Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প437 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বোড়ালের সেই রাত

    তিরিশ বছর আগেকার কথা। চব্বিশ পরগনা জেলার বোড়াল গ্রামে আমাদের এক বন্ধু ছিল। তার নাম কমলেশ। কী একটা অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত হয়ে আমরা তিন বন্ধু গিয়েছিলাম কমলেশদের বাড়িতে। অজয়, সুশান্ত এবং আমি।

    এখনকার বোড়াল গ্রামকে দেখে তখনকার সেই গ্রামের কথা কিন্তু কল্পনাও করতে পারবে না কেউ। সেই প্রবীণ মানুষদের যদি কেউ এখনও বেঁচে থাকেন, তা হলে তিনিই বলবেন, আমি একটুও বাড়িয়ে বলছি না। এই গ্রামের গাছপালা তখন এত ঘন ছিল যে, বাইরে থেকে দেখে এটাকে তখন কোনও গ্রাম নয়, একটা দুর্ভেদ্য জঙ্গল বলেই মনে হত।

    যাই হোক, ওখানে গিয়ে বিকেলের দিকে গ্রামের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়াবার সময় হঠাৎ গ্রামের প্রান্তে একটি ভাঙা বাড়ি দেখে অবাক হয়ে গেলাম। কী চমৎকার বাড়ি কোনও রাজা-মহারাজার ছিল বোধ হয়। কিন্তু এখন তার এমনই হতশ্রী চেহারা যে, দেখলে দুঃখ হয়। বসবাসের অযোগ্য তো বটেই, বাড়িটার দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগলাম, এত জায়গা থাকতে এই গ্রামের ভেতর কবে কোন মান্ধাতার আমলে কে যে এই বাড়ি তৈরি করেছিলেন তা কে জানে? সবচেয়ে রহস্যময় ব্যাপার এই যে, বাড়িটি পরিত্যক্ত এবং বসবাসের অযোগ্য হলেও এর কাঠামো এমন মজবুত যে, একে সারালে আবার এ তার পূর্ব রূপ ফিরে পাবে। ছাদের আলসের কার্নিস এখনও অক্ষত। অর্থাৎ, ভাঙা বাড়ি কিন্তু ধ্বংসস্তূপ নয়। পরিত্যক্ত বাড়ি, তবু ফেলে দেওয়ার নয়।

    বাড়িটার দিকে কৌতূহলী চোখে চেয়ে থেকে পায়ে-পায়ে সেদিকে এগোতেই বাধা দিল কমলেশ। হাত ধরে বলল, “আর না বন্ধু। আর এগিয়ো না।”

    “কেন?”

    “বাড়িটার একটু বদনাম আছে।”

    “সে তো সব বাড়িরই থাকে। যেখানে যত পোড়ো বাড়ি আছে সবেরই বদনাম। তাই বলে এমন চমৎকার বাড়িটাকে একবার ভেতরে ঢুকে দেখা যাবে না?”

    “কেউ ঢোকে না ও-বাড়িতে।”

    “কেন, ভূতের ভয়ে? ওই বাড়ির ভেতরে ঢুকলে ভূতে গলা টিপে মারবে?”

    “ঠিক তাই। ভূতে এসে গলা টিপে মারবে কিনা জানি না, তবে ভূতের বাড়ি ওটা।”

    “ভূতের বাড়ি!” আমরা হো-হো করে হেসে উঠলাম।

    এর পর যা হয়ে থাকে সচরাচর, এক্ষেত্রেও তাই হল। অর্থাৎ কিনা আমরা নানারকম ঠাট্টা, তামাশা, বিদ্রূপ, এইসব করতে লাগলাম কমলেশকে।

    কমলেশ একটুও উত্তেজিত হল না। বরং হেসে বলল, “দ্যাখ ভাই, আমরা গ্রামে থাকি। তোরা তো আমাদের মানুষের মর্যাদা দিস না। ভাবিস কুসংস্কারে আচ্ছন্ন কিছু দু’ পেয়ে জীব বুঝি ওগুলো। কিন্তু জেনে রাখ, যা বলছি তা মিথ্যে নয়। সাহস থাকলে পরীক্ষা করে  দেখিস। অবশ্য পরীক্ষা না করাটাই ভাল। কারণ তোদের মতো গোঁয়ার-গোবিন্দ যে দু-একজন পরীক্ষা করতে গেছে তারা এমন শিক্ষা পেয়েছে যে, আর এমুখো হয়নি।”

    অজয় বলল, “তাই নাকি! তা হলে তো পরীক্ষা করতেই হচ্ছে। অবশ্য তোর কথা যে একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছি তা নয়, তবে কি জানিস, যেখানেই যাই, যে-গ্রামেই যাই, পোড়ো বাড়ি দেখলেই শুনি ভূতের উপদ্রবের কথা। মাঠের মাঝখানে বেলগাছ থাকলেই শুনি সে-গাছে নাকি ব্ৰহ্মদৈত্য আছে। আর মাছভর্তি পুকুর দেখলেই শুনতে পাই, এর পাড়ে রাতদুপুরে ভূত ঘোরে। যারা মাছ ধরে তাদের কাছে ঘ্যানঘ্যান করে মাছ চায়। কাজেই এই ব্যাপারগুলোতে আর আমাদের আস্থা নেই। তাই ভাবছি, তোদের দেশের এই পোড়ো বাড়িতে এক রাত কাটিয়ে ভূত জিনিসটা আসলে কী, তা একবার দেখে যাই।”

    কমলেশ বলল, “না। তোদের মতো অবিশ্বাসী ছেলেদের এদিকে নিয়ে আসাটাই ভুল হয়েছে।”

    আমি বললাম, “খুব রেগেছিস মনে হচ্ছে?”

    “রাগের কী আছে?”

    সুশান্ত বলল, “বেশ তো, আমরা কোনও পরীক্ষা চাই না। শুধু গোঁয়ার্তুমি করে এক রাত এই বাড়িতে থাকতে এসে উচিত শিক্ষা পেয়েছে এমন একজনের সঙ্গেই অন্তত আমাদের পরিচয় করিয়ে দে।”

    কমলেশ এবারে আমতা-আমতা করতে লাগল।

    সুশান্ত বলল, “তার মানে এমন কারও নামও তোদের জানা নেই, যে-লোকটা প্রত্যক্ষদর্শী, যে কিছু একটা বলতে পারে। অথচ অতবড় বাড়িটাকে ভূতের বাড়ি আখ্যা দিয়ে চোর-ডাকাতের ঘাঁটি করে রেখেছিস তোরা। “

    আমি বললাম, “আজ রাত্রেই এর রহস্য উন্মোচন করতে চাই আমরা।”

    কমলেশ বলল, “দোহাই, আজ নয়। একটা কাজের বাড়িতে এসেছিস, খেয়েদেয়ে আনন্দ করে যা। পরে যখন হোক, যেদিন হোক, আসবি। কথা দিচ্ছি, আমি নিজে সাহায্য করব তোদের।”

    “বেশ, তাই হবে। নতুন একটা অ্যাডভেঞ্চারের মনোভাব নিয়েই আর একবার এখানে আসব আমরা। তখন যা হয় হবে।”

    বেলা গড়িয়ে আসছে তখন। আমরা আর ওই ভুতুড়ে বাড়ির দিকে না এগিয়ে অন্য পথ ধরলাম।

    মাসখানেক পরে আবার একদিন কমলেশের সঙ্গে ওদের গ্রামের বাড়িতে এসে হাজির হলাম আমরা। ওর বাড়ির লোকেরা তো দারুণ আপত্তি করলেন আমাদের মতলব শুনে। সবাই অনেক করে বোঝালেন এই কাজের ঝুঁকি না নিতে। কিন্তু আমরা কারও কথাই কানে তুললাম না। যথারীতি ওদের বাড়িতে খাওয়াদাওয়ার পর একটু বেলাবেলি তিন বন্ধুতে এসে হাজির হলাম সেই পোড়ো বাড়িতে। এল না শুধু কমলেশ। সে আগেই বলেছে, “দ্যাখ ভাই, আমি ওসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যাপারে নেই। ও বাড়ির ঘটনার কথা আমার অজানা নয়। কাজেই জেনেশুনে বিষপান আমি করব না। তবে তোরা যেতে চাইছিস, যা। কেউ যদি নিজের থেকে মরতে চায়, তা হলে কার কী ক্ষমতা যে, তাকে বাঁচাতে পারে?”

    এই কথামতোই আমরা এলাম। ঠিক হল, এক রাত এই পোড়ো বাড়িতে থেকে পরদিন সকালে ফিরব। তবে আমাদের এই থাকাথাকিতে কোনও বাজিটাজির ব্যাপার ছিল না। শর্ত ছিল সততার। অর্থাৎ, আমরা অলৌকিক কিছু দেখলে সেটাকে অস্বীকার করব না। আবার সত্যিসত্যিই যদি রোমহর্ষক ঘটনার সম্মুখীন হই, তা হলেও রণে ভঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যেতে লজ্জাবোধ করব না। আসলে আমাদের এই থাকাথাকির ব্যাপারটা ঠিক চ্যালেঞ্জের ব্যাপার নয়। স্রেফ সত্য যাচাই এবং কৌতূহল মেটানোর ব্যাপার।

    আমাদের আগ্রহ দেখে স্থানীয় লোকরাও অনেকে বারণ করলেন। সবাই বললেন, দরকার ভাই, সুখে থাকতে ভূতে কিলোবার? ভূত না থাকুক, গুণ্ডা-বদমাশ তো আছে? অযথা গোঁয়ার্তুমি করতে গিয়ে কেন বেঘোরে মরবেন? তার চেয়ে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে যান। এই বাড়িতে সত্যিই ভূতের উপদ্রব না হলে মাঠের মাঝখানে বাড়িটা কখনও এমনই পড়ে থাকে?”

    আমরা কিন্তু কারও কথাতেই কর্ণপাত করলাম না। যে যা বলল, তা কানখাড়া করে শুনে গেলাম। তাদের কথার গুরুত্ব দিয়ে ফিরে এলাম না। দিব্যি সেই পোড়ো বাড়ির ভেতর ঝিঁঝির ডাক শুনে, মশার কামড় খেয়ে রাতজাগা শুরু করলাম। মাঝে-মাঝে ভয় যে করছিল না, তা নয়। ভয় ছিল সাপের। হাজার হলেও বহুদিনের পোড়ো বাড়ি। তবু আমরা সাবধানতা অবলম্বন করেছিলাম। অর্থাৎ, বিকেলবেলা বাড়িতে ঢুকেই কার্বলিক অ্যাসিড ছড়িয়ে দিয়েছিলাম চারদিকে। মুরগির মাংস, রুটি আর সন্দেশ ছিল রাতের খাদ্য-তালিকায়। আর ছিল চা তৈরির সরঞ্জাম। তখন গ্রামেঘরে এখনকার মতো এত ব্যাপকভাবে স্টোভের প্রচলন ছিল না। তাই প্রচুর শুকনো নারকোল পাতা এনে রেখেছিলাম।

    আমরা চা খাচ্ছি। গল্প করছি আর ঘড়ি দেখছি—কখন সন্ধে হয়, কখন ভূত আসে। দেখতে-দেখতে সন্ধে উত্তীর্ণ হয়ে গেল। অন্ধকারে ঢেকে গেল চারদিক। আমরা অধীর আগ্রহে ভূতের প্রতীক্ষা করতে লাগলাম।

    রাত বারোটা। কোনও উপদ্রব নেই। ভয় নেই। ভূতেরা সাধারণত যা করে, অর্থাৎ গায়ের ওপর গরম নিশ্বাস ফেলা, খ্যাল-খ্যাল করে হাসা, হারিকেনের আলো নিভিয়ে দেওয়া, গায়ে ঘাস ছুড়ে মারা, কিছুই করল না। এমনকী হঠাৎ কোনও আর্তনাদ বা মড়াকান্নাও শুরু করল না কেউ। শুধু ভূত কেন, একটা শেয়াল-কুকুর পর্যন্ত ধারেকাছে এল না।

    রাত তখন একটা। তখনও কারও কোনও অস্তিত্ব অনুভব করলাম না। ইতিমধ্যে দু’ রাউন্ড চা-পর্ব শেষ হয়েছে আমাদের। সময় কাটাবার জন্য এবং একঘেয়েমির হাত থেকে বাঁচাবার জন্য আবার আমরা নারকোল পাতা জ্বালিয়ে চা তৈরি করে খাচ্ছি এমন সময় কোথা থেকে হঠাৎ আধপাগলা একজন লোক এসে হাজির হল সেখানে। ওর হাতে একটি কলাইয়ের মগ। সেটা এগিয়ে বলল, “আমাকে একটু চা দেবেন দাদাবাবু?” আমি বললাম, “কে বাবা তুমি?”

    লোকটি ফিক করে হেসে বলল, “আমি ভূত।”

    “ভূত!”

    “তবে আর বলছি কী? যাকে দেখবে বলে তোমরা এসেছ, আমিই সেই। কেমন দেখছ?”

    “ভালই। তা বাবা ভূতই যদি তুমি হুবে তো এইরকম ছিরি কেন তোমার? হাতের জায়গায় পা থাকবে। পায়ের জায়গায় হাত থাকবে। মুখটা হবে উলটোমুখো। গায়ে কোনও মাংস থাকবে না। নয়তো অর্ধেক শরীর দেখা যাবে, অর্ধেক অদৃশ্য থাকবে। তবে তো?”

    লোকটি হেসে অস্থির হয়ে বলল, “তবেই তোমরা ভূত দেখেছ। ও ভূত এখানে নেই বুঝলে? ও ভূত থাকে গল্পের বইতে। যাক, এখন আমাকে এক কাপ চা দাও দিকিনি।”

    আমাদের চা তখন তৈরি হয়ে গিয়েছিল। তাই থেকেই একটু দিলাম ওকে। লোকটি বেশ আয়েস করে চা খেতে খেতে বলল, “মেজাজ এসে গেল। কতদিন যে এমন চা খাইনি। ভাগ্যিস তোমরা এসেছিলে।”

    “আর একটু দেব?”

    “নাঃ, থাক। যাচ্ছিলুম এই পথ দিয়ে, আলো জ্বলছে দেখে ঢুকে পড়লুম।”

    “কিন্তু এত রাতে তুমি কোথায় যাচ্ছিলে?”

    “হাই দ্যাখো, ভূতেরা তো রাতবিরেতেই যায়-আসে গো। তা ছাড়া তাদের তো নির্দিষ্ট কোনও ঠিকানা থাকে না। তাদের কাজই হল ঘোরা।” বলে মগটি হাতে নিয়ে উঠে গেল লোকটি।

    অজয় বলল, “এ কী! তুমি চলে যাচ্ছ?”

    “যাব না তো কি বসে থাকব? আমার এখন অনেক কাজ।’

    “বেশ মজার লোক তো তুমি। যেই গরম চা পেটে পড়ল অমনই কেটে পড়ছ? একটু বোসো। গল্পসল্প করি।”

    “না রে ভাই, বসবার সময় নেই।”

    লোকটি উঠে দাঁড়িয়ে দরজার কাছ পর্যন্ত গেল।

    অজয় বলল, “শোনো।”

    লোকটি বলল, “আঃ! যাওয়ার সময় পিছু ডাকো”

    কেন?” সুশান্ত বলল, “আরে শোনোই না, একটা কথা বলি।” লোকটি ফিরে এসে বলল, “নাও, কী বলবে বলো।”

    “আমরা তো এ বাড়িতে এসেছি ভূত দেখতে। তা তুমি যখন বলছ তুমিই ভূত, তখন যাওয়ার আগে তোমার ভূতের খেলাটা একবার দেখিয়ে যাও না বাবা।”

    লোকটি হেসে বলল, “কী ছেলেমানুষি করছ তোমরা রাতদুপুরে? যাও, ঘরের ছেলে ঘরে যাও। ঘরে গিয়ে বিছানায় শুয়ে ভাল করে ঘুম দাও দিকিনি।” বলেই কোনওদিকে না তাকিয়ে হনহন করে চলে গেল লোকটি।

    আমরা টর্চের আলোয় অনেকক্ষণ ধরে লক্ষ করলাম, লোকটি অন্ধকারে বাইরে গিয়েই হঠাৎ মিলিয়ে যায় কিনা। কিন্তু না। সে দিব্যি খোশমেজাজে, কখনও বা নাচতে নাচতে দূরের গ্রামের দিকে চলে গেল।

    রাত দুটো। পাশের একটি বাদামগাছের ডাল থেকে একটা প্যাঁচা ডেকে উঠল শ-স–স। তারপর হঠাৎ প্যাঁচাটা দারুণ ভয় পেয়ে চিৎকার করতে করতে আমাদের ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ে ডানা ঝাপটে বারবার পাক খেয়ে ঘুরতে লাগল। সে এক বিতিকিচ্ছিরি ব্যাপার। তারপর আমাদের তাড়া খেয়ে আরও একপাক ঘুরে উড়ে গেল অন্ধকারে।

    রাত তিনটে। আমরা আর একবার চা খেলাম।

    ভোর পাঁচটা। সবে আলো ফুটি-ফুটি করছে। গাছের ডালে একটি-দুটি করে পাখি ডাকছে। কিন্তু কই? না এল কোনও ভূত, না কোনও জন্তু-জানোয়ার। আমরা নিজেরাই এবার দারুণ বিরক্তিতে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগলাম, “শুধু-শুধু এই গেঁয়ো ভূতগুলোর কথা শুনে রাতের ঘুম নষ্ট করে ভূত দেখতে না এলেই হত! কী দেখলাম? কিছুই তো না। মাঝখান থেকে মশার কামড় খেলাম। ঘুম হল না। শরীরও খারাপ হল। যত্তসব।”

    দেখতে-দেখতে ভোর হল। আমরা তল্পিতল্পা গুটিয়ে পোড়ো বাড়ির বাইরে চলে এলাম। বেশ কিছুটা পথ আসবার পর দেখলাম কমলেশ এবং গ্রামের দু-চারজন লোক আমাদের অবস্থা দেখবার জন্য এইদিকে এগিয়ে আসছে। কাছাকাছি এসে মুখোমুখি হতেই অবাক বিস্ময়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইল ওরা। এমনভাবে তাকাল, যেন আমাদের দেখেইনি কোনওদিন। ভয়, বিস্ময়, কী না ছিল ওদের চোখে? যেন আমরাই ভূত। তাই ভয়ে ভয়ে আমাদের ভূত দেখছে।

    একজন জিজ্ঞেস করলেন, “রাত্রে আপনারা ভয়টয় পাননি তো?”

    “না।”

    “তেনাদের কোনও উপদ্রব হয়নি?”

    “কিছু দেখেননি আপনারা?”

    “হ্যাঁ, দেখেছি আমরা। একটা ঘোড়ার মাথা আর হাতির মুণ্ডু।”

    “তা তো দেখবেনই বাবু। হাজার হলেও রাজারাজড়ার বাড়ি। হাতি-ঘোড়া কত কী ছেল।”

    আর-একজন বলল, “আরে বুঝছ না কত্তা। বাবুরা আমাদের বিদ্রুপ করছেন।”

    আমি রেগে বললাম, “করবই তো! শুধু শুধু তোমাদের বুজরুকিতে উত্তেজিত হয়ে এই যে একটা পোড়ো বাড়িতে ফালতু একটা রাত কাটালাম, এর খেসারত কে দেবে? এইভাবে মানুষকে ধাপ্পা দেওয়ার কোনও মানে হয়?”

    আর-একজন বলল, “ধাপ্পা দেব কেন? যা আমরা বরাবর শুনে আসছি, তাই বলেছি। তা ছাড়া আমরা তো আপনাদের পায়ে ধরে সাধতে যাইনি ওই বাড়িতে রাত কাটাবার জন্য। বরং আপনাদের ভালর জন্য আমরা বারবার বারণই করেছিলাম। আপনারা তো শুনলেন না। আমরা লোকের মুখের শোনা কথার ওপর ভিত্তি করে কেউ ঢুকি না ও বাড়িতে।”

    আমি বললাম, “বেশ। এবার আমরা ওই বাড়িতে এক রাত থেকে তো প্রমাণ করে দিলাম যে, তোমাদের শোনা কথার কাহিনীগুলো কত ভুল। এবার থেকে নির্ভয়ে যাবে ও বাড়িতে। ভূত তোমাদের ভয়ও দেখাবে না, মেরে ফেলবে না, খেয়েও নেবে না।”

    কমলেশ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “সবই তো হল। কিন্তু একটি রাতের ভুলের মাশুল যে তোদের কী কঠিন মূল্যে দিতে হল তা কি তোরা এখনও বুঝতে পারিসনি?” “কীরকম!”

    “তোরা একবার খুব ভাল করে নিজেদের চেহারাগুলোর দিকে তাকিয়ে দ্যাখ তো।”

    কমলেশের কথা শুনে আমরা সবাই সবাইয়ের দিকে তাকালাম। সত্যিই তো! এ কী চেহারা হয়েছে আমাদের? আমাদের বন্ধুদের মধ্যে অজয় ছিল অত্যন্ত রূপবান। কিন্তু তার সেই চাঁপাফুলের পাপড়ির মতো গায়ের রং হঠাৎ এত কালো হয়ে গেল কী করে? ওর বাঁশির মতো লম্বা নাকটা যেন টিয়াপাখির ঠোঁটের মতো বেঁকে গেছে। তা ছাড়া ওর দু’ কানে মাকড়ি, হাতে বালা কোত্থেকে এল? যেন অরণ্যবাসী এক ভিল যুবক। আর সুশান্ত? এই এক রাতে ওর মাথার চুলগুলো সব পেকে গেছে। ঠিক যেন আশি বছরের বুড়ো। গায়ের চামড়াতেও কোঁচ পড়েছে। সামনের সারির কয়েকটা দাঁত নেই। না, না। এ হতে পারে না। এ নিশ্চয়ই কোনও ইন্দ্রজালের ব্যাপার। এই যদি ওদের অবস্থা হয় তা হলে আমার অবস্থা কী হয়েছে? সামনে একটা আয়না থাকলে অবশ্যই নিজেকে দেখতাম। কিন্তু এ কী! আমার হাতে এত রক্ত এল কী করে? ঠিক মনে হচ্ছে আমি যেন কাউকে খুন করে এসেছি। তা ছাড়া আমার সেই জামা-প্যান্ট, জুতো কিছুই তো নেই। তার বদলে এ কী! ময়লা চিরকুট ভুটানিদের মতো পোশাক। পায়ে ছেঁড়া নাগরার জুতো। যেন এইমাত্র কোনও চা-বাগান থেকে বেরিয়ে এসেছি। সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার, আমার কোমরে একটা রং-চটা কলাইয়ের মগ ময়লা দড়ি দিয়ে বাঁধা। যে-মগটায় কাল রাতের সেই অদ্ভুত লোকটা চা খেয়ে সেটা হাতে নিয়েই চলে গিয়েছিল। এও কি সম্ভব?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    Next Article দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }