Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প437 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাত্রির যাত্রী

    বেশ কয়েক বছর আগেকার কথা। এক শীতের রাতে রাজীব আমাদের বাড়িতে এসে হাজির হল। খেয়েদেয়ে তখন শুতে যাচ্ছি। এমন সময় রাজীব এল। রাজীব আমার পুরনো বন্ধু। ব্যান্ডেলে থাকে। বললাম, “কী ব্যাপার, এমন সময় তুই হঠাৎ?”

    রাজীব হেসে বলল, “বলছি বলছি। এখন কী খেতে দিবি তাই বল। দারুণ খিদে পেয়েছে।”

    “কী খাবি বল? লুচি আর আলুভাজা খা বরং।”

    “ওরে বাবা। লুচি খেলে আমার অম্বল হয়। তুই ভাতের ব্যবস্থা কর।” “তা হলে স্টোভে ভাত বসিয়ে দিই। আর ডিমের ঝোল।”

    “অত ঝঞ্ঝাটের দরকার কী? ভাতের মধ্যে ডিম দিয়ে দে। ঘি থাকে তো আরও ভাল। গরম ভাতে ঘি মেখে ডিমসেদ্ধ দিয়ে চমৎকার খাওয়া হবে।” এই বলে জামাপ্যান্ট ছেড়ে লুঙ্গি আর সোয়েটার পরে আমার তক্তাপোশের বিছানায় লেপমুড়ি দিয়ে গা এলিয়ে দিল। তারপর বলল, “তুই তো দেশ-দেশান্তরে ঘুরিস। পাটনায় গেছিস কখনও?” “না। কেন বল তো?”

    “একটা অদ্ভুতুড়ে চিঠি এসেছে। আমাকে কালই পাটনা যেতে হবে। তুই যাবি ভাই আমার সঙ্গে? আমি তো কখনও বাইরে বেরোইনি। ছেলেবেলায় মা-বাবার সঙ্গে একবার দেওঘর গিয়েছিলাম।”

    বললাম, “যেতে আপত্তি নেই। কিন্তু আজকাল যা ট্রেনের অবস্থা তাতে বিনা রিজার্ভেশনে ট্রেনে ওঠাই তো মুশকিল।”

    “সে ভাবনা তোকে ভাবতে হবে না। আমার ছোট জামাইবাবু রেলের বুকিং ক্লার্ক। পাঞ্জাব মেলের দুটো বার্থের কথা তাকে বলে রেখেছি। এখন তুই যদি যাস তো ভাল হয়। না হলে আমাকে একাই যেতে হবে।”

    “কেন, কী ব্যাপার! হঠাৎ পাটনায় যাবি কেন? কী এমন চিঠি এল তোর?”

    “এই দেখ।” বলে উঠে গিয়ে হ্যাঙারে ঝোলানো ওর জামার পকেট থেকে একটা চিঠি এনে আমাকে দেখাল। “অন ইন্ডিয়া গভর্নমেন্ট সার্ভিস’ ছাপ দেওয়া একটা খাম। আমি সেটা হাতে নিয়ে তার ভেতর থেকে চিঠিটা বের করে পড়লাম। তারপর বেশ খুশির সঙ্গেই বললাম, “এ তো রেডিয়ো অফিস থেকে এসেছে। তুই রেডিয়োতে ভজন গাইবি বলে আবেদন করেছিলি, তাই ওরা তোকে ভয়েস টেস্টের জন্য ডেকেছে। কাল বাদে পরশু তোর টেস্ট। তার মানে কাল রাত্রে পাঞ্জাব মেলে যেতে পারলে পরশু ভোরে নামা। তারপর দুপুর দুটোয় পরীক্ষা দিয়ে সন্ধের সময় ট্রেনে চাপলে সকাল হলেই হাওড়ায়। মাত্র দু’-তিনদিনের মামলা।”

    “হ্যাঁ। মামলাটা দু’-তিনদিনের। কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে এই যে, আমি কলকাতা সেন্টার থাকতে পাটনায় ভয়েস টেস্ট দিতে যাব কেন? আর তার চেয়েও বড় কথা, রেডিয়োয় গান গাইবার জন্য আমি কোনও সময়েই কোনও আবেদন করিনি।”

    “তবে তো কথাই নেই। চিঠিটা ছিঁড়ে কুচিয়ে ফেলে দিয়ে দু’দিন এখানে বিশ্রাম নিয়ে গল্পেরই বই পড়। সিনেমা দেখ। এইসব কর।”

    “তাই করতাম। কিন্তু এইবার দ্যাখ। এই চিঠিটা পড়।” বলে আর একটা চিঠি আমার হাতে দিয়ে রাজীব আমার মুখের দিকে তাকিয়ে চুপচাপ বসে রইল।

    সে চিঠিটা এইরকম: “ভাই রাজীব, আমি অভিজিৎ, তোকে এই চিঠি লিখছি। তোর হয়তো আমার কথা মনে নেই। কিন্তু আমি তোকে ভুলিনি এখনও। স্কুলে লাস্ট বেঞ্চে বসে তুই গুনগুন করে গান গাইতিস, আর আমি মুগ্ধ হয়ে শুনতাম। একদিন এই গান গাওয়া নিয়ে চঞ্চলবাবু স্যার তোকে কী মার মেরেছিলেন মনে আছে তো? যাই হোক, আমি এখানে দরিয়াপুরে একটা পুরনো বাড়ি কিনেছি। এলাকাটা মুসলমানপ্রধান। সেটা কোনও ব্যাপার নয়। তোর বকলমে আমি এখানকার রেডিয়ো সেন্টারে একটা আবেদনপত্র পেশ করেছি। তুই আয়। আমার জানাশোনা লোক আছে। তোর হয়ে যাবে। এখানে দু’-চারটে কল পাওয়ার পর কলকাতা সেন্টারে তোর একটা ট্রান্সফারের ব্যবস্থা আমি করে দেব। শুনলুম এখনও বিয়ে করিসনি তুই। গর্দভ কোথাকার! যদি পারিস তো জহরটাকেও সঙ্গে আনিস। ওটাও তো তোর মতো। টো টো করে চারদিকে শুধু ঘুরে বেড়ায়।”

    চিঠিটা পড়ে আমি যারপরনাই অবাক হয়ে গেলাম। বললাম, “কী আশ্চর্য! এ তো আমারও নাম লিখেছে দেখছি। কিন্তু তুই আমি তো এক স্কুলে পড়তাম না। তবে এক কোচিং-এ পড়েছি। অভিজিৎ কে? ও নামে কাউকে কখনও চিনতাম বলেও তো মনে পড়ছে না।”

    “আমারও কিছু মনে পড়ছে না। কে অভিজিৎ? অথচ চিঠিটা এমনভাবে লেখা, যেন সে আমাদের দু’জনেরই অত্যন্ত পরিচিত।”

    “কেউ আমাদের ব্ল্যাকমেল করছে না তো?”

    “তাতে লাভ? আমরা তো টাকার থলি নিয়ে সেখানে যাচ্ছি না। আমাদের ব্ল্যাকমেল করে কী করবে?”

    “আমি বলি কি সাড়াশব্দ না করে চেপে যা ব্যাপারটা।”

    “দেখ ভাই, গান আমি অনেকদিন ছেড়ে দিয়েছি। কাজেই গাইতে পারব না। তানপুরা টানপুরা কিছুই আর নেই। তবুও বিশ্বাস কর, এই আমন্ত্রণে আমার রক্তে দোলা লেগেছে। দেখিই না একবার পরীক্ষাটা দিয়ে। যদি উতরে যাই? অবশ্য অভিজিতের ব্যাপারটা খুবই রহস্যময়। তবু ওর সঙ্গে দেখা করি। হয়তো কখনও না কখনও পরিচয় ছিল। কিন্তু আশ্চর্য এই যে, ও আমার ঠিকানা জানল কী করে? ব্যান্ডেলে আমরা নতুন গেছি বাড়ি তৈরি করে। এ ঠিকানা তো ওর জানবার কথা নয়।”

    “আমি তবুও বলছি, ও আশা ছাড়। বরং কোথাও বেড়াতে যেতে চাস তো চল ঘুরে আসি দু-চারদিন।”

    “তা হলে আমাকে একাই যেতে হচ্ছে।”

    “আঃ হা। তুই ভুল বুঝছিস আমাকে। আমি কি সেই কথাই বলছি? শুধু তাই নয়, তুই ভেবে দেখ, রেডিয়ো একটা সরকারি সংস্থা। অ্যাপ্লিকেশনে তোর নিজের সই নেই। অন্যে তোর হয়ে সই করেছে। অথচ তুই ওই জাল আবেদনপত্রের ডাকে পরীক্ষা দিতে যাবি। এটা  কি একটা দু’–নম্বরি ব্যাপার নয়? ধরা পড়লে কিন্তু কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে।” “হয় হবে। তবু যাব। এবং দেখব অভিজিৎটা কে?” “চল তবে।”

    “আমি মুখে ওকে বারণ করলেও কৌতূহল আমারও বড় কম ছিল না! সে রাতটা দু’বন্ধুতে গল্পগুজবে কাটিয়ে পরদিন সকালে রিজার্ভেশনের জন্য গেলাম। টিকিটের অবশ্য অসুবিধে হল না। ওর ছোট জামাইবাবুর সৌজন্যে ফাইভ আপে দুটো বাৰ্থ পেয়ে গেলাম। সঙ্গে টাকাকড়িও নিলাম বেশি করে। ঠিক হল পাটনার কাজ শেষ হলে রাজগির কিংবা বেনারসে গিয়ে কাটিয়ে আসব কয়েকটা দিন। এখন অঘ্রানের শেষ। এই কনকনে শীতে বিহার ইউ. পি.র দর্শনীয় স্থানগুলি ঘুরে বেড়াতে মন্দ লাগবে না!

    সে কী দারুণ আনন্দ! পরদিন রাতের গাড়িতে পাটনা কোচের থ্রি-টায়ারে শুয়ে হোটেলের কষা মাংস আর তন্দুরি রুটি খেতে খেতে মনে হল, যেন বদ্ধ খাঁচা থেকে মুক্ত হওয়া পাখির মতো ডানা মেলে উড়ছি। প্রচণ্ড শীতের দাপটটাকে ঢাকতে সারা গায়ে কম্বল মুড়ি দিয়ে ট্রেনের দোলায় দুলতে দুলতে কখনও জেগে, কখনও ঘুমিয়ে এক অপূর্ব নিশিযাপন করতে লাগলাম।

    শেষ রাত্রে ট্রেন পাটনা জংশনে এল। আমরা কনকনে শীতের মধ্যে ট্রেন থেকে নেমে প্ল্যাটফর্মের ওভারব্রিজ পার হয়ে ওপারে গেলাম। তারপর গেটে টিকিট জমা দিয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীর ওয়েটিংরুমে গিয়ে দাঁড়ালাম। চারদিকে লোকজন। কোথাও পা রাখার জায়গা নেই। এই দারুণ শীতে কাঁথা কম্বল মুড়ি দিয়ে মেঝেতেই শুয়ে আছে সব।

    আমরা অযথা এদিক-সেদিক পায়চারি করতে লাগলাম। বসবার জায়গা না পেয়ে স্টেশনের বাইরে এসে স্টেশনের কাছে একটা চায়ের দোকানে চায়ের অর্ডার দিলাম। বাইরে তারা-ঝলমলে শেষরাতের আকাশ। আলোকমালায় সজ্জিত পাটনা শহর। সত্যি বলতে কি সেই প্রচণ্ড শীতে কাঁপতে কাঁপতে এই নতুন পরিবেশে এইরকম একটি মুহূর্তে গাঢ় দুধের তৈরি গরম চা ভাঁড়ে করে খেতে যে কী আরাম পেয়েছিলাম, তা বলে বোঝাতে পারব না। আমরা যখন চা খাচ্ছি তখন হর্ন বাজিয়ে একটা সাইকেল রিকশা এসে আমাদের সামনে

    দাঁড়াল, “আইয়ে বাবু রাজেন্দ্রনগর?”

    আমরা বললাম, “রাজেন্দ্রনগর নয়। দরিয়াপুর।” “চলিয়ে।”

    চা খাওয়া শেষ করে দাম মিটিয়ে বললাম, “যাব। কিন্তু এত অন্ধকারে নয়। ভোরবেলা যাব।”

    “এখন গেলে কি হোবে? সামান্য দুটো টাকার লোভে আপনাদের অন্য কোথাউ লিয়ে গিয়ে কি খুন করিয়ে ফেলব?”

    “না না। তা বলছি না। মানে নতুন আসছি তো! এখন গেলে ঠিকানা খুঁজে বাড়ি চিনতে অসুবিধে হবে।”

    “কুছু ওসুবিধা হোবে না আপনাদের। অভিজিৎবাবুর কাছে যাঁরা আসেন তাঁদের কোনও ওসুবিধা হামি করে না।”

    আমরা দু’জনেই চমকে উঠলাম। বললাম, “তুমি কী করে জানলে আমরা অভিজিৎবাবুর কাছে যাচ্ছি?”

    “উনি হামাকে বোলে রেখেছিলেন দু’জন বাঙালি ছোকরা হামার বাড়িতে আসবে। তাদের কোনও ওসুবিধা যাতে না হয় সেইভাবে এখানে লিয়ে আসতে।”

    “কিন্তু আমরা যে এই গাড়িতেই আসব তোমার অভিজিৎবাবু তা জানলেন কী করে?”

    “অভিজিৎবাবুর কাছে যাঁরা আসেন তাঁরা রাতের গাড়িতেই আসেন বাবু।”

    “অ। তা আমরাই যে সেই লোক তুমি জানলে কী করে?”

    “হামি যখন রাজেন্দ্রনগর বোললাম আপনারা তখন দরিয়াপুর বোললেন। তাতেই বুঝলাম, আপনারা তারাই।”

    আমরা দু’জনে পরস্পরের দিকে একবার তাকিয়ে চোখে চোখে সম্মতি জানিয়ে রিকশায় উঠে বসলাম।

    আলোকোজ্জ্বল পাটনা শহরের বুকে রাত্রির যাত্রী আমরা প্রচণ্ড শীতে কাঁপতে কাঁপতে রিকশায় চলেছি। রিকশা সমানে ভেঁপু বাজিয়ে দ্রুতগতিতে এ-পথ সে-পথ করে দরিয়াপুরের দিকে এগিয়ে চলল। এইভাবে অনেকটা পথ যাওয়ার পর বড় রাস্তা ছেড়ে বস্তি অঞ্চলের গলিতে ঢুকল রিকশা। এতক্ষণ তবু পথেঘাটে দু’-একজন মানুষ বা কোনও না কোনও যানবাহন নজরে পড়ছিল। দোকানপাট বন্ধ থাকলেও রোড লাইটে পথঘাট উজ্জ্বল ছিল । এখন এই গলির নরকে শুধু অন্ধকার আর অন্ধকার। এ-গলি সে-গলি করে কোথায় যে নিয়ে চলল সে, তা কে জানে? তারপর একটা বাড়ির সামনে এসে অনবরত ভেঁপু বাজাতে লাগল।

    আমরা বললান, “এই বাড়ি নাকি?”

    “হ্যাঁ। এই বাড়ি। ইয়ে মকান অভিজিৎবাবুকা।

    আমরা তখন দরজায় কড়া নেড়ে ডাকতে লাগলাম, “অভিজিৎ। অভিজিৎ।” দু-একবার ডাকার পরই ভেতর থেকে সাড়া পাওয়া গেল।

    “হ্যাঁ। এক মিনিট দাঁড়া।”

    আমরা দরজা খোলার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে রইলাম। এমন সময় হঠাৎ খেয়াল হল, রিকশাটা নেই। তাই তো! গেল কোথায়? ভাড়াও তো দেওয়া হয়নি। চেয়ে দেখলাম রিকশাটা গলির বাঁকে হারিয়ে যাচ্ছে।

    এমন সময় দরজা খুলে গেল। কেউ একজন হাসিমুখে বলল, “ভেতরে আয়।”

    ভুল হচ্ছে হয়তো। অভিজিৎকে না চেনার কারণও আছে অবশ্য। ওর সারা গায়ে কম্বল মুড়ি দেওয়া ছিল । মাথায় ছিল মাঙ্কি ক্যাপ। শুধু ওর চোখ দুটি বোঝা যাচ্ছিল।

    আমরা অভিজিৎকে চিনতে পারলাম না। বুঝলাম কোথাও একটা

    যাই হোক, অভিজিতের পেছন পেছন আমরা ঘরে ঢুকে সোফায় বসলাম। ঘরের দেওয়ালে অনেক আঁকা ছবি টাঙানো আছে। অভিজিৎ হেসে বলল, “ওগুলো আমারই আঁকা।”

    আমি বললাম, “তোমার চিঠি পেয়েই আমরা চলে এসেছি। কারণ রেডিয়ো প্রোগ্রামের তারিখ আজই। অথচ আশ্চর্য দেখো, তোমার কথা আমরা ভুলেই গিয়েছিলাম। সত্যি বলতে কি এখনও চিনতে অসুবিধে হচ্ছে তোমাকে।”

    “চা না কফি?”

    রাজীব বলল, “এই তো চা খেয়ে এলাম। তবে যা দারুণ ঠাণ্ডা, তাতে এবার একটু কফি  হলে মন্দ হয় না।”

    অভিজিৎ উঠে গেল। তারপর আমাদের দু’জনের জন্য দু’ কাপ কফি নিয়ে চলে এল সঙ্গে ক্রিমক্র্যাকার বিস্কুট। আশ্চর্য! কফিও কি আমাদের জন্য তৈরি ছিল? অভিজিৎ বলল, “খুব অবাক হয়ে যাচ্ছিস না? মুখটা ঠিক মনে করতে পারছিস না। ভাবছিস কে না কে নকশা করছে হয়তো।”

    আমি বললাম, “ঠিক তাই।”

    অভিজিৎ বলল, “আজকে এই ট্রেনে এসেই ভাল করেছিস তোরা। না হলে পরে এলে দেখা হত না। হঠাৎ একটা দরকারি কাজ পড়ে যাওয়ায় একটু পরেই আমাকে দানাপুর চলে যেতে হবে। সেজন্য অবশ্য তোদের থাকার কোনও অসুবিধে হবে না। আমি চাবি দিয়ে যাব। তোরা বাইরে যাওয়ার সময় মেন গেটে তালা দিয়ে চলে যাস। অনেক হোটেল আছে এখানে। যেখানে হোক খেয়ে নিয়ে ঠিক দুটোর সময় রেডিয়ো স্টেশনে চলে যাবি। তবে ভাই একটা কথা। আমার ওপর রাগ করে কাজ মিটে গেলে চলে যাস না যেন। আমি সন্ধের সময় ফিরব। তারপর তিন বন্ধুতে রান্না-খাওয়া করে হইহল্লায় কাটিয়ে দেব সারাটি রাত।”

    রাজীব কফি খেতে খেতে বলল, “তা তো বুঝলাম। কিন্তু ভাই একটা কথা। এখানকার অ্যাপ্লিকেশনে যে সিগনেচার করা আছে তার সঙ্গে তো আমার সই মিলবে না। এতে কোনও অসুবিধে হবে না তো?”

    “না না। কোনও অসুবিধে হবে না। ওখানে গিয়ে ঝাজির খোঁজ করবি। ঝাজি সব জানে। তাকে বলবি আমি পাঠিয়েছি তোকে। আর কেউ কিছু জিজ্ঞেস করবে না।”

    আমাদের কফি খাওয়া যখন শেষ হল তখন একটু একটু করে ভোরের আলো ফুটে উঠছে। অভিজিৎ উঠে দাঁড়িয়ে বলল, “কিছু মনে করিস না ভাই, আমি চলি। আর আমার থাকার উপায় নেই। আমি ওদিক দিয়ে দরজায় শিকল এঁটে চলে যাচ্ছি। তোরা বাইরের দরজায় তালা দিয়ে যাস। এই নে তালাচাবি।”

    আমরা হাত পেতে তালাচাবি নিলাম।

    “একটা দিন একটু মানিয়ে নে। নিতান্ত নিরুপায় হয়ে আমাকে যেতে হচ্ছে।” বলে ভেতরে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল অভিজিৎ।

    আমরা দু’জনে চুপচাপ বসে রইলাম কিছুক্ষণ। তারপর বাইরে বেরিয়ে দেখলাম জল কল খাটা পায়খানা সবকিছুরই ব্যবস্থা আছে। আমরা দাঁত মেজে মুখহাত ধুয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে মেন গেটে তালা দিয়ে বাইরে এলাম। সবে সকাল ছ’টা। ভয়েস টেস্ট দুপুর দুটোয়। যার আতিথ্যে এলাম সে-ই যখন নেই তখন মিছিমিছি এখানে বসে থেকে সময় নষ্ট করে লাভ কী? তার চেয়ে পাটনা শহরটা একটু ঘুরে বেড়িয়ে দেখে নিই। পাটনা তো আমাদের কাছে পাটনা নয়। পাটলিপুত্র। মগধের রাজধানী। সেই চোখ নিয়ে দেখতে হবে। দু’ টাকা ঘণ্টা হিসাবে একটা রিকশা ভাড়া করে গোটা শহরটা আমরা প্রদক্ষিণ করতে লাগলাম। অনেক ঘোরাঘুরির পর মহেন্দ্রনগরে এসে আমরা রিকশা ছাড়লাম। এখানে এসে অনেকক্ষণ ধরে দোতলার বারান্দায় বসে গঙ্গার সৌন্দর্য দেখলাম। তারপর একটা হোটেলে খেয়ে ঠিক দুটোর সময় এসে হাজির হলাম পাটনা বেতার কেন্দ্রে।

    আমরা অফিসঘরে গিয়ে কাগজ জমা দিতেই ওখানকার ইনচার্জ একবার তাকিয়ে দেখলেন আমাদের দিকে! তারপর হেসে বললেন, “কে পাঠিয়েছে আপনাদের, অভিজিৎবাবু?”

    আশ্চর্য তো! লোকটা জানল কী করে! বললাম, “হ্যাঁ, অভিজিৎবাবু আমাদের পাঠিয়েছেন। তবে আপনাদের চিঠি পেয়েই আমরা এসেছি। আপনি কি ঝাজি?”

    “জি হ্যাঁ। কোথা থেকে আসছেন আপনারা?”

    “এখন অভিজিৎবাবুর বাড়ি থেকে আসছি।”

    “হুঁ। তা বলুন, আমি কী করতে পারি আপনাদের জন্য?”

    “কী আর করবেন? আমার বন্ধু রাজীব পাটনা বেতার কেন্দ্র থেকে গান গাইবে। ওর ভয়েসটা টেস্ট করে ছেড়ে দিন।”

    “আপনারা কলকাতায় কোথায় থাকেন?”

    “আজ্ঞে ঠিক কলকাতায় নয়। আমি থাকি হাওড়ায়। আর আমার এই বন্ধুটি থাকেন ব্যান্ডেলে।”

    ঝা’জি বললেন, “কিন্তু যে চিঠি আপনারা এনেছেন সেই চিঠির ওপর ভরসা করে কি আমি আপনার বন্ধুর ভয়েস টেস্ট করতে পারি?”

    ‘কেন পারেন না? এ তো আপনাদেরই দেওয়া চিঠি।”

    “স্বীকার করলাম। কিন্তু এতে রাজীববাবুর নাম কোথায়? এ তো অন্য নাম দেখছি।”

    “তার মানে? আমরা দু’জনেই চিঠিটার ওপর ঝুঁকে পড়ে দেখলাম তাতে পরিষ্কার লেখা আছে আমার নাম। বললাম—কী ব্যাপার! আমার নাম কেন? আমি তো গানই গাইতে পারি না। তা ছাড়া আমি কোনও আবেদনও করিনি।”

    “আবেদন তো উনিও করেননি। ওঁর হয়ে অভিজিৎবাবু করেছিলেন।”

    “সে যেই করুক। এই চিঠি যখন হাতে পেয়েছিলাম আমরা, তখনও কিন্তু রাজীবের নামই লেখা ছিল এতে।”

    “তা হলে কি বলতে চান আমি কোনও কারসাজি করেছি এতে?”

    “না না সে কী কথা।” বলে বললাম, “আচ্ছা খামটা একবার দেখি?”

    “ঝা’জি আমাদের খাম দিলে তাতেও আমার নাম এবং বাড়ির ঠিকানা দেখে অবাক হয়ে গেলাম। কী আশ্চর্য! এই ঠিকানায় চিঠি এলে সে চিঠি তো আমি পেতাম। ব্যান্ডেলে বসে রাজীব পাবে কেন? এই শীতেও আমাদের কপালে ঘাম দেখা দিল।

    ঝা’জি কঠিন গলায় বললেন, “গভর্নমেন্টকে চিট করতে আসার জন্য আমি আপনাদের দু’জনকেই পুলিশে দেব।”

    আমরা সভয়ে বললাম, “ঝা’জি, প্লিজ। আপনি বিশ্বাস করুন, আমরা জোচ্চোর নই। আসলে আমরা বোকা বনে গেছি। কেউ আমাদের বিপদে ফেলবে বলে এই টোপ ফেলে এ কাজ করেছে।”

    ঝা’জি হেসে বললেন, “যাক, আপনাদের অবস্থা দেখে খুব হাসি পাচ্ছে আমার। তবু আপনাদের জন্য মায়াও হচ্ছে। ঠিক আছে। রাজীববাবু, আপনি এক কাজ করুন, ব্যাক ডেটে একটা অ্যাপ্লিকেশন করুন। তারপর দেখছি আপনার ভয়েসটা টেস্ট করে আপনার জন্য কিছু করতে পারি কিনা।”

    রাজীব তাই করল।

    ঝা’জি ওকে নিয়ে গেলেন স্টুডিয়োর ভেতরে। তারপর প্রায় আধঘণ্টাটাক বাদে যখন ফিরে এলেন তখন রাজীবের মুখ বেশ প্রসন্ন।

    ঝা’জি বললেন, “আপনার অ্যাপ্লিকেশন ফর্মে আপনি অভিজিৎবাবুর ঠিকানাটাই দিয়েছেন তো?”

    রাজীব বলল, “হ্যাঁ।”

    “ঠিক করেছেন। কেননা ওয়েস্ট বেঙ্গল থেকে এসে পাটনায় অডিশন দেওয়া বা প্রোগ্রাম পাওয়া যায় না। তবে আপনার কেসটা আলাদা। আপনি ফর্মের পেছনে আপনার ব্যান্ডেলের ঠিকানাটা লিখে দিন। পাশ করলে বা প্রোগ্রাম পেলে চিঠি দেব। মনে হচ্ছে আপনার হয়ে যাবে। আপনার জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব। তবু আমি তো ফাইনাল অথরিটি নই। ইতিমধ্যে বাড়ি ফিরে গিয়ে বেশ পুরোদমে সঙ্গীতচর্চা চালিয়ে যান। যদি পাশ করে যান তা হলে খুব শিগগিরই গাইতে আসতে হবে।”

    আমরা বললাম, “প্রোগ্রাম পেলে কতদিন বাদে পাওয়া যাবে।”

    “তা মাসতিনেকের মধ্যে।”

    আমরা নমস্কার জানিয়ে উঠতেই ঝা’জি বললেন, “কোথায় যাবেন এখন?” “এখন আর যাব কোথায়? অভিজিতের ওখানেই যাব।”

    ঝা’জি বললেন, “আপনারা দেখছি রীতিমতো সম্মোহিত হয়েছেন। আচ্ছা, আপনাদের কি একবারের জন্যও মনে হল না যে, এই নামে আপনাদের কোনও বন্ধু নেই।”

    অমাবস্যার মতো অন্ধকার হয়ে গেল আমাদের মুখ। ঝা’জি এ-কথা জানলেন কী করে? সত্যিই তো, এ নামে তো আমাদের কোনও বন্ধু নেই। আমরা কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম, “কী ব্যাপার বলুন তো?”

    “তার আগে বলুন আপনারা এসেছেন কখন? কোন গাড়িতে?”

    “পাঞ্জাব মেলে। ভোরবেলায়।”

    “ওর বাড়িতে গিয়েছিলেন?”

    “আজ্ঞে হ্যাঁ।”

    “খুব বরাতজোর যে, ভোরবেলা গেছেন। না হলে রাত্রে গিয়ে ওর সঙ্গে সারারাত থাকলে পাগল হয়ে যেতেন।”

    “সে কী!”

    আরে মশাই, অভিজিৎ বলে কেউ ওখানে থাকে না । তবে একসময় থাকত। আমার বিশেষ বন্ধুলোক ছিল। আজ থেকে প্রায় সাত-আট বছর আগে ওই বাড়িটা কেনার পরই ও এক বিশেষ সম্প্রদায়ের লোকের হাতে খুন হয়। আসলে যে বাড়িটা ও কিনেছিল সেটা ছিল মুসলমানদের বাড়ি। ভাল করে কাগজপত্র খতিয়ে না দেখে কেনার ফলে অন্য এক শরিক এসে ওকে খুন করে। তারপর থেকে প্রায়ই দেখা যায় ছ’মাস এক বছর অন্তর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বেছে বেছে বাঙালি ছেলেমেয়েদের এইভাবে উড়ো চিঠি দিয়ে ও এখানে ডেকে আনছে। এবং ওর অলৌকিকত্বর নিদর্শন হিসেবে প্রতিবারই দেখা যাচ্ছে পরীক্ষার্থী তার কাগজ জমা দেওয়ার পর কাগজে হয় অন্য নাম-ঠিকানা ফুটে উঠেছে, নয়তো কাগজ একদম সাদা হয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে আমরা তিতিবিরক্ত হয়ে গেছি ভাই। এমনিতে অভিজিৎ খুবই ভাল ছেলে ছিল । গানবাজনা করত। ছবি আঁকত। তা যাক, আপনারা যেন ভুলেও ও বাড়িতে রাত কাটাতে যাবেন না। সোজা স্টেশনে গিয়ে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে যান।”

    আমরা কালবিলম্ব না করে স্টেশনে চলে এলাম, এবং বেশি টাকা দিয়ে সিক্স ডাউনের পাটনা কোচে দুটো স্লিপার বার্থ রিজার্ভ করে সে রাতেই পালিয়ে এলাম। ঝাজি অবশ্য কথা রেখেছিলেন। কিছুদিন পরেই ভদ্রতা করে সরকারিভাবে চিঠি দিয়ে রাজীবকে পাটনা বেতার কেন্দ্রের ভয়েস টেস্টে উত্তীর্ণ হতে না পারার কথাটা জানিয়ে দিয়েছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    Next Article দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }