Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নৌকাডুবি – চলিত ভাষার – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    চলিত ভাষার এক পাতা গল্প350 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এবার আলিপুরে ওকালতির কাজ শুরু করে দেবে, রমেশের এইরকম ইচ্ছা ছিল। কিন্তু তার মন ভেঙে গেছে। মন স্থির করে কাজে হাত দেবার এবং প্রথম কাজ শুরু করার নানা বাধা অতিক্রম করার মতো উৎসাহ তার ছিল না। সে এখন কিছুদিন গঙ্গার পুলের উপর এবং গোলদিঘিতে অকারণ ঘুরে বেড়াতে লাগল। একবার মনে করল ‘কিছুদিন পশ্চিমে বেড়িয়ে আসি’, এমন সময় অন্নদাবাবুর কাছ থেকে একখানা চিঠি পেল।

    অন্নদাবাবু লিখেছেন, “গেজেটে দেখলাম, তুমি পাস হয়েছ–কিন্তু সে খবর তোমার কাছ থেকে না পেয়ে দুঃখিত হলাম। বহুকাল তোমার কোনো সংবাদ পাইনি। তুমি কেমন আছ এবং কবে কলকাতায় আসবে, জানিয়ে আমাকে নিশ্চিন্ত ও সুখী করবে।”

    এখানে বলা প্রয়োজন যে, অন্নদাবাবু যে বিলাতফেরত ছেলেটির উপর তাঁর নজর রেখেছিলেন, সে ব্যারিস্টার হয়ে ফিরে এসেছে এবং এক ধনীকন্যার সাথে তার বিয়ের আয়োজন চলছে।

    ইতিমধ্যে যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে, তার পর হেমনলিনীর সাথে আগের মতো সাক্ষাৎ করা তার উচিত হবে কিনা, তা রমেশ কোনোভাবেই স্থির করতে পারল না। সম্প্রতি কমলার সাথে তার যে সম্পর্ক দাঁড়িয়েছে, সে কথা কাউকে বলা সে কর্তব্য মনে করে না। নিরপরাধ কমলাকে সে সংসারের কাছে অপমানিত করতে পারে না। অথচ সব কথা স্পষ্ট না বলে হেমনলিনীর কাছ সে তার আগের অধিকার ফিরে পাবে কী করে?

    কিন্তু অন্নদাবাবুর চিঠির উত্তর দিতে দেরি করা আর তো উচিত নয়। সে লিখল, “গুরুতর কারণবশত আপনাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে অক্ষম হয়েছি, আমাকে ক্ষমা করবেন।” নিজের নতুন ঠিকানা চিঠিতে দিল না।

    এই চিঠিখানা ডাকে ফেলার পরদিনই রমেশ শামলা মাথায় দিয়ে আলিপুরের আদালতে হাজিরা দিতে বের হল।

    একদিন সে আদালত থেকে ফেরার সময় কিছু পথ হেঁটে একটি ঠিকাগাড়ির গাড়োয়ানের সাথে ভাড়ার বন্দোবস্ত করছে, এমন সময় একটি পরিচিত ব্যস্ত কণ্ঠের স্বরে শুনতে পেল, “বাবা, এই যে রমেশবাবু!”

    “গাড়োয়ান, থামো, থামো!”

    গাড়ি রমেশের পাশে এসে দাঁড়াল। সেদিন আলিপুরের চিড়িয়াখানায় একটি পিকনিকের নিমন্ত্রণ সেরে অন্নদাবাবু ও তাঁর কন্যা বাড়ি ফিরছিলেন–এমন সময় হঠাৎ এই দেখা।

    গাড়িতে হেমনলিনীর সেই কোমল-গম্ভীর মুখ, তার বিশেষ ধরনের সেই শাড়ি পরা, তার চুল বাঁধার পরিচিত ভঙ্গি, তার হাতের সেই সাধারণ বালা এবং তারাকাটা দুটি করে সোনার চুড়ি দেখামাত্র রমেশের বুকের মধ্যে একটা ঢেউ যেন একেবারে গলা পর্যন্ত উথলে উঠল।

    অন্নদাবাবু বললেন, “এই যে রমেশ, ভাগ্যে পথে দেখা হল! আজকাল চিঠি লেখাই বন্ধ করেছ, যদি-বা লেখ, তবু ঠিকানা দাও না। এখন যাচ্ছ কোথায়? বিশেষ কোনো কাজ আছে?”

    রমেশ বলল, “না, আদালত থেকে ফিরছি।”

    অন্নদা: “তবে চলো, আমাদের ওখানে চা খেতে চলো।”

    রমেশের হৃদয় ভরে উঠেছিল–সেখানে আর দ্বিধা করার স্থান ছিল না।

    সে গাড়িতে চড়ে বসল। একান্ত চেষ্টায় সংকোচ কাটিয়ে হেমনলিনীকে জিজ্ঞাসা করল, “আপনি ভালো আছেন?”

    হেমনলিনী কুশলপ্রশ্নের উত্তর না দিয়েই বলল, “আপনি পাস হয়ে আমাদের যে একবার খবর দিলেন না বড়ো?”

    রমেশ এই প্রশ্নের কোনো জবাব খুঁজে না পেয়ে বলল, “আপনিও পাস হয়েছেন দেখলাম।”

    হেমনলিনী হেসে বলল, “তবু ভালো, আমাদের খবর রাখেন!”

    অন্নদাবাবু বললেন, “তুমি এখন বাসা কোথায় করেছ?”

    রমেশ বলল, “দরজিপাড়ায়।”

    অন্নদাবাবু বললেন, “কেন, কলুটোলায় তোমার সাবেক বাসা তো মন্দ ছিল না।”

    উত্তরের অপেক্ষায় হেমনলিনী বিশেষ কৌতূহলের সাথে রমেশের দিকে তাকাল। সেই দৃষ্টি রমেশকে আঘাত করল–সে তৎক্ষণাৎ বলে ফেলল, “হাঁ, সেই বাসাতেই ফিরব স্থির করেছি।”

    তার এই বাসা-বদল করার অপরাধ যে হেমনলিনী গ্রহণ করেছে, তা রমেশ ভালই বুঝল–সাফাই করার কোনো উপায় না জানায় সে মনে মনে পীড়িত হতে লাগল। অন্য পক্ষ থেকে আর কোনো প্রশ্ন উঠল না। হেমনলিনী গাড়ির বাইরে পথের দিকে তাকিয়ে রইল। রমেশ আর থাকতে না পেরে অকারণে নিজেই বলে উঠল, “আমার একটি আত্মীয় হেদুয়ার কাছে থাকেন, তাঁর খবর নেওয়ার জন্য দরজিপাড়ায় বাসা করেছি।”

    রমেশ একদম মিথ্যা বলল না, কিন্তু কথাটা কেমন অসংগত শোনাল। মধ্যে মধ্যে আত্মীয়ের খবর নেওয়ার পক্ষে কলুটোলা হেদুয়া থেকে এতই কি দূর? হেমনলিনীর দুচোখ গাড়ির বাইরে পথের দিকেই নিবদ্ধ হয়ে রইল। হতভাগ্য রমেশ এর পরে কী বলবে, কিছুই ভেবে পেল না। একবার শুধু জিজ্ঞাসা করল, “যোগেনের খবর কী?” অন্নদাবাবু বললেন, “সে আইন-পরীক্ষায় ফেল করে পশ্চিমে হাওয়া খেতে গেছে।”

    গাড়ি যথাস্থানে পৌঁছলে পর পরিচিত ঘর ও গৃহসজ্জাগুলি রমেশের উপর মন্ত্রজাল বিস্তার করে দিল। রমেশের বুকের মধ্য থেকে গভীর দীর্ঘশ্বাস উঠল।

    রমেশ কিছু না বলেই চা খেতে লাগল। অন্নদাবাবু হঠাৎ জিজ্ঞাসা করলেন, “এবার তো তুমি অনেকদিন বাড়িতে ছিলে, কাজ ছিল বুঝি?”

    রমেশ বলল, “বাবার মৃত্যু হয়েছে।”

    অন্নদা: “অ্যাঁ, বল কী! সে কী কথা! কেমন করে হল?”

    রমেশ: “তিনি পদ্মা বেয়ে নৌকা করে বাড়ি আসছিলেন, হঠাৎ ঝড়ে নৌকা ডুবে তাঁর মৃত্যু হয়।”

    একটা প্রবল হাওয়া উঠলে যেমন হঠাৎ করে ঘন মেঘ কেটে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়, তেমনি এই শোকের সংবাদে রমেশ ও হেমনলিনীর মাঝখানের গ্লানি মুহূর্তের মধ্যে কেটে গেল। হেম অনুতাপসহকারে মনে মনে বলল, ‘রমেশবাবুকে ভুল বুঝেছিলাম–তিনি পিতৃবিয়োগের শোকে এবং গোলমালে বিচলিত হয়ে ছিলেন। এখনো হয়তো তাই নিয়ে উতলা হয়ে আছেন। উনার সাংসারিক কী সংকট ঘটেছে, উনার মনের মধ্যে কী ভার চেপেছে, তা কিছুই না জানিয়েই আমরা উনাকে দোষী করছিলাম।’

    হেমনলিনী এই পিতৃহীনকে বেশি করে যত্ন করতে লাগল। রমেশের খাওয়ায় রুচি ছিল না, হেমনলিনী তাকে বিশেষ পীড়াপীড়ি করে খাওয়াল। বলল, “আপনি বড়ো রোগা হয়ে গেছেন, শরীরের অযত্ন করবেন না।” অন্নদাবাবুকে বলল, “বাবা, রমেশবাবু আজ রাতেও এইখানেই খেয়ে যান-না।”

    অন্নদাবাবু বললেন, “বেশ তো।”

    এমন সময় অক্ষয় এসে উপস্থিত। অন্নদাবাবুর চায়ের টেবিলে কিছুকাল অক্ষয় একাধিপত্য করে আসছে। আজ হঠাৎ রমেশকে দেখে সে থমকে গেল। আত্মসংবরণ করে হেসে বলল, “এ কী! এ যে রমেশবাবু! আমি বলি, আমাদের বুঝি একেবারেই ভুলে গেলেন।”

    রমেশ কোনো উত্তর না দিয়ে একটুখানি হাসল। অক্ষয় বলল, “আপনার বাবা আপনাকে যে-রকম তাড়াতাড়ি ধরে নিয়ে গেলেন, আমি ভাবলাম, তিনি এবার আপনার বিয়ে না দিয়ে কিছুতেই ছাড়বেন না–ফাঁড়া কাটিয়ে এসেছেন তো?”

    হেমনলিনী অক্ষয়কে বিরক্ত দৃষ্টিতে বিদ্ধ করল।

    অন্নদাবাবু বললেন, “অক্ষয়, রমেশের পিতৃবিয়োগ হয়েছে।”

    রমেশ বিবর্ণ মুখ নিচু করে বসে রইল। তাকে বেদনার উপর ব্যথা দিল বলে হেমনলিনী অক্ষয়ের প্রতি মনে মনে ভারি রাগ করল। রমেশকে তাড়াতাড়ি বলল, “রমেশবাবু, আপনাকে আমাদের নতুন অ্যালবামখানা দেখানো হয়নি।” বলে অ্যালবাম এনে রমেশের টেবিলের এক প্রান্তে নিয়ে গিয়ে ছবি নিয়ে আলোচনা করতে লাগল এবং এক সময়ে আস্তে আস্তে বলল, “রমেশবাবু, আপনি বোধ হয় নতুন বাসায় একলা থাকেন?”

    রমেশ বলল, “হাঁ।” হেমনলিনী: “আমাদের পাশের বাড়িতে আসতে আপনি দেরি করবেন না।” রমেশ বলল, “না, আমি এই সোমবারেই নিশ্চয় আসব।” হেমনলিনী: “মনে করছি, আমাদের বি.এ.-র ফিলজফি আপনার কাছে মধ্যে মধ্যে বুঝিয়ে নেব।” রমেশ তাতে বিশেষ উৎসাহ প্রকাশ করল।

    রমেশ আগের বাসায় আসতে দেরি করল না।

    এর আগে হেমনলিনীর সঙ্গে রমেশের যতটুকু দূরত্ব ছিল, এবারে তা আর রইল না। রমেশ যেন একেবারে ঘরের লোক হয়ে গেল। হাসি-তামাশা, নিমন্ত্রণ-আমন্ত্রণ খুব জমে উঠল।

    অনেক কাল অনেক পড়া মুখস্থ করে ইতিপূর্বে হেমনলিনীর চেহারা একপ্রকার নাজুক ধরনের ছিল। মনে হত, যেন একটু জোরে হাওয়া লাগলেই শরীরটা কোমর থেকে হেলে ভেঙে পড়তে পারে। তখন তার কথা কম ছিল, এবং তার সঙ্গে কথা বলতেই ভয় হত–পাছে সামান্য কিছুতেই সে রাগ করে।

    অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই তার আশ্চর্য পরিবর্তন হয়েছে। তার ফ্যাকাশে গালে লাবণ্যের মসৃণতা দেখা দিল। তার চোখ এখন কথায় কথায় হাসির ঝিলিকে নেচে উঠে। আগে সে পোশাক-পরিচ্ছদে মনোযোগ দেওয়াকে হালকামি, এমনকি, অন্যায় মনে করত। এখন কারো সঙ্গে কোনো তর্ক না করে কীভাবে যে তার মত বদলে আসছে, তা অন্তর্যামী ছাড়া আর কেউ বলতে পারে না।

    কর্তব্যবোধে ভারাক্রান্ত রমেশও কম গম্ভীর ছিল না। বিচারশক্তির প্রাবল্যে তার শরীর-মন যেন নিস্তেজ হয়ে গিয়েছিল। আকাশের জ্যোতির্ময় গ্রহ-তারা চলাফেরা করে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কিন্তু মানমন্দির আপনার যন্ত্রনিয়ে অত্যন্ত সতর্কভাবে নিশ্চল হয়ে বসে থাকে–রমেশ সেইরকম এই চলমান জগৎসংসারের মাঝখানে আপনার বই-পত্র, যুক্তি-তর্কের আয়োজনের ভারে আটকে ছিল, তাকেও আজ এতটা হালকা করে দিল কীভাবে? সেও আজকাল সব সময়ে রসিকতার সদুত্তর দিতে না পারলে হো হো করে হেসে উঠে। তার চুলে এখনো চিরুনি ওঠেনি বটে, কিন্তু তার চাদর আর আগের মতো ময়লা নেই। তার দেহে-মনে এখন যেন একপ্রকার গতিশীলতার আবির্ভাব হয়েছে।

    প্রেমীদের জন্য কাব্যে যে সব আয়োজনের ব্যবস্থা আছে, কলকাতা শহরে তা মেলে না। কোথায় প্রফুল্ল অশোক-বকুলের বীথিকা, কোথায় ফুটে থাকা মাধবীলতার আড়াল, কোথায় আম্রমঞ্জরীর গন্ধে মত্ত কোকিলের কুহুধ্বনি? তবু এই শুষ্ক কঠিন সৌন্দর্যহীন আধুনিক শহরে ভালোবাসার জাদুবিদ্যা ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায় না। এই গাড়িঘোড়ার ভয়ানক ভিড়ে, এই লোহার শিকলে বাঁধা ট্রামের রাস্তায় এক চিরতরুণ প্রাচীন দেবতা তাঁর ধনুকটি লুকিয়ে রেখে লালপাগড়ি পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে কত রাতে কত দিনে কত বার কত ঠিকানায় যে আসা-যাওয়া করছেন, তা কে বলতে পারে।

    রমেশ ও হেমনলিনী চামড়ার দোকানের সামনে, মুদির দোকানের পাশে, কলুটোলার ভাড়াটে বাড়িতে বাস করত বলে প্রেমের বিকাশ সংক্রান্তে বাগানবাড়ির বাসিন্দাদের চেয়ে তারা যে একটুও পিছিয়ে ছিল, এমন কথা কেউ বলতে পারে না। অন্নদাবাবুদের চায়ের দাগে মলিন ছোট টেবিলটি পদ্মসরোবর না হলেও রমেশ একটুও অভাব বোধ করে নি। হেমনলিনীর পোষা বিড়ালটি কৃষ্ণসার হরিণশিশু না হলেও রমেশ পরিপূর্ণ স্নেহে তার গলা চুলকিয়ে দিত–এবং সেটি যখন ধনুকের মতো পিঠ ফুলিয়ে আলস্য ত্যাগ করে নিজের গা চেটে সাজগোজে মগ্ন হত, তখন রমেশের মুগ্ধ দৃষ্টিতে এই প্রাণীটি গৌরবে অন্য কোনো চতুষ্পদ প্রাণীর চেয়ে কম মনে হত না।

    হেমনলিনী পরীক্ষা পাস করার আগ্রহে সেলাই শিক্ষায় বিশেষ দক্ষতা অর্জন করতে পারে নি, কিছুদিন থেকে তার এক সেলাই-পটু বান্ধবীর কাছে একাগ্রচিত্তে সে সেলাই শিখতে শুরু করেছে। সেলাই-ব্যাপারটাকে রমেশ অত্যন্ত অনাবশ্যক ও তুচ্ছ বলে মনে করে। সাহিত্যে দর্শনে হেমনলিনীর সঙ্গে তার দেনা-পাওনা চলে–কিন্তু সেলাই-ব্যাপারে রমেশকে দূরে থাকতে হয়। এইজন্য সে প্রায়ই কিছুটা অধীর হয়ে বলত, “আজকাল সেলাইয়ের কাজ কেন আপনার এত ভালো লাগে? যাদের সময় কাটানোর আর কোনো ভালো উপায় নেই, তাদের জন্যই এটা ভালো।” হেমনলিনী কোনো উত্তর না দিয়ে একটু হাসিমুখে সূচে রেশম পরাতে থাকে। অক্ষয় তীক্ষ্ণস্বরে বলে, “যে সব কাজ সংসারের কোনো প্রয়োজনে লাগে, রমেশবাবুর মতে সেগুলো সব তুচ্ছ। মশায় যত বড়ই তত্ত্বজ্ঞানী এবং কবি হোন না কেন, তুচ্ছকে বাদ দিয়ে একদিনও চলে না।” রমেশ উত্তেজিত হয়ে এর বিরুদ্ধে তর্ক করতে কোমর বেঁধে বসে; হেমনলিনী বাধা দিয়ে বলে, “রমেশবাবু, আপনি সব কথারই উত্তর দিতে এত ব্যস্ত হন কেন? এতে সংসারে অপ্রয়োজনীয় কথা যে কত বেড়ে যায়, তার ঠিক নেই।” এই বলে সে মাথা নিচু করে গুণতে গুণতে সাবধানে রেশমসূত্র চালাতে শুরু করে।

    একদিন সকালে রমেশ তার পড়ার ঘরে এসে দেখে, টেবিলের উপর রেশমের ফুল-তোলা মখমলে মোড়া একটি ব্লটিং-বই সাজানো আছে। তার একটি কোণে ‘র’ অক্ষর লেখা আছে, আরেক কোণে সোনালি জরির সুতো দিয়ে একটি পদ্ম আঁকা। বইটির ইতিহাস ও অর্থ বুঝতে রমেশের এক মুহূর্তও দেরি হল না। তার বুক নেচে উঠল। সেলাই জিনিসটা তুচ্ছ নয়, তা তার অন্তরাত্মা বিনা তর্কে, বিনা প্রতিবাদে মেনে নিল। ব্লটিং-বইটি বুকে চেপে ধরে সে অক্ষয়ের কাছেও হার মানতে রাজি হয়ে গেল। সেই ব্লটিংবই খুলে তখনই তার উপরে একখানা চিঠির কাগজ রেখে সে লিখল–

    “আমি যদি কবি হতাম, তবে কবিতা লিখিয়ে প্রতিদান দিতাম, কিন্তু প্রতিভা থেকে আমি বঞ্চিত। ঈশ্বর আমাকে দেবার ক্ষমতা দেন নি, কিন্তু নেবার ক্ষমতাও একটা ক্ষমতা। আশার চেয়ে বেশি উপহার আমি যে কেমন করে গ্রহণ করলাম, অন্তর্যামী ছাড়া তা আর কেউ জানতে পারবে না। দান চোখে দেখা যায়, কিন্তু গ্রহণ করা থাকে হৃদয়ের গভীরে লুকানো। ইতি। চিরঋণী।”

    এই লেখাটুকু হেমনলিনীর হাতে পড়ল। তার পরে এ বিষয়ে দুজনের মধ্যে আর কোনো কথাই হল না।

    বর্ষাকাল ঘনিয়ে এল। বর্ষাঋতুটা মোটের উপর শহুরে মানুষের সমাজের পক্ষে তেমন সুখকর নয়–ওটা বরং বন-প্রকৃতিরই বিশেষ উপযোগী; শহরের বাড়িগুলো তার বন্ধ জানালা ও ছাদ নিয়ে, পথিক তার ছাতা নিয়ে, ট্রামগাড়ি তার পর্দা নিয়ে বর্ষাকে শুধু নিষেধ করার চেষ্টায় কর্দমাক্ত হয়ে উঠছে। নদী-পাহাড়-জঙ্গল-মাঠ বর্ষাকে সাদর কলরবে বন্ধু বলে ডাকে। সেখানেই বর্ষার যথার্থ সমারোহ–সেখানে শ্রাবণে আকাশ-মাটির আনন্দমিলনের মাঝখানে কোনো বিরোধ নেই।

    কিন্তু নতুন ভালোবাসা মানুষকে বন-পাহাড়ের সঙ্গেই এক শ্রেণীতে ফেলে দেয়। অবিরাম বর্ষায় অন্নদাবাবুর হজমশক্তি দ্বিগুণ বিগড়ে গেল, কিন্তু রমেশ-হেমনলিনীর মনোরঞ্জনে কোনো বিঘ্ন দেখা গেল না। মেঘের ছায়া, বজ্রের গর্জন, বৃষ্টির অবিরাম শব্দ তাদের দুজনের মনকে যেন আরও ঘনিষ্ঠ করে তুলল। বৃষ্টির অজুহাতে রমেশের আদালত যাওয়া প্রায়ই বাধাপ্রাপ্ত হতে লাগল। এক-এক দিন সকালে এমন জোরিয়ে বৃষ্টি আসে যে, হেমনলিনী উদ্বিগ্ন হয়ে বলে, “রমেশবাবু, এ বৃষ্টিতে আপনি বাড়ি যাবেন কী করে?” রমেশ নিতান্ত লজ্জার খাতিরে বলে, “এইটুকু তো, কোনো রকম করে যেতে পারব।” হেমনলিনী বলে, “কেন ভিজে সর্দি করবেন? এখানেই খেয়ে যান-না।” সর্দির জন্য উৎকণ্ঠা রমেশের একটুও ছিল না, অল্পতেই যে তার সর্দি হয়, এমন কোনো লক্ষণও তার আত্মীয়-বন্ধুরা দেখে নি; কিন্তু বৃষ্টির দিনে হেমনলিনীর সেবাশুশ্রূষার মধ্যেই তাকে কাটাতে হত–মাত্র দুই পা হেঁটে বাসায় যাওয়াও অন্যায় দুঃসাহসিকতা বলে গণ্য হত। কোনো দিন বৃষ্টির একটু বিশেষ আভাস পেলেই হেমনলিনীদের বাড়িতে সকালে রমেশের খিচুড়ি এবং বিকেলে নাশতা খাওয়ার নিমন্ত্রণ জুটত। স্পষ্ট বোঝা যেত, হঠাৎ সর্দি লাগার ব্যাপারে তাদের আশঙ্কা যতটা অতিরিক্ত প্রবল ছিল, হজমের গোলমাল সম্বন্ধে ততটা ছিল না।

    এভাবেই দিন কাটতে লাগল। এই আত্মবিস্মৃত হৃদয়াবেগের পরিণতি কোথায়, রমেশ স্পষ্ট করে ভাবেনি। কিন্তু অন্নদাবাবু ভাবছিলেন, এবং তাদের সমাজের আরও পাঁচজন আলোচনা করছিল। একদিকে রমেশের পাণ্ডিত্য যতটা, সাধারণ বুদ্ধি ততটা নেই, তাতে তার বর্তমান মোহগ্রস্ত অবস্থায় তার সাংসারিক বুদ্ধি আরও অস্পষ্ট হয়ে গেছে। অন্নদাবাবু প্রতিদিনই বিশেষ প্রত্যাশা নিয়ে তার মুখের দিকে তাকান, কিন্তু কোনো জবাবই পান না।

     

    অক্ষয়ের গলা বিশেষ ভালো ছিল না, কিন্তু সে যখন নিজে বেহালা বাজিয়ে গান গাইত তখন খুব কড়া সমঝদার ছাড়া সাধারণ শ্রোতারা আপত্তি করত না, বরং আরও গাইতে অনুরোধ করত। অন্নদাবাবুর সংগীতে বিশেষ আকর্ষণ ছিল না, কিন্তু সে কথা তিনি স্বীকার করতে পারতেন না– তবু তিনি আত্মরক্ষার কিছু চেষ্টা করতেন। কেউ অক্ষয়কে গান গাইতে অনুরোধ করলে তিনি বলতেন, “ওই তোমাদের দোষ, বেচারা গাইতে পারে বলেই কি ওর ‘পরে অত্যাচার করতে হবে?”

    অক্ষয় বিনয় করে বলত, “না না অন্নদাবাবু, সেজন্য ভাববেন না– অত্যাচারটা কার ‘পরে হবে সেটাই তো বিচার্য।”

    অনুরোধের তরফ থেকে জবাব আসত, “তবে পরীক্ষা হোক।”

    সেদিন বিকেলে খুব ঘনঘোর করে মেঘ এসেছিল। প্রায় সন্ধ্যা হয়ে আসল, তবু বৃষ্টির বিরাম নেই। অক্ষয় আটকা পড়ে গেল। হেমনলিনী বলল, “অক্ষয়বাবু, একটা গান করুন।”

    এই বলে হেমনলিনী হারমোনিয়ামে সুর দিল।

    অক্ষয় বেহালা মিলিয়ে নিয়ে হিন্দুস্থানি গান ধরল–

    “বায়ু বহীঁ পুরবৈঞা, নীদ নহিঁ বিন সৈঞা।”

    গানের সব কথার স্পষ্ট অর্থ বোঝা যায় না– কিন্তু একেবারে প্রত্যেক কথায় কথায় বোঝার কোনো প্রয়োজন নেই। মনের মধ্যে যখন বিরহ-মিলনের বেদনা জমে আছে, তখন একটু আভাসই যথেষ্ট। এটুকু বোঝা গেল যে, বাদল ঝরছে, ময়ূর ডাকছে এবং একজনের জন্য আরেকজনের ব্যাকুলতার শেষ নেই।

    অক্ষয় সুরের ভাষায় নিজের অব্যক্ত কথা বলার চেষ্টা করছিল– কিন্তু সে ভাষা কাজে লাগছিল আরো দুজনের। দুজনের হৃদয় সেই সুরলহরীকে আশ্রয় করে পরস্পরকে আঘাত-প্রতিঘাত করছিল। জগতে কিছুই তুচ্ছ রইল না। সব যেন মনোরম হয়ে গেল। পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যত মানুষ যত ভালোবেসেছে, সব যেন দুটিমাত্র হৃদয়ে বিভক্ত হয়ে অনির্বচনীয় সুখে-দুঃখে-আকাঙ্ক্ষায়-ব্যাকুলতায় কেঁপে উঠতে লাগল।

    সেদিন মেঘের মধ্যে যেমন ফাঁক ছিল না, গানের মধ্যেও তেমনই হয়ে উঠল। হেমনলিনী কেবল অনুরোধ করে বলতে লাগল, “অক্ষয়বাবু, থামবেন না, আরেকটা গান, আরেকটা গান।”

    উৎসাহে এবং আবেগে অক্ষয়ের গান অবাধে উৎসারিত হতে লাগল। গানের সুর স্তরে স্তরে পুঞ্জীভূত হল, যেন তা সুচিভেদ্য হয়ে উঠল, যেন তার মধ্যে থেমে থেমে বিদ্যুৎ খেলতে লাগল– বেদনাতুর হৃদয় তার মধ্যে আচ্ছন্ন-আবদ্ধ হয়ে রইল।

    সেদিন অনেক রাতে অক্ষয় চলে গেল। রমেশ বিদায় নেওয়ার সময় যেন গানের সুরের ভিতর দিয়ে নিঃশব্দে হেমনলিনীর মুখের দিকে একবার তাকাল। হেমনলিনীও চমকের মতো একবার তাকাল, তার দৃষ্টির উপরেও গানের ছায়া।

    রমেশ বাড়ি গেল। বৃষ্টি ক্ষণকালের জন্য থেমেছিল, আবার ঝুপ্ঝুপ শব্দে বৃষ্টি পড়তে লাগল। রমেশ সে রাতে ঘুমোতে পারল না। হেমনলিনীও অনেকক্ষণ চুপ করে বসে গভীর অন্ধকারের মধ্যে বৃষ্টিপতনের অবিরাম শব্দ শুনছিল। তার কানে বাজছিল–

    “বায়ু বহীঁ পুরবৈঞা, নীদ নহিঁ বিন সৈঞা।”

    পরদিন সকালে রমেশ দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবল, “আমি যদি কেবল গান গাইতে পারতাম, তবে তার বদলে আমার অন্য অনেক বিদ্যা দান করতে কুণ্ঠিত হতাম না।’

    কিন্তু কোনো উপায়ে এবং কোনো কালেই সে যে গান গাইতে পারবে, এ ভরসা রমেশের ছিল না। সে স্থির করল, “আমি বাজাতে শিখব।” ইতিপূর্বে একদিন নির্জন অবসরে সে অন্নদাবাবুর ঘরে বেহালাখানা নিয়ে ছড়ির টান দিয়েছিল– সেই ছড়ির একটিমাত্র আঘাতে সরস্বতী এমনি আর্তনাদ করে উঠেছিলেন যে, তার পক্ষে বেহালার চর্চা নিতান্ত নিষ্ঠুরতা হবে বলে সে আশা সে ত্যাগ করে। আজ সে ছোটো দেখে একটা হারমোনিয়াম কিনে আনল। ঘরের মধ্যে দরজা বন্ধ করে খুব সাবধানে আঙুল চালিয়ে এটুকু বুঝল যে, আর যাই হোক, এ যন্ত্রের সহনশীলতা বেহালার চেয়ে বেশি।

    পরদিন অন্নদাবাবুর বাড়ি যেতেই হেমনলিনী রমেশকে বলল, “আপনার ঘর থেকে কাল যে হারমোনিয়ামের শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল!”

    রমেশ ভেবেছিল, দরজা বন্ধ থাকলেই ধরা পড়ার আশঙ্কা নেই। কিন্তু এমন কান আছে যেখানে রমেশের বদ্ধ ঘরের শব্দও সংবাদ নিয়ে আসে। রমেশকে একটু লজ্জিত হয়ে স্বীকার করতে হল যে সে একটা হারমোনিয়াম কিনে এনেছে এবং বাজাতে শেখাই তার ইচ্ছা।

    হেমনলিনী বলল, “ঘরে দরজা বন্ধ করে নিজে কেন মিথ্যা চেষ্টা করবেন। তার চেয়ে আপনি আমাদের এখানে অভ্যাস করুন– আমি যতটুকু জানি, সাহায্য করতে পারব।”

    রমেশ বলল, “আমি কিন্তু একদম新手, আমাকে নিয়ে আপনার অনেক কষ্ট করতে হবে।”

    হেমনলিনী বলল, “আমার যেটুকু বিদ্যা, তাতে কেই শেখানো কোনোমতে চলে।”

    ক্রমেই প্রমাণ হতে লাগল, রমেশ যে নিজেকে বলে পরিচয় দিয়েছিল, তা একদম বিনয় নয়। এমন শিক্ষকের এত অযাচিত সহায়তা সত্ত্বেও সুরের জ্ঞান রমেশের মস্তিষ্কের মধ্যে প্রবেশ করার কোনো পথ খুঁজে পেল না। সাঁতার না জানা লোক জলের মধ্যে পড়ে যেমন পাগলের মতো হাত-পা ছোঁড়াছুড়ি করে, রমেশ সংগীতের হাঁটুজলে তেমনই ব্যবহার করতে লাগল। তার কোন আঙুল কখন কোথায় গিয়ে পড়ে তার ঠিকানা নেই– পদে পদে ভুল সুর বাজে, কিন্তু রমেশের কানে তা বাজে না, সুর-বেসুরের মধ্যে সে কোনো রকম পক্ষপাত না করে খুব নিশ্চিন্তমনে রাগরাগিণীকে সর্বত্র লঙ্ঘন করে যায়। হেমনলিনী যেই বলে, “ও কী করছেন, ভুল হয়ে গেল যে–” অমনি খুব তাড়াতাড়ি দ্বিতীয় ভুল দিয়ে প্রথম ভুলটা সংশোধন করে দেয়। গম্ভীরপ্রকৃতি অধ্যবসায়ী রমেশ হাল ছেড়ে দেবার লোক নয়। রাস্তা-তৈরির স্টীমরোলার যেমন ধীরগতিতে চলতে থাকে, তার তলায় কী যে দলিত-পিষ্ট হচ্ছে তার প্রতি ভ্রুক্ষেপমাত্র করে না, হতভাগ্য স্বরলিপি এবং হারমোনিয়ামের চাবিগুলোর উপর দিয়ে রমেশ সেইরকম অনিবার্য অন্ধতার সাথে বার বার যাওয়া-আসা করতে লাগল।

    রমেশের এই মূর্খতায় হেমনলিনী হাসে, রমেশও হাসে। রমেশের ভুল করার অসাধারণ শক্তিতে হেমনলিনীর খুব আমোদ বোধ হয়। ভুল থেকে, বেসুর থেকে, অক্ষমতা থেকে আনন্দ পাবার শক্তি ভালোবাসারই আছে। শিশু হাঁটতে শুরু করে বার বার ভুল পা ফেলে, তাতেই মায়ের স্নেহ উথলে উঠে। বাজনা সম্বন্ধে রমেশ যে অদ্ভুত রকমের অনভিজ্ঞতা প্রকাশ করে, হেমনলিনীর এ এক বড়ো কৌতুক।

    রমেশ এক-এক বার বলে, “আচ্ছা, আপনি যে এত হাসছেন, আপনি যখন প্রথম বাজাতে শিখছিলেন তখন ভুল করেননি?”

    হেমনলিনী বলে, “ভুল নিশ্চয়ই করতাম, কিন্তু সত্যি বলছি রমেশবাবু, আপনার সঙ্গে তুলনাই হয় না।”

    রমেশ এতে দমে না গিয়ে, হেসে আবার শুরু থেকে শুরু করত। অন্নদাবাবু সংগীতের ভালোমন্দ কিছুই বুঝতেন না, তিনি এক-এক বার গম্ভীর হয়ে কান খাড়া করে দাঁড়িয়ে বলতেন, “তাই তো, রমেশের ক্রমেই হাত বেশ পাকছে।”

    হেমনলিনী বলত, “হাত বেসুরোয় পাকছে।”

    অন্নদা: “না না, প্রথমে যেমন শুনেছিলাম, এখন তার চেয়ে অনেকটা অভ্যাস হয়ে এসেছে। আমার তো বোধ হয়, রমেশ যদি লেগে থাকে তাহলে ওর হাত একদম খারাপ হবে না। গানবাজনায় আর কিছু নয়, খুব অভ্যাস করা চাই। একবার সারেগামার বোধটা জন্মিয়ে গেলেই তার পরে সব সহজ হয়ে আসে।”

    এ-সব কথার উপর প্রতিবাদ চলে না। সবাইকে নিঃশব্দে শুনতে হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহুমায়ূন আহমেদ উপন্যাস সমগ্র ১১
    Next Article পিপলী বেগম – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    চলিত ভাষার

    আরণ্যক – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    October 25, 2025
    চলিত ভাষার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    যুগলাঙ্গুরীয় – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (চলিত ভাষায়)

    May 7, 2025
    চলিত ভাষার শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    দর্পচূর্ণ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    May 6, 2025
    চলিত ভাষার প্রবন্ধ সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    পালামৌ – সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    April 20, 2025
    চলিত ভাষার

    বোঝা (গল্প) – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – চলিত ভাষায়

    April 10, 2025
    চলিত ভাষার

    আপদ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের – চলিত ভাষার

    April 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }