Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প437 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পীরবাবার রাত

    আমার কর্মজীবন শুরু হয়েছিল রেলের চাকরি দিয়ে। বি. আর. আই. কে. জি. পি’র (ব্রিজ ইনস্পেক্টর, খড়্গপুর) আন্ডারে একটি ছোট পোস্টে চাকরি পেয়েছিলাম। আমাদের কর্মস্থল ছিল শালিমার। তবে মাঝেমধ্যে খড়্গপুর টাটানগর সিনি গিধনি ভদ্রকেও কাজকর্ম নিয়ে যেতে হত। কিন্তু সে যাওয়া নাম কা ওয়াস্তে। গেলুম, প্রচণ্ড গতিতে কাজ করলুম এবং ফিরে এলুম। ঘোরা, বেড়ানো কিছুই হত না। তাই একবার আমরা বন্ধুরা মিলে ঠিক করলাম কিছু না হোক এক রাত খড়্গপুরে সোমসাহেবের বাংলোয় গিয়ে কাটিয়ে আসব।

    সাহেব প্রতি শনি-রবিবার কলকাতার বাড়িতে চলে আসতেন। আমরা সাহেবের অনুমতি নিয়ে এক রাত তাঁরই বাংলোতে থাকবার ব্যবস্থা করলাম। সঙ্গী ছিলাম চারজন। হিরু, আমি, রবি এবং মুন্না। তখন পৌষ মাস। কনকন করছে ঠাণ্ডা। আমরা খাওয়াদাওয়া সেরে বেলা দশটা-এগারোটা নাগাদ ট্রেনে চেপে খড়্গপুরের দিকে রওনা হলাম।

    সন্ধের আগেই খড়্গপুরে পৌঁছলাম আমরা।

    স্টেশন থেকে নেমে হাঁটাপথে আমরা যখন সোমসাহেবের বাংলোর দিকে যাচ্ছি তখন হঠাৎ বিনোদের সঙ্গে দেখা। বিনোদ আর আপ্পারাও ছিল সোমসাহেবের ট্রলিম্যান। এরা দু’জনেই আমাদের পূর্ব পরিচিত।

    আমাদের দেখেই বিনোদ বলল, “আরে, কী ব্যাপার! আপনারা?”

    আমরা ভেবেছিলাম বিনোদ বোধ হয় আমাদের খাতির করে নিয়ে যাবে বলে আসছে। তার জায়গায় এইরকম প্রশ্নে চমকে উঠলাম। বললাম, “কেন, তুমি জানো না? আমরা তো আজ রাত্রে সাহেবের বাংলোয় থাকব।”

    “সাহেবের বাংলোয়? মাথাখারাপ নাকি? সাহেব আজ পর্যন্ত নিজের ছেলেকেই এখানে আসতে দেননি।”

    “কিন্তু সাহেবের সঙ্গে তো কথা হয়ে গেছে। উনি অনুমতি দিয়েছেন।”

    “ও। তা কই সেরকম কিছু তো উনি বলেননি আমাদের।”

    “হয়তো বলতে ভুলে গেছেন।”

    বিনোদ একটু চিন্তাগ্রস্ত হয়ে বলল, “তা হলে তো মুশকিল হল।”

     

     

    “মুশকিল কীসের? সাহেব চাবি দিয়ে যাননি?”

    “না না, তা নয়। ডুপ্লিকেট চাবি তো আমার কাছে থাকে। কিন্তু আপনাদের অসুবিধে হয়ে যাবে খুব। ওখানে কি আপনারা থাকতে পারবেন?”

    হিরু বলল, “কেন, কী ব্যাপার! থাকতে পারব না কেন?”

    “সাহেব আজ ছুটির পর বাড়ি যাবেন বলে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু একটু আগেই স্টেশন থেকে ফিরে এসেছেন তিনি। সিনিতে ব্লক। জি. এম. আসবেন। তাই ভাবছি সাহেবের সঙ্গে ওই বাংলোয় আপনারা কী করে থাকবেন?”

    আমরা চারজনেই লাফিয়ে উঠলাম শুনে, “অসম্ভব।”

    কেননা সোমসাহেব অত্যন্ত ভারিক্কি এবং বদমেজাজি লোক। ওঁর স্ত্রী পুত্র পরিজনরাও বাঘের মতো ভয় করে সোমসাহেবকে। আর আমরা, যারা তাঁর অধীনে অনেক ধাপ নিচুতে কাজ করি আমাদের কাছে তো তিনি এক মূর্তিমান বিভীষিকা। বিশেষ করে আমাদের সঙ্গে সাহেবের ফেস টু ফেস কথাও হয়নি। আমাদের সুপারভাইজার বলে কয়ে রাজি করিয়েছিলেন সাহেবকে। এখন কোন সাহসে আমরা তাঁর সামনে গিয়ে দাঁড়াব? এবং গেলেও লাভ কি হবে? আশ্রয় তো পাবই না। উলটে হাজার রকম কাজের ফিরিস্তি চেয়ে অপমান করে তাড়িয়ে দেবেন।

     

     

    আমি বললাম, “না। যে লোকের চোখের দিকে তাকাতে সাহস হয় না, তার সঙ্গে একত্রে এক রাত এক আশ্রয়ে থাকা আমার পক্ষে অসম্ভব। আমরা অনেক আশা নিয়ে এখানে এসেছি। এক রাত একটু আনন্দ করে কাটাতে। কোথায় একটু হইহল্লা করব, এ ওর পেছনে লাগব, গলা ছেড়ে গান গাইব, কিন্তু এখানে আশ্রয় পেলেও সেসব তো হবেই না, উলটে চোরের মতো মুখ বুজে ভয়ে ভয়ে থাকতে হবে।”

    বিনোদ বলল, “আমিও তাই বলি, আপনারা বরং অন্য কোথাও চলে যান।”

    মুন্না বলল, “অন্য কোথায় যাব বলুন?”

    “হয় হোটেলে উঠুন, নয়তো এখুনি বম্বে এক্সপ্রেস আসবার সময় হয়ে গেছে, গাড়িতে চেপে আপনারা সোজা ঝাড়গ্রামে চলে যান। ঝাড়গ্রাম এর চেয়ে অনেক জায়গা। খুব ভাল লাগবে আপনাদের। ঘুরে বেড়িয়ে শান্তি পাবেন।”

    ওই ভাল।

     

     

    বিনোদের কথায় আমাদের মন কিন্তু সায় দিল না। আমরা যখন কী করব, কী না করব ভাবছি তেমন সময় সাহেবের আর এক ট্রলিম্যান আপ্পারাও এসে হাজির, “এই যে! আপনারা সব এসে গেছেন দেখছি। কতক্ষণ এসেছেন?”

    “সবে আসছি। কিন্তু তুমি কী করে জানলে আমাদের আসবার কথা?”

    “সাহেবের মুখে এখনই শুনলাম। সাহেব বললেন, আমি সকালে বলতে ভুলে গেছি। ছোঁড়াগুলো এখুনি হয়তো হাজির হবে। ওদের আজ এখানে আসবার কথা। তা আমি যখন এখানে ফিরে এসেছি তখন ও চারটেতে তো এখানে থাকতে পারবে না। তার চেয়ে ওদের ইঁদায় ছেড়ে দিয়ে আয়।”

    আমরা পরস্পরের মুখ চাওয়া-চাওয়ি করতে লাগলাম। ইঁদায় ছেড়ে দিয়ে আয়’ কী রে বাবা!

    আপ্পারাও বলল, “চলুন আপনাদের ইঁদায় ছেড়ে দিয়ে আসি। ওখানে সাহেবের বোনের বাড়িতে আপনাদের নেমন্তন্ন। সাহেব ফোনে বলে দিয়েছেন ওঁদের।”

     

     

    ব্যাপারটা খুবই গোলমেলে ঠেকল আমাদের কাছে। সাহেবের বোনের বাড়িতে নেমন্তন্ন? যাদের কখনও চোখেই দেখিনি তাদের বাড়িতে কোন সুবাদে নেমন্তন্ন খেতে যাব?

    বিনোদ বলল, “না না লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। সাহেব এমনিতে বদমেজাজি লোক হলেও সাহেবের মন কিন্তু ভাল। এখানে যখন থাকা হবে না, তখন ইঁদায় আপনাদের যেতেই হবে। কিন্তু ওখানে থাকতে পেলেও খাবেনটা কী? কোনও হোটেল তো নেই। সেইজন্যই ওই ব্যবস্থা। তবে ইঁদায় কি আপনারা থাকতে পারবেন?”

    আমি এবার অধৈর্য হয়ে বলাম, “আচ্ছা সেই থেকে যে তোমরা ইঁদা ইঁদা করছ, ইঁদাটা কী?”

    “ওমা! সে কী! ইঁদা জানেন না?”

    “না। জানলে জিজ্ঞেস করি?”

    হিরু বলল, “কোনও বাংলো জাতীয় কিছু নিশ্চয়?”

     

     

    “উঁহুঁ। বাংলো হতে যাবে কেন? ইঁদা হচ্ছে এখানকার একটা জায়গার নাম। ভাল নাম ইন্দা। এর কাছেই পীরবাবা।”

    “তা হলে তাই যাওয়া যাক।”

    বিনোদ বলল, “তা তো যাবেন, কিন্তু—।” বলেই বলল, “আচ্ছা আসুন তো আগে। তারপর দেখা যাবে। এখন চলুন ওই দোকানটায় বসে একটু চা খাওয়া যাক।” আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম সেখানে একটি চায়ের দোকান ছিল। বিনোদ আর আপ্পারাও আমাদের সেই দোকানে বসিয়ে চা-বিস্কুটের অর্ডার দিল।

    বিনোদ বলল, “আসলে ইঁদায় যেখানে সাহেব আপনাদের পাঠাচ্ছেন সেখানে রাত্রিবাস করবার কথা আমি অন্তত আপনাদের বলতে পারব না।” “সে কী! কেন?”

    আপ্পারাও বিনোদকে বলল, “ওই বাড়িতেই যে সাহেব ওদের পাঠাচ্ছেন তার কি মানে? আগে বাড়িটা দেখা হোক। সাহেবের বোনের বাড়িতেও তো থাকতে দিতে পারেন।”

     

     

    বিনোদ বলল, “না না। অত সস্তা নয়। ওরা সেই লোক নাকি? ওদেরই বলে থাকতে জায়গা কুলোয় না, আবার অন্য লোককে থাকতে দেবে। আর নেমন্তন্নর কথা বলছ? সে তো সাহেবের অনুরোধে। সাহেব নিশ্চয়ই ফোনে বলে দিয়েছেন যা খরচা হয় দিয়ে দেবেন।”

    আমরা সব শুনে চা খেতে খেতে বললাম, “আপ্পাদা, আমাদের আর খড়্গপুর বেড়িয়ে কাজ নেই। আমরা পরের ট্রেনেই কাটছি। তুমি গিয়ে বরং সাহেবকে বোলো যে, আমরা আসিনি।”

    বিনোদ বলল, “না না। সেটা ঠিক হবে না। অনেকক্ষণ ধরে আমরা এখানে বসে কথাবার্তা বলছি। যদি কেউ দেখে থাকে বা সাহেবের কানে ওঠে, তা হলে কিন্তু মুশকিল হয়ে যাবে। মিথ্যে কথা বলার জন্য আমাদের বকাবকি করবেন সাহেব। তা ছাড়া ওখানে আপনাদের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। ওসব যদি নষ্ট হয় তা হলে না এসে কথার খেলাপ করার জন্য আপনারাও কি রেহাই পাবেন?”

    সত্যি বলতে আমাদের সব আনন্দই তখন মরে গেছে। চা খেয়ে আমরা বিনোদ আর আপ্পারাওকে অনুসরণ করলাম। রাতের অন্ধকারে আমরা লাইন পেরিয়ে গোলবাজার হয়ে পীরবাবা ঘুরে ইঁদায় পৌঁছলাম।

     

     

    ইঁদায় সাহেবের বোনের বাড়িতে আমাদের পৌঁছে দিয়ে বিনোদ, আপ্পারাও দু’জনেই বিদায় নিল।

    সাহেবের বোন, ভগ্নিপতি দু’জনেই যথেষ্ট সমাদর করে বাড়ির বৈঠকখানায় বসালেন আমাদের। তারপর এ-কথা সে-কথার পর বললেন, “দেখো বাবারা, সাহেব তোমাদের এখানে তো পাঠিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু অসুবিধে হচ্ছে এই যে, আমাদের তো ভাড়াবাড়ি নিজেদের থাকতে কুলোয় না। তোমরাও আবার একজন-দু’জন নও, চার-চারজন। কী করে থাকতে দিই বলো তো? তবে মাস ছয়েক হল কাছাকাছি আমরা একটা বাড়ি তৈরি করেছি। কিন্তু বাবা, ওই বাড়িতে গৃহপ্রবেশ করে এক রাতও থাকতে পারিনি আমরা। সে এমনই উপদ্রবের বাড়ি যে, সে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসতে পথ পাইনি। তোমাদের থাকার জন্য সেই বাড়িটা আমরা ছেড়ে দিতে পারি। কিন্তু বাবা, তোমরা কি থাকতে পারবে সেখানে?” আমি বললাম, “সাহেব জানেন, ওটা ভূতের বাড়ি?”

    “তা আর জানে না? সবই জানে।”

    “তা হলে উনি জেনেশুনে ওই বাড়িতে আমাদের থাকতে পাঠাচ্ছেন কেন?”

     

     

    “সে-কথা তোমাদের সাহেবকেই জিজ্ঞেস কোরো। তবে বাবা, সাহেবকে তোমরা তো ভাল করেই চেনো? ও আবার ওসব ভূতপ্রেতে বিশ্বাস করে না। আমরা যেই না বলেছি ওই ভূতের বাড়িতে ছেলেগুলো থাকবে কী করে, অমনই আমাদের একটা তেড়ে ধমক। বলল, ভূতের নিকুচি করেছে। আসলে তোমরা নিজেরাই ভূত। তাই নিজের বাড়ি ফেলে রেখে ভাড়াবাড়িতে বাস করছ।”

    রবি বলল, “তা হলে ও বাড়িটা আপনারা বিক্রি করে দেননি কেন?”

    “কে কিনবে? সবাই তো জেনে গেছে ও বাড়ির ব্যাপার।”

    আমি বললাম, “আমরা চারজন আছি। পারব না একটা রাত ওখানে কাটাতে? কাল সকালেই আমরা ঘর ছেড়ে দেব। তারপর সারাদিন ধরে খড়্গপুরটা ঘুরে দেখে বিকেলের গাড়িতে চলে যাব কলকাতায়।”

    “থাকতে পারলে তো ভালই। তবে কিনা যদি ভয় পাও তাই আগে থেকে সাবধান করে দিচ্ছি। পরে যেন বোলো না বাবা, আমরা তোমাদের বিপদে ফেলব বলে ওই ঘরে পাঠিয়েছি।”

     

     

    আমরা তখন সবাই একমত হয়ে বললাম, “ঠিক আছে। একটা রাত বই তো নয়, আর চারজন যখন আছি তখন থেকেই দেখি না এক রাত। হয়তো একটু ভয়ডর পাব। তাই বলে সত্যি-সত্যিই ভূত এসে তো গলা টিপে মেরে ফেলবে না আমাদের!”

    “দেখো বাবা। কী কুক্ষণেই যে জমিটা কিনেছিলুম, কত শান্তি স্বস্ত্যয়ন করালাম। কত কী করলাম, কিছুতেই কিছু হল না।”

    “তা না হয় হল। বাড়ির ভেতরে হয়টা কী?”

    “সে-কথা আর জিজ্ঞেস কোরো না বাবা। যদি থাকো এক রাত তো বুঝবে।”

    হিরু আর মুন্না এতক্ষণ চুপ করে ছিল। সব শুনে বলল, “হল ভাল। কোথায় এলাম একটু আনন্দ করতে, তার জায়গায় ভূতের বাড়িতে থেকে প্রেতের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে? কী ঝকমারি করেই ঘর থেকে বেরিয়েছিলুম আজ!”

     

     

    “সবই কপাল।”

    যাই হোক! আমরা সে রাতে সাহেবের বোনের বাড়িতে ভাজাভুজি ফুলকপির তরকারি লুচি আর ডিমের ডালনা খেয়ে নতুন বাড়িতে শুতে গেলাম। বাড়িটা ঠিক ইঁদায় নয়। পীরবাবায়।

    সাহেবের ভগ্নিপতি নিজে গিয়ে আমাদের ঘরের চাবি খুলে ঢুকিয়ে দিয়ে এলেন। চমৎকার বাড়ি। নতুন। একতলা। ঘরে খাট বিছানা মশারি সবকিছুই আছে। জল কল ও বাথরুমের ব্যবস্থাও ভাল। এই বাড়িতে এসেই যেন স্বস্তির নিশ্বাস ফেললাম আমরা। হোক ভূতের বাড়ি, তবু বাড়ি তো! শান্তিতে থাকা যাবে। এই বাড়ি এবং ঘর যেন আমাদের সুখের স্বর্গ বলে মনে হল।

    আমরা দরজায় খিল দিয়ে বিছানায় বসে বেশ মনের আনন্দে হইহুল্লোড় আরম্ভ করে দিলাম। মুন্না যতরকম হিন্দি সিনেমা দেখেছিল তার সব গান এক এক করে গাইতে লাগল।

    প্রচণ্ড শীতের জন্য জানলা দরজা বন্ধই ছিল সব। এমন সময় মনে হল কে যেন বাইরে থেকে টকটক শব্দ করল জানলায়।

     

     

    আমরা হট্টগোল থামিয়ে জানলা খুলেই দেখি এক বৃদ্ধ মুসলমান ভদ্রলোকে স্মিত হাসছেন আমাদের দিকে চেয়ে।

    “কাকে চাই?”

    “কাকে আবার? আপনাদেরকেই। কতক্ষণ এসেছেন আপনারা?”

    “এই কিছুক্ষণ। কিন্তু আপনি কে?”

    এবার আর আপনি নয়। ‘তুমি’তে নেমে এলেন বৃদ্ধ, “ভাল করে একবার তাকিয়ে দেখো তো আমার মুখের দিকে, আমাকে চিনতে পারো কিনা? আমি তায়জু সারেং।”

    আমি আনন্দে লাফিয়ে উঠলাম, “আরে, তায়জুদা! আসুন আসুন ভেতরে আসুন। আপনি যা দাড়ি রেখেছেন তাতে তো চেনাই যাচ্ছে না আপনাকে।” বলে দরজা খুলে দিলাম।

    তায়জুদা আমাদের সিনিয়ার স্টাফ ছিলেন। বছর দুই হল রিটায়ার করেছেন। আমাদের আমন্ত্রণে ঘরের ভেতরে এসে বিছানায় বসে বললেন, “তারপর হঠাৎ কী মনে করে এখানে এসেছ তোমরা?”

    “আমরা খড়্গপুর বেড়াতে এসেছিলাম তায়জুদা। কোথাও জায়গা না পেয়ে আজকের রাতটুকুর মতো এই বাড়িতে উঠেছি। কাল সকালেই চলে যাব। কিন্তু আপনি এখানে কেন?”

    “আমার বাড়ি তো এখানেই। পীরবাবায়। আজ একটা বিশেষ কাজে লাইনের ওপারে গিয়েছিলাম। এমন সময় সোমসাহেবের সঙ্গে দেখা। ওঁর মুখেই তোমাদের আসার কথা শুনলাম। তোমরা সব কীভাবে আছো না আছো তা একবার দেখেও আসতে বললেন। তবে বাবা এই বাড়িতে তোমরা এক রাত কী করে কাটাবে তা ভেবে পাচ্ছি না। এ বড় দোষাস্ত জায়গা। কবরখানার ওপর বাড়ি তো! ভীষণ উপদ্রব হয় এখানে। আমি সাহেবকে বললুম, এ আপনি ঠিক করেননি স্যার। আপনি জেনেশুনে ওদেরকে ওখানে পাঠালেন কী বলে? তা উনি তো এসব মানেন না। তাই বললেন, আরে ছেড়ে দাও তো। চার-চারটে ছোঁড়া রয়েছে। এক রাতের ব্যাপার। কে কী করবে ওদের? তবু বাবা আমি বুড়োমানুষ। সাহেব এসব না মানলেও আমি তো মানি। তাই বলছিলুম কি, তোমরা এখানে না থেকে বরং আমার বাড়িতে চলে এসো।”

    আমি বললাম, “তায়জুদা, বাড়ি যখন আপনার কাছেই তখন আপনি নিজেই যদি এক রাত আমাদের কাছে থেকে যান, তা হলে খুব একটা খারাপ হয় কি? আপনার বাড়ি যখন এখানেই, তখন অসুবিধেরও কিছু নেই। আমরাও আপনাকে পেয়ে বর্তে যাই। না হলে এই শীতের রাতে এমন একটা সুন্দর আস্তানা ছেড়ে কোথাও যেতে মন চাইছে না আমাদের।”

    তায়জুদা বললেন, “তোমরা তো বললে ভাল। আমি নিজে যেখানে তোমাদের থাকতে মানা করছি সেখানে আমি কী করে থাকি?”

    “তা জানি না। যেভাবেই হোক, আপনি এখানে থেকে যান। প্লিজ।

    “তা হলে তো বাড়িতে একটু খবর পাঠাতে হয়।” বলে জানলার পাল্লাটা খুলেই এদিক সেদিক তাকিয়ে দেখে কাকে যেন চেঁচিয়ে ডাকলেন, “কামাল! এই কামাল!” একটি অল্প বয়সের ছেলে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। এই ভূতের বাড়ির ভেতর থেকে রাত্তিরবেলা তায়জুদাকে তার নাম ধরে ডাকতে দেখেই ভূত দেখার মতো ভয় পেয়ে তেড়ে”

    দৌড় লাগাল সে।

    এমন সময় দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ।

    আমরা উঠে গিয়ে দরজা খুলেই অবাক।

    “এ কী! স্যার আপনি?”

    দেখি না সোমসাহেব নিজেই এসে হাজির হয়েছেন এই রাতদুপুরে। যা আমাদের স্বপ্নেরও অগোচর। বললেন, “এখানে কোনও অসুবিধে হচ্ছে না তো তোমাদের? তবে আগেই বলে রাখছি কারও কথায় কান দিয়ো না। ভূতপ্রেত কিছুই নেই এখানে। সব বাজে কথা। আসলে এখানে একটা পুরনো কবরখানা ছিল। এখন সেটা আর ব্যবহার করা হয় না। তার একটা অংশ বিক্রি হওয়ার সময় আমার বোন ভগ্নিপতি খুব জলের দামে কিনে নেয়। তারপর বেশ মনের মতো করে এই বাড়িটাকে তৈরি করে। তাই স্বাভাবিক ভাবেই স্থানীয় অন্য সম্প্রদায়ের লোকের মনে একটু ক্ষোভ দেখা দেয়। সেইজন্য ওদেরই ভেতর থেকে কিছু লোক নানাভাবে ভয়টয় দেখায়, যাতে এখানে কোনও লোক রাত্রিবাস করতে না পারে। আর এই তায়জুটা হচ্ছে একটা পাক্কা শয়তান। এই হচ্ছে ওদের দলের লিডার। এই সবাইকে উসকিয়ে ডেকে ডুকে আনে।”

    তায়জুদা ফিক ফিক করে হেসে হাত কচলাতে কচলাতে বললেন, “হেঁ হেঁ। কী যে বলেন স্যার। আমি এই বুড়ো বয়সে…। আমার কি আর কোনও কাজ নেই? কেন মিছিমিছি আমার নামে বদনাম দিচ্ছেন?”

    “থাক, আর ন্যাকামি করতে হবে না। তুমি কী চিজ তা আমি জানি। ওইজন্যই এদের খবরাখবর নেওয়ার জন্য তোমাকে পাঠালাম। একটু নজরে রেখো এদের। এক রাত থাকবে। যেন ভয়টয় দেখিয়ো না।”

    আমি বললাম, “স্যার! তায়জুদাকে আমরা আজকের রাতটুকুর মতো এখানে থাকবার জন্য বলছি।”

    “না। তোমরা নিজেরাই থাকো। পরের বাড়িতে বাইরের লোক কখনও থাকতে দিয়ো না। বাড়ি তো আমার নয়। কী ভাবতে কী ভাববে ওরা শেষকালে! তা ছাড়া রাতদুপুরে এই বুড়ো ভাম যখন নাক ডাকাতে শুরু করবে তখন ঘুমের বারোটা তো বাজবেই তোমাদের, উপরন্তু ওকেই হয়তো ভূত ভেবে ভয়ে কাঠ হয়ে যাবে।”

    তায়জুদা বললেন, “না না। ঠিক আছে। আমি যাই। কোনও ভয় নেই। সাবধানে থেকো সব। একটা রাত বই তো নয়!” এই বলে চলে গেলেন তায়জুদা। সাহেবও চলে গেলেন।

    আমরাও আর বিলম্ব না করে চারজনেই শুয়ে পড়লাম একত্রে। ভূতের বাড়ি তো! তাই অন্ধকার না করে আলো জ্বেলেই শুলাম। আমরা শোওয়ার পর সবে একটু ঘুম ঘুম ভাব এসেছে এমন সময় হঠাৎ সদ্যোজাত শিশুকণ্ঠের এক পরিত্রাহি চিৎকারে ঘোর ছুটে গেল আমাদের। ধড়মড়িয়ে উঠে বসলাম চারজনেই। কোথা থেকে আসছে শব্দটা? মনে হচ্ছে বাথরুমের ভেতর থেকে। ছুটে গিয়ে বাথরুমের দরজা খুললাম। দেখলাম কোথায় কী। কিন্তু দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে চিৎকারটা যেন আরও বেড়ে গেল। সে কী দারুণ কান্না। একটানা চিৎকার যাকে বলে। আমরা কানে হাতচাপা দিলাম। বেশ কিছুক্ষণ কান্নার পরে আস্তে আস্তে মিলিয়ে গেল রেশটা।

    এমন সময় বাইরে থেকে কে যেন ডাকতে লাগল। “হাসান! হাসান রে! এ হাসান।”

    আমরা ছুটে গিয়ে জানলা খুললাম। কিন্তু কই? কোথায় কে? কেউ কোথাও নেই তো। এদিকে ঘরের কোণ থেকেও একটা চাপা আর্তনাদ কানে এল। কে যেন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, “হায় আল্লা! কী কষ্ট! উঃ, মরে গেলাম।”

    ঘরের মধ্যে আমরা ছাড়া দ্বিতীয় কোনও প্রাণী নেই। অথচ ঘরের কোণ থেকে ওইভাবে কার আর্তস্বর ভেসে আসছে? এক সময় দেখলাম ঘরের কোণের মেঝেটা কীরকম ঢিবির মতো উঁচু হয়ে উঠল। আর সেইসঙ্গে—ওরে আমার হাতে খুব লাগছে রে। ও বাবা গো! আমার হাতের ওপর দিয়ে কে দেওয়াল তুলেছে। আমি হাত নাড়তে পারছি না।

    ওপাশের দেওয়ালের গা থেকেও ওই একই রকম চাপা কান্না শোনা যেতে লাগল— “ওগো, আমার বুকে ইট গেঁথেছে কে? ওগো তোমাদের পায়ে পড়ি তোমরা এগুলো ভেঙে দাও। এই দেখো আমার নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে।”

    এই প্রচণ্ড শীতেও আমাদের সর্বাঙ্গে ঘাম ছুটছে তখন। কী যে করব কিছু ঠিক করতে পারছি না। চারদিক থেকে কান্নার স্বর ভেসে আসছে। করুণ ক্রন্দনে ভরে উঠছে গোটা ঘর। আমরা পালাব বলে দরজা খুলে বাইরে বেরোতে গিয়েই দেখি দালানে সিঁড়ির কাছে একটা কফিন কে যেন শুইয়ে রেখে গেছে। কিন্তু কে রাখল? দরজা তো ভেতর থেকেই বন্ধ।

    এমন সময় দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ।

    মুন্না ছুটে গিয়ে খিল খুলতেই দেখা গেল তায়জুদাকে।

    আমাদের অবস্থা দেখেই তায়জুদা বললেন, “ভয় নেই। আমি এসে গেছি। তোমাদের আগেই বলেছিলাম এখানে রাত্রিবাস করা যায় না। এ অত্যন্ত খারাপ জায়গা। তবুও তোমরা যেমন শুনলে না তেমনই ফল বোঝো।”

    আমরা বললাম, “তায়জুদা, ওই দেখুন একটা কফিন। কে এসে রেখে গেছে ওখানে।” সেদিকে তাকিয়েই রেগে উঠলেন তায়জুদা, “কে! কে এটাকে নিয়ে এসেছে এখানে?” “তা জানি না।”

    “এটা তো ও ঘরের মেঝেয় পোঁতা ছিল।”

    “তায়জুদা! কী বলছেন আপনি?”

    “ঠিকই বলছি। দেখবে এসো।”

    আমরা তায়জুদার সঙ্গে পাশের ঘরে গেলাম। গিয়ে দেখলাম সত্যি সত্যিই সেখানে সিমেন্টের মেঝে খুঁড়ে কে যেন বের করে এনেছে কফিনটাকে।

    তায়জুদা ছুটে গিয়ে কফিনের ঢাকা খুলে ভেতরটা দেখে নিয়েই বললেন, “হ্যাঁ, ঠিক আছে। চলো ওটাকে ও ঘরে আবার পুঁতে রেখে আসি।”

    ততক্ষণে আমরা আর আমাদের মধ্যে নেই। কেননা তায়জুদা কফিনের ঢাকা খুলতেই দেখলাম তায়জুদার মৃতদেহটা কফিনে শোওয়ানো আছে। অবাক কাণ্ড! তা হলে আমাদের সামনে এই যে যিনি দাঁড়িয়ে আছেন ইনি তবে কে?

    এমন সময় হঠাৎ সোমসাহেব এসে পড়লেন তাই রক্ষে!

    সোমসাহেব বললেন, “আবার তায়জুদ্দিনটা এইসব আরম্ভ করে দিয়েছে? ওর বদমায়েশি দেখছি এখনও গেল না! থাক। চলে এসো তোমরা। দারুণ ভয় পেয়েছ মনে হচ্ছে। আমার ওইখানেই চলো। এই নাও চাবি। আমি সিনি যাচ্ছি। ওখানে ব্লক আছে। তোমাদের এখানে পাঠানোই আমার ভুল হয়েছিল।”

    আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো সোমসাহেবকে অনুসরণ করলাম। স্টেশনের কাছাকাছি এসে সোমসাহেব অন্ধকারে হেঁটেই ইয়ার্ডের দিকে চলে গেলেন।

    আমরা সোমসাহেবের বাংলোয় যখন এসে পৌঁছলাম তখন শেষ রাত। সেখানে গিয়েই এক মর্মান্তিক দুঃসংবাদ পেলাম। আজ বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে ট্রেনের মধ্যেই হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন সোমসাহেব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    Next Article দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }