড়া দিল না।

    সমস্ত গ্রাম খুঁজেও এলিয়ট একটি লোককেও পেল না যে, তাকে ঐ পাঁচিল ঘেরা বাগানের ভিতর নিয়ে যাবে। তারা ঐ প্রাচীরের নাম শুনেই ভয়ে আঁতকে উঠে দ্রুত পালিয়ে গেল।

    অগত্যা নিতান্ত নিরাশ হয়ে ওকে আবার সরাইখানায় ফিরে আসতে হলো।

    .

    গভীর রাত।

    সকলে ঘুমিয়ে পড়েছে। ঘুম নেই শুধু এলিয়টের চোখে। তার চোখের সামনে তখন শুধু একটি দৃশ্য ফুটে উঠেছে। তা ঐ মা ও ছেলের প্রস্তর মূর্তির।

    এমন সময় পদশব্দ শুনে ফিরে দেখল তার পেছনে দাঁড়িয়ে আছে সকালের সেই জুতা পালিশ করা ছেলেটা।

    এত রাতে এই ছেলেটা এখানে কেনো? ও কোথায় থাকে? ও কি এই সরাইখানাতে থাকে?

    এলিয়ট ছেলেটির নাম জিজ্ঞাসা করার আগেই সে এগিয়ে এসে এলিয়টকে বলল–আমি আপনাকে আমার নৌকায় করে ঐ পাঁচিল ঘেরা বাগানের ভিতর নিয়ে যাবো। আমায় একশো ড্রাকমা দেবেন তো?

    কেন দেবো না। নিশ্চয় দেবো। তবে আমরা যাবো কখন?

    কাল সকালে। তবে কথাটা কাউকে যেন বলবেন না।

    বেশ, তাই হবে।

    ছেলেটি চলে গেল। এলিয়টের মন আবার স্বপ্নের জাল বুনতে বসল। সে ঐ বাগানের ভিতর থেকে মা ও ছেলের মূর্তি দেশে নিয়ে যাবে। ওটা একটি পরম বিস্ময় হিসেবে মিউজিয়ামে শোভা পাবে। তার নামও প্রত্নতাত্ত্বিকের খাতায় লেখা থাকবে।

    পরেরদিন ভোরের আলো ফুটে ওঠার আগেই এলিয়ট এসে হাজির সমুদ্রতটে।

    সেই ছেলেটি একটি পালহীন ছোটো নৌকায় সেখানে অপেক্ষা করছিল।

    এলিয়ট এসে নৌকায় পা রাখতেই ছেলেটি নৌকা ছেড়ে দিল। পাঁচিলটির বিপরীত দিকে তাকিয়ে সে নৌকা বেয়ে চলল। ওদিকে সে তাকাতেই চায় না। কেমন যেন একটা ভয় ভয় ভাব ছেলেটির চোখে মুখে।

    হঠাৎ নৌকাটা থেমে গেল।

    এলিয়ট দেখল একটি কালো পাথরের গায়ে নৌকাটা থেমেছে।

    কী, এসে গেছি?

    হ্যাঁ, আমি কিন্তু আর এগোব না। আপনি কি আমার পাওনাটা এখনি মিটিয়ে দেবেন?

    কেন দেব না। এই নাও। মানি ব্যাগ থেকে টাকা বের করে এলিয়ট ছেলেটিকে দিল। তারপর বলল–আর একটু এগিয়ে নিয়ে চল না। ঐ তো ঘাট দেখা যাচ্ছে।

    এখানে কোনো ঘাট নেই। আমি যে পর্যন্ত আসতে পারি এসেছি আর এক কদমও এগোতে পারব না।

    বেশ তো তোমার নৌকাটি তবে খানিকক্ষণের জন্য আমায় ধার দাও–আমি ওখানে পৌঁছে মালিকের সঙ্গে দেখা করেই ফিরে আসব।

    না। আমি তা পারব না। বলে সে বৈঠা তুলে নৌকাটাকে দূরে সরিয়ে নিতে গিয়ে তাল সামলাতে না পেরে জলের ভিতর পড়ে তলিয়ে গেল।

    যে ছেলেটি এত কষ্ট করে এলিয়টকে এখানে নিয়ে এসেছে দ্বীপবাসীর কথা অগ্রাহ্য করে তাকে এভাবে চোখের সামনে ডুবে মরতে দিতে চায় না এলিয়ট। সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্রের পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ল এবং তার অচেতন দেহটাকে টেনে হেঁচড়ে পানি থেকে তুলে নিয়ে এল।

    বালির চরায় পৌঁছে অনেক কসরত করে ছেলেটির পেট থেকে পানি বের করে তাকে সুস্থ করে তুলতেই ছেলেটি অবাক হয়ে এলিয়টের মুখের দিকে চেয়ে রইল।

    সে দিকে তাকিয়ে এলিয়ট বলল–এখন কেমন বোধ করছ?

    ছেলেটির মুখ থেকে কোনো শব্দ বের হলো না। এলিয়ট তাকে সেখানে বসিয়ে রেখে নৌকা খুঁজতে বের হলো। ভাগ্য সুপ্রসন্ন যে নৌকাটাকে পাওয়া গেল। নৌকায় উঠে সেটিকে তীরের দিকে এনে নোঙর করে চেয়ে দেখল ছেলেটা একটা পাথরে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সে যেন গভীর মনোযোগ দিয়ে কিছু দেখছে।

    কি হে, এখন আর আমার সঙ্গে যেতে তোমার কোনো আপত্তি নেই। তো? আপত্তি থাকলে এখানে অপেক্ষা করো। আমি বাগানের মালিকের সঙ্গে কথা বলে আসছি।

    ছেলেটি নির্বাক। মুখ থেকে কোনো টু বের হচ্ছে না দেখে এলিয়টের বেশ রাগ হলো। চিৎকার করে বলল–কি, আমার কথা শুনতে পাচ্ছ না।

    তবুও কোনো জবাব নেই। এবার এলিয়ট এগিয়ে গিয়ে ছেলেটির কাঁধে হাত রাখল এবং সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে নিল। এতো মানুষের দেহ নয়। এ যে নিরেট পাথর।

    এটা যদি পাথরের মূর্তি হয় তবে ছেলেটি কোথায় গেল? একথা মনে হতেই সাগরের যে বেলাভূমিতে ছেলেটিকে শুইয়ে রেখে সে নৌকার খোঁজে গিয়েছিল সেখানে গেল।

    সেখানে বালির উপরে শায়িত ছেলেটির ছাপ দেখতে পেল এলিয়েট। আরও একটি পদচিহ্ন চোখে পড়ল। খুব সম্ভবত কোন নারীর পায়ের ছাপ।

    তখনই ইতিহাসের ছাত্র এলিয়টের একটি পৌরাণিক কাহিনীর কথা মনে পড়ে গেল। কিন্তু সেটার তো কোনো ঐতিহাসিক স্বীকৃতি নেই। সেটা তো নিছক একটা কিংবদন্তি। গ্রিক পুরাণে বর্ণিত কাহিনীটি হলো স্থেনো, মেডুসা ও ইউরিয়েল নামে তিন দানবী বাস করত গরগন দ্বীপে। তারা ছিল মানুষের কাছে এক ভয়ঙ্কর আতঙ্ক।

    তাদের মাথায় চুলের বদলে থাকত জীবন্ত সাপ। ওরা দেখতে এত কদাকার ছিল যে, যে কেউ ওদের দিকে তাকালে সে পাথরে পরিণত হয়ে যেত।

    এসব কাহিনী যে মিথ্যা নয় তার প্রমাণ তো তার সামনেই। ঐ তো খানিক আগে যে ছেলেটির সঙ্গে এলিয়ট কথা বলেছে, সে পাথর হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    এলিয়টের তখন আর বুঝতে বাকি রইল না যে, কেনো গোটা দ্বীপ থেকে এই প্রাচীর ঘেরা স্থানটি বিচ্ছিন্ন। কেনো এই জায়গাটার কথা স্থানীয় লোকেরা মুখে পর্যন্ত আনতে চায় না। কেনো গরিব হয়েও লোকগুলো তার অতগুলো টাকার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিল, কেনো ছেলেটি ঐ প্রাচীরের দিকে না তাকিয়ে নৌকা চালাচ্ছিল।

    এই সেই গরগনের বাগান। পুরাণ শাস্ত্রে বর্ণিত কাহিনীতে জানা যায় মহাবীর পারসিউস তিন দানবীর মধ্যে মেডুসাকে হত্যা করতে সমর্থ হন, কিন্তু নো ও ইউরিয়েলকে হত্যা করতে পারেননি। কিন্তু সে তো কয়েক সহস্র বছর আগের কাহিনী। তারা কি এখনও বেঁচে আছে? তারা কি অমর? এসব নানান চিন্তা ঐ নির্জন দ্বীপের জমিতে দাঁড়িয়ে এলিয়টের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল।

    কিংবদন্তি যে সত্যে পরিণত হতে পারে এটা তো এলিয়টের কল্পনাতেও স্থান পায়নি। কিন্তু বাস্তব তো তার সামনে। ঐ তো ঈষৎ ঘাড় বাঁকানো অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে তার দেখা সেই ছেলেটা। ওর কাঁধে এখনও সমুদ্রের নোনা জল লেগে আছে। ওকে দেখে মনে হচ্ছে জীবন্ত গ্রিক ভাস্কর্যের প্রতিরূপ। তাহলে তো ঐ মা ও ছেলের মূর্তিটিও এমনই একটি জীবিত মা ও ছেলের প্রতিমূর্তি।

    ভাবনার স্রোত বেশি দূর গড়ানোর আগেই পেছনে লঘু পদ সঞ্চারের শব্দ শোনা গেল। মনে হলো কেউ যেন গাউন পরে তার দিকে আসছে। সমুদ্রের হাওয়ায় গাউনের খস্ খস্ শব্দ কানে আসছে। খুব কাছে থেকে একটি সুরভিত সুগন্ধি ভেসে এল। যা কেবল কোনো নারীর দেহ থেকে পাওয়া যায়। এবার শোনা গেল একটি ফ্যাসফেসে কণ্ঠস্বর। সে ভাষা বোঝার সাধ্য নেই এলিয়টের।

    এলিয়টের বুঝতে বাকি রইল না যে, মূর্তিমতি মৃত্যু তার দিকে এগিয়ে আসছে। সে দিকে তাকালে সেও পাথরে পরিণত হবে।

    এলিয়ট পেছন ফিরে না তাকানোর সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলল কিন্তু এক দুর্নিবার শক্তি তাকে বার বার পিছু ফিরে তাকানোর জন্য তাড়না শুরু করল। তাকাবে না তাকাবে না করেও সে ফিরে চাইল…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইলেভেন মিনিটস – পাওলো কোয়েলহো
    Next Article আবার অশুভ সঙ্কেত – অনীশ দাস অপু

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }